| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম প্রাইভেট | ভেলানগর গ্রামের জনাব মুসলেহ-উদ-দীন আহমেদ, ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার গুলশানে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর |
| বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন | প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সি.এস.পি. ছিলেন | আইয়ূবপুর গ্রামের জনাব মোঃ আজিজুল হক, ১৯৬২ সালের সি.এস.পি. | উনি সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেন |
| উনার জন্ম-১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় সি.এস.পি. | ফরদাবাদ গ্রামের জনাব সৈয়দ আহমদ, ১৯৬৩ সালে সি.এস.পি. ছিলেন | উনি মন্ত্রী পরিষদ সচিব থেকে অবসর গ্রহণ |
| ছিলেন | করেন | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনও সচিব | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে জনাব মনজুরে মাওলার অবসরের পর ৩০-০৬-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত সচিব |
| পদে নেই | পদে বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনও ছিল না |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মানিকপুর গ্রামের জনাব মোঃ আবদুল আউয়াল, পি.এস.সি. (অব.) | উনি ১৯৪৯ সালের সি.এস.এস. প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় |
| সি.এস.এস. থেকে পি.এস.সি. | উত্তীর্ণ হয়ে পাকিস্তান পুলিশ সার্ভিেস যোগদান করেন ও ডি.আই.জি., বি.আর.টি.সি'র চেয়ারম্যান এবং পাবলিক সার্ভিস |
| হয়েছিলেন | কমিশনের সদস্য ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাড়াইল(বাহেরচর) গ্রামের মেজর (অব.) এম.এ. খালেক, পি.এস.সি. | উনি সেনাবাহিনী থেকে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে অবসর গ্রহণ করে, |
| (বাংলাদেশ আমলে) প্রথম পুলিশ | ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিেস যোগদান করে অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং অবঃ গ্রহণ |
| বিভাগে সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ছিলেন | করে-তিনি ১ অক্টোবর, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে (বি-বাড়িয়া-৬ আসনে) বাঞ্ছারামপুর থানার সংসদ-সদস্য নির্বািচত হয়েছেন | উনার জন্ম-১৯৪০ |
| সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | হায়দরনগর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন, ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ই.পি.সি.এস. হয়েছিলেন | তিনি মহা-পরিচালক(বি.আই.এম.) থেকে |
| ই.পি.সি.এস. ছিলেন | অবসর গ্রহণ করেন | জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-১৯৯৪ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | খাল্লা গ্রামের মফিজ-উদ-দীন শিকদার, ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের ই.পি.সি.এস. হয়েছিলেন | উনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ |
| ই.পি.সি.এস. ছিলেন | করেন | উনার জন্ম-১৯৩৬ সালে, মৃত্যু-২৯-০৫-২০০১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম দু'জন | দশদনা গ্রামের মোঃ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ ভাই), যুগ্ম-সচিব পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৪৩ সালে |
| ১৯৭৩ সালে বি.সি.এস. মৌখিক পরীক্ষায় | জনাব সিরাজ ভাই ১৯৭৩ সালের বি.সি.এস. পরীক্ষায় ৪২০ জনের মধ্যে ১০ম স্থান অধিকার করেন এবং খাল্লা গ্রামের মোঃ |
| উত্তীর্ণ হয়েছিলেন | আমিরুল করিম (মাওলা), যুগ্ম-সচিবের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোন | দরিয়াদৌলত গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন) ও তাঁরই ছোট ভাই মোঃ মাহমুদুল করিম (মজনু) | তাঁরা উভয়েই |
| গ্রামের ২(দুই) ভাই ১৯৮১ সালে বি.সি.এস. | যুগ্ম-সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন | ২৭-১১-২০০৫ তারিখ মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্তি সচিব হিসেবে |
| পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় | পদোন্নতি লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯৪৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একমাত্র সচিব | দরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্ত সচিব-এর পদ থেকে ১৮-০৯-২০০৭ তারিখ সচিব পদে |
| উন্নতি লাভ করেন এবং ১৫-০২-২০০৮ সাল থেকে এল.পি.আর.-এ যান |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে (১৬-০২-২০০৮ তারিখের | দরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), ১৫-০২-২০০৮ তারিখ থেকে এল.পি.আর.-এ চলে |
| পর) একজনও সচিব পদে বহাল নেই | গেছেন এবং ১৫-০২-২০০৯ তারিখ থেকে তাঁর অবসর সময় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোন গ্রামের | দরিয়াদৌলত গ্রামের মরহুম মৌলভী গোলাম মোস্তফা খন্দকার-এর মেয়ে মিসেস ছামেনা বেগম, যুগ্ম-সচিব |
| মহিলা ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় | (পর্যটন করপোের্রশন) |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ভাষা বিশেষজ্ঞ | ভেলানগর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার অধীবাসী অধ্যাপক ও ভাষা বিশেষজ্ঞ মুহি-উদ-দীন আহমদ | উনার জন্ম-১৯২০ সালে, |
| হিসেবে পরিচিতি লাভ করে | মৃত্যু-১৩-১২-১৯৯৬ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম অর্থনীতিবিদ | ভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার অধীবাসী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক আবদুল আজীজ খান | উনার জন্ম-১৯২০, |
| হিসেবে পরিচিতি লাভ করে | মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৩ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম স্কুল | বাখরনগর গ্রামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক কাজী আম্বর আলী, বি.এ., বি.এল., বি.টি. আলীগর | তিনি শিক্ষকতার |
| শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পান | জন্য পূর্ব-পকিস্তানের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের জাতীয় পুরস্কার পান ও ২১ মরনোত্তর পদকও লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, |
| আজিমপুরে মৃত্যু-১২-১২-১৯৯৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কলেজ | উলুকান্দি গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক নোমান, এম. এ. (ইংরেজী), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় | শিক্ষাবিদ নোমানকে ১৯৭০ |
| শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পান | খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সরকার শ্রেষ্ঠ ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে খেতাব প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৯৪ সালে জাতীয় ২১ পদকও লাভ |
| করেন | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৯৬ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-নবীনগর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান অধিকার | ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, |
| মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের | কৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. মোঃ ইয়াকুব আলী ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে |
| অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান অধিকার | ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১০ম স্থান (ঢাকা বোর্ডে) | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আ.কা.মো. যাকারিয়া-১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজ হতে আই.এ. পরীক্ষায় ১০ম স্থান |
| অধিকার করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কলকাতা | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন), ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে আই. |
| বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ম স্থান অধিকার | এ. পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেন এবং একই ব্যক্তি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ স্থান অধিকার করেন | উনার |
| জন্ম-১৯২৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম হার্ভার্ড | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন) | মামুনের পরিচয় হলো বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম |
| বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক | প্রফেসর মোহাম্মদ সানাউল্লাহর ছেলে |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে পূর্ব-বাংলা | বাহেরচর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. মোঃ তাহেরুল ইসলাম, ১৯৫০ সালে উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে |
| বোর্ডে ১৬তম স্থান অধিকার করেন | ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৬তম স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-০২-০৭-১৯৯৩ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী-খানেপাড়ার অধিবাসী অধ্যাপক শ্রী অমরেশ চন্দ্র দাস, ১৯৫৭ সালে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে |
| পূর্ব-পাকিস্তান বোর্ডে ৮ম স্থান অধিকার | ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৮ম স্থান অধিকার করেন | তিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন | উনার |
| করেন | জন্ম-১৯৩৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কুমিল্লা | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী প্রকৌশলী মোঃ মমিনুল হক (খোকন), ১৯৬৩ সালে সিলেট সরকারী স্কুল হতে এস.এস.সি. |
| বোর্ডে ৩য় স্থান অধিকার করেন | পরীক্ষায় ৩য় স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯৪৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কুমিল্লা | রূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়ার মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ১৯৭৩ সালে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় |
| বোর্ডে ১৮তম স্থান অধিকার করেন | মেধা তালিকায় ১৮তম স্থান অধিকার করে | তাঁর জন্ম-১৯৫৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কুমিল্লা | দশদনা গ্রামের শাফিউন নাহিন শিমুল, ১৯৯৬ সালে বাঞ্ছারামপুর এস.এম. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় |
| বোর্ডে ১ম স্থান অধিকার করেন (সমাজবিজ্ঞান | মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে | তার জন্ম-১৯৭৮ সালে |
| বিভাগে) |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে টেক্সটাইল | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবু সাঈদ মুহাম্মদ শহীদ | তিনি ১৯৬০ সালে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন | ১৯৬৬ |
| ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন | সালে এম.এস. করেন এবং আমেরিকা ম্যানচেষ্টার থেকে ডাবল ফেলোশীপ লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ান | উনি বলদাখাল বা বরদাখাতের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন | উনার |
| সরকারী কর্মকর্তা | জন্ম-১৭৬০ সালে, মৃত্যু-০৫-০১-১৮৪৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই মুন্সেফ হোসাইন-উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৮০ |
| বিচার বিভাগে ছিলেন | সালে,মৃত্যু-১৮৫৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়িতে | খোশাল দিওয়ান স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন |
| কোন গ্রামে পারিবারিক স্কুল প্রতিষ্ঠিত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী দারোগা আমির-উদ-দীন | ঢাকার বাদামতলিতে তাঁর নির্মিত পাঁকা মসজিদ ও মাদ্রাসা আছে |
| পুলিশ বিভাগে ছিলেন | এবং তিনি প্রচুর অর্থের মালিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৭৮৯ সালে, মৃত্যু-১৮৬২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম পাঁকা | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ির মসজিদটি | বর্তমানে খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল |
| মসজিদ কোনটি | মিঞা (সাব-বাড়ি) হিসেবে পরিচিতি লাভ করে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়িটিকে সাব-বাড়ি বলা হয় |
| সাব-বাড়ী কোনটি |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম দারোগা | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন সাহেবের নামানুসারেই (খাল্লা দারোগা বাড়ির) নামকরণ করা হয় |
| বাড়ী কোনটি |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম শিক্ষা | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির বড় ছেলে ড. মাহমুদ | উনি ডি.পি.আই. হয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা, |
| বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | ভারত) | ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যান | উনার জন্ম-১৯১৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম পুলিশ | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির দ্বিতীয় ছেলে মোহাম্মদ মাসুদ (গেদু মিঞা) | উনি আই.জি.পি. |
| বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | হয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা, ভারত) এবং ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যান | উনার জন্ম-১৯১৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম স্থানীয় | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী ও ঢাকা শহরের বাদামতলিতে বসবাসকারী দারোগা আমির-উদ-দীন | উনার জন্ম-১৭৮৯ সালে, মারা |
| জমিদার ছিলেন | গেছেন-১৮৬২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম নায়েব | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী | উনার জন্ম-১৮৫৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ |
| ছিলেন | হায়দর আলী হলো নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদা |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও দেশ-বিদেশের তথ্য-বইয়ের জন্য নয় | ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ |
| প্রথম ব্যক্তি ভেলানগর | খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি (১০ম পুরুষের বাস ভেলানগর গ্রামে) এ ধরণের কাজ বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আর কে |
| বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও | করেছেন আমার জানা নেই | ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর মাসের তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশে জন্ম হয়েছে-২,১০৭ জন, |
| দেশ-বিদেশের তথ্যের লেখক | মৃত্যুবরণ করেছে-৬৭৯ জন এবং জীবিত আছে-১,৪২৮ জন | স্ত্রী ৫৪৭ জনের মধ্যে তালাক ও চলে গেছেন-৮০ জন স্ত্রী=৪৬৭ জনের মধ্যে মারা |
| (১৭৮০ থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ | গেছে-১৬০=৩০৭ জন স্ত্রী | বিদেশ, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য শহরসহ ভেলানগর বড়বাড়ির লোক বাস করে-৫১৫ জনের মধ্যে একমাত্র বিদেশে চাকুরী |
| পর্যন্ত) | ও বসবাস করে ১৬৮ জন | ৪৭৭ জন মেয়ে বিয়ে হয়েছে এবং ৪০৪তম পুরুষ বিয়ে করেছে ভেলানগর বড়বাড়ির | জীবিত বিবাহিত মেয়েরা |
| স্বামীরবাড়িতে বাস করে-৩১৮ জন, বিবাহিত ১৩ জন মেয়ে স্বামীর বাড়ির পরিবর্তে বাবার বাড়িতে বাস করে এবং গ্রামে বাস করে-৫১৫ জন |
| ভেলানগর বড়বাড়ির প্রকৃত লোকসংখ্যা হলো-১,০৩০ জন | আমাদের পূর্ব-পুরুষরা আসছে নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রাম হতে ভেলানগর |
| গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করে-১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দে | নবীনগর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আসে আমাদের পূর্ব-পুরুষরা কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়ি |
| হতে | কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়িতে আসছে আমাদের পূর্ব-পুরুষরা ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে | আমাদের পূর্ব-পুরুষরা মঙ্গোলিয়া ও |
| আফগানিস্থান থেকে এসে মিলিত হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশে | এর বেশী আর কিছু জানার চেষ্টা করিনি বা জানিও না |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে ভেলানগর বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর, হিসেব অনুসারে জন্মগ্রহণ করে-২,১০৭ জন |
| (নিবন্ধকার)-এর জানামতে লোকসংখ্যার | (স্ত্রীসহ পুরুষ-মহিলা) | এ পর্যন্ত মারা গেছেন-৬৭৯ জন | প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জীবিত আছে-১,৪২৮ জন | জীবিত স্ত্রী চলে গেছে-৮ জন |
| দিক দিয়ে প্রথম হবে ভেলানগর | ও তালাক হয়েছেন-৭২ জন=মো-৮০ জন স্ত্রী বিয়োগ করলে=১,৩৪৮ জন জীবিত | ভেলানগর বড়বাড়ির ৪০৪ জন পুরুষ বিয়ে করেছে এবং |
| বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-২৯-১২-২০১৬ | ৪৭৭ জন মেয়ের বিয়ে হয়েছে এর মধ্যে মারা গেছেন-১৪৬ জন মেয়ে=৩৩১ জন মেয়ের মধ্যে ১৩ জন মেয়ে বাবার বাড়িতে বাস করে |
| তারিখ পর্যন্ত | স্বামীরবাড়িতে থাকে ৩১৮ জন মেয়ে | প্রকৃত লোক সংখ্যা-১,০৩০ জন এরমধ্যে ৫১৫ জন শহর ও বিদেশে বাস করে আর গ্রামে বাস করে |
| ৫১৫ জন | বাঞ্ছারামপুর থানার ১২৫টি গ্রামের মধ্যে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে আর কোন বংশে এত লোক |
| জন্মগ্রহণ করেনি এবং এত লোক আর কোন বংশে বেঁচেও নেই এবং বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর আবদুল্লাহ ডিপুটির তৃতীয় ছেলে ব্রিগেডিয়ার (অবঃ) রেযা | উনার জন্ম-১৯১৮ সালে |
| সেনাবাহিনী কর্মকর্তা | উনি ১৯৪১ সালে কমিশন পান (বৃটিশ আর্মীেত) |