২০০৭ সালের ২৭ জুন, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: প্রতি বছর ২০ হাজার ৭শ কোটি টাকার কেনাকাটা হয়। সরকারী কেনাকাটায় দুর্নীিতর কারণে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে: বিশ্বব্যাংক।
২০০৭ সালের ১১ আগষ্ট, স্টাফ রিপোর্টার: দেশে অধিকাংশ দুর্নীিত করেছে শিক্ষিত সমাজ।-সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন।
২০০৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: দুর্নীিতবাজদের আরো তালিকা হবে-দুদক চেয়ারম্যান। সেপ্টেম্বর থেকে সন্দেহভাজন দুর্নীিতবাজদের আর কোন তালিকা হবে না-সেনাপ্রধানের এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন দুর্নীিত দমন কমিশনের চেয়ারম্যান লে. জে. (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ২২০ জনের তালিকা করেই যদি মনে করা হয় যে দুর্নীিত শেষ হয়ে গেছে তাতে দুর্নীিত দমন কমিশনের সন্তুষ্টি লাভের কারণ নেই। দুর্নীিত দমন অভিযানের জন্য প্রয়োজন মনে হলে আরো তালিকা হবে। এ মাসেই শেষ হচ্ছে টাস্কফোর্সের দুর্নীিত বিরোধী অভিযান।আরো ৬০ দুর্নীিতবাজের তালিকা আসছে চলতি মাসে।
২০০৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, টি.আই. রিপোর্ট: দুর্নীিততে বাংলাদেশের অবস্থান এবার সপ্তম। এবার অবস্থানে চার ধাপ উন্নতি, তবে স্কোর পয়েন্ট আগের জায়গাতেই।
২০০৭ সালের ৫ অক্টোবর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: এনজিওগুলো সর্ববৃহৎ দুর্নীিতগ্রস্থ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। স্বচ্ছতা-গণতন্ত্র নেই, চলছে পূর্ণ একনায়কতন্ত্র। টিআইবি'র গবেষণা প্রতিবেদন। এনজিওগুলো প্রায় আড়াই কোটি মানুষকে ঋণের আওতায় এনেছে।
২০০৭ সালের ৭ ডিসেম্বর, নিজস্ব প্রতিবেদক: দুদকে জমা পড়েছে ৭০,০০০ হাজার অভিযোগপত্র। এর যাচাই-বাছাই শুরু শিগগিরই হবে।
২০০৮ সালের ১৫ জানুয়ারি, নোয়াখালী ও লক্ষীপুরে দুদক চেয়ারম্যান-দুর্নীিতর কারণে দেশে প্রতিবছর ৭,০০০ কোটি টাকা অপচয় হয়।
২০০৮ সালের ২৬ মে, বিশেষ প্রতিনিধি: স্বেচ্ছায় দুর্নীিত স্বীকার করলে জেলে যেতে হবে না। উপদেষ্টা পরিষদে ট্রুথ কমিশন অনুমোদন। দুর্নীিতর অভিযোগ দ্রুত নিস্পত্তির লক্ষ্যে স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ অধ্যাদেশ-২০০৮ (ট্রুথ কমিশন) চুড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। গতকাল রোববার উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক সভায় অধ্যাদেশটি অনুমোদন করা হয়। শিগগিরই গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এটি আইন হিসেবে কার্যকর হবে।
২০০৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, এবার বাংলাদেশ দুর্নীিতর সূচকে সপ্তম থেকে দশম স্থানে।
২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, দুর্নীিত সূচকে সার্কে এখনো শীর্ষে বাংলাদেশ।
২০০৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: নীলফামারীতে দুর্নীিত দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী বলেছেন: দেশে এমন একটা পেশাও নেই যেখানে দুর্নীিত নেই।
২০০৯ সালের ৭ এপ্রিল, প্রথম আলো: টিআইবির জরিপে তথ্য: সংসদ নির্বাচনে ৮৭% প্রার্থী ব্যয়ের সীমা লঙ্ঘন করেছেন। টিআইবির গবেষণায় দেখা গেছে, দল অনুযায়ী বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা গড়ে ৫০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করেছেন। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ব্যয় করেছেন গড়ে ৩৫ লাখ ৬৭ হাজার ৩২১ টাকা। নির্ধািরত ব্যয়ের মধ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগের ছয়জন, বিএনপির চারজন এবং স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী। প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেন জনসংযোগের পেছনে, যা গড়ে ১৮ লাখ এক হাজার ৯৮৯ টাকা।
২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দুর্নীিতমুক্ত সমাজ গঠনে সরকার সব করবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমার কথা হলো দুর্নীিতমুক্ত সমাজ গঠনে তাঁর সরকার কিছুই করবে না।
২০০৯ সালের ১০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিধান বাতিল। সরকারকে ধণ্যবাদ জানিয়েছে নোয়াব। মানহানির মামলায় সাংবাদিক, সম্পাদক, প্রকাশক, কবি ও লেখকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিধান বাতিলে সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ সংবাদপত্র মালিক সমিতি (নোয়াব)।
২০০৯ সালের ১০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: অর্থ পাচার ও দুর্নীিততে জড়িতদের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি বলি দুর্নীিতবাজদের বিচার করবে না।
২০১০ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: দুদক চেয়ারম্যান-বছরে ১০০ মামলা নিষ্পত্তি হলে দুর্নীিত করার সাহস হবে না। আমি বলি এ সমাজব্যবস্থায় দুর্নীিত উচ্ছেদ করবে না।
২০১০ সালের ৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ৭৭ শতাংশ আসামিই খালাস পায়-পুলিশের বার্ষিক অপরাধ সম্মেলনে তথ্য: ২০০৯ সালে দেশে এক লাখ ৫৬ হাজার ৯৬৪টি মামলা হয়েছে। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ৪৩০টি করে মামলা হয়েছে।
২০১০ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: বিশ্বব্যাংকের সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর। দুর্নীিতর জালে বন্দী বাংলাদেশ।
২০১০ সালের ১ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা যাঁদের হাতে তাঁরাই দুর্নীিত করেন: আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ। তিনি বলেছেন, যাঁদের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা রয়েছে, তাঁরাই ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। কোনো ফাইল এলে তাঁদের বিভিন্নভাবে সন্তুষ্ট না করা পর্যন্ত সে ফাইল নড়ে না। এ ধরনের দুর্নীিতর কারণেই দেশের অগ্রগতি হচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ কৃষক ও শ্রমিক। তাঁরা কেউ দুর্নীিত করেন না।
২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: লন্ডনে অর্থমন্ত্রী-বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রধান বাধা দুর্নীিত।
২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর, প্রথম আলোঃ বাংলাদেশে দুর্নীিত কমেনি। টিআইর প্রতিবেদন। সবচেয়ে দুর্নীিতগ্রস্ত দেশ সোমালিয়া বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। ২০১০ সালে স্কোর ২.৪ আর অবস্থান ১২তম।
| তৃতীয় | সপ্তম | দশম | ১৩তম | ১২তম |
| ২০০৬ | ২০০৭ | ২০০৮ | ২০০৯ | ২০১০ |
| ২.০ | ২.০ | ২.১ | ২.৪ | ২.৪ |
২০১০ সালের ১০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দুর্নীিতর শীর্ষে পুলিশ, পরে জনপ্রশাসন। টিআইবি'র সমীক্ষায় জনগণের অভিমত।
২০১০ সালের ২৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দুর্নীিতর শীর্ষে বিচার বিভাগ। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।
২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: টিআইবির জরিপের প্রশ্ন ও উত্তর চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।
২০১১ সালের ২১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: টিআইবির জরিপ ভ্রান্ত ধারণার ভিত্তিতে করা। সুপ্রিম কোর্টের মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদন। বিচার বিভাগের দুর্নীিত অনুসন্ধানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
২০১২ সালের ২০ মে, প্রথম আলো: বিচার প্রশাসন থেকে থানা পর্যন্ত দুর্নীিন বিস্তৃত সর্বত্র: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: দেশে দুর্নীিত আগের মতোই। টিআইয়ের ধারণা সূচকে বাংলাদেশের নম্বর ১০০-তে ২৫।
১৯৯৬ সালের ৫ নভেম্বরঃ বাংলাদেশে বিচারাধীন ফৌজদারী মামলার সংখ্যা ২.৫০(দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার)। ২০০০ সালের ২০ নভেম্বর পর্যন্ত এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৪(চার) লক্ষে পৌঁছে।
১৯৯৮ সালের ১১ মার্চ,বাংলাদেশে-৬,৭৭,০০০(ছয় লক্ষ সাতাত্তর হাজার)মামলা বিচারাধীন।
১৯৯৯ সালের ৪ মার্চের হিসেবমতে-সুপ্রীম কোর্টে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রায় ৯৯,০০০(নিরানব্বই হাজার)।
২০০০ সালের ৬ জানুয়ারি-বাংলাদেশে ১.৫(এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিলের অপেক্ষায় ছিল।
২০০০ সালের ১০ এপ্রিল-বাংলাদেশে গ্রেফতারী পরওয়ানা তালিম না হওয়ায় প্রায় ১.৩(এক লক্ষ ত্রিশ হাজার) আসামী পলাতক।
২০০০ সালের ৮ অক্টোবর-বাংলাদেশে অপরাধ বৃদ্ধির হার ভয়াবহ।
২০০২ সালের ১ নভেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশের আদালতগুলোতে জমে থাকা ১০(দশ) লক্ষ বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তিতে ৮৬(ছিয়াশি) বছর সময় লাগবে।
০৯-০২-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: ঢাকা কোর্টে ৬৭(সাষট্টি) হাজার মামলা জমা আছে-অথচ জেলা জজ পর্যােয়র ৮ জন বিচারকের কাজ নেই।
২০০৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, এক একান্ত সাক্ষাতকারে ভূমিমন্ত্রী বলেন যে-বাংলাদেশে ৮০ ভাগ মামলাই ভূমি থেকে সৃষ্টি: বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থার যে সংকট সেটি ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ, লর্ড কর্নওয়ালিসের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে সৃষ্টি।
২০০৩ সালের ৩০ এপ্রিল, পর্যন্ত সংসদে প্রশ্নোত্তরে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন: বাংলাদেশে ১০,৪৫,৮৯৫(দশ লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার আটশত পঁচানব্বই)টি মামলা বিচারাধীন।
২০০৩ সালের ২০ ডিসেম্বর, প্রধান বিচারপতি কে. এম. হাসান বলেছেন, বাস্তবতা হচ্ছে বর্তমান বিচার ব্যবস্থা ধনীদের কাছেই বেশী সহজলভ্য এবং তা গরীবদের আওতার বাইরে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আর্থিক অসচ্ছলতা, অজ্ঞতা এবং অসচেতনার কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠী বিচারের সূফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
২০০৪ সালের ২৮ জানুয়ারি, আদালত অবমাননা মামলায় হাইকোর্টের নজিরবিহীন রায়: আইজিপির জরিমানা অনাদায়ে ১ মাস জেল।
২০০৪ সালের ৭ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি ভূমি অভাবী (ল্যান্ড হাংরী) দেশ। ভূমিজনিত মামলা মকদ্দমায় বছরে ৭২ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়।
২০০৪ সালের ৭ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি ভূমি অভাবী (ল্যান্ড হাংরী) দেশ। ভূমিজনিত মামলা মকদ্দমায় বছরে ৭২ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়।
২০০৫ সালের ২৬ জুন, স্টাফ রিপোর্টার: বৃহত্তর কর কেলেঙ্কারি মামলার চার্জশীট দেয়ায় বিভিন্ন মহলে দুর্নীিত দমন কমিশন আতঙ্ক। ৫৬৮ কোটি টাকা কর ফাঁকির দুটি মামলার চার্জশীট দেয় আকিজ গ্রুপের বিরুদ্ধে।
২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, সংসদ রিপোর্টার: দেশে ৯,৯৫৮টি হত্যা মামলা বিচারাধীন-সংসদে আইনমন্ত্রী।
২০০৭ সালের ২৬ আগষ্ট, স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ভাঙচুরের ঘটনায় সারাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার লোককে আসামী করে মামলা। এরমধ্যে রাজধানীতে ৩৫ মামলায় ৮২ হাজার ৭২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
২০০৮ সালের ১২ জানুয়ারি, অপরাধ বেড়েছে, নতুন আইন চায় পুলিশ। পুলিশের বার্ষিক অপরাধ সম্মেলনের তথ্য: ২০০৬ সালে দেশে মামলার সংখ্যা ছিল ১,৩০,৫৭৮টি। কিন্তু ২০০৭ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১,৫৭,২০০টি মামলা। অর্থাৎ ২০০৬ সালের তুলনায় অপরাধ বৃদ্ধি পায় ২৬,৬৬৬টি। এখন প্রতিদিন গড়ে ৪৩০টি মামলা হচ্ছে। ২০০৭ সালে দেশে খুনের মামলা হয় ৩,৭৬৯টি। ২০০৬ সালে ২২টি খুন কম হয়।
২০০৯ সালের ১৪ জুন, প্রথম আলোঃ বাংলাদেশে এখন দেড় লাখ মানুষের জন্য বিচারক একজন।
২০০৯ সালের ৯ জুলাই, আমাদের সময়: বাংলাদেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মামলার সংখ্যা ১৮ লাখ ২৯ হাজার ১৬৫টি এরমধ্যে দেওয়ানি ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭৩টি, ফৌজদারি ৮ লাখ ৯০ হাজার ৫৮৪টি এবং অন্যান্য ৯৬ হাজার ৬৭৬টি। ১ জানুয়ারি, ২০০৯ পর্যন্ত সরকারি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে; সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৯ হাজার ৩৭৫; সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৯০১টি। এছাড়া সকল জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ সকল প্রকার ট্রাইব্যুনালে ৮ লাখ ৭ হাজার ৭০২টি এবং ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সকল সিএমএম) ৭ লাখ ১৮ হাজার ১৮৭টি মামলা রয়েছে।
২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের দিন থেকে ২৮ ডিসেম্বর, ২০০৮ পর্যন্ত সাত বছরে দায়ের করা ২২ হাজারের মতো মামলা পুনরায় পরীক্ষা করে তা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সাত বছরের মামলাগুলো পর্যােলাচনার সিদ্ধান্ত। আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি গঠন। বিএনপি আমলেও এভাবে ৩৫ হাজার মামলায় ৭০ হাজার আসামি মুক্তি পায়।
২০০৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তর-বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ১৮ লাখ ২০ হাজার ৭৯০টি।
২০১০ সালের ৮ জুন, প্রথম আলো: দেশের আদালতে ১৫ লাখ ৮২ হাজার মামলা বিচারাধীন: সংসদে আইনমন্ত্রী।
২০১০ সালের ২০ জুলাই, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তর সুপ্রিম কোর্টে তিন লাখ ৩০ হাজার ৮৩১টি মামলা বিচারাধীন। এরমধ্যে আপিল বিভাগে পাঁচ হাজার ২৬০টি এবং হাইকোর্ট বিভাগে তিন লাখ ২৫ হাজার ৫৭১টি মালমা বিচারাধীন।
২০১১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, প্রথম: হাইকোর্টে চার মাসে ৫০ হাজার মামলা নিষ্পত্তি। প্রধান বিচারপতির উদ্যোগ। সংখ্যা কমলেও মামলাগুলো গুরুত্বপূর্ণ না-সুপ্রিম কোর্টি আইনজীবী সমিতির সভাপতি।
২০১২ সালের ৬ আগস্ট, দৈনিক জনকন্ঠ: বাংলাদেশের আদালতে প্রায় ৩০ লাখ মামলা বিচারধীন আছে। ম্ামলা জট।
২০১৬ সালের ১ মার্চ, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তর। বিচারাধীন চোরাচালান মামলা ৩০ হাজার ৭৮৭টি।
১৯৯৭ সালের ১৭ নভেম্বরের হিসেব-পাকিস্তানের পতিতালয়ে ৪০(চল্লিশ হাজার) বাংলাদেশী নারী ও শিশু আছে।
১৯৯৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের তথ্য-পাকিস্তানে প্রায় ১৫(পনের) লক্ষ বাংলাদেশী আছে। এ লজ্জা আমাদের। আমরা বাঙ্গালীরা পাকিস্তান ভেঙ্গে ফেলছি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, আর আজ আমাদের লোকজনরা পাকিস্তানে চলে যাচ্ছে বাঁচার জন্য। তা'হলে যে আমরা বলছি-পাকিস্তানিরা আমাদের সম্পদ লুট করে নিয়ে যেত এবং বাংলাদেশের সম্পদ ছাড়া পাকিস্তানিরা চলতে পারবে না। অচিরেই গরীব হয়ে যাবে। আমরা বাঙ্গালীরা যা ভাবছিলাম তা সবই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশের সম্পদ ছাড়া পাকিস্তান আগাচ্ছে-কিন্তু আমরা বাঙ্গালীরা বা বাংলাদেশীরা আগাইতে পারছি না কেন?
২০০০ সালের ২৮ নভেম্বর, পাকিস্তানী ডেপুটী হাইকমিশনারের ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তি: একাত্তরে আওয়ামীলীগের দুস্কৃতিকারীরাই প্রথম নৃশংসতা শুরু করে।
২০০৪ সালের ৩১ অক্টোবর, সালাহউদ্দিন বাবলু: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৩টি জেলার ৭০টি জেনেভা ক্যাম্পে অবস্থিত 'অবাঙ্গালী"দের বাংলাদেশী নাগরিকত্ব দেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ১৯৭২ সালে 'আটকেপড়া" সর্বেমাট ৫,৩৯,৬৬৯ জন অবাঙ্গালী বিহারী পাকিস্তানে প্রত্যাবাসনের উদ্দেশ্যে আন্তর্জািতক রেডক্রসের কাছে ইচ্ছা ব্যক্ত করে। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর ভারতের বিহার ও অন্যান্য প্রদেশ থেকে আগত এসব অবাঙ্গালী মুসলমান (মোহাজির) তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর 'বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ' নির্ধারণে এরা পাকিস্তানে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের পক্ষে ইচ্ছা প্রকাশ করলে আন্তর্জািতক রেডক্রস র্কতৃক ঢাকাসহ দেশের ১৩টি জেলার ৭০টি ক্যাম্পে এ সকল 'আটকেপড়া' অবাঙ্গালীদের সাময়িকভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়। বতমানে বাংলাদেশে আছে ৪০,২০৮টি পরিবার। ক্যাম্প এবং ক্যাম্পের বাহিরে মিলে সর্বেমাট ২ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪০ জন সদস্য বাংলাদেশে বসবাস করছে।
১৫-১১-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: পাকিস্তানে বসবাসকারী বাঙ্গালীদের নাগরিকত্ব প্রদানের উদ্যোগ-১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের আগ পর্যন্ত পাকিস্তানে বসবাসকারী বাঙ্গালীদের পাকিস্তানের নাগরিকত্ব দেয়ার জন্য সেদেশের একটি উচ্চ পর্যােয়র কমিটি প্রস্তাব করেছে। প্রায় ১৫-লক্ষ বাঙ্গালী পাকিস্তানে বসবাস করছে।
২০০৫ সালের ২০ নভেম্বর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: পাকিস্তানের হোম টেক্সটাইল (গৃহসজ্জা সামগ্রী) বাংলাদেশে স্থানান্তরে উদ্যোক্তাদের আগ্রহ প্রকাশ।
২০০৫ সালের ২১ নভেম্বর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: বাংলাদেশের বস্ত্র খাতে পাকিস্তান ৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
২০০৫ সালের ১৩ নভেম্বর, বিশেষ সংবাদদাতা: প্রথম সার্ক পদক (সার্ক অ্যাওয়ার্ড-২০০৪) দেয়া হয়েছে সার্কের উদ্যোক্তা মরহুম জিয়াউর রহমানকে। সার্কের বিদায়ী চেয়ারপার্সন ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজের কাছ থেকে জিয়া পরিবারের পক্ষে প্রথম সার্ক এ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা শহীদ জিয়াউর রহমানের বড় ছেলে তারেক রহমান।