‹ ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস অংশ ১০৫ / ১১৫
স্পোর্টস গার্লসাবরীণা সুলাতানা জাতীয় সুটারতার জন্ম-১৯৭৫ সালের ১ মার্চ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে রেডিওতেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে মাসিমনগর গ্রামের মোহাম্মদ দারোগ আলীদারোগ আলীর
প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীজন্ম-১৯১৫ সালে, মৃত্যু-জানা নেইদারোগ আলীর ছেলে-নান্নু মিঞা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন
মহিলা(আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন
(আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা বাঞ্ছারামপুর থানার উলুকান্দি গ্রামের শিল্পী খালিদ
মহিলালতিফ (উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সঙ্গীত শিল্পী)
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের মধ্যেরূপসদী গ্রামের অধিবাসী খানবাহাদুর মৌলভী তুজাম্মেল আলীর দ্বিতীয় ছেলে জনাব মোহাম্মদ দানা মিঞা সাবউনার
প্রথম যাত্রা শিল্পীজন্ম-১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০০০ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন
নাট্যশিল্পী(আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন
নৃত্তশিল্পী(আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোতাহার-উল-হক (সুদন মিঞা)উনার জন্ম-১৯১৭ সালে, মৃত্যু-১২-০২-২০০২
ইঞ্জিনিয়ারতারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুস সামাদ সাহেবের বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আলম (বকুল),
ইঞ্জিনিয়ার সর্বোচ্চ পদে ছিলেনবি.সি.আই.সি.র. চেয়ারম্যান পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মাইনিংপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডা. আনসার আলী সাহেবের পূত্র জনাব এ.এফ.এম. ফজলুল করিম, ১৯৭১ সালে লাহোর থেকে
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনমাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেনবাংলাদেশ পেট্রোবাংলার, এম.ডি. হিসেবে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৪২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারপাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ কেনু মাষ্টারের বড় ছেলে প্রকৌশলী মোঃ খোরশেদ আলম, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
হিসেবে সর্বোচ্চ পদেপ্রধান প্রকৌশলীর পদ থেকে অবসর-এ. ছিলেন এবং মারা গেছেনউনার জন্ম-১৯৪৫ সারে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারদরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল আউয়াল সাহেবের বড় ছেলে প্রকৌশলী মোঃ নিজামউদ্দিন, বি.আই.এম.-এর
হিসেবে সর্বোচ্চ পদেডি.জি. হিসেবে কর্মরত ছিলেনতার জন্ম-১৯৪৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের মধ্যেদুর্গারামপুর গ্রামের মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফের কন্যা স্থপতি (অৎপযরঃবপঃ) ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন লাইলুন নাহার
প্রথম স্থপতি (অৎপযরঃবপঃ) ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেতাঁর স্থাপত্য হলো-নগরভবন ও আগারগাঁও-এ প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় সরকার বিভাগের এল.জি.ই.ডি. ভবনসহ আরো অনেক
প্রতিষ্ঠান
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমহায়দরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ হোসেন, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম.ডি.) ছিলেন এবং
সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেনবাংলাদেশ সিভিল সার্ভিেসর (ই.পি.সি.এস.)-এর বিশিষ্ট সদস্য ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-১৯৯৪ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বোচ্চসলিমাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুর রকীব, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এম.ডি.) ছিলেনউনার
ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেনজন্ম-১৯৪২ সালের ০২ জানুয়ারি
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বোচ্চতেঁজখালী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ আমিনূল ইসলাম (উনার বাবার নাম-মোঃ সিরাজুল
ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেনইসলাম-বাড়ি-তেঁজখালী-জন্ম-১৯০৫ সালে-মৃত্যু-১৯৮৫ সালে) জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম. ডি.) ছিলেন
উনার জন্ম-১৯৪৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুস সোবহানের পুত্র ও বসুন্দরা গ্রুপ অব কোম্পানীজের স্বত্তাধিকারী
সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং পূঁজিপতি হলেনজনাব আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ আলম)উনার জন্ম-১৯৪৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়মিরপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম নান্নু মিঞার পুত্র ডক্টর রওশন আলমলিব্রা র্ফামাসিটিক্যালস লিঃ এবং কে. ডি. এস.-এর
সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং পূঁজিপতি হলেনস্বত্তাধিকারীউনার জন্ম-১৯৪২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে তৃতীয়রূপসদী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ ফরিদউদ্দিন-এর ছোট ভাই মোঃ হেলাল মিয়া, সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেছেন
সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং পূঁজিপতি হলেনস্ট্যান্ডার্ড লুঙ্গি বাজারজাত করেএ ছাড়াও আরো অনেক ব্যবসার সাথে জড়িত আছেতার জন্ম-১৯৬১ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তিচরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ সুরুজ মিঞার লঞ্চ ১৯৪৮ সাল থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর
পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনএবং রামচন্দ্রপুর থেকে সদরঘাট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তিডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. শামসূল হক-এর একটি লঞ্চ ১৯৪৮ সাল থেকে ঢাকা সদরঘাট থেকে বাঞ্ছারামপুর
পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনপর্যন্ত চলাচল করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তিদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম দেলোয়ার হোসেন মুন্সীর ছেলে মরহুম তোতা মিঞা সাহেব মুসাফির লঞ্চ কোম্পানীর
পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনমালিক ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থ ব্যক্তিখাল্লা গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ আলী আযম (মালু মিঞার) একটি লঞ্চ ১৯৫৪ সাল থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে
পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনবাঞ্ছারামপুর এবং বাঞ্ছারামপুর থেকে সদরঘাট পর্যন্ত চলাচল করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫ম ব্যক্তিপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী সাবেক চেয়ারম্যান সাহেবের ছেলে মোহাম্মদ মতিউর রহমান সাহেব (চেনু, সোনারবাংলা ও
পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনগোলাম নূর লঞ্চ-এর মালিক ছিলেন)ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত লঞ্চগুলি চলাচল করতউনার জন্ম-১৯২৭,
মৃত্যু-১৯৯৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম চাফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী মোঃ ইব্রাহিম, একজন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠিত চা ব্যবসায়ী ও রোজ টি কোম্পানীর স্বত্তাধিকারী
ব্যবসায়ী ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সবচেয়ে বেশীভেলানগর উত্তরপাড়ার রাহাত আলীর ছেলে মোহাম্মদ মালু মিয়ার ছেলেদের দখলে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন
চাষের জমি কোন পরিবারের(আলমগীর)-এর জানামতে ১৩০(একশত ত্রিশ) বিঘা বা কানী চাষের জমি আছেমালু মিঞার জন্ম-১৯২২ সালে, মৃত্যু-২০০২
সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিতদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ আলী আজগর ব্যাপারীর বড় ছেলে আবদুল মালেকউনার জন্ম-১৯১২ সালে,
জুয়ারী ছিলেন কেমৃত্যু-১৯৮৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১ম ব্যক্তিবুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী এম. মকবুল হোসেনতিনি আসিয়ানা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেনজন্ম-১৯৩৮,
গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ছিলেনমৃত্যু-২০০৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তিউজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহাউনার জন্ম-১৮৭৯ সালে,
আইনজীবি ছিলেনমৃত্যু-১৯৫৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তিভবনাথপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট মৌলভী মোহাম্মদ মহব্বত আলীউনার জন্ম-১৮৮৯ সালে, মৃত্যু-১৯৫৬ সালে
আইনজীবি ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তিবাঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল আযিযউনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১৯৬৯ সালেউনি অধ্যক্ষ তসাদ্দক
আইনজীবি ছিলেনহোসেনের পিতা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থ ব্যক্তিমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট ফজলুর রহমানউনার জন্ম-১৮৯৪ সালে, মৃত্যু-জানা নেইউনি বাঙ্গালী
আইনজীবি ছিলেনমুসলমানদের মধ্যে প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় ভাই ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫ম ব্যক্তিউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল লতিফউনার জন্ম-১৮৯৬ সালে, মৃত্যু-২৫-০২-১৯৬৯ তারিখউনি অধ্যাপক
আইনজীবি ছিলেনমোহাম্মদ নোমান সাহেবের পিতা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৬ষ্ঠ ব্যক্তিদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক ওরফে লিল মিঞাউনার জন্ম-১৮৯৮ সালে,
আইনজীবি ছিলেনমৃত্যু-২১-০৪-১৯৮১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে বার-এট. ল.উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. আবদুল আউয়ালের ছেলে ব্যারিস্টার এ. বি. এম. ফকরুদ্দিনলন্ডনে আইন পেশায়
নিয়োজিত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তিচরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ সুরুজ মিঞাউনি ব্রিটিশ আমল থেকে ঠিকাধারী ব্যবসা করতউনার
ঠিকাদারী ব্যবসা করতেনজন্ম-১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তিদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), সাবেক এম. পি.উনার জন্ম-১৯২২ সালে,
ঠিকাদারী ব্যবসা করতেনমৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তিদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), সাবেক এম.পি.উনি ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল
লোক রপ্তানীকারকপর্যন্ত লোক রপ্তানীকারক ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তিবাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী স্বনামধন্য সংগীত সাধক ও গীতিকার মোহাম্মদ আবদুল্লাহউনার জন্ম-১৮৯৪ সাল,
কবি ও লেখক ছিলেনমৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত আবদুল হাকিম-এর স্ত্রী বেগম আমেনা খাতুনউনি বিংশ শতাব্দীর ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের দিকে
প্রথম লেখিকা ছিলেনপ্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পাঠ্য পুস্তক লিখেছেন (আদর্শ লিপি লিখিছেন শুনা যায়)উনার জন্ম-১৮৯৭ সাল,
মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিক পরিচিতি লাভবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম কাজী আম্বর আলী সাহেবের ছেলে কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলাউনি শুধু একজন
করেছে বাংলাদেশ সরকারের সচিব ও কবি-সাহিত্যিকসচিবই নন-তিনি একজন লব্দপ্রতিষ্ঠিত কবি-সাহিত্যিকও বটেউনার জন্ম-১৯৩৮ সালে
হিসেবে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিক পরিচিতি লাভউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মোজাক্কেরউনি কয়েকটি গানের বই
করেছে গীতিকার হিসেবেরচনা করেছেনউনার জন্ম-১৯৩৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রখ্যাত ছড়াকার ওব্‌াঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী মরহুম আলহাজ্জ টি. হোসেন সাহেবের পুত্র জনাব লুৎফর রহমান রিটনতাঁর জন্ম-১৯৬০
লেখকসালের ১ এপ্রিল
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সিনেমা ওভুরভুরিয়া গ্রামের অধিবাসী নামকরা অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হকউনার জন্ম-১৯৩৬ সালে,
টি.ভি. শিল্পীমৃত্যু-১৯৯৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মহিলাদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার জেনারেল মোঃ মফিজুল ইসলাম (মুনশি মিঞা) (উনার
হিসেবে সিনেমা ও টি. ভি. শিল্পী ছিলেনজন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ তারিখ, মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২
তারিখ
দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী অবসরপ্রাপ্তউনার সাথে গত ২০-০৪-২০০৭ তারিখ বিকেল ৫ ঘটিকার সময় দেখা করি এবং আমার লিখা ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ
ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার জেনারেল মোঃ মফিজুলপরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন''(১৮০৬-২০০৬)-এর একটি কপি দেই এবং আরো বলি যে-চাঁচা
ইসলাম(মুনশি মিঞা)-এর বাসায় গতআমি বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলী সম্বলিত একটি বই রচনা করেছিআগামী জুলাই মাসের মধ্যে বইটি ছাপানো হবেউনি
২০-০৪-২০০৭ তারিখ গিয়েছিলাম আমি মোঃআমাকে সাথে সাথে বলে যে, আমাকে একটি কপি দিবেআমিও উনার সাথে সাথে বলি যে-আমি আপনাকে এ বইয়ের একটি
জাকির হুসেন (আলমগীর)উনার দ্বিতীয় কন্যাকপি ছাপানোর সাথে সাথে দিয়ে যাবমোঃ মফিজুল ইসলাম (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭
হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম তারিখতারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখএ তথ্যগুলো নিয়ে উনার বাসা থেকে
জানার জন্যবিদায় নিয়ে আসতে চাই-কিন্তু উনি আমাকে বিদায় দিতে চায়নি এবং বারবার আমাকে কি খাবে, কি খাবে বলতে থাকে এবং
উনার ঘরের হাউস-কিপারকে বারবার খাবার দেয়ার জন্য আদেশ-নির্দেশ দিয়েছে এবং আমাকে অনেক প্রকার খাবার খাইয়েছে
ঐদিন রাত্রি ৭.৫০মিনিটে উনার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসি এবং কথা দিয়ে আসি যে আবার আসব বাঞ্ছারামপুর থানার
তথ্যাবলীর বইটি নিয়ে১০-০৫-২০০৭ তারিখ সকাল ১১.৩০ মিনিটের সময় মুহিতের টেলিফোন পাই যে-দরিয়াদৌলতের
মফিজুল ইসলাম সাহেব মারা গেছেন সকাল ১০ঘটিকার সময়হ্যাঁ আজ(১০-০৫-২০০৭ তারিখ) আমি আসব উনার জানাযায়
উনার মৃত্যু তারিখ বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলীতে দেয়ার জন্যআমি উনাকে ভুলতে পারব না-আমার বারবার উনার কথা
মনে হয়উনি সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের মধ্যেমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. সরফুজ্জামান (আবু তাহের)-এর কন্যা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক
প্রথম টি. ভি. তে জনসংখ্যা বিষয়ক অনুষ্ঠানমিসেস লুৎফে তাহেরা১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেনমিসেস লুৎফে
উপস্থাপনায় কেতাহেরার জন্ম-১৯৫০ সাল
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম রেডিওভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মহি-উদ-দীন আহমেদ (জহর মিঞার) ছেলে জনাব শামীম আহমেদ ও তার ছোট ভাই জনাব
এবং টি.ভি.তে কারা ইংরেজী সংবাদ পাঠকনাফিজ ইমতিয়াজশামীমের জন্ম-১৯৫০ সালে এবং নাফিজের জন্ম-১৯৫৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় ছেলে জনাব মাহবুব জামাল জাহেদী (বুলু মামা)তিনি