১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর, বাংলা ও বিহারে নবাবী আমলের অবসান হয় এবং ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসন শুরু হয়।

১৭৬৪ সালের ২৩ অক্টোবর, বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজ সেনাবাহিনীর কাছে মীর কাসিমের পরাজয়।

১৭৬৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার বিশ্বাসঘাতক সেনাপতি মীর জাফর আলী খাঁর ইন্তেকাল।

১৭৬৫ সালের ১২ আগস্ট, মোগল সম্রাট বৃটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর হাতে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী তুলে দেন।

১৭৬৫ সালে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের সঙ্গে কোম্পানির এলাহাবাদ-চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৬৫ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস ফকীর-সন্ন্যাসীকে দমন করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

১৭৬৫ সালে রবার্ট ক্লাইভ সমগ্র বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী সনদ লাভ করে দক্ষিণ এশিয়ার বৃটিশ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেন।

১৭৬৭ সালে প্রথম বণ্যার কারণ ও রেকর্ড পাওয়া যায়।

১৭৬৭ সালের জানুয়ারী, ক্লাইভ স্বদেশে প্রত্যার্তন করলে তার ব্যবস্থায় ফাটল ধরে।

১৭৬৭ সাল থেকে ১৭৬৯ সালের মধ্যে ইংরেজদের সঙ্গে ফকিরদের সংঘর্ষে সেনাপতি মার্টল ও লেফটেন্যান্ট কিথ নিহত হন।

১৭৬৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, কর্ণেল স্পিথ হায়দারাবাদের নিজামের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশ আধিপত্য বিস্তার করেন।

১৭৬৮ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস গর্ভনর জেনারেল হয়ে ভারতে আসেন।

১৭৬৮ সালে দুর্ভিেক্ষর আগে যেখানে তাদের রাজস্ব আদায় ছিল ১৫ কোটি ২০ লাখ টাকা।

১৭৬৯ সালে ফকীর বাহিনীর আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে প্রাণ হারায় পূর্ণিয়া কুঠির শ্বেতাঙ্গ নেতা মিঃ কীথ।

১৭৬৯ সালের ১৭ মার্চ, তাঁত ও মসলিন শিল্প ধ্বংসের উদ্দেশ্যে বৃটিশ সরকারের নির্দেেশ বাংলার তাঁতিদের বৃদ্ধাঙ্গুলি কেটে দেয়া শুরু হয়।

১৭৬৯-৭০ সালে ভারতবর্ষের বাঙলা আর বিহার জুড়ে দুর্ভিেক্ষর কথা বলেছি। এ দুর্ভিেক্ষ এদের মোট প্রজার এক-তৃতীয়াংশ মারা গেল। (বাংলা ১১৭৬ সালে বাংলায় যে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তাকে বলা হয় ছিয়াত্তরের মন্বন্তর)।

১৭৭০ সালের ২৫ জুন, মুর্শিদাবাদ হ'তে কোম্পানীর আবাসিক প্রতিনিধি রিচার্ড বেচার- এর রিপোর্ট: "এ এক হৃদয় বিদারক দৃশ্য। ইহার বর্ণনা অসম্ভব। দেশের কয়েক অংশে যে জীবিত মানুষ মৃত মানুষকে ভক্ষণ করিতেছে তাহা গুজব নয়, অতি সত্য''।

১৭৭০-৭১ সালে ভারতবর্ষের বঙ্গদেশে রেশম উৎপাদন হ্রাস পায় শতকরা প্রায় ৫০ ভাগ।

১৭৭১ সালের ১৩ এপ্রিল, ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন।

১৭৭১ সালে দুর্ভিেক্ষর পর (সেখানে দুর্ভিেক্ষ এক তৃতীয়াংশ লোক মারা যাওয়ার পরও) তাদের রাজস্ব আদায় হল ১৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

১৭৭১ সালের ২৫ ডিসেম্বর, দ্বিতীয় শাহ আলম মোঘল সম্রাট হিসেবে দিল্লীর সিংহাসনে বসেন।

১৭৭২ সালের ১৫ আগষ্ট, ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানী জেলা পর্যােয় ফৌজদারী ও দেওয়ানি আদালত পৃথক করার সিদ্ধান্ত নেয়।

১৭৭২ সালে দ্বৈত শাসনের অবসান করা হয় এবং ১৭৭২ সালেই কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি শাসন সরাসরি নিজেদের হাতে তুলে নেন।

১৭৭২ সালে সর্বপ্রথম ফরাসী বণিক জঁলিয়ে লুই বোনার্দ হুগলী জেলার তালডাঙ্গায় নীলের বাগান করেন। তা দেখে ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানী অনুপ্রাণিত হয় এবং ১৭৮৮ সালে বাংলায় নীল চাষ শুরু করে।

১৭৭২ সালের ১৩ এপ্রিল, ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গবর্নর নিযুক্ত হন।

১৭৭২-৭৩ সালে চাকমা রাজা জোরান বক্সকে মুদ্রায় রাজস্ব দিতে বাধ্য করেন।

১৭৭৩ সালে লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস-এর সময়ে একটি সামরিক রেজিমেন্ট গার্ড বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়। এ রেজিমেন্ট বাহিনীই পুরাতন রেজিমেন্ট বাহিনী। ১৭৭৩ সালের রেজিমেন্ট বাহিনীই আজ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট রেজিমেন্ট গার্ড বাহিনী রুপে আছে।

১৭৭৩ সালের ১ আগস্ট, ব্রিটিশ পার্লােমন্ট উপমহাদেশে শাসন সংস্কারের উদ্দেশ্যে রেগুলেটিং এ্যাক্ট আইন বিধিবদ্ধ করে।

১৭৭৩ সালের ১১ নভেম্বর, শিক্ষাব্রতী উইলিয়াম কেরি ইংল্যান্ড থেকে কলকাতায় পৌঁছেন।

১৭৭৩ সালে কলকাতায় ১ম ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির সময়ে কালেক্টর কাজ শুরু করে।

১৭৭৪ সালের ১ জুন, ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বিলুপ্ত হয়। ভারতে অস্পৃশ্য নিরোধ আইন চালু।

১৭৭৪ সালের ১ আগস্ট, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অধিকৃত ভারতবর্ষের রাজধানী হয় কলকাতা।

১৭৭৪ সালের ২ নভেম্বর, বাংলার প্রথম বৃটিশ শাসক ও ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কর্ণধার লর্ড রবার্ট ক্লাইভ লন্ডনে আত্মহত্যা করেন।

১৭৭৫ সালের ৬ মার্চ, রঘুনাথ রাও ও বৃটিশ সরকারের মধ্যে সুরাট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৭৫ সালের ৬ মে, ব্রিটিশ সরকার মহারাজ নন্দকুমারকে গ্রেফতার করে।

১৭৭৫ সালের ১৭ মে, ব্রিটিশ ও মারাঠাদের মধ্যে আরারের যুদ্ধ সংঘটিত।

১৭৭৬ সালে মহাস্থানগড়ে ফকিররা দুর্গ নির্মাণ করেন।

১৭৭৭ সাল হ'তে ১৮০০ সাল নাগাদ বাংলায় ফকীরেরা চুড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

১৭৭৭ সালে ইংরেজ বেনিয়া মিস্টার লুই বান্নো এদেশে প্রথম নীলের বাণিজ্যিক চাষ করেন।

১৭৭৭-৮৭ সালে চাকমা বিদ্রোহ।

১৭৭৮ সালে উইলিয়াম কেরী (এক ইংরেজ) বাংলা গ্রামার লিখেন। ১৭৭৮ সালে প্রথম বাংলা বই ছাপানো হয়। ভারতবর্ষের এবং বাংলাদেশের জন্য এ বই বাংলায় প্রথম বই।

১৭৭৮ সালে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ইংরেজ কর্মচারী হালহেডের (অ এৎধসসবৎ ড়ভ:যব ইবহমধষ খবধমঁধমব) ১৭৭৮-এ সর্বপ্রথম ধাতুতে খোদাই বাংলা অক্ষর ব্যবহৃত হয়।

১৭৭৮ সালের ৬ অক্টোবর, অবিভক্ত বাংলা তথা ভারতের প্রথম ছাপাখানা হুগলীতে স্থাপিত হয়।

১৭৭৯ সালের ১৫ মার্চ, সেরজুক বা জালালীয় যুগের সূচনা হয়।

১৭৮০ সালের পর ভারতবর্ষের প্রশাসনে দেশী কর্মকর্তা বলতে কিছু থাকল না; সম্পূর্ণভাবে শ্বেতাঙ্গীকরণ করা হয়।

১৭৮১ সালের ১৭ এপ্রিল, গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস র্কতৃক কলকাতায় প্রথম আলীয়া মাদ্রাসা স্থাপন করেন।

১৭৮১ সালের ২ জুলাই,মহিশূরের বীর হায়দার আলী বৃটিশ বাহিনীর হাতে পরাজিত হন।

১৭৮১ সালের ১২ নভেম্বর, ব্রিটিশ বাহিনী দক্ষিণ ভারতের নাগাপট্রম দখল করে।

১৭৮১ সালে রাজা দেবী সিংহ জেলার রাজস্ব সংগ্রহের ত্রিবর্ষীয় ইজারা লাভ করেন।

১৭৮২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, মাদ্রাজের কাছে ব্রিটিশ ও ফরাসী বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ হয়।

১৭৮২ সালের ১৭ মে, মালবাই চুক্তির মাধ্যমে মারাঠা যুদ্ধের অবসান।

১৭৮২ সালের ৭ ডিসেম্বর, মহীশুরের বীর যোদ্ধা হায়দর আলীর মৃত্যুর পর টিপু সুলতান মহিসুরের সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৭৮৪ সালের ১৫ জানুয়ারি, স্যার উইলিয়াম জোন্সে'র উদ্যোগে কলকাতায় বিদ্যোৎসাহীদের জন্য এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৭৮৪ সালের ১১ মার্চ, মহিশুরের টিপু সুলতানের সাথে ইংরেজদের শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর।

১৭৮৪ সালে জমিদার ও প্রজাদের অবস্থার উন্নতির জন্য ব্রিটিশ পার্লােমন্টে-এ একটি আইন পাস করেন।

১৭৮৪ সালে ব্রিটিশ পার্লােমন্টে পাস হয় স্থায়ী ভূমিব্যবস্থা আইন।

১৭৮৪ সালের ১৩ আগস্ট, ব্রিটিশ পার্লােমন্টে ভারতে প্রশাসনিক সংস্কার প্রস্তাব সংবলিত 'পিটস ইন্ডিয়া' বিল পেশ।

১৭৮৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর জেনারেলের পদে ইস্তফা দেন।

১৭৮৫ সাল পর্যন্ত ফকীর মজনু শাহ্‌র বাহিনী কোম্পানী সৈন্যের সঙ্গে বহুবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ১৭৮৭ সালে ফকীর মজনু শাহ্‌'র মৃত্যু হয়।

১৭৮৬ সালের ১৮ মার্চ, কলকাতায় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে জেনারেল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া স্থাপিত হয়।

১৭৮৬ সালের ১ জুন, আলেকজান্ডার ডেভিসন মাদ্রাজে জেনারেল পোষ্ট অফিস চালু করেন।

১৭৮৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, লর্ড কর্নওয়ালিস ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেলের দায়িত্বভার গ্রহণ।

১৭৮৭ সালের ১০ মে, এডমন্ড বার্ক ব্রিটিশ পার্লােমন্টে ভারতের গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেষ্টিংসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন।

১৭৮৭ সালে কর্নেল রবার্ট কিড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় এবং পুরনো ভারতের কলকাতায় 'বোটানিক্যাল গার্ডেন' প্রতিষ্ঠা করেন। এ বাগানে ২,৩৫০-প্রজাতির গাছ আছে। এবং এখানকার প্রধান আকর্ষণ ২৫০-বছরেরও বেশী পুরনো বটগাছ, জায়ান্ট ওয়াটার লিলি, জোড়া নারকেল গাছ, ডালপাখাওয়ালা তাল গাছ, বাঁশগাছ ইত্যাদি।

১৭৮৭ সালে মজনু শাহের ইন্তেকালের পরে ফকীর বাহিনী ততটা সুবিধা করে উঠতে পারেনি।

১৭৮৯ সালের ৩ জুন,ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানী বাংলায় লবণ উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ জারি করে।

১৭৯০ সালের ৩ ডিসেম্বর, লর্ড কর্নওয়ালিস ফৌজদারি বিচারের দায়িত্ব বংলার নবাবের কাছ থেকে নিজের হাতে তুলে নেন।

১৭৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর, ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে ভারতে প্রাচীন সৈন্যবাহিনীর রেজিমেন্টের জন্ম, ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর-এর ২০০ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান পালিত হয়।

১৭৯০ সালে ভারতের হায়দরাবাদের নিজাম চপ্পল জোড়া ব্যবহার করতেন।

১৭৯১ সালের ২১ মার্চ, বৃটিশ সৈন্যরা টিপু সুলতানের কাছ থেকে বাঙ্গালোর দখল করে নেয়।

১৭৯১ সালের ডিসেম্বর, বৃটিশ শেষ ইজারাদারদের অত্যাচার হ'তে কৃষকদের রক্ষা করার জন্য বলাকী শাহ্‌ তাঁর ৫(পাঁচ) হাজার সশস্ত্র শিষ্য নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ১৭৯১-৯২ সালকে বলা হয় বলাকী শাহ্‌'র বিদ্রোহ।

১৭৯২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, টিপু সুলতান র্কতৃক বৃটিশ শাসিত হায়দরাবাদের নিজামের নিকট মহীশূরের অর্ধেক হস্তান্তর।

১৭৯২ সালের ৭ ডিসেম্বর, ভারতবর্ষের পুলিশবিধির মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ভার জমিদারদের হাত থেকে কেন্দ্রীয় শাসনের অধীনে আনা হয় এবং ব্রিটিশ ভারতে পুলিশ বাহিনী গঠন করা হয়।

১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ, বাংলা ও বিহারে লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন।

১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ, গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইন চালু করেন। জমিদারী প্রথা কায়েম হল। প্রথম জমিদার কলকাতা শহরে মিঃ ফ্রিক।

১৭৯৩ সালের ১১ নভেম্বর, উইলিয়াম কেরি ইংল্যান্ড থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছান।

১৭৯৫ সালের ১১ মার্চ, কর্দুলার যুদ্ধে মারাঠাদের কাছে মুঘল বাহিনীর পরাজয়।

১৭৯৫ সালের ২৩ এপ্রিল, ভারতের বড়লাট ওয়ারেন হেস্টিংসের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বৃটিশ পার্লােমন্টে খারিজ হয়।

১৭৯৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, লর্ড কর্নওয়ালিস ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে শপথ গ্রহণ।

১৭৯৮ সালের ১৮ মে, লর্ড ওয়েলেসলি গভর্নর জেনারেল হয়ে কলকাতায় আসেন।

১৭৯৮ সালের ১ আগষ্ট, উপসাগরীয় যুদ্ধে বৃটিশ নৌবাহিনীর কাছে নেপোলিয়নের পরাজয়।

১৭৯৯সালের ৪ মে,ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধে মহিশূরের টিপু সুলতান নিহত হন।

১৭৯৯ সালের ১৪ জুলাই, মাহাজেরা ৫(পাঁচ) হাজার সশস্ত্র অনুসারী নিয়ে সিলেট আক্রমণ করেন এবং ত্রিপুরা রাজ্যে পলায়নের পথে মৃত্যুবরন করেন।

১৭৯৯ সালের ২৫ জুলাই, আবুকারের যুদ্ধে নেপোলিয়ন তুর্কিেদর পরাজিত করেন।

১৮০০ সালের ১৫ মার্চ, শ্রীরামপুর মিশনে বাংলা ভাষায় প্রথম বই 'সমাচার' প্রকাশিত হয়।

১৮০০ সালের ৩ মে, কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮০০ সালের ২৪ নভেম্বর, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রকৃত কর্মমাত্রার সূচনা।

১৮০০ সালের নীল বিদ্রোহ; ১৮৭০ দশকে ব্যাপক কৃষক বিদ্রোহ।

১৮০০ সালে চীনা সরকার বিজ্ঞপ্তি বা হুকুম জারি করলেন, কোন কারণেই দেশে আফিম আমদানি করা চলবে না।

১৮০১ সালের ৬ জানুয়ারি, এদেশে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হলে তখন থেকে বাংলা বানানের রূপ নির্দিষ্ট হয়।

১৮০১ সালের ১ মে, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয়।

১৮০১ সালের ২৬ ডিসেম্বর, বাংলা ও মাদ্রাজের জন্য ব্রিটিশ সরকার প্রথম সুপ্রীমকোর্ট গঠন করে।

১৮০২-১৮০৩ খিষ্টাব্দের মধ্যে শ্রীরামপুরের খ্রীষ্টান মিশনের ড. উইলিয়াম কেরীর উদ্যোগে কৃত্তিবাসী রামায়ণ কয়েক খন্ডে সর্বপ্রথম মুদ্রিত হয়।

১৮০৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মোগল দরবারের কাছ থেকে দিল্লী ও আগ্রার শাসনভার গ্রহণ করেন।

১৮০৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর, লর্ড মিন্টো গভর্নর জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হন।

১৮০৭ সালের ৩ জুলাই, লর্ড মিন্টো বাংলার গবর্নর জেনারেল হয়ে আসেন।

১৮১০ সালের ৭ জুন, নবাব সৈয়দ জিনেউদ্দিন খান বাংলার মসনদে বসেন।

১৮১২ সালে ইংরেজরা এদেশের জন্য একটি শিক্ষানীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং একজন পাত্রীর নেতৃত্বে বিশ বছরের প্রচেষ্টায় একটি শিক্ষানীতি প্রণীত হয়।

১৮১৩ সালে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের শিক্ষার জন্য এক লক্ষ টাকা খরচ করার সিদ্ধান্ত নেন। নারী শিক্ষার জন্য আলাদা কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

১৮১৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, এশিয়াটিক সোসাইটির অঙ্গ হিসেবে কলকাতা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮১৮ সালের ১৫ মে, বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র বেঙ্গল গেজেট প্রকাশিত হয়।

১৮১৯ সালের ১৬ জুন, পশ্চিম ভারতে এক সপ্তাহে ৭-দফা প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে সিন্দ্রি নগরসহ বহু স্থান সমুদ্রগর্তে তলিয়ে যায়।

১৮২০ সাল হ'তে রামমোহন খৃষ্টান মিশনারীদেরও সমালোচনার শিকার হন।

১৮২১ সালে ভারতবর্ষের সর্বপ্রথম বিলাত যাত্রী রাজা রামমোহন রায়।

১৮২২ সালের ৫ মার্চ, ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় সমাচর চন্দ্রিকা প্রকাশিত হয়।

১৮২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর, ইংরেজী শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে রামমোহন রায় নিজ ব্যয়ে এ্যাংলো হিন্দু স্কুল স্থাপন করেন।

১৮২৪ সালের ৩১ মার্চ, প্রথম ভারতীয় টাকশালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।

১৮২৪ সালে ভারতবর্ষের ব্রিটিশদের সাথে ব্রহ্মের প্রথম যুদ্ধ হল।

১৮২৫ সালের জানুযায়ি, টিপুর সশস্ত্র শিষ্যরা নুতন জমিদারকে হত্যা করে, বাড়ী লুট করে এবং কয়েকজন গোমস্তাকে হত্যা করে।

১৮২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি, রায় বেরেলী থেকে আহমদ শহীদের মুজাহেদীন কাফেলার যাত্রা শুরু।

১৮২৬ সালে বাংলায় নীল চাষে দুর্যোগ এল।

১৮২৭ সাল থেকে ১৮৮৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ভারতে যেসব গুরত্বপূর্ণ শ্রমিক ও কৃষক ধর্মঘট হয়েছে।

১৮২৭ সালে তিতুমীর মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন।

১৮২৮ সালের ৪ জুলাই, উইলিয়াম বেন্টিক বাংলার গবর্নর জেনারেল পদে নিযুক্ত হন।

১৮২৮ সালের ২০ আগষ্ট, রামমোহন "ব্রাহ্ম সমাজ'' প্রতিষ্ঠা করে ভারতীয় ধর্মীয় ইতিহাসে এক নুতন অধ্যায়ের সূচনা করেন।

১৮২৯ সালের ৭ জানুয়ারি, ভারতীয়তা এশিয়াটিক সোসাইটির সদস্য হওয়ার অনুমতি লাভ।

১৮২৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, সৈয়দ আহমাদ শহীদ র্কতৃক পাঞ্জাতারে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮২৯ সালের ৭ আগষ্ট, দ্বারকানাথ ঠাকুরের উদ্যোগে ইউনিয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর, লর্ড কর্নওয়ালিস আইন পাসের মাধ্যমে হিন্দু ধর্মের সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন। ১৯৮৮ সালের ১৬ মার্চ, ১৩ জন উচ্চ বণের্রর হিন্দু মহিলা পুনরায় সহমরণ আইন চালু করার জন্য প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী'র নিকট দাবী করেন।

১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর, রাজা রামমোহন রায়ের উদ্যোগের প্রেক্ষিতে ভাইসরয় লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক আইন পাস করে সতীদাহ প্রথা বন্ধ করেন।

১৮৩০ সালে দিল্লীর নামে মাত্র সম্রাট দ্বিতীয় আকবর তাঁর দাবী-দাওয়া বৃটিশ সরকারের কাছে পেশ।

১৮৩০ সালে সম্রাট রামমোহনকে "রাজা'' উপাধি দান করেন।

১৮৩০ সালের ১৫ নভেম্বর, ভারতীয় হিসেবে রাজা রামমোহন রায় ইংল্যান্ড যাত্রা করেন।

১৮৩১ সালের ৩ অক্টোবর, বৃটিশ সেনাবাহিনী মহিশুর রাজ্য অধিকার করেন।

১৮৩১ সালের ৬ নভেম্বর, তিতুমীর ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর, ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়ে তিতুমীর শহীদ হন।

১৮৩১ সালের ৬ ডিসেম্বর, তিতুমীর একটি হিন্দু মন্দীর আক্রমণের মধ্য দিয়ে জমিদার ও বৃটিশবিরোধী সংগ্রাম শুরু করেন।

১৮৩১ সালে বিট্রিশ ভারতে দেওয়ানি কাজ ফৌজদারি কাজ থেকে আলাদা করা হয়।

১৮৩২ সালে রাজা রামমোহন রায় ফ্রান্স ভ্রমণে যান ও ফরাসী চিন্তাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।