‹ আমার দেখা ঢাকা অংশ ৪৪ / ৫২
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে মাসিমনগর
রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীগ্রামের মোহাম্মদ দারোগ আলীদারোগ আলীর জন্ম-১৯১৫
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইদারোগ আলীর ছেলে-নান্নু মিঞা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
মহিলা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা বাঞ্ছারামপুর
বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীথানার উলুকান্দি গ্রামের শিল্পী খালিদ লতিফ (উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সঙ্গীত
মহিলাশিল্পী)
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানেররূপসদী গ্রামের অধিবাসী খানবাহাদুর মৌলভী তুজাম্মেল আলীর
মধ্যে প্রথম যাত্রা শিল্পীদ্বিতীয় ছেলে জনাব মোহাম্মদ দানা মিঞা সাবউনার জন্ম-১৯০৫
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০০০ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
মধ্যে প্রথম নাট্যশিল্পীআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
মধ্যে প্রথম নৃত্তশিল্পীআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোতাহার-উল-হক (সুদন
ইঞ্জিনিয়ারমিঞা)উনার জন্ম-১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১২-০২-২০০২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুস সামাদ সাহেবের বড়
ইঞ্জিনিয়ার সর্বোচ্চ পদে ছিলেনছেলে ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আলম (বকুল), বি.সি.আই.সি.র.
চেয়ারম্যান পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডা. আনসার আলী সাহেবের পূত্র জনাব
মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চএ.এফ.এম. ফজলুল করিম, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে লাহোর থেকে মাইনিং
পদে ছিলেনইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেনবাংলাদেশ পেট্রোবাংলার, এম.ডি. হিসেবে
অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেপাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ কেনু মাষ্টারের বড় ছেলে
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ পদেপ্রকৌশলী মোঃ খোরশেদ আলম, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান
প্রকৌশলীর পদ থেকে অবসর-এ. আছেনউনার জন্ম-১৯৪৬ খ্রি.
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল আউয়াল সাহেবের বড়
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ পদেছেলে প্রকৌশলী মোঃ নিজামউদ্দিন, বি.আই.এম.-এর ডি.জি. হিসেবে
কর্মরত ছিলেনতার জন্ম-১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরদুর্গারামপুর গ্রামের মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফের কন্যা স্থপতি
মধ্যে প্রথম স্থপতি (অৎপযরঃবপঃ)(অৎপযরঃবপঃ) ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন লাইলুন নাহারতাঁর স্থাপত্য
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেহলো-নগরভবন ও আগারগাঁও-এ প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় সরকার বিভাগের
এল.জি.ই.ডি. ভবনসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমহায়দরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ হোসেন, অগ্রণী
সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেনব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম.ডি.) ছিলেন এবং বাংলাদেশ
সিভিল সার্ভিেসর (ই.পি.সি.এস.)-এর বিশিষ্ট সদস্য ছিলেনউনার
জন্ম-১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেসলিমাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুর রকীব, বাংলাদেশ
সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেনব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এম.ডি.) ছিলেনউনার
জন্ম-০২-০১-১৯৪২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেতেঁজখালী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ আমিনূল ইসলাম (উনার
সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেনবাবার নাম-মোঃ সিরাজুল ইসলাম-বাড়ি-তেঁজখালী-জন্ম-১৯০৫
সালে-মৃত্যু-১৯৮৫ সালে) জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম.
ডি.) ছিলেনউনার জন্ম-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুস সোবহানের
প্রথম সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবংপুত্র ও বসুন্দরা গ্রুপ অব কোম্পানীজের স্বত্তাধিকারী জনাব আহমেদ
পূঁজিপতি হলেনআকবর সোবহান (শাহ আলম)উনার জন্ম-১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেমিরপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম নান্নু মিঞার পুত্র ডক্টর রওশন আলম
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবংলিব্রা র্ফামাসিটিক্যালস লিঃ এবং কে. ডি. এস.-এর স্বত্তাধিকারী
পূঁজিপতি হলেনউনার জন্ম-১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ ফরিদউদ্দিন-এর ছোট ভাই মোঃ
তৃতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবংহেলালউদ্দিন, সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেছেন স্ট্যান্ডার্ড লুঙ্গি
পূঁজিপতি হলেনবাজারজাত করেএ ছাড়াও আরো অনেক ব্যবসার সাথে জড়িত আছে
তার জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমচরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ সুরুজ মিঞার লঞ্চ
ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর এবং
রামচন্দ্রপুর থেকে সদরঘাট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. শামসূল হক-এর একটি লঞ্চ
দ্বিতীয় ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ঢাকা সদরঘাট থেকে বাঞ্ছারামপুর পর্যন্ত চলাচল
করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম দেলোয়ার হোসেন মুন্সীর
তৃতীয় ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনছেলে মরহুম তোতা মিঞা সাহেব মুসাফির লঞ্চ কোম্পানীর মালিক
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থখাল্লা গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ আলী আযম (মালু মিঞার) একটি
ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনলঞ্চ ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে বাঞ্ছারামপুর এবং
বাঞ্ছারামপুর থেকে সদরঘাট পর্যন্ত চলাচল করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫মপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী সাবেক চেয়ারম্যান সাহেবের ছেলে
ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনমোহাম্মদ মতিউর রহমান সাহেব (চেনু, সোনারবাংলা ও গোলাম
নূর লঞ্চ-এর মালিক ছিলেন)ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর
পর্যন্ত লঞ্চগুলি চলাচল করতউনার জন্ম-১৯২৭, মৃত্যু-১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী মোঃ ইব্রাহিম, একজন স্বনামধন্য
চা ব্যবসায়ী ছিলেনপ্রতিষ্ঠিত চা ব্যবসায়ী ও রোজ টি কোম্পানীর স্বত্তাধিকারীউনার
জন্ম-১৯৩৬ খ্রিঃ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর উত্তরপাড়ার রাহাত আলীর ছেলে মোহাম্মদ মালু মিয়ার
সবচেয়ে বেশী চাষের জমি কোনছেলেদের দখলে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে
পরিবারের১৩০(একশত ত্রিশ) বিঘা বা কানী চাষের জমি আছেমালু মিঞার
জন্ম-১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০০২ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ আলী আজগর ব্যাপারীর বড়
প্রতিষ্ঠিত জুয়ারী ছিলেন কেছেলে আবদুল মালেকউনার জন্ম-১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭
খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১মবুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী এম. মকবুল হোসেনতিনি
ব্যক্তি গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ছিলেনআসিয়ানা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন
জন্ম-১৯৩৮,মৃত্যু-২০০৩খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা
ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনপরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহাউনার জন্ম-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভবনাথপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট মৌলভী মোহাম্মদ মহব্বত
দ্বিতীয় ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনআলীউনার জন্ম-১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল আযিযউনার
তৃতীয় ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনজন্ম-১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দেউনি অধ্যক্ষ তসাদ্দক
হোসেনের পিতা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট ফজলুর রহমানউনার
ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনজন্ম-১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইউনি বাঙ্গালী মুসলমানদের
মধ্যে প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় ভাই
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫মউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল লতিফউনার
ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনজন্ম-১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-০২-১৯৬৯ তারিখউনি অধ্যাপক
মোহাম্মদ নোমান সাহেবের পিতা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৬ষ্ঠদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক
ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনওরফে লিল মিঞাউনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২১-০৪-১৯৮১
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. আবদুল আউয়ালের ছেলে
বার-এট. ল.ব্যারিস্টার এ. বি. এম. ফকরুদ্দিনলন্ডনে আইন পেশায় নিয়োজিত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমচরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ সুরুজ মিঞা
ব্যক্তি ঠিকাদারী ব্যবসা করতেনউনি ব্রিটিশ আমল থেকে ঠিকাধারী ব্যবসা করতউনার জন্ম-১৯০৫
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু
দ্বিতীয় ব্যক্তি ঠিকাদারী ব্যবসা করতেনমিঞা), সাবেক এম. পি.উনার জন্ম-১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু
ব্যক্তি লোক রপ্তানীকারকমিঞা), সাবেক এম.পি.উনি ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দ
পর্যন্ত লোক রপ্তানীকারক ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী স্বনামধন্য সংগীত সাধক ও গীতিকার
ব্যক্তি কবি ও লেখক ছিলেনমোহাম্মদ আবদুল্লাহউনার জন্ম-১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা
নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত আবদুল হাকিম-এর স্ত্রী বেগম
মধ্যে প্রথম লেখিকা ছিলেনআমেনা খাতুনউনি বিংশ শতাব্দীর ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের দিকে প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পাঠ্য পুস্তক লিখেছেন (আদর্শ লিপি
লিখিছেন শুনা যায়)উনার জন্ম-১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিকবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম কাজী আম্বর আলী সাহেবের ছেলে
পরিচিতি লাভ করেছে বাংলাদেশকাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলাউনি শুধু একজন সচিবই নন-তিনি একজন
সরকারের সচিব ও কবি-সাহিত্যিকলব্দপ্রতিষ্ঠিত কবি-সাহিত্যিকও বটেউনার জন্ম-১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দে
হিসেবে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিকউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক জনাব
পরিচিতি লাভ করেছে গীতিকারমোহাম্মদ মোজাক্কেরউনি কয়েকটি গানের বই রচনা করেছেনউনার
হিসেবেজন্ম-১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেব্‌াঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী মরহুম আলহাজ্জ টি. হোসেন সাহেবের
প্রখ্যাত ছড়াকার ও লেখকপুত্র জনাব লুৎফর রহমান রিটনতাঁর জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দের ১
এপ্রিল
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভুরভুরিয়া গ্রামের অধিবাসী নামকরা অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক
সিনেমা ও টি.ভি. শিল্পীমোহাম্মদ জহিরুল হকউনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৯৩
খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার
মহিলা হিসেবে সিনেমা ও টি. ভি.জেনারেল মোঃ মফিজুল ইসলাম (মুনশি মিঞা) (উনার
শিল্পী ছিলেনজন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ তারিখ, মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয়
কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ
দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসীউনার সাথে গত ২০-০৪-২০০৭ তারিখ বিকেল ৫ ঘটিকার সময় দেখা করি
অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টারএবং আমার লিখা ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও
জেনারেল মোঃ মফিজুল ইসলাম(মুনশিচৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন''(১৮০৬-২০০৬)-এর
মিঞা)-এর বাসায় গত ২০-০৪-২০০৭একটি কপি দেই এবং আরো বলি যে-চাঁচা আমি বাঞ্ছারামপুর থানার
তারিখ গিয়েছিলাম আমি মোঃ জাকিরতথ্যাবলী সম্বলিত একটি বই রচনা করেছিআগামী জুলাই মাসের
হুসেন (আলমগীর)উনার দ্বিতীয় কন্যামধ্যে বইটি ছাপানো হবেউনি আমাকে সাথে সাথে বলে যে,
হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্মআমাকে একটি কপি দিবেআমিও উনার সাথে সাথে বলি যে-আমি
তারিখ জানার জন্যআপনাকে এ বইয়ের একটি কপি ছাপানোর সাথে সাথে দিয়ে যাব
মোঃ মফিজুল ইসলাম (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে
ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখএ তথ্যগুলো নিয়ে উনার বাসা
থেকে বিদায় নিয়ে আসতে চাই-কিন্তু উনি আমাকে বিদায় দিতে
চায়নি এবং বারবার আমাকে কি খাবে, কি খাবে বলতে থাকে এবং
উনার ঘরের হাউস-কিপারকে বারবার খাবার দেয়ার জন্য
আদেশ-নির্দেশ দিয়েছে এবং আমাকে অনেক প্রকার খাবার খাইয়েছে
ঐদিন রাত্রি ৭.৫০মিনিটে উনার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসি এবং
কথা দিয়ে আসি যে আবার আসব বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলীর
বইটি নিয়ে১০-০৫-২০০৭ তারিখ সকাল ১১.৩০ মিনিটের সময়
মুহিতের টেলিফোন পাই যে-দরিয়াদৌলতের মফিজুল ইসলাম সাহেব
মারা গেছেন সকাল ১০ঘটিকার সময়হ্যাঁ আজ(১০-০৫-২০০৭ তারিখ)
আমি আসব উনার জানাযায় উনার মৃত্যু তারিখ বাঞ্ছারামপুর থানার
তথ্যাবলীতে দেয়ার জন্যআমি উনাকে ভুলতে পারব না-আমার
বারবার উনার কথা মনে হয়উনি সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. সরফুজ্জামান (আবু
মধ্যে প্রথম টি. ভি. তে জনসংখ্যাতাহের)-এর কন্যা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মিসেস লুৎফে
বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় কেতাহেরা১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত জনসংখ্যা বিষয়ক