১৯০৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর, ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়ের সম্পাদনায় কলকাতার প্রথম সান্ধ্যকালীন পত্রিকা 'দৈনিক সন্ধ্যা'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৯০৫ সালে কলকাতা শহরে প্রথম টেক্সি চলে।
১৯০৫ সালের ৫ মার্চ, কলকাতা শহরে প্রথম আঞ্জুমান মফিজুল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯০৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে লর্ড-কার্জেনর বক্ততার প্রকাশ্যে নিন্দা করা হয়।
১৯০৫ সালের ৩১ আগষ্ট, বৃটিশ পার্লােমন্টে বঙ্গভঙ্গ বিল পাস হয়।
১৯০৫ সালের ১৭ অক্টোবর, বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'বাংলার মাটি বাংলার জল' গানটি রচনা করেন।
১৯০৭ সালের ১০ মার্চ, ব্রহ্মবান্ধব ভবানীচরন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক 'স্বরাজ' পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়।
১৯০৮ সালের ১৫ জুন, কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ চালু হয়।
১৯০৯ সালের ১২ অক্টোবর, কলকাতায় অনুশীলন সমিতি নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।
১৯০৯ সালের ১৮ নভেম্বর, শুধু পশ্চিমবঙ্গের নয়, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাবার পানির ট্যাংক কলকাতার টালা ট্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালের ১৮ নভেম্বর: কলকাতার টালা পানির ট্যাংকের শতবর্ষ পালিত হয়।
১৯১০ সালের ১৬ আগষ্ট, কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' প্রথমবারের মতো প্রকাশিত।
১৯১০ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ভারতের প্রথম বিমান উড্ডয়ন প্রদর্শিত হয়।
১৯১১ সালের ১৬ মার্চ, কলকাতায় ১৭ লর্ড সিনহা রোডে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস হাইস্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১১ সালের ৪ অক্টোবর, ''কলকাতায় বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতি'' প্রতিষ্ঠা।
১৯১১ সাল পর্যন্ত ভারতবর্ষের রাজধানী কলকাতা ছিল।
১৯১১ সালে কলকাতা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট গঠিত হয়।
১৯১১ সালে টালা ট্যাঙ্ক তৈরী হয়। ট্যাঙ্কটি ১১০ ফুট উ'চুতে অবস্থিত। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম জলাধার।
১৯১২ সালের ১ এপ্রিল, ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তর করা হয়।
১৯১৩ সালের ১ মে, বিখ্যাত শিশু পত্রিকা 'সন্দেশ'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৯১৩ সালের ২৮ জুলাই, কলকাতায় বঙ্গীয় কৃষকলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৩ সালে কলকাতা শহরে সিমেনা তৈরী হয়।
১৯১৩/১৪ সালে চায়নাবাসী প্রথম রিক্মা চালায়, ১৮৭০ সালে জাপান প্রথম রিক্মা তৈরী করে।
১৯১৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, এশিয়াটিক সোসাইটির অঙ্গ হিসেবে কলকাতা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় কলকাতা শহরে ইংরেজরা রাস্তার মোরে মোরে ফ্রি চা পান করায়।
১৯১৪ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় শিল্প চর্চা এবং চিত্রশিল্পের অগ্রগতির লক্ষ্যে আটসএকর ফাউন্ডেশন।
১৯১৬ সালের ১৬ এপ্রিল, রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীয় ভিত্তিপস্তর স্থাপন করেন।
১৯১৯ সালের ৩ জুলাই, বিশ্বভারতীর যাত্রা শুরু হয়।
১৯২০ সালে দমদম বিমান বন্দর তৈরী হয়।
১৯২০ সালের ১২ জুলাই, কাজী নজরুল ইসলাম ও মোজাফফর আহমদের সম্পাদনায় দৈনিক 'নবযুগ' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯২০ সালে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় মসজিদ নাখোদা মসজিদ স্থাপিত হয়।
১৯২০ সালের ২০ জুলাই, এ. কে. ফজলুল হকের সম্পাদনায় 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকার প্রকাশনা শুরু।
১৯২০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, কলকাতায় কংগ্রেসের এক বিশেষ অধিবেশনে-কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে গান্ধীর অসহযোগ নীতি অনুমোদন করে।
১৯২১ সালে কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল উদ্ভোধন হয়।
১৯২২ সালের ১২ আগষ্ট, কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় 'ধুমকেতু" পত্রিকার প্রকাশনা শুরু।
১৯২২ সালে কলকাতা শহরে প্রথম বিমান উড়ে।
১৯২২ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংরক্ষণে নিখিল ভারত বঙ্গসাহিত্য সম্মেলন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২৩ সালের ২৩ অক্টোবর, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ 'ফরওয়ার্ড' পত্রিকা প্রকাশ করেন।
১৯২৪ সালে রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা কপোের্রশন প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯২৪ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ সর্বপ্রথম কলকাতা কপোের্রশনের মেয়র ছিলেন।
১৯২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর, কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২৬ সালে হুগলী নদীর নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ করা হয়েছিল টেলিফোনের লাইন নেয়ার জন্য।
১৯২৬ সালের ১২ আগস্ট, 'লাঙল' পত্রিকার নাম পাল্টে 'গণবাণী' রাখা হয়।
১৯২৭ সালের ২৬ আগষ্ট, কলকাতায় প্রথম বেতার কেন্দ্র 'ইন্ডিয়ান ব্রডকাষ্টিং সার্ভিস' চালু।
১৯২৭ সালে বিমান পরিবহন শুরু হয়।
১৯২৮ সালে কলকাতার এলবার্ট হলে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কাজী নজরুল ইসলামকে 'জাতীয় কবি' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। সুভাষচন্দ্রের বক্তব্য ছিল কারাগারের ভেতরে বা বাইরে বৃটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে সব সময় নজরুলের কবিতা ও গান হিন্দু-মুসলিম নির্বিেশষে সকলকে সর্বািধক প্রেরণা যুগিয়েছে। বাংলা সাহিত্যের দুই বড় কবি রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল।
১৯২৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর, মুজাফফর আহমদের উদ্যোগে 'শ্রমিক কৃসক দল'-এর তিন দিনব্যাপী প্রথম সর্ব-ভারতীয় কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়।
১৯২৯ সালের ১ জুলাই, নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতি গঠিত হয়।
১৯২৯ সালের ১ আগষ্ট, আকাশবাণীর পাক্ষিক পত্রিকা 'বেতার জগৎ'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর, কলকাতায় কবি নজরুল ইসলামকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়।
১৯৩১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, কলকাতায় নির্মিত প্রথম সবাক চলচ্চিত্র 'ভবানী পতি' মুক্তিলাভ
১৯৩১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, কলকাতায় মুসলিম ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৯৩১ সালের ১১ এপ্রিল, কলকাতায় প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র 'জামাই যষ্ঠী' মুক্তি পায় এবং সিনেমা হলে প্রদর্শিত হয়।
১৯৩১ সালে কলকাতায় প্রথম "আলম আরা'' নামে সবাক ছবি নির্মাণ করা হয়।
১৯৩২ সালের ২৪ জুলাই, কলকাতায় রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়।
১৯৩৩ সালের ২৩ নভেম্বর, বঙ্কিমচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় বিখ্যাত সাহিত্য সাপ্তাহিক 'দেশ'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৯৩৪ সালের ৫জানুয়ারি,কলকাতার ইডেন গার্ডেেন ভারত-ইংল্যান্ড প্রথম টেষ্ট ক্রিকেট শুরু।
১৯৩৫ সালের ১ এপ্রিল, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক স্থাপিত হয়।
১৯৩৭ সালের ফেব্রুয়ারি আরম্ভ হয়, ১৯৪৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, একটা ট্রামগাড়ী চালিয়ে হাওড়া ব্রীজের উদ্বোধন করা হয়।
১৯৩৯ সালের ১৪ মার্চ, কলকাতায় 'নাট্যনিকেতন' রঙ্গমঞ্চের উদ্ভোধন হয়।
১৯৪১ সালের ২৮ মার্চ, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু কলকাতা থেকে গোপনে বার্লিন পৌঁছেন।
১৯৪২ সালের ২৮ মার্চ, কলকাতায় ফ্যাসিষ্টবিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪২ সালের ১০ জুলাই, দূরারোগ্য ব্যাধিতে কাজী নজরুল ইসলাম চিরতরে বাকরুদ্ধ হন।
১৯৪২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, কলকাতায় পূর্ব-পাকিস্তান রেনেসা সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪২ সালের ১৯ অক্টোবর,চলচ্চিত্র বিষয়ক প্রথম বাংলা মাসিক পত্রিকা 'চিত্রপঞ্জি'র প্রকাশনা
১৯৪২ সালের ২০ ডিসেম্বর, গভীর রাতে কলকাতায় জাপানী বিমানের হামলা।
১৯৪৩ সালের ২ জুন, ভারতীয় গণনাট্য সংঘের জন্ম, কলকাতা শহরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। তখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রখে দাড়াতে মানুষের পাশে দাড়ানোই ছিল ভারতীয় গণনাট্য সংঘের কাজ।
১৯৪৩ সালের ৫ ডিসেম্বর, জাপানী জঙ্গী বিমান কলকাতায় বোমা হামলা চালায়।
১৯৪৫ সালের ১ আগষ্ট, দাসব্যবসা কলকাতায় আইন করে বন্ধ করা হয়।
১৯৪৫ সালের ২১ নভেম্বর, ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে এবং 'আজাদ হিন্দ' ফৌজের বন্দীদের মুক্তির দাবিতে কলকাতা ছাত্র সোভাযাত্রায় যোগ দিয়ে পুলিশের গুলিতে ছাত্রকর্মী রামেশ্বর ও আবদুল সালাম নিহত হন।
১৯৪৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর, ভারতের 'দৈনিক স্বাধীনতা' পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়।
১৯৪৬ সালের ২৯ জুলাই, কলকাতায় বড় হরতাল হয়।
১৯৪৬ সালের আগষ্ট মাসে কলকাতায় প্রথম হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা শুরু হয়। এ দাঙ্গা এক বছর চলে এবং হিন্দু-শিখ সন্ত্রাসীদের হাতে ৫০ হাজার মুসলমান মারা যায়। হিন্দু সাংবাদিকদের হিসাবে ৫ হাজার লোক নিহত হয়েছিল ও ১৫ হাজার আহত হয়। স্টেটসম্যান পত্রিকার হিসাব অনুযায়ী ২০ হাজার লোক হতাহত হয়। (বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস: ড. মুহম্মদ আবদুর রহিম)।
১৯৪৭ সালের ২৫ অক্টোবর, ক্যালকাটা ফিল্ম সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৭ সালের ২১ নভেম্বর, স্বাধীন ভারতে প্রথম ডাকটিকেট প্রবর্তিত হয়।
১৯৫০ সালের ১২ জানুয়ারি, নোবেল জয়ী মহিলা বিজ্ঞানী ইরেন জুলিওকুরি কলকাতায় ক্যান্সার হাসপাতাল উদ্বোধন করেন।
১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি, ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বািচত হন।
১৯৫০ সালের ৭ অক্টোবর, মাদার তেরেসা কলকাতায় 'মিশনারিজ অব চ্যারিটি'র প্রতিষ্ঠা।
১৯৫২ সালে প্রথম চলচ্চিত্র উৎসব হয়।
১৯৫৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, কলকাতায় জাতীয় গ্রন্থাগারের উদ্বোধন করা হয়।
১৯৫৫ সালের ২৬ আগষ্ট, সত্যজিত রায়ের কালজয়ী ছবি 'পথের পাঁচালী' কলকাতায় সর্ব প্রথম মুক্তি পায়।
১৯৫৮ সালের ৩ মার্চ, প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন চলে হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল পর্যন্ত।
১৯৫৯ সালের ৩১ আগষ্ট, কলকাতায় খাদ্যেরদাবীতে কৃষকদের মিছিলে পুলিশের গুলীতে ৮০-ব্যক্তি নিহত হন।
১৯৬১ সালে রবীন্দ্রসদন তৈরী হয়।
১৯৬২ সালের ৮ মে, ভারতের কলকাতায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।
১৯৬৪ সালের জানুয়ারি মাসে, ক্যালকাটা পেইন্টারস যাত্রা করেছিল।
১৯৭০ সালে ক্যালকাটা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি গঠিত হয়।
১৯৭৫ সালের ৯ আগষ্ট, কলকাতায় দুরদর্শন কেন্দ্র চালু হয়।
১৯৮০ সালে অটোরিক্সা চলে।
১৯৮২ সালের ৩১ মার্চ, শিয়ালদহে উড়াল পুল নির্মিত হয়।
১৯৮৪ সালের মে মাসে, পাতাল রেল চালু হয়। এসপল্লুনেড থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত।
১৯৮৪ সালের ১৬ আগষ্ট, প্রিন্সেস ঘাট থেকে উল্টাডাঙ্গা পর্যন্ত চক্ররেল চলে।
১৯৮৪ সালের ২৪ অক্টোবর, কলকাতায় ভারতের প্রথম ভূগর্ভস্থ রেলব্যবস্থা চালু।
১৯৮৫ সালের ২৪ অক্টোবর, কলকাতায় ভারতের প্রথম ভূগর্ভ রেল চালু হয়।
১৯৮৬ সালের ২০ মে, পশ্চিমবঙ্গে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৮ সালের হিসাব অনুসারে খোদ কলকাতা শহরে রয়েছে ২,২২০টি নোটিফায়েড বস্তি যাতে ১৭ লাখ লোকের বাস। পুর এলাকার ১৪১টি ওয়ার্ডের মাত্র ২টি ছাড়া সব ওয়ার্ডেই বস্তি আছে।
২০০২ সালে কলকাতা শহরে প্রায় ৪,০০০ হাজার রাস্তা বেয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে ১ কোটিরও বেশী মানুষ।
১৭-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: কলকাতাতেই আছে কলকাতা: কলকাতা শহরে রোড দুর্ঘটনায় প্রতি বছর মৃত্যুবরণ করে ৪০০ থেকে ৫০০ জন।
২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জোর করার জের। লড়াকু মোরগটি ছিল ক্লান্ত। আরেক দফা লড়াইয়ের ইচ্ছা ছিল না তার। কিন্তু মোরগটির মালিক ও প্রশিক্ষক সিংরাই সরেন নাছোড়-লড়তেই হবে তাকে। এ নিয়ে জোরাজুরির একপর্যােয় খেপে যায় মোরগ। মনিবের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সে। এ সময় পায়ের সঙ্গে বাঁধা ধারালো ক্ষুরের পোঁচ লাগে মনিবের গলায়। এতে মারা যান সিংরাই সরেন। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মোহনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। লড়াইয়ে নেমেছে পায়ে ক্ষুর বাঁধা দুই মোরগ।
২০১১ সালের ১৫ মার্চ, প্রথশ আলো: চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ভারতের মোবাইল ফোনের গ্রাহকসংখ্যা ৭৭ কোটি ১১ লাখ ৮ হাজার। এখন ফিক্সড ফোন নিয়ে গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৪১ লাখ তিন হাজার। অমর সাহা, কলকাতা।
২০১১ সালের ১৮ মার্চ, প্রথম আলো: ২০০৮-এর আস্থা ভোটে ঘুষের অভিযোগ। মনমোহনের পদত্যাগের দাবিতে লোকসভায় হট্টগোল।
২০১১ সালের ১ এপ্রিল, প্রথম আলো: ভারতের ১৫তম জাতীয় আদমশুমারির রিপোর্ট: ভারতের জনসংখ্যা ১২১ কোটি দুই লাখ। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ বছরে দেশটির জনসংখ্যা বেংড়েছে ১৮ কোটি। বৃদ্ধির হার ১৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ২০০১ সালে এ বৃদ্ধির হার ছিল ২১ দশমিক ১৫ শতাংশ। বর্তমান জনসংখ্যার মধ্যে ৬২ কোটি ৩৭ লাখ পুরুষ এবং ৫৮ কোটি ৬৫ লাখ নারী। ভারতের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা উত্তর প্রদেশে এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্রে। জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি দিল্লির উত্তর-পূর্বের জেলাগুলোর প্রতি বর্গিকলোমিটারে ৩৭ হাজার ৩৪৬ জন এবং সবচেয়ে কম অরুণচল প্রদেশের দিবা উপত্যকায় প্রতি বর্গিকলোমিটারে বাস করে একজন। পশ্চিমবাংলার জনসংখ্যা হলো ৯ কোটি ৪৭ লাখ। কেরলার শিক্ষার হার শতকরা ৯৩ ভাগ এবং পশ্চিমবাংলার শিক্ষার হার ৭৭ ভাগ। গড় শিক্ষার হার ৬৯ ভাগ।
২০১১ সালের ১৪ মে, প্রথম আলোঃ পরিবর্তন-পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান মমতার জোট বিজয়ী। 'পশ্চিমবঙ্গ স্বাধীন হয়েছে'। মমতার আগে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন যথাক্রমে প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষ(১৯৪৭-৪৮), বিধান চন্দ্র রায়(১৯৪৮-৬২), প্রফুল্ল চন্দ্র সেন(১৯৬২-৬৭), অজয় কুমার মুখার্জি (মার্চ ১৯৬৭ থেকে নভেম্বর ১৯৬৭), প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষ (১৯৬৭-৬৮), অজয় কুমার মুখার্জি (১৯৬৭-৭১), সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় (১৯৭২-৭৭), জ্যোতি বসু (১৯৭৭-২০০০) ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (২০০০ থেকে ১৯-০৫-২০১১) এবং কুমারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (২০১১ সালের ২০ মে থেকে ২৬-০৫-২০১৬ তারিখ পর্যন্ত আবার দ্বিতীয় টার্মের শুরু ২৭-০৫-২০১৬ তারিখ কলকাতার প্রশস্ত রেড রোডের মুক্তমঞ্চে দেশ-বিদেশের কয়েক হাজার অতিথির সামনে দ্বিতীয়বারের মতো পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তৃণমুল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী গতকাল শুক্রবার(২৭-০৫-২০১৬ তারিখ) বেলা পৌনে একটায় মমতাকে শপথবাক্য পাঠ করান। মমতা ঈশ্বর ও আল্লাহর নামে শপথ নিয়েছেন। এবারই প্রথা ভেঙ্গে রাজভবনের চৌহদ্দির বাইরে বেরিয়ে এসে প্রথম রাজপথেশপথ নিয়ে নতুন নজির তৈরি করেছেন মমতা।
২০১১ সালের ২৭ মে, প্রথম আলো: ১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ১১-০৪-২০১৬ এ পর্যন্ত ৬৯ বছরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ১৫ জন নারী মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ৩৫ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দেশ ভারতে। প্রথমজন ছিলেন উত্তর প্রদেশের সুচেতা কৃপালিনী আর সর্বেশষ পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দোপাধ্যায়।
২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর, প্রথম আলো: উত্তর প্রদেশ ভেঙে চারটি রাজ্য হবে: মায়ামতী। মায়ামতী জানান, নতুন চারটি রাজ্যের নাম হবে-পূর্বঞ্চল প্রদেশ, বুন্দেলখন্ড প্রদেশ, আওয়াধ প্রদেশ ও পশ্চিম প্রদেশ।
২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ভারতের কলকাতার এএমআরআই হাসপাতাল সিলগালা। হাসপাতালে অগ্নিকান্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯০ জনে।।
২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ভারতে প্রতিবছর দুর্নীিত দ্বিগুণ হচ্ছে। ১৯৯০ সালে ভারতে কালো পাকার পরিমাণ ছিল ৩১ হাজার ৫৪৬ কোটি রুপি। ২০০০ সালে কালো টাকার পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৫ হাজার কোটি রুপি। আর ২০১০ সালে কালো টাকার পরিমাণ হলো-চার লাখ ৬১ হাজার ৫৪৮ কোটি রুপি।
২০১৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: মন্ত্রিসভায় অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন: ভারতে ধর্ষেণর শাস্তি মৃত্যুদন্ড।
২০১৪ সালের ২৮ মার্চ, প্রথম আলো: অবসর ভাতা চান তাঁরা। ভারতের স্বাধীনতা-আন্দোলনের নেতা সুভাষ চন্দ্র বসু ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করেন। তাঁর ওই বাহিনীতে যোগ দেন শত শত ভারতীয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর বছরগুলোতে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মির যেসব কর্মকর্তা ও সেনা পূর্ব রণাঙ্গনে জাপানিদের হাতে ধরা পড়েন, পরে তাঁরা সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। আজাদ হিন্দ ফৌজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ গ্রঠনে সহায়তা করেন তাঁরা। বার্ম, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় বসবাসরত তামিলরা বড়স সংখ্যায় আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগ দেন। কয়েকজন বাঙালি ছাড়া ''রানি অব ঝাঁসি রেজিমেন্ট'' নামে পরিচিত একটি নারী ব্যাটালিয়নের সব সদস্যই ছিলেন তামিল। ভারতের স্বাধীনতার পর পেরুমাল ও মুথুভেলের মতো হাজারো মানুষ মিয়ানমারে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৭০ সালে ভারত সরকার আজাদ হিন্দ ফৌজের সদস্যদের প্রতি মাসে প্রায় ২৪১ ডলার করে অবসরভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন মিয়ানমারে থেকে যাওয়া বাহিনীর প্রবীণ সদস্যরা। সে সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অবসরভাতা দেয়া হবে কেবল ভারতীয় নাগরিকদের। যাঁরা ভারতের বাহিরে থাকেন, তাঁদের এই সুবিধা দেওয়া হবে না।