‹ আমার দেখা ঢাকা অংশ ৪০ / ৫২
কতভাগ লোক প্রতিবন্ধীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৪ ভাগ
মানুষ
২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক গলগন্ড রোগে ভুগছেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ
মানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক এ্যাজমা রোগীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ
মানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাঁদেরসহ শতকরা ৯ ভাগ
কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে(৫ থেকে ১৫) বছর বয়সী শিশু কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে
জড়িত রয়েছেজড়িত আছে
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক আশ্রয়হীনবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৬ ভাগ
মানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক ধনুষ্টঙ্কারে মারা যায়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫
ভাগ মানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক ধুমপানে মারা যায়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১ ভাগ
মানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক মৃগী রোগীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫
ভাগ মানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক কুষ্ঠ রোগীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫
ভাগ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা
কতভাগ লোক নদী-নালা ও পুকুরের২০ ভাগ মানুষ
পানি ব্যবহার করে
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
প্রতিজন লোক কি পরিমাণ জ্বালানিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ প্রতিজন মানুষ
ব্যবহার করে৫০ কেজি জ্বালানি ব্যবহার করে
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক উপযুক্ত স্বাস্থ্য সেবারবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৮০ ভাগ
সুযোগ পাচ্ছে নামানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক এম. বি. বি. এস.বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ
ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারেমানুষ এম.বি.বি.এস. ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
যাবতীয় কাজের কতভাগ মহিলারা করেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৬৫ ভাগ
কাজ করে মহিলারা
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
যাবতীয় কাজের কতভাগ পুরুষরা করেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩৫ ভাগ
কাজ করে পুরুষরা
২০১০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
লোক বিভিন্ন রোগের কারণে কানেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ
কম শোনেলোক কানে কম শোনে
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক যক্ষায় আক্রান্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ
মানুষ যক্ষায় আক্রান্ত
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক মানসিক রোগীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ প্রাপ্তবয়স্কদের
১৬ শতাংশ মানসিক রোগীজরিফের ফলাফলে বলা হচ্ছে ১৯ শতাংশ
নারী এবং ১৩ শতাংশ পুরুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম পুরুষ শিক্ষিতবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ৮ম পুরুষ
কয়টি পরিবারশিক্ষিত পরিবার ৫টি পরিবার৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ১৩টি
পরিবার ও ৬ষ্ঠ পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৩৭টি পাওয়া গেছে এবং ৫ম
পুরুষ শিক্ষিত পরিবার মাত্র ৪৯টি পাওয়া গেছে
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি৯৫টি
বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও৬৫টি
কিন্ডারগার্টেনসহ কয়টি
বাঞ্ছারামপুর কলেজ কয়টি৬টি(১টি ডিগ্রি কলেজ উপজেলা সদরে)
প্রথম কলেজটি কোন গ্রামেবাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭২-৭৩ খ্রিষ্টাব্দে
দ্বিতীয় কলেজটি কোন গ্রামেদরিকান্দি তাজুল ইসলাম আদর্শ কলেজ ১৯৮৫
তৃতীয় কলেজটি কোন গ্রামেফরদাবাদ ডক্টর রওশন আলম কলেজ ১৯৯৫ সালে
চতুর্থ কলেজটি কোন গ্রামেছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী কলেজ ১৯৯৫খ্রিঃ
৫ম কলেজটি কোন গ্রামেরূপসদী সুজন-দুলু কলেজ প্রতিষ্ঠাকাল ২০০২ খ্রিষ্টঃ
৬ষ্ঠ কলেজটি কোন গ্রামে
বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ-এর প্রথমবাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজের প্রথম নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের প্রথম
নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের ভি.পি. কেনির্বাচনে (১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে) প্রথম নির্বািচত ভি.পি. হলেন এ. কে.
এম. মুসামুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথমদুর্গারামপুর গ্রামের শিল্পপতি জনাব আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ
মহিলা মহাবিদ্যালয়টি কার নামে হবেআলম) সাহেবের মায়ের নামে (মোসাম্মৎ উল্মে কুলসুম মহিলা
মহাবিদ্যালয়)টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নদী ওবাঞ্ছারামপুর উপজেলার পূর্ব-উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ সীমানা তিতাস
নদীদ্বারা সীমারেখানদীদ্বারা বেষ্টিত এবং মেঘনা নদীদ্বারা এ থানার পশ্চিম-উত্তর ও পশ্চিম
দিক পর্যন্ত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেনান্দরা গ্রামের উঁচু ভূমিতে ভাটরাজারা বাস করতো
ভাটরাজারা বাস করতো
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম গ্রামআকানগর, বলদাখাল পরগনার জমিদার আকা সাদেকের নামে আকানগর
কোনটিগ্রামের নামকরণ করা হয়আকা সাদেক তুর্কি মুসলমান ছিলেন
আকা সাদেক বলদাখাল বা বরদাখাত পরগনার জমিদার ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল, নবীনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল,
মুরাদনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল এবং দেবীদ্বার উপজেলার আংশিক নিয়ে
বলদাখাল পরগনা গঠিত ছিলএ পরগনার আয়তন হলো ৩৮৬ বর্গমাইল
আকা সাদেক হলো আকা বাকেরের নাতির ঘরের ছেলেআকা
বাকেরের নামে নিজে ঢাকাতে বাকরখানী রুটির নাম প্রবর্তন করেন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দ্বিতীয় গ্রামভেলানগর, মির্যা ইব্রাহিম বেগ ওরফে মির্যা ভেলার নামে ভেলানগর
কোনটিগ্রামের নামকরণ করা হয়মির্যা ভেলা হলো আকা সাদেকের বড়
পুত্রমির্যা ভেলাও বলদাখাল পরগনার জমিদার ছিলেনমির্যা ভেলা
হলেন আকা বাকেরের নাতির ঘরের নাতিমির্যা ভেলার নাতিনের
ঘরের নাতিন জামাই হলেন শের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান
শহীদ সরওয়ার্দীশের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ
সরওয়ার্দীর শ্যালক ড. সৈয়দ হোসেনড. সৈয়দ হোসেন হলো
ভারতবর্ষের এক সময়ের দৈনিক ইংরেজী পত্রিকার প্রখ্যাত সাংবাদিক
ড. সৈয়দ হোসেন-এর আরেকটি পরিচয় হলো পন্ডিত মতিলাল নেহরুর
মেয়ে বিজয় লক্ষী পন্ডিতকে বিয়ে করেছিলেন ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে এলাহাবাদ
শহরে মুসলমান শরীয়তমতে ৫ জন স্বাক্ষীর মাধ্যমে মাওলানা শওকত
আলীর নেতৃত্বেএ বিজয় লক্ষী পন্ডিত(এর জন্ম-১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে) হলেন পন্ডিত জওহর লাল নেহরুর বোনড.
সৈয়দ হোসেন মিসেস ইন্দিরা গান্ধীর ঢাকাইয়া ফুফা ছিলেনড.
সৈয়দ হোসেন-এর জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, কায়রোতে মৃত্যু-১৯৬২
খ্রিষ্টাব্দেকায়রোতে ড. সৈয়দ হোসেন স্বাধীন ভারতের প্রথম
রাষ্ট্রদূত ছিলেন
তৃতীয় গ্রাম কোনটিদরিভেলানগর
৪র্থ গ্রাম কোনটিমধ্যনগর
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়েফরদাবাদ গ্রামটিদৈর্ঘ প্রায় ৪(চার) মাইলফরদাবাদ গ্রামটি উত্তর
লম্বা গ্রাম কোনটিদিকে গকুলনগর গ্রামের সাথে এবং দক্ষিণমূখী হয়ে গ্রামটি আবার
তিতাস নদীর পাড় ঘেসে পশ্চিমদিকে জুনারচর গ্রামের সাথে মিলেছে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়েনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি
কম লম্বা গ্রাম কোনটিইউনিয়নের ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলহাটী''
গ্রামটি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়েনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে রুপসদী গ্রামে
বেশী লোক কোন গ্রামে বাসপ্রায় ১৭,০০০(সতের হাজার) লোক বাস করে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়েনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি
কম লোক কোন গ্রামে বাসইউনিয়নের ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলহাটী''
গ্রামে কম লোক বাস করেপ্রায় ১৫০(একশত পঞ্চাশ) জন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেপ্রায় ৩২টি মসজিদ আছে ফরদাবাদ গ্রামেএ তথ্য ২৬-১২-২০০৭
সবচেয়ে বেশি মসজিদতারিখ১২-১০-২০১১ তারিখের তথ্য হল ৪০টি মসজিদ আছে-আবদুল
হামিদ সাব
কোন গ্রামে সবচেয়ে বড় বিলটিরবাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের সুবিশাল বারিয়াদরের বিল
অবস্থান
কোন গ্রামে সবচেয়ে ছোট বিলটিরবাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি গ্রামের ইমামনগরের আড়াইল্যার
অবস্থানবিলটি সবচেয়ে ছোট বিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেবিলটির
আয়তন ১০ বিঘা
উপজেলার প্রথম মাষ্টার মুসলমানেরদরিকান্দি গ্রামের কাজী লাল মিঞা মাষ্টারউনার জন্ম-১৮৭০
মধ্যেখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে
উপজেলার দ্বিতীয় মাষ্টার মুসলমানেরভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিম মাষ্টারউনার জন্ম-১৮৬৮
মধ্যেখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে
উপজেলার মধ্যে প্রথম পন্ডিত ছিলেনদরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিতউনার জন্ম-১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-জানা নেইঢাকার নবাব বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করেছে এবং
নিজের চোখে সিপাই বিপ্লব দেখেছে বলেছে, জনাব আবুল কালাম
মোহাম্মদ যাকারিয়ার বাবা জনাব ইমদাদ আলী মিঞার নিকটইমদাদ
আলীর জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যেদুর্গারামপুর গ্রামের মুন্সি মোঃ আমিনুদ্দিনউনার জন্ম-১৮৭১
প্রথম দলিল লেখকখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯...বাঞ্ছারামপুর গ্রামের আরো একজন হলেন
মুন্সি হাসান আলী
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম কাজীদরিকান্দি গ্রামের মরহুম নওয়াব আলী মৌলভী সাহেবের বড় ছেলে
(বিবাহ-নিবন্ধনকরণ)মরহুম কাজী মধু মিঞা-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে কাজী হিসেবে
ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার ছিলেনউনার জন্ম-১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯...মায়ারামপুর গ্রামের কাজী মাওলানা মোঃ সিরাজুল
ইসলাম, ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সরকারী কাজী হিসেবে ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার
ছিলেন
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথমউজানচর বাজারে উজানচর গ্রামের মোহাম্মদ কামালউদ্দিন খাঁ, ১৯১৫
দোকানদারখ্রিষ্টাব্দ থেকে দোকান দেনউনার জন্ম-১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫০
খ্রিঃ
এ থানার মুসলমানের মধ্যে দ্বিতীয়বালুয়াকান্দি বাজারে ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ওয়ালী সওদাগর,
দোকানদার১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দোকান দেনউনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রি.
মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে
বালুয়াকান্দি বাজারের মধ্যে প্রথমরূপসদী খানেপাড়ার স্বর্গীয় রাধাচরণ সাহাউনার জন্ম-১৮৮০
দোকানদারখ্রিষ্টাব্দে, পরলোগমণ-১২-০১-১৯৭৪
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথমখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীনউনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে,
শহরবাসীমৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে (কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে স্ত্রী, এক মেয়ে
ও ছেলে রেখে)
এ থানার মুসলমানের মধ্যে দরিকান্দিমুন্সেফ নাসির-উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে,
গ্রামের জনাব আবুল কালামমৃত্যু-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দেনাসির-উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে শমশের
মোহাম্মদ যাকারিয়ার পরিবারটি ৮মউদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৫৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই
পুরুষ শিক্ষিতশমশের উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে ফসিহ উদ-দীন মিঞাউনার
জন্ম-১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইফসিহ উদ-দীন মিঞার বড়
ছেলে গোলাম রসুল মিঞাউনার জন্ম-১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৩
খ্রিষ্টাবেগোলাম রসুল মিঞার বড় ছেলে আবদুল গফুর মিঞাউনার
জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দেউনার ছোট ভাই ইমদাদ আলী মিঞাউনার
জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দেইমদাদ আলী মিঞা
হলো-জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার পিতাইমদাদ আলী
মিঞার ছেলে আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনার
জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখজনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার
বড় ছেলে মাহমুদমাহমুদের জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দেমাহমুদের ছেলে
হলো অনন্ত
এ থানার মুসলমানের মধ্যে ভেলানগরভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, উনার জন্ম-১৮২৯
বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দেমুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলীর
আলীর পরিবারটি ৬ষ্ঠ পুরুষ শিক্ষিতবড় ছেলে মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী (বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর
মধ্যে প্রথম নায়েব ছিলেনউনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৫
খ্রিষ্টাব্দেমুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীর বড় ছেলে মুনশি মোহাম্মদ
জিন্নত আলী (কান্দু মিঞা)-নবীনগর ইংরেজী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে
১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় ফেল করেনকান্দু মিঞাও নায়েব
ছিলেন-উনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দেমুনশি
মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ আজহারুল
হক (নসু মিঞা)উনিও প্রথম জীবনে চাকুরী করতেন এবং পরবর্তী
সময়ে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন-উনার জন্ম-১৯২৫
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৩-০৭-১৯৭১ তারিখমোঃ আজহারুল হক (নসু
মিঞার) বড় ছেলে মোঃ জিয়াউদ্দিন আহামেদ (বায়েস)-এর
জন্ম-২৫-১২-১৯৫১ তারিখমোঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ (বায়েস)-এর বড়
ছেলে মোহাম্মদ রাকীব আহমেদ (রাকু)'র জন্ম-২৩-১০-১৯৭৭ তারিখ