‹ ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস অংশ ১০৭ / ১১৫
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুরপাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু)তাঁর জন্ম-১৯৪৭ সালের
উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দিজুনতৃতীয়বার তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও
ইউনিয়ন-এর ১০ম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচতবরিকান্দি ইউনিয়ন) ১০ম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত
প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেন
১৯৮৫ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম১৯৮৫ সালে উপজেলা পদ্ধতি চালু হওয়ার পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী প্রাক্তন পাবলিক সার্ভিস
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনেকমিশনের সদস্য ও ডি. আই. জি. (অব.) মরহুম এম. এ. আউয়াল, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বািচত
নির্বািচত চেয়ারম্যান ছিলেনহনউনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ
১৯৮৬ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান১৯৮৬ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হন
উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান ছিলেনদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক
১৯৯০ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দ্বিতীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানবুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ দুদ মিঞা মাষ্টারএরপর আর উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত
নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান ছিলেনহয়নিউনার জন্ম-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলাদশদনা গ্রামের জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)উনি বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব
পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেনহিসেবে অবসর গ্রহণ করেন
২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলাদরিয়াদৌলত গ্রামের ডলি আক্তার (আওয়ামী লীগ) ও জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)
পরিষদ নির্বাচনে প্রথম নির্বািচত দু'জন ভাইস-চেয়ারম্যান-এর মধ্যেশফিকুল ইসলাম মারা গেছেন ০২-০৮-২০১০ তারিখ
একজন পুরুষ ও একজন মহিলা:উপজেলা পরিষদে এবারই একজন পুরুষ ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি হয়েছে
২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৪র্থ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানমানিকপুর গ্রামের মো: নুরুল ইসলামতিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা অঅওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেনছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম ব্যক্তি ঢাকা শহরের আজিমপুর ইউনিয়ন পরিষদেরফরদবাদ গ্রামের অধিবাসী (বর্তমান ধানমন্ডি, ভূতেরগুলির বাসিন্দা) আলহাজ্জ মোঃ ইউনুস
চেয়ারম্যান ছিলেনমিঞাউনার জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-২৭-১১-১৯৭৭ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বপ্রথম ঢাকাদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম পন্ডিত আবদুল হাকিম ও মরহুমা মিসেস আমেনা বেগমের পুত্রদ্বয় জনাব মোঃ ইদন মিঞা ও
শহরে বইয়ের লাইব্রেরী কাদের ছিলমরহুম মোঃ মিদন মিঞা-তারা উভয়ে ১৯৪৭ সাল থেকে ঢাকার ইসলামপুরে সিটি পাবলিসার নামে লাইব্রেরী দিয়েছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বপ্রথমভেলানগর গ্রামের আবদুল মান্নান (কেনু মিঞা), ১৯৬৪ সালে লন্ডন চলে যানগ্রামের বাড়ীতে উনার ছেলেরা ভেলানগর
সবচেয়ে দামী বিল্ডিং গ্রামের বাড়ীতে কেসরকারবাড়ীতে দুই কোটি টাকার উপরে খরচ করে বিদেশী মডেলে একটি দ্বোতালা বিল্ডিং তৈরী করেছে-২০০৪ খ্রিষ্টাব্দেউনার
তৈরী করেনজন্ম-১৯২২, মৃত্যু-১৭-১০-২০০১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বপ্রথম২০০৪ সালে রূপসদী গ্রামের সরকারবাড়ীর সাথে তিনতলা (৭,০০০ হাজার) বর্গফুট আয়তনের মাহবুবুর রহমান মেমোরিয়াল
সবচেয়ে বড় হসপিটাল প্রথম কোন গ্রামেহসপিটাল প্রতিষ্ঠিত হয়প্রতিষ্ঠাতা হলেন-জনাব মোঃ মজিবুর রহমান, মোঃ শফিকুর রহমান ও অন্যান্য ভাইয়েরা মিলিতভাবে
প্রতিষ্ঠিত করেনবাবার নামে এ হসপিটাল প্রতিষ্ঠা করেন
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণবাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী কলাবাগান-এ বর্তমান নিবাসী মরহুম মোঃ যাকারিয়ার
সমিতির প্রথম অফিস কোথায়গ্রীণ রোডস্থ দোকানে এবং তাঁর কলাবাগানের বাসায় সমিতির অস্থায়ী অফিস হিসেবে প্রায় ৩(তিন) বছরের মত সময় ব্যবহার করা হয়
ছিল
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণবাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির অফিস মিরপুর গ্রামের অধিবাসী মেজর (অব.) এস. এ. মান্নান সাহেবের বাসায় (৭৪, নর্থ রোড,
সমিতির অফিস দীর্ঘ সময়ভূতেরগুলি, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫) সমিতির অফিসের কাজ-কর্ম করা হয় এবং রেজিষ্টার্ড অফিস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছেপ্রায় ২৪ বছর যাবত
কোথায় ছিলমেজর (অব.) এস. এ. মান্নান ও উনার স্ত্রী আসিয়া খাতুন সমিতির কল্যাণে ঢাকা প্রবাসী (বাঞ্ছারামপুর থানার) মানুষদের জন্য যে ত্যাগ
স্বীকার করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতিরঢাকার তোপখানা রোডের মেহেরবা পস্নাজার ১২তলাতে সমিতির স্থায়ী অফিসসেখানে সমিতির লোকজনদের যাতায়াত খুব কমকিন্তু
অফিস বর্তমানে কোথায়সমিতির স্থায়ী অফিসের পরিবর্তে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর), গ্রীণ রোডের কনকর্ড
আর্কেিডয়ার ৬ষ্ঠ তলাতে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের ক্লাশ রুমে প্রতি মাসের ২য় সপ্তাহের সোমবার দিন বিকেল ৫ ঘটিকার সময় সমিতির
মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়সমিতি এ সুযোগ যদি ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর) নিকট না
পেত, তা'হলে সমিতির বিকাশ আশা করা যেত না
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির সাধারণপাড়াতুলি গ্রামের জনাব মোঃ মজিবুর রহমানের আন্তরিক সহযোগিতায় নায়েম অডিটরিয়ামে সমিতির সবগুলি সাধারণ
সভাগুলি প্রায়ই অনুষ্ঠিত হয়েছে কোথায়সভা ও বিশেষ সাধারণ সভাগুলি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছেমুজিবুর রহমানের জন্ম-১৯৪১ সালে পাড়াতুলি গ্রামে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা১৯৯২ সালে ছিল-১২ জন, ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ছিল-৪০৬ জন এবং ২০০৬ সালের আগষ্টে হয়েছে প্রায়-৭৩১ জন, ২০০৭ সালে ৭৩৮ জন, ১১-০৩-২০০৮
কল্যাণ সমিতির আজীবনতারিখ ৭৪৬ জন এবং ২০১০ সালের ২৩ জানুয়ারি-পর্যন্ত আজীবন সদস্যসংখ্যা-৭৭১ জন এরমধ্যে মারা গেছেন ৩৮ জন এবং ১৫-০১-২০১১ তারিখ
সদস্যসংখ্যাপর্যন্ত ৮০৬ জন আর মারা গেছে ৪২ জন৮২৭ জন আজীবন সদস্য ৩১-১২-২০১১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির স্থায়ী বৃত্তি তহবিল (১৫-০১-২০১১১১৮ জন বৃত্তি তহবিলে দান করেছেন এবং টাকার পরিমাণ =২৯,১৩,৮৬৪(উনত্রিশ তের লাখ আটশত
তারিখ) পর্যন্ত কত টাকা হয়েছে এবং কতজন টাকা দান করেছেচৌসট্টি) টাকা মাত্র
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির মাধ্যমেপ্রথম ১৯৭৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালের বন্যাত্তোর ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মসূচী বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে
কোন কোন বছর বন্যাত্তোর ত্রাণ ও পূর্ণবাসনবাঞ্ছারামপুর থানার সবগুলি গ্রামে নগদ টাকা, বেশকিছু ওষধপত্র ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী বন্যা দূর্গতদের মধ্যে বিতরণ করা
কর্মসূচী পালিত হয়হয়েছিল
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম সরকার র্কতৃকপাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তা২০০৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর, সরকারী অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রথম পাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তার ১ম
অনুমোদিত বাঞ্ছারামপুর পাক্ষিক কোনটিসংখ্যা প্রকাশিত হয়সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মনিরুজ্জামান পামেন (বাঁশগাড়ী) ও প্রধান সম্পাদক জান্নাতুল ইসলাম
(ডালিম)-এর বাড়ি-পাড়াতুলি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মুখপত্রবাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম সংখ্যা ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশ করা হয়বলা
শিকড়ের সন্ধানে প্রথম প্রকাশ করা হয়:হয়েছে প্রতি তিন মাস অন্তর পত্রিকাটি প্রকাশ করা হবে এবং আরো বলা হয়েছে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে শিকড়ের সন্ধানে সত্য
ও ঐতিহ্য সন্ধান করে যাবে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম কোন গ্রামেররূপসদী গ্রামের(উত্তরপাড়ার) অধিবাসী জনাব মোঃ হারুন-অর-রশীদ (খলিফা), পিতা-মোঃ আবু মিঞা, গ্রাম-রূপসদী,
বাসিন্দা-১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে ''চায়না ইন মাইপোঃ-রূপসদী, বাঞ্ছারামপুর, জেলা-বি-বাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' রচনা কমপিটিশনে
মাইন্ড'' পুরস্কারে ভূষিত হয়১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে তাকে রেডিও বেইজিং, বেইজিং টুরিযম এডমিনিস্ট্রেশন, সাটিফিকেট কার্ড ফর এ্যাসে কমপিটিশন-১৯৮৮
''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারে ভূষিত করে
মুক্তিযোদ্ধা৪৯৫ জন ছিল, ৩১-০৫-২০১০ তারিখে ৮৭৩ জন৬৮২ জন
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ১টি
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডারদরিকান্দি গ্রামের গোলাম মোহাম্মদ ইসহাক
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা২৭ জন
আহত মুক্তিযোদ্ধা৩৯ জন
১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক ঘটনাবলিপাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে দু'জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন
বিদ্যুতায়িত গ্রাম১২১টি
সিনেমা হল৩টি
পোষ্ট অফিস১৮টি
টেলিগ্রাম অফিস১টি
টেলিফোন একচেঞ্জ১টি
পি.সি.ও.৩টি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য৪০,৫৪৮ মেট্রিক টনবাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মেগাজিনে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্র-ছাত্রী মৈত্রী সমিতির মেগাজিনে খাদ্য
উৎপাদন কত টনউৎপাদন দেখানো হয়েছে-৭,৮৮,৪২২ মে. টনএটা ভুল দেখানো হয়েছেব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় খাদ্য উৎপাদন হয়-৭,৮৮,৪২২ মে. টনজেলার
খাদ্যউৎপাদন বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দেখানো হয়েছে এটা মারাত্ত্বক ভুল
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মহিলারা খাদ্যশস্য উৎপাদন করেবাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয় তার অর্ধেক নারীর পরিশ্রমের ফসল
টেলিভিশন আছে কয়টি৩০,৫০০টি পরিবারের১৩-০৫-২০১৫ তারিখ
রঙ্গিন টেলিভিশন আছে১১,৯০০টি পরিবারের
সরকারী হাসপাতাল০১টি
ডাক্তারের সংখ্যা২২ জন
কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা১৪ জন
ডাক্তার অনুপাত মানুষ১:২২,০০০ জন মানুষ
উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র১টি
বে-সরকারি হাসপাতাল৪টি
ক্লিনিক১টি
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র১৪টি
পশু চিকিৎসা কেন্দ্র০১টি
পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র০২টি
গবাদি পশু খামার০১টি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সক্ষম দম্পতির সংখ্যা৫৪,৫৫৪ জন(২০১৫ সালের হিসেব)
পাকা সড়ক১৩৭ কি. মি.
কাঁচা সড়ক২১৭ কি. মি.
আধাপাকা রোড৫ কিলোমিটার
ব্রীজ২০টি
কালভাট১৯৭টি
সোনালী ব্যাংকের শাখা২টি
কৃষি ব্যাংকের শাখা৩টি
জনতা ব্যাংকের শাখা৩টি
অগ্রণী ব্যাংকের শাখা২টি
ইসলামী ব্যাংকের শাখ১টি
গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা১টি
ব্রাক ব্যাংকের শাখা১টি
ডাচ-বাংলা ব্যাংক১টি
জল মহাল২৪টিআয়তন ৯৩৪ একর
মৎস্য খামার৫০টিআয়তন-৩৩ একর
পুকুর১৩১৩টি, আয়তন-২০৮ একর
হ্যাচারীনেই
পোনা উৎপাদন কেন্দ্র৬টি(নার্সারী)
বার্ষিক পোনা উৎপাদন ক্ষমতা৮৩,৫০,০০০টি
বার্ষিক মাছ উৎপাদন ক্ষমতা৬,৪৭০ ম্যাট্রিক টন
কৃতিম প্রজনন উপকেন্দ্র১টি-পয়েন্ট ৪টি
মুরগি খামার৪টি(লেয়ার)
মুরগি খামার/বয়লার৬৭টি
হাঁসের খামার/লেয়ার২টি
দুগ্ধ খামার৪৭টি
ছাগলের খামার১০টি
গরুর খামারনেই
গরুর সংখ্যা২২,১০০টিটি
মহিসনেই
ছাগলের সংখ্যা১৫,৯৫০টি
ভেড়ার সংখ্যা১,৩৮০টি
মোরক-মোরগির সংখ্যা২,০৭,১০০টি
হাঁসের সংখ্যা৮৮,৭০০টি
পানীয় জলের নলকুপ২৪,৪২৩টি
স্যানেটারী ল্যাট্রিন৫৪,৩৫৫টি
বাস/ট্রাকনেই
মাইক্রোবাস৫২টি
প্রাইভেট কার৪টি
ঠেলাগাড়ি৭৮টি
ট্যাম্পোনেই
রিকসা১৪৮৩টি
বাইসাইকেল৭০০টি
মোটর সাইকেল৬৫০টি
নসিমন১৯৬টি
ভ্যান গাড়ি১৬৮টি
পাওয়ার ট্রাক্টর১০৫টি
দেশী নৌকা৬৭০টি
ইঞ্জিন নৌকা১০১টি
স্কুটার৩২০টি
অটোবাইক৭৪০টি
লঞ্চ১টি
ডাকবাংলো২টি
প্রাকৃতিক গ্যাস২টি
হাট-বাজার১০৫টি
নৌ-পথ১৮২ কি.মি.
সনাতন বাহন আছেপাল্কি, গরু ও গোড়ার গাড়ি নেই
কলম তৈরীর কারখানা০১টি
বরফকল কয়টি০৬টি
ধানকল কয়টি আছে১৯০টি
স্বর্ণকার কতজন আছে৬৬ জন
কামার কতজন আছে৩৫ জন
কাঠের কাজে কতজন৫৫৯ জন
সেলাই কাজে কয়জন৬৫৯ জন
মেলা কয়টি স্থানে হয়৩টি স্থানেরূপসদী, বাঞ্ছারামপুর ও দরিয়াদৌলত
রূপসদী গ্রামে কয়টি মেলা হয়২টিরূপসদী গ্রামের খানেপাড়াতে ১ম দিন একটি মেলা হয় এবং ২য় দিন হয় রূপসদী গ্রামের
দক্ষিণপাড়ার বাজারে
কমিউনিটি সেন্টার৮টি
মৌজার সংখ্যা৭৪টি
খাস জমির পরিমাণ৬২৪ একর
কৃষি জমির পরিমাণ৪৬,২৮৫ একর
আবাদি জমির পরিমাণ৩২,৪০০ একর
অনাবাদি জমির পরিমাণ১৩,৮৮৫ একর
নদী৭,৪৩৩ একর
ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা২৫,০০০টি

নিট ফসলী জমির পরিমাণ৩০,৪৪১ একর, ১০০(একশত) শতকে ১(এক) একর, ২৫০(দুইশত পঞ্চাশ) শতকে ১(এক) হেক্টর, ৬৪০(ছয়শত চল্লিশ) একরে ১(এক)
বর্গমাইল
এক ফসলা জমির পরিমাণ১০,৩২২ একর
দুই ফসলা জমির পরিমাণ১৪,৭৪৫ একর
তিন ফসলা জমির পরিমাণ৪,৪২৩ একর
খাদ্য উৎপাদন হয়৪৮,৮৫৫ ম্যাট্রিক টন(২০১২-১৩)
খাদ্য চাহিদা৫৩,০৪৭ ম্যাট্রিক টন
খাদ্য ঘাটতি৪,১৯২ ম্যাট্রিক টন
সেচ গভীর নলকুপনেই
অ-গভীর নলকুপ১৫৮৩টি
শক্তিচালিত নলকুপ২২২টি
সেচকৃত জমি২৩,৮৫৩ একর
কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র০১টি
গমবায় সমিতি(কে.এস.এম.)২৩৯টি
মহিলা সমবায় সমিতি৫৮টি
মৎস সমবায় সমিতি২৯টি
তাঁতী সমবায় সমিতি৬৯টি
ক্ষুদ্র ঋণ/বহুমুখী সমবায় সমিতি৭৯টি
আদর্শ সমবায় সমিতি৪টি
সঞ্চয়দান সমবায় সমিতি৫টি
কৃষক সমবায় সমিতি১৭৩টি
বিত্তহীন সমবায় সমিতি৪১টি
ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি৯৯৯টি
রেজিস্ট্রার্ড ক্লাব১টি
প্রেসক্লাব১টি
পুলিশ অনুমোদিত পদের সংখ্যা৪৩ জন
কর্মরত পুলিশের সংখ্যা৪১ জন
মসজিদের সংখ্যা৫২৯টি
মন্দিরের সংখ্যা কত০৮টি
মোরের সংখ্যা কয়টি০৩টি
বড় মাযার কয়টি০১টিমাসিন্নগর বাজারে অবস্থিত
মাযারের সংখ্যা কয়টি২০১টি
এতিমখানা কয়টি০৮টি
ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট কয়টি০১টি
সঙ্গীত বিদ্যালয় কয়টি০২টি
সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কয়টি০২টি
টাইপ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র০১টি
সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও পাবলিক লাইব্রেরী০১টি
বাঞ্ছারামপুর থানার এল.এস.ডি. গোডাউন ধারণ ক্ষমতা১,০০০ মেট্রিক টন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস পাওয়া যায়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর ও ফেরাইজ্জাকান্দি গ্রামে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস ফিল্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর গ্রামে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রতি বর্গমাইলে বাস করে৩,৭৫০(তিন হাজার সাতশত পঁঞ্চাশ) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রতি বর্গমাইলে বাস২,৬৫৬(দুই হাজার ছয়শত ছাপান্ন) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে