১৯৩৫ সালে কলকাতায় বিশিষ্ট বামপন্থী কবি অভিতাভ দাসগুপ্তের জন্ম, মৃত্যু-৩০-১১-২০০৭ তারিখ।

১৯৩৫ সালে বলিউডের সুপারস্টার সালমান খানের পিতা সেলিম খানের জন্ম।

১৯৩৫ সালে ভারতের বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম। ১৯৭০ সালের পর ২০১২ সালের ২ অক্টোবর, ৪২ বছর পর বৈজয়ন্তীমালা ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন।

১৯৩৫ সালে ভারতের আসামের জোরহাট জেলায় আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ কুমার গগৈয়ের জন্ম। কংগ্রেস দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি লোকসভার জোরহাট নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রথম নির্বািচত হন ১৯৭১ সালে। ছয়বার লোকসভার সদস্য এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন তৃতীয় মেয়াদে।

১৯৩৬ সালে পাঞ্জাবে বোম্বের সিনেমা জগতের সুপার স্টার ধর্মেন্দ্রুর জন্ম।

১৯৩৬ সালে কলকাতায় অধ্যাপক অরুণ সেনের জন্ম। পূর্বপুরুষ পূর্ববঙ্গের হলেও আজন্ম কলকাতাবাসী। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ. শেষ করে কলকাতারই একটি কলেজে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপনা করেন অবসরকাল পর্যন্ত। পরবাসী হয়েও বাংলাদেশ আমার হৃদয়ে। এক সময় আমার বাড়িটা হয়ে ওঠে এক নবলব্ধ আবাসস্থল, বা বলা হয় মিলবার জায়গা। প্রায়ই দিনে-রাতে দুই বাংলার আড্ডা বসে। মজা করে বন্ধুদের মুখে তার নাম হয় 'বাংলাদেশ ভবন'।

১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর, পাবনা জেলার বাগমারা গ্রামে বাংলাসাহিত্যের অনন্য ভাষ্যকার, চিন্তাবিদ, সম্পাদক ও কথাসাহিত্যিক দেবেশ রায়ের জন্ম। তাঁর শৈশবের কয়েকটি বছর কাটে উত্তাল যমুনার পারে। দেশভাগের কিছু আগে, ১৯৪৩ সালে আমি আমার পরিবারের সঙ্গে পূর্ববঙ্গ ছেড়ে জলপাইগুড়ি চলে আসি। বর্তমানে স্থায়ীবাস কলকাতা। ১৯৭৯ সাল থেকে তিনি এক দশকব্যাপী 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করেন। তাঁর প্রথম উপন্যাস 'যযাতি'।

১৯৩৭ সালের ৩ আগষ্ট, পশ্চিমবঙ্গে কবি উৎপলকুমার বসুর জন্ম, মৃত্যু-০৩-১০-২০১৫ তারিখ। কবি উৎপলকুমার বসু কাছেই যোগময়া কলেজে পড়াতেন। কলকাতার বিখ্যাত হাংরি আন্দোলনে যুক্ত থাকার অভিযোগে এই কলেজ থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন তিনি।

১৯৩৭ সালে ভারতের মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার রালেগাঁও সিদ্ধিতে গান্ধীবাদী সমাজকর্মী আন্না হাজারের জন্ম। তিন দাবি মেনে নিল পার্লােমন্ট। এক-কেন্দ্র ও রাজ্য পর্যােয় লোকপাল প্রবর্তন, দুই-কনিষ্ঠ সরকারি আমলারা এর জবাবদিহির আওতায় থাকবেন এবং তিন-সব সরকারি দপ্তরের সামনে ওই দপ্তরের দায়িত্ব উল্লেখ করে 'সিটিজেন চার্টার' টাঙানো থাকবে। দুর্নীিতবিরোধী লোকপাল বিল আন্দোলনে বিজয়ী হলেন ১২ দিন ধরে অনশনের পর ২৭-০৮-২০১১ তারিখ নয়াদিল্লির রামলীলা ময়দানে আন্না হাজারে।

১৯৩৭ সালে কবি বিজয়া মুখোপাধ্যায়ের জন্ম।

১৯৩৭ সালে কলকাতায় ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পুননির্বািচত মোঃ হামিদ আনসারির জন্ম। তিনি ৪৯০ ভোট পেয়ে নির্বািচত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্বী যশোবন্ত সিং পেয়েছেন ২৩৮ ভোট। আনসারি হলেন ভারতের চতুর্দশ উপরাষ্ট্রপতি।

১৯৩৭ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা যশোবন্ত সিং-এর জন্ম। ভারতের সর্বেশষ লোকসভা নির্বাচনে যশোবন্ত পশ্চিমব্‌ঙ্গের দার্জিিলং থেকে নির্বািচত হন। জীবনের শেষ নির্বাচন এবার তিনি নিজের জন্মস্থান বারমার থেকে লড়তে চেয়েছিলেন। তবে বিজেপি তাঁর আবেদন প্রত্যাখান করে। ২০১৪ সালেও দল থেকে বহিস্কার করে। এর আগে ২০০৯ সালে বিজেপি যশোবন্তকে একবার দল থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। নিজের একটি বইয়ে পাকিন্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর গুণকীর্তন করায় সেবার তিনি দলের বিরাগভাজন হন। অবশ্য, ১০ মাসের মাথায় যশোবন্তকে আবার দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

১৯৩৭ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার গোষ্ঠীর প্রকাশনা বিভাগের সাবেক প্রধান দ্বিজেন্দ্রনাথ বসুর জন্ম, মৃত্যু-০৯-১০-২০১৫ তারিখ। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি বাদল বসু নামে পরিচিত ছিলেন। দেশ পত্রিকায় বাদল বসুর জনপ্রিয় আত্মজীবনী ''পিওন থেকে প্রকাশক'' ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছিল। জীবদ্দশায় তিনি আত্মজীবনীর শেষ কিস্তি লিখে গেছেন। বাদল বসু গৌরাঙ্গ প্রেসে সাইকেল পিয়ন হিসেবে যোগ দেন এবং নিষ্ঠা ও দক্ষতাকে সম্বল করে মফস্বলের একটি ছেলে কীভাবে প্রকাশনাজগতের শীর্ষে উঠতে পারে, বাদল বসু তার চমকপ্রদ উদাহরণ।

১৯৩৮ সালের ১ জানুয়ারি, টাটা সাম্রাজ্যের কর্ণধার রতন টাটার জন্ম।

১৯৩৮ সালের ৩০ এপ্রিল, কলকাতায় তপেন চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম, মৃত্যু-২৪-০৫-২০১০ তারিখ সকালে নিজ বাড়িতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সত্যজিৎ রায়ের 'গুপি' মারা যান। ১৯৬৮ সালে সত্যজিৎ রায় গুপি চরিত্রের জন্য তাঁকে নির্বাচন করেন।

১৯৩৮ সালের ১ জুলাই, ভারতের এলাহাবাদে বাঁশি বাদক ও পন্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার জন্ম। বাঁশির টানে জেগে ওঠে প্রাণ। চৌরাসিয়ার বাঁশি মুখরিত প্রাণে। সংগীত নাটক একাডেমী পুরস্কার, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ। ফরাসি সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া নাইট ইন দি অর্ডার অব আর্টস অ্যান্ড লেটার। ঢাকা রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তাঁকে করতালি দিয়ে অভিবাদন জানালেন সবাই(০২-১২-২০১২ তারিখ)।

১৯৩৮ সালে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার ধুলিহর গ্রামে মনোজ মিত্রের জন্ম। ১৯৫০ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি চলে আসেন কলকাতায়। ১৯৫৭ সালে কলকাতায় মঞ্চনাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে শুরু হয় তাঁর নাট্যজীবন। ১৯৭৯ সালে আসেন চলচ্চিত্রে।

১৯৩৮ সালে ভারতের বেঙ্গালুরুতে বলিউড তারকা ফিরোজ খানের জন্ম। ১৯৬০ সালে দিদি ছবিতে, দ্বিতীয় নায়কের চরিত্রে প্রথম অভিনয়। ক্যান্সারে মৃত্যু-২৭-০৪-২০০৯ তারিখ।

১৯৩৮ সালের ১১ অক্টোবর, বাংলা বিশ্বকোষের প্রথম প্রণেতা নগেন্দ্রনাথ বসুর মৃত্যু।

১৯৩৯ সালের ২৩ জানুয়ারি, কবি নবীনচন্দ্র সেন পরলোকগমন করেন।

১৯৩৯ সালের ১৫ মার্চ, সাহিত্যি সম্পাদক জলধর সেনের মৃত্যু।

১৯৩৯ সালের ২৭ জুন, কলকাতায় রাহুল দেববর্মেণর জন্ম, মৃত্যু-০৪-০১-১৯৯৪ তারিখ। ১৯৬০ সালে রীতাকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু ১৯৭১ সালেই তাঁদের ডিভোর্স হয়ে যায়। পরবর্তীকালে তিনি বিখ্যাত গায়িকা আশা ভোঁসলেকে বিয়ে করেন।

১৯৩৯ সালের ৪ আগস্ট, পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের অন্যতম সেরা চিত্রশিল্পী সুনীল দাসের জন্ম, মৃত্যু-১০-০৮-২০১৫ তারিখ। তাঁর নিজস্ব বসতবাটি ও স্টুডিও কালীঘাটে ছিল।

১৯৩৯ সালে সংগীতশিল্পী পিন্টু ভট্টাচার্যের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৭-০১-২০১১ সালে।

১৯৪০ সালের ১ জুলাই, পশ্চিমবাংলার কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গ বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টির (সিপিআইএম) কেন্দ্রীয় নেতা বিমান বসুর জন্ম। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যােয় পড়াশোনাও করেছেন কলকাতায়। ১৯৫৮ সালে আইনশাস্ত্র পড়ার সময়ই বিমান বসু কমিউনিষ্ট পার্টির সার্বক্ষণিক সদস্যপদ লাভ করেন। এর আগে সর্বভারতীয় ছাত্র ফেডারেশনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সহসভাপতি ছিলেন। ১৯৭১ সালে কমিউনিষ্ট পার্টি (মাক্র্সবাদী) রাজ্য কমিটির সদস্য এবং ২০০৬ সালে সম্পাদক হন। ২০০৫ সাল থেকে বামফ্রন্টের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৭১ সালে সহায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছেন এই বামপন্থী নেতা।

১৯৪০ সালের ১৯ আগষ্ট, করাচিতে (বর্তমান পাকিস্তানের অংশ) ভারতের চিন্তাশীল চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক গোবিন্দ নিহালিনী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪০ সালে কলকাতায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার জন্ম, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যু-২০-০৯-২০১৫ তারিখ রাত ১০টার দিকে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে প্রথম ঢুকেছিলেন ১৯৭৯ সালে। ১৯৮৩ সালে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের বছরে কোষাধ্যক্ষ হন। ভারতীয় বোর্ডের সভাপতি পদে থাকা অবস্থায়ই ১৯৯৭ সালে আইসিসির সভাপতি নির্বািচত হন। ২০০০ সালে বাংলাদেশের টেষ্ট ষ্ট্যাটাস পাওয়াতেও তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।

১৯৪০ সালে পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে নিভৃতচারী কথাশিল্পী মাহমুদুল হকের জন্ম, মৃত্যু-২১-০৭-২০০৮ তারিখ।

১৯৪০ সালে কলকাতায় চ্চিত্রশিল্পী বিকাশ ভট্টাচার্যের জন্ম, মৃত্যু-১৮-১২-২০০৬ তারিখ।

১৯৪০ সালে ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালে নাজমা হেপতুল্লার জন্ম। নাজমা হেপতুল্লাহ রাজনীতিতে পা ফেলেন কংগ্রেস দলের হয়ে ১৯৭৪ সালে। তারপর ২০০৪ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিেত যোগদান করেন। একমাত্র মুসলিম মন্ত্রি হন নাজমা হেপতুল্লাহ।

১৯৪০ সালের ১৫ ডিসেম্বর, লেখক মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরীর ইন্তেকাল।

১৯৪১ সালের ৫ জানুয়ারি, মধ্যপ্রধেশের ভূপালে ভারতীয় ক্রিকেটের ভারতের প্রথম সুপারস্টার ২১ বছর বয়সী সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক নবাব মনসুর আলী খান পতৌদির ('টাইগার' পতৌদি) জন্ম, মৃত্যু-২২-০৯-২০১১ তারিখ দিল্লিতে। তাঁর প্রকৃত নাম মনসুর আলী হুসেন সিদ্দিকী, পতৌদির নবম এবং সর্বেশষ নবাব ছিল, তারপরও তাঁর ছেলে সাইফ আলী খানকে পতৌদির দশম নবাবের উপাদি লাভ করেন ৩১-১০-২০১১ তারিখ)। ১৯৬১ সালের ১ জুলাইয়ে খেলার আগেই লন্ডনে ভয়াবহ এক গাড়ি দুর্ঘটনায় এক চক্ষু হারান। ১৯৬১ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত-১৪ বছরে ভারতের হয়ে ৪৬টি টেষ্ট খেলে ৩৪.৯১ গড়ে ২৭৯৩ রান করেছেন। ৩১০টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচে করেছেন ১৫৪২৫ রান, গড় ৩৩.৬৭। তাঁর অভিষেকের বছরই লন্ডনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর ডান চোখটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। সেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৬১ সালে দিল্লীতে টেষ্ট অভিষেক টাইগার পতৌদির। স্ত্রী শর্মিলা ঠাকুর হল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাতনি (ধর্মান্তরিত হন মুসলিম ধর্মে এবং নাম রাখেন বেগম আয়শা সুলতানা)। ১৯৬৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর ভালবেসে বিয়ে করেন নবাব মনসুর আলী খান পদৌতিকে। তবে শুধু পরিসংখ্যান দিয়েই 'টাইগার' পতৌদিকে বোঝানো যাবে না, পতৌদি ভারতীয় ক্রিকেটেরই এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। নবাব মনসুর আলী খান পতৌদির বা চোখটি দান করে গেছেন। নবাব মনসুর আলী খান পতৌদি ২০০৪ সাল পর্যন্তও বিশ্ব ক্রিকেটের কনিষ্ঠতম ক্যাপ্টেন হওয়ার রেকর্ড ছিল তাঁর দখলে। ১৯৫২ সাল থেকে মনসুর আলী খান ছিলেন কেবল খেতাবধারী নবাব। ১৯৭১ সালের সংবিধান সংশোধনের পর সেটাও বাতিল হয়ে যায়। তাঁর বাবা নবাব ইফতেখার আলী খান পতৌদি ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্ট খেলেন ১৯৩২ সালে। এর কিছুদিন পর ভারত স্বাধীনতা না পেয়েও টেস্ট খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। নিজ দেশের হয়েও টেস্ট খেলেন তিনি ১৯৩৪ সালে।

১৯৪১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, ভারতের রাজস্থান রাজ্যের এক দরিদ্র পরিবারে ভারত তথা উপমহাদেশের এই প্রখ্যাত গজলের সংগীতশিল্পী জগজিৎ সিংয়ের জন্ম, মৃত্যু-১০-১০-২০১১ তারিখ সকাল আটটায় মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে। স্ত্রী-চিত্র সিংয়ের সঙ্গে জুটি গড়ে খ্যাতির চুড়ায় পৌঁছান জগজিৎ সিং। বলা হয়ে থাকে, ভারতের সংগীতের ইতিহাসে তাঁরাই প্রথম সফল জুটি। ২০০৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নয়াদিল্লীতে পার্লােমন্ট ভবনের অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন তিনি।

১৯৪১ সালের ১০ মার্চ, (বাংলা-১৩৪৮ সনের ২৬ ফাল্গুন) প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক সমরেশ মজুমদারের জন্ম।

১৯৪১ সালের ১২ মে, কল্লোল পত্রিকার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক দীনেশ রঞ্জন দাশের মৃত্যু।

১৯৪১ সালের ২৫ মে, ব্রতচারী আন্দোলনের পথিকৃৎ ও সমাজকর্মী গুরু সদয় দত্তের মৃত্যু।

১৯৪২ সালের ২০ জানুয়ারি, ভারতের সাবেক কৃষি ও পানিসম্পদমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা সোমপাল শাস্ত্রীর জন্ম। তিনি ভারতের কৃষিকে একটি লাভজনক খাত হিসেবে পরিণত করার পেছনে ভূমিকা রেখেছেন।

১৯৪২ সালের ২২ জানুয়ারি, মরমী সঙ্গীতশিল্পী উমা বসু হাসির মৃত্যু।

১৯৪২ সালের ১৮ মার্চ, পশ্চিমবঙ্গের পরিবহনমন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী ঢাকার মাসাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, কলকাতায় মৃত্যু-০৩-০৮-২০০৯ তারিখ বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে। ভারত ভাগের পর তাঁর পরিবারের সঙ্গে তিনি চলে আসেন পশ্চিমবঙ্গে। সুভাষ চক্রবর্তী ১৯৭৭ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার সদস্য ছিলেন। তিনি সপ্তমবারের মতো বিধায়ক হন।

১৯৪২ সালে ভারতের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী রঘু রায়ের জন্ম। রঘু রায় বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় পত্রিকায় আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করেছেন।

১৯৪২ সালের ১১ অক্টোবর, ভারতের এলাহাবাদে প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্রশিল্পী ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অমিতাভ (হরিবংশ) বচ্চনের জন্ম। অমিতাভ ১৯৬৯ সালে প্রথম 'সাত হিন্দুস্থানী' ছবির মাধ্যমে অভিনয় শুরু করে। ২০০৪ সালের ৬৩তম জন্মদিনে ২ কি. মি. দীর্ঘ বার্থ ডে কার্ডে ঐ কোম্পানীর প্রায় ছয় লাখ খুচরা বিক্রেতার স্বাক্ষর থাকছে। সহস্রাব্দের সেরা অভিনেতার ফ্রান্সের সর্বোচ্চ ''লিজিয়ন ডি অনার'' খেতাব অর্জন। ১৪০টিরও বেশী পূর্ণ দৈর্ঘয সিনেমায় অভিনয় করেছেন এবং এটা তাঁর ৬০তম পুরস্কার। যুক্তরাজ্যের মন্টফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬ সালের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেন। সেদিন অমিতাভ বচ্চন বলেছিলেন যে, নিজের হাতেই গড়ো নিজের গল্প। ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মান পেলেন প্রখ্যাত অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন।

১৯৪২ সালের ১৪ নভেম্বর, ভারতের গুয়াইটিতে ভারতের সাহিত্যিক ইন্দিরা গোস্বামীর জন্ম, মৃত্যু-২৯-১১-২০১১ তারিখ গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

১৯৪২ সালের ২৯ ডিসেম্বর, ভারতের অমৃতসরে হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রথম 'সুপারস্টার' খেতাব পাওয়া অভিনেতা (যতীন খান্না নাম পাল্টে হয়ে যান রাজেশ খান্না) রাজেশ খান্নার জন্ম, তিনি দীর্ঘিদন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন এবং ক্যানসারে মুম্বাইয়ে নিজের বাসায় মৃত্যু-১৮-০৭-২০১২ তারিখ। তিনি ১৯৬৬ সালে 'আখেরি খত' ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে মোট ১৬৩টি ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। ১০৬টি ছবিতেই কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। রাজেশ খান্না ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কংগ্রেসের পক্ষ থেকে লোকসভার সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৪৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর, কবি মানকুমারী বসুর মৃত্যু।

১৯৪৪ সালের ৯ জানুয়ারি, মৃৎশিল্পী গোপেশ্বর পাল পরলোকগমণ করেন।

১৯৪৪ সালের ২২ মার্চ, পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা শহরে পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জন্ম। বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় বাবার বাড়ি। ২০০৬ সালের ২১ মে, মোবায়েদুর রহমান: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাংক একাউন্ট নেই। নেই নগদ অর্থ বাড়ি গাড়ী জমিজমা ও স্বর্ণালঙ্কার। দুর্নীিততে যখন বাংলাদেশ শুধুমাত্র হ্যাটট্রিক করেই ক্ষান্ত হয়নি, ৪/৫ বার দুর্নীিততে ফাষ্র্ট হয়ে বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেছে তখন প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গ থেকে পাওয়া যাচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্নচিত্র। বাংলাদেশে রাজনীতির রাঘব বোয়ালদের অর্থিবত্তের পরিমাণ যখন শত কোটি বা হাজার বলে শোনা যায় তখন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীর অর্থিবত্ত সম্পর্কে শোনা যায় অবিশ্বাস্য কথা। গত ১৪ মে, ইন্টারনেটের খবরে প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচন কমিশনে মূখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদের যে ঘোষণা দিয়েছেন সেটা পড়ে এবং জেনে নির্বাচন কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং রাজনৈতিক পর্যেবক্ষকমহলের চক্ষু অবিশ্বাস্যে ছানাবড়া হয়ে গেছে। ঘোষণাপত্রে বুদ্ধদেব বাবু সম্পদের বিবরণ দিয়েছেন নিম্নরুপ: (১) ব্যাংক একাউন্ট-শূন্য। (২) নগদ অর্থ-শূন্য। (৩) ব্যাংক বা অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানে আমানত-শূন্য। (৪) সঞ্চয়পত্র-শূন্য। (৫) মোটরগাড়ী-শূন্য। (৬) অলংকার-শূন্য। (৭) কৃষিজমি-শূন্য। (৮) এলআইসি-শূন্য। (৯) ভবন বা বিল্ডিং-শূন্য। মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে বুদ্ধদেব বাবুর মাসিক বেতন ৮ হাজার টাকার কিছু বেশী। ২০০০ সালে মূখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি দুই কামরাবিশিষ্ট ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। মূখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এ অতিক্ষুদ্র বাসভবন ছেড়ে তাকে মূখ্যমন্ত্রীর সরকারী বাসভবনে যাওয়ার অনুরোধ করলে তিনি সবিনয়ে এ অনুরোধ প্রত্যাখান করেন। এরপর নিরাপত্তার কারণে পুলিশ বহুবার তাঁকে সরকারী বাসভবনে যাওয়ার অনুরোধ করলেও তিনি তার এ ছোট্ট ফ্ল্যাটে বসবাস করার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। আজও তিনি পাখির বাসার মত এ ফ্ল্যাটটিতেই বসবাস করছেন। ১৯৭৭ সালে, অর্থাৎ আজ থেকে ২৯ বছর আগে তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছেন, আজও তাদের ক্ষমতায় রেখেছেন। ২৯৩-আসনবিশিষ্ট প্রাদেশিক পরিষদের ২০০৬ সালের নির্বাচনে ২৩৫টি আসনে বিজয়ী করে অষ্টমবারের মত ক্ষমতায় পাঠিয়েছে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং অনেক সিপিএম নেতার পাশাপাশি বাংলাদেশের চিত্র মেলে ধরলে লজ্জা ও ক্ষোভে মাথা হেঁট হয়ে যায়। বাংলাদেশের দুর্নীিত দমন করতে পারলে জিডিপির ২ শতাংশ সাশ্রয় হবে।