| জানুয়ারি মাসে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৮ কোটি | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লোকসংখ্যার চেয়ে বেশি |
| উত্তর আমেরিকা | ২০০৮-২৪.৬১(চব্বিশ কোটি একসট্টি লক্ষ) | ২০১৩-২৮.৭৩(আটাশ কোটি তেহাত্তার লক্ষ) |
| লাতিন আমেরিকা/ক্যারিবিয়া | ২০০৮-১৫.৭১(পনের কোটি একাত্তর লক্ষ) | ২০১৩-২৩.৮৮(তেইশ কোটি অষ্টআশি লক্ষ) |
| ইউরোপ | ২০০৮-৩৮.০৭(আটত্রিশ কোটি সাত লক্ষ) | ২০১৩-৪৮.২১(আটচল্লিশ কোটি একুশ লক্ষ) |
| আফ্রিকা/মধ্যপ্রাচ্য | ২০০৮-১১.১১(এগার কোটি এগার লক্ষ) | ২০১৩-২২.৪৬(বাইশ কোটি ছয়চল্লিশ লক্ষ) |
| এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় | ২০০৮-৫৬.০২(ছাপ্পান্ন কোটি দুই লক্ষ) | ২০১৩-৯৩.৭৭(তিরানব্বই কোটি সাতাত্তার |
| অষ্ণল | লক্ষ) |
২০০৯ সালের ১৬ আগষ্ট, প্রথম আলো: বিশ্বের শীর্ষ ১০ অর্থনীতির ছয়টি মন্দা থেকে বেরিয়ে এসেছে। জাপান, চীন, জার্মািন, ফ্রান্স, ভারত ও ব্রাজিল। মন্দার মধ্যে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সপ্তম অর্থনীতির দেশ যুক্তরাজ্য ও দশম অর্থনীতির দেশ ইতালি এবং রাশিয়া। এ পাঁচটি দেশ বিশ্ব অর্থনীতিতে মোট জিডিপির (পিপিপি হিসেবে) ৪৭ শতাংশ দখল করে রেখেছে।
২০০৯ সালের ১৮ আগষ্ট, প্রথম আলো: সড়ক দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রাণ হারায় ভারতে। দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতি ঘন্টায় ১৩ জন নিহত হয়, যা বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনের চেয়েও বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডবিস্নউএইচও) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ধনী দেশগুলোতে দুর্ঘটনা কমলেও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে এর হার বেড়ে গেছে। বিশ্বের মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৯০ ভাগ নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোয় লাখে ২১ দশমিক ৫ জন এবং মধ্য আয়ের দেশগুলোতে লাখে ১৯ দশমিক ৫ জন মানুষ মারা যায়। ২০০৭ সালে ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে প্রায় ১,১৪,০০০(এক লাখ চৌদ্ধ হাজার) যা ২০০৬ সালের তুলনায় ৬ দশমিক ১ ভাগ বেশি। ২০০৬ সালে সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনে ৮৯ হাজার ৪৫৫ জন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। ডবিস্নউএইচওর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েয়ে, ২০০৬ ও ২০০৭ সালে ১৭৮টি দেশে জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, বিশ্বে প্রতিবছর মোট ১২ লাখ মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়।
২০০৯ সালের ১৮ আগষ্ট, প্রথম আলো: নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বোল্ট। নিজের বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার জয়ের পর উসাইন বোল্ট। ৯.৬ সেকেন্ডের সীমারেখা ভাঙলেন ৯.৫৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে।
২০০৯ সালের ২৭ আগষ্ট, আমাদের সময় পত্রিকার রিপোর্ট: বিশ্বে তামাক ব্যবহারে আগামী বছরে ৬০ লাখ লোকের মৃত্যু হবে, ২০২০ সালে হবে-৭০ লাখ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে হবে-৮০ লাখ মানুষের।
২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: মন্দা মোকাবিলায় মাথাপিছু ব্যয় আমেরিকায় ১০ হাজার ডলার আর যুক্তরাজ্যে ৩০ হাজার ডলার।
২০০৯ সালের ৬ অক্টোবর, প্রথম আলোঃঅপুষ্টির কারণে বিশ্বে এক তৃতীয়াংশ শিশু মারা যায়।
২০০৯ সালের ৯ অক্টোবর, প্রথম আলো: মার্কিন গবেষণার ফল-বিশ্বে প্রতি চারজনের একজন মুসলমান। মুসলমানের সংখ্যা ১৫৭ কোটি। এরমধ্যে ৬০ শতাংশ মুসলমান বাস করে এশিয়া মহাদেশে। তিন বছর ধরে বিশ্বের ২৩২টি দেশ ও অঞ্চল থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে। গবেষণায় আরও বলা হয়, বিশ্বে মুসলমান জনগোষ্ঠীর ১০ থেকে ১৩ শতাংশ শিয়া ও ৮৭ থেকে ৯০ শতাংশ সুন্নি সম্প্রদায়ভুক্ত।
২০০৯ সালের ১৬ অক্টোবর, প্রথম আলো: বিশ্বে এখন ১০০ কোটি ক্ষুধার্ত মুখ। জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি।
২০০৯ সালের ২১ অক্টোবর, প্রথম আলো: সৌরজগতের বাইরে নতুন ৩২টি গ্রহ খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা।
২০০৯ সালের ১৩ নভেম্বর, প্রথম আলো: ২১৮ দেশ ভ্রমণ করে গিনেস বুকে এক বাঙালির নাম। কাশী সমাদ্দারের জন্ম কলকাতায়। তবে তিনি এখন দুবাইয়ে থাকেন এবং ব্যবসা করেন। বয়স মাত্র ৫২ বছর। কাশী জানায় জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত ১৯৪টি স্বাধীন-সার্বেভৗম দেশ ভ্রমণ করেছেন। ভ্রমণ শুরু করেন ১৯৯৫ সালের শেষ দিকে আর শেষ করেন ২০০৮ সালের ২৭ মে। কাশী সমাদ্দার জানান, বিশ্বের ২১৮টি দেশ সফর করতে তাঁর সময় লেগেছে ১২ বছর ৮ মাস ১৩ দিন। তবে তিনি এ সফর করেছেন নিজের খরচে। সবচেয়ে কম সময়ে বেশি দেশ ভ্রমণ করে বিশ্বের বুকে এ প্রথম রেকর্ড গড়লেন এক বাঙালি পর্যটক কাশী সমাদ্দার।
২০০৯ সালের ১৩ নভেম্বর, প্রথম আলো: ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক মনজিৎ সিং (৫৯) গতকাল বৃহস্পতিবার ১২ নভেম্বর লন্ডনে শুধু একটি রশি দিয়ে একটি ডবল ডেকার ২১.২ মিটার পথ টেনে নিয়ে আগের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন। রশিটি ছিল তাঁর চুলের সঙ্গে বাঁধা। গিনেস ওয়াল্র্ড রেকর্ডেস নিজের নামটি ওঠানোর জন্য মনজিতের এ চেষ্টা।
২০০৯ সালের ২২ নভেম্বর, প্রথম আলো: ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে চালু করার মাত্র নয় দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এলএইচসি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০০৯ সালের নভেম্বরে মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য উন্মোচন যন্ত্রের কার্যক্রম ফের শুরু। মহাবিশ্বের শুরুর মুহূর্তের রহস্য উন্মোচনের জন্য তৈরি বিশালাকৃতির যন্ত্র লার্জ হাড্রন কোলাইডারের (এলএইচসি) কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে। প্রায় ১৪ মাস ধরে মেরামতের পর গত শুক্রবার বিজ্ঞানীরা যন্ত্রটি চালু করতে সক্ষম হন। এলএইচসি নির্মােণ সময় লেগেছে প্রায় ২০ বছর। ২০০৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, পরমাণু গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউরোপীয় অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ বা সার্নের তত্তাবধানে এলএইচসি চালু হয়। এক হাজার কোটি ডলারের এ গবেষণা প্রকল্পে কাজ করছেন প্রায় ৩৬টি দেশের দুই হাজার বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ। সুইজারল্যান্ড-ফ্রান্স সীমান্তের কাছে মাটির ১০০ মিটার নিচে ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ কংক্রিট ঘেরা বৃত্তাকার সুড়ঙ্গ এলএইচসির মধ্যে প্রোটনের বিপরীতমুখী দুটি স্রোতের সংঘর্ষ ঘটাতে চান বিজ্ঞানীরা। এ সংঘর্ষে সৃষ্ট তাপ সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রার চেয়ে এক লাখ গুণ বেশি। এ সময় এমন এক ক্ষণস্থায়ী অবস্থার সৃষ্টি হবে, যা মহাবিস্ফোরণের (বিগ ব্যাং) ঠিক পরের মুহূর্তের অনুরূপ। তাত্তিকভাবে ধারণা করা হয়, প্রায় এক হাজার ৩৭০ কোটি বছর আগে এমন মহাবিস্ফোরণের মধ্য দিয়েই সৃষ্টি হয়েছিল মহাবিশ্ব। আর এরই একপর্যােয় সৃষ্টি আমাদের পৃথিবীর। প্রোটনের স্রোতের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে যে নতুন কণা পাওয়া যাবে, তা পর্যেলাচনা করে পদার্থিবজ্ঞানের বহু অজানা প্রশ্নের সমাধান মিলবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। ২০০৯ সালের ২৫ নভেম্বর, প্রথম আলো: মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য জানতে মহাবিস্ফোরণ (বিগ ব্যাংক) তত্ত্বের প্রায়োগিক পরীক্ষায় বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো বিপরীতমুখী প্রটোন কণারশ্মির সংঘর্ষ ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন। ২৩-১১-২০০৯ তারিখ এ পরীক্ষার তত্ত্বাবধানকারী সংস্থা ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ বা সার্নের বিজ্ঞানীরা এ কথা জানিয়েছেন। ৩১-০৩-২০১০ তারিখের প্রথম আলো: পৃথিবীর সৃষ্টিরহস্যের সন্ধানে সফল বিস্ফোরণ। ইউরোপভিত্তিক পরমাণু গবেষণা সংস্থা ইউরোপিয়ান অরগানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চের (সার্ন) বিজ্ঞানিরা লার্জ হ্যার্ডন কলাইডার (এলএইচসি) যন্ত্রে অতিপারমাণবিক কণিকার সফল বিস্ফোরন ঘটিয়েছেন। মহাবিশ্ব সৃষ্টির আদি ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘিদনের চেষ্টার অংশ হিসেবে ৩০-০৩-২০১০ তারিখ তাঁরা দুটি প্রোটন স্রোতের মধ্যে সফলভাবে সংঘর্ষ ঘটাতে সক্ষম হন। অনেকেই এ ঘটনাকে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এক নবযুগের সূচনা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁরা বলেছেন, এরমাধ্যমে পদার্থিবজ্ঞানের নতুন অনেক মৌলিক সূত্র বেরিয়ে আসতে পারে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, প্রচন্ড গতিতে পরস্পরের দিকে ছুটে আসা দুটি প্রোটনের এ সংঘর্ষজনিত বিস্ফোরণদৃশ্যের মাধ্যমে তাঁরা 'বিগব্যাং থিওরি' বা 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব' ব্যাবহারিক অর্থে প্রমাণ করতে পারবেন। খবর এএফপি ও বিবিসি অলাইনের। ২৯-০৬-২০১০ তারিখের প্রথম আলো: মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য উন্মোচনের কাছাকাছি পৌঁছেছেন বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে তাঁরা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০ হাজার প্রোটন কণিকার সংঘর্ষ ঘটাচ্ছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১৩ সালের মধ্যে তারা এলএইচসিতে ১৪ ট্রিলিয়ন ইলেকট্রোভোল্টের শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এলএইচসি কাজ করলে তাঁরা হিগস্ বোসনও শনাক্ত করতে পারবেন। এ ছাড়া মহাবিস্ফোরণের পর কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল, তার একটি ধারণা তাঁরা পাবেন। বিবিসি অনলাইন।
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর, প্রথম আলো: এলএইচসির মাধ্যমে ক্ষুদ্রাকার মহাবিস্ফোরণ সৃষ্টি করা হয়েছে।
২০০৯ সালের ৭ ডিসেম্বর, জনকণ্ঠ পত্রিকার সংবাদ: বিশ্বে একশ' কোটি শিশু বঞ্চনার শিকার। প্রতিদিন পাঁচ বছরের কম বয়সী ২৪ হাজার শিশু এমন কারণে মারা যাচ্ছে যা প্রতিরোধ করা সম্ভব। বছরে ৫০ কোটি থেকে দেড়শ কোটি শিশু সহিংসতার শিকার হচ্ছে।
২০০৯ সালের ১২ ডিসেম্বর, জলবায়ু পরিবর্তেন বিশ্বে আরও ১০ কোটি ক্ষুধার্ত মুখ বাড়বে।
২০০৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: কোপেনহেগেন দিতে পারে বাঁচার সনদ অথবা আত্মহত্যার দলিল। 'মানুষ' দায়ী, কিন্তু কোন মানুষ? জলবায়ু পরিবর্তেন বাংলাদেশ। মানুষের সভ্যতার ইতিহাস তাপেরও ইতিহাস। ১০ হাজার বছর আগে পৃথিবী যেকোনো কারণে শীতঘুম ভেঙে উঞ্চ হয়ে উঠে। সেটাই মানবসভ্যতার শুরুর সোনালি গ্রীষ্ম। তারপর থেকে মানুষ যা-ই করেছে, সেই গ্রীষ্মের সুবাদেই করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে তারা মহাবিশ্বের একমাত্র সবুজ গ্রহে যে পরিবেশে প্রাণের জন্ম হয়েছিল, তাকেও ধ্বংস করছে। পৃথিবীর ক্ষতি না করেও মানুষ সুখে থাকতে পারে। কিন্তু ৩০০ বছর ধরে চলা বর্তমান ব্যবস্থা মানুষ ও প্রাণের বাঁচার সব শর্ত ধ্বংস করে চলেছে। এর পেছনে রয়েছে ৩০০ বছরের অন্ধ 'উন্নয়ন'। জমি-জলা-বন-পাহাড়-সমুদ্র চুষে-কামড়ে ইউরোপ যে শিল্পবিপস্নব ঘটিয়েছিল, তারই পরিণাম জলবায়ুর পরিবর্তন। ভাবা যায়, গত ১০ হাজার বছরের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে যত কার্বন নিঃসরিত হয়েছে, গত ৩০০ বছরে তার দ্বিগুণ কার্বন জমেছে! এই সময়ে বিশুদ্ধ পানির অর্ধেকটাই ব্যবহৃত হয়ে গেছে। মৌসুমি অঞ্চলে বিভিন্ন প্রাণ-প্রজাতির বিলুপ্তির হার বেড়েছে ১০ হাজার গুণ। কিন্তু আজ অ্যান্টার্কিটকা ও হিমালয়-দুটোর বরফই গলছে। এই বরফ পানি হয়ে সমুদ্রে চলে গেলে মিঠাপানির উৎস ফুরাবে, বিপন্ন হবে সামগ্রিক জীবনযাত্রা। সমস্যার গোড়া চলতি রাজনীতি ও অর্থনীতি। আমেরিকা বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য এককভাবে সবচেয়ে দায়ী। বাংলাদেশের একটি শিশু যতটা জ্বালানি ভোগ করে, একটি মার্কিন শিশু করে তার থেকে নব্বই গুণ বেশি। আজকের বিশ্বায়নও তাপ বাড়াচ্ছে পৃথিবীর। বিশ্বায়নের অন্যতম বাহন পরিবহন খাত থেকে ২৩ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হয়। বিশ্বের মোট কার্বন ঘনত্বে শিল্পোন্নত তিন-চারটি দেশ করে প্রায় ৬০ শতাংশ।
২০০৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: জলবায়ু-বিশেষজ্ঞ ও সাবেক মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট আল গোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, মেরু অঞ্চল ও হিমালয়ের বরফ রেকর্ড পরিমাণে গলে যাওয়ায় বিশ্বের ১০০ কোটি লোক বিশুদ্ধ পানি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে পারে। তুষারধসের ব্যাপারে বিজ্ঞানীদের দেওয়া ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে আল গোর নতুন একটি গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ কথা বলেন। গবেষক দলের অন্যতম রবার্ট কোরেল বলেন, 'সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটার বৃদ্ধি পেলে ১০ কোটি লোক বাস্তুহারা হবে।
২০০৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: জাতিসংঘের গোপন দলিল প্রকাশ। গ্রিণহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো নিয়ে ধোঁকা দিচ্ছে ধনী দেশগুলো।
২০০৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: এ বছর সারাবিশ্বে ৬৮ জন সাংবাদিক নিহত।
২০০৯ সালের ২০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: জলবায়ু সম্মেলন নিয়ে বিশ্ব গণমাধ্যমে হতাশা।
২০০৯ সালের ২০ ডিসেম্বর, প্রথম আলোঃঅঙ্গীকারণামা দিয়েই শেষ হলো জলবায়ু সম্মেলন।
২০০৯ সালের সর্বেশষ তথ্য অনুযায়ী, ২৫টি দেশের প্রায় দুই হাজার পর্বতারোহী হিমালয়ে আরোহণ করেছিলেন। আর ২০০৪ সাল পর্যন্ত হিমালয়ে অভিযানে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৭৯ জন। তবে ১৯৯০ সালের আগে মৃত্যুর হার ছিল সবচেয়ে বেশি। ১৯৯০ সালের ৩৭ শতাংশ থেকে ২০০৪ সালে নেমে এসেছে চার দশমিক চার শতাংশ।
২০১০ সালের ৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন উদ্বোধন। নির্মােণর সময় নাম ছিল 'বুর্জ দুবাই' তবে আবুধাবির শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সম্মানে ভবনের নাম রাখ হয় 'বুর্জ খলিফা' নামে একটি আকাশচুম্বী ভবনের উদ্বোধন। ১৬৯ তলা ভবনটির উচ্চতা ৮১৮ মিটার। এতে অ্যাপার্টেমন্ট রয়েছে এক হাজার ৪৪টি। আর অফিসের জায়গা আছে ২৮ হাজার মিটার। ভবনের ৭৬ নম্বর তলায় রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত সুইমিং পুল আর ১৫৮ তলায় সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত মসজিদ। ভবনটিকে ৫৯ মাইল দূর থেকেও দেখা সম্ভব হবে।
২০১০ সালের ১৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: তুরস্কের ইস্তাম্বুলে গিনেস ওয়াল্র্ড রেকর্ডেসর এক রোড শোতে অংশ নেন তাঁরা। বিশ্বের দীর্ঘকায় ব্যক্তি ২৭ বছর বয়সী সুলতান কোজেন গ্রিনসের উচ্চতা আট ফুট এক ইঞ্চি। আর খর্বকায় ২১ বছর বয়সী হি পিংপিংয়ের উচ্চতা দুই ফুট ৫ দশকিম ৩৭ ইঞ্চি। বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতি ব্যক্তির মৃত্যু-১৩-০৩-২০১০ সালে ইতালির রাজধানী রোমে।
২০১০ সালের ১৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: অ-আদিবাসীদের তুলনায় ২০ বছর কম বাঁচে আদিবাসীরা। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ৯০টি দেশে প্রায় ৩৭ কোটি আদিবাসী রয়েছে। বিশ্বের জনসংখ্যার এ হার সাড়ে পাঁচ শতাংশ। গ্রামে বাস করা অতিদরিদ্র ৯০ কোটি মানুষের মধ্যে আদিবাসীদের সংখ্যা এক তৃতীয়াংশের বেশি।
২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি, আমাদের সময়: বিশ্বের ৭৭টি দেশের সংবিধানে ধর্মেক জায়গা দেয়া হয়েছে।
২০১০ সালের ২৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিশ্ব অর্থনীতি শস্নথভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে: বিশ্বব্যাংক। ২০১০ সালে বিশ্বব্যাংকের প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপণ: বিশ্ব-২.৭%, উন্নত বিশ্ব-১.৮%, উন্নয়নশীল বিশ্ব-৫.২%, দক্ষিণ এশিয়া-৬.৯%, বাংলাদেশ-৫.৫%, ভারত-৭.৫% ও পাকিস্তান-৩%। ২০১১ সালের প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপণ: বিশ্ব-৩.২%, উন্নত বিশ্ব-৩.৩%, উন্নয়নশীল বিশ্ব-৫.৮%, দক্ষিণ এশিয়া-৭.৪%, বাংলাদেশ-৫.৮%, ভারত-৮% ও পাকিস্তান-৪%। ২০০৯ সালে চীনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮.৭%।
২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি, আমাদের সময়: বিশ্বের ৭৭টি দেশের সংবিদানে ধর্মেক জায়গা দেযা হয়েছে।
০১-০২-২০১০ আমাদের সময় সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্থ দেশ যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ ৬৯ নম্বরে। যুক্তরাষ্ট্র-১৩.৮ ট্রিলিয়ন, যুক্তরাজ্য-৯.২ ট্রিলিয়ন, জার্মািন-৫.২ ট্রিলিয়ন, ফ্রান্স-৪.৯ ট্রিলিয়ন, হলান্ড-২.৫ ট্রিলিয়ন, আয়ারল্যান্ড-২.৪ ট্রিলিয়ন, ইতালি-২.৩৩ ট্রিলিয়ন, স্পেন-২.৩২ ট্রিলিয়ন, জাপান-২.০২ ট্রিলিয়ন, লুস্কমবুর্গ-২ ট্রিলিয়ন, চীন-৪০ হাজার কোটি, ভারত-২২,৯৩০ কোটি, পাকিস্তানের-৪,৬৪০ কোটি ও বাংলাদেশে ২,২৮০ কোটি ডলার।
২০১০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: এশিয়া এখন আকাশ ভ্রমণে বিশ্বের সবচেয়ে বড়বাজার। বছরে ২০১৩ সালে ৮৭ কোটি বিমান যাত্রী হবে এশিয়ার। ২০০৯ সালে ছিল ৬৪ কোটি ৭০ লাখ যাত্রী।
২০১০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, আমাদের সময়: চীনে ৯ বছরের শিশুমাতা-এত কম বয়সে বিশ্বে মা হওয়ার ঘটনা সম্ভবত আর নেই। চীনা আইন অনুযায়ী, ১৪ বছরের কম বয়সী কোনো মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন দর্ষেণর কাজ। চীনে এর আগে সবচেয়ে কম বয়সে যে মা হয়, তার বয়স ছিল ১১ বছর।