২০০৪ সালের ৮ ডিসেম্বর, আবদুল গাফফার মাহমুদ: শীর্ঘর শুরু হবে এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে'র নির্মাণ কাজ। রাজধানীর চারদিকে নৌপথ: জানুয়ারিতে চালূ হচ্ছে সদরঘাট থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নৌপথ। এ প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হবার পথে। এর পরই শুরু হবে আশুলিয়া থেকে টঙ্গী হয়ে ডেমরা পর্যন্ত নৌপথ নির্মােণর কাজ। একই সঙ্গে শুরু হবার কথা ইস্টার্ণ বাইপাস নির্মােণর কাজও। রাজধানীর অভ্যন্তরে এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে নির্মােণর কাজও শীঘ্র শুরু হচ্ছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ প্রকল্পের টাকাগুলো লুটপাট করেছে।
২০০৪ সালের ১১ ডিসেম্বর, জাকারিয়া কাজল: রাজধানীর ক্রমবর্ধমান যানজট নিরসনে এলিভেটেড রোডওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলতি অর্থবছরেই শুরু হচ্ছে।
২০০৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার যানজট নিরসনে স্কাই রেল চালুর মার্কিন প্রস্তাব। একশ কোটি ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী এটিএসসি (আমেরিকা ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম কর্পোেরশন)। প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা-নারায়নগঞ্জ-জয়দেবপুর-সাভারকে ঘিরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ স্কাই রেল স্থাপনে ঢাকা সিটি কপোের্রশনকে প্রস্তাব দিয়েছে।
২০০৬ সালের ১৬ মার্চ, লাকসাম থেকে তোফায়েল আহমেদ: লাকসাম-নোয়াখালী রেল রুটে ড্রাইভিং করছেন দেশের প্রথম মহিলা ট্রেন ড্রাইভার সালমা খাতুন। বয়স-২৪ বছর।
২০০৬ সালের ২২ মার্চ, বাসস, ইউএনবি ও বিবিসি: শিয়ালদহ-জয়দেবপুর ও আগরতলা আখাউড়া ট্রেন চলাচলে মতৈক্য। খালেদা-মনমোহন বৈঠকে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত। সুসম্পর্কের মাধ্যমে দু'দেশই লাভবান হবে: খালেদা, শক্তিশালী বাংলাদেশ দেখতে চাই: মনমোহন।
২০০৭ সালের ৮ জুলাই, কলকাতা থেকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে মৈত্রী ট্রেন এখন ঢাকায়: সরাসরি চলাচলে আজ দু'দেশের চূড়ান্ত বৈঠক। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ভারত-পূর্ব পাকিস্তান ট্রেন চলাচল করত। দীর্ঘ ৪২ বছর পর আবার দু'দেশের মধ্যে 'মৈত্রী এক্সপ্রেস' নামে সরাসরি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে।
২০০৭ সালের ৩০ জুলাই, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ-ভারত যাত্রীবাহী ট্রেন যোগাযোগ-দীর্ঘ ৪২ বছর পর ঢাকা থেকে কোলকাতায় গেল ট্রেন। ১৯৬৫ সালের পর এ প্রথম বাংলাদেশের কোন ট্রেন ঢাকা থেকে সরাসরি কোলকাতায় গেল।
২০০৭ সালের ১১ আগষ্ট, সালাহউদ্দীন বাবলু: এবার ঢাকার ট্রেন দিল্লী যাবে। পর্যায়ক্রমে পাকিস্তান, ইরান, সউদী আরব, তুরস্কসহ গোটা ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাথে বাংলাদেশের সামগ্রিক সম্পর্কেক এক নতুন ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।
২০০৮ সালের ১৫ জানুয়ারি, ঢাকা শহরের ২০ বছরের পরিবহন পরিকল্পনা নীতিগতভাবে অনুমোদনঃ পরিকল্পনায় পাতাল রেল ও বিআরটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১,৭০০ কোটি টাকা।
২০০৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশে রেলপথের দৈর্ঘয ২,৭৩৩.৫১ কিলোমিটার। এরমধ্যে মিটারগেজ রেলপথের দৈর্ঘয ১,৮৩২.৪২ কিলোমিটার এবং ব্রডগেজ রেলপথের দৈর্ঘয ৯০১.০৯ কিলোমিটার। যমুনা নদীর পূর্বাংশে চালুকৃত রেলপথ হলো মিটারগেজ এবং খুলনা-রাজশাহী বিভাগের রেলপথ হলো ব্রডগেজ। বছরে রেলপথে কতজন যাত্রী চলাচল করে ৩ কোটি ৭১ লাখ। ট্রেনের সংখ্যা-১৩৭টি।
২০০৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশে রাস্তার পরিমাণ ১,৭৮,৮৫৯ কিলোমিটার। এরমধ্যে পাকা রাস্তার পরিমাণ ১১,৩৯৩ কিলোমিটার।
২০০৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশে মোট নৌপথের পরিমাণ ৮,৪০০ কিলোমিটার, বারোমাস ৫,৪০০ কিলোমিটার এবং বর্ষাকালে ৩০,০০০ কিলোমিটার।
২০০৮ সালের ১ মার্চ, অমর সাহা, কলকাতা: জেনারেল মইনের আশাবাদ দুই মাসের মধ্যে ঢাকা কলকাতা যাত্রীবাহী ট্রেন চলবে।
২০০৮ সালের ১২ মার্চ, ভারতীয় রেলমন্ত্রীর ঘোষণা। নয়াদিল্লী প্রতিনিধি: ঢাকা-কলকাতা ট্রেন চলাচল শুরু হবে পয়লা বৈশাক। প্রসঙ্গত, ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের পর থেকে দুই বাংলার মধ্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৯ সাল থেকে ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে সরাসরি বাস চলাচল চালু রয়েছে।
২০০৮ সালের ৯ এপ্রিল, ঢাকা-কলণকাতা ট্রেন চলবে ১ বৈশাখ। ঢাকা থেকে কলকাতা পর্যন্ত রেললাইনের দূরত্ব হবে ৫৩৮ কিলোমিটার। এরমধ্যে বাংলাদেশ অংশে ৪১৮ কিলোমিটার। আর ভারতের অংশে ১২০ কিলোমিটার। সময় লাগবে ১৩ ঘন্টা। এর মধ্যে দর্শনায় ৫ ঘন্টা যাবে অভিবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে। এ ট্রেনে শ্রেণীভেদে ভাড়া হবে ২০, ১২ ও ৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল, নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও কলকাতা প্রতিনিধি: মৈত্রীর জয়গান নিয়ে আজ 'মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন' যাচ্ছে কলকাতায়। 'মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন' ৪৯৮ জন যাত্রী নিয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস সকাল সাড়ে আটটায় ঢাকা ছেড়ে যাবে এবং কলকাতায় পোঁছবে ভারতীয় সময় রাত নয়টায়। অনুরূপভাবে একটি ভারতীয় ট্রেন কলকাতা থেকে সকাল সাতটা ১০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসবে এবং ঢাকা পৌঁছবে রাত সাড়ে আটটায়।
২০০৮ সালের ৪ জুলাই, রেলওয়ের হিসাব অনুযায়ী-১৯৬৯-৭০ সালে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ মিলে এ দেশে রেলপথ ছিল প্রায় দুই হাজার ৮৫৮ কিলোমিটার। বর্তমানে রেলপথের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দুইহাজার ৮৩৫ কিলোমিটার। আবার এ পথেরও অনেক স্থানে শুধু লাইন পড়ে আছে, ট্রেন চলে না।
২০০৯ সালের ১৯ জুন, প্রথম আলো: রাজধানীর ছয়টি ব্যস্ত রেলক্রসিংয়ে নির্মিত হবে ওভারপাস।
২০০৯ সালের ১৯ আগষ্ট, প্রথম আলো: 'রাজধানী ঢাকার জনপরিবহন সমস্যার সমাধান ও শহরকে যানজটমুক্ত করার লক্ষ্যে ভূগর্ভস্থ রেললাইন নির্মাণ, আকাশ রেল অথবা সার্কুলার রেলপথ এবং রাজধানীকে ঘিরে নাব্য ও প্রশস্ত নৌপথ নির্মাণ করা হবে।' প্রকল্প হয়, কথা হয়, কাজ হয় না।
২০০৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার খবর: বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির যাত্রীবাহী ট্রেন চালু করেছে চীন। ঘন্টায় সাড়ে তিনশ কিলোমিটার। ১০ ঘন্টার পথ পাড়ি দিয়েছে মাত্র তিন ঘন্টায়।
২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে রেলওয়েতে আন্তদেশীয় ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেসসহ মোট ৭২টি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করছে। বেসরকারিভাবে পরিচালিত ট্রেনের সংখ্যা ৬৩টি। মোট ট্রেনের সংখ্যা-১৩৫।
২০১০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বাংলাদেশে প্রায় দুই হাজার ৭৬৮ কিলোমিটার রেলপথে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের জন্য ৪৩৫টি স্টেশন রয়েছে। স্টেশনমাষ্টারের পদ রয়েছে এক হাজার ১৪৪টি পদ। অবসর ও মৃত্যুজনিত কারণে স্টেশনমাষ্টারের ৪২৮ পদ শূন্য হয়েছে। প্রতিদিন ১৫৭টি ট্রেন চলাচল করে।
২০১০ সালের ১৪ মার্চ, প্রথম আলো: ৬,৭০০(ছয় হাজার সাতশত) কোটি টাকার সঠিক ব্যবহার হচ্ছেনা। প্রকল্পে ঘুরপাক খাচ্ছে রেল। লোকবল সংকটে ৩৮৭ স্টেশনের ১০৬টিই বন্ধ।
২০১০ সালের ৩১ মে, প্রথম আলো: রেলওয়ের হিসাব অনুয়ায়ী, ১৯৬৯-১৯৭০ অর্থবছরে রেলওয়েতে যাত্রী পরিবহন হয়েছিল সাত কোটি ২৮ লাখ জন এবং মালামাল পরিবহন হয়েছিল প্রায় ৪৯ লাখ মেট্রিক টন। কিন্তু দেশের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হলেও ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে রেলওয়ে যাত্রী পরিবহন করে সাড়ে ছয় কোটি জন এবং মালামাল পরিবহন করে ৩০ লাখ টন।
২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪২ জেলায় রেল যোগাযোগ আছে। বাকী ২২ জেলাতে রেল যোগাযোগ নেই। সরকার আরও ৭ জেলা রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে।
২০১১ সালের ২২ আগষ্ট, প্রথম আলো: বর্তমান সরকারের আড়াই বছরে সারা দেশে রেলওয়ের ৮৪টি স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে। এ নিয়ে বন্ধ রেলস্টেশনের সংখ্যা ১২৫। সারা দেশে মোট স্টেশন ছিল ৩২৯টি। লোকবলের অভাবে এখন এক-তৃতীয়াংশের বেশি স্টেশন বন্ধ। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রেলের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের কথা বলা হলেও তা করা হয়নি। ঈদ উপলক্ষে বাড়তি চাপ নিতে প্রস্ত্তত নয় রেল।
২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: তৈরি হচ্ছে নতুন মাস্টার পস্নান। খসড়া তৈরিরর কাজ করছে। পরিকল্পনা কমিশন-এটি ২০ বছরে চারটি পষ্ণবার্ষিক স্তরে ভাগ করে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জনকন্ঠকে জানিয়েছেন কমিশনের সংশিস্নষ্ট উইং এর দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা।
২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: উড়ালসড়ক নয়, দরকার রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন-মতবিনিময় সভা।
২০১২ সালের ১৫ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: রেলের ৬২ হাজার একর জমি ভূমিদস্যূদের দখলমুক্ত করা হবে-কমলাপুরে নতুন ট্রেন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সুরঞ্জিত সেন।
২০০৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: গত তিন বছরে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমে ব্যাপক অগ্রগতি। সর্বোচ্চ বিনিয়োগ: কর্মসংস্থান হয়েছে ১৬ লাখ মানুষের। ফাঁকা কথা।
২০০৪ সালের ২১ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ২০১৫ সালের মধ্যে পরিচ্ছন্ন ঢাকা, সবুজ ঢাকা গড়ে তুলতে মহানগরীর বর্জয ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে ৩ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকার বর্জয ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের প্রস্তাব। এ কাজও ব্যর্থ প্রমাণিত হবে।
২০০৫ সালের ৪ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: ৪ হাজারের বেশী গাড়ী জমা দেয়নি ৩৫ মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষে গাড়ী ফেরত না দেয়ার মন্ত্রণালয়গুলোর তালিকা ও গাড়ীর সংখ্যা দুর্নীিত দমন কমিশনকে জানানো হয়েছে।
২০০৫ সালের ৮ জানুয়ারি, বাংলাদেশে ১.৪(এক লাখ চল্লিশ হাজার) ওষুধের দোকানের কোন লাইসেন্স নেই।
২০০৫ সালের ১২ জানুয়ারি, রয়টার্স: এতদিন ধারণা করা হত যে, বেশী ঘুমালে শরীরে চর্বি বাড়ে, মানুষ মোটা হয়ে যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বেশী ঘুমালে মানুষ মোটা হয় না।
২০০৫ সালের ১৯ জানুয়ারি, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: বাংলাদেশ-ভারত আলোচনা ব্যর্থ। তিস্তার পানি ব্রহ্মপুত্র দিয়ে আসামে ও গঙ্গা দিয়ে মালদায় নেয়া হচ্ছে।
২০০৫ সালের ২০ জানুয়ারি, আরব নিউজ: শেখ আবদুল আজিজ আল শেখ, এ বছর হজ পালন করেছে ৩০ লাখেরও বেশী লোক। স্মরণকালের সবচেয়ে বেশী হাজী এসেছেন এবারের হজে।
২০০৫ সালের ২০ জানুয়ারি, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইলে দেশের ২৪তম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছে।
২০০৫ সালের ২০ জানুয়ারি, সালাহউদ্দীন বাবলু: ২০১৫ সালের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপিতে) শিল্প খাতের অবদান ৩৫ শতাংশ এবং এ খাতে মোট কর্মরত জনশক্তির হারও ৩৫ শতাংশে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে গতকাল সংশোধিত 'শিল্পনীতি-২০০৫' ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা ৬৩ ভাগ এখনো কৃষিক্ষেত্রে কাজ করে।
২০০৫ সালের ২১ জানুয়ারি, খুলনা ব্যুরো: অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, সাতক্ষীরায় কুকুরে কামড়ানোর ১ মাস ৭ দিন পর ৪ সন্তানের এক জননী ২১টি কুকুরের বাচ্চা প্রসব করায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরা সদরের আলিপুর গ্রামের ঢালিপাড়ায়।
২০০৫ সালের ২৯ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: তদন্তে ব্যর্থতাই এ ধরনের হামলাকে উৎসাহিত করেছে। ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর নেতৃত্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৮-রাষ্ট্রদূত কিবরিয়ার বাসভবনে।
২০০৫ সালের ৩১ জানুয়ারি, সেলিম জাহিদ: ঢাকা চিড়িয়াখানার ইতিহাসে এ প্রথম বাচ্চা দিয়েছে বিলুপ্তপ্রায় শকুন। শকুনগুলির বয়স প্রায় ৪০ বছর। শকুন আবদ্ধ অবস্থায় বাঁচে ১০০ বছর।
২০০৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: দেশে অবৈধভাবে লক্ষাধিক ভারতীয়ের বসবাস। সরকারের আশঙ্কা: নাশকতার সাথে এদের কেউ কেউ জড়িত। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ধারণা, এ সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।
২০০৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, মোবায়েদুর রহমান: ১৯৯৩ ও ১৯৯৯-এর মত ভারত এবারও সার্ক নিয়ে পুতুল খেলা খেলেছে। ২০০৫ সালের ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি, ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বানচাল হয়ে গেল।
২০০৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, সংসদে পরিবহন শ্রমিক কল্যাণ তহবিল বিল-২০০৫ পাশ।
২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, সালাহউদ্দীন বাবলু: বাংলাদেশের জন্য এ চুক্তি দাসখত হয়ে দেখা দিতে পারে-বিতর্কিত টিফা'র খসড়া চূড়ান্ত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বহুল আলোচিত এবং বিতর্কিত বিশেষ ও অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি 'টিফা' (ট্রেড এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট)-এর খসড়া গতকাল প্রয়োজনীয় সংশোধনী ছাড়াই চূড়ান্ত হয়ে গেছে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, সেবা খাত ও বাজার এককভাবে দখল করার উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে এ চুক্তিটি করতে চেয়েছে ঠিক সেভাবেই তারা তা আদায়ে সমর্থ হয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশ তার স্বার্থ রক্ষায় চুক্তিতে যা রাখতে চেয়েছিল সেসবের একটিও মার্কিন পক্ষ গ্রহণ করেনি। তারপরও বাংলাদেশ পক্ষ প্রচন্ড চাপের মুখে কোন প্রাপ্তি ছাড়াই চুক্তিটির খসড়া অনুমোদনে বাধ্য হয়েছে।
২০০৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, দেশের প্রথম নিউজ ফটো এজেন্সি ফোকাস বাংলার জন্ম।
২০০৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, ইনকিলাব পত্রিকায় ইব্রাহীম বিন হারুন: ২৫তম বিসিএস-এর লিখিত পরীক্ষার পঞ্চম দিনে সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের ১০০-নম্বরের 'প্রাথমিক গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান' আবশ্যিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস।
২০০৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, প্রতিরক্ষা রিপোর্ট: গত ১৭ বছরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে নিহত হয়েছেন ৬২ জন বাংলাদেশী সৈনিক।
২০০৫ সালের ১ মার্চ, সংসদ রিপোর্টার: রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর কাছে ৪ ব্যাংকের পাওনা ১০,৬৫১(দশ হাজার ছয়শত একান্ন) কোটি টাকা। সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য প্রকাশ।
২০০৫ সালের ১৩ মার্চ, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: লাকসাম সফর স্থগিত: আশপাশের এলাকায় আতংক। প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্মীয়মাণ সভামঞ্চ থেকে ৯ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার।
২০০৫ সালের ১৫ মার্চ, স্টাফ রিপোর্টার: পুঁজিবিহীন বড় ব্যবসা রাজনীতি। গোলটেবিল বৈঠকে অভিমত। দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও নৈরাজ্যের জন্য সংবাদ মাধ্যমের একটি অংশ দায়ী।
২০০৫ সালের ১৭ মার্চ, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: নবীনগরে অভাবের তাড়নায় শিশু পুত্র বিক্রি। নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) উপজেলা সংবাদদাতা। অভাবের তাড়নায় মাতা-পিতা অবশেষে তাদের প্রাণাধিক প্রিয় তিন মাস বয়সী পুত্র সন্তানকে বিক্রি করে দিলেন। নবীনগর কলেজ পাড়ার এক বাড়িতে ১৪-০৩-২০০৫ সালের সোমবার দিন পটুয়াখালী জেলাধীন গলাচিপা উপজেলার হরিদেবপুর গ্রামের মৃত সূনাদী গাজীর পুত্র চার সন্তানের জনক দরিদ্র মান্নান গাজী-বয়স-৩৭, বড় সংসারের পোষণে ব্যর্থ হয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে পাড়ি জমায় অজানার উদ্দেশ্যে। এক পর্যােয় গত রবিবার নবীনগর এসে পৌঁছে। খাদ্যের অভাব সহ্য করতে না পেরে নিরুপায় হয়ে শিশু পুত্র শাহজালালকে বিক্রি করার জন্য ক্রেতা খুঁজতে থাকে। ১৬-০৩-২০০৫ তারিখ সোমবার দুপুরে নবীনগর পশ্চিমপাড়ার নিঃসন্তান ফারুক আহমেদের কাছে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে শিশু শাহজালালকে ৪(চার) হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়া হয়।
২০০৬ সালের ১০ জানুয়ারি, সিলেট ব্যুরো: দরিদ্র এক মা অভাবের তাড়নায় তার দেড় বছরের শিশু কন্যাকে মাত্র এক হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন।
২০০৯ সালের ৫ এপ্রিল, প্রথম আলো: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার তেলিরচালায় ০৪-০৪-২০০৯ তারিখ শনিবার সকালে আতুরী বেগম নামের এক নারী অভাবের তাড়নায় তাঁর দেড় বছরের শিশুকন্যাকে মাত্র ৬০০/- টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন। শিশুটি কিনে নিয়েছেন তেলিরচালা গ্রামের রিকসা গ্যারেজের মালিক মোঃ আইনাল হক। ৪০ টাকার স্ট্যাম্পে শিশুটিকে ক্রয়ের দলিল করা হয়েছে। পরে আতুরী বেগম দিনাজপুর জেলায় তাঁর গ্রামের বাড়িতে চলে যান।