| ২০১৩ সালে জাতীয় গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পায় বাংলাদেশের ৫৬৬ ভাগের এক ভাগ পরীক্ষার্থী মানে ২,৩০২ জন | ২,৩০২ জন |
| পরীক্ষার্থী |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতজন | ১১,৬৯,২০৪ জন |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী | ০.৬৯ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী |
| ২০১৩ সালে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাসের গড়ে বাংলাদেশের ৫৬৬ ভাগের এক ভাগ বাঞ্ছারামপুরবাসী পাইলে হইত ২,০৬৬ | ২,০৬৬ জন ছাত্র-ছাত্রী |
| জন |
| ২০১৩ সালে এস.এস.সি. পাসের গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পেয়েছে বাংলাদেশের ৭১৫ ভাগের এক ভাগ | ১,৬৩৬ জন ছাত্র-ছাত্রী |
| ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন | ১,৮২২ জন |
| ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন | ২৩৩ জন |
| ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কারিগরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন | ২৪০ জন =২,২৯৫ জন |
| ২০১৪ সালে এস.এস.সি. পাস=১৩৬৮ জন + দাখিল পাস=২০৫ জন + কারিগরি পাস=২০২ জন=১,৭৭৫ জন পাস করেছে | =১,৭৭৫ জন |
| বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতজন ছেলে-মেয়ে ইন্টারমেডিয়েট ও সমমান পড়ালেখা করে | ১৫০০ জন |
| বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ ছেলে-মেয়ে কলেজ ও সমমান-এ পড়ালেখা করে | শতকরা ০.৪৩ ভাগ |
| বাংলাদেশে ২০১৩ সালে ১১,০০,০০০ লক্ষ ছেলে-মেয়ে কলেজ ও সমমানে লেখাপড়া করে | শতকরা ০.৬৫ ভাগ |
| বাংলাদেশের হারে পাস করলে বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ ছেলে-মেয়ে কলেজ ও সমমান-এ পড়ালেখা করতো | ২,২৬৩ জন |
| ২০১৪ সালে বাংলাদেশের হারে লেখাপড়া করলে ইন্টারমেডিয়েট ও সমমান-এ কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করত | শতকরা ০.৬৫ ভাগ |
| বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়ালেখা করে | ৯০০ জন |
| বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়ালেখা করে | ০.৩০ ভাগ |
| বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রথম বর্ষে ৬,০০,০০০(ছয় লক্ষ) ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় লেখাপড়া করে | শতকরা ০.৩৫ ভাগ |
| বাংলাদেশের হারে বাঞ্ছারামপুরবাসী কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়ালেখা করতো | ১,২৩৫ জন বা ০.৩৫ ভাগ |
| ২০১৪ সালে ১০টি বোর্ডে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে | ১৪,২৬,০০০ জন |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুরে বাস করে-৩,০০,০০০ জন বা বাংলাদেশের ৫৬৬ ভাগের এক ভাগ লোক, সে হিসেবে হলে গড়ে | ২,৫১৯ জন পরীক্ষার্থী হওয়ার কথা ছিল |
| ২০১৪ সালের এস.এস.সি. পরীক্ষায় কতজন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণ | ১,৮২৭ জন |
| ২০১৪ সালে এস.এস.সি. মাদ্রিাসা বোর্ডে অংশগ্রহণ করেছে | ২৩৪ জন |
| ২০১৪ সালে এস.এস.সি. ও মাদ্রাসা বোর্ড থেকে পরীক্ষায় মোট কতজন অংশগ্রহণ করেছে | =২,০৬১ জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এন্ট্রান্স, | ৩১,৫৭৭(একত্রিশ হাজার পাঁচশত সাতাত্তর) জন | বর্তমানে এন্ট্রান্স পাশ করা লোক একজনও আমাদের উপজেলায় |
| ম্যাট্রিকুলেশন ও এস.এস.সি. পাশের সংখ্যা কত | বেঁচে নেই | ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এন্ট্রান্স পরীক্ষা ছিল, ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা শুরু |
| এবং শেষ হয় ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে তারপর ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এস.এসসি. পরীক্ষা শুরু হয়... |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ ম্যাট্রিক ও এস.এস-সি. পাস | শতকরা ০৯ ভাগ মানুষ |
| ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এইচ.এস.সি. ও সমমান পাশের সংখ্যা | ১৫,০০০(পনের হাজার) জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ এইচ.এস-সি. ও সমমান পাস | শতকরা ৫ ভাগ মানুষ |
| ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বি.এ., বি.এস-সি., বি.কম. ও সমমান-এর সংখ্যা কত | ৮,০৩৫(আট হাজার পঁয়ত্রিশ) জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ বি.এ., বি.এস-সি., বি.কম. বিবিএ ও সমমান পাস | শতকরা ২.৬৮ ভাগ মানুষ |
| ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এম.এ., এম.এস-সি., এম.কম., এমবিএ. ও সমমান-এর সংখ্যা কত | ২,৯৬৭(দুই হাজার নয়শত সাষট্রি) জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ এম.এ., এম.এস-সি., এম.কম. এমবিএ ও সমমান পাস | শতকরা ০.৯৯ ভাগ মানুষ |
| ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে (জীবিত ও মৃতসহ) অফিসারের সংখ্যা কত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে প্রায় ৩,৫০০(তিন হাজার পাঁচশত) ১ম এবং |
| দ্বিতীয় শ্রেণীর অফিসার আছে | শহর ও গ্রামসহ জীবিত এবং মৃতসহ একমাত্র ভেলানগর গ্রামের অফিসারের |
| সংখ্যা হলো-১৫০ জন |
| ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতজন লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম, শহর এবং বিদেশসহ প্রায় ১০,৯৫০(দশ হাজার নয়শত পঞ্চাশ) |
| দোকানধারী ব্যবসার সাথে জড়িত | জন লোক দোকানধারী ব্যবসার সাথে জড়িত |
| ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতজন লোক ব্যবসা | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম, শহর এবং বিদেশসহ প্রায় ৭,০১১(সাত হাজার এগার) জন |
| করে | ব্যবসার সাথে জড়িত |
| ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতজন লোক চাকরি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম, শহর এবং বিদেশসহ প্রায় ৫০(পঁঞ্চাশ) হাজার লোক |
| করে | চাকরির সাথে জড়িত |
| ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ কৃষির সাথে জড়িত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের প্রায় ৩০ ভাগ লোক কৃষির সাথে জড়িত |
| ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ লোক কৃষির উপর | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের প্রায় ৪০ ভাগ লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল |
| নির্ভরশীল |
| নিজ জমির ফসল খায় | ২৫ ভাগ লোক সারা বছর |
| নিজ জমির ফসল খায় | ২০ ভাগ লোক তিন থেকে ছয় মাস |
| নিজ জমির ফসল খায় না | ৪৫ ভাগ লোক |
| ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের প্রায় ৮০ ভাগ লোক ভূমিহীন |
| ভূমিহীন |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত মাথাপিছু | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বসবাস করে তাঁদের মাথাপিছু আয় হবে-৪৫০ ডলার | বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় |
| আয় কত | হলো-১৩১৬ ডলার |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ জমি সেচের | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ জমি সেচের আওতায় আসে |
| আওতায় আসে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ জমি ট্রাক্টর | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ জমি ট্রাক্টর দ্বারা চাষ করা হয় |
| দ্বারা চাষ হয় |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের কর্মক্ষম বেকার ১৮ বছর বয়স থেকে-৩০ ভাগ লোক | মোট |
| বেকার | সংখ্যা-৬০,০০০ জন |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক বিদ্যুৎ সুবিধা | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৫০ ভাগ লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পায় |
| পেয়েছে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক চাকরির উপর নির্ভরশীল | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ২৫ ভাগ লোক চাকরির উপর নির্ভরশীল |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক ব্যবসার উপর নির্ভরশীল | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ২০ ভাগ লোক ব্যবসার উপর নির্ভরশীল |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক বিদেশী টাকার উপর | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ২০ ভাগ লোক বিদেশী টাকার উপর |
| নির্ভরশীল | নির্ভরশীল |
| বাঞ্ছারামপুর থানার কতজন লোক বিশ শতকের পূর্বে শহরে লেখাপড়া করতে | বাঞ্ছারামপুর থানার প্রতিটি গ্রামে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে যে, বিশ শতকের পূর্বে এ |
| যায় | থানার বাহিরে লেখাপড়া করতে যায় প্রায় ২০১(দুইশত এক) জন ব্যক্তি |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ মহিলা জন্ম-নিয়ন্ত্রণ মেনে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৮০ ভাগ মহিলা জন্ম-নিয়ন্ত্রণ মেনে |
| চলে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ২৫ ভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান |
| বাসস্থান | আছে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৫৫ ভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট |
| আছে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ লোক স্বাস্থ্যসম্মত পানি পান করে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৭০ ভাগ লোক স্বাস্থ্যসম্মত পানি পান |
| করে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ লোক রাতকানা রোগে ভোগে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৬ ভাগ লোক রাতকানা রোগে ভোগে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ লোক নেশাগ্রস্থ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৫ ভাগ লোক নেশাগ্রস্থ |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা বসবাস করে তাঁদেরসহ ১০ ভাগ লোক |
| হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত | হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোক ক্যান্সার-এ আক্রান্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ ১ ভাগ লোক |
| ক্যান্সার-এ আক্রান্ত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ কিডনী রোগী বিনা | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ ৯৫ ভাগ কিডনী রোগী |
| চিকিৎসায় মারা যান | বিনা চিকিৎসায় মারা যান |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোক থ্যালাসেমিয়া | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ প্রায় ৭ ভাগ লোক |
| রোগের জিন বহন করছে | থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন বহন করছে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে প্রায়-৯০টি নামের বংশ পরিচিতি পাওয়া যায়:-যেমন-বড়বাড়ি, ভূইয়া বাড়ী, দেওয়ান |
| ১৩টি ইউনিয়নের | বাড়ী, খাঁ বাড়ী, শিকদার বাড়ী, কাজী বাড়ী, খন্দকার বাড়ী, চৌধুরী বাড়ী, মিয়া বাড়ী, মীর বাড়ী, হাঁজী বাড়ী, মাঝি বাড়ী, বেগ বাড়ী, |
| ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | মির্যা বাড়ী, গাঁজী বাড়ী, তালুকদার বাড়ী, মোল্লা বাড়ী, উকিল বাড়ী, মোক্তার বাড়ী, মাষ্টার বাড়ী, প্রফেসর বাড়ী, আমীন বাড়ী, সরকার |
| কয়টি বংশ পাওয়া যায় | বাড়ী, সৈয়দ বাড়ী, ব্যাপারী বাড়ী, মুন্সেফ বাড়ী, কালেক্টর বাড়ী, জজ বাড়ী, ডিপটি বাড়ী, কেরাণী বাড়ী, পেশকার বাড়ী, কাননগো বাড়ী, |
| হাবিলদার বাড়ী, মেম্বার বাড়ী, চেয়ারম্যান বাড়ী, প্রেসিযেন্ট বাড়ী, এম.পি'র বাড়ী, মন্ত্রীর বাড়ী, সাব-রেজিস্ট্রার বাড়ী, ঘোষ বাড়ী, সাহা |
| বাড়ী, যোগী বাড়ী, নাথ বাড়ী, কৈবর্ত বাড়ী, দাস বাড়ী, পাল বাড়ী, দত্ত বাড়ী, রায় বাড়ী, ঠাকুর বাড়ী, পোদ্দার বাড়ী, শীল বাড়ী, গোসাই |
| বাড়ী, তাঁতী বাড়ী, কামার বাড়ী, কুমার বাড়ী, মিস্ত্রী বাড়ী, মুঁচি বাড়ী, ঋৃষি বাড়ী, বাঁজাইন্না বাড়ী, নাগারইরর্সা বাড়ী, ওস্তা বাড়ী |
| (হাযম বাড়ী), সাব-বাড়ী, হাওলাদার বাড়ী, সৈনিক বাড়ী, সারেং বাড়ী, দারোগা বাড়ী, নায়েব বাড়ী, পন্ডিত বাড়ী, বকস বাড়ী, ডাক্তার বাড়ী, |
| কবিরাজ বাড়ী, ইঞ্জিনিয়ার বাড়ী, খলিফা বাড়ী, মুন্সিবাড়ী, মৌলভী বাড়ী, মোয়াজ্জিন বাড়ী, ইমাম বাড়ী, ফকির বাড়ী, পীর বাড়ী, দরবেশ বাড়ী, |
| ভূতের বাড়ী, জ্বীন বাড়ী, জমিদার বাড়ী, ওযা বাড়ী, আলগা বাড়ী, খোদাই বাড়ী, ওস্তাকার বাড়ী, সৈয়ল বাড়ী, সর্দার বাড়ী, চকিদার বাড়ী, |
| দফাদার বাড়ী, কসাই বাড়ী ইত্যাদি | এছাড়াও অসংখ্য নাম না জানা বংশ বা বাড়ী আছে বাঞ্ছারামপুর |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কতজন আছে প্রাইমারী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে ৩০,০০০(ত্রিশ হাজার) জন প্রাইমারী স্কুলের |
| স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী | ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কতজন মাদ্রাসা ও উচ্চ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে ১৭(সতের হাজার) জন মাদ্রাসা ও উচ্চ |
| বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী | বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কতজন ছাত্র-ছাত্রী কলেজ, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ কলেজ, |
| বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমান লেখাপড়া করে | বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমান-এ লেখাপড়া করে মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা হবে প্রায়-৪(চার) হাজার জন |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং শহরে যারা বসবাস করে তাঁদেরসহ |
| প্রাইমারী, মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার জন্য | প্রাইমারী, মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে পারে না শতকরা ৭৫ ভাগ লোকের ছেলে-মেয়ে |
| যেতে পারে না |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ কলেজ, |
| কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-এ যেতে পারে না | বিশ্ববিদ্যালয়-এ লেখাপড়া করতে পারে না শতকরা ৮০ ভাগ লোকের ছেলে-মেয়ে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের এবং | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে গ্রামে এবং বিদেশ ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা |
| বিদেশ ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা কত | হলো ৮০(আশি হাজার)টি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে পরিবারের সংখ্যা হলো ৬০(ষাট হাজার) |
| উপজেলার কয়টি পরিবার শহর ও বিদেশে বাস করে | ২০(বিশ হাজার)টি পরিবার বাস করে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টি কৃষক পরিবার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে ২০(বিশ হাজার) কৃষক পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টি নির্মাণ শ্রমিক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ২,০০০(দুই হাজার) নির্মাণ শ্রমিক পরিবার |
| পরিবার আছে | আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টি রিকসা শ্রমিক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে ২,০০০(দুই হাজার) রিকসা, সিএনজি,অটো ও |
| পরিবার আছে | মাইক্রো শ্রমিক পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টি মৎস্যজীবি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে ১,০০০(এক হাজার) মৎস্যজীবি পরিবার আছে |
| পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টি চাকরিজীবি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ ২৫(পঁচিশ) হাজার চাকরিজীবি |
| পরিবার আছে | পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টি ব্যবসায়ী পরিবার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ ১০(দশ) হাজার ব্যবসায়ী পরিবার |
| আছে | আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টি পরিবার বিদেশী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ১৪,৫৬০(চৌদ্দ হাজার পাঁচশত ষাট)টি পরিবার |
| টাকার উপর নির্ভরশীল | বিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল আছে |