২০০৫ সালের ১ জানুয়ারি, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: গত বছর দেশে পৌনে চার হাজার হত্যাকান্ড ঘটেছে।

২০০৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, প্রেস বিজ্ঞপ্তি: অধিকারের রিপোর্ট। জানুয়ারিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে নিহত ৫৮ জন এবং রাজনৈতিক হত্যাকান্ডে ৪১ জন নিহত।

২০০৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: ক্রসফায়ার মানবাধিকার পরিপন্থী-ইসি দূত। বাংলাদেশে ক্রসফায়ারের ঘটনাকে 'এক্সটা জুডিশিয়াল কিলিং' হিসেবে উল্লেখ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ক্রসফায়ারে ২০০-এর অধিক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে।

২০০৫ সালের ২৫ মার্চ, র্যাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীকাল। এক বছরে ৩,২৩৪ সন্ত্রাসী গ্রেফতার: নিহত ৭৭ জন। র্যাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ২৬ মার্চ-২০০৪-এ।

২০০৫ সালের ১২ মে'র প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট: 'ক্রসফায়ারে' নিহত-৩৮৫ জন। অধিকাংশ ঘটনার নির্বাহী তদন্তে বলা হয়েছে গুলিবর্ষণ সঠিক ছিল।

২০০৫ সালেল ১২ মে পর্যন্ত প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট: র্যাব ও পুলিশের 'ক্রসফায়ারে' সব হত্যার নির্বাহী তদন্ত হবে-রাজনৈতিক অজুহাতে ৭২ হাজার আসামি মুক্তির দিন গুনছে এখন ভিন্ন শুর।

২০০৫ সালের ১২ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকায় আবদুল গাফফার মাহমুদ: র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সারাদেশে ৯২৭ সন্ত্রাসীর তালিকা তৈরী করেছে। এ প্রোফাইলে প্রত্যেকের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।

২০০৫ সালের ১ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: দেশে গত ১১ মাসে ক্রসফায়ারে নিহত ৩৭৬ জন।-মানবাধিকার কমিশন।

২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: 'অধিকার'-এর প্রতিবেদন। গত বছর (২০০৫ সালে) হত্যাকান্ড ঘটেছে-৪,৫৪৫টি। রাজনৈতিক কারণে খুন ৩১০টি।

২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: গত বছর ৫৫ হাজার নারী নির্যাতনের শিকার। নিহত-৩,০৪৩ জন। আহত-২,৬৩৪ জন।

২০০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর, এপি, বিবিসি অনলাইন: মার্কিন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্ট: র্যাব ঘাতক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে! গত আড়াই বছরে র্যাব সন্ত্রাস দমনের নামে মোট ৩৬৭ জনকে বিনাবিচারে হত্যা করেছে।

২০০৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, নিজস্ব প্রতিবেদক-অধিকারের প্রতিবেদনে তথ্যঃ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ১৩ মাসে ১৮৪ জনের মৃত্যু।

২০০৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বিলসের জরিপ প্রতিবেদন। গত বছর (২০০৭ সালে) কর্মেক্ষত্র-সংশিস্নষ্ট ঘটনায় নিহত হয় ৪৩৫ শ্রমিক এবং আহত হয়েছে ১,১৭৬ জন শ্রমিক।

২০০৯ সালের ২৯ মে, প্রথম আলো: অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন: ২০০৮ সালের প্রথম ছয় মাসে র্যাবের হাতে ৫৪ জন নিহত হয়েছে।

২০০৯ সালের ২১ আগষ্ট, প্রথম আলো: টেন্ডারবাজির নিয়ন্ত্রণ নিতেই খুনোখুনি হচ্ছে কুষ্টিয়ায়-রাজনৈতিক মদদ পাচ্ছে চরমপন্থী সন্ত্রাসীরা। কুষ্টিয়া ও ঈশ্বরদীতে তিন লাশ উদ্ধার।

২০০৯ সালের ২৬ আগষ্ট, প্রথম আলো: সাজানো জবানবন্দির পর জজ মিয়াকে নিয়ে আদালতে বিরিয়ানি খান তদন্ত কর্মকর্তা। 'তুই বাঁচতে চাস, ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট, তুই ২১ আগষ্টের বোমা হামলায় জড়িত ছিলি, এ কথা স্বীকার করবি। না হলে তোর ক্রসফায়ার হবে'।

২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ক্রসফায়ারই ভরসা! গত পাঁচ মাসে ৬০, পাঁচ বছরে প্রায় দেড় হাজার বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড।

২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: যশোরে আট মাসে ৬৯ খুন নেপথ্যে টেন্ডার-চাঁদাবাজি। সন্ত্রাসী চক্রগুলোর পৃষ্ঠপোষক কোনো না কোনো রাজনৈতিক নেতা। ক্ষমতাসীন দলের একাধিক পক্ষের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা।

২০০৯ সালের ১৩ অক্টোবর, প্রথম আলো: নয় মাসে ২১০৭ খুন ও ১৪৭৯টি ধর্ষেণর ঘটনা ঘটেছে।

২০০৯ সালের ৯ নভেম্বর, প্রথম আলো: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের নির্দেেশ ২০০৪ সাল থেকে দেশে ক্রসফায়ারের নামে 'বিচারবহিভর্রত হত্যাকান্ড' শুরু হয়। এ পর্যন্ত এ ধরনের হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে ১,০০০(এক হাজারের) বেশি লোক।

২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: র্যাবের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' এ বছর নিহত ৬০ জন।

২০১০ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত এক বছরে র্যাব ও পুলিশের সঙ্গে 'ক্রসফায়ার' বা 'বন্দুকযুদ্ধে' ১২৫ জন নিহত হয়েছেন।

২০১০ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: নির্বাচনী অঙ্গীকার মেনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করতে হবে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের মানবাধিকার প্রতিবেদন।

২০১০ সালের ২৯ মার্চ, প্রথম আলো: র্যাবের মহাপরিচালকের তথ্য। ছয় বছরে ৬২২ জন 'ক্রসফায়ার', সব আইনের কাঠামোতে।

২০১০ সালের ৫ মে, প্রথম আলো: 'গুপ্তহত্যা' বন্ধ করতে হবে। অপরাধ পর্যােলাচনা সভায় পুলিশ কর্মকর্তােদর তাগিদ।

২০১০ সালের ৬ মে, প্রথম আলো: হত্যা করে লাশ ফেলে রাখার ঘটনা বেড়েছে।

২০১০ সালের ৩ জুন, প্রথম আলো: রাজধানীতে 'ক্রসফায়ারে' দুজন নিহত।

২০১০ সালের ৬ জুলাই, প্রথম আলো: পুলিশের হেফাজতে তিন মৃত্যু: হাইকোর্টের নির্দেশ। তদন্ত কমিটি হতে হবে পুলিশ ছাড়া।

২০১০ সালের ২৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: র্যাবের 'কলঙ্ক' ক্রসফায়ার। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, ক্ষমতায় গেলে বিচারবহিভর্রত হত্যাকান্ড বন্ধ করা হবে। কিন্তু ক্রসফায়ারে মৃত্যুর ঘটনা চলছেই। চলতি বছরের ১১ মাসে শুধু র্যাবের হেফাজতে নিহত হয়েছে ৬৯ জন। ছয় বছরে এ সংখ্যা ৬৯৩ জন। একই সময় পুলিশের হেফাজতে মৃতের সংখ্যা প্রায় এক হাজার।

২০১০ সালের ৪ ডিসেম্ব্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: দু'বছরে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু ২৭৯ জন, নেপথ্যে নির্যাতন বাণিজ্য।

২০১১ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ২০১০ সালের মানবাধিকার বিষয়ে আসক। 'ক্রসফায়ার' বন্ধ হয়নি নতুন প্রবণতা 'গ্রপ্তহত্যা'।

২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: মার্কিন রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টি: বিচারবহির্ভূত হত্যার তদন্ত হওয়া উচিত।

২০১১ সালের ১০ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ২০১০ সালে ৫,৭৪৩ জন নারী নির্যািতত, হত্যাকান্ডের শিকার ১,১১৮ নারী-শিশু।

২০১১ সালের ২৭ জানুয়ারি, প্রথম আলো: কুষ্টিয়া জেলায় দেড় বছরে 'বন্দুকযুদ্ধে' ৪৮ জন নিহত।

২০১১ সালের ১৭ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। ঢাকায় অপরাধ বাড়ছে। * ছয় মাসে খুন-ডাকাতির এক হাজার আসামি ছাড়া পেয়েছে। * অনেকের মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার। জানুয়ারির ১৫ দিনে শুধু রাজধানীতেই ২২টি খুন।

২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: পাহাড় আবার অশান্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৬ জন। চার মাসে রাঙামাটিতে জেএসএসের দুই পক্ষ ও ইউপিডিএফের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১৫ জন।

২০১১ সালের ১১ মার্চ, প্রথম আলো: গত ১১ বছরে দেশে এসিডদগ্ধ হয়েছেন ৩১৩৫ জন।

২০১১ সালের ১৯ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ: ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা ঢাকা সাভারের আমিনবাজারে ইউনিয়নের বড়দেশী গ্রামের কেবলাচর বালুমাঠে শব-ই-বরাতের শেষরাতে (সোমবার ভোরের দিকে) ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ছয় ছাত্রের মর্মািন্তক মৃত্যু ও একজন আহত হয়েছে।

২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: গুপ্তহত্যা থামছে না, জনমনে উদ্বেগ। অপহরণ, নিখোঁজ। ২২ জন এ বছর ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে অপহরণ ও নিখোঁজ। ১০ জনের লাশ মিলেছে। এদের মধ্যে ঢাকার বাইরে সাতজন। ১০ জনের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। বাকিরা নানা পেশার। অপরাধের সময় পুলিশ বা অন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম ব্যবহার করা অপরাধীদের একটা ধরন। হাসান মাহমুদ খন্দকার পুলিশের মহাপরিদর্শক।

২০১২ সালের ২ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: ৩ বছরে জঙ্গী ও সন্ত্রাসী দমনে সাফল্য, গুম বা গুপ্তহত্যায় পস্নান।

২০১২ সালের ২ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও ক্রসফায়ারে মারা গেছে মোট ১শ জন। র্যাবের হাতে মারা গেছেন ৩৫ জন। নতুন প্রবণতা গুপ্তহত্যার শিকার বা নিখোঁজ হয়েছে ৫১ জন।

২০১২ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার। শঙ্কা তৈরি করেছে রাষ্ট্রীয় বাহিনী। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পর্যােলাচনা। গুপ্তহত্যা ভয়াবহ পর্যােয়। নিখোঁজ ৫১ জন, লাশ উদ্ধার ১৫ জন। ক্রসফায়ার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নিহত ১০০ জন। কারা হেফাজতে মৃত্যু ১১৬ জন।

২০১২ সালের ২ জানুয়ারি, দৈনিক আমাদের সময়: আসকের প্রতিবেদন-২০১১ সালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ১শ, গণপিটুনিতে ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২০১২ সালের ১৭ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বাংলাদেশে ইইউ প্রধান বিচারবহির্ভূত ও গুম-হত্যার বিচার হওয়া উচিত।

২০১২ সালের ৩০ জানুয়ারি, প্রথম আলো: পুলিশের গুলিতে নিহত ৪ জন। চাঁদপুর ও লক্ষীপুরে চার দলের গণমিছিলে পুলিশের বাধা। চাঁদপুরে দুজন, লক্ষীপুরে দুজন নিহত, গুলিবিদ্ধ ১৬ জন।

২০১২ সালের ৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: নরসিংদী সদর উপজেলায় গতকাল র্যাবের সঙ্গে 'বন্ধুকযুদ্ধে'র পর ঘটনাস্থলে রক্তমাখা মাইক্রোবাস। ছবি-ফোকাস বাংলা। দিনেদুপুরে 'বন্ধুকযুদ্ধে' নিহত ৬ জন। ঢাকায় একজন নিহত।

২০০৪ সালের ২৮ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার সংসদ রিপোর্টার: সংসদে প্রশ্নোত্তর দেশে নিবন্ধিত এনজিও'র সংখ্যা-১,৮৬৯টি। বৈদেশিক সাহায্য বিধি (স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা) অধ্যাদেশ ১৯৭৮ অনুযায়ী দেশে এনজিও ব্যুরোতে নিবন্ধিত এনজিওর সংখ্যা ১ হাজার ৮৬৯টি।

২০০৪ সালের ১৮ আগষ্ট, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে এনজিওগুলো গত ৩০ বছরে বিদেশ থেকে প্রায় ৬৬ হাজার কোটি টাকা এনেছে। এ বিপুল পরিমাণ অর্থের সিংহভাগই আনা হয়েছে অনুদান ও নামমাত্র সুদে। জানা যায়, দেশী-বিদেশী মিলিয়ে প্রায় ৫৬-হাজার এনজিও রয়েছে। এরমধ্যে এনজিও ব্যুরোর নিবন্ধিত এনজিওর সংখ্যা ১৯৩৫টি। গরিবী হটানোর নামে বিদেশ থেকে আনা হয়েছে ৬৬ হাজার কোটি টাকা। নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় চলছে দেশের এনজিওগুলো।

২০০৪ সালের ২৬ আগষ্ট, ইনকিলাব-সালাউদ্দিন বাবলু: ৫০ লাখ টাকার ত্রাণ দিতে খরচ ৫ কোটি টাকা। এনজিওদের ত্রাণ বিতরণের নমুনা। 'এমএসএফ হল্যান্ড' নামে একটি এনজিও বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ ও এর আশপাশের এলাকার বন্যার্তেদর জন্য চিকিৎসা ত্রাণ হিসেবে মাত্র ৫০ লাখ টাকার ওষুধ বিতরণের প্রস্তাব দিয়েছে এনজিও ব্যুরোতে। আর এ ৫০ লাখ টাকার ওষুধ বিতরণের জন্য তাদের সর্বেমাট ব্যয় হবে ৫ কোটি টাকারও বেশী। এজন্য তারা মোট ৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ছাড় করার জন্য এনজিও বুরোতে আবেদন জানিয়েছে।

২০০৪ সালের ৮ ডিসেম্বর, সুলতান মাহমুদ: বাংলাদেশ ব্যাংক ৬৩৫টি মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৮২টি মানি চেঞ্জারের লাইসেন্স বাতিল। নীতি লংঘণ হুন্ডি ব্যবসা জাল মুদ্রা বেচাকেনা: র্যাবের কড়া নজর।

২০০৭ সালের ৯ অক্টোবরের হিসেবমতে বাংলাদেশে প্রায় ২০(বিশ) হাজার এন.জি.ও. কাজ করছে।

২০০৯ সালের ২৬ নভেম্বর, প্রথম আলো: আড়াই হাজার এনজিওর হাল ধরে আছে বেহাল এনজিও ব্যুরো। ১২ কক্ষের দপ্তর, লোকবল ৬৭ জন।

২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: অবৈধভাবে চলছে ১৩০৯ এনজিও।

২০১০ সালের ৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: ২৯৩১টি এনজিওর নিবন্ধন বাতিল। কোনো কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আছে।

২০১০ সালের ৪ আগষ্ট, প্রথম আলো: ৩৩৩ এনজিওর নিবন্ধন বাতিল। তালিকায় বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট আরও ১০০ এনজিও।

২০১০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: আরও ১৩২টি এনজিওর নিবন্ধন বাতিল। এর আগে বাতিল করা হয় ৩৩৪টির নিবন্ধন। এ নিয়ে চার মাসে ৪৬৬টি এনজিওর নিবন্ধন বাতিল হলো।

২০০৪ সালের ১১ জুলাই, স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকায় ৫৬৭টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, বিপজ্জনক ১৬৫টি ভবন। কি করণীয় নির্ধারণে দু'টি কমিটি গঠন।

২০০৪ সালের ১০ ডিসেম্বর, সেলিম জাহিদ: ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙ্গা নিয়ে রাজউকেই সংশয়। ১১১টি ভবন মালিককে ৩ মাস সময়দান। বিমান ওঠানামার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকার ২ বিমানবন্দরের আশেপাশে নির্মিত ১১১টি ভবন মালিকদের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ভেঙে ফেলতে আবারও সময় দেয়া হচ্ছে।

২০০৬ সালের ৬ মার্চ, উমর ফারুক আলহাদী: রাজধানীতে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ ভবন ৪০ হাজার। যে কোন সময় ভয়াবহ বিপর্যেয়র আশংকা।

২০০৬ সালের ১৮ মার্চ, মিথুন কামাল: শাঁখারী বাজারে ঝুঁকিপূর্ণ ৯১টি ভবন ভেঙ্গে নির্মিত হচ্ছে মডেল টাউন।

২০০৪ সালের ১১ জুলাই, যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। ফ্লাইওভার নির্মােণ সময় লাগবে তিন বছর। ৪ লেনবিশিষ্ট এ ফ্লাইওভার গুলিস্তান, দয়াগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ সড়ক, সায়েদাবাদের অতীশ দীপঙ্কর সড়ক, ডেমরা ও চিটাগাং হাইওয়েতে মিলিত হবে। এতে খরচ হবে ৬১০ কোটি টাকা এবং তা করবে একটি বেসরকারী কোম্পানী।

২০০৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বিশেষ সংবাদদাতা: ৭-কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রাবাড়ী-গুলিস্থান ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ আগামী মাসেই শুরু খরচ হবে ৬৭০(ছয়শত সত্তর) কোটি টাকা। উচ্চ পর্যােয়র সভায় সিদ্ধান্ত।

২০০৬ সালের ৪ জুন (২১ জ্যৈষ্ঠ-১৪১৩ বঙ্গাব্দ), এক নযরে পলাশী-গুলিস্থান-যাত্রাবাড়ী-শনিআখড়া ফ্লাইওভারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: বেসরকারী বিনিয়োগে যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার প্রকল্প।

ক্রমিকনামস্‌াইজ
দৈঘ্য৮ কিলোমিটার(র্যাম্পসহ)
লেন সংখ্যা৪টি(প্রতিটি ডিরেকশনে ২টি লেন)
স্প্যান সংখ্যা১৫২টি
ভিত্তির ধরনআর.সি.সি.বোরড পাইল
প্‌াইলের ব্যাস১৫০০ মি.মি. এবং ১২০০ মি.মি.
র্যাম্প সংযুক্তিফ্লাইওভার সংলগ্ন সকল প্রধান সড়কের সঙ্গে র্যাম্প সংযুক্ত থাকবে, যেমন-ঢাকা
চট্টগ্রাম মহাসড়ক, অতীশ দীপঙ্কর রোড, ডেমরা রোড, সায়েদাবাদ বাস
টার্মিনাল, দয়াগঞ্জ রোড, হাটখোলা রোড এবং গুলিস্তান
সুবিধাসমূহওাস্তা আলোকিত করার বিজলী বাতি, চলাচলের জন্য ট্রাফিক সাইন
নির্মাণ সময়সীমা৩ বছর
কনসেশন সময়সীমা২৪ বছর টোল তোলার পর সরকার নিয়ন্ত্রণ করবে
প্রাক্কলিত বিনিয়োগ৬৭০ কোটি টাকা২০০৭ সালে এর কাজ বন্ধ আছে
২০১০ সালে এরপ্রাক্কলিত বিনিয়োগ ১৩৭০ কোটি টাকা হয়েছে
গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ীদৈর্ঘয: ১১ দশমিক ৭ কিলোমিটারব্যয়: দুই হাজার ৪০০ কোটি টাকা
উড়ালসড়কযোগাযোগ: ৩০ জেলার সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ সহজ হবে
দেশের দীর্ঘতম উড়ালসড়কদেশবাসীর জন্য ঈদের উপহার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা১১-১০-২০১৩ তারিখ
চালু:উদ্ভোধনমেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার

২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: যাত্রাবাড়ী-গুলিস্থান উড়াল সেতু নির্মাণ। বেলহাসা একমে তিন সরকারি ব্যাংক ও আইসিবির ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ।

২০১০ সালের ১১ মে, প্রথম আলো: যাত্রাবাড়ি-গুলিস্থান উড়ালসেতু বেলহাসাকে বাদ দিয়েই হচ্ছে।

২০১০ সালের ২৩ জুন, প্রথম আলো: গুলিস্থান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার নির্মাণকাজ উদ্বোধন-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চার লেনের এ ফ্লাইওভারের ছয়টি প্রবেশপথ ও সাতটি বের হওয়ার পথ থাকবে। নির্মােণ ব্যয় হবে এক হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন গ্রুপের অঙ্গ সংস্থা বেলহাসা-এডকম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শনির আখড়া থেকে শুরু হয়ে পলাশী পর্যন্ত যাবে। ২০১৪ সালে খরচ হয়েছে ২,৪০০ কোটি টাকা।

২০১৬ সালের ৩১ মার্চ, প্রথম আলো: উড়ালসড়কের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি। উড়ালসড়কের ওঠানামার জন্য তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা, সোনারগাঁও হোটেল, মগবাজার, রমনা(হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল-সংলগ্ন রাস্তা), বাংলামোটর, মালিবাগ, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস ও শান্তিনগর মোড়ে লুপ বা র্যাম্প রাখা হয়েছে। বর্তমানে এই উড়ালসড়ক প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১৯ কোটি টাকা। মগবাজার-মৌচাক উড়ালসড়কের গতকাল ৩০-০৩-২০১৬ তারিখ উদ্বোধন করা অংশটি বা একাংশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।