| তারিখ | জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বড় ছেলে মাহমুদ | মাহমুদের জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে | মাহমুদের ছেলে নাম হলো |
| অনন্ত |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ জহিরউদ্দিন ব্যাপারী, উনার জন্ম-১৭৯৭ সালে এবং মৃত্যু-১৮৭৮ সালে | উনার ছেলে মুনশি মোহাম্মদ |
| ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি | ইউসুফ আলী, উনার জন্ম-১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে | মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলীর বড় ছেলে মুনশি মুহাম্মদ হায়দর |
| মোহাম্মদ জর্হি-উদ-দীন | আলী (বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম নায়েব ছিলেন | উনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ |
| বেপারীর পরিবারটি ৭ম পুরুষ | মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীর বড় ছেলে মুনশি মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞা)-নবীনগর ইংরেজী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯১০ |
| শিক্ষিত | খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় ফেল করেন | কান্দু মিঞাও নায়েব ছিলেন-উনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-২৮-১২-১৯৫৯ |
| তারিখ | মুনশি মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ আজহারুল হক(নসু মিঞা) | উনিও প্রথম জীবনে চাকুরী করতেন |
| এবং পরবর্তী সময়ে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন-উনার জন্ম-১৯২৫ সালের ৩১ মার্চ, মৃত্যু-১৩-০৭-১৯৭১ তারিখ | মোঃ |
| আজহারুল হক (নসু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ জিয়াউদ্দিন আহামেদ(বায়েস)-এর জন্ম-২৫-১২-১৯৫১ তারিখ এবং মৃত্যু-১০-০৭-২০১২ তারিখ |
| মোঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ (বায়েস)-এর বড় ছেলে মোহাম্মদ রাকীব আহমেদ (রাকু)'র জন্ম-২৩-১০-১৯৭৭ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | বাঞ্ছারামপুর থানাব মুসলমানদের মধ্যে ৮ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৬/৭টি পাওয়া যেতে পারে এবং ৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার বাঞ্ছারামপুর |
| মুসলমানের মধ্যে এ থানায় জন্ম | থানার মুসলমানের মধ্যে ৮ থেকে ১০টি পরিবার পাওয়া গেছে | বাঞ্ছারামপুর থানার ১২৪টি গ্রামের ১৩টি ইউনিয়নের মুসলমানের মধ্যে ৭ম |
| এমন লোক কত পুরুষ শিক্ষিত(৭ম, | পুরুষ শিক্ষিত মাত্র কয়েকটি গ্রামের মধ্যে পাওয়া গেছে | যারা বাংলা, আরবী ও ফার্সী ভাষায় লিখতে পড়তে পারদর্শী তাদেরকে আমি |
| ৬ষ্ঠ পুরুষ কয়টি পরিবার শিক্ষিত | শিক্ষিত বলছি | ভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ানের ছেলে সন্তান না থাকার কারণে তাঁর শিক্ষিত পরিবারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নি |
| তার হিসেব বাহির করা) | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন-এর ছেলে ইউসুফ আলী এবং ইউসুফ আলীর ছেলে গোলাম মাওলার পুত্র সন্তান থাকার কারণে |
| তাঁরও শিক্ষিত পরিবারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নি | একমাত্র খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই আকিল মাহমুদ এবং মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন |
| মুনশির পরিবারটি ৮ম পুরুষ শিক্ষিত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | মায়ারামপুর গ্রামের হাঁজী মোহাম্মদ আওয়ালী | উনার জন্ম-১৮১০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে | উনি ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে হজ্জ পালন |
| প্রথম হাঁজী | করেন | আওয়ালী হাঁজীর পরিচয় হলো মায়ারামপুর গ্রামের জনাব আফতাবউদ্দিন(ভাই)-এর দাদার দাদা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ান, আকিল মাহমুদ, আকরাম উদ-দীন মুনশি, মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন মুনশি ও রূপসদী গ্রামের |
| প্রথম কয়েকজন শিক্ষিত লোকের নাম | দারোগা আমির-উদ-দীন | এরা তুর্কি মুসলমান এবং এদের সবাই তুরস্কে জন্ম | এরা সবাই, এদের বাবাদের সাথে এ দেশে আসেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানায় | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম উদ-দীনই এ থানার শিক্ষিত ব্যক্তি | উনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে(কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে |
| জন্ম মুসলমানের মধ্যে | যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন) | নযম উদ-দীন দারোগার পরিবারটি লেখাপড়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখেনি | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি |
| প্রথম কয়েকজন শিক্ষিত | মোহাম্মদ জহির-উদ-দীন বেপারী(জন্ম-১৭৯৭ সালে মৃত্যু-১৮৭৮ সালে) এবং তাঁর দুই ছেলে (১) মুনশি মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী এবং (২) মুনশি |
| লোকের নাম | মোহাম্মদ ইউসুফ আলী (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া জানতেন) | ইউসুফ আলীর জন্ম-১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে | ইউসুফ |
| আলী হলো নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার বাবা এবং আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া সাহেবের নানার বাবা | ভেলানগর |
| সরকারবাড়ির মুনশি মোহাম্মদ আমির-উদ-দীন সরকার (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া জানতেন) | উনার জন্ম-১৮৩০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে | মুনশি মোহাম্মদ আমির-উদ-দীন সরকার হলো ভেলানগর গ্রামের মরহুম মৌলভী সাফি-উদ-দীন ও জনাব আবুল কালাম |
| মোহাম্মদ যাকারিয়ার নানীর বাবা এবং নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার ছোট ভাই মরহুম হাঁজী মোহাম্মদ আশকর আলীর |
| শ্বশুর | দরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিত | উনার জন্ম-১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | মরিচাকান্দি গ্রামের মুনশি দেলোয়ার আলী |
| সরকার-এর জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী | উনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে | উলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন) | উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| উনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের পিতা | রূপসদী গ্রামের জনাব তুজাম্মেল আলী (মোঘল মিঞা) | উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৮ |
| খ্রিষ্টাবে | দরিকান্দি গ্রামের জনাব এমদাদ আলী মিঞা | উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ | বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আমার |
| জানামতে প্রথমদিকের কিছু শিক্ষিত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হলো | আরো কিছু ব্যক্তি আছে তাঁদের নামগুলি কালেকশন করা গেল না বলে দেয়া গেলা |
| না |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে সবচেয়ে বেশী | ভেলানগর দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি | উনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে | উনি |
| বছর বেঁচে ছিলেন | ৯৯(নিরানব্বই)বছর বেঁচেছিলন |
| এ থানার জীবিত মুসলমানের মধ্যে সবচেয়ে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে দূর্গারামপুর গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীম | উনার |
| বেশী বয়স কার | জন্ম-১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০১১ সালে |
| এ থানার মধ্যে প্রথমদিকে কয়েকটি পুকুর | নান্দরা গ্রামের ভাট রাজাদের পুকুর প্রথম | তারপর দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ীর পুকুরটি কাটানো হয়-১৮০৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| এবং ১৪ বিঘা আয়তনের দিঘি | এবং ১৪ বিঘা দিঘীটি কাটানো হয়-১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে ভেলানগর বড়বাড়ির পুকুরটি কাটানো হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে | এর পূর্বে |
| কোন গ্রামের পুকুরটি (নিবন্ধকারের) জানা নেই |
| এ থানার প্রথম কবরস্থান কোনটি | ভেলানগর গ্রামের কবরস্থানটি ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় |
| এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস কোনটি | ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের পোষ্ট অফিসটি এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস |
| এ থানার প্রথম পোষ্ট- মাষ্টার ছিলেন | ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের যোগেন্দ্র কুমার দত্ত-এ থানার প্রথম পোষ্ট-মাষ্টার |
| এ থানার প্রথম কুয়া বা ইনরা কোনটি | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর কুয়াটি-এ থানার প্রথম কুয়া |
| এ থানার প্রথম টিউবওয়েল কোনটি | উজানচর গ্রামের ভগবান সাহাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি-এ থানার প্রথম টিউবওয়েল |
| এ থানার প্রথম মসজিদ কোনটি | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর মসজিদটি এ থানার প্রথম মসজিদ |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন | উনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে | ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে ১৮৩৫ খ্রিষ্টাব্দে দারোগার |
| প্রথম কলকাতা যেয়ে | চাকুরী লাভ করেন | নবীনগর থানার প্যারাকান্দি গ্রামের মাওলানা কাজী মোহাম্মদ উজীর আলীর (উজীর আলী হলো নওয়াব সিরাজুল ইসলাম সাহেবের |
| দারোগার চাকুরী | চাঁচা) নিকট দারোগা সাহেবের মেয়েকে বিবাহ দেন | তাঁর মেয়ের বড় ছেলে হলো আমীর আলী সাহেব | আমীর আলী ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা |
| নেন | বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. পাশ করিয়া পরে ওকালতি পাশ করেন এবং কুমিল্লা কোর্টের প্রথম ইংরেজী উকিল | আমীর আলীর ছোট ভাই হলো মওলা |
| আলী | এ মওলা আলীই বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম সাব-রেজিষ্ট্রার ছিলেন | বাঞ্ছারামপুরে মওলা আলীর নামে একটি মসজিদ আছে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন) | উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| মাওলানা | উনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের পিতা |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল আলীম (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী ভাষা স্কুলে পড়াতেন | উনার জন্ম-১৮৬৯ |
| টাইটেলধারী মাওলানা | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | উনার পরিচয় হলো এ থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সাহেবের শ্বশুর |
| এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | ফতেপুর গ্রামের মাওলানা আবদুর রহমান (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী ভাষা স্কুলে পড়াতেন | উনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, |
| টাইটেলধারী মাওলানা কে | মৃত্যু-১৯৪৯ | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার সম্পর্কে ফুফাত ভাই |
| এ থানার মধ্যে প্রথম এন্ট্রান্স পাশ | উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহা | উনি ১৯০০ সালে এন্ট্রান্স পাশ |
| লোকটি | করেন | উনার জন্ম-১৮৭৯ সালে, কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫৭ |
| এ থানার মধ্যে প্রথম বি.এ. পাশ | উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহা বি.এ. পাশ করেন | এ থানার |
| লোকটি | প্রথম র্গযাজুয়েট |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি. এ. পাশ লোকটি | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি | আসলে উনি সাব-ডিপুটি | উনি ১৯১২ সালে |
| বি. এ. পাশ করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের | উজানচর গ্রামের বাবু রাইহরন চক্রবর্তী, এম. এ., বি. টি. | উনার জন্ম-১৮৮৯ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| নামটি |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, এম.এ. পাশ করেন-১৯২৩ সালে | উনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, |
| এম.এ. পাশ লোকটি | মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ তারিখ | মোঃ মিজানুর রহমান-নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর নানীর ছোট ভাই |
| বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান | ১৯২৬ সালে বি. সি. এস.(বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস) লিখিত প্রতিযোগিতামূলম পরীক্ষায় |
| বি. সি. এস. লিখিত পরীক্ষায় প্রথম | ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছিলেন | উনার পূর্বে যারা ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন তারা হলেন মনোনীত | জনাব মোঃ মিজানুর রহমানের |
| ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট | দাদা শ্বশুর হলো নবাব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-১৮৬৮ সালে কুমিল্লা জেলার প্রথম র্গযাজুয়েট এবং বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দ্বিতীয় |
| নবাব ছিলেন | (পশ্চিম গায়ের মহিলা জমিদার বেগম ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার প্রথম নবাব ছিলেন) |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান | উনি ১৯৫৪ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ট্যারিফ কমিশনের |
| পদে | চেয়ারম্যানের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম প্রফেসর | ভেলানগর গ্রামে জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫২ সালে | অধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, |
| লোকটি | ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় প্রফেসর | রূপসদী গ্রামে জন্ম-১৮৯২ অধ্যাপক আবদুল আযীয, মৃত্যু-১৯.. সালে | কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও |
| লোকটি | সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | জয়কালিপুর গ্রামের অধ্যাপক মাওলানা আবদুল হামিদ | তিনি আরবী ও ইংরেজী উভয় বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে এম.এ. পাশ করেছিলেন এবং বৃটিশ |
| ১৪(চৌদ্দমণি) মাওলানা | সরকার কৃতী ছাত্র হিসেবে তাঁকে দু'বার গোল্ড মেডেল প্রদান করেন | তিনি কলকাতা ও মদিনাতে অধ্যাপনা করতেন এবং ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| কাকে বলত: | দেশ-বিভাগের পর তিনি কলকাতা আসেন | কলকাতা থেকে ঢাকা আসার সময় তিনি প্রায় ১৪(চৌদ্দ) মণ কিতাব ও অন্যান্য গ্রন্থ সঙ্গে এনেছিলেন বলে; |
| সে কারণে এলাকার মানুষের কাছে চৌদ্ধমণি মাওলানা নামে বেশ পরিচিতি ছিলেন | উনার জন্ম-১৮৯৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫৪ সালের জানুয়ারি |
| এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ডিপুটি | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ, ২৪-০২-২০১৬ তারিখ |
| ম্যাজিস্ট্রেট | বাধ্যর্কজণিত কারণে শমরিতা হাসপাতালে মারা গেছেন | উনি বেঁচেছিলেন ৯৭ বছর ৪ মাস ২৪ দিন | উনি পেনশন ভোগ |
| করেছেন-৪১ বছর ১০ দিন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ইতিহাসবিদ | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনি অনেকগুলি গবেষণামূলক বইয়ের লেখক এবং অনুবাদকও |
| ১৯৭৩ সালে বাঞ্ছারামপুর থানা | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনি দীর্ঘ সময় বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব |
| কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি | পালন করেন | ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১ মার্চ, ১৬নং লেক সার্কাস, কলাবাগান, উত্তর ধানমন্ডিতে অবসর জীবন এবং গবেষণামূলক ইতিহাস ও |
| বাংলার প্রাচীন প্রত্নতত্ত রচনা করে সময় কাটাচ্ছেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ | দূর্গারামপুর গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীম, তাঁর পিতার নামে আমিনুদ্দিন মুনশি বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা দান করেন |
| সমিতির স্থায়ী বৃত্তি | এবং পরে তিনি আরো টাকা দান করে-মোট ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা | এরপর দরিয়াদৌলত গ্রামের আলহাজ্জ মোঃ আমিনূল ইসলাম (মানিক |
| তহবিলে যাঁরা প্রথম দান | মিঞার) -স্ত্রীর নামে জাহানারা ইসলাম বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা দান করেন | এভাবে ২৩-০১-২০১০ তারিখ এসে বাঞ্ছারামপুর থানা |
| করেছেন | কল্যাণ সমিতির ট্রাষ্ট ফান্ডের টাকার পরিমাণ হয়েছে প্রায়-১৯,৪৩,৮৬৪(উনিশ লাখ তেতাল্লিশ হাজার আটশতচৌসট্টি) টাকা এবং ব্যক্তির সংখ্যা |
| হলো-১০৪ জন |
| পাকিস্তান আমলে বাঞ্ছারামপুর | বড়কান্দি গ্রামের জনাব আবদুল খালেক, পাকিস্তান মিলিটারী একাউন্টস সার্ভিেস (পি.এন.এ.এস.)-এ যোগদান করেন ও পরবর্তীেত |
| থানাবাসীর মধ্যে বাঙ্গালী দরদী | ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে করাচি সিটি টেক্সেসন কমিশনার নিযুক্ত হন এবং ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান জুট ট্রেডিং কপোের্রশনে সদস্য পদে |
| অফিসার কাকে বলা হত | চাকুরীরত অবস্থায় ১৪-১২-১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে শহীদ হন | শহীদ আবদুল খালেক কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুননেসা উচ্চ বিদ্যালয়টি |
| প্রতিষ্ঠা করেন | উনার জন্ম-১৯২২ সালে, মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সচিব | ভেলানগর গ্রামের জনাব মুসলেহ-উদ-দীন আহমেদ (মানিক মিঞা), সচিব (অবঃ) | উনি পাকিস্তান ট্যাক্সেশন সার্ভিেসর সদস্য |
| ছিলেন | ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৭ সালে, মৃত্যু-১০-০৯-২০১২ তারিখ |