| মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ৪র্থ মাদ্রাসা কোনটি | ১৯৯৫ সালে দরিকান্দি মাদ্রাসা |
| এ থানার ৫ম উচ্চ মাদ্রাসা কোনটি | ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত রূপসদী খোদাইবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা |
| প্রতিষ্ঠাতা হলেন-মেসার্স হেলাল এন্ড ব্রাদার্স |
| ৬ষ্ঠ উচ্চ মাদ্রাসা কোনটি | ছয়ফুল্লাকান্দি শাহরাহাত আলী দাখিল মাদ্রাসা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ২০১১ | ২৫,৭৫০(পঁচিশ হাজার সাতশত পঞ্চাশ) জন | বর্তমানে এন্ট্রান্স পাশ করা |
| খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এন্ট্রান্স, | লোক একজনও আমাদের উপজেলায় বেঁচে নেই | ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত |
| ম্যাট্রিকুলেশন ও এস.এস.সি. পাশের | এন্ট্রান্স পরীক্ষা ছিল, ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা শুরু |
| সংখ্যা কত | এবং শেষ হয় ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে তারপর ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এস.এসসি. |
| পরীক্ষা শুরু হয়... |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এইচ.এস.সি. ও | ১৩,৬৮৯(তের হাজার ছয়শত উনানব্বই) জন |
| সমমান পাশের সংখ্যা |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বি.এ., | ৫,৯৩৫(পাঁচ হাজার নয়শত পঁয়ত্রিশ) জন |
| বি.এস-সি., বি.কম. ও সমমান-এর |
| সংখ্যা কত |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এম.এ., | ৩,৩৬৭(তিন হাজার তিনশত সাষট্রি) জন |
| এম.এস-সি., এম.কম. ও সমমান-এর |
| সংখ্যা কত |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে (জীবিত ও | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে প্রায় |
| মৃতসহ) অফিসারের সংখ্যা কত | ২,০০০(দুই হাজার) ১ম এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর অফিসার আছে | জীবিত |
| এবং মৃতসহ একমাত্র ভেলানগর গ্রামে অফিসারের সংখ্যা হলো-১২৯ জন |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম, শহর এবং |
| কতজন লোক দোকানধারী ব্যবসার | বিদেশসহ প্রায় ১০,৯৫০(দশ হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন লোক |
| সাথে জড়িত | দোকানধারী ব্যবসার সাথে জড়িত |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম, শহর এবং |
| কতজন লোক ব্যবসা করে | বিদেশসহ প্রায় ৬,০১১(ছয় হাজার এগার) জন ব্যবসার সাথে জড়িত |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম, শহর এবং |
| কতজন লোক চাকরি করে | বিদেশসহ প্রায় ৪৫(পঁয়তাল্লিশ) হাজার লোক চাকরির সাথে জড়িত |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের প্রায় ৩৫ ভাগ |
| কৃষির সাথে জড়িত | লোক কৃষির সাথে জড়িত |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের প্রায় ৫০ ভাগ |
| লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল | লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল |
| জমির ফসল খায় | ৪০ ভাগ লোক সারা বছর |
| নিজ জমির ফসল খায় | ২০ ভাগ লোক তিন থেকে ছয় মাস |
| জমির ফসল খায় না | ৬০ ভাগ লোক |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের প্রায় ৭৫ ভাগ |
| লোক ভূমিহীন | লোক ভূমিহীন |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বসবাস করে তাঁদের মাথাপিছু আয় হবে-৩৫০ |
| মাথাপিছু আয় কত | ডলার | বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় হলো-৬৯৯ ডলার |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কত টন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র লোকজনের প্রতিদিন খাদ্য লাগে-২০০ |
| খাদ্য লাগে | টন | বছরে খাদ্য লাগে-৭৩,০০০ টন | আমাদের খাদ্য ঘাটতি প্রায়-৩৩ |
| হাজার টন |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে যারা বসবাস |
| পর্যন্ত কত টন খাদ্য লাগে | করে তাদের জন্য প্রতিদিন খাদ্য লাগে প্রায়- ১৩৩.৫ টন |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ |
| পর্যন্ত কতভাগ জমি সেচের আওতায় | জমি সেচের আওতায় আসে |
| আসে |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ |
| কতভাগ জমি ট্রাক্টর দ্বারা চাষ হয় | জমি ট্রাক্টর দ্বারা চাষ করা হয় |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের কর্মক্ষম বেকার |
| কতভাগ লোক বেকার | ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত হলো-৫০ ভাগ লোক | মোট সংখ্যা |
| হলো-১,০০,০০০ জন |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৪০ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়েছে | বিদ্যুৎ সুবিধা পায় |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ২৫ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক চাকরির উপর নির্ভরশীল | চাকরির উপর নির্ভরশীল |
| ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ২০ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক ব্যবসার উপর নির্ভরশীল | ব্যবসার উপর নির্ভরশীল |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ১৫ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক বিদেশী টাকার উপর | বিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল |
| নির্ভরশীল |
| বাঞ্ছারামপুর থানার কতজন লোক বিশ | বাঞ্ছারামপুর থানার প্রতিটি গ্রামে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে |
| শতকের পূর্বে শহরে লেখাপড়া করতে | যে, বিশ শতকের পূর্বে এ থানার বাহিরে লেখাপড়া করতে যায় প্রায় |
| যায় | ২০১(দুইশত এক) জন ব্যক্তি |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৪০ ভাগ |
| পর্যন্ত কতভাগ মহিলা জন্ম-নিয়ন্ত্রণ | মহিলা জন্ম-নিয়ন্ত্রণ মেনে চলে |
| মেনে |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৩৫ ভাগ |
| কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান | লোকের স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান আছে |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৪০ ভাগ |
| পর্যন্ত কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত | লোকের স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট আছে |
| টয়লেট |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৭০ ভাগ লোক |
| লোক স্বাস্থ্যসম্মত পানি পান করে | স্বাস্থ্যসম্মত পানি পান করে |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৬ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক রাতকানা রোগে ভোগে | রাতকানা রোগে ভোগে |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৫ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক নেশাগ্রস্থ | নেশাগ্রস্থ |
| ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা |
| কতভাগ লোক হেপাটাইটিস-বি | বসবাস করে তাঁদেরসহ ১০ ভাগ লোক হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে |
| ভাইরাসে আক্রান্ত | আক্রান্ত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা |
| ক্যান্সার-এ আক্রান্ত | বসবাস করে তাদেরসহ ১ ভাগ লোক ক্যান্সার-এ আক্রান্ত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ কিডনী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা |
| রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যান | বসবাস করে তাদেরসহ ৯৫ ভাগ কিডনী রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা |
| যান |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা |
| থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন বহন করছে | বসবাস করে তাদেরসহ প্রায় ৭ ভাগ লোক থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন |
| বহন করছে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে |
| ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টি | প্রায়-৯০টি নামের বংশ পরিচিতি পাওয়া যায়:-যেমন-বড়বাড়ি, |
| বংশ পাওয়া যায় | ভূইয়া বাড়ী, দেওয়ান বাড়ী, খাঁ বাড়ী, শিকদার বাড়ী, কাজী |
| বাড়ী, খন্দকার বাড়ী, চৌধুরী বাড়ী, মিয়া বাড়ী, মীর বাড়ী, |
| হাঁজী বাড়ী, মাঝি বাড়ী, বেগ বাড়ী, মির্যা বাড়ী, গাঁজী বাড়ী, |
| তালুকদার বাড়ী, মোল্লা বাড়ী, উকিল বাড়ী, মোক্তার বাড়ী, মাষ্টার |
| বাড়ী, প্রফেসর বাড়ী, আমীন বাড়ী, সরকার বাড়ী, সৈয়দ বাড়ী, |
| ব্যাপারী বাড়ী, মুন্সেফ বাড়ী, কালেক্টর বাড়ী, জজ বাড়ী, ডিপটি |
| বাড়ী, কেরাণী বাড়ী, পেশকার বাড়ী, কাননগো বাড়ী, হাবিলদার |
| বাড়ী, মেম্বার বাড়ী, চেয়ারম্যান বাড়ী, প্রেসিযেন্ট বাড়ী, |
| এম.পি'র বাড়ী, মন্ত্রীর বাড়ী, সাব-রেজিস্ট্রার বাড়ী, ঘোষ বাড়ী, |
| সাহা বাড়ী, যোগী বাড়ী, নাথ বাড়ী, কৈবর্ত বাড়ী, দাস বাড়ী, |
| পাল বাড়ী, দত্ত বাড়ী, রায় বাড়ী, ঠাকুর বাড়ী, পোদ্দার বাড়ী, শীল |
| বাড়ী, গোসাই বাড়ী, তাঁতী বাড়ী, কামার বাড়ী, কুমার বাড়ী, |
| মিস্ত্রী বাড়ী, মুঁচি বাড়ী, ঋৃষি বাড়ী, বাঁজাইন্না বাড়ী, |
| নাগারইরর্সা বাড়ী, ওস্তা বাড়ী (হাযম বাড়ী), সাব-বাড়ী, |
| হাওলাদার বাড়ী, সৈনিক বাড়ী, সারেং বাড়ী, দারোগা বাড়ী, |
| নায়েব বাড়ী, পন্ডিত বাড়ী, বকস বাড়ী, ডাক্তার বাড়ী, কবিরাজ বাড়ী, |
| ইঞ্জিনিয়ার বাড়ী, খলিফা বাড়ী, মুন্সিবাড়ী, মৌলভী বাড়ী, |
| মোয়াজ্জিন বাড়ী, ইমাম বাড়ী, ফকির বাড়ী, পীর বাড়ী, দরবেশ |
| বাড়ী, ভূতের বাড়ী, জ্বীন বাড়ী, জমিদার বাড়ী, ওযা বাড়ী, আলগা |
| বাড়ী, খোদাই বাড়ী, ওস্তাকার বাড়ী, সৈয়ল বাড়ী, সর্দার বাড়ী, |
| চকিদার বাড়ী, দফাদার বাড়ী, কসাই বাড়ী ইত্যাদি | এছাড়াও অসংখ্য |
| নাম না জানা বংশ বা বাড়ী আছে বাঞ্ছারামপুর |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে |
| কতজন আছে প্রাইমারী স্কুলের | ৩০,০০০(ত্রিশ হাজার) জন প্রাইমারী স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া |
| ছাত্র-ছাত্রী | করে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে |
| কতজন মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ের | ১৫(পনের হাজার) জন মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী |
| ছাত্র-ছাত্রী | লেখাপড়া করে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতজন ছাত্র-ছাত্রী কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় | শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমান-এ |
| ও সমমান লেখাপড়া করে | লেখাপড়া করে মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা হবে প্রায়-৪(চার) হাজার |
| জন |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী প্রাইমারী, | শহরে যারা বসবাস করে তাঁদেরসহ প্রাইমারী, মাদ্রাসা ও উচ্চ |
| মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া | বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে পারে না শতকরা ৫৫ ভাগ লোকের |
| করার জন্য যেতে পারে না | ছেলে-মেয়ে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী কলেজ, | শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-এ লেখাপড়া |
| বিশ্ববিদ্যালয়-এ যেতে পারে না | করতে পারে না শতকরা ৮০ ভাগ লোকের ছেলে-মেয়ে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে গ্রামে |
| ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের এবং বিদেশ | এবং বিদেশ ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা হলো ৮০(আশি হাজার)টি |
| ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা কত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে |
| ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | পরিবারের সংখ্যা হলো ৫৬(ছাপ্পান্ন হাজার) |
| উপজেলার কয়টি পরিবার শহর ও | ২৪(চব্বিশ হাজার)টি পরিবার বাস করে |
| বিদেশে বাস করে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে |
| কয়টি কৃষক পরিবার | ২৭(সাতাশ হাজার) কৃষক পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে |
| কয়টি নির্মাণ শ্রমিক পরিবার আছে | ২,০০০(দুই হাজার) নির্মাণ শ্রমিক পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে |
| কয়টি রিকসা শ্রমিক পরিবার আছে | ২,০০০(দুই হাজার) রিকসা শ্রমিক পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে |
| কয়টি মৎস্যজীবি পরিবার আছে | ১,০০০(এক হাজার) মৎস্যজীবি পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ |
| কয়টি চাকরিজীবি পরিবার আছে | ৩০(ত্রিশ) হাজার চাকরিজীবি পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ |
| কয়টি ব্যবসায়ী পরিবার আছে | ১০(দশ) হাজার ব্যবসায়ী পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ১৩,৫৬০(তের |
| কয়টি পরিবার বিদেশী টাকার উপর | হাজার পাঁচশত ষাট)টি পরিবার বিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল |
| নির্ভরশীল | আছে |
| ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা |
| কত লোক অপুষ্টিতে | ৮০ ভাগ লোক অপুষ্টিতে ভোগে |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা |
| কতভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস | ৮০ ভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে | সরকারী হিসেব |
| অনুসারে যারা গ্রামে বাস করে তাদের প্রতিজনের মাসিক |
| আয়-৬০০/-টাকা এবং যারা শহরে বাস করে তাদের মধ্যে প্রতিজনের |
| মাসিক আয়-৯০০/-টাকা খরচ করে তারাও দারিদ্রসীমার নীচে বাস |
| করে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কতজন মানুষ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| অনাহারে রাত কাটায় | যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ৩০(ত্রিশ) হাজার মানুষ অনাহারে রাত |
| কাটায় |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক ডায়াবেটিক রোগে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৪ ভাগ |
| আক্রান্ত | মানুষ ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্ত |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক উচ্চ রক্তচাপের শিকার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক নিম্ন রক্তচাপের শিকার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক আয়োডিন সমস্যায় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০৫ ভাগ |
| ভূগছে | মানুষ আয়োডিন সমস্যায় ভূগছে |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক মাদকাসক্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং |