| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কত লোক অপুষ্টিতে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ লোক অপুষ্টিতে ভোগে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে | সরকারী হিসেব |
| কতভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস | অনুসারে যারা গ্রামে বাস করে তাদের প্রতিজনের মাসিক আয়-৬০০/-টাকা এবং যারা শহরে বাস করে তাদের মধ্যে প্রতিজনের |
| মাসিক আয়-৯০০/-টাকা খরচ করে তারাও দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কতজন মানুষ অনাহারে রাত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ২০(বিশ) হাজার |
| কাটায় | মানুষ অনাহারে রাত কাটায় |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্ত | তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ মানুষ ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্ত |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক উচ্চ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| রক্তচাপের শিকার | তাদেরসহ শতকরা ১৫ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক নিম্ন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| রক্তচাপের শিকার | তাদেরসহ শতকরা ২৫ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| আয়োডিন সমস্যায় ভূগছে | তাদেরসহ শতকরা ০৫ ভাগ মানুষ আয়োডিন সমস্যায় ভূগছে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| মাদকাসক্ত | তাদেরসহ শতকরা ৩ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| প্রতিবন্ধী | তাদেরসহ শতকরা ৪ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক গলগন্ড | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| রোগে ভুগছে | তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| এ্যাজমা রোগী | তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ ৫ থেকে ১৫ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| বছর বয়সী শিশু কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে | তাঁদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ (৫ থেকে ১৫) বছর বয়সী শিশু কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে জড়িত আছে |
| জড়িত রয়েছে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| আশ্রয়হীন | তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| ধনুষ্টঙ্কারে মারা যায় | তাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| ধুমপানের কারণে মারা যায় | তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ |
| মৃগী রোগী | শতকরা ০.৫ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| কুষ্ঠ রোগী | তাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক নদী-নালা ও পুকুরের পানি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ২০ ভাগ মানুষ |
| ব্যবহার করে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত প্রতিজন লোক কি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহার করে | তাদেরসহ প্রতিজন মানুষ ৫০ কেজি জ্বালানি ব্যবহার করে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| উপযুক্ত স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ পাচ্ছে না | তাদেরসহ শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক এম. | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| বি. বি. এস. ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে | তাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ মানুষ এম.বি.বি.এস. ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাবতীয় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ |
| কাজের কতভাগ মহিলারা করে | শতকরা ৬৩ ভাগ কাজ করে মহিলারা |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত যাবতীয় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ |
| কাজের কতভাগ পুরুষরা করে | শতকরা ৩৭ ভাগ কাজ করে পুরুষরা |
| ২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কতভাগ লোক বিভিন্ন রোগের | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে |
| কারণে কানে কম শোনে | তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ লোক কানে কম শোনে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ |
| লোক যক্ষায় আক্রান্ত | শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ যক্ষায় আক্রান্ত |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ |
| লোক মানসিক রোগী | প্রাপ্তবয়স্কদের ১৬ শতাংশ মানসিক রোগী | জরিফের ফলাফলে বলা হচ্ছে ১৯ শতাংশ নারী এবং ১৩ শতাংশ পুরুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ম, ৬ষ্ঠ, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ৮ম |
| ৭ম ও ৮ম পুরুষ শিক্ষিত কয়টি পরিবার | পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৫টি পরিবার | ৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ১৩টি পরিবার ও ৬ষ্ঠ পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৩৭টি পাওয়া |
| গেছে এবং ৫ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার মাত্র ৪৯টি পাওয়া গেছে |
| বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ-এর প্রথম নির্বািচত | বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজের প্রথম নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের প্রথম নির্বাচনে (১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে) প্রথম নির্বািচত ভি.পি. |
| ছাত্র-সংগঠনের ভি.পি. কে | হলেন এ. কে. এম. মুসা | মুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম মহিলা | দুর্গারামপুর গ্রামের শিল্পপতি জনাব আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ আলম) সাহেবের মায়ের নামে (মোসাম্মৎ উল্মে |
| মহাবিদ্যালয়টি কার নামে হবে | কুলসুম মহিলা মহাবিদ্যালয়)টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নদী ও নদীদ্বারা | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পূর্ব-উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ সীমানা তিতাস নদীদ্বারা বেষ্টিত এবং মেঘনা নদীদ্বারা এ থানার পশ্চিম-উত্তর |
| সীমারেখা | ও পশ্চিম দিক পর্যন্ত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামে ভাটরাজারা বাস করতো | নান্দরা গ্রামের উঁচু ভূমিতে ভাটরাজারা বাস করতো |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | আকানগর, বলদাখাল পরগনার জমিদার আকা সাদেকের নামে আকানগর গ্রামের নামকরণ করা হয় | আকা সাদেক তুর্কি মুসলমান ছিলেন | আকা সাদেক |
| প্রথম গ্রাম কোনটি | বলদাখাল বা বরদাখাত পরগনার জমিদার ছিলেন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল, নবীনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল, মুরাদনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল |
| এবং দেবীদ্বার উপজেলার আংশিক নিয়ে বলদাখাল পরগনা গঠিত ছিল | এ পরগনার আয়তন হলো ৩৮৬ বর্গমাইল | আকা সাদেক হলো আকা বাকেরের |
| নাতির ঘরের ছেলে | আকা বাকেরের নামে নিজে ঢাকাতে বাকরখানী রুটির নাম প্রবর্তন করেন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | ভেলানগর, মির্যা ইব্রাহিম বেগ ওরফে মির্যা ভেলার নামে ভেলানগর গ্রামের নামকরণ করা হয় | মির্যা ভেলা হলো আকা সাদেকের বড় পুত্র | মির্যা |
| দ্বিতীয় গ্রাম কোনটি | ভেলাও বলদাখাল পরগনার জমিদার ছিলেন | মির্যা ভেলা হলেন আকা বাকেরের নাতির ঘরের নাতি | মির্যা ভেলার নাতিনের ঘরের নাতিন জামাই হলেন |
| শের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ সরওয়ার্দী | শের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ সরওয়ার্দীর শ্যালক ড. সৈয়দ হোসেন | ড. |
| সৈয়দ হোসেন হলো ভারতবর্ষের এক সময়ের দৈনিক ইংরেজী পত্রিকার প্রখ্যাত সাংবাদিক | ড. সৈয়দ হোসেন-এর আরেকটি পরিচয় হলো পন্ডিত মতিলাল |
| নেহরুর মেয়ে বিজয় লক্ষী পন্ডিতকে বিয়ে করেছিলেন ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে এলাহাবাদ শহরে মুসলমান শরীয়তমতে ৫ জন স্বাক্ষীর মাধ্যমে মাওলানা শওকত |
| আলীর নেতৃত্বে | এ বিজয় লক্ষী পন্ডিত(এর জন্ম-১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে) হলেন পন্ডিত জওহরলাল নেহরুর বোন | ড. সৈয়দ হোসেন |
| মিসেস ইন্দিরা গান্ধীর ঢাকাইয়া ফুফা ছিলেন | ড. সৈয়দ হোসেন-এর জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, কায়রোতে মৃত্যু-১৯৪৯ বা ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে | কায়রোতে |
| ড. সৈয়দ হোসেন স্বাধীন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রদূত ছিলেন |
| তৃতীয় গ্রাম কোনটি | দরিভেলানগর |
| ৪র্থ গ্রাম কোনটি | মধ্যনগর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে লম্বা | ফরদাবাদ গ্রামটি | দৈর্ঘ প্রায় ৪(চার) মাইল | ফরদাবাদ গ্রামটি উত্তর দিকে গকুলনগর গ্রামের সাথে এবং দক্ষিণমূখী হয়ে |
| গ্রাম কোনটি | গ্রামটি আবার তিতাস নদীর পাড় ঘেসে পশ্চিমদিকে জুনারচর গ্রামের সাথে মিলেছে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে কম লম্বা গ্রাম | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম |
| কোনটি | পাশ্র্বের ''মঙ্গলকান্দি'' গ্রামটি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশী লোক কোন গ্রামে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)-এর জানামতে রূপসদী গ্রামে প্রায় ১৭,০০০(সতের হাজার) লোক বাস |
| বাস | করে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে কম লোক | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের |
| কোন গ্রামে বাস | ''মঙ্গলকান্দি'' গ্রামে কম লোক বাস করে | প্রায় ১৫০(একশত পঞ্চাশ) জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামে সবচেয়ে | প্রায় ৩২টি মসজিদ আছে ফরদাবাদ গ্রামে | এ তথ্য ২৬-১২-২০০৭ তারিখ | ১২-১০-২০১২ তারিখের তথ্য হল ৪০টি মসজিদ |
| বেশি মসজিদ | আছে-আবদুল হামিদ |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে বড় বিলটির অবস্থান | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের সুবিশাল বারিয়াদরের বিল |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে ছোট বিলটির অবস্থান | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি গ্রামের ইমামনগরের আড়াইল্যার বিলটি সবচেয়ে ছোট বিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে |
| বিলটির আয়তন ১০ বিঘা |
| উপজেলার প্রথম মাষ্টার মুসলমানের মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের কাজী লাল মিঞা মাষ্টার | উনার জন্ম-১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| উপজেলার দ্বিতীয় মাষ্টার মুসলমানের মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিম মাষ্টার | উনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| উপজেলার মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিত | উনার জন্ম-১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | ঢাকার নবাব বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করেছে এবং নিজের |
| পন্ডিত ছিলেন | চোখে সিপাই বিপস্নব দেখেছে বলেছে, জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বাবা জনাব এমদাদ আলী মিঞার নিকট | এমদাদ আলীর জন্ম-১৮৭১ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম দলিল লেখক | দুর্গারামপুর গ্রামের মুন্সি মোঃ আমিনুদ্দিন | উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯... | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের |
| আরো একজন হলেন মুন্সি হাসান আলী |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের মরহুম নওয়াব আলী মৌলভী সাহেবের বড় ছেলে মরহুম কাজী মধু মিঞা-১৯২০ সাল থেকে কাজী হিসেবে |
| কাজী (বিবাহ-নিবন্ধনকরণ) | ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার ছিলেন | উনার জন্ম-১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯... | মায়ারামপুর গ্রামের কাজী মাওলানা মোঃ সিরাজুল ইসলাম, |
| ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সরকারী কাজী হিসেবে ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার ছিলেন |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম দোকানদার | উজানচর বাজারে উজানচর গ্রামের মোহাম্মদ কামালউদ্দিন খাঁ, ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দোকান দেন | উনার জন্ম-১৮৮৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫০ খ্রিঃ |
| এ | এ থানার মুসলমানের মধ্যে দ্বিতীয় দোকানদার | বালুয়াকান্দি বাজারে ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ওয়ালী সওদাগর, ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দোকান দেন | উনার জন্ম-১৮৯৮ |
| খ্রি. মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| বালুয়াকান্দি বাজারের মধ্যে প্রথম | রূপসদী খানেপাড়ার স্বর্গীয় রাধাচরণ সাহা | উনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে, পরলোগমণ-১২-০১-১৯৭৪ |
| দোকানদার |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম শহরবাসী | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন | উনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে (কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে |
| স্ত্রী, এক মেয়ে ও ছেলে রেখে) |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে | মুন্সেফ নাসির-উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে | নাসির-উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে শমসের উদ-দীন |
| দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল | মুনশি | উনার জন্ম-১৭৫৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | শমসের উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে ফসিহ উদ-দীন মিঞা | উনার জন্ম-১৭৮৮ |
| কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | ফসিহ উদ-দীন মিঞার বড় ছেলে গোলাম রসুল মিঞা | উনার জন্ম-১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৩ খ্রিষ্টাবে |
| পরিবারটি ৮ম পুরুষ শিক্ষিত | গোলাম রসুল মিঞার বড় ছেলে আবদুল গফুর মিঞা | উনার জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে | উনার ছোট ভাই ইমদাদ আলী মিঞা | উনার জন্ম-১৮৭১ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে | ইমদাদ আলী মিঞা হলো-জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার পিতা | ইমদাদ আলী মিঞার ছেলে |
| আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ মারা গেছেন বাধ্যর্কজণিক কারণে শমরিতা হাসপাতালে ২৪-০২-২০১৬ |