২০০৮ সালের ২৮ অক্টোবর, বিশ্বের সবচেয়ে মোটা মানুষের বিয়ে। তাঁর ওজন ছিল-৫৯০ কিলোগ্রাম। এখন তাঁর ওজন ৩৬০ কিলোগ্রাম। মেক্সিকোর ম্যানুয়েল ইউরাইবে-৪৩।
২০০৮ সালের ২৯ অক্টোবর, খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় 'আগামী বছর(২০০৯) সালে ১০০ কোটি মানুষ অভূক্ত থাকবে'।
২০০৮ সালের ১১ নভেম্বর, দুর্গম গিরিপথ পেরিয়ে চীনের সিচুয়ান প্রদেশের গুলু গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়টির অবস্থান। এ স্কুলটিকে বলা হয়ে থাকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদ্যালয়। গ্রামবাসী জানায়, বাচ্চাদের জন্য বিদ্যালয়ে যাওয়া খুবই বিপজ্জনক। পথটি কোথাও কোথাও এত সরু যে চওড়ায় মাত্র এক ফুট চার ইঞ্চির মতো। পাঁচ ঘন্টা সময় লাগে বিদ্যালয়ে যেতে। হাঁটার সময় নিচে তাকালে বুক কেঁপে ওঠে। পাশে বিশাল খাদ। এ গ্রামের শিশুরা জীবনে কোনদিন গাড়ি এবং কমপিউটার দেখেনি।
২০০৮ সালের ১৪ নভেম্বর, কলকাতা প্রতিনিধিঃ ২০৫০ সালে বিশ্বে ভারতের জনসংখ্যা থাকবে সবার শীর্ষে। চীনকে টপকে বিশ্বের শীর্ষ জনসংখ্যার দেশে পরিণত হবে ভারত। তখন ভারতের জনসংখ্যা হবে-১৬৫ কোটি ৮০ লাখ, আর চীনের জনসংখ্যা হবে-১৪০ কোটি ৮০ লাখ। জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল বা ইউএনএফপিএ এ তথ্য জানিয়েছে। এক সমীক্ষার পর নয়াদিল্লীতে বিশ্বের জনসংখ্যাসংক্রান্ত এ তথ্য প্রকাশ করে। ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ। পাকিস্তানের জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ২৯ কোটি ২০ লাখ। বর্তমানে পাকিস্তানে জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৭০ লাখ। আফগানিস্থানের জনসংখ্যা বাড়বে তিন গুণ। বর্তমানে ২ কোটি ৮০ লাখ। আর তা বেড়ে হবে ৭ কোটি ৯০ লাখ। ২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২৬ কোটি ৫৪ লাখ। বর্তমানে ১৬ কোটি ১০ লাখ। নেপালের জনসংখ্যা ২ কোটি ৮০ লাখ। বেড়ে হবে ৫ কোটি ২০ লাখ। শ্রীলঙ্কায় দেখা যাবে এর উল্টো চিত্র। বর্তমানে শ্রীলঙ্কার জনসংখ্যা ১ কোটি ৯৪ লাখ। ২০৫০ সালে কমে হবে ১ কোটি ৮৭ লাখ। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা হবে ৪০ কোটি ২০ লাখ। ২০০৮ সালে ৩০ কোটি ৮০ লাখ। ইউরোপের বহু দেশেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নেতিবাচক থাকবে। এ চিত্র দেখা যাবে জাপান ও কোরিয়ায়।
২০০৮ সালের ১৯ নভেম্বর, 'মেহ' মানে উদাসীন-ইংরেজীতে 'সবয্থ শব্দ। শব্দটির অর্থ 'উদাসীন', 'অনাগ্রহী'। কলিনস অভিধানের ৩০তম সংস্করণে শব্দটি অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।
২০০৮ সালের ২২ নভেম্বর, প্রথম আলো ডেস্ক: ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বে মার্কিন আধিপত্যের অবসান ঘটবে।
২০০৮ সালের ৩০ নভেম্বর, বিশ্বের বয়স্কতম নারী এডনা পার্কার মারা গেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একটি হাসপাতালে তিনি মারা গেছেন। এ সময় তাঁর বয়স ছিল ১১৫ বছর ২২০ দিন। ২৬-১১-২০০৮ সালে মারা গেছেন।
২০০৮ সালের ৭ ডিসেম্বর, তেলের দাম (১১৭.৩৫ লিটার অর্থাৎ এক ব্যারেল-এর দাম ৪২ ডলার। ১৯৮০ সালে একবার ১০১ ডলার হয়েছিল।
২০০৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর, প্রতি ব্যারেল তেল ৪০ ডলারের নিচে।
২০০৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে ওবামা 'সেরা ব্যক্তিত্ব' হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বািচত প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামার নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
২০০৯ সালের ২০ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বর্তমান পৃথিবীতে সক্রিয় আগ্নেয়াগিরির সংখ্যা-৮৫০টি। এরমধ্যে জীবন্ত আগ্নেয়াগিরির সংখ্যা প্রায় ৪৩০টি।
২০০৯ সালের ২৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিশ্বের বড় অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি হ্রাস। বিশ্বের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপান, চীন ও জার্মািন এবং উন্নত অঞ্চল ইউরো জোনে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ব্যাপক হারে কমছে। ২০০৯ সালে জার্মািনর কমবে প্রবৃদ্ধি ২.২৫ ভাগ এটিই হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মান অর্থনীতিতে সর্বিনম্ন রেকর্ড। চীনে ছিল ২০০৭ সালে প্রবৃদ্ধি ১৩ ভাগ আর ২০০৮ সালে প্রবৃদ্ধি কমে হয়েছে ৯ ভাগ। জাপানের প্রবৃদ্ধি কমে ২০০৯ এবং ২০১০ সালের মার্চ পর্যন্ত 'জিরো গ্রোথ' হবে অর্থাৎ কোনো প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে না। গত সাত বছরে এটিই হবে প্রবৃদ্ধি না হওয়ার বছর।
২০০৯ সালের ২৯ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিশ্ব অর্থৈনতিক ফোরামের সম্মেলন শুরু, হতাশার মধ্যেও আশাবাদ। গত শতকের ত্রিশের দশকের সেই মহামন্দার পরে আবার যখন ভয়ানক সংকট দেখা দিয়েছে, তেমনি একসময় সুইজারল্যান্ডের পার্বত্য-গ্রাম দাভোসে এ বৈঠক শুরু হলো। ৪০ জন সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানসহ ৯০টি দেশের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। আরও আছেন বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংকগুলোর শীর্ষস্থানীয় নির্বাহীরা। অর্থনীতিবিদ স্টিফেন রোয়াক বলেন, বিশ্বে আগামী তিন বছরে গড় অর্থৈনতিক প্রবৃদ্ধি হতে পারে ২.৫ ভাগ।
২০০৯ সালের ৩০ জানুয়ারি, প্রথম আলো: আইএমএফের প্রতিবেদন-দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ২০০৯ সাল হবে সর্বিনম্ন প্রবৃদ্ধির বছর। ২০০৯ সালে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি তিন দশমিক ২৫ শতাংশে নেমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০০৮ সালে এ ধরনের দেশগুলোতে সম্মিলিতভাবে ছয় দশমিক ২৫ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। গতকাল প্রকাশিত অন্য এক প্রতিবেদনে আন্তর্জািতক শ্রম সংস্থা(আইএলও) বলেছে, অর্থৈনতিক মন্দার প্রভাবে চলতি বছরে পাঁচ কোটি ১০ লাখের মতো লোকের চাকরি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
২০০৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: কোটি কোটি গ্রহ-আমাদের গ্যালাক্সিতে পৃথিবীর মতো ১০ হাজার কোটি গ্রহ থাকতে পারে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এসব গ্রহের অনেকগুলোই প্রাণের অস্তিত্বের উপযোগী হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্সের বার্ষিক সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় কার্নেিগ ইনস্টিটিউটের ড. এলান বোস বলেন, এ পর্যন্ত টেলিস্কোপের মাধ্যমে আমাদের সৌরজগতের বাইরে ৩০০টির মতো গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে। আর এসব গ্রহের কয়েকটি প্রাণ ধারণের উপযোগী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০০৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ২৫০০ ভাষা।
২০০৯ সালের ৪ মার্চ, প্রথম আলো: বিশ্বের সামরিক ব্যয় এক লক্ষ ৪০ হাজার কোটি ডলার। এরমধ্যে অর্ধেক সামরিক ব্যয় করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর চীন ব্যয় করে সাত হাজার কোটি ডলার। চীন, রাশিয়া, বৃটেন, জাপান ও ফ্রান্স সমান সমান প্রায় সবাই একই। চীনের দশগুণ সামরিক ব্যয় করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
২০০৯ সালের ৫ মার্চ, প্রথম আলো: বিশ্বের ৬০ ভাগ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। গত বছর ২০০৮ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বজুড়ে মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪১০ কোটিতে। ২০০২ সালে এ সংখ্যা ছিল ১০০ কোটি। ২০০২ সালে ল্যান্ডলাইন গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ১০০ কোটি। ২০০৮ সালের শেষ নাগাদ এ সংখ্যা দাঁড়ায় ১২৭ কোটিতে। জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেটের ব্যবহারও দ্বিগুণ হয়েছে। ২০০২ সালে বিশ্বে মোট জনসংখ্যার ১১ ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহার করত। এখন এ হার ২৩ ভাগ এসে দাঁড়িয়েছে। ধনী দেশগুলোতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২০ ভাগ। দরিদ্র দেশগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে এখনো পিছিয়ে রয়েছে। তথ্য ও প্রযুক্তির দিক থেকে এগিয়ে আছে সুইডেন এবং এরপরের অবস্থান দক্ষিণ কোরিয়ার।
২০০৯ সালের ১৩ মার্চ, প্রথম আলো: ৪০ বছরে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জনসংখ্যা ২৩০ কোটি বাড়বে। চলতি বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা ৬৮০ কোটি থেকে ২০১২ সালে ৭০৭ কোটি হবে। ২০৫০ সালে মধ্যে এ জনসংখ্যা পৌঁছাবে ৯০০ কোটিতে। জাতিসংঘ মনে করে, এ জনসংখ্যা বিস্ফোরণ সবচেয়ে বেশি ঘটবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। ওই দেশগুলোতে বর্তমানে ৫৬০ কোটি জনসংখ্যা বেড়ে ২০৫০ সালের মধ্যে ৭৯০ কোটিতে দাঁড়াবে। বাড়বে ২৩০ কোটি মানুষ। সেই তুলনায় স্বল্পোন্নত দেশে জনসংখ্যা বাড়ার হার কম। ৪৯টি স্বল্পোন্নত দেশে বর্তমানের জনসংখ্যা ৮৭ কোটি থেকে বেড়ে ২০৫০ সালের মধ্যে ১৭০ কোটি হবে। এদিকে অতি উন্নত দেশগুলোতে ২২ ভাগ লোকের বয়স ৬০ বছরের বেশি। ২০৫০ সালের মধ্যে এ বয়সী লোকের সংখ্যা হবে ৩৩ ভাগ। উন্নয়নশীল দেশে ৬০ বছরের বেশি বয়সী লোকের সংখ্যা ৯ ভাগ। ২০৫০ সালে ৬০ বছর বয়সের বেশি হবে ২০ ভাগ।
২০০৯ সালের ১৩ মার্চ, প্রথম আলো: ইরাকে বুশকে লক্ষ্য করে জুতা। জায়েদির তিন বছর কারাদন্ড।
২০০৯ সালের ১৩ মার্চ, প্রথম আলো: ধনকুবেরদের সম্পদ কমেছে বিল গেটস আবার শীর্ষে। এবারের তালিকায় শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে মাত্র দুজন ভারতীয় আছেন এবং গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪। আর গত বছর প্রথম স্থান অধিকারী মার্কিন বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট নেমে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে। গত বুধবার বিশ্বের ধনবানদের নিয়ে ফোর্বস সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। গত বছর এ তালিকায় ১,১২৫ জনের নাম থাকলেও এ বছর তা নেমে এসেছে ৭৯৩-এ। সর্বেশষ হিসাবে তাঁদের সম্পদের পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। গত বছর ধনকুবেরদের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। এ তালিকা থেকে বেশি লোক হারিয়েছে ভারত, রাশিয়া ও তুরস্ক। প্রতিবেদনে বলা হয়, সার্বিকভাবে সব ধনকুবেরই গত বছর তাঁদের সম্পদ হারিয়েছেন। গত বছর ৫,৮০০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে বিল গেটস তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন। এ বছর চার হাজার কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে তিনি তালিকার শীর্ষে আছেন। গত বছর ওয়ারেন বাফেটের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৬,২০০ কোটি ডলার। তাঁর সম্পদের পরিমাণ নেমে এসেছে ৩,৭০০ কোটি ডলারে। মেক্সিকোর কার্লোস স্স্নিম ৩,৫০০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন। ২০০৩ সালের পর এবার প্রথম সারা বিশ্বে ধনকুবেরের সংখ্যা কমে গেছে। প্রকাশিত তালিকায় ৫৫ জন ধনকুবের নিউইয়র্কের। গত বছর ছিল মস্কোর ৮৭ জন। এবার ৩২ জনে নেমে এসেছে। তালিকার শীর্ষ ২০ জন সম্পদশালীর মধ্যে একমাত্র নিউইয়র্ক নগরের মেয়র মাইকেল বস্নুমবার্গ গত বছর কোনো সম্পদ হারাননি। আগের বছর তাঁর সম্পদ এক হাজার ১৫০ কোটি ডলার ছিল।
২০০৯ সালের ১৫ মার্চ, প্রথম আলো: সামরিক ব্যয় আরও ১৫ শতাংশ বাড়াল চীন। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় চীনের তুলনায় ১০ গুণ বেশি। তবে চীনের সামরিক খাতে বরাদ্দ জাপান, রাশিয়া ও ব্রিটেনের সামরিক ব্যয়ের সমপর্যােয়র। দেশটিতে বর্তমানে ২৩ লাখ সদস্যের বিশাল সেনবাহিনী রয়েছে, যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ।
২০০৯ সালের ১৭ মার্চ, প্রথম আলো: প্রতিবছর গোটা দুনিয়ার মানুষ প্রায় এক বিলিয়ন ব্যাঙ ভক্ষণ করে।
২০০৯ সালের ১৮ মার্চ, প্রথম আলো: সেমিনারে বক্তারা। ভেষজ ওষুধশিল্পের প্রসারে উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডবিস্নউএইচও) মতে, বিশ্বে ৮০ ভাগ মানুষ ভেষজ ওষুধ ব্যবহার করে। প্রতিবেশি দেশ শ্রীলঙ্কায় চিকিৎসার ৭০ ভাগ ভেষজ ওষুধনির্ভর। বাংলাদেশেও বিপুলসংখ্যক মানুষ ভেষজ ওষুধের ওপর নির্ভরশীল।
২০০৯ সালের ২০ মার্চ, প্রথম আলো: শুধু হাঁটলেই চলবে না, প্রতি মিনিটে কয় পা ফেলা হয়েছে, তার হিসাবও রাখতে হবে। শরীর ঠিক রাখতে হলে নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই। এ জন্য চিকিৎসকেরাও পরামর্শ দিয়ে বলেন, শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রতিদিন অন্তত কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করতে হবে। তবে শুধু হাঁটলেই চলবে না হাঁটার সময় কিছু নিয়মও মানতে হবে। মার্কিন গবেষকেরা জানিয়েছেন, দৈনিক ৩০ মিনিট হাঁটলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে অন্তত ১০০ কদম বা ধাপ ফেলতে হবে। শরীরে অক্সিজেনের চাহিদার ভিত্তিতে পায়ের ধাপের এ সংখ্যাটি নির্ধারণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগো স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।
২০০৯ সালের ২৬ মার্চ, প্রথম আলো: উনবিংশ শতাব্দীতে সারা বিশ্বে ২৭টি স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল, উইরোপে ছিল ২০টি, এশিয়ায় ছিল আফগানিস্তান, ইরান, ওমান, চীন, জাপান, তাইওয়ান, তুর্কি ও থাইল্যান্ড। গত দু'শ বছরে মোটামোটি পাঁচটি পর্যােয় স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটেছে। ১৮০০ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে বিশ্বের জাতীয় স্বাধীনতা অর্জেনর প্রথম পর্যােয় দুই আমেরিকার সব কটি প্রধান রাষ্ট্র স্বাধীন হয়। দ্বিতীয় পর্যােয় ১৯১৫ থেকে ১৯৩৯ সালে পূর্ব ইউরোপের বেশ কিছু রাষ্ট্র স্বাধীন হয়। তৃতীয় পর্যােয় ১৯৪০ থেকে ১৯৫৯ সালে আফ্রিকা ও এশিয়ায় বেশ কিছু দেশ উপনিবেশিক শক্তির কবলমুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে। চতুর্থ পর্যােয় ১৯৬০ থেকে ১৯৮৯ ওই দুই মহাদেশের বাকি রাষ্ট্রগুলো স্বাধীন হয়। সর্বেশষ পর্যােয় ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন, যগোস্স্নাভিয়া ও চেকোস্স্নোভাকিয়া ভেঙে নতুন বেশ কয়েকটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে। ১৬৪৮ সাল থেকে সুইজারল্যান্ড আন্তরাষ্ট্রীয় জগতে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে চলেছিল। নিরপেক্ষতার অজুহাতে সেই রাষ্ট্রটি জাতিসংঘের সদস্য হয়নি। এখন সেই রাষ্ট্রটিও জাতিসংঘের সদস্য। দক্ষিণ এশিয়ায় গত দেড় হাজার বছরে ৬৩টি রাজশক্তির উত্থান ঘটে। এর মধ্যে যে নয়টি নিখিল ভারতীয় মর্যাদা পেয়েছিল তার শেষটি ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য। আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশ ৯৩তম। লোকসংখ্যার দিক থেকে ৭ম দেশ। বিশ্বের লোকসংখ্যার দিক থেকে ৪২ ভাগের এক ভাগ লোক বাস করে বাংলাদেশে।
২০০৯ সালের ২৭ মার্চ, প্রথম আলো: হিরোশিমা-নাগাসাকি বোমার জীবিত সাক্ষী মিৎশুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রির একজন তরুণ প্রকৌশলী হিবাকুশা ইয়ামাগুচি দাপ্তরিক কাজে নাগাসাকি থেকে হিরোশিমা যান। ১৯৪৫ সালের ৬ আগষ্ট জাপানের হিরোশিমায় যখন মার্কিন বিমান থেকে 'লিটল বয়' নামের পরমাণু বোমা ফেলা হয়, দিন শেষে তা এক লাখ ৬০ হাজার লোকের হতাহতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এরমধ্যে তরুণ প্রকৌশলী হিবাকুশা ইয়ামাগুচিও ছিলেন এবং আহত অবস্থায় ছিলেন। ঘটনা এখানেই শেষ নয়; তিন দিন পর ৯ আগষ্ট যখন জাপানের নাগাসাকি শহরে 'ফ্যাট ম্যান' নামের আরেকটি পরমাণু বোমা ফেলা হয়, সেই নারকীয় ঘটনারও প্রত্যক্ষদর্শী তরুণ প্রকৌশলী হিবাকুশা ইয়ামাগুচি। এ ঘটনায় আরও ৭০ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে। লক্ষলীয় যে, দ্বিতীয়বারের হামলার সময়ও ইয়ামাগুচি ঘটনাস্থল থেকে তিন কিলোমিটার দূরে ছিলেন। তরুণ প্রকৌশলী হিবাকুশা ইয়ামাগুচির বয়স এখন ৯৩ বছর।
২০০৯ সালের ৩০ মার্চ, প্রথম আলো: লন্ডনে জি-২০ সম্মেলন। বাংলাদেশের শুধু চেয়ে দেখা। ২ এপ্রিল, ২০০৯ সালে লন্ডনে জি-২০ সদস্যদের যে সম্মেলনটি বসছে, সেখানেই কথা হবে মন্দা থেকে উত্তরণের পথ নিয়ে। বিশ্বের মোট জাতীয় উৎপাদনের ৯০ শতাংশ, বিশ্ববাণিজ্যের ৮০ শতাংশ এবং বিশ্বের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয় জি-২০ ভুক্ত দেশের আওতাভুক্ত। অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের নিয়ে ১৯৯৯ সালে গঠিত জি-২০-এর সদস্যরা উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশ। জি-২০-এর সদস্যভুক্ত দেশগুলো হচ্ছে-আর্জেিটনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মািন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ইংল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফের মত্যে এর নিজের স্থায়ী কোনো কর্মকর্তা নেই।
২০০৯ সালের ৪ এপ্রিল, প্রথম আলো: ১৯৪৯ সালের ৩ এপ্রিল, নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) প্রতিষ্ঠিত হয়। যার সদস্য সংখ্যা ২৮টি। সংস্থাটির ৬০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। ন্যাটো সম্মেলন শুরু, পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ।
২০০৯ সালের ৬ এপ্রিল, প্রথম আলো: অ্যান্টার্কিটকা থেকে বিছিন্ন হচ্ছে জ্যামাইকার সমান বরফের চাঁই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই এটি উপকুল থেকে আলাদা হয়ে যাবে। ব্রিটিশ অ্যান্টার্কিটকা সার্ভের ভূতত্ত্ববিদ ডেভিড ভাউগান বলেন, সেতুর মতো দেখতে বরফখন্ডটি যেভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, তা খুবই বিস্ময়কর। দুই দিন আগেও এটি যুক্ত ছিল। অনেক দিন ধরেই এটা দেখার অপেক্ষায়ই ছিলাম আমরা। ইএসএ-এর হিসাবমতে, প্রায় ছয় হাজার বর্গমাইল এলাকাজুড়ে থাকা এ বরফের চাঁইটি গত শতকের বেশির ভাগ সময়ই স্থিতিশীল ছিল। ১৯৯০ সালের দিকে এতে পরিবর্তন আসতে থাকে। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে চাঁইটির ১৬৪ বর্গমাইল আয়তনের একটি খন্ড ভেঙে যায়। মে মাসে আরেকটি বরফখন্ড ভেঙে পড়ে। সেটার আয়তন ছিল ৬২ বর্গমাইলের মতো। গত ১২ মাসে বরফের চাঁইটি ৬৯৪ বর্গমাইল হারিয়েছে। যা এর মূল আয়তনের ১৪ শতাংশ। আর গত ২০ বছরে এমন সাতটি বরফের চাঁই হারিয়েছে অ্যান্টার্কিটকা। সূত্র:এএফপি ও বিবিসি অনাইন।