| অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন | মিসেস লুৎফে তাহেরার জন্ম-১৯৫০ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মহি-উদ-দীন আহমেদ (জহর মিঞার) |
| রেডিও এবং টি.ভি.তে কারা ইংরেজী | ছেলে জনাব শামীম আহমেদ ও তার ছোট ভাই জনাব নাফিজ |
| সংবাদ পাঠক | ইমতিয়াজ | শামীমের জন্ম-১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে এবং নাফিজের জন্ম-১৯৫৩ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় |
| সাংবাদিক হলেন | ছেলে জনাব মাহবুব জামাল জাহেদী (বুলু মামা) | তিনি পাকিস্তান |
| ডন পত্রিকাসহ আরও বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৭ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী সাধক পুরুষ শাহ রাহাত আলীর মাজার |
| মাজারটি কার | মাসিন্নগর বজারে প্রতিষ্ঠিত হয় ০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ | উনার |
| জন্ম-১৮৭৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ |
| কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম | বাঞ্ছারামপুর থানার কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মৌঃ |
| দয়াল গনিশাহ-এর মাজারটি কোথায় | কলিমউদ্দিনের পুত্র মরহুম দয়াল গনিশাহের মাজারটি নবীনগর থানার |
| অবস্থিত | বড়িকান্দি গ্রামে | দয়াল গনিশাহ, মরহুম হযরত রাহাত আলী শাহ |
| (র.)'র ভক্ত ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী রাজেন্দ্র চন্দ্র সাহা |
| নামকরা খেলাধুলায় | ফুটবল খেলোয়ার ছিলেন | উনার জন্ম-১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা |
| নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল সোবহান |
| পাকিস্তান জাতীয় হকিদলের নামকরা | সাহেবের পুত্র জনাব আবদুস সাদেক (মোঃ শাহজাহান) | উনার |
| খেলোয়ার | জন্ম-১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | শরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-জনাব এ. |
| বাংলাদেশ জাতীয় হকিদলের নামকরা | কে. গোলাম কিবরিয়ার বড় ছেলে সিয়াম-এ-নূর (সাবেক বাংলাদেশ |
| খেলোয়ার | জাতীয় হকি খেলোয়ার ছিলেন ১৯৯৪ থেকে ২০০০ পর্যন্ত) | সিয়ামের |
| জন্ম-০২-১১-১৯৭০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | শরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-জনাব এ. |
| ক্রিকেট কোচ, মেট্রো ক্রিকেট | কে. গোলাম কিবরিয়ার ছোট ছেলে তেনজাম-এ-নূর (ঝিলাম) |
| একাডেমী | ঝিলামের জন্ম-২৮-০৪-১৯৭২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল মতিন-এর দ্বিতীয় ছেলে |
| জাতীয় টিমের ক্রিকেট খেলোয়ার | জনাব মোহাম্মদ আশরাফুল-এর জন্ম-১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ৭ জুলাই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী বকুল মোস্তফা (মোস্তফা জব্বারের স্ত্রী |
| কমপিউটার জগতের বিখ্যাত ব্যবসায়ী | বকুল মোস্তফা) আনন্দ কমপিউটার-এর মালিক | তার জন্ম-১৯৫১ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | কালিকাপুর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক আবদুর রহমান | ইউনাইটেড |
| মুদ্রণ ব্যবসায়ী ছিলেন | প্রেসের মালিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯১৮, মৃত্যু-১৯-১২-১৯৯৩ |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ | উনি |
| মুদ্রণ ব্যবসায় আছেন | ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে আদর্শ ছাপাখানার মালিক | জন্ম-১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মেসবাহ-উদ-দীন আহমেদ (মতি |
| মুদ্রণ ব্যবসায় ছিলেন | মিঞা) | উনি ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে প্রেসিডেন্সী প্রেসের মালিক ছিলেন |
| উনার জন্ম-১৯৩১ খ্রিঃ, মৃত্যু-২৩-১২-১৯৯৫ তারিখ |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর | ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ এপ্রিল, ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব |
| থানাবাসীর মধ্যে প্রথম বাঞ্ছারামপুর | মেজবাহ উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞার) নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুর থানার |
| থানার পাকিস্তানী পতাকাটি কার | পাকিস্তানী পতাকাটি নামানো হয় এবং বাংলাদেশের পতাকাটি |
| নেতৃত্বে নামানো হয় এবং | উড়ানো হয় |
| বাংলাদেশের পতাকাটি উড়ানো হয় |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, | ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর থানার পাক-বাহিনী |
| ঢাকাতে পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ | আত্মসমর্পণ করে |
| করেন কিন্তু বাঞ্ছারামপুর থানার |
| পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করেন কত |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডক্টর এ. কে. এম. হাই সিঙ্গাপুরে |
| কোন কেমিষ্ট | অবস্থিত জাপানী আলফা টেকনো গ্রুপ অব চেম্বার-এর পরিচালক |
| তিনি সুপার গ্লো নামক আটার ফর্মুলা উদ্ভাবক |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী পদার্থিবজ্ঞানী নূরুন নবী খন্দকার |
| কোন পদার্থিবজ্ঞানী নাসাতে চাকুরী | আমেরিকায় (ঘঅঝঅ)তে চাকুরী করতেন |
| করতেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ধারিয়ারচর গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সামাদ সাহেবের পুত্র |
| কোন ব্যক্তি ক্লাসিক গাইড ও ক্লাসিক | প্রাক্তন ছাত্র নেতা সাঈদ আহমেদ (বাবু), ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে |
| কোচিং সেন্টারের মালিক | ক্লাসিক গাইড ও ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক |
| বাবুর জন্ম-১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামের | ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মুখলেসুর রহমানের |
| সময় বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | (এফ.এফ.) কমান্ডার ছিলেন | মুক্তিবাহিীর ক্যাম্পটি রূপসদী গ্রামের |
| প্রথম মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন | খানেপাড়ার নয়াবাড়ীতে ছিল | মুখলেসুর রহমানের জন্ম-১৯৪৭ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামের | দরিকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মনিরুল হক (বি.এল.এফ.)-এর কমান্ডার |
| সময় বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ছিলেন | মুক্তিবাহিনীর ২য় ক্যাম্পটি ছিল দরিকান্দি গ্রামের মরহুম |
| দ্বিতীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন | মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্যের |
| বাড়ীতে | মনিরুল হকের জন্ম-১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| ১৯২০ সালে বেঙ্গল ভিলেজ সেলফ | বাঞ্ছারামপুর থানার সর্বেমাট ৭টি ইউনিয়ন বোর্ড ছিল যথা:-(১) |
| গর্ভণমেন্ট অ্যাক্ট পাশ করা হলে | দরিয়াদৌলত (২) তেঁজখালী (৩) বাঞ্ছারামপুর (৪) ছয়ফুল্লাকান্দি |
| ইউনিয়ন পঞ্চায়েত প্রথা বিলোপ করে | (৫) রূপসদী (৬) উজানচর ও (৭) সলিমাবাদ | এ ইউনিয়নগুলোতে |
| ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়ঃ | প্রথম যারা প্রেসিডেন্ট ছিলেন তাঁদের নামগুলি নিম্নে উপস্থাপন করা |
| হলো: |
| ১নং দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে মাওলানা খন্দকার রেজওয়ান আলী (দরিয়াদৌলত) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ২নং তেঁজখালী ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে মহিম চন্দ্র ঘোষ (তেঁজখালী) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৩নং বাঞ্ছারামপুর ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে শচিন্দ্র বাবু (বাঞ্ছারামপুর) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৪নং ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন | ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে যোগেন্দ কুমার দত্ত (ছয়ফুল্লাকান্দি) |
| বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৫নং রূপসদী ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন | (রূপসদী) |
| ৬নং উজানচর ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে স্বরুপ নন্দ সাহা (সরিষারচর) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৭নং সলিমাবাদ ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে রমিজউদ্দিন মুন্সি (হায়দরন্নগর) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক |
| রাজনীতিবিদ ছিলেন | (লিল মিঞা) | তিনিই এ থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি এবং ১৯৫৪ |
| খ্রিষ্টাব্দে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক |
| মন্ত্রী ছিলেন | (লিল মিঞা) | ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল মাবুদ (শফিক)-এর স্ত্রী |
| মধ্যে স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ছিলেন | মিসেস ফাতেমা কবীর | সংরক্ষিত মহিলা আসনে স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী পদে |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | পাড়াতুলি গ্রামের ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু) |
| দ্বিতীয় ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক |
| প্রতিমন্ত্রী হলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | কাঞ্চনপুর গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত মোঃ নূরুল ইসলাম | উনি কুমিল্লা |
| আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি | শহরে শিক্ষকতার পাশাপাশি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন |
| ছিলেন | স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রসংশনীয় ও |
| মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ছিলেন সরাসরি সম্পৃক্ত | উনার জন্ম-১৯১২ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০২-০৫-২০০২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল বাসেত | উনি |
| বি.এন.পি.র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি | কুমিল্লা শহরে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৯ |
| ছিলেন | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-০১-১৯৮৮ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী জনাব নূরুল আমিন-এর |
| ছাত্র অবস্থায় এবং কলেজে শিক্ষকতা | একটি সভা সোনারামপুর বাজারে অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় দরিয়াদৌলত |
| করার সময় রাজনীতির সাথে জড়িত | গ্রামের অধ্যাপক আবদুল মোমেন-এর নেতৃত্বে সভাটি পন্ডু করে |
| ছিলেন | দেয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা হয়েছিল | ব্রাহ্মণবাড়িয়া |
| কলেজের অধ্যাপক আবদুল মোমেন | উনার জন্ম-১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-০৭-০৩-১৯৯০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম প্রাদেশিক | ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | প্রতিনিধি ছিলেন ঢাকার প্রখ্যাত খাজা মরহুম নওয়াবজাদা খাজা |
| ছিলেন | নছরউল্লাহ | তিনি বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় প্রাদেশিক | ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | প্রতিনিধি ছিলেন নবীনগর থানার নাসিরাবাদ গ্রামের মরহুম আলী |
| ছিলেন | আহাম্মদ খাঁন | তিনি বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় নির্বািচত প্রতিনিধি |
| বৃটিশ ভারতে দু'বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় | (১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে ও |
| ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে) | উনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানার | ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে |
| পাকিস্তান হওয়ার পর ১ম প্রাদেশিক | নির্বািচত প্রতিনিধি দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট |
| পরিষদের নির্বাচনে নির্বািচত | এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল মিঞা) | উনি বাঞ্ছারামপুর থানার ৩য় |
| প্রতিনিধি ছিলেন | নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন | উনি যুক্তফ্রন্ট থেকে নির্বািচত এবং |
| স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম | ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানার (এম.এন.এ.) নির্বাচনে |
| বি.ডি.(মেম্বারদের ভোটে) | নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর গ্রামের |
| এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত | অধিবাসী মরহুম এডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান | উনার জন্ম-১৯০০ |
| প্রতিনিধি ছিলেন | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় | ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানার এম.এন.এ.) নির্বাচনে নির্বািচত |
| বি.ডি.(মেম্বারদের ভোটে) | প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর গ্রামের অধিবাসী মরহুম |
| এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত | এডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান |
| প্রতিনিধি ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার | ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দের ৭ ডিেিসম্বর, বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার |
| এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত | সাধারণ নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি(এম.এন.এ.) ছিলেন নবীনগর |
| প্রতিনিধি ছিলেন | থানার অধিবাসী বড়িকান্দি গ্রামের মরহুম এডভোকেট দেওয়ান আবুল |
| আব্বাস (বাচ্চু মিঞা) | উনার জন্ম-১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০০৭ |
| বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক | ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দের ৭ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | পরিষদের নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মরিচাকান্দি |
| ছিলেন | গ্রামের মরহুম গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ(আফতাব ভাই) | পাকিস্তান |
| আমলে ৪(চার) বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (১৯৫৪, ১৯৬২, ১৯৬৪ ও |
| ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে) | উনার জন্ম-১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৩-০৩-১৯৭৯ |
| তারিখ |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, | ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত |
| বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর | প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের | ডব্লিও. এম. আবদুল হক | ড. হক বাংলাদেশের আমলে বাঞ্ছারামপুর |
| ৭ মার্চ, ১ম জাতীয় সংসদ-সদস্য | থানার ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ, নির্বাচনে প্রথম জাতীয় সংসদ-সদস্য |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | নির্বািচত হন | উনার জন্ম-১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে |
| (এম.পি.) ছিলেন |
| ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারী, | ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার জাতীয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় জাতীয় | সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন | মিঞা) | উনার জন্ম-১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৫ তারিখ |
| ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মে, বাঞ্ছারামপুর | কদমতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব সহিদুর রহমান | তাঁর জন্ম-১৯৫১ |
| থানার ৩য় জাতীয় সংসদ-সদস্য | খ্রিষ্টাব্দে |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি |
| (এম.পি.) ছিলেন |
| ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মার্চ, | ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি আশরাফ |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ৪র্থ জাতীয় | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে, মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন |
| ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ ফেব্রুয়ারি, | ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি আশরাফ |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ৫ম জাতীয় | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে, মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ তারিখ |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন |
| ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানার | ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দের জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনে নির্বািচত |
| ৫ম জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনে | প্রতিনিধি হলেন রূপসদী গ্রামের মরহুম মোঃ শাহজাহান হাওলাদার |
| নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) | (সূজন) তাঁর জন্ম-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৩-০৭-২০০১ তারিখ |
| ছিলেন |
| ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ ফেব্রুয়ারি, | ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ৬ষ্ঠ জাতীয় | নির্বািচত প্রতিনিধি হলেন রূপসদী গ্রামের মরহুম মোঃ শাহজাহান |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত | হাওলাদার (সূজন) |