| কতভাগ লোক প্রতিবন্ধী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৪ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক গলগন্ড রোগে ভুগছে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক এ্যাজমা রোগী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাঁদেরসহ শতকরা ৯ ভাগ |
| কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে | (৫ থেকে ১৫) বছর বয়সী শিশু কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে |
| জড়িত রয়েছে | জড়িত আছে |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক আশ্রয়হীন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৬ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক ধনুষ্টঙ্কারে মারা যায় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫ |
| ভাগ মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক ধুমপানে মারা যায় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক মৃগী রোগী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫ |
| ভাগ মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক কুষ্ঠ রোগী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫ |
| ভাগ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা |
| কতভাগ লোক নদী-নালা ও পুকুরের | ২০ ভাগ মানুষ |
| পানি ব্যবহার করে |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| প্রতিজন লোক কি পরিমাণ জ্বালানি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ প্রতিজন মানুষ |
| ব্যবহার করে | ৫০ কেজি জ্বালানি ব্যবহার করে |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক উপযুক্ত স্বাস্থ্য সেবার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৮০ ভাগ |
| সুযোগ পাচ্ছে না | মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক এম. বি. বি. এস. | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ |
| ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে | মানুষ এম.বি.বি.এস. ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| যাবতীয় কাজের কতভাগ মহিলারা করে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৬৫ ভাগ |
| কাজ করে মহিলারা |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| যাবতীয় কাজের কতভাগ পুরুষরা করে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩৫ ভাগ |
| কাজ করে পুরুষরা |
| ২০১০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| লোক বিভিন্ন রোগের কারণে কানে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ |
| কম শোনে | লোক কানে কম শোনে |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক যক্ষায় আক্রান্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ |
| মানুষ যক্ষায় আক্রান্ত |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক মানসিক রোগী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ প্রাপ্তবয়স্কদের |
| ১৬ শতাংশ মানসিক রোগী | জরিফের ফলাফলে বলা হচ্ছে ১৯ শতাংশ |
| নারী এবং ১৩ শতাংশ পুরুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম পুরুষ শিক্ষিত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ৮ম পুরুষ |
| কয়টি পরিবার | শিক্ষিত পরিবার ৫টি পরিবার | ৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ১৩টি |
| পরিবার ও ৬ষ্ঠ পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৩৭টি পাওয়া গেছে এবং ৫ম |
| পুরুষ শিক্ষিত পরিবার মাত্র ৪৯টি পাওয়া গেছে |
| সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি | ৯৫টি |
| বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও | ৬৫টি |
| কিন্ডারগার্টেনসহ কয়টি |
| বাঞ্ছারামপুর কলেজ কয়টি | ৬টি(১টি ডিগ্রি কলেজ উপজেলা সদরে) |
| প্রথম কলেজটি কোন গ্রামে | বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭২-৭৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| দ্বিতীয় কলেজটি কোন গ্রামে | দরিকান্দি তাজুল ইসলাম আদর্শ কলেজ ১৯৮৫ |
| তৃতীয় কলেজটি কোন গ্রামে | ফরদাবাদ ডক্টর রওশন আলম কলেজ ১৯৯৫ সালে |
| চতুর্থ কলেজটি কোন গ্রামে | ছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী কলেজ ১৯৯৫খ্রিঃ |
| ৫ম কলেজটি কোন গ্রামে | রূপসদী সুজন-দুলু কলেজ প্রতিষ্ঠাকাল ২০০২ খ্রিষ্টঃ |
| ৬ষ্ঠ কলেজটি কোন গ্রামে |
| বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ-এর প্রথম | বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজের প্রথম নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের প্রথম |
| নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের ভি.পি. কে | নির্বাচনে (১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে) প্রথম নির্বািচত ভি.পি. হলেন এ. কে. |
| এম. মুসা | মুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম | দুর্গারামপুর গ্রামের শিল্পপতি জনাব আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ |
| মহিলা মহাবিদ্যালয়টি কার নামে হবে | আলম) সাহেবের মায়ের নামে (মোসাম্মৎ উল্মে কুলসুম মহিলা |
| মহাবিদ্যালয়)টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নদী ও | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পূর্ব-উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ সীমানা তিতাস |
| নদীদ্বারা সীমারেখা | নদীদ্বারা বেষ্টিত এবং মেঘনা নদীদ্বারা এ থানার পশ্চিম-উত্তর ও পশ্চিম |
| দিক পর্যন্ত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামে | নান্দরা গ্রামের উঁচু ভূমিতে ভাটরাজারা বাস করতো |
| ভাটরাজারা বাস করতো |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম গ্রাম | আকানগর, বলদাখাল পরগনার জমিদার আকা সাদেকের নামে আকানগর |
| কোনটি | গ্রামের নামকরণ করা হয় | আকা সাদেক তুর্কি মুসলমান ছিলেন |
| আকা সাদেক বলদাখাল বা বরদাখাত পরগনার জমিদার ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল, নবীনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল, |
| মুরাদনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল এবং দেবীদ্বার উপজেলার আংশিক নিয়ে |
| বলদাখাল পরগনা গঠিত ছিল | এ পরগনার আয়তন হলো ৩৮৬ বর্গমাইল |
| আকা সাদেক হলো আকা বাকেরের নাতির ঘরের ছেলে | আকা |
| বাকেরের নামে নিজে ঢাকাতে বাকরখানী রুটির নাম প্রবর্তন করেন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দ্বিতীয় গ্রাম | ভেলানগর, মির্যা ইব্রাহিম বেগ ওরফে মির্যা ভেলার নামে ভেলানগর |
| কোনটি | গ্রামের নামকরণ করা হয় | মির্যা ভেলা হলো আকা সাদেকের বড় |
| পুত্র | মির্যা ভেলাও বলদাখাল পরগনার জমিদার ছিলেন | মির্যা ভেলা |
| হলেন আকা বাকেরের নাতির ঘরের নাতি | মির্যা ভেলার নাতিনের |
| ঘরের নাতিন জামাই হলেন শের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান |
| শহীদ সরওয়ার্দী | শের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ |
| সরওয়ার্দীর শ্যালক ড. সৈয়দ হোসেন | ড. সৈয়দ হোসেন হলো |
| ভারতবর্ষের এক সময়ের দৈনিক ইংরেজী পত্রিকার প্রখ্যাত সাংবাদিক |
| ড. সৈয়দ হোসেন-এর আরেকটি পরিচয় হলো পন্ডিত মতিলাল নেহরুর |
| মেয়ে বিজয় লক্ষী পন্ডিতকে বিয়ে করেছিলেন ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে এলাহাবাদ |
| শহরে মুসলমান শরীয়তমতে ৫ জন স্বাক্ষীর মাধ্যমে মাওলানা শওকত |
| আলীর নেতৃত্বে | এ বিজয় লক্ষী পন্ডিত(এর জন্ম-১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে) হলেন পন্ডিত জওহর লাল নেহরুর বোন | ড. |
| সৈয়দ হোসেন মিসেস ইন্দিরা গান্ধীর ঢাকাইয়া ফুফা ছিলেন | ড. |
| সৈয়দ হোসেন-এর জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, কায়রোতে মৃত্যু-১৯৬২ |
| খ্রিষ্টাব্দে | কায়রোতে ড. সৈয়দ হোসেন স্বাধীন ভারতের প্রথম |
| রাষ্ট্রদূত ছিলেন |
| তৃতীয় গ্রাম কোনটি | দরিভেলানগর |
| ৪র্থ গ্রাম কোনটি | মধ্যনগর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে | ফরদাবাদ গ্রামটি | দৈর্ঘ প্রায় ৪(চার) মাইল | ফরদাবাদ গ্রামটি উত্তর |
| লম্বা গ্রাম কোনটি | দিকে গকুলনগর গ্রামের সাথে এবং দক্ষিণমূখী হয়ে গ্রামটি আবার |
| তিতাস নদীর পাড় ঘেসে পশ্চিমদিকে জুনারচর গ্রামের সাথে মিলেছে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি |
| কম লম্বা গ্রাম কোনটি | ইউনিয়নের ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলহাটী'' |
| গ্রামটি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে রুপসদী গ্রামে |
| বেশী লোক কোন গ্রামে বাস | প্রায় ১৭,০০০(সতের হাজার) লোক বাস করে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি |
| কম লোক কোন গ্রামে বাস | ইউনিয়নের ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলহাটী'' |
| গ্রামে কম লোক বাস করে | প্রায় ১৫০(একশত পঞ্চাশ) জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামে | প্রায় ৩২টি মসজিদ আছে ফরদাবাদ গ্রামে | এ তথ্য ২৬-১২-২০০৭ |
| সবচেয়ে বেশি মসজিদ | তারিখ | ১২-১০-২০১১ তারিখের তথ্য হল ৪০টি মসজিদ আছে-আবদুল |
| হামিদ সাব |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে বড় বিলটির | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের সুবিশাল বারিয়াদরের বিল |
| অবস্থান |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে ছোট বিলটির | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি গ্রামের ইমামনগরের আড়াইল্যার |
| অবস্থান | বিলটি সবচেয়ে ছোট বিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে | বিলটির |
| আয়তন ১০ বিঘা |
| উপজেলার প্রথম মাষ্টার মুসলমানের | দরিকান্দি গ্রামের কাজী লাল মিঞা মাষ্টার | উনার জন্ম-১৮৭০ |
| মধ্যে | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| উপজেলার দ্বিতীয় মাষ্টার মুসলমানের | ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিম মাষ্টার | উনার জন্ম-১৮৬৮ |
| মধ্যে | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে |
| উপজেলার মধ্যে প্রথম পন্ডিত ছিলেন | দরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিত | উনার জন্ম-১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-জানা নেই | ঢাকার নবাব বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করেছে এবং |
| নিজের চোখে সিপাই বিপ্লব দেখেছে বলেছে, জনাব আবুল কালাম |
| মোহাম্মদ যাকারিয়ার বাবা জনাব ইমদাদ আলী মিঞার নিকট | ইমদাদ |
| আলীর জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যে | দুর্গারামপুর গ্রামের মুন্সি মোঃ আমিনুদ্দিন | উনার জন্ম-১৮৭১ |
| প্রথম দলিল লেখক | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯... | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের আরো একজন হলেন |
| মুন্সি হাসান আলী |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম কাজী | দরিকান্দি গ্রামের মরহুম নওয়াব আলী মৌলভী সাহেবের বড় ছেলে |
| (বিবাহ-নিবন্ধনকরণ) | মরহুম কাজী মধু মিঞা-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে কাজী হিসেবে |
| ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার ছিলেন | উনার জন্ম-১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৯... | মায়ারামপুর গ্রামের কাজী মাওলানা মোঃ সিরাজুল |
| ইসলাম, ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সরকারী কাজী হিসেবে ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার |
| ছিলেন |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম | উজানচর বাজারে উজানচর গ্রামের মোহাম্মদ কামালউদ্দিন খাঁ, ১৯১৫ |
| দোকানদার | খ্রিষ্টাব্দ থেকে দোকান দেন | উনার জন্ম-১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫০ |
| খ্রিঃ |
| এ | এ থানার মুসলমানের মধ্যে দ্বিতীয় | বালুয়াকান্দি বাজারে ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ওয়ালী সওদাগর, |
| দোকানদার | ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দোকান দেন | উনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রি. |
| মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| বালুয়াকান্দি বাজারের মধ্যে প্রথম | রূপসদী খানেপাড়ার স্বর্গীয় রাধাচরণ সাহা | উনার জন্ম-১৮৮০ |
| দোকানদার | খ্রিষ্টাব্দে, পরলোগমণ-১২-০১-১৯৭৪ |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন | উনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, |
| শহরবাসী | মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে (কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে স্ত্রী, এক মেয়ে |
| ও ছেলে রেখে) |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে দরিকান্দি | মুন্সেফ নাসির-উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| গ্রামের জনাব আবুল কালাম | মৃত্যু-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে | নাসির-উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে শমশের |
| মোহাম্মদ যাকারিয়ার পরিবারটি ৮ম | উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৫৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| পুরুষ শিক্ষিত | শমশের উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে ফসিহ উদ-দীন মিঞা | উনার |
| জন্ম-১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | ফসিহ উদ-দীন মিঞার বড় |
| ছেলে গোলাম রসুল মিঞা | উনার জন্ম-১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৩ |
| খ্রিষ্টাবে | গোলাম রসুল মিঞার বড় ছেলে আবদুল গফুর মিঞা | উনার |
| জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে | উনার ছোট ভাই ইমদাদ আলী মিঞা | উনার |
| জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে | ইমদাদ আলী মিঞা |
| হলো-জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার পিতা | ইমদাদ আলী |
| মিঞার ছেলে আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনার |
| জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ | জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার |
| বড় ছেলে মাহমুদ | মাহমুদের জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে | মাহমুদের ছেলে |
| হলো অনন্ত |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে ভেলানগর | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, উনার জন্ম-১৮২৯ |
| বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে | মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলীর |
| আলীর পরিবারটি ৬ষ্ঠ পুরুষ শিক্ষিত | বড় ছেলে মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী (বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর |
| মধ্যে প্রথম নায়েব ছিলেন | উনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে | মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীর বড় ছেলে মুনশি মোহাম্মদ |
| জিন্নত আলী (কান্দু মিঞা)-নবীনগর ইংরেজী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে |
| ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় ফেল করেন | কান্দু মিঞাও নায়েব |
| ছিলেন-উনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে | মুনশি |
| মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ আজহারুল |
| হক (নসু মিঞা) | উনিও প্রথম জীবনে চাকুরী করতেন এবং পরবর্তী |
| সময়ে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন-উনার জন্ম-১৯২৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৩-০৭-১৯৭১ তারিখ | মোঃ আজহারুল হক (নসু |
| মিঞার) বড় ছেলে মোঃ জিয়াউদ্দিন আহামেদ (বায়েস)-এর |
| জন্ম-২৫-১২-১৯৫১ তারিখ | মোঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ (বায়েস)-এর বড় |
| ছেলে মোহাম্মদ রাকীব আহমেদ (রাকু)'র জন্ম-২৩-১০-১৯৭৭ তারিখ |