১৮৩৬ সালের ২১ মার্চ, কলকাতায় প্রথম গণগ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৩৮ সালে দিয়াশলাই তৈরী হয়।
১৮৩৯ সালের ১৪ জুন, ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৩৯ সালের ২৯ নভেম্বর, গৌরীশংকর তর্কবাগীশের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক 'সংবাদ রসরাজ' প্রকাশিত হয়।
১৮৪০ সালে ইডেন উদ্যান স্থাপিত হয়।
১৮৪২ সালে প্রথম লবন তৈরী হয়।
১৮৪৩ সালের ৩০ জানুয়ারি, চৌরঙ্গীর বিশপ হাউসে চীনের নিংপো শহর থেকে এক বিরাট আকারের ঘন্টা কলকাতায় আনা হয়।
১৮৪৪ সালে প্রথম ডাক্তারী শিক্ষার জন্য গোপালচন্দ্র শীল, ভোলানাথ বসু, সুর্য কুমার চক্রবর্তী ও দ্বারকানাথ বসু এরা বিলেতে যান।
১৮৪৬ সালের ২১ জানুয়ারি, চার্লস ডিকেন্স সম্পাদিত 'দি ডেইলি নিউজ' প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৮৪৬ সালের ১১ জুন, মৌলভী ফরিদউদ্দিন খাঁর সম্পাদনায় বহুভাষিক সাপ্তাহিক সংবাদপত্র 'জগদ্দীপক ভাস্কর'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৪৬ সালের ১১ জানুয়ারি, নন্দকুমার কবিরত্নের সম্পাদনায় পাক্ষিক পত্রিকা 'ধর্মানুরঞ্জিতা'র প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৪৭ সালের ১২ জানুয়ারি, ভারতের গবর্নর জেনারেল হয়ে লর্ড ডালহৌসি কলকাতায় আসেন।
১৮৪৮ সালের ১২ জানুয়ারি, ভারতের গভর্নর জেনারেল হয়ে লর্ড ডালহৌসি কলকাতায় আসেন।
১৮৪৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, কলকাতায় সাপ্তাহিক সংবাদপত্র 'সংবাদ অরুনোদয়'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৫০ সালের ৫ নভেম্বর, কলাকাতা থেকে ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত প্রথম টেলিগ্রাফ লাইনের কাজ শুরু হয়।
১৮৫০ সালের ৬ নভেম্বর, কলকাতায় বেথুন বালিকা বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৮৫০ সালে কলকাতা থেকে কানপুর ঘোড়ার গাড়ীতে ডাক যেত।
১৮৫১ সালের ১৩ মে, শ্রপতি মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় 'পাক্ষিক জ্ঞানদর্শন' পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৫১ সালের ২৪ অক্টোবর, কলকাতা ও ডায়মন্ড হারবারের মধ্যে সংযোগের মাধ্যমে ভারতে প্রথম বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ লাইন চালু হয়।
১৮৫১ সালের ২৯ অক্টোবর, 'ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান এসোসিয়েশন অব বেঙ্গল' প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি, ইষ্ট-ইন্ডিয়ান রেলওয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।
১৮৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, কলকাতায় খ্রিষ্টান শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণের জন্য নর্মাল স্কুল স্থাপিত।
১৮৫৩ সালে ভারতবর্ষেও কলকাতা শহরে চালু হয় ল্যান্ডফোন।
১৮৫৩ সালে কলকাতা থেকে হাওড়া যাতায়াত করত নৌকা দিয়ে গঙ্গা পার হত।
১৮৫৪ সালে প্রথম ডাকটিকিট বিক্রি শুরু হয়।
১৮৫৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, সাপ্তাহিক সংবাদ দিনকর-এর প্রকাশনা শুরু।
১৮৫৪ সালের ১৫ জুন, কলকাতায় ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্যোগে ''প্রেসিডেন্সি কলেজ'' স্থাপিত হয়।
১৮৫৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, চিত্রশিল্পী নুমার উদ্দিন অঙ্কিত অবিভক্ত বাংলার প্রথম ডাকটিকেট বিক্রি শুরু হয়।
১৮৫৪ সালের ১ অক্টোবর, ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসনামলে পাশ হলো "ইম্র্পিরয়াল পোষ্ট-অফিস এ্যাক্ট''।
১৮৫৪ সালের ১ অক্টোবর, ভারতবর্ষে সরকারীভাবে ডাকটিকেট ব্যবস্থা চালু হয়।
১৮৫৫ সালের ১৩ এপ্রিল, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত 'বর্ণ পরিচয়' প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৮৫৫ সালের ৩০ জুন, প্রথম সাওতাল বিদ্রোহ শুরু হয়। এ বিদ্রোহ ভারতবর্ষে প্রথম ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ।
১৮৫৫ সালের ১৭ জুলাই, পাঠশালার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের তত্ত্বাবধানে নর্মাল স্কুল স্থাপিত হয়।
১৮৫৫ সালের ৪ অক্টোবর, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ভারতবর্ষে হিন্দু সমাজের বিধবাবিবাহ আইন প্রবর্তন হয়।
১৮৫৫ সালে দক্ষিণেশ্বরের মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই, কলকাতায় বিধবা-বিবাহ আইন পাশ হয়।
১৮৫৬ সালের ২৪ নভেম্বর, কলকাতায় কলেজ অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর কার্যক্রম শুরু।
১৮৫৬ সালের ৭ ডিসেম্বর, হিন্দু সমাজে আনুষ্ঠানিকভাবে বিধবা বিয়ের প্রচলন শুরু হয়।
১৮৫৬ সালে ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের উদ্যোগে বিধবা-বিবাহ প্রথা চালু হয়।
১৮৫৬ সালে কলকাতায় প্রথম বিধিসম্মত বিধবা-বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়।
১৮৫৭ সালের ২৪ জানুয়ারি, ''কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়'' প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৮৫৭ সালের ৪ মার্চ, কলকাতা টাউন হলে ফটোগ্রাফির সোসাইটি অব বেঙ্গল-এর আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু।
১৮৫৭ সালে বাঙলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসঃআলালের ঘরের দুলাল:রচয়িতা-প্যারীচাঁদ মিত্র। রচনাকাল-১৮৫৭ সাল।
১৮৫৭ সালে কলকাতায় পথের আলো জ্বলেছিল ঠিকই, তা ছিল গ্যাসের আলো।
১৮৫৭ সালে বৃটিশ-ভারতে সর্বপ্রথম আবহাওয়া দপ্তর স্থাপন করা হয়।
১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর, তারকচন্দ্র চুড়ামনির সম্পাদনায় সাপ্তাহিক 'ভারতীয় সমাচার পত্র'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৮৫৮ সালের ১৫ নভেম্বর, পন্ডিত দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক সংবাদপত্র 'সোম প্রকাশ'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৫৮ সালে সিন্ডিকেটের সভায় গৃহীত এক প্রস্তাবে-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম র্গযাজুয়েট ও সঙ্গী র্গযাজুয়েট যদুনাথ বসু। উভয়েই পরীক্ষায় ফেল করেছিল এবং দু'জনকেই ''এজ এ স্পেশাল এক্ট অব গ্রেস" দিয়ে পাশ করানো হয়েছিল। তাঁরাই ভারতবর্ষের প্রথম গ্রাজুয়েট।
১৮৫৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর মাসিক পত্রিকা 'পূর্ণিমা' প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৮৬১ সালের ১ আগষ্ট মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অর্থানুকূল্যে ও মনমোহন ঘোষের সম্পাদনায় পাক্ষিক 'ইন্ডিয়া মিশনের' প্রকাশনা শুরু।
১৮৬২ সালের মে মাসে, কলকাতা শহরে হাওড়ার রেলের ১২(বারো) শ্রমিক আট ঘন্টা কাজের দাবিতে ধর্মঘট করেন।
১৮৬২ সালে কলকাতায় প্রথম ''ফুটপাত'' ওল্ডকোর্ট হাউস স্ট্রীটে তৈরী হয়।
১৮৬২ সালে কলকাতায় হাইকোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৬২ সালে প্রথম মুদ্রা তৈরী হয়।
১৮৬৩ সালের ২ এপ্রিল, কলকাতায় মহামেডান লিটারারী সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৬৩ সালের ৩০ নভেম্বর, উমাচরন ভট্টাচার্য মুদ্রিত মাসিক পত্রিকা 'সচিত্র ভারত সংবাদ'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৬৩ সালে কলকাতায় দুই ব্রিটিশ ফটোগ্রাফার গড়ে তোলেন 'হাওয়ার্ড অ্যান্ড বোর্ন' নামের একটি ফটোগ্রাফি স্টুডিও। পরের বছর হাওয়ার্ড বোর্নের সঙ্গে যুক্ত হন চার্লস শেফার্ড নামের আরেক ফটোগ্রাফার। তখন এ প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ হয় 'হাওয়ার্ড, বোর্ন অ্যান্ড শেফার্ড'। পরে স্যসমুয়েল বোর্ন ও চার্লস শেফার্ডের সঙ্গে হাওয়ার্ডের মতপার্থক্য সৃষ্টি হলে ১৮৬৪ সালে হাওয়ার্ড ব্যবসা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তখন এটির নাম হয় 'বোর্ন অ্যান্ড শেফার্ড'। এর পরই শুরু হয় বোর্ন অ্যান্ড শেফার্ডের ঐতিহাসিক পথচলা। কালের বিবর্তেন সেই স্টুডিওটিই এখন পরিণত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ফটোগ্রাফি স্টুডিওতে। 'বোর্ন অ্যান্ড শেফার্ড' কলকাতায় বিশ্বের প্রাচীনতম ফটো স্টুডিও।
১৮৬৪ সালের ৩০ নভেম্বর, উমাচরণ ভট্টাচার্যের সম্পাদনায় মাসিক পত্রিকা 'সচিত্র ভারত সংবাদ'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৬৬ সালের ৭ জানুয়ারি, কলকাতায় প্রথম আদমশুমারি শুরু হয়।
১৮৬৬ সালের ১১ নভেম্বর, কেশবচন্দ্র সেনের নেতৃত্বে কলকাতায় আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৬৪-১৮৭২ সালের মধ্যে তৈরী হয় জেনারেল পোষ্ট অফিস।
১৮৬৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, বাংলা সাপ্তাহিক হিসেবে অমৃত বাজার পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৮৬৮ সালে টাটা প্রোফাইলে দেখা যায়, ভারতে টাটা বাণিজ্য সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন ঘটে জামশেদজী নুসারধাঞ্জি টাটা'র হাত ধরে ব্যবসা শুরু। ১৮৭৪ সালে ভারতের কলকাতা শহরে প্রথম টাটা শিপিং, উইভিং ও ম্যানুফেকচারিং লিমিটেড কোম্পানী গঠন করে টাটা পরিবার। (বর্তমানে ভারতের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বা টাটা গ্রুপ)।
১৮৬৮ সালে রসগোল্লার উৎপত্তি এ নিয়ে বিতর্ক চলছে-কলকাতা না ওডিশা। ২০১৫ সালের ৪ আগস্ট, প্রথম আলো : রসগোল্লার উৎপত্তি নিয়ে বিতর্ক। রসগোল্লার উৎপত্তি পশ্চিম বাংলা নাকি ওডিশায়, তা নিয়ে ভারতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওডিশা সরকার দাবি করছে, রসগোল্লার উৎপত্তি সেখানেই-বাংলায় নয়। এ নিয়ে পেটেন্ট করাতে চায় ওডিশা। খবর বিবিসি বাংলার। পশ্চিমবঙ্গে রাজধানী কলকাতার ময়রা নবীনচন্দ্র দাশ ১৯৬৮ সালে প্রথম রসগোল্লা উদ্ভাবন করেন বলে অনেক ইতিহাসবিদ স্বীকৃতি দিয়েছেন। তবে ওডিশা গবেষকরা দাবি করছেন, সেখানকার পুরী নগরে অবস্থিত জগন্নাথ দেবের মন্দিরের ভোগে রসগোল্লার ব্যবহার শত শত বছর ধরে প্রচলিত। কিন্তু কলকাতার ময়রাসমাজ ওডিশার ওই যুক্তি মানতে নারাজ। ওডিশার গবেষকরা বলেছেন, রসগোল্লা বাংলায় গেছে উডিয়াদের হাত ধরেই। তাই রসগোল্লার উৎপত্তি ওডিশায় হলেও তা জনপ্রিয় হয়েছে বাংলায়। অসিত মোহান্তির ওই দাবি মানতে রাজি নন নবীনচন্দ্রের চতুর্থ প্রজন্মের উত্তরসূরি ধীমান দাশ। তিনি দাবি করেন, কলকাতার বাগবাজার থেকেই রসগোল্লঅর জন্ম হয়েছে। আমার ধারণা ছিল-১৮৮৩ সালে নবীন চন্দ্র দাস প্রথম রসগোল্লা আবিস্কার করেন কলকাতা শহরের বাগবাজারে আর ১৮৬৮ সালে মিষ্টির উৎপত্তি হয় কলকাতা শহরে।
১৮৬৯ সালে শিয়ালদহ রেল ষ্টেশন তৈরী হয়।
১৮৭০ সালের ২০ জানুয়ারি, বেঙ্গল গেজেট প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৮৭০ সালের ১৩ এপ্রিল, মহিলা সম্পাদিত প্রথম বাংলা পাক্ষিক সংবাদপত্র 'বঙ্গ মহিলা'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৮৭০ সালের ২৭ আগষ্ট, ভারতের প্রথম শ্রমিক সংগঠন "শ্রমজীবী সংঘ'' গঠিত হয়।
১৮৭০ সালের ২ নভেম্বর, কেশব চন্দ্র সেনের উদ্যোগে 'ভারত সংস্কার সভা' গঠন।
১৮৭০ সালে পোর্ট ট্রাস্ট গঠিত হয়।
১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর, বাংলায় প্রথম জাতীয় নাট্যশালা 'ন্যাশনাল থিয়েটার' প্রতিষ্ঠিত।
১৮৭৩ সালে প্রথম কলকাতায় রঙ্গ-মঞ্চে মেয়েরা এসেছেন।
১৮৭৪ সালে কলকাতা নিউমার্কেট প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে "অমৃত বাজার'' পত্রিকার সম্পাদক শিশির কুমার ঘোষের উদ্দ্যোগে "ইন্ডিয়া লীগ'' প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭৬ সালে প্রথম চিড়িয়াখানা স্থাপিত হয় ৪৮-একর জমিতে।
১৮৭৬ সালের ৬ এপ্রিল, কলকাতা সিটি কপোের্রশন অনুমোদিত হয়।
১৮৭৭ সালের ১২ মে, ভারতীয় মুসলমানদের প্রথম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান কলকাতায় কেন্দ্রীয় ন্যাশনাল মোহামেডান এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭৭ সালের ২৯ জুলাই, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় 'সাহিত্য-দর্শন-বিজ্ঞান' বিষয়ক মাসিক পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৭৮ সালের ১ এপ্রিল, কলকাতা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭৮ সালের ২৭ এপ্রিল, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় নারী শিক্ষা অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।
১৮৭৮ সালের ১৪ মে, প্রতাপচন্দ্র মজুমদারের সম্পাদনায় মহিলা পাঠকদের পত্রিকা 'পরিচারিকা'র প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৭৮ সালের ১৫ মে, কলকাতায় সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭৮ সালের ২৯ মে, শিবনাথ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় পাক্ষিক সংবাদপত্র 'তত্ত্ব কৌমুদী'র প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৭৯ সালের ৪ মার্চ, নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে কলকাতায় 'বেথুন কলেজ' প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭৯ সালের ৪ মার্চ, ব্রিটেনের বাইরে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে প্রথম মহিলা কলেজ কলকাতায় 'বেথুন কলেজ' প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭৯ সালের ৯ মে, নারী সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কেশবচন্দ্র সেনের উদ্যোগে 'আর্য নারী সমাজ' প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৮০ সালের ১ নভেম্বর, কলকাতায় প্রথম ঘোড়ায় টানা ট্রাম সার্ভিস চালু হয়।
১৮৮০ সালের ৩১ ডিসেম্বর, ভারতবর্ষে প্রথম ডাকঘরে মানিঅর্ডার প্রথা চালু হয়।
১৮৮১ সালে প্রথম টেলিফোন চালু হয়।
১৮৮১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত ভারতে কলকাতায় প্রথম হোমিওপ্যাথিক কলেজ স্থাপিত হয়।
১৮৮১ সালের ৮ নভেম্বর, সিদ্দেশ্বর মুখোপ্যায়ের সম্পাদনায় বালক-বালিকাদের উপযোগী সাপ্তাহিক 'আর্যকাহিনী'র প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৮২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, প্রথমবারের মতো কলকাতায় পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত।
১৮৮২ সালের ৩১ মার্চ, কলকাতায় টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু হয়।
১৮৮২ সালের ১৯ এপ্রিল,কলকাতায় ইডেন হাসপাতালে ভারতের প্রথম প্রসূতিসদন চালু হয়।
১৮৮৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, তারকানাথ কুন্ডু'র সম্পাদনায় সাপ্তাহিক 'ভারতদর্পণ'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৮৩ সালে কলকাতায় সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় এক আন্তর্জািতক প্রদর্শনীর আয়োজন হয়।
১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর, ভবতারিনী (মৃনালিনী) দেবীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিয়ে হয়।
১৮৮৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, স্টার থিয়েটারে নটী বিনোদিনী অভিনীত চৈতন্যলীলা শ্রীরামকৃঞ্চ দেখেন।
১৮৮৫ সালের ১৪ জুন, বাংলা ভাষায় প্রথম চারুকলা বিষয়ক পত্রিকা 'শিল্প পুস্পাঞ্জলি'র প্রকশনা শুরু হয়।
১৮৮৬ সালের ২ জানুয়ারি, ফটোগ্রাফিক অব বেঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৮৬ সালের ২০ জানুয়ারি, প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক 'অমৃত বাজার' প্রত্রিকার প্রকাশনা শুরু।
১৮৮৮ সালের ১৯ অক্টোবর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৮৮ সালের ৬ নভেম্বর, কলকাতা থেকে বাণিজ্যিক পত্রিকা 'ক্যাপিটাল'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৮৮৯ সালের ১১ জুলাই, অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল টুর্নােমন্ট শুরু হয়।
১৮৮৯ সালে খিদিরপুর অঞ্চলেও দাসব্যবসা জমে ওঠে।
১৮৮৯ সালে সর্বভারতীয় হিন্দুদের মুসলিম বৈরিতার প্রেক্ষিতে কলকাতায় রাজনীতি বিমুখ স্যার সৈয়দ আহমাদও রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য ইউনাইটেড ন্যাশনাল ডিফেন্স এসোসিয়েশন গঠন করেন।
১৮৯০ সালের ১ জানুয়ারি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালী উপাচার্য নিযুক্ত হন স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৮৯০ সালের ১৬ মে, ব্রাহ্ম মহিলা সমাজের উদ্যোগে কলকাতায় ব্রাহ্মবালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর,সচিত্র বাংলা মাসিক পত্রিকা 'চিত্রদর্শন'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৯১ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪(চার) গুণ।
১৮৯১ সালে কলকাতা মুহাম্মদ স্পোটিং ক্লাব গঠিত হয়।
১৮৯২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, মৌলভী আবুল হাসান খান, ৮নং সৈয়দ সালি লেন-এ 'দা ক্যালকাটা মুসলিম অরফ্যানেজ'টি প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৯৩ সালের ২৩ জুলাই, 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের' আদিরূপ বেঙ্গল অ্যাকাদেমি অব লিটারেচার প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৯৪ সালের ৩০ এপ্রিল, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৯৭ সালের ১৩ জানুয়ারি, চারুকলাবিষয়ক পত্রিকা শিল্পতত্ত্ব ও পুস্পাজ্ঞলি প্রকাশিত হয়।
১৮৯৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর, ভারতবর্ষের প্রথম চলচ্চিত্র 'কোকোনাট ফায়ার'মুক্তি লাভ করে।
১৮৯৭ সালে কলকাতায় পৌঁছেছিল ডানলপ কোম্পানির নথিপত্র প্রমাণ করে যে ভারতের প্রথম মোটর গাড়িটি।
১৮৯৮ সালের ৪ এপ্রিল, বাংলা চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র প্রদর্শন করেন।
১৮৯৮ সালের ১৭ এপ্রিল, ভারতের কলকাতা শহরে প্রথম "নির্বাক সিনেমা'' দেখানো হয়।
১৮৯৯ সালের ১৭ এপ্রিল, কলকাতায় প্রথম বিদ্যুত সরবরাহ শুরু হয়।
১৮৯৯ সালে নতুন কাষ্টম হাউস নির্মিত হয়।
১৮৯৯ সালে ভারতবর্ষের কলকাতা শহরে প্রথম ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম চালু হয়।
১৯০১ সালের ১২ আগস্ট, বিপিনচন্দ্র পাল সাপ্তাহিক 'নিউ ইন্ডিয়া' প্রকাশনা করেন।
১৯০২ সালের ২৪ মার্চ, বাংলায় অনুশীলন সমিতি গঠিত হয়।
১৯০২ সালের ৮ এপ্রিল, ভারত উপমহাদেশে প্রথম কলকাতায় মূক ও বধির স্কুল প্রতিষ্ঠিত।
১৯০২ সালে এইচ.এম.ভি. কোম্পানী কলকাতা শহরে প্রথম গানের রেকর্ড করা শুরু করে শিল্পী গহরজানকে দিয়ে।
১৯০২ সালে খিদিরপুর বাবুবাজার থেকে প্রথম বিদুৎতের দ্বারা ট্রামগাড়ী চালানো হয়।
১৯০৪ সালের ২৮ আগষ্ট, কলকাতা থেকে ব্যারাকপুর পর্যন্ত ভারত উপমহাদেশে প্রথমবারের মত গাড়ী র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।