| সাংবাদিক হলেন | পাকিস্তান ডন পত্রিকাসহ আরও বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী সাধক পুরুষ শাহ রাহাত আলীর মাজার মাসিন্নগর বজারে প্রতিষ্ঠিত হয় ০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ |
| মাজারটি কার | উনার জন্ম-১৮৭৬ সালে, মৃত্যু-০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ |
| কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম দয়াল | বাঞ্ছারামপুর থানার কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মৌঃ কলিমউদ্দিনের পুত্র মরহুম দয়াল গনিশাহের মাজারটি নবীনগর |
| গনিশাহ-এর মাজারটি কোথায় অবস্থিত | থানার বড়িকান্দি গ্রামে | দয়াল গনিশাহ, মরহুম হযরত রাহাত আলী শাহ (র.)'র ভক্ত ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম নামকরা | উজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী রাজেন্দ্র চন্দ্র সাহা ফুটবল খেলোয়ার ছিলেন | উনার জন্ম-১৯০২ সালে, |
| খেলাধুলায় | মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পাকিস্তান | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল সোবহান সাহেবের পুত্র জনাব আবদুস সাদেক (মোঃ শাহজাহান) |
| জাতীয় হকিদলের নামকরা খেলোয়ার | উনার জন্ম-১৯৪২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় | শরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-জনাব এ. কে. গোলাম কিবরিয়ার বড় ছেলে সিয়াম-এ-নূর |
| হকিদলের নামকরা খেলোয়ার | (সাবেক বাংলাদেশ জাতীয় হকি খেলোয়ার ছিলেন ১৯৯৪ থেকে ২০০০ পর্যন্ত) | সিয়ামের জন্ম-০২-১১-১৯৭০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ক্রিকেট | শরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-জনাব এ. কে. গোলাম কিবরিয়ার ছোট ছেলে তেনজাম-এ-নূর |
| কোচ, মেট্রো ক্রিকেট একাডেমী | (ঝিলাম) | ঝিলামের জন্ম-২৮-০৪-১৯৭২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম জাতীয় | মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল মতিন-এর দ্বিতীয় ছেলে জনাব মোহাম্মদ আশরাফুল-এর জন্ম-১৯৮৪ সালের ৭ |
| টিমের ক্রিকেট খেলোয়ার | জুলাই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী বকুল মোস্তফা(মোস্তফা জব্বারের স্ত্রী বকুল মোস্তফা) আনন্দ কমপিউটার-এর মালিক | তার |
| কমপিউটার জগতের বিখ্যাত ব্যবসায়ী | জন্ম-১৯৫১ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মুদ্রণ | কালিকাপুর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক আবদুর রহমান | ইউনাইটেড প্রেসের মালিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯১৮, |
| ব্যবসায়ী ছিলেন | মৃত্যু-১৯-১২-১৯৯৩ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে মুদ্রণ | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ | উনি ১৯৬৩ সাল থেকে আদর্শ ছাপাখানার মালিক | জন্ম-১৯২৭ |
| ব্যবসায় আছেন | সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে মুদ্রণ | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মেসবাহ-উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞা) | উনি ১৯৬৫ সাল থেকে প্রেসিডেন্সী প্রেসের মালিক |
| ব্যবসায় ছিলেন | ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-২৩-১২-১৯৯৫ তারিখ |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম বাঞ্ছারামপুর | ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ এপ্রিল, ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মেজবাহ উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞার) |
| থানার পাকিস্তানী পতাকাটি কার নেতৃত্বে নামানো হয় এবং | নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুর থানার পাকিস্তানী পতাকাটি নামানো হয় এবং বাংলাদেশের পতাকাটি উড়ানো |
| বাংলাদেশের পতাকাটি উড়ানো হয় | হয় |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, ঢাকাতে পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করেন কিন্তু বাঞ্ছারামপুর থানার | ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর থানার পাক-বাহিনী |
| পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করেন কত তারিখ | আত্মসমর্পণ করে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোন | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডক্টর এ. কে. এম. হাই সিঙ্গাপুরে অবস্থিত জাপানী আলফা টেকনো গ্রুপ অব চেম্বার-এর |
| কেমিষ্ট | পরিচালক | তিনি সুপার গ্লো নামক আটার ফর্মুলা উদ্ভাবক |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোন পদার্থিবজ্ঞানী | ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী পদার্থিবজ্ঞানী নূরুন নবী খন্দকার আমেরিকায় (ঘঅঝঅ)তে চাকুরী করতেন |
| নাসাতে চাকুরী করতেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোন ব্যক্তি ক্লাসিক | ধারিয়ারচর গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সামাদ সাহেবের পুত্র প্রাক্তন ছাত্র নেতা সাঈদ আহমেদ (বাবু), |
| গাইড ও ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের মালিক | ১৯৮৬ সাল থেকে ক্লাসিক গাইড ও ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক | বাবুর জন্ম-১৯৫৮ সালে |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বাঞ্ছারামপুর | ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মুখলেসুর রহমানের (এফ.এফ.) কমান্ডার ছিলেন | মুক্তিবাহিীর ক্যাম্পটি |
| থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন | রূপসদী গ্রামের খানেপাড়ার নয়াবাড়ীতে ছিল | মুখলেসুর রহমানের জন্ম-১৯৪৭ সালে |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় | দরিকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মনিরুল হক (বি.এল.এফ.)-এর কমান্ডার ছিলেন | মুক্তিবাহিনীর ২য় ক্যাম্পটি ছিল দরিকান্দি |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | গ্রামের মরহুম মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্যের বাড়ীতে | মনিরুল হকের জন্ম-১৯৪৮ সালে |
| মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন |
| ১৯২০ সালে বেঙ্গল ভিলেজ সেলফ গর্ভণমেন্ট | বাঞ্ছারামপুর থানার সর্বেমাট ৭টি ইউনিয়ন বোর্ড ছিল যথা:-(১) দরিয়াদৌলত (২) তেঁজখালী (৩) বাঞ্ছারামপুর (৪) |
| অ্যাক্ট পাশ করা হলে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত প্রথা | ছয়ফুল্লাকান্দি (৫) রূপসদী (৬) উজানচর ও (৭) সলিমাবাদ | এ ইউনিয়নগুলোতে প্রথম যারা প্রেসিডেন্ট ছিলেন তাঁদের |
| বিলোপ করে ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়ঃ | নামগুলি নিম্নে উপস্থাপন করা হলো: |
| ১নং দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ সালে মাওলানা খন্দকার রেজওয়ান আলী (দরিয়াদৌলত) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ২নং তেঁজখালী ইউনিয়ন বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট | ১৯২০ সালে মহিম চন্দ্র ঘোষ (তেঁজখালী) |
| ছিলেন |
| ৩নং বাঞ্ছারামপুর ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ সালে শচিন্দ্র বাবু (বাঞ্ছারামপুর) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৪নং ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ সালে যোগেন্দ কুমার দত্ত (ছয়ফুল্লাকান্দি) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৫নং রূপসদী ইউনিয়ন বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট | ১৯২০ সালে খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা (রূপসদী) |
| ছিলেন |
| ৬নং উজানচর ইউনিয়ন বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট | ১৯২০ সালে স্বরুপ নন্দ সাহা (সরিষারচর) |
| ছিলেন |
| ৭নং সলিমাবাদ ইউনিয়ন বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট | ১৯২০ সালে রমিজউদ্দিন মুন্সি (হায়দরন্নগর) |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল মিঞা) | তিনিই এ থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি |
| রাজনীতিবিদ ছিলেন | এবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মন্ত্রী | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল মিঞা) | ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে |
| ছিলেন | স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের মধ্যে | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল মাবুদ (শফিক)-এর স্ত্রী মিসেস ফাতেমা কবীর | সংরক্ষিত মহিলা আসনে স্বাস্থ্য |
| স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ছিলেন | উপমন্ত্রী পদে ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হলেন | পাড়াতুলি গ্রামের ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু) |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম আওয়ামী | কাঞ্চনপুর গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত মোঃ নূরুল ইসলাম | উনি কুমিল্লা শহরে শিক্ষকতার পাশাপাশি আওয়ামী রাজনীতির সাথে |
| লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন | জড়িত ছিলেন | স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রসংশনীয় ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ছিলেন সরাসরি |
| সম্পৃক্ত | উনার জন্ম-১৯১২ সালে, মৃত্যু-০২-০৫-২০০২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল বাসেত | উনি কুমিল্লা শহরে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন | উনার |
| বি.এন.পি.র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন | জন্ম-১৯২৯ সালে, মৃত্যু-০৭-০১-১৯৮৮ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ছাত্র | ১৯৫৩ সালে পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী জনাব নূরুল আমিন-এর একটি সভা সোনারামপুর বাজারে অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় |
| অবস্থায় এবং কলেজে শিক্ষকতা করার সময় | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধ্যাপক আবদুল মোমেন-এর নেতৃত্বে সভাটি পন্ডু করে দেয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা |
| রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন | হয়েছিল | ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক আবদুল মোমেন | উনার জন্ম-১৯৩০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৩-১৯৯০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম প্রাদেশিক নির্বাচনে | ১৯৩৭ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন ঢাকার প্রখ্যাত খাজা মরহুম নওয়াবজাদা |
| নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন | খাজা নছরউল্লাহ | তিনি বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় প্রাদেশিক নির্বাচনে | ১৯৪৬ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন নবীনগর থানার নাসিরাবাদ গ্রামের |
| নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন | মরহুম আলী আহাম্মদ খাঁন | তিনি বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় নির্বািচত প্রতিনিধি | বৃটিশ ভারতে দু'বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত |
| হয় | (১৯৩৭ সালে ও ১৯৪৬ সালে) | উনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১৯৬৬ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার পাকিস্তান হওয়ার পর | ১৯৫৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম |
| ১ম প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে নির্বািচত | এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল মিঞা) | উনি বাঞ্ছারামপুর থানার ৩য় নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন | উনি |
| প্রতিনিধি ছিলেন | যুক্তফ্রন্ট থেকে নির্বািচত এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম বি.ডি.(মেম্বারদের | ১৯৬২ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার (এম.এন.এ.) নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর |
| ভোটে) এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান | উনার জন্ম-১৯০০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় বি.ডি.(মেম্বারদের | ১৯৬৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার এম.এন.এ.) নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর |
| ভোটে) এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার | ১৯৭০ সালে ৭ ডিেিসম্বর, বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার সাধারণ নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি(এম.এন.এ.) ছিলেন নবীনগর |
| এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত | থানার অধিবাসী বড়িকান্দি গ্রামের মরহুম এডভোকেট দেওয়ান আবুল আব্বাস (বাচ্চু মিঞা) | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে, |
| প্রতিনিধি ছিলেন | মৃত্যু-২০০৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক | ১৯৭০ সালে ৭ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মরিচাকান্দি গ্রামের |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন | মরহুম গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ(আফতাব ভাই) | পাকিস্তান আমলে ৪(চার) বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (১৯৫৪, ১৯৬২, ১৯৬৪ ও |
| ১৯৭০ সালে) | উনার জন্ম-১৯২৭ সালে, মৃত্যু-২৩-০৩-১৯৭৯ তারিখ |
| ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর | ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন দরিকান্দি |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ, ১ম জাতীয় | গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক | ড. হক বাংলাদেশের আমলে বাঞ্ছারামপুর থানার ১৯৭৩ |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ, নির্বাচনে প্রথম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বািচত হন | উনার জন্ম-১৯৩১ সালে |
| ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় জাতীয় | ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | (এম.পি.) ছিলেন দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা) | উনার জন্ম-১৯২২ |
| সালে, মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৫ তারিখ |
| ১৯৮৬ সালের ৭ মে, বাঞ্ছারামপুর থানার ৩য় জাতীয় সংসদ-সদস্য | কদমতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব সহিদুর রহমান | তাঁর জন্ম-১৯৫১ সালে |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন |
| ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ, বাঞ্ছারামপুর থানার ৪র্থ জাতীয় সংসদ-সদস্য | ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি আশরাফ | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে, |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ তারিখ |
| ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার ৫ম জাতীয় | ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি আশরাফ | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে, |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ তারিখ |
| ১৯৯৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার ৫ম জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনে | ১৯৯৪ সালের জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি হলেন রূপসদী গ্রামের মরহুম |
| নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | মোঃ শাহজাহান হাওলাদার (সূজন) তাঁর জন্ম-১৯৬৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৭-২০০১ তারিখ |
| ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার ৬ষ্ঠ জাতীয় | ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি হলেন রূপসদী |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | গ্রামের মরহুম মোঃ শাহজাহান হাওলাদার (সূজন) |
| ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের, বাঞ্ছারামপুর থানার ৭ম জাতীয় সংসদ-সদস্য | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু) | তাঁর জন্ম-১৯৪৬ |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | সালের ১৬ জুন |
| ২০০১ সালের ১ অক্টোবর, বাঞ্ছারামপুর থানার ৮ম জাতীয় সংসদ-সদস্য | বাড়াইলচর(বাহেরচর) গ্রামের অধিবাসী জনাব এম.এ. খালেক, পি.এস.সি. | (বাংলাদেশ আমলে |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেন | ১৯৭৩, ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন, ২০০১ |
| সালের ১ অক্টোবর | উনার জন্ম-১৯৪০খ্রি. |
| ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু) | তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের |
| উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি | ১৬ জুন | দ্বিতীয়বার তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও |
| ইউনিয়ন-এর ৯ম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত | বরিকান্দি ইউনিয়ন | ) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হন ০৬-০১-২০০৯ তারিখ |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলাবাসীর মধ্যে মন্ত্রী হওয়ার দিক থেকে তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তি |