২০০৮ সালের ১২ মে, সর্বকালের সর্বোচ্চ চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা সত্ত্বেও দাম বাড়ছে। বিশ্বে ২০০৮-২০০৯ সালে সর্বকালের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৬৬ কোটি টন চাল উৎপাদন হবে, যা ২০০৭-২০০৮ সালের চেয়ে ৫০ লাখ টন বেশি। বিশ্বের ৬৬৬ কোটি মানুষের মধ্যে অর্ধেক মানুষের চাল প্রধান খাদ্য। বিশ্বে প্রতি বছর ৭(সাত) কোটি ৮০(আশি) লক্ষ মানুষ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ(ইউএসডিএ) এ তথ্য দিয়েছে। বিশ্বে চালের সর্বেশষ মজুদ প্রাক্কলন করেছে ৮(আট) কোটি ২৫ লাখ ৮০ হাজার টন, যা আগের বছরের চেয়ে ৪০ লাখ টনের মতো বেশি।

২০০৮ সালের ১২ মে, খাদ্যের বাড়তি দাম কীভাবে মোকাবিলা করছে এশিয়া। এশিয়ার লোকসংখ্যা হলো প্রায় ৪০০ কোটি। এরমধ্যে ১০০ কোটি লোক সরাসরি সংকটের মধ্যে পড়েছে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায়।

২০০৮ সালের ২৩ মে, নেপালের আপ্পা শেরপা ৪৮ বছর বয়স। সে ১৮ বার এভারেষ্টে আরোহণ করে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন। ১৯৮৭ সালে আপ্পা শেরপা প্রথম পর্বতারোহণ শুরু করেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি এ বিষয়ে দক্ষ হয়ে ওঠেন। ১৯৯০ সালে আপ্পা শেরপা প্রথম এভারেষ্টের চুড়ায় আরোহণ করেন।

২০০৮ সালের ২৪ মে, ড. আলেয়া সবুর বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ অধ্যাপক। উল্লেখ্য, ড. আলেয়া সবুর ৩০০ বছরের গিনেজ রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন। ১৭১৭ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন ম্যাকলোরিন সর্বকনিষ্ঠ অধ্যাপক হিসেবে রেকর্ড করেছিলেন। তাঁর সেই রেকর্ড ভাঙলেন ১৮ বছরের ড. আলেয়া সবুর। আলেয়া সবুরের জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯ সালে। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ এ অধ্যাপকের জন্মস্থান নিউইয়র্ক। তাঁর গবেষণা প্রকাশনা ছয়। অবিবাহিতা ড. আলেয়া সবুর। আলেয়া সবুর মাত্র ১৪ বছর বয়সে নিউইয়র্ক স্টেট ইউনিভার্সিিটর স্টনিব্রুক কলেজ থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১০ বছর বয়সে তিনি দ্বাদশ গ্রেডে উন্নীত হন। তিনি চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি মাত্র ১৮ বছর বয়সে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলের কনকাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডভান্স টেকনোলজি ফিউশন বিভাগে পূর্ণকালীন অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে গিনেজ বুক অব রেকর্ডেস অন্তর্ভূক্ত হন।

২০০৮ সালের ২৫ মে, বিশ্বে চালসহ খাদ্যপণ্যের মোট আমদানি মূল্য এ বছর এক লাখ কোটি ডলার হবে। তেলের দাম বেড়ে ১৩৫ ডলারে উঠার নতুন রেকর্ড। চলতি ২০০৮ সালে সারা বিশ্বে খাদ্যপণ্যের মোট আমদানি মূল্য এক লাখ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়াবে, যা ২০০৭ সালের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি হবে। প্রতি ব্যারেল(১১৭.৩৫ লিটার) তেলের ১৩৫.০৯ মার্কিন ডলারে ওঠে।

২০০৮ সালের ৪ জুন, খাদ্যনিরাপত্তাবিষয়ক সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিব-২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্য উৎপাদন ৫০ শতাংশ বাড়াতে হবে। সম্মেলনে বক্তৃতা দেন বান কি মুন।

২০০৮ সালের ১২ জুন, জর্দােনর প্রত্নতত্ত্ববিদেরা দাবি করেছেন, তাঁরা দুই হাজার বছরের পুরোনো একটি গির্জা আবিস্কার করেছেন এবং সেটিই বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো গির্জা। সেন্ট জর্জিয়াস গির্জািট ২৩০ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত। সিরিয়া সীমান্তের কাছে জর্দােনর উত্তরে রিহাব এলাকায় প্রাচীনকালে তৈরি সেন্ট জর্জিয়াস গির্জার নিচে ভূগর্ভে ওই গির্জার সন্ধান পাওয়া যায়। প্রত্নতত্ত্ববিদেরা বলেন এ গির্জািট ৩৩ থেকে ৭০ সালের মধ্যে এটি নির্মিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০০৮ সালের ২৭ জুন, বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ি। বিশ্বের পাঁচ নম্বর ধনী, ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি মুম্বাইয়ে ১০০ কোটি ডলার খরচ করে সাড়ে পাঁচশ ফুট। প্রচলিত মাপে ৬০ তলা দালানের সমান। ২৭ তলার আকাশচুম্বী বাড়ি ভিলা আন্তিলা। ৪ হাজার ৫৩২ বর্গিমটারের জমিতে গড়ে উঠছে এ বাড়ি। শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালে। দেখভাল করার জন্য ৬০০ কর্মী। পৃথিবীতে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বাড়িটি মুকেশ কেন তৈরি করছেন, জানেন? স্ত্রী নীতার ৪৫তম জন্মদিনে উপহার দেওয়ার জন্য। গত বছর ৪৪তম জন্মবার্ষিকীতে উপহার দিয়েছিলেন গোটা একটা বিমান। এখন বিশ্বের চতুর্থ ধনী ব্যক্তি। আল্টামাউন্ট সড়কে নির্মিত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল এ বাড়িটি। 'অ্যান্টেলিয়া' নামে এ বাড়ি নির্মােণ ব্যয় হয়েছে ৮(আট) হাজার কোটি রুপি। এ বাড়িতে ২৮-১-২০১০ তারিখ নতুন বাড়িতে পা রাখবেন মুকেশ ও তাঁর স্ত্রী নীতা আম্বানি। আর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি মনোরম দ্বীপের নামানুসারে মুকেশ তাঁর নতুন বাড়ির নাম অ্যান্টালিয়া রেখেছেন। এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল বাড়ির মালিক ছিলেন ভারতের অপর শিল্পপতি লক্ষী মিত্তাল। ইংলান্ডের লন্ডনের কেনসিংটন প্যালেস গার্ডেেনর ওই বাড়িটি তিনি কয়েক বছর আগে ৫৬০ কোটি রুপিতে কিনেছিলেন।

২০০৮ সালের ২৭ জুন, সমকাল পত্রিকার রিপোর্টঃ বিশ্বে ১(এক) কোটি ১০(দশ) লক্ষ কোটিপতি আছে-যার সম্পদের পরিমাণ-১(এক) কোটি ডলারের উপরে। এরমধ্যে চীনে-৪(চার) লক্ষ ২২(বাইশ) হাজার, ব্রাজিলে-১(এক) লক্ষ ৩০(ত্রিশ) হাজার ও ভারতে-১(এক) লক্ষ ২৭(সাতাশ) হাজার।

২০০৮ সালের ২৭ জুন, বিশ্বের প্রথম ঘূর্ণায়মান উঁচু ভবন ৮০ তলা হচ্ছে দুবাইয়ে।

২০০৮ সালের ২ জুলাই, সমকাল পত্রিকার সংবাদ-পানামা খালের দৈর্ঘয ৮০ কিলোমিটার লম্বা এবং পাস ৩৩ মিটার বর্তমানে ১৭ মিটার পাস বাড়ানোর কাজ চলছে। এ পর্যন্ত খাল খনন করতে ২২ হাজার লোকের মৃত্যু হয়েছে।

২০০৮ সালের ২ জুলাই, প্রথম আলো-একবেলা মধ্যাহ্নভোজের নিলাম প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা। বিশ্বের সেরা ধনী পল ওয়ারেন বাফেটের মোট সম্পদের মালিক ৬,২০০ কোটি ডলারের মালিক। ৭৭ বছর বয়সী পল ওয়ারেন বাফেট।

২০০৮ সালের ২ জুলাই, হিউলেট-প্যাকার্ড এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী সাড়ে ৫২ কোটির বেশি কমপিউটারের প্রিন্টার সরবরাহ করেছে।

২০০৮ সালের ৫ জুলাই, বিশ্বব্যাংকের গোপন প্রতিবেদন: বিশ্বে খাদ্যোর মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী জৈব জ্বালানি। জৈব জ্বালানির কারণেই বিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাংকের একটি গোপন প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির এ হার আগে প্রচারিত হারের চেয়ে অনেক বেশি। লন্ডনের বিখ্যাত দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান গতকাল শুক্রবার প্রতিবেদনটি ফাঁস করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে ২০০২ সাল থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে খাদ্যের দাম ১৪০ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনে হিসাব করে দেখানো হয়েছে, খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি দায়ী মাত্র ১৫ ভাগ, যেখানে জৈব জ্বালানি দায়ী ৭৫ ভাগ।

২০০৮ সালের ৫ জুলাই, ব্রাসেলসে এফএওর মহাপরিচালক: খাবার-দাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বে বাড়তি পাঁচ কোটি মানুষ অনাহারের মুখোমুখি।

২০০৮ সালের ৫ জুলাই, 'পুরুষ'-মায়ের সন্তান! ছোট বেলায় তাঁর নাম ছিল ট্রেসি ল্যাগোনডিল। কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি পরিচিতি পান থমাস বিয়াটি নামে। ২০ বছর বয়সে অপারেশনের মাধ্যমে তাকে পুরুষ করা হয়-কিন্তু তার ভেতরে প্রজননক্ষম প্রত্যঙ্গ। সম্প্রতি একটি কন্যা সন্তান জন্ম দিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

২০০৮ সালের ১১ জুলাই, বিশ্ববাজারে তেলের দাম সাত মাসে ৫৭ শতাংশ বাড়ল। তেলের দাম (১১৭.৩৫ লিটার অর্থাৎ এক ব্যারেল-এর দাম ১৪৭.২৭ ডলার। ১৯৮০ সালে একবার ১০১ ডলার হয়েছিল।

২০০৮ সালের ৮ আগষ্ট থেকে ২৪ আগষ্ট, ২০০৮ পর্যন্ত বিশ্ব অলিমপিকস চীনের রাজধানী বেজিং-এ অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৮ সালের সামার অলিমপিক গেমস, বেজিং, চায়না, আগষ্ট ৮-২৪, ২০০৮ সাল।

২০০৮ সালের ২০ আগষ্ট, সমকাল পত্রিকার রিপোর্ট-পৃথিবীর মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা চীনের ইউ ডিফেন। তাঁর উচ্চতা ৭ ফুট ৯ ইঞ্চি।

২০০৮ সালের ২৮ আগষ্ট, বিশ্বের রাজাদের মধ্যে থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল সবচেয়ে ধনী। তাঁর সম্পদের মূল্য ৩,৫০০(তিন হাজার পাঁচশত) কোটি ডলারের মালিক।

২০০৮ সালের ২৮ আগষ্ট, বিশ্বে ধারণার চেয়েও বেশি বেড়েছে দারির্দয এখনো ১৪০ কোটি মানুষ গরিব রয়ে গেছে।

২০০৮ সালের ২৮ আগষ্ট, ভারত ৫০ বছরের মধ্যে মুঘল আমলের অর্থনীতি ফিরে পাবে। অর্থনীতিবিষয়ক ঐতিহাসিক আনগাস ম্যাডিসন সপ্তদশ শতাব্দীর এবং সাম্প্রতিক তথ্য পর্যেলাচনা করে বলেছেন, সম্রাট কিংয়ের আমলের চীন ও মুঘল আমলের ভারতের জিডিপি আলাদাভাবে বিশ্বের মোট জিডিপির ২৫ শতাংশের বেশি ছিল। ১৯৫০ সালে তা পাঁচ শতাংশে নেমে যায়। এসব সত্ত্বেও চীন ও ভারত আগামী ৫০ বছরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থৈনতিক শক্তি হওয়ার জন্য প্রস্ত্তত হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনের অর্থৈনতিক প্রবৃদ্ধির হার বেশি, তাদের জনসংখ্যা প্রচুর এবং সেখানে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সংখ্যা বাড়ছে। আগামী ৫০ বছরে চীন ও ভারত বিশ্বের প্রধান অর্থনীতি ও রাজনৈতিক শক্তির দেশ হিসেবে আবির্ভুত হবে। ২০৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বদলে চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থৈনতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে। আনগাস ম্যাডিসন তাঁর দ্য ওয়াল্র্ড ইকোনমি: এ মিলেনিয়াল পারসপেকটিভ বইয়ে উল্লেখ করেন, একাদশ শতক পর্যন্ত ভারত ছিল চীনের পরেই বৃহৎ অর্থৈনতিক শক্তির দেশ। ষোড়শ থেকে সপ্তদশ শতক পর্যন্ত ভারতের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হয়। অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে ভারত শীর্ষ অর্থনীতির দেশের সারিতে পৌঁছে যায়। বইতে আরও বলা হয়, অষ্টাদশ শতকের বেশির ভাগ সময় ভারতে মুঘলেরা শাসক ছিল। তখন বিশ্বের জিডিপির ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ ছিল ভারতের। একই সময় পুরো ইউরোপের জিডিপি ছিল ২৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

২০০৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, বিশ্বের বৃহত্তম আট শেয়ারবাজার। (১) নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যমানের শেয়ার রয়েছেঃ ২২ লাখ কোটি ডলারের কাছাকাছি অর্থাৎ ২১.৭৯ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যমানের শেয়ার। এ শেয়ারবাজারে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দুই হাজার ৭৬৪টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। নিউইয়র্ক স্টক একচেঞ্জ স্থাপিত হয় ১৭৯২ সালের ১৭ মে। নিউইয়র্কের ৬৮ ওয়ালষ্ট্রিটের বাইরে একটি বাটনউড গাছের নিচে ২৪ স্টক ব্রোকারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়েই এর যাত্রা শুর হয়। বাটনউড গাছের তলায় বসে চুক্তিটি হওয়ায় এটাকে বাটনউড চুক্তি বলা হয়। ৪০ নম্বর ওয়ালস্ট্রিটে মাসিক ২০০ ডলারে একটি রুম ভাড়া নিয়ে এনওয়াইএসইর প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু ১৮৩৫ সালে এক অগ্নিকান্ডে এনওয়াইএসই পুড়ে যায় এবং শিগগির তা আবার পুনর্গঠন করা হয়। ১৮৬৫ সালে এনওয়াইএসইকে ১০-১২ ব্রড স্ট্রিটে নিয়ে যাওয়া হয়। (২) ন্যাসডাকঃ ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব সিকিউরিটিজ ডিলারর্স অটোমোটেড কোটেশন সিস্টেম-এসব শব্দের আদ্যক্ষর নিয়ে ন্যাসডাক গঠিত। এটিও একটি মার্কিন শেয়ারবাজার। যেটির মোট শেয়ার মূল্যমান প্রায় ১২ লাখ কোটি ডলারের কাছাকাছি বা ১১ দশমিক ৮১ ট্রিলিয়ন ডলার। এটি প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৭১ সালে। এতে তিন হাজার ২০০ কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। দৈনিক শেয়ার লেনদেনের পরিমাণে বিশ্বে ন্যাসডাকের অবস্থান সবার শীর্ষে। (৩) লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের যাত্রা শুরু হয় ১৮০১ সালে। এর শেয়ার মূল্যমান সাত লাখ কোটি বা ৭ দশমিক ৫৭ ট্রিলিয়ন ডলার। (৪) টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জের যাত্রা শুরু হয় ১৮৭৮ সালের ১৫ মে তৎকালীন জাপানি অর্থমন্ত্রী ওকুমা শিগেনোবু ও পুঁজিবাদী আইনজীবি শিবুসাওয়া এইচি টোকিও কাবুশিকি তোরিহিকিজো নামে এ শেয়ারবাজার প্রতিষ্ঠা করেন। এটি প্রায় ছয় লাখ কোটি ডলার বা ৫ দশমিক ৮২ ট্রিলিয়ন ডলারের শেয়ার মূল্যমান নিয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম শেয়ারবাজারের স্থান পেয়েছে। (৫) ইউরোনেক্সট: এটি বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম শেয়ারবাজার। এর শেয়ার মূল্যমান প্রায় চার লাখ কোটি ডলার বা ৩ দশমিক ৮৫ ট্রিলিয়ন ডলার। বেলজিয়ামভিত্তিক একটি প্যান-ইউরোপিয়ান শেয়ারবাজার। যেটির শাখা রয়েছে ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, পর্তুগাল ও যুক্তরাজ্যে। ২০০০ সালের ২২ মে আমস্টারডাম স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্রাসেলস স্টক এক্সচেঞ্জ ও প্যারিস বোর্সের একীভূত হওয়ার মধ্য দিয়ে গঠিত হয় ইউরোনেক্সট (৬) ডয়েৎসে বোর্সে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯২ সালে। এর কার্যালয় জার্মািনর ফ্রাঙ্কফুর্টে। এর শেয়ার মূল্যমান প্রায় তিন লাখ কোটি ডলার বা ২.৭৪ ট্রিলিয়ন মূল্যমানের শেয়ার নিয়ে বিশ্বে ডয়েৎসে বোর্সের অবস্থান ৬ষ্ঠ। (৭) বোরসা ইতালিয়ানাঃ এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০৮ সালে। এটির শেয়ার মূল্যমান প্রায় ১ দেড় কোটি ডলার বা ১ দশমিক ৫৯ ট্রিলিয়ন ডলার। বিশ্বে এর স্থান হলো ৭ম। (৮) এসডবিস্নউএক্স সুইস এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠি হয় ১৯৯৫ সালে। এটির শেয়ার মূল্যমান প্রায় দেড় কোটি ট্রিলিয়ন ডলার বা ১ দশমিক ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার। সুইজারল্যান্ডের জুরিখভিত্তিক এসডব্লিউএক্স সুইস এক্সচেঞ্জে ১৯৯৫ সালে বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে শেয়ার লেনদেন চালু করে। এটির স্থান বিশ্বে ৮ম।

২০০৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, জিম্বাবুয়ের মূল্যস্ফীতি ১১.২ মিলিয়ন শতাংশ, বাংলাদেশে ১০.৮৪ শতাংশ। জিম্বাবুয়ের মূল্যস্ফীতি এখন ১১ দশমিক ২ মিলিয়ন বা এক কোটি ১২ লাখ শতাংশ। কী করে টিকে আছে মানুষ?

২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, চলতি মাসেই প্রকাশ পেয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এর সহযোগী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন(আইএফসি) 'ড্রইং বিজনেস ২০০৯ প্রতিবেদন। এতে যেখানে ২০০৮ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অবস্থান দেখানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে বিশ্বের ১৮১টি দেশের মধ্যে শীর্ষে সিঙ্গাপুর। আর বাংলাদেশের অবস্থান ১১০তম। গতবছর অবশ্য এ অবস্থান ছিল ১০৪তম।

২০০৮ সালের ৯ অক্টোবর, মার্কিন সেনাকে সম্মাননা-প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জীবিত শেষ মার্কিন সেনাকে সম্মাননা দিয়েছে ফ্রান্স। ১০৭ বছর বয়সী ওই সেনার নাম ফ্রাঙ্ক বাকলস। তাঁকে 'ফ্রেঞ্চ লিজিয়ান অব অনার' খেতাবে ভূষিত করা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সচালক বাকলস ১৯১৭ সালে ফ্রান্সে পৌঁছান। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর। যদিও সেনাবাহিনীতে নিয়োগের সর্বিনম্ন বয়সসীমা ছিল ২১ বছর। ওয়াশিংটনে ফ্রান্সের দূতাবাসে সম্মাননা অনুষ্ঠানে বাকলস বলেন, আমি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বীরদের প্রতিনিধিমাত্র। সর্বেশষ হতে পারায় আমি বিস্মিত। আমার যা প্রাপ্য তার চেয়ে এটা অনেক বেশি। এএফপি।

২০০৮ সালের ৯ অক্টোবর, অর্থনীতির সংকট কাটাতে ছয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমাল একযোগে। (১) যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আধা শতাংশ কমিয়ে ২ থেকে দেড় শতাংশে নির্ধারণ করেছে। (২) যুক্তরাজ্যে সুদের হার ছিল ৫ শতাংশ, করা হয়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ। (৩) ইউরোপীয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক দশমিক ৫ শতাংশ সুদ কমিয়ে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ করেছে। (৪) একইভাবে কানাডা, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও দশমিক ৫ শতাংশ হারে সুদের হার কমিয়েছে। (৫) এছাড়া চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমিয়েছে দশমিক ২৭ শতাংশ। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ জাপান এ ধরনের কেনো উদ্যোগ নেয়নি। কেননা জাপানের সুদের হার বিশ্বের সর্বিনম্ন, মাত্র দশমিক ৫ শতাংশ। এর আগে যুক্তরাজ্যে সর্বেশষ সুদের হার কমানো হয়েছিল ২০০১ সালে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে সুদের হার সোয়া ৫ শতাংশ থেকে ২ শতাংশে নামিয়ে এনেছিল। অর্থৈনতিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসতেই সুদের হার কমানো হয়েছে। এর পূর্বে অর্থৈনতিক সংকট এসেছিল ১৯৩০ সালে।

২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর, বিরোধ নিস্পত্তি করতে চীনকে ভূখন্ড ছেড়ে দিল রাশিয়া।

২০০৮ সালের ২৮ অক্টোবর, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়া ইতালির সর্বেশষ বেঁচে থাকা সৈনিকের মৃত্যু-২৬-১০-২০০৮ সালে। ১৮৯৮ সালের ২৩ আগষ্ট ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় তুরাগো বর্দন গ্রামে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়া সৈনিক ডেলফিলো বরোনির জন্ম, গত রোববার ২৬-১০-২০০৮ তারিখ একটি বৃদ্ধ নিবাসে মারা গেছেন।