২০০৭ সালের ২৪ নভেম্বর, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) ঢাকা শেরাটন হোটেলের উইন্টার গার্ডেন ও টেনিস কোর্ট এলাকায় এ মেলার আয়োজন করেছে। এতে অংশ নিয়েছে ১৪১টি প্রতিষ্ঠান, এরমধ্যে ১৩৬টি জমি উন্নয়ন ও বাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

২০০৮ সালের ৩০ জানুয়ারি, প্রবাসীদের জন্য প্রথম আবাসন প্রকল্প চালু। মহানগরের অদূরে ২,২৫০ বিঘা জমির ওপর এ প্রকল্প গড়ে তুলছে। এ প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইতালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অনাবাসীরা।

২০০৮ সালের ১০ নভেম্বর, রিহাবের পাঁচ দিনব্যাপী আবাসন মেলা আগামীকাল থেকে শুরু। এবার ১৯২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর উদ্যোগে রাজধানীতে কাল ১১-১১-২০০৮ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে জমি ও ফ্ল্যাটের মেলা। শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে 'রিহ্যাব ফেয়ার-২০০৮' শীর্ষক পাঁচ দিনব্যাপী হবে। ১৯২টির মধ্যে ১৮৭টি জমি উন্নয়ন ও বাড়ি নির্মাতা এবং পাঁচটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশে, বিশেষ করে ঢাকায় ১৯৭০ সালের শেষ দিকে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা শুরু হয়। ইসলাম গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড এ ব্যবসার অগ্রপথিক। সত্তরের দশকে সারা দেশে পাঁচটিরও কম কোম্পানি ঢাকায় কাজ করত এবং বর্তমানে প্রায় এক হাজার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। ১৯৯১ সালে রিহ্যাব নামে একটি অ্যাসোসিয়েশন গঠন করেন। বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা ৩৬১ জন। রিহ্যাবের সদস্যরা(ছোট, মাঝারি ও বড় কোম্পানি) গত বিশ বছরে প্রায় ৫৬ হাজার ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টেমন্ট নির্মাণ ও হস্তান্তর করেছে। তাঁরা বছরে গড়ে প্রায় ছয় হাজার ইউনিট পস্নট-ফ্ল্যাট নির্মাণ ও হস্তান্তর করছে। তবে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ফ্ল্যাট নির্মাণ রাজধানীকেন্দিক। সম্প্রতি বন্দরনগর চট্টগ্রামে কিছু কিছু প্রকল্প শুরু হয়েছে। ঢাকার মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় ১৯৭৪ সালে এক কাঠা জমির মূল্য ছিল ৫০ হাজার টাকা আর ২০০৮ সালে তার মূল্য হয়েছে ২০০ গুণ বেড়ে এক কোটি টাকা।

২০০৯ সালের ৫ জুন, প্রথম আলো: উদ্বোধনী দিনেই আবাসন মেলায় উপচে পড়া ভিড়। মেলায় মোট ১৭৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এরমধ্যে ১৭৫টি জমি উন্নয়ন ও বাড়ি নির্মাতা এবং চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

২০১০ সালের ৩ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ঢাকায় রিহ্যাবের পাঁচ দিনব্যাপী আবাসন মেলা মঙ্গলবার থেকে-এবার ২৬৮টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।

২০১০ সালের ৯ জুন, প্রথম আলো: ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ঝুপড়ি-কাঁচাঘরে ৭৫% মানুষ। দেশের মাত্র ৮ দশমিক ৩ শতাংশ পরিবার পাকা বাড়ি ও ফ্লাটে বসবাস করে এবং ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ আংশিক পাকা বাড়িতে বাস করে। তবে শহর ও গ্রাম মিলিয়ে দেশের ৮৩ শতাংশ পরিবারই নিজ বাড়িতে থাকে আর ১৩ শতাংশ মানুষ ভাড়া বাড়িতে থাকে। সরকারি সংস্থা বিবিএসের জরিপ: কমছে না দারির্দেযর হার। রাতের বেলা প্রায় অর্ধেক পরিবারের আলোর ব্যবস্থা হয় এখনো কেরোসিনের প্রদীপে। বিনোদণের জন্য ৬০ শতাংশ পরিবারের কোনো রেডিও বা টেলিভিশন নেই। দারির্দেযর হার কমছে না। শিক্ষা-দেশে অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন মানুষের হার ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ। টেলিফোনঃ ২ দশমিক ২ শতাংশ মানুষের ল্যান্ডফোনের সংযোগ আছে। তবে মুঠোফোনের সংযোগ আছে ৪৮ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষের। কমপিউটার আছে ১ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষের। গ্রামে দশমিক পাঁচ আর শহরে ৬ দশমিক ৪ শতাংশের ব্যক্তিগত কমপিউটার রয়েছে।

২০১০ সালের ২৩ জুলাই, আমাদের সময়: দেশে মাত্র ৪.৭ ভাগ পরিবার ধনী, ৮.৩ ভাগ পরিবার পাকা ও ফ্ল্যাট বাড়িতে বাস করে। মধ্যবিত্ত পরিবারের সংখ্যা-২০.৫ ভাগ, আর নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সংখ্যা-৩৪.১ ভাগ আর ৪৪ ভাগ পরিবার দাদ্রিসীমার নিচে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো পরিচালিত মৌলিক সুযোগ-সুবিধা পর্যেবক্ষণ জরিপে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। আমি মোঃ জাকির হুসেন বলি দেশে বর্তমানে ৯০ ভাগ লোক দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে।

২০১০ সালের ১৭ অক্টোবর, প্রথম আলো: বস্তি উচ্ছেদ বন্ধে আইন হচ্ছে। উচ্ছেদের আগে কমপক্ষে ৩০ দিনের নোটিশ দিতে হবে। ঢাকা শহরে প্রায় ৪০(চল্লিশ) লাখ লোক বস্তিতে বাস করে। এসব বস্তির পরিধি পাঁচ কাঠা থেকে ৮০-৯০ একর। পাঁচ থেকে ১০টি পরিবারের জন্য একটি টয়লেট রয়েছে।

২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি, বাংলাদেশ প্রতিদিন: তিতাস গ্যাস এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (তিতাস) ১৬ লাখ গ্রাহকের ৯০ ভাগই গ্যাস সমস্যায় ভোগছে। শিল্পখাতে উৎপাদন কমেছে অর্ধেক এবং গ্যাস সংকটে ৫ হাজার ফ্ল্যাট খালি পড়ে আছে।

২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ৫৬টি অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে জিডি। রাজউক আরও পদক্ষেপ নেবে: চেয়ারম্যান।

২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: ঢাকা শহরে প্রায় ৫ হাজারের ওপরে বস্তিতে মোট নগর জনসংখ্যার ১৭.৬ শতাংশ লোক বসবাস করে। প্রায় ৩.৪ মিলিয়ন লোক বস্তিতে বসবাস করে। আর বছরে ঢাকাতে ৫ লাখ মানুষ আসছে। ঢাকায় বস্তির সংখ্যা বাড়ছে। ১৯৭১ সাল থেকে ঢাকা শহরে বস্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকে। নগর গবেষণা কেন্দ্রের ১৯৭৪ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, তখন নগর জনসংখ্যার ২,৭৫,০০০(দুই লাখ পঁচাত্তর হাজার) মানুষ বস্তিতে বসবাস করত। ১৯৯১ সালে নগর জনসংখ্যার ৭,১৮,১৪৩ জন বস্তিতে বসবাস করত। ১৯৯৬ সালে ১.৫ মিলিয়ন এবং ২০০৫ সালে ৩.৪ মিলিয়ন বস্তিতে বসবাস করত। ২০১০ সালে ১৭.৬ মিলিয়ন যার ৬০% বস্তিতে। ২০২০ সালের মধ্যে নগর জনসংখ্যার বর্তমান বস্তিবাসীর তুলনায় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বস্তিবাসীর সংখ্যা দাঁড়াবে ৯.০০ মিলিয়ন। ইউএনএফপিএ-এর সম্প্রতি তথ্যে জানা যায়, ২০৫০ সালে এদেশের জনসংখ্যা হবে প্রায় ২৬ কোটি। তখন নগর জনসংখ্যা কত কোটিতে দাঁড়াবে আর শহরে বস্তির সংখ্যাই বা হবে কেমন এটিই এখন প্রশ্নের বিষয়।

২০১২ সালের ৫ জুন, প্রথম আলো: দেশে ৪০০শত বেসরকারি ভূমি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান জমি ভরাট শুরু করেছে।

২০১৪ সালের ২১ মার্চ, প্রথম আলো: রিহ্যাবের আবাসন মেলা শুর: এবারের মেলায় মোট ১৫৫টি স্টল রয়েছে। ২২,৭৭২টি ফ্ল্যাট বিক্রি হয়নি।

১৯৯৬ সালের ২৭ জানুঃ তথ্য-দুর্নীিতর রাহুগ্রাস: গত ২২-বছরে দুর্নীিতর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ২৫,৪০০(পচিশ হাজার চারিশত)টি কিন্তু শাস্তির সংখ্যা মাত্র ৬(ছয়) হাজার।

১৯৯৬ সাল থেকে ট্রান্সপারেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দুর্নীিতবিরোধী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে আসছে।

১৯৯৬ সালের ১৩ এপ্রিলের তথ্য-বাংলাদেশে গত ৫(পাঁচ) বছরে ৪ লক্ষ অপরাধ সংগঠিত হয়েছে, কিন্তু ২০০১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত গত ৫(পাঁচ) বছরে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে ৫.৭৩(পাঁচ লক্ষ তেহাত্তর হাজার)।

২০০০ সালের ৪ এপ্রিল, প্যারিস বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট: বাংলাদেশের পুলিশ, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়ন সর্বত্রই ব্যাপক দূর্নীিত।

২০০০ সালের ১৪ জুন, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর রিপোর্ট: বাংলাদেশের দুর্নীিত মাথাপিছু আয়ের তুলনায় দ্বিগুন। দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচী দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন।

২০০০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্ট: বাংলাদেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাই দুর্নীিতর শীর্ষে।

১৮-১২-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: দক্ষিণ এশিয়ার ৫ দেশ সম্পর্কে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের জরিপ-দুর্নীিতর শীর্ষে পুলিশ ও নিম্ন আদালত।

০৩-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদরা বলেছেন-দুর্নীিত ও দুঃশাসনে ৩-শতাংশ জিডিপি হ্রাস পাচ্ছে।

২০০৪ সালের ৭ জানুয়ারি, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: সমাজের প্রতি স্তরেই আজ দুর্নীিত: এদের ভয়ে প্রধানমন্ত্রীর চোখ বন্ধ করে রাখেন: বছরে ৭০ হাজার কোটি কালো টাকা সৃষ্টি হচ্ছে: মুক্ত আলোচনা সভায় বক্তাদের অভিমত। গত ৩২ বছরে বাংলাদেশে সরকারীভাবে বৈদেশিক ঋণ এসেছে ২(দুই লক্ষ) কোটি টাকা-এর শতকরা ৭৫ ভাগ অর্থই লুট করেছে অর্থনীতি-রাজনীতির দুবৃত্ত গোষ্ঠি। এ দুষ্টচক্র বছরে ৭০(সত্তর হাজার) কোটি কালো টাকা সৃষ্টি করেছে যা জাতীয় আয়ের এক-তৃতীয়াংশের সমান। যেখানে ১৯৫৪ সালের সংসদ নির্বাচনে মোট সংসদ সদস্যের মাত্র চার শতাংশ ছিল ব্যবসায়ী শিল্পপতি, সেখানে তা ১৯৯৬ সালে বেড়ে হয় ৭৪ শতাংশ ও ২০০১ সালে বেড়ে হয় ৮১ শতাংশ ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা।

২০০৪ সালের ২৩ এপ্রিল, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ দুর্নীিত ২৪ মন্ত্রণালয়ে ১৫,০০০ হাজার কোটি টাকা ঘুষ। রাজনীতিবিদদের সম্পর্কে টিআই রিপোর্ট। মোবায়েদুর রহমান: মাছের পচন ধরে মাথায়। আমাদের জাতির চরম দুর্ভাগ্য যে, আমাদের এ সমাজদেহে পচন ধরেছে মাথায়।

২০০৪ সালের ২৬ মে, দুর্নীিতর কারণে প্রতিবছর সরকারের অপচয় ১২(বার) হাজার কোটি টাকা। দুর্নীিত সংক্রান্ত জাতীয় সেমিনারে বক্তাবৃন্দ বলেন অপরদিকে দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের কারণে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৬০(ষাট) হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয়।

২০০৪ সালের ২১ অক্টোবর, স্টাফ রিপোর্টার: ১৪৬টি দেশ সম্পর্কে টিআই রিপোর্ট। বাংলাদেশ ও হাইতি সর্বোচ্চ দুর্নীিতগ্রস্ত দেশ।

২০০৪ সালের ৪ আগষ্ট, স্টাফ রিপোর্টার: হাইকোর্টের নির্দেশ-বিনা বিচারে দেশের কারাগারগুলোতে ৩৬০ দিনেরও বেশী সময় ধরে আটক সাড়ে সাত হাজার আসামীর মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করুন।

২০০৫ সালের ২ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: আড়াই হাজার গাড়ীর হদিস জানাতে ১৬ সচিবকে দুর্নীিত দমন কমিশনের চিঠি। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য এ গাড়ীগুলো কেনা হয়েছিল। প্রকল্প শেষে ওই গাড়ীগুলোর আর কোন হদিস পাওয়া যায়নি।

২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: দুর্নীিত বাংলাদেশের অর্থৈনতিক উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা-ইকোনমিক রিপোর্টাস ফোরামে মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

২০০৫ সালের ৩ এপ্রিল, স্টাফ রিপোর্টার: দুর্নীিত দমন কমিশনে ৮৬৬-কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়ে সাংগঠনিক কাঠামোর প্রস্তাব।

২০০৫ সালের ২১ এপ্রিল, স্টাফ রিপোর্টার: দুর্নীিত দমন কমিশনের সাংগঠনিক কাঠামোর খসড়া চূড়ান্ত। দুর্নীিত দমন কমিশনের জনবলের সংখ্যা হবে ১,৩৬৯ জন।

২০০৫ সালের ২১ এপ্রিল, ইনকিলাব: গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মোজাফফর আহমেদ। দেশে সবার শীর্ষে ভূমি দুর্নীিত এখন পুলিশ-কাষ্টমসকেও ছাড়িয়ে গেছে। ৯ খাতে বছরে ঘুষ লেনদেন ৬ হাজার ৮শ' কোটি টাকা। দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুলিশ, ভূমি, বিদ্যুৎ, টেলিফোন, নিম্ন আদালত, কর বিভাগ, স্থানীয় সরকার, ত্রাণ, পেনশন প্রভৃতি বিভাগের দুর্নীিত নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত জরিপে এবার শীর্ষস্থান পেয়েছে ভূমি বিভাগ। বছরে গড়ে একজন ৪শ' ৮৫ টাকা টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।

২০০৫ সালের ৩০ মে, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ দুর্নীিতর বিরাট হাট-রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নই মূল উৎস: যারা দুর্নীিত করে না তারা নির্বোধ। গত ৩৪ বছরে দেশে ২ লাখ কোটি টাকা ঋণ ও অনুদান এসেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো-এর ৭৫ ভাগই লুটপাট হয়ে গেছে বলে সেমিনারে বলা হয়। দুর্নীিত দমনের জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং রাজনীতিবিদদের সদিচ্ছা। দুর্নীিত রোধে দুর্নীিত দমন কমিশনকে শক্ত হাতে-এর বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে, সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে দুর্নীিতবাজদের ওপর।

২০০৫ সালের ৪ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকায় শফিউল আলম: চট্টগ্রাম বন্দরে বছরে ৮০১ কোটি টাকা ঘুষ বখশিশ। টিআইবির গোলটেবিলে তথ্য প্রকাশ।

২০০৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-অর্থৈনতিক রিপোর্টার: বাণিজ্য-বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ। বাংলাদেশ ১১০-নম্বরে নেমে গেছে। দুর্নীিত অদক্ষ আমলাতন্ত্র, অস্থিতিশীল নীতি, সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা, অবকাঠামোর অভাব ইত্যাদি কারণে প্রতিযেগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্য-বিনিয়োগ পরিবেশ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান গত বছরের তুলনায় ৮-ধাপ পিছিয়ে ১১০ নম্বরে নেমে গেছে। প্রতিবেশী ভারত ৫৫ থেকে ৫-ধাপ এগিয়ে ৫০-এ এবং পাকিস্তান ২২-ধাপ এগিয়ে ৯১ থেকে ৬৯-এ উঠে গেছে। বিশ্বের ১১৭টি দেশের প্রথমসারির কোম্পানীগুলোর প্রধান নির্বাহীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তুত 'গেস্নাবাল কম্পিটিটিভনেস রিপোর্ট ২০০৫-২০০৬'-এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিশ্ব অর্থৈনতিক ফোরাম(ডবিস্নউইএফ) এবং বাংলাদেশ বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)এ জরিপ পরিচালনা করে।

২০০৫ সালের ১৯ অক্টোবর, সালাউদ্দিন বাবলু: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের(টিআই) জরিপ অনুযায়ী ১৫৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ এ বছরও দুর্নীিততে বিশ্বের মধ্যে শীর্ষস্থান দখল করেছে। দুর্নীিততে ৫ম বারের মতো শীর্ষে বাংলাদেশ। খালেদা-হাসিনা পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব প্রকাশের আহবান।

২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর, ইনকিলাব-নিউজ ওয়াল্র্ড: বিশ্বের ২১২টি সংবাদ মাধ্যমে দুর্নীিতর শীর্ষস্থানে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষক খবরটি প্রচারিত হয়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কোন খবর নিয়ে-এর আগে পৃথিবী জুড়ে এত হৈচৈ বিদ্রুপের খবর শোনা যায়নি।

২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর, ইনকিলাব-স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীর সম্পদের হিসাব প্রকাশে টিআইবি প্রস্তাবের প্রতি স্থাগত জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন সম্পদের হিসাব দেয়া আছে। তারপরও আমি নিজের স্বামীর এবং সন্তানদের সম্পদের হিসাব যে কোন সময় দিতে প্রস্তুত।

২০০৫ সালের ২১ নভেম্বর, ইউএনবি: দুর্নীিত দমন কমিশন প্রথম বছরে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।

২০০৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: টিআইবি গেস্নাবাল করাপশন রিপোর্ট-২০০৬। ঘুষ দুর্নীিত জালিয়াতি স্বাস্থ্য সেবাকে গ্রাস করছে।

২০০৬ সালের ১৯ মার্চ, সাঈদ আহমেদ: ১৬-হাজার মামলা ও অভিযোগের ভারে ন্যূজ দুর্নীিত দমন কমিশন: তদন্ত করতে সময় লাগবে ৬-বছর।

২০০৬ সালের ২৩ এপ্রিল, সাঈদ আহমেদ: দুর্নীিত দমন কমিশনের কাছে প্রসিকিউশন টিমের জবাবদিহিতা নেই: ৫ হাজার ৫০ মামলায় রাষ্ট্রের স্বার্থ অনিশ্চিত।

২০০৬ সালের ১ আগষ্ট, স্টাফ রিপের্টার: কালো টাকার মালিকরা কর আইনে মাফ পেলেও দুদক ছাড়বে না। দুর্নীিত দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি সুলতান হোসেন খান বলেছেন, কালো টাকার মালিকরা কর আইনে মাফ পেলেও দুর্নীিত কমিশনের কাছে মাফ পাবে না।

২০০৬ সালের ৭ নভেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: টিআইবি'র রিপোর্ট প্রকাশ। দুর্নীিততে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় স্থানে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ।

২০০৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ইনকিলাব রিপোর্ট: দুর্নীিতবাজদের কোনক্রমেই রেহাই দেয়া হবে না। সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করতে চায় না: সেনাপ্রধান।

২০০৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, সাখাওয়াত হোসেন: বিধিমালা-২০০৭ সংশোধন। দুর্নীিতবাজদের ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে কঠোর আইন। অভিযোগ প্রমাণ হলে কোন নির্বাচনে অংশ নেয়া যাবে না। উচ্চতর আদালত দন্ড স্থগিত বা জামিন প্রদান এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ বাতিল করতে পারবে না। আর ৭২ ঘন্টার মধ্যে হাজির না হলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত।