‹ আমার দেখা ঢাকা অংশ ৪৬ / ৫২
প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন
১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুনের,পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল
বাঞ্ছারামপুর থানার ৭ম জাতীয়ইসলাম (তরু)তাঁর জন্ম-১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে ১ অক্টোবর
সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত
প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন
২০০১ খ্রিষ্টাব্দের ১ অক্টোবর,বাড়াইলচর(বাহেরচর) গ্রামের অধিবাসী জনাব এম.এ. খালেক,
বাঞ্ছারামপুর থানার ৮ম জাতীয়পি.এস.সি.(বাংলাদেশ আমলে ১৯৭৩, ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১,
সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুন, ২০০১
প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেনখ্রিষ্টাব্দের ১ অক্টোবরউনার জন্ম-১৯৪০খ্রি.
২০০৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর,পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল
বি-বাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর উপজেলাইসলাম (তরু)তাঁর জন্ম-১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দেদ্বিতীয়বার তিনি
এবং নবীনগর উপজেলারবি-বাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার
আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দিআংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
ইউনিয়ন-এর ৯ম জাতীয় সংসদ-সদস্যসরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হন ০৬-০১-২০০৯ তারিখ
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিবাঞ্ছারামপুর উপজেলাবাসীর মধ্যে মন্ত্রী হওয়ার দিক থেকে তিনি
(এম.পি.) হলেনদ্বিতীয় ব্যক্তি
১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে উপজেলা পদ্ধতি চালু হওয়ার পর উপজেলা পরিষদ
প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যাননির্বাচনে মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী প্রাক্তন পাবলিক সার্ভিস
নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যানকমিশনের সদস্য ও ডি. আই. জি. (অব.) মরহুম এম. এ. আউয়াল,
ছিলেনবাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বািচত হন
উনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ
১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান
প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানউপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হন দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী
উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যানড. এ. ডব্লিও. এম. আবদুল হক
ছিলেন
১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর উপজেলারবুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ দুদ মিঞা মাষ্টারএরপর
দ্বিতীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানআর উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নিউনার জন্ম-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান
ছিলেন
২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের ২২ জানুয়ারিদশদনা গ্রামের জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)উনি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলাবাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন
পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে
নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেন
২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের ২২ জানুয়ারিদরিয়াদৌলত গ্রামের ডলি আক্তার (আওয়ামী লীগ) ও জনাব মোঃ
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলাশফিকুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)শফিকুল ইসলাম মারা গেছেন
পরিষদ নির্বাচনে প্রথম নির্বািচত০২-০৮-২০১০ তারিখ
দু'জন ভাইস-চেয়ারম্যান-এর মধ্যেউপজেলা পরিষদে এবারই একজন পুরুষ ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদ
একজন পুরুষ ও একজন মহিলা:সৃষ্টি হয়েছে
বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম ব্যক্তি ঢাকাফরদবাদ গ্রামের অধিবাসী (বর্তমান ধানমন্ডি, ভূতেরগুলির বাসিন্দা)
শহরের আজিমপুর ইউনিয়ন পরিষদেরআলহাজ্জ মোঃ ইউনুস মিঞাউনার জন্ম-১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে,
চেয়ারম্যান ছিলেনমৃত্যু-২৭-১১-১৯৭৭ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম পন্ডিত আবদুল হাকিম ও মরহুমা
সর্বপ্রথম ঢাকা শহরে বইয়েরমিসেস আমেনা বেগমের পুত্রদ্বয় জনাব মোঃ ইদন মিঞা ও মরহুম মোঃ
লাইব্রেরী কাদের ছিলমিদন মিঞা-তারা উভয়ে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ঢাকার ইসলামপুরে সিটি
পাবলিসার নামে লাইব্রেরী দিয়েছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের আবদুল মান্নান (কেনু মিঞা), ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে
সর্বপ্রথম সবচেয়ে দামী বিল্ডিংলন্ডন চলে যানগ্রামের বাড়ীতে উনার ছেলেরা ভেলানগর
গ্রামের বাড়ীতে কে তৈরী করেনসরকারবাড়ীতে দুই কোটি টাকার উপরে খরচ করে বিদেশী মডেলে
একটি দ্বোতালা বিল্ডিং তৈরী করেছে-২০০৪ খ্রিষ্টাব্দেউনার
জন্ম-১৯২২, মৃত্যু-১৭-১০-২০০১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে২০০৪ সালে রূপসদী গ্রামের সরকারবাড়ীর সাথে তিনতলা (৭,০০০
সর্বপ্রথম সবচেয়ে বড় হসপিটাল প্রথমহাজার) বর্গফুট আয়তনের মাহবুবুর রহমান মেমোরিয়াল হসপিটাল
কোন গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করেনপ্রতিষ্ঠিত হয়প্রতিষ্ঠাতা হলেন-জনাব মোঃ মজিবুর রহমান, মোঃ
শফিকুর রহমান ও অন্যান্য ভাইয়েরা মিলিতভাবে বাবার নামে এ
হসপিটাল প্রতিষ্ঠা করেন
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতিরবাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাঞ্ছারামপুর
প্রথম অফিস কোথায় ছিলগ্রামের অধিবাসী কলাবাগান-এ বর্তমান নিবাসী মরহুম মোঃ
যাকারিয়ার গ্রীণ রোডস্থ দোকানে এবং তাঁর কলাবাগানের বাসায়
সমিতির অস্থায়ী অফিস হিসেবে প্রায় ৩(তিন) বছরের মত সময় ব্যবহার
করা হয়
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতিরবাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির অফিস মিরপুর গ্রামের অধিবাসী
অফিস দীর্ঘ সময় কোথায় ছিলমেজর (অব.) এস. এ. মান্নান সাহেবের বাসায় (৭৪, নর্থ রোড,
ভূতেরগুলি, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫) সমিতির অফিসের কাজ-কর্ম করা হয়
এবং রেজিষ্টার্ড অফিস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছেপ্রায় ২৪ বছর যাবত
মেজর (অব.) এস. এ. মান্নান ও উনার স্ত্রী আসিয়া খাতুন সমিতির
কল্যাণে ঢাকা প্রবাসী (বাঞ্ছারামপুর থানার) মানুষদের জন্য যে
ত্যাগ স্বীকার করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতিরঢাকার তোপখানা রোডের মেহেরবা প্লাজার ১২তলাতে সমিতির স্থায়ী
অফিস বর্তমানে কোথায়অফিসসেখানে সমিতির লোকজনদের যাতায়াত খুব কমকিন্তু সমিতির
স্থায়ী অফিসের পরিবর্তে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা
মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর), গ্রীণ রোডের কনকর্ড
আর্কেিডয়ার ৬ষ্ঠ তলাতে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের ক্লাশ রুমে প্রতি
মাসের ২য় সপ্তাহের সোমবার দিন বিকেল ৫ ঘটিকার সময় সমিতির
মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়সমিতি এ সুযোগ যদি ক্লাসিক কোচিং
সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর) নিকট না
পেত, তা'হলে সমিতির বিকাশ আশা করা যেত না
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতিরপাড়াতুলি গ্রামের জনাব মোঃ মজিবুর রহমানের আন্তরিক
সাধারণ সভাগুলি প্রায়ই অনুষ্ঠিতসহযোগিতায় নায়েম অডিটরিয়ামে সমিতির সবগুলি সাধারণ সভা ও
হয়েছে কোথায়বিশেষ সাধারণ সভাগুলি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছেমুজিবুর রহমানের
জন্ম-১৯৪১ সালে পাড়াতুলি গ্রামে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে ছিল-১২ জন, ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ছিল-৪০৬ জন এবং ২০০৬
আজীবন সদস্যসংখ্যাখ্রিষ্টাব্দের আগষ্টে হয়েছে প্রায়-৭৩১ জন, ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দে ৭৩৮ জন,
১১-০৩-২০০৮ তারিখ ৭৪৬ জন এবং ২০১০ সালের ২৩ জানুয়ারি-পর্যন্ত
আজীবন সদস্যসংখ্যা-৭৭১ জন এরমধ্যে মারা গেছেন ৩৮ জন এবং
১৫-০১-২০১১ তারিখ পর্যন্ত ৮০৬ জন আর মারা গেছে ৪২ জন৮২৭ জন
আজীবন সদস্য ৩১-১২-২০১১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির১১৮ জন বৃত্তি তহবিলে দান করেছেন এবং টাকার পরিমাণ
স্থায়ী বৃত্তি তহবিল (১৫-০১-২০১১=২৯,১৩,৮৬৪(উনত্রিশ তের লাখ আটশত চৌসট্টি) টাকা মাত্র
তারিখ) পর্যন্ত কত টাকা হয়েছে এবং
কতজন টাকা দান করেছে
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতিরপ্রথম ১৯৭৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮ ও ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দের বন্যাত্তোর ত্রাণ ও
মাধ্যমে কোন কোন বছর বন্যাত্তোরপূর্ণবাসন কর্মসূচী বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে
ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মসূচী পালিত হয়বাঞ্ছারামপুর থানার সবগুলি গ্রামে নগদ টাকা, বেশকিছু ওষধপত্র ও
অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী বন্যা দূর্গতদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথমপাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তা২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, সরকারী
সরকার র্কতৃক অনুমোদিতঅনুমোদনপ্রাপ্ত প্রথম পাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তার ১ম সংখ্যা
বাঞ্ছারামপুর পাক্ষিক কোনটিপ্রকাশিত হয়সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মনিরুজ্জামান পামেন
(বাঁশগাড়ী) ও প্রধান সম্পাদক জান্নাতুল ইসলাম (ডালিম)-এর
বাড়ি-পাড়াতুলি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতিরবাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম
মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম প্রকাশসংখ্যা ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশ করা হয়বলা হয়েছে
করা হয়:প্রতি তিন মাস অন্তর পত্রিকাটি প্রকাশ করা হবে এবং আরো বলা
হয়েছে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে শিকড়ের সন্ধানে সত্য ও ঐতিহ্য সন্ধান
করে যাবে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম কোনরূপসদী গ্রামের(উত্তরপাড়ার) অধিবাসী জনাব মোঃ হারুন-অর-রশীদ
গ্রামের বাসিন্দা-১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে(খলিফা), পিতা-মোঃ আবু মিঞা, গ্রাম-রূপসদী, পোঃ-রূপসদী,
''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারেবাঞ্ছারামপুর, জেলা-বি-বাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
ভূষিত হয়''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' রচনা কমপিটিশনে ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে তাকে
রেডিও বেইজিং, বেইজিং টুরিযম এডমিনিস্ট্রেশন, সাটিফিকেট কার্ড
ফর এ্যাসে কমপিটিশন-১৯৮৮ ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারে
ভূষিত করে
মুক্তিযোদ্ধা৪৯৫ জন ছিল, ৩১-০৫-২০১০ তারিখে ৮১৮ জন
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ১টি
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডারদরিকান্দি গ্রামের গোলাম মোহাম্মদ ইসহাক
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা২৭ জন
আহত মুক্তিযোদ্ধা৩৯ জন
১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক ঘটনাবলিপাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে দু'জন মুক্তিযোদ্ধা
শহীদ হন
বিদ্যুতায়িত গ্রাম৯৯টি
সিনেমা হল৩টি
পোষ্ট অফিস২৫টি
টেলিগ্রাম অফিস১টি
টেলিফোন একচেঞ্জ২টি
পি.সি.ও.৩টি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য উৎপাদন৪০,৫৪৮ মেট্রিক টনবাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মেগাজিনে
কত টনএবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্র-ছাত্রী মৈত্রী সমিতির মেগাজিনে খাদ্য
উৎপাদন দেখানো হয়েছে-৭,৮৮,৪২২ মে. টনএটা ভুল দেখানো
হয়েছেবি-বাড়িয়া জেলায় খাদ্য উৎপাদন হয়-৭,৮৮,৪২২ মে. টন
জেলার খাদ্যউৎপাদন বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দেখানো হয়েছে এটা
মারাত্ত্বক ভুল
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মহিলারাবাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয় তার অর্ধেক
খাদ্যশস্য উৎপাদন করেনারীর পরিশ্রমের ফসল
টেলিভিশন আছে কয়টি৩৯,৫০০টি পরিবারের১৩-০৫-২০১২ তারিখ
রঙ্গিন টেলিভিশন আছে১১,৯০০টি পরিবারের
নলকুপ৫,৯৮৯টি
স্যালো নলকুপ১০৭টি
শক্তিচালিত পাম্প৪১১টি
পুকুর৩৯৯টি
সরকারী হাসপাতাল০১টি
ডাক্তারের সংখ্যা০৯ জন
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র১৪টি
পশু চিকিৎসা কেন্দ্র০১টি
পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র০২টি
মৎস্য খামার কয়টি৩৩টি
গবাদি পশু খামার০১টি
হাঁস-মুরগির খামার০৪টি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সক্ষম দম্পতির৩০,১৫০ জন
সংখ্যা
পাকা সড়ক৮৫ কি. মি.
কাঁচা সড়ক১৮৮ কি. মি.
ব্রীজ২৭টি
কালভাট১০৯টি
সোনালী ব্যাংকের শাখা৩টি
কৃষি ব্যাংকের শাখা৪টি
জনতা ব্যাংকের শাখা২টি
অগ্রণী ব্যাংকের শাখা২টি
ইসলামী ব্যাংকের শাখ১টি
ডাকবাংলো২টি
প্রাকৃতিক গ্যাস২টি
হাট-বাজার৮৫টি
নৌ-পথ৭০ কি.মি.
সনাতন বাহন আছেপাল্কি, গরু ও গোড়ার গাড়ি নেই
কলম তৈরীর কারখানা০১টি
বরফকল কয়টি০৬টি
ধানকল কয়টি আছে১৯০টি
স্বর্ণকার কতজন আছে৬৬ জন
কামার কতজন আছে৩৫ জন
কাঠের কাজে কতজন৫৫৯ জন
সেলাই কাজে কয়জন৬৫৯ জন
মেলা কয়টি স্থানে হয়৩টি স্থানেরূপসদী, বাঞ্ছারামপুর ও দরিয়াদৌলত
রূপসদী গ্রামে কয়টি মেলা হয়২টিরূপসদী গ্রামের খানেপাড়াতে ১ম দিন একটি মেলা হয় এবং ২য়
দিন হয় রূপসদী গ্রামের দক্ষিণপাড়ার বাজারে
কমিউনিটি সেন্টার৮টি
মৌজার সংখ্যা৭৪টি
খাস জমির পরিমাণ৬২৪ একর
নিট ফসলী জমির পরিমাণ৩০,৪৪১ একর, ১০০(একশত) শতকে ১(এক) একর, ২৫০(দুইশত পঞ্চাশ)
শতকে ১(এক) হেক্টর, ৬৪০(ছয়শত চল্লিশ) একরে ১(এক) বর্গমাইল
এক ফসলা জমির পরিমাণ১৮,৯০৩ একর
দুই ফসলা জমির পরিমাণ৯,৩১৪ একর
তিন ফসলা জমির পরিমাণ২,১৩৪ একর
গবাদী পশু(গরু-মহিষ)৪৫,১১৯টি
ছাগল-এর সংখ্যা কত২৪,১০৩টি
পোল্ট্রি ফার্ম১২৬টি
কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র০১টি
সমবায় সমিতি(কে.এস.এম.)২৩৯টি
মহিলা সমবায় সমিতি৪৬টি
মৎস সমবায় সমিতি১৯টি ছিল-এখন বেড়ে কয়টি হয়েছে জানা নেই
তাঁতী সমবায় সমিতি১২১টি ছিল-এখন কতটি আছে জানা নেই
সমবায় সমিতি মোট৪৮৫টি
মসজিদের সংখ্যা৩৯৯টি
মন্দিরের সংখ্যা কত০৪টি
মোরের সংখ্যা কয়টি০৩টি
বড় মাযার কয়টি০১টিমাসিন্নগর বাজারে অবস্থিত
মাযারের সংখ্যা কয়টি২০১টি
এতিমখানা কয়টি০৩টি
ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট কয়টি০১টি
সঙ্গীত বিদ্যালয় কয়টি০২টি
সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কয়টি০২টি
টাইপ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র০১টি
সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও পাবলিক০১টি
লাইব্রেরী
বাঞ্ছারামপুর থানার এল.এস.ডি.১,০০০ মেট্রিক টন
গোডাউন ধারণ ক্ষমতা
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাসবাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর ও ফেরাইজ্জাকান্দি গ্রামে
পাওয়া যায়
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাসবাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর গ্রামে
ফিল্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয়
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রতি৩,৭৫০(তিন হাজার সাতশত পঁঞ্চাশ) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে
বর্গমাইলে বাস করে
বি-বাড়িয়া জেলায় প্রতি বর্গমাইলে২,৬৫৬(দুই হাজার ছয়শত ছাপান্ন) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে
বাস
বাংলাদেশে প্রতি বর্গমাইলে বাস করে২,৭৯৩(দুই হাজার সাতশত তিরানব্বই) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে
পৃথিবীতে প্রতি বর্গমাইলে কতজন১২২.২৪ জন১১-০৭-২০১১ তারিখ পৃথিবীর লোকসংখ্যা ছিল-৬৯৭
লোক বাস করেকোটি২০১১ সালের অক্টোবর মাসে পৃথিবীর লোকসংখ্যা ছিল-৭০০
কোটিএরমধ্যে বাঙ্গালী বা বাংলা ভাষায় কথা বলে প্রায়-২৮ কোটি
লোকপৃথিবীর লোকসংখ্যার ২৫ ভাগের ১ ভাগ হলো বাঙ্গালী বা
বাংলা ভাষায় কথা বলেলোকসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর ৫ম স্থানে
হলো বাংলা ভাষা
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আয়তন কত৮০ বর্গমাইল বা ১৮৬.৬৬ বর্গ কি.মি.
বি-বাড়িয়া জেলার আয়তন১২০৫ বর্গমাইল বা ১৯২৭ বর্গ কি.মি.
বাংলাদেশের আয়তন কত৫৭,২৯৫(সাতান্ন হাজার দুইশত পঁচানব্বই) বর্গমাইলএক লক্ষ
সাতচল্লিশ হাজার বর্গিকলোমিটার
মানুষের বাসযোগ্য পৃথিবীর আয়তন৫,৭০,১৭,০০০(পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ সতের হাজার) বর্গমাইল