| প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন |
| ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুনের, | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ৭ম জাতীয় | ইসলাম (তরু) | তাঁর জন্ম-১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে ১ অক্টোবর |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন |
| ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের ১ অক্টোবর, | বাড়াইলচর(বাহেরচর) গ্রামের অধিবাসী জনাব এম.এ. খালেক, |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ৮ম জাতীয় | পি.এস.সি. | (বাংলাদেশ আমলে ১৯৭৩, ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত | ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুন, ২০০১ |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেন | খ্রিষ্টাব্দের ১ অক্টোবর | উনার জন্ম-১৯৪০খ্রি. |
| ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর, | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল |
| বি-বাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর উপজেলা | ইসলাম (তরু) | তাঁর জন্ম-১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে | দ্বিতীয়বার তিনি |
| এবং নবীনগর উপজেলার | বি-বাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার |
| আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি | আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন | ) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ |
| ইউনিয়ন-এর ৯ম জাতীয় সংসদ-সদস্য | সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হন ০৬-০১-২০০৯ তারিখ |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলাবাসীর মধ্যে মন্ত্রী হওয়ার দিক থেকে তিনি |
| (এম.পি.) হলেন | দ্বিতীয় ব্যক্তি |
| ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে উপজেলা পদ্ধতি চালু হওয়ার পর উপজেলা পরিষদ |
| প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | নির্বাচনে মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী প্রাক্তন পাবলিক সার্ভিস |
| নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান | কমিশনের সদস্য ও ডি. আই. জি. (অব.) মরহুম এম. এ. আউয়াল, |
| ছিলেন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বািচত হন |
| উনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ |
| ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান |
| প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হন দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী |
| উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান | ড. এ. ডব্লিও. এম. আবদুল হক |
| ছিলেন |
| ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | বুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ দুদ মিঞা মাষ্টার | এরপর |
| দ্বিতীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | আর উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি | উনার জন্ম-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান |
| ছিলেন |
| ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের ২২ জানুয়ারি | দশদনা গ্রামের জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ) | উনি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলা | বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন |
| পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে |
| নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেন |
| ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের ২২ জানুয়ারি | দরিয়াদৌলত গ্রামের ডলি আক্তার (আওয়ামী লীগ) ও জনাব মোঃ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলা | শফিকুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ) | শফিকুল ইসলাম মারা গেছেন |
| পরিষদ নির্বাচনে প্রথম নির্বািচত | ০২-০৮-২০১০ তারিখ |
| দু'জন ভাইস-চেয়ারম্যান-এর মধ্যে | উপজেলা পরিষদে এবারই একজন পুরুষ ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদ |
| একজন পুরুষ ও একজন মহিলা: | সৃষ্টি হয়েছে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম ব্যক্তি ঢাকা | ফরদবাদ গ্রামের অধিবাসী (বর্তমান ধানমন্ডি, ভূতেরগুলির বাসিন্দা) |
| শহরের আজিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের | আলহাজ্জ মোঃ ইউনুস মিঞা | উনার জন্ম-১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে, |
| চেয়ারম্যান ছিলেন | মৃত্যু-২৭-১১-১৯৭৭ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম পন্ডিত আবদুল হাকিম ও মরহুমা |
| সর্বপ্রথম ঢাকা শহরে বইয়ের | মিসেস আমেনা বেগমের পুত্রদ্বয় জনাব মোঃ ইদন মিঞা ও মরহুম মোঃ |
| লাইব্রেরী কাদের ছিল | মিদন মিঞা-তারা উভয়ে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ঢাকার ইসলামপুরে সিটি |
| পাবলিসার নামে লাইব্রেরী দিয়েছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের আবদুল মান্নান (কেনু মিঞা), ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে |
| সর্বপ্রথম সবচেয়ে দামী বিল্ডিং | লন্ডন চলে যান | গ্রামের বাড়ীতে উনার ছেলেরা ভেলানগর |
| গ্রামের বাড়ীতে কে তৈরী করেন | সরকারবাড়ীতে দুই কোটি টাকার উপরে খরচ করে বিদেশী মডেলে |
| একটি দ্বোতালা বিল্ডিং তৈরী করেছে-২০০৪ খ্রিষ্টাব্দে | উনার |
| জন্ম-১৯২২, মৃত্যু-১৭-১০-২০০১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ২০০৪ সালে রূপসদী গ্রামের সরকারবাড়ীর সাথে তিনতলা (৭,০০০ |
| সর্বপ্রথম সবচেয়ে বড় হসপিটাল প্রথম | হাজার) বর্গফুট আয়তনের মাহবুবুর রহমান মেমোরিয়াল হসপিটাল |
| কোন গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করেন | প্রতিষ্ঠিত হয় | প্রতিষ্ঠাতা হলেন-জনাব মোঃ মজিবুর রহমান, মোঃ |
| শফিকুর রহমান ও অন্যান্য ভাইয়েরা মিলিতভাবে বাবার নামে এ |
| হসপিটাল প্রতিষ্ঠা করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির | বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাঞ্ছারামপুর |
| প্রথম অফিস কোথায় ছিল | গ্রামের অধিবাসী কলাবাগান-এ বর্তমান নিবাসী মরহুম মোঃ |
| যাকারিয়ার গ্রীণ রোডস্থ দোকানে এবং তাঁর কলাবাগানের বাসায় |
| সমিতির অস্থায়ী অফিস হিসেবে প্রায় ৩(তিন) বছরের মত সময় ব্যবহার |
| করা হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির | বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির অফিস মিরপুর গ্রামের অধিবাসী |
| অফিস দীর্ঘ সময় কোথায় ছিল | মেজর (অব.) এস. এ. মান্নান সাহেবের বাসায় (৭৪, নর্থ রোড, |
| ভূতেরগুলি, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫) সমিতির অফিসের কাজ-কর্ম করা হয় |
| এবং রেজিষ্টার্ড অফিস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে | প্রায় ২৪ বছর যাবত |
| মেজর (অব.) এস. এ. মান্নান ও উনার স্ত্রী আসিয়া খাতুন সমিতির |
| কল্যাণে ঢাকা প্রবাসী (বাঞ্ছারামপুর থানার) মানুষদের জন্য যে |
| ত্যাগ স্বীকার করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির | ঢাকার তোপখানা রোডের মেহেরবা প্লাজার ১২তলাতে সমিতির স্থায়ী |
| অফিস বর্তমানে কোথায় | অফিস | সেখানে সমিতির লোকজনদের যাতায়াত খুব কম | কিন্তু সমিতির |
| স্থায়ী অফিসের পরিবর্তে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা |
| মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর), গ্রীণ রোডের কনকর্ড |
| আর্কেিডয়ার ৬ষ্ঠ তলাতে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের ক্লাশ রুমে প্রতি |
| মাসের ২য় সপ্তাহের সোমবার দিন বিকেল ৫ ঘটিকার সময় সমিতির |
| মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয় | সমিতি এ সুযোগ যদি ক্লাসিক কোচিং |
| সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর) নিকট না |
| পেত, তা'হলে সমিতির বিকাশ আশা করা যেত না |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির | পাড়াতুলি গ্রামের জনাব মোঃ মজিবুর রহমানের আন্তরিক |
| সাধারণ সভাগুলি প্রায়ই অনুষ্ঠিত | সহযোগিতায় নায়েম অডিটরিয়ামে সমিতির সবগুলি সাধারণ সভা ও |
| হয়েছে কোথায় | বিশেষ সাধারণ সভাগুলি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে | মুজিবুর রহমানের |
| জন্ম-১৯৪১ সালে পাড়াতুলি গ্রামে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির | ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে ছিল-১২ জন, ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ছিল-৪০৬ জন এবং ২০০৬ |
| আজীবন সদস্যসংখ্যা | খ্রিষ্টাব্দের আগষ্টে হয়েছে প্রায়-৭৩১ জন, ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দে ৭৩৮ জন, |
| ১১-০৩-২০০৮ তারিখ ৭৪৬ জন এবং ২০১০ সালের ২৩ জানুয়ারি-পর্যন্ত |
| আজীবন সদস্যসংখ্যা-৭৭১ জন এরমধ্যে মারা গেছেন ৩৮ জন এবং |
| ১৫-০১-২০১১ তারিখ পর্যন্ত ৮০৬ জন আর মারা গেছে ৪২ জন | ৮২৭ জন |
| আজীবন সদস্য ৩১-১২-২০১১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির | ১১৮ জন বৃত্তি তহবিলে দান করেছেন এবং টাকার পরিমাণ |
| স্থায়ী বৃত্তি তহবিল (১৫-০১-২০১১ | =২৯,১৩,৮৬৪(উনত্রিশ তের লাখ আটশত চৌসট্টি) টাকা মাত্র |
| তারিখ) পর্যন্ত কত টাকা হয়েছে এবং |
| কতজন টাকা দান করেছে |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির | প্রথম ১৯৭৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮ ও ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দের বন্যাত্তোর ত্রাণ ও |
| মাধ্যমে কোন কোন বছর বন্যাত্তোর | পূর্ণবাসন কর্মসূচী বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে |
| ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মসূচী পালিত হয় | বাঞ্ছারামপুর থানার সবগুলি গ্রামে নগদ টাকা, বেশকিছু ওষধপত্র ও |
| অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী বন্যা দূর্গতদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম | পাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তা | ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, সরকারী |
| সরকার র্কতৃক অনুমোদিত | অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রথম পাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তার ১ম সংখ্যা |
| বাঞ্ছারামপুর পাক্ষিক কোনটি | প্রকাশিত হয় | সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মনিরুজ্জামান পামেন |
| (বাঁশগাড়ী) ও প্রধান সম্পাদক জান্নাতুল ইসলাম (ডালিম)-এর |
| বাড়ি-পাড়াতুলি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির | বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম |
| মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম প্রকাশ | সংখ্যা ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশ করা হয় | বলা হয়েছে |
| করা হয়: | প্রতি তিন মাস অন্তর পত্রিকাটি প্রকাশ করা হবে এবং আরো বলা |
| হয়েছে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে শিকড়ের সন্ধানে সত্য ও ঐতিহ্য সন্ধান |
| করে যাবে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম কোন | রূপসদী গ্রামের(উত্তরপাড়ার) অধিবাসী জনাব মোঃ হারুন-অর-রশীদ |
| গ্রামের বাসিন্দা-১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে | (খলিফা), পিতা-মোঃ আবু মিঞা, গ্রাম-রূপসদী, পোঃ-রূপসদী, |
| ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারে | বাঞ্ছারামপুর, জেলা-বি-বাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ |
| ভূষিত হয় | ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' রচনা কমপিটিশনে ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে তাকে |
| রেডিও বেইজিং, বেইজিং টুরিযম এডমিনিস্ট্রেশন, সাটিফিকেট কার্ড |
| ফর এ্যাসে কমপিটিশন-১৯৮৮ ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারে |
| ভূষিত করে |
| মুক্তিযোদ্ধা | ৪৯৫ জন ছিল, ৩১-০৫-২০১০ তারিখে ৮১৮ জন |
| মুক্তিযোদ্ধা সংসদ | ১টি |
| মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার | দরিকান্দি গ্রামের গোলাম মোহাম্মদ ইসহাক |
| শহীদ মুক্তিযোদ্ধা | ২৭ জন |
| আহত মুক্তিযোদ্ধা | ৩৯ জন |
| ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক ঘটনাবলি | পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে দু'জন মুক্তিযোদ্ধা |
| শহীদ হন |
| বিদ্যুতায়িত গ্রাম | ৯৯টি |
| সিনেমা হল | ৩টি |
| পোষ্ট অফিস | ২৫টি |
| টেলিগ্রাম অফিস | ১টি |
| টেলিফোন একচেঞ্জ | ২টি |
| পি.সি.ও. | ৩টি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য উৎপাদন | ৪০,৫৪৮ মেট্রিক টন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মেগাজিনে |
| কত টন | এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্র-ছাত্রী মৈত্রী সমিতির মেগাজিনে খাদ্য |
| উৎপাদন দেখানো হয়েছে-৭,৮৮,৪২২ মে. টন | এটা ভুল দেখানো |
| হয়েছে | বি-বাড়িয়া জেলায় খাদ্য উৎপাদন হয়-৭,৮৮,৪২২ মে. টন |
| জেলার খাদ্যউৎপাদন বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দেখানো হয়েছে এটা |
| মারাত্ত্বক ভুল |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মহিলারা | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয় তার অর্ধেক |
| খাদ্যশস্য উৎপাদন করে | নারীর পরিশ্রমের ফসল |
| টেলিভিশন আছে কয়টি | ৩৯,৫০০টি পরিবারের | ১৩-০৫-২০১২ তারিখ |
| রঙ্গিন টেলিভিশন আছে | ১১,৯০০টি পরিবারের |
| নলকুপ | ৫,৯৮৯টি |
| স্যালো নলকুপ | ১০৭টি |
| শক্তিচালিত পাম্প | ৪১১টি |
| পুকুর | ৩৯৯টি |
| সরকারী হাসপাতাল | ০১টি |
| ডাক্তারের সংখ্যা | ০৯ জন |
| স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র | ১৪টি |
| পশু চিকিৎসা কেন্দ্র | ০১টি |
| পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র | ০২টি |
| মৎস্য খামার কয়টি | ৩৩টি |
| গবাদি পশু খামার | ০১টি |
| হাঁস-মুরগির খামার | ০৪টি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সক্ষম দম্পতির | ৩০,১৫০ জন |
| সংখ্যা |
| পাকা সড়ক | ৮৫ কি. মি. |
| কাঁচা সড়ক | ১৮৮ কি. মি. |
| ব্রীজ | ২৭টি |
| কালভাট | ১০৯টি |
| সোনালী ব্যাংকের শাখা | ৩টি |
| কৃষি ব্যাংকের শাখা | ৪টি |
| জনতা ব্যাংকের শাখা | ২টি |
| অগ্রণী ব্যাংকের শাখা | ২টি |
| ইসলামী ব্যাংকের শাখ | ১টি |
| ডাকবাংলো | ২টি |
| প্রাকৃতিক গ্যাস | ২টি |
| হাট-বাজার | ৮৫টি |
| নৌ-পথ | ৭০ কি.মি. |
| সনাতন বাহন আছে | পাল্কি, গরু ও গোড়ার গাড়ি নেই |
| কলম তৈরীর কারখানা | ০১টি |
| বরফকল কয়টি | ০৬টি |
| ধানকল কয়টি আছে | ১৯০টি |
| স্বর্ণকার কতজন আছে | ৬৬ জন |
| কামার কতজন আছে | ৩৫ জন |
| কাঠের কাজে কতজন | ৫৫৯ জন |
| সেলাই কাজে কয়জন | ৬৫৯ জন |
| মেলা কয়টি স্থানে হয় | ৩টি স্থানে | রূপসদী, বাঞ্ছারামপুর ও দরিয়াদৌলত |
| রূপসদী গ্রামে কয়টি মেলা হয় | ২টি | রূপসদী গ্রামের খানেপাড়াতে ১ম দিন একটি মেলা হয় এবং ২য় |
| দিন হয় রূপসদী গ্রামের দক্ষিণপাড়ার বাজারে |
| কমিউনিটি সেন্টার | ৮টি |
| মৌজার সংখ্যা | ৭৪টি |
| খাস জমির পরিমাণ | ৬২৪ একর |
| নিট ফসলী জমির পরিমাণ | ৩০,৪৪১ একর, ১০০(একশত) শতকে ১(এক) একর, ২৫০(দুইশত পঞ্চাশ) |
| শতকে ১(এক) হেক্টর, ৬৪০(ছয়শত চল্লিশ) একরে ১(এক) বর্গমাইল |
| এক ফসলা জমির পরিমাণ | ১৮,৯০৩ একর |
| দুই ফসলা জমির পরিমাণ | ৯,৩১৪ একর |
| তিন ফসলা জমির পরিমাণ | ২,১৩৪ একর |
| গবাদী পশু(গরু-মহিষ) | ৪৫,১১৯টি |
| ছাগল-এর সংখ্যা কত | ২৪,১০৩টি |
| পোল্ট্রি ফার্ম | ১২৬টি |
| কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র | ০১টি |
| সমবায় সমিতি(কে.এস.এম.) | ২৩৯টি |
| মহিলা সমবায় সমিতি | ৪৬টি |
| মৎস সমবায় সমিতি | ১৯টি ছিল-এখন বেড়ে কয়টি হয়েছে জানা নেই |
| তাঁতী সমবায় সমিতি | ১২১টি ছিল-এখন কতটি আছে জানা নেই |
| সমবায় সমিতি মোট | ৪৮৫টি |
| মসজিদের সংখ্যা | ৩৯৯টি |
| মন্দিরের সংখ্যা কত | ০৪টি |
| মোরের সংখ্যা কয়টি | ০৩টি |
| বড় মাযার কয়টি | ০১টি | মাসিন্নগর বাজারে অবস্থিত |
| মাযারের সংখ্যা কয়টি | ২০১টি |
| এতিমখানা কয়টি | ০৩টি |
| ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট কয়টি | ০১টি |
| সঙ্গীত বিদ্যালয় কয়টি | ০২টি |
| সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কয়টি | ০২টি |
| টাইপ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র | ০১টি |
| সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও পাবলিক | ০১টি |
| লাইব্রেরী |
| বাঞ্ছারামপুর থানার এল.এস.ডি. | ১,০০০ মেট্রিক টন |
| গোডাউন ধারণ ক্ষমতা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর ও ফেরাইজ্জাকান্দি গ্রামে |
| পাওয়া যায় |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর গ্রামে |
| ফিল্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয় |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রতি | ৩,৭৫০(তিন হাজার সাতশত পঁঞ্চাশ) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| বর্গমাইলে বাস করে |
| বি-বাড়িয়া জেলায় প্রতি বর্গমাইলে | ২,৬৫৬(দুই হাজার ছয়শত ছাপান্ন) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| বাস |
| বাংলাদেশে প্রতি বর্গমাইলে বাস করে | ২,৭৯৩(দুই হাজার সাতশত তিরানব্বই) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| পৃথিবীতে প্রতি বর্গমাইলে কতজন | ১২২.২৪ জন | ১১-০৭-২০১১ তারিখ পৃথিবীর লোকসংখ্যা ছিল-৬৯৭ |
| লোক বাস করে | কোটি | ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে পৃথিবীর লোকসংখ্যা ছিল-৭০০ |
| কোটি | এরমধ্যে বাঙ্গালী বা বাংলা ভাষায় কথা বলে প্রায়-২৮ কোটি |
| লোক | পৃথিবীর লোকসংখ্যার ২৫ ভাগের ১ ভাগ হলো বাঙ্গালী বা |
| বাংলা ভাষায় কথা বলে | লোকসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর ৫ম স্থানে |
| হলো বাংলা ভাষা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আয়তন কত | ৮০ বর্গমাইল বা ১৮৬.৬৬ বর্গ কি.মি. |
| বি-বাড়িয়া জেলার আয়তন | ১২০৫ বর্গমাইল বা ১৯২৭ বর্গ কি.মি. |
| বাংলাদেশের আয়তন কত | ৫৭,২৯৫(সাতান্ন হাজার দুইশত পঁচানব্বই) বর্গমাইল | এক লক্ষ |
| সাতচল্লিশ হাজার বর্গিকলোমিটার |
| মানুষের বাসযোগ্য পৃথিবীর আয়তন | ৫,৭০,১৭,০০০(পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ সতের হাজার) বর্গমাইল |