| গরুর সংখ্যা কত | ২২,১০২টি(২০১৫ সালে) |
| মোরক-মুরগির সংখ্যা কত | ২,০৮,১০১টি |
| জল মহাল কতটি | ২৪টি | জমি ৯৩৪ একর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সক্ষম দম্পতির সংখ্যা | ৫৪,৫৫৪ জন |
| পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র | ১০টি |
| সনাতন বাহন আছে | পাল্কি, গরু ও গোড়ার গাড়ি নেই |
| মেলা কয়টি স্থানে হয় | ৩টি স্থানে | রূপসদী, বাঞ্ছারামপুর ও দরিয়াদৌলত |
| রূপসদী গ্রামে কয়টি মেলা হয় | ২টি | রূপসদী গ্রামের খানেপাড়াতে ১ম দিন একটি মেলা হয় এবং ২য় দিন |
| হয় রূপসদী গ্রামের দক্ষিণপাড়ার বাজারে |
| নিট কৃষি জমির পরিমাণ | ৪৬,২৮৫ একর, ১০০(একশত) শতকে ১(এক) একর, ২৫০(দুইশত পঞ্চাশ) শতকে |
| ১(এক) হেক্টর, ৬৪০(ছয়শত চল্লিশ) একরে ১(এক) বর্গমাইল |
| অনাবাদি জমির পরিমাণ | ১৩,৮৮৫ একর |
| এক ফসলা জমির পরিমাণ | ১০,৩২২ একর |
| দুই ফসলা জমির পরিমাণ | ১৪,৭৪৫ একর |
| তিন ফসলা জমির পরিমাণ | ৪,৪২৩ একর |
| সেচকৃত জমির পরিমাণ | ২৩,৮৫৩ একর |
| কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র | ০১টি |
| সমবায় সমিতি(কে.এস.এম.) | ২৩৯টি |
| তাঁতী সমবায় সমিতি | ১২১টি ছিল-এখন কতটি আছে জানা নেই |
| ক্ষুদ্র ঋণ/বহুমুখী সমবায় সমিতি | ৭৯টি |
| ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি | ৯৯৯টি |
| বড় মাযার কয়টি | ০১টি | মাসিন্নগর বাজারে অবস্থিত |
| ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট কয়টি | ০১টি |
| সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কয়টি | ০২টি |
| টাইপ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র | ০১টি |
| সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও পাবলিক লাইব্রেরী | ০১টি |
| রেজিষ্ট্রার্ড ক্লাব কয়টি | ১টি |
| ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা | ২৫,০০০টি |
| পুলিশ অনুমোদিত পদের সংখ্যা কত | ৪৩ জন | আর কর্মরত আছে-৪১ জন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার এল.এস.ডি. গোডাউন ধারণ | ১,০০০ মেট্রিক টন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর ও ফেরাইজ্জাকান্দি গ্রামে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর গ্রামে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রতি | ৩,৫৫০(তিন হাজার পাঁচশত পঁঞ্চাশ) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রতি বর্গমাইলে | ২,৪৯০(দুই হাজার চারিশত নব্বই) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| বাংলাদেশে প্রতি বর্গমাইলে বাস করে | ২,৯৬৭(দুই হাজার নয়শত সাষট্টি) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| পৃথিবীতে প্রতি বর্গমাইলে কতজন | ১২৭ জন | ০৭-০৩-২০১৫ তারিখ পৃথিবীর লোকসংখ্যা ছিল-৭২৯ কোটি |
| লোক বাস করে | এরমধ্যে বাঙ্গালী বা বাংলা ভাষায় কথা বলে প্রায়-২৮ কোটি লোক |
| পৃথিবীর লোকসংখ্যার ২৬ ভাগের ১ ভাগ হলো বাঙ্গালী বা বাংলা ভাষায় |
| কথা বলে | লোকসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর ৫ম স্থানে হলো বাংলা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আয়তন কত | ৮০ বর্গমাইল বা ১৮৬.৬৬ বর্গ কি.মি. |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আয়তন | ১২০৫ বর্গমাইল বা ১৯২৭ বর্গ কি.মি. |
| বাংলাদেশের আয়তন কত | ৫৭,২৯৫(সাতান্ন হাজার দুইশত পঁচানব্বই) বর্গমাইল | এক লক্ষ সাতচল্লিশ |
| মানুষের বাসযোগ্য পৃথিবীর আয়তন | ৫,৭০,১৭,০০০(পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ সতের হাজার) বর্গমাইল | মানুষের |
| সাগর, জল ও স্থলসহ | ১৯,৫২,৫০,৮০০(উনিশ কোটি বায়ান্ন লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার আটশত) বর্গমাইল | এরমধ্যে |
| পৃথিবীর আয়তন কত | ২১টি ছোট-বড় সাগরের আয়তন হলো-১৩,৮২,৩৩,৮০০(তের কোটি বিরাশি লক্ষ তেত্রিশ |
| পৃথিবী থেকে বাংলাদেশ, | পৃথিবীর কাছ থেকে বাংলাদেশ যায়গা পেয়েছে-৯৯৫ ভাগের ১ ভাগ যায়গা, মানুষের |
| বাংলাদেশ থেকে | তুলনায় পৃথিবীর কাছ থেকে বাংলাদেশ জায়গা-জমি পাওয়া উচিত ছিল-১৩,২৫,৯৭৭(তের |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও | লক্ষ পঁচিশ হাজার নয়শত সাতাত্তর) বর্গমাইল | কিন্তু জায়গা-জমি |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে | পেয়েছে-৫৭,২৯৫(সাতান্ন হাজার দুইশত পঁচানব্বই) বর্গমাইল | বাংলাদেশ থেকে |
| বাঞ্ছারামপুর | বি-বাড়িয়া জেলা জায়গা-জমি পেয়েছে-৪৭.৫৫ ভাগের ১ ভাগ জায়গা-জমি, মানুষের |
| উপজেলা-কতটুকু যায়গা | তুলনায় বাংলাদেশ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জায়গা-জমি পেয়েছে কিছু বেশী |
| পেয়েছে তার হিসেব দেয়া | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা জায়গা-জমি পেয়েছে-১৫.০৫ ভাগের ১ |
| হলো: | ভাগ জায়গা-জমি (৮০ বর্গমাইল) জায়গা-জমি মানুষের তুলনায় জায়গা-জমি পাওয়া |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাস করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৮ দশমিক ৫৭ ভাগের ১ ভাগ |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, | মানুষ, বাংলাদেশের ৫৩৮ ভাগের ১ ভাগ মানুষ এবং পৃথিবীর ২৪,৩৩৩ ভাগের ১ ভাগ |
| বাংলাদেশের এবং | মানুষ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বাস করে বাংলাদেশের-৫৪ দশমিক ৬৭ ভাগের ১ ভাগ |
| পৃথিবীর কতভাগ লোক | মানুষ এবং পৃথিবীর-২,৪৩৩ ভাগের ১ ভাগ মানুষ | বাংলাদেশে বাস করে পৃথিবীর-৪৩ |
| বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন | ২০১৪ সালে ৩.৯৫(তিন কোটি পঁচানব্বই লক্ষ) টন |
| ২০১২ সালে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন হয় | প্রায়-২২৫(দুইশত পঁচিশ কোটি) টন |
| ২০১২ সালে বিশ্বে খাদ্য মজুদ ছিল | প্রায় ৪০ কোটি টন |
| পৃথিবীর খাদ্যের কতগুণ হয় | ৬৫ ভাগের ১ ভাগ খাদ্য উৎপাদন হয় বাংলাদেশে | পৃথিবীর ৪৩ ভাগের ১ |
| বাংলাদেশে | ভাগ মানুষ বাস করে বাংলাদেশে |
| পৃথিবীর লোকসংখ্যার আনুপাতিক | বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন হতো-৫(পাঁচ) কোটি টন | আধুনিক পদ্ধতিতে |
| হারে খাদ্য উৎপাদন করতে পারলে | চাষ করলে (ফাওয়ের হিসেব অনূযায়ী) বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি কি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি মেঘনা প্লাবন ভূমি নামে পরিচিতি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি বর্ষাকালে পানির নিচে চলে যায় এবং |
| বর্ষাকালে কি রুপ ধারণ করে- | পানির উপরে থাকে শুধু যেখানে মাটি ভরাট করে কৃত্রিম উপায়ে উঁচু |
| ভূমি সৃষ্টি করে বাড়িঘর নির্মাণ করা হয়েছে |
| ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় তাঁতের সংখ্যা ছিল | ১৬(ষোল) হাজার |
| ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর-এ এসে বাঞ্ছারামপুর উপজেলাতে তাঁতের সংখ্যা | ৫০০(পাঁচশত) |
| বাঞ্ছারামপুর থানার | বাঞ্ছারামপুর থানা প্রতিষ্ঠা হয় ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে | ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি |
| প্রতিষ্ঠাকাল | নাম ছিল তার পূর্বে ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে মরিচাকান্দি পুলিশ ফাঁড়ি নাম ছিল | এ পুলিশ |
| ফাঁড়িগুলি যখন ছিল তখন গৌরিপুর থানা প্রতিষ্ঠিত হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং নবীনগর-এর |
| নামে থানার নামকরণ করা হয় ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার নাম পরিবর্তন করে | ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানার নাম পরিবর্তন করে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নাম করণ হয় কবে | ''বাঞ্ছারামপুর উপজেলা'' নামকরণ করা হয় |
| ২০০৪ সালের ২৫ | আজ থেকে আগামী দুই বছরের মধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে আপনারা গাড়ী |
| জানুয়ারি, | নিয়ে যেতে পারবেন | এ কথার সাথে আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) একমত নই এ কারণে |
| বাঞ্ছারামপুর | যে, উনি জনাব এম. এ. খালেক, পি.এস.সি. বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে গাড়ী |
| উপজেলা কল্যাণ | নিয়ে যাওয়ার মত রাস্তা তৈরী করতে পারবেন না | তিনি আরো বলেছেন যে, আগামী দুই |
| সমিতির বার্ষিক | বছরের মধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে এবং এও বলেছে |
| সাধারণ সভায় | যে, বাংলাদেশে ৫০% গ্রামে বিদ্যুৎ আছে | আর বর্তমানে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৮০% |
| মাননীয় সংসদ সদস্য | গ্রামে বিদ্যুত আছে | আমার কথা হলো যে, এ অঙ্গীকারও তিনি পালন করতে পারবে না-মানে |
| জনাব এম. এ. | সবাইকে বিদ্যুৎ দিতে পারবে না | যদিও তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সব গ্রামে বিদ্যুত |
| খালেক, পি. এস. | লাইন সরবরাহ করেও থাকে তা'হলেও সকল গ্রামের সবাইকে বিদ্যুত দিতে পারবে না | এখনও |
| সি. তাঁর ভাষণে | বাংলাদেশের ৫০% গ্রামের সবাই বিদ্যুৎ পায় না | বাংলাদশের ৩৫% লোক বিদ্যুৎ সুবিধা |
| বলেন যে: | পেয়ে থাকে তাও আবার নিয়মিত না | বাংলাদেশের মধ্যে নিয়মিত শতকরা বড়জোর ২০% লোক |
| নিয়মিত বিদ্যুৎ সুবিধা পায় |
| ২০০৪ সালের ২৫ | মিরপুর গ্রামে ৫০০ বেডের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবে | এ কথা বলায় অনেকে হাততালি |
| জানুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর | দিয়েছে | এ কথার সাথে আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) একমত নই এ কারণে যে, |
| উপজেলা কল্যাণ সমিতির | উনি ড. রওশন আলম গ্রামে ৫০০ বেডের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবে না, কারণ |
| বার্ষিক সাধারণ সভায় | পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থায় মিরপুরের মত গ্রামে এ হাসপাতাল চলবে না | এ সমাজ |
| মিরপুর গ্রামের ড. রওশন | ব্যবস্থায় কেউ কোন প্রতিষ্ঠান মুনাফার বাহিরে প্রতিষ্ঠা করে না | ড. রওশন আলম |
| আলম বলেন যে, | ফাঁকা বক্তব্য দিয়েছে সমিতির সভায় | এখনো পর্যন্ত মিরপুরে ৫০০ বেডের বা ৫০ |
| বেডের হাসপাতালও করতে পারে নাই(৩০-১২-২০১৫ তারিখ পর্যন্ত প্রায় ১২ বছর পরও |
| ২০১০ সালের ২৩ | কড়ইতলা ঘাটে ফেরিত ব্যাপার নয়-অল্প কিছু দিনের মধ্যে হয়ে যাবে এবং আগামীতে মেঘনা |
| জানুয়ারি, | নদীর ওপর একটি ব্রিজ হবে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লোকেরা মেঘনা নদীর ওপর ব্রিজ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা | দিয়ে ঢাকাতে যাতায়াত করবে | এ কথার সাথে আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) একমত |
| কল্যাণ সমিতির | নই এ কারণে যে, উনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপটেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম |
| বার্ষিক সাধারণ সভায় | আগামী ২০১৩ সালের মধ্যে কড়ইকান্দি থেকে টেইট্টা পর্যন্ত মেঘনা নদীর ওপর ব্রিজ করতে |
| মাননীয় সংসদ সদস্য ও | পারবে না বা করবে না | এখন পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানুষের যোগাযোগের |
| মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক | মাধ্যম বাস-সার্ভিস হয়নি | তবে আমার জানা মতে ১৯৮৫ ও ১৯৮৬ সাল থেকে ঢাকা হতে |
| প্রতিমন্ত্রী ক্যাপটেন | হোমনা ও নবীনগরে বাস-সার্ভিস চালু হয় | তিনি আরো বলেছেন যে, আগামী দুই |
| (অব.) এ. বি. তাজুল | বছরের মধ্যে মানে ২০১২ সালের মধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে বিদ্যুৎ ও |
| ইসলাম প্রধান অতিথির | গ্যাস সরবরাহ করবে | আমার কথা হলো যে, এ অঙ্গীকারও তিনি পালন করতে পারবে |
| ভাষণে বলেন যে: | না-মানে সবাইকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ দিতে পারবে না | যদিও তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার |
| সব গ্রামে গ্যাস ও বিদ্যুত লাইন সরবরাহ করেও থাকে তা'হলেও সকল গ্রামের সবাইকে |
| বিদ্যুত দিতে পারবে না | ২০১৫ সালে এখনও বাংলাদেশের ৭০% গ্রামের সবাই বিদ্যুৎ পায় |
| না | বাংলাদশের ৬৭% ভাগ লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়ে থাকে তাও আবার নিয়মিত না |
| বাংলাদেশের মধ্যে নিয়মিত শতকরা বড়জোর ৪৫% লোক নিয়মিত বিদ্যুৎ সুবিধা পায় |
| ২০১২ সালের ২০ জানুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা | বাঞ্ছারামপুরের জনগণের জন্য কড়ইকান্দি থেকে টেইট্টা পর্যন্ত |
| কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় মাননীয় সংসদ | মেঘনা নদীর ওপর ব্রিজ করা সমীচীন হবে না | দু'বছর পর |
| সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপটেন (অব.) | মন্ত্রী সাহেবের অনুভব হয় যে, বর্তমান সময়ে ব্রীজ করা |
| এ. বি. তাজুল ইসলাম প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন | সম্ভব হবে না | তাই দেরীতে হলেও সত্য কথা বলেছে | ২০১৫ |
| যে: | সালে এসে এখন বলছেন যে চায়না-বাংলাদেশ ৯ম ফ্রেন্ডশীফ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
| কারো নিকট কোন নতুন | গ্রাম-ভেলানগর (বড়বাড়ি), পোঃ-রূপসদী, উপজেলা-বাঞ্ছারামপুর, |
| তথ্য জানা থাকলে- | জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম, দেশ-বাংলাদেশ | মোবাঃ-০১৭১৬৬৫৪৮৪৪ | এ |
| টেলিফোন নাম্বারে আমাকে জানানোর জন্য আপনাদেরকে বিনীত অনুরোধ করছি |
।বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের নামের তালিকাসমূহ:।
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে মোট | ভেলানগর, বালুয়াকান্দি, ছয়ফুল্লাকান্দি, দরিভেলানগর, ফতেপুর, শরীফপুর, |
| ১২টি গ্রাম আছে | পাড়াতুলি, মধ্যনগর, ডোমরাকান্দি, মঙ্গলকান্দী, কাঞ্চনপুর ও মাসিমনগর |
| দরিকান্দি ইউনিয়নে মোট ৯টি | খাল্লা, কৃষ্ণনগর, বাহাদুরপুর, দরিকান্দি, দরিগাঁও, গোকুলনগর, |
| গ্রাম আছে | গোপালনগর, ইমামনগর ও জীবনগঞ্জ |
| রূপসদী ইউনিয়নে মোট ৪টি | রূপসদী, আশ্রফপুর, হোগলাকান্দি ও খাউরপুর |
| ফরদাবাদ ইউনিয়নে মোট ৭টি | নিজকান্দি, গাওরাটুলি, তিলককান্দি, পূর্বহাটি, |
| গ্রাম আছে | কলাকান্দি, চরলহনিয়া ও ফরদাবাদ |
| তেজখালি ইউনিয়নে মোট ৯টি | জয়নগর, ইমামনগর, আকানগর, গোটকান্দি, |
| গ্রাম আছে | হরিনগর, বিষ্ণরামপুর, বাহেরচর(বারাইলচর), |
| পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নে মোট | জয়কালিপুর, নবীপুর, ডোমরাকান্দি, উলুকান্দি, |
| ৯টি গ্রাম আছে | বড়কান্দি, কলাকান্দি, হিজলাকান্দি, পাহাড়িয়াকান্দি |
| দরিয়াদৌলত ইউনিয়নে মোট ৯টি | মরিচাকান্দি, বাখরনগর, নতুন কদমতলি, |
| গ্রাম আছে | শুঁটকীকান্দি, তাতুয়াকান্দি, কদমতলি, দরিয়াদৌলত, |
| সোনারামপুর ইউনিয়নে মোট | চরমরিচকান্দি, কানাইনগর, শান্তিপুর, ইছাপুর, |