| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে মাসিমনগর |
| রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | গ্রামের মোহাম্মদ দারোগ আলী | দারোগ আলীর জন্ম-১৯১৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | দারোগ আলীর ছেলে-নান্নু মিঞা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি |
| রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| মহিলা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি |
| বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা বাঞ্ছারামপুর |
| বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | থানার উলুকান্দি গ্রামের শিল্পী খালিদ লতিফ (উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সঙ্গীত |
| মহিলা | শিল্পী) |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী খানবাহাদুর মৌলভী তুজাম্মেল আলীর |
| মধ্যে প্রথম যাত্রা শিল্পী | দ্বিতীয় ছেলে জনাব মোহাম্মদ দানা মিঞা সাব | উনার জন্ম-১৯০৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০০০ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি |
| মধ্যে প্রথম নাট্যশিল্পী | আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি |
| মধ্যে প্রথম নৃত্তশিল্পী | আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোতাহার-উল-হক (সুদন |
| ইঞ্জিনিয়ার | মিঞা) | উনার জন্ম-১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১২-০২-২০০২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুস সামাদ সাহেবের বড় |
| ইঞ্জিনিয়ার সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | ছেলে ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আলম (বকুল), বি.সি.আই.সি.র. |
| চেয়ারম্যান পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডা. আনসার আলী সাহেবের পূত্র জনাব |
| মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ | এ.এফ.এম. ফজলুল করিম, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে লাহোর থেকে মাইনিং |
| পদে ছিলেন | ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন | বাংলাদেশ পেট্রোবাংলার, এম.ডি. হিসেবে |
| অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | পাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ কেনু মাষ্টারের বড় ছেলে |
| ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ পদে | প্রকৌশলী মোঃ খোরশেদ আলম, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান |
| প্রকৌশলীর পদ থেকে অবসর-এ. আছেন | উনার জন্ম-১৯৪৬ খ্রি. |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল আউয়াল সাহেবের বড় |
| ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ পদে | ছেলে প্রকৌশলী মোঃ নিজামউদ্দিন, বি.আই.এম.-এর ডি.জি. হিসেবে |
| কর্মরত ছিলেন | তার জন্ম-১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের | দুর্গারামপুর গ্রামের মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফের কন্যা স্থপতি |
| মধ্যে প্রথম স্থপতি (অৎপযরঃবপঃ) | (অৎপযরঃবপঃ) ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন লাইলুন নাহার | তাঁর স্থাপত্য |
| ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে | হলো-নগরভবন ও আগারগাঁও-এ প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় সরকার বিভাগের |
| এল.জি.ই.ডি. ভবনসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | হায়দরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ হোসেন, অগ্রণী |
| সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেন | ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম.ডি.) ছিলেন এবং বাংলাদেশ |
| সিভিল সার্ভিেসর (ই.পি.সি.এস.)-এর বিশিষ্ট সদস্য ছিলেন | উনার |
| জন্ম-১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | সলিমাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুর রকীব, বাংলাদেশ |
| সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেন | ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এম.ডি.) ছিলেন | উনার |
| জন্ম-০২-০১-১৯৪২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | তেঁজখালী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ আমিনূল ইসলাম (উনার |
| সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেন | বাবার নাম-মোঃ সিরাজুল ইসলাম-বাড়ি-তেঁজখালী-জন্ম-১৯০৫ |
| সালে-মৃত্যু-১৯৮৫ সালে) জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম. |
| ডি.) ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুস সোবহানের |
| প্রথম সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং | পুত্র ও বসুন্দরা গ্রুপ অব কোম্পানীজের স্বত্তাধিকারী জনাব আহমেদ |
| পূঁজিপতি হলেন | আকবর সোবহান (শাহ আলম) | উনার জন্ম-১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | মিরপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম নান্নু মিঞার পুত্র ডক্টর রওশন আলম |
| দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং | লিব্রা র্ফামাসিটিক্যালস লিঃ এবং কে. ডি. এস.-এর স্বত্তাধিকারী |
| পূঁজিপতি হলেন | উনার জন্ম-১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ ফরিদউদ্দিন-এর ছোট ভাই মোঃ |
| তৃতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং | হেলালউদ্দিন, সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেছেন স্ট্যান্ডার্ড লুঙ্গি |
| পূঁজিপতি হলেন | বাজারজাত করে | এ ছাড়াও আরো অনেক ব্যবসার সাথে জড়িত আছে |
| তার জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | চরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ সুরুজ মিঞার লঞ্চ |
| ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর এবং |
| রামচন্দ্রপুর থেকে সদরঘাট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. শামসূল হক-এর একটি লঞ্চ |
| দ্বিতীয় ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ঢাকা সদরঘাট থেকে বাঞ্ছারামপুর পর্যন্ত চলাচল |
| করত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম দেলোয়ার হোসেন মুন্সীর |
| তৃতীয় ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | ছেলে মরহুম তোতা মিঞা সাহেব মুসাফির লঞ্চ কোম্পানীর মালিক |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থ | খাল্লা গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ আলী আযম (মালু মিঞার) একটি |
| ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | লঞ্চ ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে বাঞ্ছারামপুর এবং |
| বাঞ্ছারামপুর থেকে সদরঘাট পর্যন্ত চলাচল করত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫ম | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী সাবেক চেয়ারম্যান সাহেবের ছেলে |
| ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | মোহাম্মদ মতিউর রহমান সাহেব (চেনু, সোনারবাংলা ও গোলাম |
| নূর লঞ্চ-এর মালিক ছিলেন) | ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর |
| পর্যন্ত লঞ্চগুলি চলাচল করত | উনার জন্ম-১৯২৭, মৃত্যু-১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী মোঃ ইব্রাহিম, একজন স্বনামধন্য |
| চা ব্যবসায়ী ছিলেন | প্রতিষ্ঠিত চা ব্যবসায়ী ও রোজ টি কোম্পানীর স্বত্তাধিকারী | উনার |
| জন্ম-১৯৩৬ খ্রিঃ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর উত্তরপাড়ার রাহাত আলীর ছেলে মোহাম্মদ মালু মিয়ার |
| সবচেয়ে বেশী চাষের জমি কোন | ছেলেদের দখলে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে |
| পরিবারের | ১৩০(একশত ত্রিশ) বিঘা বা কানী চাষের জমি আছে | মালু মিঞার |
| জন্ম-১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০০২ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ আলী আজগর ব্যাপারীর বড় |
| প্রতিষ্ঠিত জুয়ারী ছিলেন কে | ছেলে আবদুল মালেক | উনার জন্ম-১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১ম | বুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী এম. মকবুল হোসেন | তিনি |
| ব্যক্তি গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ছিলেন | আসিয়ানা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন |
| জন্ম-১৯৩৮,মৃত্যু-২০০৩খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা |
| ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেন | পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহা | উনার জন্ম-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভবনাথপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট মৌলভী মোহাম্মদ মহব্বত |
| দ্বিতীয় ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেন | আলী | উনার জন্ম-১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল আযিয | উনার |
| তৃতীয় ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেন | জন্ম-১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে | উনি অধ্যক্ষ তসাদ্দক |
| হোসেনের পিতা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থ | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট ফজলুর রহমান | উনার |
| ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেন | জন্ম-১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | উনি বাঙ্গালী মুসলমানদের |
| মধ্যে প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় ভাই |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫ম | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল লতিফ | উনার |
| ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেন | জন্ম-১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-০২-১৯৬৯ তারিখ | উনি অধ্যাপক |
| মোহাম্মদ নোমান সাহেবের পিতা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৬ষ্ঠ | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক |
| ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেন | ওরফে লিল মিঞা | উনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২১-০৪-১৯৮১ |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. আবদুল আউয়ালের ছেলে |
| বার-এট. ল. | ব্যারিস্টার এ. বি. এম. ফকরুদ্দিন | লন্ডনে আইন পেশায় নিয়োজিত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | চরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ সুরুজ মিঞা |
| ব্যক্তি ঠিকাদারী ব্যবসা করতেন | উনি ব্রিটিশ আমল থেকে ঠিকাধারী ব্যবসা করত | উনার জন্ম-১৯০৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু |
| দ্বিতীয় ব্যক্তি ঠিকাদারী ব্যবসা করতেন | মিঞা), সাবেক এম. পি. | উনার জন্ম-১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৫ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু |
| ব্যক্তি লোক রপ্তানীকারক | মিঞা), সাবেক এম.পি. | উনি ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দ |
| পর্যন্ত লোক রপ্তানীকারক ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী স্বনামধন্য সংগীত সাধক ও গীতিকার |
| ব্যক্তি কবি ও লেখক ছিলেন | মোহাম্মদ আবদুল্লাহ | উনার জন্ম-১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা |
| নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত আবদুল হাকিম-এর স্ত্রী বেগম |
| মধ্যে প্রথম লেখিকা ছিলেন | আমেনা খাতুন | উনি বিংশ শতাব্দীর ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের দিকে প্রাথমিক |
| বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পাঠ্য পুস্তক লিখেছেন (আদর্শ লিপি |
| লিখিছেন শুনা যায়) | উনার জন্ম-১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিক | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম কাজী আম্বর আলী সাহেবের ছেলে |
| পরিচিতি লাভ করেছে বাংলাদেশ | কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা | উনি শুধু একজন সচিবই নন-তিনি একজন |
| সরকারের সচিব ও কবি-সাহিত্যিক | লব্দপ্রতিষ্ঠিত কবি-সাহিত্যিকও বটে | উনার জন্ম-১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| হিসেবে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিক | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক জনাব |
| পরিচিতি লাভ করেছে গীতিকার | মোহাম্মদ মোজাক্কের | উনি কয়েকটি গানের বই রচনা করেছেন | উনার |
| হিসেবে | জন্ম-১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ব্াঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী মরহুম আলহাজ্জ টি. হোসেন সাহেবের |
| প্রখ্যাত ছড়াকার ও লেখক | পুত্র জনাব লুৎফর রহমান রিটন | তাঁর জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দের ১ |
| এপ্রিল |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভুরভুরিয়া গ্রামের অধিবাসী নামকরা অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক |
| সিনেমা ও টি.ভি. শিল্পী | মোহাম্মদ জহিরুল হক | উনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৯৩ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার |
| মহিলা হিসেবে সিনেমা ও টি. ভি. | জেনারেল মোঃ মফিজুল ইসলাম (মুনশি মিঞা) (উনার |
| শিল্পী ছিলেন | জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ তারিখ, মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় |
| কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ |
| দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী | উনার সাথে গত ২০-০৪-২০০৭ তারিখ বিকেল ৫ ঘটিকার সময় দেখা করি |
| অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার | এবং আমার লিখা ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও |
| জেনারেল মোঃ মফিজুল ইসলাম(মুনশি | চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন''(১৮০৬-২০০৬)-এর |
| মিঞা)-এর বাসায় গত ২০-০৪-২০০৭ | একটি কপি দেই এবং আরো বলি যে-চাঁচা আমি বাঞ্ছারামপুর থানার |
| তারিখ গিয়েছিলাম আমি মোঃ জাকির | তথ্যাবলী সম্বলিত একটি বই রচনা করেছি | আগামী জুলাই মাসের |
| হুসেন (আলমগীর) | উনার দ্বিতীয় কন্যা | মধ্যে বইটি ছাপানো হবে | উনি আমাকে সাথে সাথে বলে যে, |
| হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম | আমাকে একটি কপি দিবে | আমিও উনার সাথে সাথে বলি যে-আমি |
| তারিখ জানার জন্য | আপনাকে এ বইয়ের একটি কপি ছাপানোর সাথে সাথে দিয়ে যাব |
| মোঃ মফিজুল ইসলাম (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে |
| ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ | এ তথ্যগুলো নিয়ে উনার বাসা |
| থেকে বিদায় নিয়ে আসতে চাই-কিন্তু উনি আমাকে বিদায় দিতে |
| চায়নি এবং বারবার আমাকে কি খাবে, কি খাবে বলতে থাকে এবং |
| উনার ঘরের হাউস-কিপারকে বারবার খাবার দেয়ার জন্য |
| আদেশ-নির্দেশ দিয়েছে এবং আমাকে অনেক প্রকার খাবার খাইয়েছে |
| ঐদিন রাত্রি ৭.৫০মিনিটে উনার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসি এবং |
| কথা দিয়ে আসি যে আবার আসব বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলীর |
| বইটি নিয়ে | ১০-০৫-২০০৭ তারিখ সকাল ১১.৩০ মিনিটের সময় |
| মুহিতের টেলিফোন পাই যে-দরিয়াদৌলতের মফিজুল ইসলাম সাহেব |
| মারা গেছেন সকাল ১০ঘটিকার সময় | হ্যাঁ আজ(১০-০৫-২০০৭ তারিখ) |
| আমি আসব উনার জানাযায় উনার মৃত্যু তারিখ বাঞ্ছারামপুর থানার |
| তথ্যাবলীতে দেয়ার জন্য | আমি উনাকে ভুলতে পারব না-আমার |
| বারবার উনার কথা মনে হয় | উনি সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. সরফুজ্জামান (আবু |
| মধ্যে প্রথম টি. ভি. তে জনসংখ্যা | তাহের)-এর কন্যা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মিসেস লুৎফে |
| বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় কে | তাহেরা | ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত জনসংখ্যা বিষয়ক |