| স্পোর্টস গার্ল | সাবরীণা সুলাতানা জাতীয় সুটার | তার জন্ম-১৯৭৫ সালের ১ মার্চ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে রেডিওতে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে মাসিমনগর গ্রামের মোহাম্মদ দারোগ আলী | দারোগ আলীর |
| প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | জন্ম-১৯১৫ সালে, মৃত্যু-জানা নেই | দারোগ আলীর ছেলে-নান্নু মিঞা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| মহিলা | (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা বাঞ্ছারামপুর থানার উলুকান্দি গ্রামের শিল্পী খালিদ |
| মহিলা | লতিফ (উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সঙ্গীত শিল্পী) |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের মধ্যে | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী খানবাহাদুর মৌলভী তুজাম্মেল আলীর দ্বিতীয় ছেলে জনাব মোহাম্মদ দানা মিঞা সাব | উনার |
| প্রথম যাত্রা শিল্পী | জন্ম-১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০০০ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের মধ্যে প্রথম | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| নাট্যশিল্পী | (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের মধ্যে প্রথম | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| নৃত্তশিল্পী | (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোতাহার-উল-হক (সুদন মিঞা) | উনার জন্ম-১৯১৭ সালে, মৃত্যু-১২-০২-২০০২ |
| ইঞ্জিনিয়ার | তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুস সামাদ সাহেবের বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আলম (বকুল), |
| ইঞ্জিনিয়ার সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | বি.সি.আই.সি.র. চেয়ারম্যান পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মাইনিং | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডা. আনসার আলী সাহেবের পূত্র জনাব এ.এফ.এম. ফজলুল করিম, ১৯৭১ সালে লাহোর থেকে |
| ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন | বাংলাদেশ পেট্রোবাংলার, এম.ডি. হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৪২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার | পাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ কেনু মাষ্টারের বড় ছেলে প্রকৌশলী মোঃ খোরশেদ আলম, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের |
| হিসেবে সর্বোচ্চ পদে | প্রধান প্রকৌশলীর পদ থেকে অবসর-এ. ছিলেন এবং মারা গেছেন | উনার জন্ম-১৯৪৫ সারে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার | দরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল আউয়াল সাহেবের বড় ছেলে প্রকৌশলী মোঃ নিজামউদ্দিন, বি.আই.এম.-এর |
| হিসেবে সর্বোচ্চ পদে | ডি.জি. হিসেবে কর্মরত ছিলেন | তার জন্ম-১৯৪৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের মধ্যে | দুর্গারামপুর গ্রামের মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফের কন্যা স্থপতি (অৎপযরঃবপঃ) ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন লাইলুন নাহার |
| প্রথম স্থপতি (অৎপযরঃবপঃ) ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে | তাঁর স্থাপত্য হলো-নগরভবন ও আগারগাঁও-এ প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় সরকার বিভাগের এল.জি.ই.ডি. ভবনসহ আরো অনেক |
| প্রতিষ্ঠান |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | হায়দরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ হোসেন, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম.ডি.) ছিলেন এবং |
| সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেন | বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিেসর (ই.পি.সি.এস.)-এর বিশিষ্ট সদস্য ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-১৯৯৪ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বোচ্চ | সলিমাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুর রকীব, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এম.ডি.) ছিলেন | উনার |
| ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেন | জন্ম-১৯৪২ সালের ০২ জানুয়ারি |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বোচ্চ | তেঁজখালী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ আমিনূল ইসলাম (উনার বাবার নাম-মোঃ সিরাজুল |
| ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেন | ইসলাম-বাড়ি-তেঁজখালী-জন্ম-১৯০৫ সালে-মৃত্যু-১৯৮৫ সালে) জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম. ডি.) ছিলেন |
| উনার জন্ম-১৯৪৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুস সোবহানের পুত্র ও বসুন্দরা গ্রুপ অব কোম্পানীজের স্বত্তাধিকারী |
| সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং পূঁজিপতি হলেন | জনাব আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ আলম) | উনার জন্ম-১৯৪৬ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | মিরপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম নান্নু মিঞার পুত্র ডক্টর রওশন আলম | লিব্রা র্ফামাসিটিক্যালস লিঃ এবং কে. ডি. এস.-এর |
| সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং পূঁজিপতি হলেন | স্বত্তাধিকারী | উনার জন্ম-১৯৪২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে তৃতীয় | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ ফরিদউদ্দিন-এর ছোট ভাই মোঃ হেলাল মিয়া, সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেছেন |
| সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং পূঁজিপতি হলেন | স্ট্যান্ডার্ড লুঙ্গি বাজারজাত করে | এ ছাড়াও আরো অনেক ব্যবসার সাথে জড়িত আছে | তার জন্ম-১৯৬১ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | চরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ সুরুজ মিঞার লঞ্চ ১৯৪৮ সাল থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর |
| পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | এবং রামচন্দ্রপুর থেকে সদরঘাট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তি | ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. শামসূল হক-এর একটি লঞ্চ ১৯৪৮ সাল থেকে ঢাকা সদরঘাট থেকে বাঞ্ছারামপুর |
| পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | পর্যন্ত চলাচল করত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তি | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম দেলোয়ার হোসেন মুন্সীর ছেলে মরহুম তোতা মিঞা সাহেব মুসাফির লঞ্চ কোম্পানীর |
| পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | মালিক ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থ ব্যক্তি | খাল্লা গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ আলী আযম (মালু মিঞার) একটি লঞ্চ ১৯৫৪ সাল থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে |
| পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | বাঞ্ছারামপুর এবং বাঞ্ছারামপুর থেকে সদরঘাট পর্যন্ত চলাচল করত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫ম ব্যক্তি | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী সাবেক চেয়ারম্যান সাহেবের ছেলে মোহাম্মদ মতিউর রহমান সাহেব (চেনু, সোনারবাংলা ও |
| পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | গোলাম নূর লঞ্চ-এর মালিক ছিলেন) | ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত লঞ্চগুলি চলাচল করত | উনার জন্ম-১৯২৭, |
| মৃত্যু-১৯৯৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম চা | ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী মোঃ ইব্রাহিম, একজন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠিত চা ব্যবসায়ী ও রোজ টি কোম্পানীর স্বত্তাধিকারী |
| ব্যবসায়ী ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৬ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী | ভেলানগর উত্তরপাড়ার রাহাত আলীর ছেলে মোহাম্মদ মালু মিয়ার ছেলেদের দখলে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| চাষের জমি কোন পরিবারের | (আলমগীর)-এর জানামতে ১৩০(একশত ত্রিশ) বিঘা বা কানী চাষের জমি আছে | মালু মিঞার জন্ম-১৯২২ সালে, মৃত্যু-২০০২ |
| সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ আলী আজগর ব্যাপারীর বড় ছেলে আবদুল মালেক | উনার জন্ম-১৯১২ সালে, |
| জুয়ারী ছিলেন কে | মৃত্যু-১৯৮৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১ম ব্যক্তি | বুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী এম. মকবুল হোসেন | তিনি আসিয়ানা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন | জন্ম-১৯৩৮, |
| গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ছিলেন | মৃত্যু-২০০৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | উজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহা | উনার জন্ম-১৮৭৯ সালে, |
| আইনজীবি ছিলেন | মৃত্যু-১৯৫৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তি | ভবনাথপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট মৌলভী মোহাম্মদ মহব্বত আলী | উনার জন্ম-১৮৮৯ সালে, মৃত্যু-১৯৫৬ সালে |
| আইনজীবি ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তি | বাঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল আযিয | উনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১৯৬৯ সালে | উনি অধ্যক্ষ তসাদ্দক |
| আইনজীবি ছিলেন | হোসেনের পিতা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থ ব্যক্তি | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট ফজলুর রহমান | উনার জন্ম-১৮৯৪ সালে, মৃত্যু-জানা নেই | উনি বাঙ্গালী |
| আইনজীবি ছিলেন | মুসলমানদের মধ্যে প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় ভাই ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫ম ব্যক্তি | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল লতিফ | উনার জন্ম-১৮৯৬ সালে, মৃত্যু-২৫-০২-১৯৬৯ তারিখ | উনি অধ্যাপক |
| আইনজীবি ছিলেন | মোহাম্মদ নোমান সাহেবের পিতা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৬ষ্ঠ ব্যক্তি | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক ওরফে লিল মিঞা | উনার জন্ম-১৮৯৮ সালে, |
| আইনজীবি ছিলেন | মৃত্যু-২১-০৪-১৯৮১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে বার-এট. ল. | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. আবদুল আউয়ালের ছেলে ব্যারিস্টার এ. বি. এম. ফকরুদ্দিন | লন্ডনে আইন পেশায় |
| নিয়োজিত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | চরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ সুরুজ মিঞা | উনি ব্রিটিশ আমল থেকে ঠিকাধারী ব্যবসা করত | উনার |
| ঠিকাদারী ব্যবসা করতেন | জন্ম-১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তি | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), সাবেক এম. পি. | উনার জন্ম-১৯২২ সালে, |
| ঠিকাদারী ব্যবসা করতেন | মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৫ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), সাবেক এম.পি. | উনি ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল |
| লোক রপ্তানীকারক | পর্যন্ত লোক রপ্তানীকারক ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী স্বনামধন্য সংগীত সাধক ও গীতিকার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ | উনার জন্ম-১৮৯৪ সাল, |
| কবি ও লেখক ছিলেন | মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত আবদুল হাকিম-এর স্ত্রী বেগম আমেনা খাতুন | উনি বিংশ শতাব্দীর ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের দিকে |
| প্রথম লেখিকা ছিলেন | প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পাঠ্য পুস্তক লিখেছেন (আদর্শ লিপি লিখিছেন শুনা যায়) | উনার জন্ম-১৮৯৭ সাল, |
| মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিক পরিচিতি লাভ | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম কাজী আম্বর আলী সাহেবের ছেলে কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা | উনি শুধু একজন |
| করেছে বাংলাদেশ সরকারের সচিব ও কবি-সাহিত্যিক | সচিবই নন-তিনি একজন লব্দপ্রতিষ্ঠিত কবি-সাহিত্যিকও বটে | উনার জন্ম-১৯৩৮ সালে |
| হিসেবে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিক পরিচিতি লাভ | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মোজাক্কের | উনি কয়েকটি গানের বই |
| করেছে গীতিকার হিসেবে | রচনা করেছেন | উনার জন্ম-১৯৩৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রখ্যাত ছড়াকার ও | ব্াঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী মরহুম আলহাজ্জ টি. হোসেন সাহেবের পুত্র জনাব লুৎফর রহমান রিটন | তাঁর জন্ম-১৯৬০ |
| লেখক | সালের ১ এপ্রিল |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সিনেমা ও | ভুরভুরিয়া গ্রামের অধিবাসী নামকরা অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হক | উনার জন্ম-১৯৩৬ সালে, |
| টি.ভি. শিল্পী | মৃত্যু-১৯৯৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মহিলা | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার জেনারেল মোঃ মফিজুল ইসলাম (মুনশি মিঞা) (উনার |
| হিসেবে সিনেমা ও টি. ভি. শিল্পী ছিলেন | জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ তারিখ, মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ |
| তারিখ |
| দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী অবসরপ্রাপ্ত | উনার সাথে গত ২০-০৪-২০০৭ তারিখ বিকেল ৫ ঘটিকার সময় দেখা করি এবং আমার লিখা ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ |
| ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার জেনারেল মোঃ মফিজুল | পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন''(১৮০৬-২০০৬)-এর একটি কপি দেই এবং আরো বলি যে-চাঁচা |
| ইসলাম(মুনশি মিঞা)-এর বাসায় গত | আমি বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলী সম্বলিত একটি বই রচনা করেছি | আগামী জুলাই মাসের মধ্যে বইটি ছাপানো হবে | উনি |
| ২০-০৪-২০০৭ তারিখ গিয়েছিলাম আমি মোঃ | আমাকে সাথে সাথে বলে যে, আমাকে একটি কপি দিবে | আমিও উনার সাথে সাথে বলি যে-আমি আপনাকে এ বইয়ের একটি |
| জাকির হুসেন (আলমগীর) | উনার দ্বিতীয় কন্যা | কপি ছাপানোর সাথে সাথে দিয়ে যাব | মোঃ মফিজুল ইসলাম (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ |
| হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম তারিখ | তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ | এ তথ্যগুলো নিয়ে উনার বাসা থেকে |
| জানার জন্য | বিদায় নিয়ে আসতে চাই-কিন্তু উনি আমাকে বিদায় দিতে চায়নি এবং বারবার আমাকে কি খাবে, কি খাবে বলতে থাকে এবং |
| উনার ঘরের হাউস-কিপারকে বারবার খাবার দেয়ার জন্য আদেশ-নির্দেশ দিয়েছে এবং আমাকে অনেক প্রকার খাবার খাইয়েছে |
| ঐদিন রাত্রি ৭.৫০মিনিটে উনার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসি এবং কথা দিয়ে আসি যে আবার আসব বাঞ্ছারামপুর থানার |
| তথ্যাবলীর বইটি নিয়ে | ১০-০৫-২০০৭ তারিখ সকাল ১১.৩০ মিনিটের সময় মুহিতের টেলিফোন পাই যে-দরিয়াদৌলতের |
| মফিজুল ইসলাম সাহেব মারা গেছেন সকাল ১০ঘটিকার সময় | হ্যাঁ আজ(১০-০৫-২০০৭ তারিখ) আমি আসব উনার জানাযায় |
| উনার মৃত্যু তারিখ বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলীতে দেয়ার জন্য | আমি উনাকে ভুলতে পারব না-আমার বারবার উনার কথা |
| মনে হয় | উনি সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের মধ্যে | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. সরফুজ্জামান (আবু তাহের)-এর কন্যা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক |
| প্রথম টি. ভি. তে জনসংখ্যা বিষয়ক অনুষ্ঠান | মিসেস লুৎফে তাহেরা | ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন | মিসেস লুৎফে |
| উপস্থাপনায় কে | তাহেরার জন্ম-১৯৫০ সাল |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম রেডিও | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মহি-উদ-দীন আহমেদ (জহর মিঞার) ছেলে জনাব শামীম আহমেদ ও তার ছোট ভাই জনাব |
| এবং টি.ভি.তে কারা ইংরেজী সংবাদ পাঠক | নাফিজ ইমতিয়াজ | শামীমের জন্ম-১৯৫০ সালে এবং নাফিজের জন্ম-১৯৫৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় ছেলে জনাব মাহবুব জামাল জাহেদী (বুলু মামা) | তিনি |