২০০৯ সালের ১২ এপ্রিল, প্রথম আলো: মরিচে রেকর্ড: গিনেস বুকে নাম লেখানো কি সহজ কাজ? মোটেই না। আর কঠিন এ কাজ ০৯-০৪-২০০৯ তারিক ভারতের ২৬ বছর বয়সী এক নারী করেছেন মাত্র দুই মিনিটে ৫১টি ঝাঁজালো লালমরিচ চিবিয়ে খেয়ে। কিন্তু ভারতের আসামের অনিন্দিতা দত্ত তাতেও সন্তুষ্ট হতে পারেননি। কারণ এর আগে স্থানীয় প্রতিযোগিতায় তিনি ৬০টি ঝাঁজালো মরিচ চিবিয়ে খেয়েছিলেন। ব্রিটিশ শেফ গর্ডন রামসে আসামের গৌহাটিতে বসে অনিন্দিতার এ মরিচ খাওয়া দেখেন। তিনিও একটা চিবানোর চেষ্টা করে শুধু বলেছেন, অসম্ভব। বিবিসি অনলাইন।
২০০৯ সালের ১৭ এপ্রিল, প্রথম আলো: নয়াদিল্লীতে সেমিনারে পাকিস্তানি সাংবাদিকদের ওপর হামলা।
২০০৯ সালের ১৯ এপ্রিল, প্রথম আলো: হৃদপিন্ড সবল ও সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ৩০ মিনিট প্রাণ খুলে হাসাই যতেষ্ট।
২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল, প্রথম আলো: মন্দায় কমছে তেলের চাহিদা। এর ফলে দৈনিক জ্বালানি তেল ব্যবহার হবে আট কোটি ৪২ লাখ ব্যারেল। তবে ২৮টি শিল্পোন্নত দেশের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) ওপেকের পূর্বাভাসের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছে। তারা মনে করে, এ বছর দৈনিক জ্বালানি তেলের চাহিদা কমবে ২৪ লাখ ব্যারেল। ওপেক বলেছিল এ বছর দৈনিক জ্বালানি তেলের চাহিদা কমবে ১৩ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল কমে যাবে।
২০০৯ সালের ২৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: চীনের মহাপ্রচীরের দৈর্ঘয কত? মানবসৃষ্ট সবচেয়ে বড় স্থাপনা চীনের মহাপ্রাচীরের দৈর্ঘয কত, তা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী এ মহাপ্রাচীরের দৈর্ঘয পাঁচ হাজার কিলোমিটারের কাছাকাছি। কিন্তু নতুন করে প্রাচীরটি পরিমাপের পর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ প্রাচীরের দৈর্ঘয পূর্বধারণার চেয়ে অনেক বেশি। তাঁরা দাবি করছেন, চীনের মহাপ্রাচীরের দৈর্ঘয আট হাজার ৮৫০ কিলোমিটার। চীনের রাষ্ট্রীয় এ জরিপে দেখা যায়, মহাপ্রাচীরের ছয় হাজার ২৫৯ কিলোমিটার দেয়াল ও ৩৫৯ কিলোমিটার পরিখা রয়েছে। এ ছাড়া প্রাচীরের বিভিন্ন অংশে মোট দুই হাজার ২৩২ কিলোমিটার এলাকায় পাহাড় ও নদীকে প্রাকৃতিক নিরাপত্তাবেষ্টনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। চীনের উত্তরাঞ্চলকে শক্রর আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য খ্রিষ্ট্রের জন্মেরও ৫০০ বছর আগে এ প্রাচীর নির্মােণর কাজ শুরু হয়। এরপর প্রায় দুই হাজার বছর ধরে চীনের বিভিন্ন রাজত্বের সময় এ প্রাচীরটি দৈর্ঘয বাড়ানো হয়েছে। ধারণা করা হয়, ১৬ শতকে সর্বেশষ এ প্রাচীর নির্মােণর কাজ করা হয়েছে। চীন জানিয়েছে, আরও দেড় বছর ধরে মহাপ্রাচীরের দৈর্ঘয মাপার এ জরিপ চলবে। বিবিসি।
২০০৯ সালের ২৫ এপ্রিল, প্রথম আলো ডেস্ক: মিশুক, সামাজিক, ইতিবাচক ও দুশ্চিন্তামুক্ত মানুষ দীর্ঘায়ু হয়।
২০০৯ সালের ১ মে, প্রথম আলো: বিজ্ঞানীরা বলেছেন দ্বিতীয় সন্তানটি দুরন্ত প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং স্বাধীনচেতা হয়।
২০০৯ সালের ৪ মে, প্রথম আলো: প্লাংক নামের এ দূরবীক্ষণটি মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা দেবে। ভবিষ্যৎ নিয়ে মানুষের আগ্রহ বহুকালের। ভবিষ্যৎ জানতে বৈজ্ঞানিক-অবৈজ্ঞানিক চেষ্টাও হয়েছে অনেক। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীগুলোতে টাইম মেশিনে চড়ে অতীত ও ভবিষ্যতে ভ্রমণের গল্প তাই এখনো আমরা খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ি। এ পৃথিবীর শেষ কোথায়, পরিণতি কী-এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহও বহুদিনের। তবে এবার সে আগ্রহ বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। তাঁরা মহাকাশে এমন দুটি দূরবীক্ষণ স্থাপন করবেন, যা দুটি বৃহত্তম প্রশ্নের জবাব খুঁজবে। বলে দেবে, আজ আমরা পৃথিবীর মানুষ যে অবস্থানে আছি, সেখানে কীভাবে এলাম আর এর শেষইবা কোথায়? দূরবীক্ষণ দুটির নাম দেয়া হয়েছে জার্মান পদার্থিবদ ম্যাক্স পস্নাংকের নামানুষারে 'পস্নাংক'। অন্যটির নাম 'হারশেল'। আগামী ১৪ মে রকেট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে যন্ত্র দুটি মহাকাশে স্থাপন করা হবে। এরপর থেকে সেগুলো বস্তুর উৎপত্তি, ১৩৭০ কোটি বছর আগে মহাবিশ্বের আদিতম যাত্রা থেকে শুরু করে নক্ষত্রের সৃষ্টি রহস্য উদঘাটনে মহাকাশের গভীরতম স্থানে অনুসন্ধান চালাবে।
২০০৯ সালের ৫ মে, প্রথম আলো: রাতে মিষ্টান্ন আর ফল খেলেও মোটা হওয়ার আশঙ্কা নেই। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে চর্বিযুক্ত খাবার। নতুন গবেষণার ফল।
২০০৯ সালের ৬ মে, প্রথম আলো: বিশ্বের উচ্চতম এলিভেটর টেস্ট টাওয়ার উদ্বোধন। সম্প্রতি হুন্দাই এলিভেটর কোম্পানী লি. আলট্রা হাই স্পীড এলিভেটর পরীক্ষার জন্য বিশ্বের সর্বোচ্চ (২০৫ মি.) টেস্ট টাওয়ার ''হুন্দাই আসান টাওয়ার'' এবং ''চুং-মং-হুন আরএন্ডডি সেন্টার''-এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছে। ১৫ এপ্রিল, ২০০৯ কোরিয়ার জিওঙ্গী প্রদেশের ইচিওন হেড কোয়ার্টাের নির্মাণ সমাপনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
২০০৯ সালের ৮ মে, প্রথম আলো: গর্ভাবস্থায় মায়ের বিষণ্নতায় সন্তানও ভুগতে পারে।
২০০৯ সালের ১১ মে, প্রথম আলো: শুধু শরীরচর্চায় মুটিয়ে যাওয়া রোধ সম্ভব নয়। গবেষকেরা বলছেন, মুটিয়ে যাওয়া রোগে শুধু শরীরচর্চা বাড়ালেই হবে না, ক্যালরিযুক্ত খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে।
২০০৯ সালের ১২ মে, প্রথম আলো: আফ্রিকা থেকেই মানবজাতি ছড়িয়ে পড়েছিল সারা বিশ্বে। আধুনিক মানবজাতির মূল উৎস আফ্রিকায়। তবে এ পূর্বপুরুষেরা সংখ্যায় বেশি ছিল না। ৭০ হাজার বছর আগে প্রায় ২০০ জনের একটি দল লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে আফ্রিকার বাইরে ছড়িয়ে পড়ে। বছরের পর বছর বংশবৃদ্ধি করে তারাই আজ গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষা করেছে। বৈজ্ঞানিক ভাষায় তারা 'হোমো স্যাপিয়েন্স' নামে পরিচিত। ব্রিটিশ গবেষকদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য জানা যায়। ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় এ গবেষণার খবর প্রকাশিত হয়। ব্রিটেনের বংশগতি ও প্রত্নতত্ত্ববিষয়ক বিশেষজ্ঞরা এ গবেষণা চালান। বংশানুগতির (জেনেটিক) বিশেস্নষককেরা ইউরোপ, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার আধুনিক মানবগোষ্ঠীর পূর্ব ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করে দেখেন, এসব অভিন্ন পূর্বপুরুষেরই বংশধর তারা। আর পূর্বপুরুষেরা যে জায়গা থেকে আসেন, এর মধ্যে রয়েছে 'হর্ন অব আফ্রিকা' বলে পরিচিত উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার একটি বিশেষ অঞ্চল, যার কিছু অংশ আরব এলাকাভুক্ত। এ ব্যাপারে দ্য ইনক্রেডিবল হিউম্যান জার্নিনামে বিবিসি একটি ধারাবাহিক তথ্যচিত্র প্রচার করবে। পূর্ব আফ্রিকায় এক লাখ ৯৫ হাজার বছর আগে হোমো স্যাপিয়েন্স বা আজকের আধুনিক মানবের আবির্ভাব ঘটে বলে গবেষকদের ধারণা। আর জায়গাটি সম্ভবত ইথিওপিয়ার ওমো নদীর তীরবর্তী এলাকায়। ধারণা করা হয়, দেড় লাখ বছর আগে আধুনিক মানুষের পূর্বপুরুষেরা আফ্রিকার অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
২০০৯ সালের ১২ মে, প্রথম আলো: ওজন কমাতে চান? তাহলে রাত না জেগে একটু আগেভাগেই ঘুমাতে যান। নতুন এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, বেশি সময় ধরে ঘুমাতে পারলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে। ওয়াশিংটন আর্মি মেডিকেল সেন্টারের ওয়াল্টার রিডের নেতৃত্বে একটি আন্তর্জািতক গবেষকদল এ গবেষণা চালায়। গবেষণা থেকে দেখা গেছে, রাতে ভালো ঘুম না হলে তা ক্ষুধা বাড়ায় এবং হজমশক্তি কমিয়ে দেয়। এতে বেশি করে খাওয়ার ফলে শরীরে চর্বি জমে যায়। পিটিআই-ওয়েবসাইট।
২০০৯ সালের ২২ মে, প্রথম আলোর ছুটির দিনে: যদি গ্রামের চেয়ে শহর আপনার প্রিয় হয়, তবে মোনাকো, জিব্রালটা, বারমুডা, নাউরু ও সিঙ্গাপুর আপনার জন্য আদর্শ স্থান। এসব দেশে কোনো গ্রাম নেই।
২০০৯ সালের ২২ মে, প্রথম আলোর ছুটির দিনে: মহিলারা গড়ে ছয়টি করে শিশু জন্ম দেয়-বিশ্বে এ ধরনের দেশের সংখ্যা ১১টি। এর মধ্যে ১০টি দেশই আফ্রিকা মহাদেশের। বাংলাদেশের অবস্থান এ ক্ষেত্রে ৭১তম (গড়ে ৩ দশমিক শূন্য ৮টি শিশু)।
২০০৯ সালের ২২ মে, প্রথম আলোর ছুটির দিনে: জার্মািন, বেলজিয়াম, হাঙ্গেরি ও সুইডেনের চাকরিজীবীদের বেতনের প্রায় অর্ধেকটাই সরকারকে আয়কর দিতে হয়। ডেনমার্কে মোট আয়ের অর্ধেকই আয়কর। এ ছাড়া ডেনমার্ক ও সুইডেনের মোট জাতীয় আয়ের প্রায় ৫০ শতাংশের কর্মসংস্থান হয় কর থেকে।
২০০৯ সালের ৬ জুন, প্রথম আলো: মালদ্বীপে প্রতি লাখ লোকের জন্য দুটি করে কারাগার আছে। এ হার বিশ্বে সর্বোচ্চ।
২০০৯ সালের ৬ জুন, প্রথম আলো: সান ম্যারিনোর পর্যটকের সংখ্যা ওই দেশের জনসংখ্যার চেয়ে ১৯ গুণ বেশি।
২০০৯ সালের ৬ জুন, প্রথম আলো: পৃথিবীর ছয়টি দেশের মহিলা কয়েদির সংখ্যা মোট কয়েদির ১০ শতাংশের বেশি। দেশগুলো হচ্ছে-থাইল্যান্ড, বলিভিয়া, কাতার, প্যারাগুয়ে, কোষ্টারিকা ও সিঙ্গাপুর।
২০০৯ সালের ৬ জুন, প্রথম আলো: মাথাপিছু মোট আয় বেশি-এ তালিকায় প্রথম ১০টি দেশের তিনটি দ্বীপ দেশ। দেশগুলো হচ্ছে-বারমুডা, ক্যামেন আইল্যান্ড ও আইসল্যান্ড।
২০০৯ সালের ৭ জুন, আমাদের সময়: ১০ জুন ইংরেজি শব্দের সংখ্যা হবে ১০(দশ) লক্ষ।
২০০৯ সালের ৯ জুন, প্রথম আলো: গবেষণা সংস্থার প্রতিবেদন-বিশ্বে অস্ত্র প্রতিযোগিতা বাড়ছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) নামের ওই সংস্থা তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানায়, গত বছর (২০০৮ সালে) বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয় ছিল ১.৪৬৪ ট্রিলিয়ন ডলার। এক দশক আগের তুলনায় এটা ছিল ৪৫ শতাংশ বেশি। আর ওই ব্যয় বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ২.৪ শতাংশ। ২০০৭ সালের চেয়ে ওই ব্যয় ২০০৮ সালে বেড়েছে চার শতাংশ। গবেষণা সংস্থাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। ২০০৮ সালে বিশ্বব্যাপী মোট সামরিক ব্যয়ের ৪২ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের। শীর্ষস্থানীয় ১৪টি দেশের সামরিক ব্যয়ের চেয়েও যুক্তরাষ্ট্রের ওই ব্যয় বেশি। এ ছাড়া গত ১০ বছরে রাশিয়া ও চীন তাঁদের ব্যয় প্রায় তিনগুণ বাড়িয়েছে। শীর্ষস্থানীয় ১৫টি দেশের মধ্যে একমাত্র জার্মািন ও জাপান ১৯৯৯ সালের পর থেকে তাদের সামরিক ব্যয় কমিয়েছে।
২০০৯ সালের ১৬ জুন, প্রথম আলো: যেখানে মা নন বাবাই আদর্শ। খাওয়া-দাওয়া ও শরীর ঠিক রাখার ক্ষেত্রে মায়ের চেয়ে বাবাকেই শিশুরা বেশি অনুসরণ করে। বাবা যদি এ দুটি বিষয়ে সচেতন হন, তাহলে সেই পরিবারের শিশুরাও খুব সহজে বিষয়টি রপ্ত করে নেয়। কেননা, শিশুরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাদের বাবাদের অভ্যাসগুলোই অনুকরণের চেষ্টা করে থাকে। নতুন গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে।
২০০৯ সালের ২৫ জুন, প্রথম আলো: আড্ডা, খোশগল্প শরীর সুস্থ রাখে।
২০০৯ সালের ২৫ জুন, প্রথম আলো: সারীরিক স্থুলতা অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
২০০৯ সালের ২৮ জুন, আমাদের সময় পত্রিকার রিপোর্ট: রুবাইয়াত সাফী। বিশ্বের সম্পদশালীরা ২০০৮ সালে তাদের সম্পদের ২০ শতাংশ হারিয়েছেন। এক মেরিল লিনচ স্টাডি (২৪-০৬-২০০৯ তারিখ)-এ তথ্য তুলে ধরে নিয়ত পরিবর্তনশীল বাজার গত দু'বছরের প্রবৃদ্ধিতে ধ্বস আনায় এর প্রভাব সম্পদশালীদের ওপরও এসে পড়েছে। সম্পদশালীদের নিট সম্পত্তির মোট মূল্য ১০ লাখ ডলার কমে গেছে। এর মধ্য থেকে বাড়ি এবং অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তিকে বাদ দিলে তাদের সম্পদের মূল্য ২০০৫ সালের তুলনায় ৩২ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার কমে যায়। মেরিল লিনচের ওয়াল্র্ড ওয়েলথের ১৩তম বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
| ব্রিক কান্ট্রি (নামে জোট গঠন করেছে) সংক্ষেপ-২০-০৬-২০০৯ সাল |
| ব্রাজিল | রাশিয়া | ভারত | চীন | দক্ষিণ আফ্রিকা |
| জনসংখ্যা(কোটিতে) | ১৯.১০ | ১৪.২০ | ১১৭ | ১৩৩ | ৪.৯৩ |
| আয়তন(কোটিতে বর্গ কিলোমিটার | ০.৮৫ | ১.৭১ | ০.৩৩ | ০.৯৬ | ০.৭৬ |
| জিডিপি(লাখ কোটি ডলার) | ১.৩১ | ১.২৯ | ১.২৭ | ৩.২০ | ০.৪৯ |
| প্রবৃদ্ধি(%) | ৫.৪% | ৮.১% | ৯.১% | ১৩% | ৩.১% |
| মাথাপিছু অভ্যন্তরীণ আয়(ডলারে) | ১০,২০০ | ১৬,১০০ | ৯৫০ | ৩,৩৭০ | ১০,১০০ |
ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও চীন নিয়ে গঠিত পাঁচ জাতির জোট ব্রিকের প্রথম আনুষ্ঠানিক সম্মেলন রাশিয়ার ইয়েকাতেরিবুর্গ শহরে শেষ হয়েছে গত মঙ্গলবার। বিশ্বের অগ্রসর উন্নয়নশীল এই চার দেশ মার্কিন ডলারের বিকল্প আন্তর্জািতক বিনিময়যোগ্য মুদ্রা প্রচলনের বিষয়ে ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ব্রিক বর্তমানে বিশ্বের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ১৫ শতাংশ (৬০ লাখ ৭০ হাজার কোটি ডলার) ধারন করছে। এএফপি গ্রাফিকসে চার দেশের অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।
২০০৯ সালের ২১ জুন, প্রথম আলো: চাইছি তোমার বন্ধুতা-বহু দেশ সাইকেলে ঘুরে শান্তির সন্ধানে ঢাকায় এসেছিলেন বিশ্ব পর্যটক দাইসুকি নাকানিশি। জাপানের ছেলে ১৯৯৮ সালের ২৩ জুলাই ঘর ছেড়ে বেরিয়েছিলেন দাইসুকি, এখন পর্যন্ত তাঁর ঘরে ফেরা হয়নি। ইতিমধ্যে এক লাখ ৪৭ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছেন। ঘোরা হয়েছে ১২৭টি দেশ। দাইসুকির বয়স এখন ৩৯ বছর। এরই মধ্যে ৭৮ বার সাইকেলের চাকা পাল্টাতে হয়েছে। সাইকেলে ৯০ কেজি ওজনের চারটি ব্যাগ-ব্যাগগুলোর মধ্যে থাকে তাঁবু, চুলা, হাঁড়ি-পাতিল, কাপড়, খাবার আর টুকটাক ওষধপত্র। শেষমেষ ১২ বছর হতে চলল, এখনো আমার ভ্রমণ শেষ হয়নি। আরও ৬০টা দেশ ঘুরতে চাই। পথে দেখা হয়েছে ৮(আট) বার তাঁর চেয়েও বড় পাগলের সঙ্গে। ৪৭ বছর ধরে সাইকেলে ঘুরে গিনেস বুক অব ওয়াল্র্ড রেকর্ডে নাম তোলা জার্মািনর হাইনজ ইশতুকের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে গেছে তাঁর। দাইসুকি জানালেন, দীর্ঘ এ ভ্রমণে হাইনজ তাঁর অন্যতম অনুপ্রেরণা। শুনিয়ে যাচ্ছেন শান্তি আর বন্ধুত্বের কথা। দাইসুকির বিশ্ব ভ্রমণের আকর্ষণীয় কাহিনী পড়া আর ছবি দেখা যাবে তার ওয়েবসাইটে। (ডডড.ফধরংঁশবনরশব.নব.)। দাইসুকির এত দিনের শ্রম আর তাঁর ১০ লাখ শান্তিপ্রিয় বন্ধু বানানোর ইচ্ছা অন্তত বিফলে যাবে না তাহলে।
২০০৯ সালের ২১ জুন, আমাদের সময়: জলবায়ু পরিবর্তেনর ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ৩ কোটি মানুষ উদ্বাস্ত্ত হবে। আর বিশ্বে হবে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বাস্ত্তভিটা হারিয়ে উদ্বাস্ত্ত হবে।
২০০৯ সালের ২১ জুন, প্রথম আলো: জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি-বিশ্বের ১০০ কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত। বিশ্বে এর আগে আর কখনো এত মানুষ না খেয়ে থাকেনি।
২০০৯ সালের ২৪ জুন, সমকাল পত্রিকার রির্পোট: শ্রমিকদের মাসিক বেতন ডলারে কোন দেশে কত দেয়া হয় তার হিসেব: মিয়ানমারে একজন শ্রমিকের মাসিক বেতন-১১৬ ডলার, বাংলাদেশে-৫৭ ডলার, পাকিস্তানে-১০৪ ডলার, ভারতে-১৮৪ ডলার, চীনে-২৮৬ ডলার, দক্ষিণ কোরিয়ায়-৮৬৭ ডলার ও সিঙ্গাপুরে-১,০২৭ ডলার।
২০০৯ নালের ১৯ জুলাই, প্রথম আলো: বৃক্ষরোপণে বিশ্ব রেকর্ড। এক দিনে পাঁচ লাখের বেশি গাছের চারা রোপণ করে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে পাকিস্তানের একদল স্বেচ্ছাসেবী। গিনেস বুক অব ওয়াল্র্ড রেকর্ডস সূত্র জানায়, ১৫ জুলাই পাকিস্তানের দক্ষিণাষ্ণলীয় সিন্ধু প্রদেশে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার ১৭৬টি গাছের চারা রোপণ করে ওই বিশ্ব রেকর্ড গড়া হয়েছে। ৩০০ জন স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে সিন্ধু নদের তীরবর্তী ৭৫০ একর জায়গাজুড়ে ম্যানগ্রোভ গাছের চারা রোপণ করে। বিবিসি।
২০০৯ সালের ২৫ জুলাই, প্রথম আলো: গত ১০ বছরে বিশ্বের সপ্তম বৃহৎ শক্তিধর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। এ সেনাবাহিনী দেশের ৬২ বছরের ৩৩ বছরই দেশ শাসন করেছে। আফগানিস্তান থেকে ভারতকে দূরে রাখতে চায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
।২৬-০৭-২০০৯ তারিখ প্রথম আলো: ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রবৃদ্ধি: ২০০৮ সালে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর।
| সংখ্যা-১৪৫.৫২ কোটি | আর ২০১৩ সালে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা হবে ২২০ কোটি লোক | বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট |
| ব্যবহার বাড়ছে | অর্থৈনতিক ও বাণিজ্যিক কর্মকান্ডে এর ব্যবহার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে | আগামী পাঁচ |
| বছরে বিশ্বের বিভিন্ন অষ্ণলে ইন্টারনেটের ব্যবহারের উত্তরণ ফুটে উঠেছে নিচের এএফপির গ্রাফিক্সে | চীনে ২০১০ সালের |