‹ ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস অংশ ১০২ / ১১৫
তারিখজনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বড় ছেলে মাহমুদমাহমুদের জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দেমাহমুদের ছেলে নাম হলো
অনন্ত
এ থানার মুসলমানের মধ্যেভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ জহিরউদ্দিন ব্যাপারী, উনার জন্ম-১৭৯৭ সালে এবং মৃত্যু-১৮৭৮ সালেউনার ছেলে মুনশি মোহাম্মদ
ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশিইউসুফ আলী, উনার জন্ম-১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দেমুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলীর বড় ছেলে মুনশি মুহাম্মদ হায়দর
মোহাম্মদ জর্হি‌-উদ-দীনআলী (বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম নায়েব ছিলেনউনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ
বেপারীর পরিবারটি ৭ম পুরুষমুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীর বড় ছেলে মুনশি মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞা)-নবীনগর ইংরেজী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯১০
শিক্ষিতখ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় ফেল করেনকান্দু মিঞাও নায়েব ছিলেন-উনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-২৮-১২-১৯৫৯
তারিখমুনশি মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ আজহারুল হক(নসু মিঞা)উনিও প্রথম জীবনে চাকুরী করতেন
এবং পরবর্তী সময়ে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন-উনার জন্ম-১৯২৫ সালের ৩১ মার্চ, মৃত্যু-১৩-০৭-১৯৭১ তারিখমোঃ
আজহারুল হক (নসু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ জিয়াউদ্দিন আহামেদ(বায়েস)-এর জন্ম-২৫-১২-১৯৫১ তারিখ এবং মৃত্যু-১০-০৭-২০১২ তারিখ
মোঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ (বায়েস)-এর বড় ছেলে মোহাম্মদ রাকীব আহমেদ (রাকু)'র জন্ম-২৩-১০-১৯৭৭ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরবাঞ্ছারামপুর থানাব মুসলমানদের মধ্যে ৮ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৬/৭টি পাওয়া যেতে পারে এবং ৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার বাঞ্ছারামপুর
মুসলমানের মধ্যে এ থানায় জন্মথানার মুসলমানের মধ্যে ৮ থেকে ১০টি পরিবার পাওয়া গেছেবাঞ্ছারামপুর থানার ১২৪টি গ্রামের ১৩টি ইউনিয়নের মুসলমানের মধ্যে ৭ম
এমন লোক কত পুরুষ শিক্ষিত(৭ম,পুরুষ শিক্ষিত মাত্র কয়েকটি গ্রামের মধ্যে পাওয়া গেছেযারা বাংলা, আরবী ও ফার্সী ভাষায় লিখতে পড়তে পারদর্শী তাদেরকে আমি
৬ষ্ঠ পুরুষ কয়টি পরিবার শিক্ষিতশিক্ষিত বলছিভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ানের ছেলে সন্তান না থাকার কারণে তাঁর শিক্ষিত পরিবারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নি
তার হিসেব বাহির করা)রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন-এর ছেলে ইউসুফ আলী এবং ইউসুফ আলীর ছেলে গোলাম মাওলার পুত্র সন্তান থাকার কারণে
তাঁরও শিক্ষিত পরিবারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নিএকমাত্র খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই আকিল মাহমুদ এবং মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন
মুনশির পরিবারটি ৮ম পুরুষ শিক্ষিত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেমায়ারামপুর গ্রামের হাঁজী মোহাম্মদ আওয়ালীউনার জন্ম-১৮১০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দেউনি ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে হজ্জ পালন
প্রথম হাঁজীকরেনআওয়ালী হাঁজীর পরিচয় হলো মায়ারামপুর গ্রামের জনাব আফতাবউদ্দিন(ভাই)-এর দাদার দাদা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ান, আকিল মাহমুদ, আকরাম উদ-দীন মুনশি, মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন মুনশি ও রূপসদী গ্রামের
প্রথম কয়েকজন শিক্ষিত লোকের নামদারোগা আমির-উদ-দীনএরা তুর্কি মুসলমান এবং এদের সবাই তুরস্কে জন্মএরা সবাই, এদের বাবাদের সাথে এ দেশে আসেন
বাঞ্ছারামপুর থানায়খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম উদ-দীনই এ থানার শিক্ষিত ব্যক্তিউনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে(কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে
জন্ম মুসলমানের মধ্যেযক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন)নযম উদ-দীন দারোগার পরিবারটি লেখাপড়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখেনিভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি
প্রথম কয়েকজন শিক্ষিতমোহাম্মদ জহির-উদ-দীন বেপারী(জন্ম-১৭৯৭ সালে মৃত্যু-১৮৭৮ সালে) এবং তাঁর দুই ছেলে (১) মুনশি মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী এবং (২) মুনশি
লোকের নামমোহাম্মদ ইউসুফ আলী (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া জানতেন)ইউসুফ আলীর জন্ম-১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দেইউসুফ
আলী হলো নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার বাবা এবং আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া সাহেবের নানার বাবাভেলানগর
সরকারবাড়ির মুনশি মোহাম্মদ আমির-উদ-দীন সরকার (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া জানতেন)উনার জন্ম-১৮৩০ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দেমুনশি মোহাম্মদ আমির-উদ-দীন সরকার হলো ভেলানগর গ্রামের মরহুম মৌলভী সাফি-উদ-দীন ও জনাব আবুল কালাম
মোহাম্মদ যাকারিয়ার নানীর বাবা এবং নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার ছোট ভাই মরহুম হাঁজী মোহাম্মদ আশকর আলীর
শ্বশুরদরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিতউনার জন্ম-১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইমরিচাকান্দি গ্রামের মুনশি দেলোয়ার আলী
সরকার-এর জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীউনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৫
খ্রিষ্টাব্দেউলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন)উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে
উনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের পিতারূপসদী গ্রামের জনাব তুজাম্মেল আলী (মোঘল মিঞা)উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৮
খ্রিষ্টাবেদরিকান্দি গ্রামের জনাব এমদাদ আলী মিঞাউনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখবাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আমার
জানামতে প্রথমদিকের কিছু শিক্ষিত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হলোআরো কিছু ব্যক্তি আছে তাঁদের নামগুলি কালেকশন করা গেল না বলে দেয়া গেলা
না
এ থানার মুসলমানের মধ্যে সবচেয়ে বেশীভেলানগর দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটিউনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দেউনি
বছর বেঁচে ছিলেন৯৯(নিরানব্বই)বছর বেঁচেছিলন
এ থানার জীবিত মুসলমানের মধ্যে সবচেয়েনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে দূর্গারামপুর গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীমউনার
বেশী বয়স কারজন্ম-১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০১১ সালে
এ থানার মধ্যে প্রথমদিকে কয়েকটি পুকুরনান্দরা গ্রামের ভাট রাজাদের পুকুর প্রথমতারপর দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ীর পুকুরটি কাটানো হয়-১৮০৫ খ্রিষ্টাব্দে
এবং ১৪ বিঘা আয়তনের দিঘিএবং ১৪ বিঘা দিঘীটি কাটানো হয়-১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে ভেলানগর বড়বাড়ির পুকুরটি কাটানো হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দেএর পূর্বে
কোন গ্রামের পুকুরটি (নিবন্ধকারের) জানা নেই
এ থানার প্রথম কবরস্থান কোনটিভেলানগর গ্রামের কবরস্থানটি ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়
এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস কোনটিছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের পোষ্ট অফিসটি এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস
এ থানার প্রথম পোষ্ট- মাষ্টার ছিলেনছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের যোগেন্দ্র কুমার দত্ত-এ থানার প্রথম পোষ্ট-মাষ্টার
এ থানার প্রথম কুয়া বা ইনরা কোনটিরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর কুয়াটি-এ থানার প্রথম কুয়া
এ থানার প্রথম টিউবওয়েল কোনটিউজানচর গ্রামের ভগবান সাহাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি-এ থানার প্রথম টিউবওয়েল
এ থানার প্রথম মসজিদ কোনটিরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর মসজিদটি এ থানার প্রথম মসজিদ
এ থানাবাসীর মধ্যেখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীনউনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দেইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে ১৮৩৫ খ্রিষ্টাব্দে দারোগার
প্রথম কলকাতা যেয়েচাকুরী লাভ করেননবীনগর থানার প্যারাকান্দি গ্রামের মাওলানা কাজী মোহাম্মদ উজীর আলীর (উজীর আলী হলো নওয়াব সিরাজুল ইসলাম সাহেবের
দারোগার চাকুরীচাঁচা) নিকট দারোগা সাহেবের মেয়েকে বিবাহ দেনতাঁর মেয়ের বড় ছেলে হলো আমীর আলী সাহেবআমীর আলী ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা
নেনবিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. পাশ করিয়া পরে ওকালতি পাশ করেন এবং কুমিল্লা কোর্টের প্রথম ইংরেজী উকিলআমীর আলীর ছোট ভাই হলো মওলা
আলীএ মওলা আলীই বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম সাব-রেজিষ্ট্রার ছিলেনবাঞ্ছারামপুরে মওলা আলীর নামে একটি মসজিদ আছে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন)উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে
মাওলানাউনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের পিতা
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল আলীম (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী ভাষা স্কুলে পড়াতেনউনার জন্ম-১৮৬৯
টাইটেলধারী মাওলানাখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইউনার পরিচয় হলো এ থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সাহেবের শ্বশুর
এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়ফতেপুর গ্রামের মাওলানা আবদুর রহমান (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী ভাষা স্কুলে পড়াতেনউনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে,
টাইটেলধারী মাওলানা কেমৃত্যু-১৯৪৯নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার সম্পর্কে ফুফাত ভাই
এ থানার মধ্যে প্রথম এন্ট্রান্স পাশউজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহাউনি ১৯০০ সালে এন্ট্রান্স পাশ
লোকটিকরেনউনার জন্ম-১৮৭৯ সালে, কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫৭
এ থানার মধ্যে প্রথম বি.এ. পাশউজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহা বি.এ. পাশ করেনএ থানার
লোকটিপ্রথম র্গযাজুয়েট
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি. এ. পাশ লোকটিভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটিআসলে উনি সাব-ডিপুটিউনি ১৯১২ সালে
বি. এ. পাশ করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরউজানচর গ্রামের বাবু রাইহরন চক্রবর্তী, এম. এ., বি. টি.উনার জন্ম-১৮৮৯ সালে, মৃত্যু-জানা নেই
নামটি
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, এম.এ. পাশ করেন-১৯২৩ সালেউনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর,
এম.এ. পাশ লোকটিমৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ তারিখমোঃ মিজানুর রহমান-নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর নানীর ছোট ভাই
বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান১৯২৬ সালে বি. সি. এস.(বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস) লিখিত প্রতিযোগিতামূলম পরীক্ষায়
বি. সি. এস. লিখিত পরীক্ষায় প্রথমডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছিলেনউনার পূর্বে যারা ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন তারা হলেন মনোনীতজনাব মোঃ মিজানুর রহমানের
ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেটদাদা শ্বশুর হলো নবাব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-১৮৬৮ সালে কুমিল্লা জেলার প্রথম র্গযাজুয়েট এবং বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দ্বিতীয়
নবাব ছিলেন(পশ্চিম গায়ের মহিলা জমিদার বেগম ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার প্রথম নবাব ছিলেন)
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমানউনি ১৯৫৪ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ট্যারিফ কমিশনের
পদেচেয়ারম্যানের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম প্রফেসরভেলানগর গ্রামে জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫২ সালেঅধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী,
লোকটিফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন
এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় প্রফেসররূপসদী গ্রামে জন্ম-১৮৯২ অধ্যাপক আবদুল আযীয, মৃত্যু-১৯.. সালেকুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও
লোকটিসাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন
এ থানাবাসীর মধ্যেজয়কালিপুর গ্রামের অধ্যাপক মাওলানা আবদুল হামিদতিনি আরবী ও ইংরেজী উভয় বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে এম.এ. পাশ করেছিলেন এবং বৃটিশ
১৪(চৌদ্দমণি) মাওলানাসরকার কৃতী ছাত্র হিসেবে তাঁকে দু'বার গোল্ড মেডেল প্রদান করেনতিনি কলকাতা ও মদিনাতে অধ্যাপনা করতেন এবং ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে
কাকে বলত:দেশ-বিভাগের পর তিনি কলকাতা আসেনকলকাতা থেকে ঢাকা আসার সময় তিনি প্রায় ১৪(চৌদ্দ) মণ কিতাব ও অন্যান্য গ্রন্থ সঙ্গে এনেছিলেন বলে;
সে কারণে এলাকার মানুষের কাছে চৌদ্ধমণি মাওলানা নামে বেশ পরিচিতি ছিলেনউনার জন্ম-১৮৯৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫৪ সালের জানুয়ারি
এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ডিপুটিদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ, ২৪-০২-২০১৬ তারিখ
ম্যাজিস্ট্রেটবাধ্যর্কজণিত কারণে শমরিতা হাসপাতালে মারা গেছেনউনি বেঁচেছিলেন ৯৭ বছর ৪ মাস ২৪ দিনউনি পেনশন ভোগ
করেছেন-৪১ বছর ১০ দিন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ইতিহাসবিদদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনি অনেকগুলি গবেষণামূলক বইয়ের লেখক এবং অনুবাদকও
১৯৭৩ সালে বাঞ্ছারামপুর থানাদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনি দীর্ঘ সময় বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব
কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিপালন করেন১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১ মার্চ, ১৬নং লেক সার্কাস, কলাবাগান, উত্তর ধানমন্ডিতে অবসর জীবন এবং গবেষণামূলক ইতিহাস ও
বাংলার প্রাচীন প্রত্নতত্ত রচনা করে সময় কাটাচ্ছেন
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণদূর্গারামপুর গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীম, তাঁর পিতার নামে আমিনুদ্দিন মুনশি বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা দান করেন
সমিতির স্থায়ী বৃত্তিএবং পরে তিনি আরো টাকা দান করে-মোট ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকাএরপর দরিয়াদৌলত গ্রামের আলহাজ্জ মোঃ আমিনূল ইসলাম (মানিক
তহবিলে যাঁরা প্রথম দানমিঞার) -স্ত্রীর নামে জাহানারা ইসলাম বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা দান করেনএভাবে ২৩-০১-২০১০ তারিখ এসে বাঞ্ছারামপুর থানা
করেছেনকল্যাণ সমিতির ট্রাষ্ট ফান্ডের টাকার পরিমাণ হয়েছে প্রায়-১৯,৪৩,৮৬৪(উনিশ লাখ তেতাল্লিশ হাজার আটশতচৌসট্টি) টাকা এবং ব্যক্তির সংখ্যা
হলো-১০৪ জন
পাকিস্তান আমলে বাঞ্ছারামপুরবড়কান্দি গ্রামের জনাব আবদুল খালেক, পাকিস্তান মিলিটারী একাউন্টস সার্ভিেস (পি.এন.এ.এস.)-এ যোগদান করেন ও পরবর্তীেত
থানাবাসীর মধ্যে বাঙ্গালী দরদী১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে করাচি সিটি টেক্সেসন কমিশনার নিযুক্ত হন এবং ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান জুট ট্রেডিং কপোের্রশনে সদস্য পদে
অফিসার কাকে বলা হতচাকুরীরত অবস্থায় ১৪-১২-১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে শহীদ হনশহীদ আবদুল খালেক কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুননেসা উচ্চ বিদ্যালয়টি
প্রতিষ্ঠা করেনউনার জন্ম-১৯২২ সালে, মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সচিবভেলানগর গ্রামের জনাব মুসলেহ-উদ-দীন আহমেদ (মানিক মিঞা), সচিব (অবঃ)উনি পাকিস্তান ট্যাক্সেশন সার্ভিেসর সদস্য
ছিলেনছিলেনউনার জন্ম-১৯২৭ সালে, মৃত্যু-১০-০৯-২০১২ তারিখ