‹ আমার দেখা ঢাকা অংশ ৪৩ / ৫২
মেজর জেনারেল পদ লাভ করেননি
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর গ্রামের ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মুল্লুক হোসেনের
সর্বোচ্চ পদে নৌবাহিনীর(জন্ম-১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-১২-১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দে) পুত্র রিয়ার
কর্মকর্তা ছিলেনএডমিরাল (অবঃ) আমির আহমেদ মোস্তফাতিনি বাংলাদেশ
নৌ-বাহিনী প্রধান ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানার মধ্যে প্রথম বিমানবাহিনীবাঞ্ছারামপুর থানার ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী উইং কমান্ডার (অবঃ)
কর্মকর্তানেহাল ফজলে বাকীউনার জন্ম-১৯১৭ খ্রিষ্ট্রাব্দের ২৮ ডিসেম্বর
এ থানার মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর মরহুম সুন্দর মিঞা দিওয়ানের ছেলে
বিমানবাহিনী কর্মকর্তা ছিলেনগ্রুপ ক্যাপটেন (অব.) ডা. নিজাম উদ-দীন (মাজহারুল হক)উনার
জন্ম-১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানার মধ্যে সর্বোচ্চ পদেবাঞ্ছারামপুর থানার দুর্গাপুর গ্রামের গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোঃ এমদাদ
বিমানবাহিনী কর্মকর্তা আছেনমিঞা, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে কর্মরত ০২-১০-২০০৬ তারিখ
পর্যন্ত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদশদনা গ্রামের অধিবাসী সার্জেন্ট মোঃ রফিকুল ইসলাম, বীর
বীর প্রতীক উপাধি পানপ্রতীকবাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে চাকুরী করা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে
অংশগ্রহণ করায় তাঁকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-এর তৃতীয় ছেলে
সি. এ. পাশ লোকটিজনাব মোঃ ইকবাল হোসেন (ইকবাল মামা)উনার জন্ম-১৯৩৮
খ্রিষ্টাব্দেবর্তমানে তিনি কানাডাতে বসবাসরত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়ভেলানগর বড়বাড়ির জনাব এ.কে.এম. আবদুল হাকিম (হাকিম ভাই)
সি. এ. পাশ লোকটিউনার জন্ম-১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দেবর্তমানে তিনি নিউইয়ের্ক বসবাসরত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমফরদাবাদ গ্রামের জনাব নেহাল ফজলে বাকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এম.এস-সি. পাশ লোকটিথেকে ১৯৪১ সালে বি. এস-সি. (সম্মান) ও আলীগড় মুসলিম
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪২ সালে এম.এস-সি.তে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম
স্থান অধিকার করেন ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দেউনি স্বর্ণপদক বিজয়ী ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব আবদুল মোমেন, ডি. জি. এম. (অব.),
এম. কম. পাশ লোকটিবাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
এম.কম. পাশ করেনউনার জন্ম-১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপাইকারচর গ্রামের সরকার মোঃ আবদুস সোবহান ও সোনারামপুর
এম. বি. এ. পাশ লোক ২টির নামগ্রামের জনাব মোঃ নাজমুল আলমওরা দু'জন একই বছরে
বি.এস-সি., এম.বি.এ. পাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায়
প্রশাসন ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দেউভয়ে ব্যাংকার হিসেবে
কর্মরত ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে বাঁশগাড়ি গ্রামের মরহুম আবুল খায়ের আহমেদ,
পররাষ্ট্র বিভাগে ছিলেনলন্ডনে পাকিস্তান দূতাবাসে ৩য় সচিব হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায়
চাকুরি ছেড়ে দিয়ে লন্ডনে বসবাস করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পররাষ্ট্রভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মুসলেহ উদ-দীন আহমেদ, সচিব
বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন(অব.)উনি ফরাসী দেশে ইকোনমিক মিনিষ্টার এবং পরে রাষ্ট্রদূত
ছিলেন
থানাবাসীর মধ্যে আরো একজনভেলানগর বড়বাড়ির অধিবাসী মালিক মোঃ শাহনূর (শ্যামল), স্পেনে
পররাষ্ট্র বিভাগে ছিলেনবাংলাদেশের অর্থৈনতিক মিনিষ্টার (যুগ্ম-সচিবের পদ মর্যাদা সম্পন্ন)
পদে নিয়োজিত ছিলেনতাঁর জন্ম-১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানার কৃষি বিভাগে সর্বোচ্চ পদেদূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম, পিতা-মরহুম মুনশি
ছিলেনআমিনউদ্দিনকৃষি বিজ্ঞানে তিনি বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে
বাংলাদেশে কৃষি বিজ্ঞানে প্রথম ডক্টরেটউনার জন্ম-১৯১৩ সালের ১
অক্টোবর, দূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম,
মৃত্যু-০৯-০৭-২০১১ তারিখ বেলা ১২.২৩ মিনেটের সময় হাসপাতালে
এ থানার কৃষি বিজ্ঞানে আরো একজনপাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ডক্টর আবদুল করিম, ময়মনসিংহ
পন্ডিত ছিলেনকৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করা অবস্থায় (উনার জন্ম-১৯২৯
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ ডিসেম্বর) লিভার সিরোসিস
রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল হামিদ, বি.এস-সি.,
বিদ্যালয়ের বি. এস-সি. শিক্ষকবি.টি. (ই.পি.ই.এস.)উনার জন্ম-১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা
নেই
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পশু বিভাগেউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী আল-হাজ্জ ডা. আবদুল আউয়াল, চাকুরি
সর্বোচ্চ পদে ছিলেনথেকে অবসর গ্রহণ করেন ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দেউনার জন্ম-১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-২৪-০৩-১৯৮৩ তারিখ
থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ভাষাবাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে
সৈনিক-এর নামবাঙ্গালীর মায়ের ভাষা বাংলাকে রক্ষা আন্দোলনের একজন প্রত্যক্ষ
সৈনিক ছিলেনতিনি ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী
ছিলেনউনার জন্ম-১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে
থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মহিলাদেরবাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর-এর স্ত্রী বেগম
মধ্যে এম. এ., এল. এলবি.দিলবরেন্নেসাবেগম দিলবরেন্নেসা ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে মুক্তিযুদ্ধের
সাহসী সৈনিক ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৩, মৃত্যু-০২-১১-১৯৯৫ তারিখ
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ভূতত্তমানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব এম. এ. জাহেরতিনি
বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনআন্তর্জািতক খ্যাতি অর্জণ করেছেন এবং বিশ্ব বিজ্ঞান সংস্থা তাঁকে
সম্মাণিত করেছেন তাঁর আবিস্কৃত একটি নতুন মিনারেলকে জাহেরাইট
নামকরণ করেসারা বিশ্বের মধ্যে তিনিই একমাত্র মুসলিম ও দক্ষিণ
এশিয়ার একমাত্র ব্যক্তিত্ত্ব যার নামে একটি মিনারেলের নামকরণ করা
হয়েছেউনার জন্ম-১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম আইনদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডব্লিও. এম. আবদুল হকউনার
বিষয়ের ওপর ডক্টরেটজন্ম-১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি যিনিউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ডক্টর এ. এইচ. এম. হাবিবুর
সুদীর্ঘকাল অধ্যাপক হিসেবে ঢাকারহমান, ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে সলিমগঞ্জ স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ
বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী করে অবসরেকরেনতিনি ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম.কম. পাশ
যান-করেন এবং উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই রিডার পদে যোগদান করেন ৩
ফেব্রুয়ারী, ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দেউনি ১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে অধ্যাপক পদে
উন্নীত লাভ করেনসুদীর্ঘ ২৮-বছর যাবত অধ্যাপক হিসেবে চাকুরী
করে গত ৩০-০৬-২০০৬ তারিখ অবসর-এ যান এবং সংখ্যাতিরিক্ত হিসেবে
আরও ৫ বছর অধ্যাপনার সুযোগ পেয়েছেনবাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর
মধ্যে আর কেউ এখন পর্যন্ত(৩০-০৬-২০১১ তারিখ) মানে ৩৩ বছর
পর্যন্ত অধ্যাপক হিসেবে এত বছর অধ্যাপনা করেননিতিনি
বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ইন্ডাজষ্ট্রিয়াল ফিন্যাসে ডক্টরেট ডিগ্রি করেন
উনার জন্ম-১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তিউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ মোহাদ্দেস,
বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ক্যাডারমহা-পরিচালক পদে কর্মরত ছিলেনউনার জন্ম-১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে
সার্ভিেস সর্বোচ্চ পদে ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে এবংপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডাক্তার আনসার আলীতিনি বৃহত্তর
বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার মধ্যেও প্রথমকুমিল্লা জেলার প্রথম মুসলমান এম.বি. (বর্তমান এম.বি.
চিকিৎসক ছিলেনবি.এস.-এর সমান)উনার জন্ম-১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১০-১২-১৯৭১
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডা. এ. এম. মোশতাকুল হকতিনি
চিকিৎসক ছিলেনচিকিৎসা বিভাগের সর্বোচ্চ পরিচালকের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন
উনার জন্ম-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২২-০১-১৯৯৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমরূপসদী গ্রামের অধিবাসী খান বাহাদুর তুজাম্মেল আলী (মোঘল
বক্ষব্যাধি চিকিৎসক ছিলেনমিঞার) ছোট ছেলে ডা. এ. কে. এম. ডি. আহসান আলী (অরুণ)
উনার জন্ম-১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী মরহুম ক্যাপটেন ডা. আবদুল গফুর-এর
লিভার ডিজিজের ওপর বিশেযজ্ঞবড় ছেলে ডা. আহম্মদ নূরুল আলম, এম.বি.বি.এস.(ঢাকা), লিভার
চিকিৎসকডিজিজের ওপর পি.এইচ.ডি. করেছে লন্ডন কিং কলেজ হসপিটাল থেকে
১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদূর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফ
র্সবোচ্চ পদে মহিলা চিকিৎসকসাহেবের কন্যা প্রফেসর ডা. নাজমুন নাহার, এফ.আর.সি.এস., শিশু
রোগ বিশেষজ্ঞ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া ভাইয়ের
চর্মেরাগ বিশেষজ্ঞ মহিলা চিকিৎসকদ্বিতীয় মেয়ে মিসেস ডা. যাকিয়া মাহফুজা হাসানতার জন্ম-১৯৫২
খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপূর্বহাটী গ্রামের ডা. ক্যাপ্টেন আ. গফুরউনি বৃটিশ আর্মিেত
এল.এম.এফ. চিকিৎসক ছিলেনচাকুরী করতেনউনার জন্ম-১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়কৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. ইয়াকুব আলী, ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে
এল.এম.এফ. চিকিৎসক ছিলেনম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৩তম স্থান
অধিকার করেন এবং ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে এল.এম.এফ. পাশ করেনউনার
জন্ম-১৯০৩, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী ডা. নাসিরউদ্দিনউনার জন্ম-১৮৯৮
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেনখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১০-০২-১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দেবাসার ঠিকানাঃ-৩৭, আল
আমিন রোড, কাঠালবাগান, গ্রীণ রোড, ঢাকা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের অধিবাসী নোয়াব আলী কবিরাজউনার জন্ম-১৮৯৭
কবিরাজ চিকিৎসক ছিলেনখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দেনোয়াব আলী কবিরাজ হলো
খোশকান্দি গ্রামের অধিবাসী আবদুল মজিদ মাষ্টারের শ্বশুরমজিদ
মাষ্টারের জন্ম-১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৫-০৬-১৯৮১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদেীলত গ্রামের অজী বাড়ীর অধিবাসী মোহাম্মদ জারু হেকিম
হেকিমী চিকিৎসক ছিলেনউনার জন্ম-১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ কান্দু খলিফাউনার
খলিফা (কাপড় সেলাই) ছিলেনজন্ম-১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯..
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মোঃ মইজউদ্দিন আমীনউনার
আমিন (জমি মাপার) ছিলেনজন্ম-১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইউনার ছেলের নাম জনাব
আবদুল মান্নান, কাষ্টম অফিসার ছিলেনউনার জন্ম-১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দেউনার মেয়ের স্বামী হলো ভূমি প্রতিমন্ত্রী
উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদেরনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর
মধ্যে সবচেয়ে উঁচু লোকটি কোনথানার পূর্বহাটি গ্রামের মধ্যপাড়ার জনাব আদম আলীর ছেলে
গ্রামেরমোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনতার উচ্চতা ৬(ছয়) ফুট ২(দুই) ইঞ্চি
তারমত উচ্চতা বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের মধ্যে আর
দ্বিতীয়টি আছে বলে আমার জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদেরনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর
মধ্যে দ্বিতীয় উঁচু লোকটি কোনথানার দরিকান্দি গ্রামের পুস্তুক পাবলিশার্স মোহাম্মদ শাহজাহান
গ্রামেরআবদালীতার উচ্চতা ৬(ছয়) ফুট ১.৫(দেড়) ইঞ্চি
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদেরনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর
মধ্যে সবচেয়ে বেটে লোকটি কোনথানার দরিভেলানগর গ্রামের লায়মন বিবিতার উচ্চতা ৩০(ত্রিশ)
গ্রামেরইঞ্চিতারমত বেটে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা
মতে বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি আছে বলে জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
মধ্যে সবচেয়ে মোটা লোকটি কোনআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
গ্রামের অধিবাসী
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
মধ্যে সবচেয়ে চিকন লোকটি কোনআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
গ্রামের অধিবাসী
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
মধ্যে সবচেয়ে বেশী ওজনের লোকটিআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
কোন গ্রামের অধিবাসী
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
মধ্যে সবচেয়ে কম ওজনের লোকটিআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
কোন গ্রামের অধিবাসী
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
বিয়ের ঘটক ছিলেনআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মেয়েদেরবাঞ্ছারামপুর থানার উলুকান্দি গ্রামের অধ্যাপক এ. এইচ. এম.
মধ্যে প্রতিষ্ঠিত কবিহাবিবুর রহমান-এর বড় ভাইয়ের মেয়ে-নূর কামরুন নাহার
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার মরিচাকান্দি গ্রামের সরকার বাড়ির মরহুম মোঃ
প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিকমিজানুর রহমান
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
প্রতিষ্ঠিত ঔপন্যাসিকআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ অলেক ভূইয়ার ছেলে মি.
প্রতিষ্ঠিত কোস্তিগীরবাংলাদেশ ছিলেন জনাব মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ লাকীসে একজন বডি
বিল্ডার ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি
প্রতিষ্ঠিত স্পোর্টস ম্যানআছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম সামাদ মাষ্টারের ছেলে ডা.
প্রতিষ্ঠিত স্পোর্টস গার্লমোছলেহ উদ্দিন-এর মেয়ে মিসেস সাবরীণা সুলাতানাসাবরীণা
সুলাতানা জাতীয় সুটারতার জন্ম-১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১ মার্চ