২০১৩ সালের ২৮ আগস্ট, প্রথম আলো: শেয়ারবাজারে ধস নামায় বিমর্ষ একজন ভারতীয় কারবারি। ভারতের শেয়ারবাজারে ধস। অব্যাহত দরপতনে এখন ৬৬ রুপিতে ১ ডলার।
২০১৩ সালের ২৮ আগস্ট, প্রথম আলো: লোকসভায় বহুল আলোচিত খাদ্যনিরাপত্তা বিল পাস। ভারতের ৮০ কোটি দরিদ্র লোককে খুব সস্তায় খাদ্যেশস্য দেওয়া হবে। পরিকল্পনা বাস্তাবায়নে বছরে ১.৩ ট্রিলিয়ন রুপি ব্যয় হবে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট দরিদ্র জনগোষ্ঠীর এক-ততীয়াংশের বাসই জনবহুল ভারতে। সোনিয় গান্ধী বলেন, 'কিছু মানুষ প্রশ্ন করছেন-এ ধরনের একটি কর্মসূচির জন্য আমাদের যথেষ্ট সম্পদ আছে কি না? আমি বলতে চাই, প্রশ্নটি সম্পদের নয়; এর জন্য আমাদেরকে সম্পদের ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা এটা পারি কি না, প্রশ্ন সেটা নয়। আমাদের এটা করতেই হবে। খাদ্য নিরাপিত্তা বিলে প্রতি কেজি চাল তিন রুপি এবং প্রতি কেজি গম দুই রুপি দরে সরবরাহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০১৩ সালের ২৯ আগস্ট, প্রথম আলো: ভারতে প্রতি ডলার এখন ৬৮.৮০ রুপি।
২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: ভারতে ৫০ বছরে দুশতাধিক ভাষা লোপ পেয়েছে-চার বছর ধরে চালানো সমীক্ষার ফল।
২০১৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ভারতে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ৫৫ কোটি ৪৮ লাখ। এর মধ্যে ২৯ কোটি ৮০ লাখ ব্যবহারকারী রযেছেন গ্রামাঞ্চলে। তবে ভারতে মোবাইল সিমকার্ডের সংখ্যা ৬৪ কোটি ৩৪ লাখ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৪ কোটি ৩২ লাখ। -অমর সাহা, কলকাতা। আরেক সংবাদে দেখলাম মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্য ৮৭ কোটি।
২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ভারতের বিদেশি ঋণের বোঝা ৩৯ হাজার কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা ভারতীয় মুদ্রায় ২১ লাখ ১৯ হাজার ৬২০ কোটি রুপি।
| কলকাতা শহরের কিছু জানা তথ্য এখানে বর্ণনা করা হল: ২৭৮ বর্গমাইল বা ৪৩৮ বর্গিকলোমিটার |
১৬৮৬ সালের ২০ মার্চ, কলকাতার সুতানটি গ্রামে প্রথম ব্রিটিশ পতাকা উত্তোলিত হয়।
১৬৮৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর, জবচার্ণক সুতানটি গ্রামে প্রথম এসেছিলেন।
১৬৯০ সালের ২৪ আগষ্ট, কলকাতা শহরের জন্ম।
১৬৯৮ সালের ১ আগস্ট, ইংরেজ কুঠিয়াল জব চার্নক কলকাতা নগর পত্তন করেন।
১৬৯৮ সালের নভেম্বর মাসে ইংরেজরা বাংলার গভর্ণর আজিমউশ্বানের কাছ থেকে এ তিনটি গ্রাম কেনবার অনুমতি পেয়েছিলেন।
১৬৯৮ সালে ইংরেজরা কলকাতা সম্পূর্ণ দখল করে।
১৭০০ সালের ৮ জুন, ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানী সুতানুটির নাম পরিবর্তন করে 'কলকাতা' রাখেন।
১৭০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মিত হয়।
১৭০২ সালের ৬ অক্টোবর, ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রথম ব্রিটিশ পতাকা উত্তোলিত হয়।
১৭০৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত বাংলায় পুলিশী ব্যবস্থার প্রচলন হয়।
১৭০৭ সালে প্রথম হাসপাতাল স্থাপিত হয়।
১৭০৯ সালে সাবর্ণ চৌধুরী কালীঘাটের মন্দির নির্মাণ করেছিলেন।
১৭১৭ সালে ডাক্তার হ্যামিলটনের সৌজন্যে, ফারুক সিয়ারের নিকট থেকে ৩৮টি গ্রামের জমিদারী কেনার অনুমতি পায়।
১৭২০ সালে কলকাতার প্রথম জমিদার মি. ফ্রিক।
১৭২৭ সালে কলকাতা পৌরসভা শুরু, ১৭৮৭ সালে নাগরিকদের উপর টেক্ম বা কর বসায়।
ছাপার অক্ষরে প্রথম বাংলা বই: কৃপার শাস্ত্রের অর্থেভদ। রচয়িতা-ম্যানুয়েল দ্যা অ্যাসুম্পাসাও।
১৭৩৪ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যবকরণঃ পর্তুগীজ বাংলা ব্যাকরণ। রচয়িতা-ম্যানুয়েল দ্যা অ্যাসুম্পাসাও। রচনাকাল-১৭৩৪ সাল।
১৭৩৪ বা ১৭৪৭ সালে প্রথম স্থাপিত হয় ফ্রি স্কুল ৪র্থ শ্রেণী পর্যন্ত।
১৭৩৬ সালে কলকাতায় প্রথম অল্ডারম্যান ডা. সেফালিয়া হলওয়েল।
১৭৩৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, প্রচন্ড বেগে ঝড় উঠেছিল ও গঙ্গার জল ৪০ ফিট পর্যন্ত উঠেছিল।
১৭৪২ সালে প্রথম পাকা রাস্তার কাজ আরম্ভ আর শেষ ১৭৮০ সালে (সার্কুলার রোড)।
১৭৪৫ সালে প্রথম নাট্যশালা স্থাপিত হয় লালদীঘির পার্শেব।
১৭৫২ সালে কলকাতায় চালের মণ ১(এক) টাকা ছিল।
১৭৫৬ সালের ১৭ জুন, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ইংরেজদের দখল থেকে কলকাতা পুনরুদ্ধারে অভিযান চালান।
১৭৫৬ সালের ২০ জুন, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা কলকাতা পুনরুদ্ধার করেন।
১৭৫৬ সালের ২ জুলাই, নবাব সিরাজদৌল্লাহ কলকাতার নাম দেন 'আলিনগর'।
১৭৫৬ সালের ১০ অক্টোবর, রবার্ট ক্লাইভ মাদ্রাজ থেকে ৫টি যুদ্ধজাহাজে ৯০০ সৈন্য নিয়ে কোলকাতা দখলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
১৭৫৭ সালের ২ জানুয়ারি, রবার্ট ক্লাইভ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার কাছ থেকে কলকাতা দখল করে।
১৭৫৭ সালের ৯ জানুয়ারি, রবার্ট ক্লাইভের হুগলী দখল।
১৭৫৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার দ্বিতীয় দফা কলকাতা আক্রমণ এবং ইংরেজদের সাথে আলীনগরের সন্ধি।
১৭৫৭ সালের ২৩ এপ্রিল, কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের সিলেক্ট কমিটিতে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে সরিয়ে অন্য কাউকে নবাব করার নীতি সরকারীভাবে গৃহীত হয়েছিল।
১৭৫৭ সালের ২৮ এপ্রিল, কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের সিলেক্ট কমিটি প্রস্তাব নিল যে, ক্লাইভ যেন নবাবের প্রতি দরবারের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মনোভাব কী রকম এবং নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে সরিয়ে অন্য কাউকে মসনদে বসাবার পরিকল্পনায় তাদের প্রতিক্রিয়া কী তা জানার জন্য উপযুক্ত লোককে নিয়োগ করেন।
১৭৫৭ সালে কলকাতায় প্রথম টাকশাল স্থাপিত হয়।
১৭৫৭ সালে চৌরঙ্গির জঙ্গল পরিস্কার করে প্রথম গড়ের মাঠ তৈরী হয়।
১৭৫৭ সালে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মাণ কাজ শুরু এবং শেষ ১৭৭৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি।
১৭৬০ সালের ১১ জুন, মহীশুরের নবাব হায়দার আলীর সঙ্গে ব্রিটিশদের যুদ্ধ শুরু হয়।
১৭৬২ সালের মহামারীতে মারা যায় ৫০,০০০ বাঙ্গালী এবং ৮০০শত ইউরোপীয়।
১৭৬২ সালে প্রথম মুদ্রা তৈরী হয়।
১৭৬৫ সালের ৩ মে, বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হয়ে লর্ড রবার্ট ক্লাইভ কলকাতায় আসেন।
১৭৭৪ সালের ২৬ মার্চ, সুপ্রীমকোর্ট স্থাপিত হয়।
১৭৭৪ সালের ১ আগষ্ট, কলকাতাকে ভারতবর্ষের রাজধানী ঘোষণা করে।
১৭৭৫ সালের ১৫ জানুয়ারি, রবার্ট নাইট-এর সম্পাদনায় 'দি ইন্ডিয়ান ষ্টেটসম্যান' পত্রিকার প্রকাশনা।
১৭৭৫ সালের ৫ আগষ্ট, কুলিবাজারে প্রথম ফাঁসির মঞ্চে শহীদ হন মহারাজ নন্দ কুমার।
১৭৭৭ সালে পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলা দখল করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলকাতায় ছোট কেরানীদের অফিস হিসেবে থমাস লিয়নের নকশা অনুযায়ী এই রাইটার্স ভবন বানিয়েছিল।
১৭৮০ সালের ২৯ জানুয়ারি, জেমস আগাস্টাস হিকির সম্পাদনায় ভারতের প্রথম ইংরেজী সাপ্তাহিক সংবাদপত্র 'বেঙ্গল গেজেট'-আত্মপ্রকাশ করে।
১৭৮০ সালের ২৯ জানুয়ারি, ১ম বাংলা গেজেট ও মাসিক প্রত্রিকা"দিকদর্শন"প্রকাশনা হয়।
১৭৮০ সালের ১৪ নভেম্বর, বেঙ্গল গেজেট প্রকাশের ক্ষেত্রে বৃটিশ সরকার বিধিনিষেধ আরোপ
১৭৮০ সালে রাইটার্স বিল্ডিং তৈরী করা হয়।
১৭৮১ সালের ১৭ এপ্রিল, ওয়ারেন হেস্টিংস কলকাতায় প্রথম কলকাতা মাদ্রাসা স্থাপন করে।
১৭৮৪ সালের ১৫ জানুয়ারি, স্যার উইলিয়াম জোন্সের উদ্যোগে কলকাতায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৭৮৪ সালের ৪ মার্চ, ফ্রান্সসি গাডুইনের সম্পানায় 'ক্যালকাটা গেজেট' প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৭৮৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী কলকাতা থেকে কত টাকা খাজনা পায় বছরে-১,২২,৪১৮
১৭৮৫ সালে প্রথম দাস ব্যবসা শুরু হয়।
১৭৮৫ সালে হিকে সাহেবের আত্ত্বজীবনীতে প্রথম টানা পাখার উল্লেখ পাওয়া যায়; তবে ফরাসী পর্যটক গ্রএে ১৭৮৯ সালে কলকাতায় এসে টানা পাখার হাওয়া খেয়েছেন।
১৭৮৬ সালের ১৮ মার্চ, কলকাতার ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে জেনারেল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া স্থাপিত হয়।
১৭৮৮ সালের ৬ এপ্রিল, শনিবার অমাবস্যার রাতে নরবলি দেওয়া হয়েছিল।
১৭৮৯ সালে প্রথম এন্ট্রাস পরীক্ষা দেয় কলকাতা শহরে (ভারতবর্ষে প্রথম)।
১৭৯০ সালের ৩ ডিসেম্বর, লর্ড কর্নওয়ালিস কলকাতায় নিজামত আদালত স্থানান্তরিত করেন।
১৭৯১ সালে কলকাতায় প্রথম সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৭৯১ সালের ৩ অক্টোবর, ভারত উপমহাদেশের প্রথম মাসিক পত্রিকা 'ক্যালকাটা ম্যাগাজিন এন্ড ওরিয়েন্টাল মিউজিয়াম'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৭৯৩ সালে প্রথম ওকালতি শুরু হয়।
১৭৯৩ সালে প্রথম ক্রিকেট খেলা শুরু হয়।
১৭৯৩ সালের ১১ নভেম্বর, শিক্ষাব্রতী ধর্মযাজক উইলিয়াম কেরি ইংল্যান্ড থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছান।
১৭৯৪ সালের ৯ মার্চ, কলকাতায় প্রথম দলিল রেজিস্ট্রি শুরু হয়।
১৭৯৪ সালে প্রথম ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
১৭৯৫ সালের ২৭ নভেম্বর, প্রথম বাংলা নাটক "কাল্পনিক সংবদন" অভিনীত হয়।
১৭৯৫ সালে ভারতবর্ষের প্রথম ব্যাংকের নাম 'ক্যালকাটা ব্যাংক'।
১৭৯৮ সালের ২১ জুন, মাসিক 'এশিয়াটিক ম্যাগাজিন'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৭৯৮ সালের ১৮ মে, লর্ড ওয়েলেসলি গভর্নর জেনারেল হয়ে কলকাতায় আসেন।
১৭৯৯ সালে রাজভবনের তৈরীর কাজ আরম্ভ হয় ও শেষ হয় ১৮০৩ সালে।
১৮০০ সালের ১৮ মার্চ, শ্রীরামপুর মিশনে বাংলা ভাষায় প্রথম বই সমাচার প্রকাশিত হয়।
১৮০০ সালের ১৮ আগষ্ট, লালবাজারের কাছে প্রথম লর্ড ওয়েলসলি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ' স্থাপিত করলেন।
১৮০১ সালে 'বাংলা সাহিত্যের মুদ্রিত গ্রন্থ: কথোপকথন-রচয়িতা-উইলিয়াম কেরী মুদ্রণকাল/রচনাকাল: ১৮০১ সাল।
১৮০১ সালের ১২ এপ্রিল, উইলিয়াম কেরি কলিকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা ভাষার অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
১৮০২-০৩ সালের মধ্যে কৃত্তিবাসী রামায়ণ কয়েক খন্ডে সর্বপ্রথম মুদ্রিত হয়। পরে কৃত্তিবাসী রামায়ণের যত সংস্করণ মুদ্রিত হয়েছে, তার সবই শ্রীরামপুরী সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে সম্পাদিত।(পরে ১৮৩০-৩৪ সালের মধ্যে শ্রীরামপুর খৃীস্টান মিশন থেকে প্রকাশিত দ্বিতীয় সংস্করণ)।
১৮০৪ সালে ঠনঠনিয়া কালিবাড়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮০৭ সালে খিদিরপুর ডক থেকে প্রথম বাস্পচালিত জাহাজ জলে ভাসান হয়।
১৮১৪ সালের ২৪ জুলাই, ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮১৫ সালে প্রথম হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শুরু হয়।
১৮১৫ সালে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থঃ বেদান্ত-রচয়িতা-রাজা রামমোহন রায়। রচনাকাল-১৮১৫ সাল।
১৮১৫ সালে শহীদ মিনার নির্মাণ হয় এবং উচ্চতা ১৫২ ফুট, ২২৩টি সি'ড়ি।
১৮১৬ সালে কলকাতা শহরে ২৫০ জন ইউরোপিয় মহিলা ছিলেন।
১৮১৬ অথবা ১৮১৭ সালে কলকাতা হিন্দু কলেজ স্থাপনে রাজা রামমোহনের অবদান।
১৮১৭ সালের ২০ জানুয়ারি,হিন্দু কলেজ নামকরণে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ চালু।
১৮১৭ সালের ৮ জুলাই, কলিকাতা স্কুল বুক সোসাইটি স্থাপিত হয়।
১৮১৮ সালের ১৫ মে, বাংলা ভাষায় প্রথম সংবাদপত্র 'বেঙ্গল গেজেট'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৮১৮ সালের ২৩ মে, প্রথম বাংলা সংবাদপত্র 'সমাচার দর্পণ'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮১৯ সালে স্থাপিত হয় কলকাতা ফিমেল জুভেনাইল সোসাইটি।
১৮১৯ সালে বর্তমান রেসকোর্স মাঠ তৈরী হয়।
১৮২১ সালের ৪ ডিসেম্বর, ভবানীচরণ বন্ধ্যোপাধ্যায় ও তারাচরণ দত্তের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক 'সন্ধাদ কৌমুদী' প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৮২২ সালের ৫ মার্চ, সম্পাদিত 'সমাচার চন্দ্রিকা' প্রকাশিত হয়।
১৮২২ সালের ১২ এপ্রিল, রাজা রামমোহন রায়ের সম্পাদনায় কলকাতার প্রথম ফারসি সাপ্তাহিক পত্রিকা 'মিরাতুল আখবার'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৮২৩ সালের ১৭ জুলাই, গবর্নর জেনারেল জন এ্যাডামের প্রস্তাব অনুসারে কলকাতায় সাধারণ শিক্ষা সমিতি গঠিত হয়।
১৮২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর, ইংরেজী শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে রাজা রামমোহন রায় নিজ অর্থে এ্যাংলো হিন্দু স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮২৪ সালের ১ জানুয়ারি, কলকাতায় সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮২৪ সালের ৩১ মার্চ, প্রথমবারের মত ভারতীয় টাকশালের কার্যক্রম শুরু।
১৮২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর, বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালিত জাহাজ প্রথম কলকাতা বন্দরে ভেড়ে।
১৮২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, বেঙ্গল ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮২৭ সালের ১২ মে, কলকাতার ময়দানে সমবেত হয়ে সরকারের জারি করা নির্দেেশর বিরুদ্ধে পাল্কি বেহারারা সর্বাত্তক আন্দোলন গড়ে তোলার যে সংকল্প ঘোষণা।
১৮২৮ সালের ২০ আগষ্ট, কলকাতায় রাজা রামমোহন রায় ও তার সহকর্মীরা বার্সজনীন উপসনার মাধ্যমে ব্রাহ্মসমাজের কার্যক্রম শুরু করেন।
১৮২৯ সালের ১০ মে, নীল রত্নের সম্পাদনায় বাংলা, ইংরেজী, ফার্সী ও নাগরী ভাষায় 'বঙ্গদূত' পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮২৯ সালে প্রথম কালিঘাটের টালী নালার উপর লোহার সেতু নির্মান করা হয়।
১৮২৯ সালে লর্ড রেন্টিং র্কতৃক সতীদাহ প্রথা রহিত হয়।
১৮৩০ সালে মুসলমান সম্পাদিত প্রথম পত্রিকা: সমাচার সভারাজেন্দ্র-সম্পাদক-শেখ আলীমুল্লাহ-প্রকাশকাল-১৮৩০ সাল।
১৮৩০ সালের ৪ জুন, ক্যালকাটা হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৩০ সালে রাজা রামমোহন রায় প্রথম ব্রাহ্ম সমাজের নিজস্ব উপাসনাগার প্রতিষ্ঠা করেন কিন্তু গোড়া হিন্দু নেতৃবৃন্দ ব্রাহ্ম আন্দোলনকে বন্ধ করার জন্য "ধর্মসভা'' নামে পাল্টা একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।
১৮৩০ সালে ডালহাউসীতে প্রথম ''স্পেনসেস হোটেল" নির্মান হয়।
১৮৩০ সালের ইউরোপীয় রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র হিন্দু কলেজের ছাত্ররা সংবাদ রাখত এবং এ সকল খবর তাদেরকে যথেষ্ঠ অনুপ্রেরণা যোগাত।
১৮৩০ সালে হিন্দু কলেজের জনপ্রিয় শিক্ষক ডিরোজিওর বাড়িতে তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় এ দেশের প্রথম ছাত্র সংগঠন 'একাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন'। বাঙালির প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন। এরপর ১৮৩৮ সালের ১২ মার্চ, গঠিত হয় আরেকটি ছাত্র সংগঠন। যার নাম ছিল 'সাধারণ জ্ঞানোপার্জিকা সভা'। এ সংগঠনের সদস্যরা নিয়মিতভাবে আলোচনায় বসতেন। তাঁরা দেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতেন এবং সমস্যা ও সংকট থেকে উত্তরণের পথ সন্ধান করতেন। এ সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন রামতনু লাহিড়ী, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্যারীচাঁদ মিত্র প্রমুখ। সাধারণ জ্ঞানোপার্জিকা সভার পর ১৮৪১ সালে কলকাতায় গঠিত হয় আধা রাজনৈতিক সংগঠন 'দেশহিতৈষণী সভা'। এ সংগঠনের সদস্যরাও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতেন এবং সমস্য-সমাধানের উপায়ও সন্ধান করতেন। কিন্তু ১৮৪৩ সালের ২৫ এপ্রিল, জন্ম নেওয়া 'বেঙ্গল ব্রিটিশ ইন্ডিয়া সোসাইটি' সর্বপ্রথম বাঙালির সংগঠন, যারা সরাসরি রাজনৈতিক দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছিল। তাদের প্রধান দাবি ছিল ভারতীয়দের জন্য ব্রিটিশের সমমর্যাদা দান। এ দাবির পক্ষে সংগঠনের সদস্যরা জনমত গঠন করেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, রাজনৈতিক দল হলো একটি সংঘবদ্ধ সংস্থা, যা দেশের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যাবলিকে তার কর্মসূচীতে সন্নিবিষ্ট করে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করতে বদ্ধপরিকর হয়।
১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি, ঈশ্বর গুপ্তের সম্পাদনায় প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র 'সংবাদ প্রভাকর'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৮৩১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, প্রসন্ন কুমার ঠাকুরের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক 'দি রিফর্মার' পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৩১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, সাপ্তাহিক 'সংবাদ সুধাকর'-এর প্রকাশনা শুরু।
১৮৩১ সালের ১৮ জুন, ইংরেজী ও বাংলা দ্বিভাষিক পত্রিকা 'জ্ঞানান্বেষণ'-এর প্রকাশনা।
১৮৩১ সালের ৬ নভেম্বর, তিতুমীর ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
১৮৩১ সালের ৩১ ডিসেম্বর, কৃঞ্চধন মিত্রের সম্পাদনায় শিশুতোষ পত্রিকা 'জ্ঞানোদয়'-এর প্রকাশনা শুরু হয়।
১৮৩৪ সালের ২৬ জুলাই, শিবনারায়ন ঘোষ রথ তৈরী করে নিজের মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত করে রথ চালিয়েছিলেন।
১৮৩৪ সালে ক্যালকাটা চেম্বার্রস অব কমার্স প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তারপর ২০-বছর পর-এর নামকরণ করা হয় ১৮৫৪ সালের ১৫ জুলাই, বেঙ্গল চেম্বারর্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাজট্রিজ। এ প্রতিষ্ঠান সারা ভারতবর্ষে শিল্প প্রতিষ্ঠা করেছে।
১৮৩৫ সালে প্রথম মেডিক্যাল কলেজ স্থাপিত হয়।
১৮৩৬ সালের ৮ মার্চ, কলকাতা পাবলিক লাইব্রেরীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।