| ১৯৮৬ সালের ৭ মে, বাঞ্ছারামপুর থানার ৩য় জাতীয় | কদমতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব সহিদুর রহমান |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) | তাঁর জন্ম-১৯৫০ সালে |
| ছিলেন |
| ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ, বাঞ্ছারামপুর থানার ৪র্থ | ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি |
| জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | আশরাফ | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে, মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ |
| (এম.পি.) ছিলেন | তারিখ |
| ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার | ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি |
| ৫ম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত | আশরাফ | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে, মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | তারিখ |
| ১৯৯৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার ৫ম | ১৯৯৪ সালের জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি |
| জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনে | হলেন রূপসদী গ্রামের মরহুম মোঃ শাহজাহান হাওলাদার (সূজন) তাঁর |
| নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | জন্ম-১৯৬৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৭-২০০১ তারিখ |
| ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার | ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে |
| ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত | নির্বািচত প্রতিনিধি হলেন রূপসদী গ্রামের মোঃ শাহজাহান |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | হাওলাদার (সূজন) | তাঁর জন্ম-১৯৬৫ সালে, |
| মৃত্যু-০৩-০৭-২০০১ তারিখ |
| ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের, বাঞ্ছারামপুর থানার ৭ম | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. |
| জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত | তাজুল ইসলাম (তরু/তাজ) | তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের ১৮ জুন |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন |
| ২০০১ সালের ১ অক্টোবর, বাঞ্ছারামপুর | বাড়াইলচর(বাহেরচর) গ্রামের অধিবাসী জনাব এম.এ. খালেক, পি.এস.সি. |
| থানার ৮ম জাতীয় সংসদ-সদস্য | (বাংলাদেশ আমলে ১৯৭৩, ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬ সালের ১৫ |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন, ২০০১ সালের ১ অক্টোবর | উনার |
| (এম.পি.) হলেন | জন্ম-১৯৩৮ সালে |
| ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর উপজেলা | (তরু/তাঁজ) | তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের ১৮ জুন | দ্বিতীয়বার তিনি |
| এবং নবীনগর উপজেলার | ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার |
| আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি | আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন | ) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের |
| ইউনিয়ন-এর ৯ম জাতীয় সংসদ-সদস্য | মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হন ০৬-০১-২০০৯ তারিখ | বাঞ্ছারামপুর |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | উপজেলাবাসীর মধ্যে মন্ত্রী হওয়ার দিক থেকে তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তি |
| (এম.পি.) হলেন |
| ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার | ইসলাম (তরু/তাঁজ) | তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের ১৮ জুন |
| আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন-এর ১০ম | তৃতীয়বার তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং |
| জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় | নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন | ) |
| নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেন |
| ১৯৮৫ সালে বাঞ্ছারামপুর | ১৯৮৫ সালে উপজেলা পদ্ধতি চালু হওয়ার পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে |
| উপজেলার প্রথম উপজেলা পরিষদ | মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী প্রাক্তন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ও ডি. |
| চেয়ারম্যান নির্বাচনে নির্বািচত | আই. জি. (অব.) মরহুম এম. এ. আউয়াল, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা |
| চেয়ারম্যান ছিলেন | চেয়ারম্যান নির্বািচত হন | উনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ |
| তারিখ |
| ১৯৮৬ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | ১৯৮৬ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান |
| প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হন দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. |
| উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান | এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক |
| ছিলেন |
| ১৯৯০ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দ্বিতীয় | বুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ দুদ মিঞা মাষ্টার |
| উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে | এরপর আর উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি | উনার জন্ম-১৯৪৩ |
| নির্বািচত চেয়ারম্যান ছিলেন | খ্রিষ্টাব্দে |
| ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুর | দশদনা গ্রামের জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ) |
| উপজেলার তৃতীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | উনি বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন |
| নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেন |
| ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি | দরিয়াদৌলত গ্রামের ডলি আক্তার (আওয়ামী লীগ) ও জনাব মোঃ শফিকুল |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলা | ইসলাম (আওয়ামী লীগ) | শফিকুল ইসলাম মারা গেছেন ০২-০৮-২০১০ |
| পরিষদ নির্বাচনে প্রথম নির্বািচত | তারিখ |
| দু'জন ভাইস-চেয়ারম্যান-এর মধ্যে | উপজেলা পরিষদে এবারই একজন পুরুষ ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি |
| একজন পুরুষ ও একজন মহিলা: | হয়েছে |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৪র্থ উপজেলা পরিষদ | মানিকপুর গ্রামের মো: নুরুল ইসলাম | বাঞ্ছারামপুর |
| চেয়ারম্যান নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেন | উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম ব্যক্তি ঢাকা | ফরদবাদ গ্রামের অধিবাসী (বর্তমান ধানমন্ডি, ভূতেরগুলির বাসিন্দা) |
| শহরের আজিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের | আলহাজ্জ মোঃ ইউনুস মিঞা | উনার জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-২৭-১১-১৯৭৭ |
| চেয়ারম্যান ছিলেন | তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম পন্ডিত আবদুল হাকিম ও মরহুমা মিসেস |
| সর্বপ্রথম ঢাকা শহরে বইয়ের | আমেনা বেগমের পুত্রদ্বয় জনাব মোঃ ইদন মিঞা ও মরহুম মোঃ মিদন |
| লাইব্রেরী কাদের ছিল | মিঞা-তারা উভয়ে ১৯৪৭ সাল থেকে ঢাকার ইসলামপুরে সিটি পাবলিসার |
| নামে লাইব্রেরী দিয়েছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের আবদুল মান্নান (কেনু মিঞা), ১৯৬৪ সালে লন্ডন চলে |
| সর্বপ্রথম সবচেয়ে দামী বিল্ডিং | যান | গ্রামের বাড়ীতে উনার ছেলেরা ভেলানগর সরকারবাড়ীতে দুই কোটি |
| গ্রামের বাড়ীতে কে তৈরী করেন | টাকার উপরে খরচ করে বিদেশী মডেলে একটি দ্বোতালা বিল্ডিং তৈরী |
| করেছে-২০০৪ খ্রিষ্টাব্দে | উনার জন্ম-১৯২২, মৃত্যু-১৭-১০-২০০১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ২০০৪ সালে রূপসদী গ্রামের সরকারবাড়ীর সাথে তিনতলা (৭,০০০ হাজার) |
| সর্বপ্রথম সবচেয়ে বড় হসপিটাল প্রথম | বর্গফুট আয়তনের মাহবুবুর রহমান মেমোরিয়াল হসপিটাল প্রতিষ্ঠিত হয় |
| কোন গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করেন | প্রতিষ্ঠাতা হলেন-জনাব মোঃ মজিবুর রহমান, মোঃ শফিকুর রহমান, মো: |
| আতিকুর রহমান ও অন্যান্য ভাইয়েরা মিলিতভাবে বাবার নামে এ হসপিটাল |
| প্রতিষ্ঠা করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ | বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী |
| সমিতির প্রথম অফিস | কলাবাগান-এ বর্তমান নিবাসী মরহুম মোঃ যাকারিয়ার গ্রীণ রোডস্থ দোকানে এবং |
| কোথায় ছিল | তাঁর কলাবাগানের বাসায় সমিতির অস্থায়ী অফিস হিসেবে প্রায় ৩(তিন) বছরের মত |
| সময় ব্যবহার করা হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ | বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির অফিস মিরপুর গ্রামের অধিবাসী মেজর (অব.) এস. |
| সমিতির অফিস দীর্ঘ সময় | এ. মান্নান সাহেবের বাসায় (৭৪, নর্থ রোড, ভূতেরগুলি, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫) |
| কোথায় ছিল | সমিতির অফিসের কাজ-কর্ম করা হয় এবং রেজিষ্টার্ড অফিস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে |
| প্রায় ২৪ বছর যাবত মেজর (অব.) এস. এ. মান্নান ও উনার স্ত্রী আসিয়া খাতুন |
| সমিতির কল্যাণে ঢাকা প্রবাসী (বাঞ্ছারামপুর থানার) মানুষদের জন্য যে ত্যাগ |
| স্বীকার করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ | ঢাকার তোপখানা রোডের মেহেরবা পস্নাজার ১২তলাতে সমিতির স্থায়ী অফিস | সেখানে |
| সমিতির অফিস বর্তমানে | সমিতির লোকজনদের যাতায়াত খুব কম | কিন্তু সমিতির স্থায়ী অফিসের পরিবর্তে |
| কোথায় | ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর), গ্রীণ |
| রোডের কনকর্ড আর্কেিডয়ার ৬ষ্ঠ তলাতে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের ক্লাশ রুমে প্রতি |
| মাসের ২য় সপ্তাহের সোমবার দিন বিকেল ৫ ঘটিকার সময় সমিতির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত |
| হয় | সমিতি এ সুযোগ যদি ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ |
| আহামেদ (বাবুর) নিকট না পেত, তা'হলে সমিতির বিকাশ আশা করা যেত না |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ | পাড়াতুলি গ্রামের জনাব মোঃ মজিবুর রহমানের আন্তরিক সহযোগিতায় নায়েম |
| সমিতির সাধারণ সভাগুলি | অডিটরিয়ামে সমিতির সবগুলি সাধারণ সভা ও বিশেষ সাধারণ সভাগুলি অনুষ্ঠিত হয়ে |
| প্রায়ই অনুষ্ঠিত হয়েছে কোথায় | আসছে | মুজিবুর রহমানের জন্ম-১৯৪০ সালে পাড়াতুলি গ্রামে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ | ১৯৯২ সালে ছিল-১২ জন, ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ছিল-৪০৬ জন এবং ২০০৬ সালের আগষ্টে |
| সমিতির আজীবন সদস্যসংখ্যা | হয়েছে প্রায়-৭৩১ জন, ২০০৭ সালে ৭৩৮ জন, ১১-০৩-২০০৮ তারিখ ৭৪৬ জন এবং |
| ২০১০ সালের ২৩ জানুয়ারি-পর্যন্ত আজীবন সদস্যসংখ্যা-৭৭১ জন এরমধ্যে মারা |
| গেছেন ৩৮ জন এবং ১৫-০১-২০১১ তারিখ পর্যন্ত ৮০৬ জন আর মারা গেছে ৪২ জন |
| ৮১৭ জন আজীবন সদস্য ০৭-০৩-২০১৪ তারিখ পর্যন্ত | এর মধ্যে মারা গেছেন-৪৯ |
| জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির | ১২৩ জন+৪ জন=১২৭ জন বৃত্তি তহবিলে দান করেছেন এবং টাকার |
| স্থায়ী বৃত্তি তহবিল (০৭-০৩-২০১৪ | পরিমাণ=২৩,৫৮,৮৬৪ (তেইশ লাখ আটান্ন হাজার আটশত চৌসট্টি) টাকা |
| তারিখ) পর্যন্ত কত টাকা হয়েছে এবং | মাত্র | ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি, আরো ৪(চার) জন ১০,০০০(দশ হাজার) |
| ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি, আরো | কওে ৩০,০০০(ত্রিশ হাজার) এবং ময়নাল হোসেন চৌধুরী বাবার |
| ৪(চার) জন দান করেছে | নামে=৫০,০০০(পঁঞ্চাশ) হাজার মোট=৮০,০০০/-=২৪,৩৮,৮৬৪/-(চব্বিশ লাখ |
| আটত্রিশ হাজার আটশত চৌসট্টি) টাকা মাত্র |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির | ৬ জন উচ্চ বৃত্তি তহবিলে দান করেছেন এবং টাকার |
| ''উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি তহবিল' কতজন দান | পরিমাণ=১৮,০০,০০০/=(আঠার লক্ষ) টাকা | ২৪-০১-২০১৫ তারিখ ইঞ্জিনিয়ার |
| করেছেন ২৪-০১-২০১৫ তারিখ | আজহারুল হক-৫,০০,০০০/-টাকা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ক্যাপ্টেন(অব.) এ. |
| মোট-১৩৩ জন সাধারণ ও উচ্চ বৃত্তি | বি. তাজুল ইসলাম, এম.পি.=১০,০০,০০০/-(দশ লক্ষ) টাকা দিয়েছেন |
| দিয়েছেন | মোট=৩৩,০০,০০০/- টাকা হয়েছে |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির | প্রথম ১৯৭৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালের বন্যাত্তোর ত্রাণ ও পূর্ণবাসন |
| মাধ্যমে কোন কোন বছর বন্যাত্তোর | কর্মসূচী বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে বাঞ্ছারামপুর থানার |
| ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মসূচী পালিত হয় | সবগুলি গ্রামে নগদ টাকা, বেশকিছু ওষধপত্র ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী বন্যা |
| দূর্গতদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম | পাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তা | ২০০৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর, সরকারী |
| সরকার র্কতৃক অনুমোদিত | অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রথম পাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তার ১ম সংখ্যা প্রকাশিত |
| বাঞ্ছারামপুর পাক্ষিক কোনটি | হয় | সম্পাদক ও প্রকাশক মনিরুজ্জামান পামেন (বাঁশগাড়ী) ও প্রধান |
| সম্পাদক জান্নাতুল ইসলাম(ডালিম)-এর বাড়ি-পাড়াতুলি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির | বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম সংখ্যা |
| মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম প্রকাশ | ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশ করা হয় | বলা হয়েছে প্রতি তিন মাস |
| করা হয়: | অন্তর পত্রিকাটি প্রকাশ করা হবে এবং আরো বলা হয়েছে নিরপেক্ষতা বজায় |
| রেখে শিকড়ের সন্ধানে সত্য ও ঐতিহ্য সন্ধান করে যাবে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম কোন | রূপসদী গ্রামের(উত্তরপাড়ার) অধিবাসী জনাব মোঃ |
| গ্রামের বাসিন্দা-১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে | হারুন-অর-রশীদ(খলিফা), পিতা-মোঃ আবু মিঞা, গ্রাম-রূপসদী, |
| ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারে | পোঃ-রূপসদী, বাঞ্ছারামপুর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম, |
| ভূষিত হয় | বাংলাদেশ | ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' রচনা কমপিটিশনে ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| তাকে রেডিও বেইজিং, বেইজিং টুরিযম এডমিনিস্ট্রেশন, সাটিফিকেট কার্ড |
| ফর এ্যাসে কমপিটিশন-১৯৮৮ ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারে ভূষিত |
| করে |
| মুক্তিযোদ্ধা | ৪৯৫ জন ছিল, ৩১-০৫-২০১০ তারিখে ৮১৮ জন ছিল বর্তমানে ৭৭৩ জন এবং |
| ভোটার-৬৪৫ জন | ৬৮২ জন মুক্তিযোদ্ধা |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ | ১টি |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার | আসাদনগর গ্রামের জনাব এইচ. এম. আবদুল |
| কাদির |
| শহীদ মুক্তিযোদ্ধা | ২৭ জন |
| আহত মুক্তিযোদ্ধা | ৩৯ জন |
| ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক ঘটনাবলি | পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে দু'জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ |
| হন |
| বিদ্যুতায়িত গ্রাম | ১২১টি |
| সিনেমা হল | ৩টি |
| পোষ্ট অফিস | ১৮টি |
| টেলিগ্রাম অফিস | ১টি |
| টেলিফোন একচেঞ্জ | ১টি |
| পি.সি.ও. | ৩টি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য উৎপাদন | ৪০,৫৪৮ মেট্রিক টন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মেগাজিনে এবং |
| কত টন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্র-ছাত্রী মৈত্রী সমিতির মেগাজিনে খাদ্য উৎপাদন |
| দেখানো হয়েছে-৭,৮৮,৪২২ মে. টন | এটা ভুল দেখানো হয়েছে |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় খাদ্য উৎপাদন হয়-৭,৮৮,৪২২ মে. টন | জেলার |
| খাদ্যউৎপাদন বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দেখানো হয়েছে এটা মারাত্ত্বক ভুল |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য চাহিদা | ৫৩,০৪৭ ম্যাট্রিক টন |
| কত টন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য উৎপাদন | ৪৮,৮৫৫ ম্যাট্রিক টন | ২০১২-২০১৩ সালের |
| কত টন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য ঘাটতি | ৪,১৯২ ম্যাট্রিক টন |
| কত টন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মহিলারা | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয় তার অর্ধেক |
| খাদ্যশস্য উৎপাদন করে | নারীর পরিশ্রমের ফসল |
| টেলিভিশন আছে কয়টি | ৩০,৫০০টি পরিবারের | ২৮-০৩-২০১৫ তারিখ |
| রঙ্গিন টেলিভিশন আছে | ১১,৯০০টি পরিবারের |
| সেচ গভীর নলকুপ | নেই |
| অ-গভীর নলকুপ | ১,৫৮৩টি |
| স্যালো নলকুপ | ১০৭টি |
| শক্তিচালিত পাম্প | ২২১টি |
| পানীয় জলের নলকুপ | ২৪,৪২৩টি |
| সেনীটারী ল্যাট্রিন | ৫৪,৩৫৫টি |
| সরকারী হাসপাতাল | ০১টি |
| ডাক্তারের সংখ্যা | ২২ জন |
| কর্মরত সরকারি ডাক্তার | ১৪ জন |
| ডাক্তার অনুপাত মানুষ | ১:২১,০০০ জন |
| বে-সরকারি হাসপাতাল | ৪টি |
| ক্লিনিক কয়টি | ১টি |
| স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র | ১৪টি |
| পশু চিকিৎসা কেন্দ্র | ০১টি |
| পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র | ০২টি |
| মৎস্য খামার কয়টি | ৫০টি | আয়তন ৩৩ একর |
| পুকুর | ১,৩১৩টি |
| হ্যাচারী | নেই |
| পোনা উৎপাদন কেন্দ্র | ৬টি(নার্সারী) |
| বার্ষিক পোনা উৎপাদন ক্ষমতা | ৮৩,৫০,০০০টি |
| বার্ষিক মাছ উৎপাদন ক্ষমতা | ৬,৪৭০ ম্যাট্রিক টন |
| গবাদি পশু খামার | ০১টি |
| হাঁস-মুরগির খামার | ০৪টি |
| কৃতিম প্রজনন উপকেন্দ্র কয়টি | ১টি পয়েন্ট ৪টি |