| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের | বাঞ্ছারামপুর থানাব মুসলমানদের মধ্যে ৮ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার |
| মধ্যে এ থানায় জন্ম এমন লোক কত | ৫/৭টি পাওয়া যেতে পারে এবং ৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার |
| পুরুষ শিক্ষিত(৭ম, ৬ষ্ঠ পুরুষ যাবত | বাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যে ৮ থেকে ১০টি পরিবার পাওয়া |
| কয়টি পরিবার শিক্ষিত তার হিসেব | গেছে | বাঞ্ছারামপুর থানার ১২৪টি গ্রামের ১৩টি ইউনিয়নের |
| বাহির করা) | মুসলমানের মধ্যে ৭ম পুরুষ শিক্ষিত মাত্র কয়েকটি গ্রামের মধ্যে |
| পাওয়া গেছে | যারা বাংলা, আরবী ও ফার্সী ভাষায় লিখতে পড়তে |
| পারদর্শী তাদেরকে আমি শিক্ষিত বলছি | ভেলানগর গ্রামের খোশাল |
| দিওয়ানের ছেলে সন্তান না থাকার কারণে তাঁর শিক্ষিত পরিবারের |
| ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নি | রূপসদী গ্রামের দারোগা |
| আমির-উদ-দীন-এর ছেলে ইউসুফ আলী এবং ইউসুফ আলীর ছেলে |
| গোলাম মাওলার পুত্র সন্তান থাকার কারণে তাঁরও শিক্ষিত পরিবারের |
| ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নি | একমাত্র খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই |
| আকিল মাহমুদ এবং মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন মুনশির পরিবারটি ৮ম |
| পুরুষ শিক্ষিত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মায়ারামপুর গ্রামের হাঁজী মোহাম্মদ আওয়ালী | উনার জন্ম-১৮০৯ |
| হাঁজী | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে | উনি ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে হজ্জ পালন |
| করেন | আওয়ালী হাঁজীর পরিচয় হলো মায়ারামপুর গ্রামের জনাব |
| আফতাবউদ্দিন(ভাই)-এর দাদার দাদা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ান, আকিল মাহমুদ, আকরাম উদ-দীন |
| কয়েকজন শিক্ষিত লোকের নাম | মুনশি, মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন মুনশি ও রূপসদী গ্রামের |
| দারোগা আমির-উদ-দীন | এরা তুর্কি মুসলমান এবং এদের সবাই |
| তুরস্কে জন্ম | এরা সবাই, এদের বাবাদের সাথে এ দেশে আসেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানায় জন্ম মুসলমানের | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম উদ-দীনই এ থানার প্রথম শিক্ষিত ব্যক্তি |
| মধ্যে প্রথম কয়েকজন শিক্ষিত লোকের | উনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে(কলকাতা মেডিকেল |
| নাম | হাসপাতালে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন) | নযম উদ-দীন |
| দারোগার পরিবারটি লেখাপড়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখেনি |
| ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ আসব আলী এবং মুনশি |
| মোহাম্মদ ইউসুফ আলী (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া |
| জানতেন) | ইউসুফ আলীর জন্ম-১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ |
| খ্রিষ্টাব্দে | ইউসুফ আলী হলো নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| (আলমগীর)-এর দাদার বাবা এবং আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া |
| সাহেবের নানার বাবা | ভেলানগর সরকারবাড়ির মুনশি মোহাম্মদ |
| আমির-উদ-দীন সরকার (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া |
| জানতেন) | উনার জন্ম-১৮৩০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে | মুনশি |
| মোহাম্মদ আমির-উদ-দীন সরকার হলো ভেলানগর গ্রামের মরহুম |
| মৌলভী সাফি-উদ-দীন ও জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার |
| নানীর বাবা এবং নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার |
| ছোট ভাই মরহুম হাঁজী মোহাম্মদ আশকর আলীর শ্বশুর | দরিকান্দি |
| গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিত | উনার জন্ম-১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-জানা নেই | মরিচাকান্দি গ্রামের মুনশি দেলোয়ার আলী |
| সরকার-এর জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | ভেলানগর |
| বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী | উনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে | উলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার |
| (আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন) | উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে | উনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের পিতা |
| রূপসদী গ্রামের জনাব তুজাম্মেল আলী (মোঘল মিঞা) | উনার |
| জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৮ খ্রিষ্টাবে | দরিকান্দি গ্রামের |
| জনাব এমদাদ আলী মিঞা | উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ | বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আমার |
| জানামতে প্রথমদিকের কিছু শিক্ষিত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হলো |
| আরো কিছু ব্যক্তি আছে তাঁদের নামগুলি কালেকশন করা গেল না বলে |
| দেয়া গেলা না |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে সবচেয়ে | ভেলানগর দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি | উনার |
| বেশী বছর বেঁচেছিলেন | জন্ম-১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে | উনি ১০১(একশত এক)বছর |
| বেঁচেছিলন |
| এ থানার জীবিত মুসলমানের মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে দূর্গারামপুর |
| সবচেয়ে বেশী বয়স কার | গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীম | উনার জন্ম-১৯১৪ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০১১ সালে |
| এ থানার মধ্যে প্রথমদিকে কয়েকটি | নান্দরা গ্রামের ভাট রাজাদের পুকুর প্রথম | তারপর দারোগা |
| পুকুর এবং ১৪ বিঘা আয়তনের দিঘি | আমির-উদ-দীনের বাড়ীর পুকুরটি কাটানো হয়-১৮০৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং |
| ১৪ বিঘা দিঘীটি কাটানো হয়-১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে ভেলানগর বড়বাড়ির |
| পুকুরটি কাটানো হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে | এর পূর্বে কোন গ্রামের |
| পুকুরটি (নিবন্ধকারের) জানা নেই |
| এ থানার প্রথম কবরস্থান কোনটি | ভেলানগর গ্রামের কবরস্থানটি ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় |
| এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস কোনটি | ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের পোষ্ট অফিসটি এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস |
| এ থানার প্রথম পোষ্ট- মাষ্টার ছিলেন | ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের যোগেন্দ্র কুমার দত্ত-এ থানার প্রথম |
| পোষ্ট-মাষ্টার |
| এ থানার প্রথম কুয়া বা ইনরা | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর কুয়াটি-এ |
| কোনটি | থানার প্রথম কুয়া |
| এ থানার প্রথম টিউবওয়েল কোনটি | উজানচর গ্রামের ভগবান সাহাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি-এ থানার |
| প্রথম টিউবওয়েল |
| এ থানার প্রথম মসজিদ কোনটি | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর মসজিদটি |
| এ থানার প্রথম মসজিদ |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কলকাতা | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন | উনার জন্ম-১৮০৩ |
| যেয়ে দারোগার চাকুরী নেন | খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে | ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে ১৮৩৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে দারোগার চাকুরী লাভ করেন | নবীনগর থানার প্যারাকান্দি |
| গ্রামের মাওলানা কাজী মোহাম্মদ উজীর আলীর (উজীর আলী হলো |
| নওয়াব সিরাজুল ইসলাম সাহেবের চাঁচা) নিকট দারোগা সাহেবের |
| মেয়েকে বিবাহ দেন | তাঁর মেয়ের বড় ছেলে হলো আমীর আলী |
| সাহেব | আমীর আলী ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে |
| বি.এ. পাশ করিয়া পরে ওকালতি পাশ করেন এবং কুমিল্লা কোর্টের |
| প্রথম ইংরেজী উকিল | আমীর আলীর ছোট ভাই হলো মওলা আলী | এ |
| মওলা আলীই বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম সাব-রেজিষ্ট্রার ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুরে মওলা আলীর নামে একটি মসজিদ আছে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মাওলানা | উলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায় |
| শিক্ষিত ছিলেন) | উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| উনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের পিতা |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল আলীম (স্বর্ণপদক লাভকারী), |
| টাইটেলধারী মাওলানা | আরবী ও ফারসী ভাষা স্কুলে পড়াতেন | উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-জানা নেই | উনার পরিচয় হলো এ থানার প্রথম প্রফেসর |
| মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সাহেবের শ্বশুর |
| এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | ফতেপুর গ্রামের মাওলানা আবদুর রহমান (স্বর্ণপদক লাভকারী), |
| টাইটেলধারী মাওলানা কে | আরবী ও ফারসী ভাষা স্কুলে পড়াতেন | উনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৯৪৯ | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার |
| ফুফাত ভাই |
| এ থানার মধ্যে প্রথম এন্ট্রান্স পাশ | উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর |
| লোকটি | গ্রামের পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহা | উনি ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে এন্ট্রান্স |
| পাশ করেন | উনার জন্ম-১৮৭৯খ্রিষ্টাব্দে,কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫৭ |
| এ থানার মধ্যে প্রথম বি.এ. পাশ | উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর |
| লোকটি | গ্রামের পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহা বি.এ. পাশ করেন | এ থানার |
| প্রথম র্গযাজুয়েট |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম | রূপসদী গ্রামের সরকারবাড়ির আবদুর রহমান এ থানার মুমলমানদের |
| এন্ট্রান্স পাশ লোকটি | মধ্যে প্রথম এন্ট্রান্স পাশ |
| ভেলানগর গ্রামের প্রথম এন্ট্রাস পাশ | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি |
| লোকটি | আসলে উনি সাব-ডিপুটি | উনি বি-বাড়িয়া জেলার অন্নদা স্কুল থেকে |
| ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে এন্ট্রান্স পাশ করেন | উনি ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে চাকুরী |
| থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং ৪০-বছর যাবত পেনশন ভোগ করেন | উনার |
| জন্ম-১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি. | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি |
| এ. পাশ লোকটি | আসলে উনি সাব-ডিপুটি | উনি ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে বি. এ. পাশ করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চ | উজানচর গ্রামের বাবু রাইহরন চক্রবর্তী, এম. এ., বি. টি. | উনার |
| বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামটি | জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, এম.এ. পাশ |
| এম.এ. পাশ লোকটি | করেন-১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে | উনার জন্ম-১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ তারিখ | মোঃ মিজানুর রহমান-নিবন্ধকার মোঃ |
| জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর নানীর ছোট ভাই |
| বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি. | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান | ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| সি. এস. লিখিত পরীক্ষায় প্রথম | বি. সি. এস. লিখিত প্রতিযোগিতামূলম পরীক্ষায় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট |
| ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট | হয়েছিলেন | উনার পূর্বে যারা ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন তারা |
| হলেন মনোনীত | জনাব মোঃ মিজানুর রহমানের দাদা শ্বশুর হলো |
| নওয়াব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা জেলার |
| প্রথম র্গযাজুয়েট এবং বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দ্বিতীয় নওয়াব ছিলেন |
| (পশ্চিম গায়ের মহিলা জমিদার বেগম ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী বৃহত্তর |
| কুমিল্লা জেলার প্রথম নওয়াব ছিলেন) |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান | উনি ১৯৫৫ |
| পদে | খ্রিষ্টাব্দে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ট্যারিফ কমিশনের |
| চেয়ারম্যানের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম প্রফেসর | ভেলানগর গ্রামের অধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ | কুমিল্লা |
| লোকটি | ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা |
| করতেন | উনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় প্রফেসর | রূপসদী গ্রামের অধ্যাপক আবদুল আযীয | কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া |
| লোকটি | কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন | উনার |
| জন্ম-১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯.. খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে ১৪(চৌদ্দমণি) | জয়কালিপুর গ্রামের অধ্যাপক মাওলানা আবদুল হামিদ | তিনি আরবী |
| মাওলানা কাকে বলত: | ও ইংরেজী উভয় বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে এম.এ. পাশ করেছিলেন এবং |
| বৃটিশ সরকার কৃতী ছাত্র হিসেবে তাঁকে দু'বার গোল্ড মেডেল প্রদান |
| করেন | তিনি কলকাতা ও মদিনাতে অধ্যাপনা করতেন এবং ১৯৪৭ |
| খ্রিষ্টাব্দে দেশ-বিভাগের পর তিনি কলকাতা আসেন | কলকাতা থেকে |
| ঢাকা আসার সময় তিনি প্রায় ১৪(চৌদ্দ) মণ কিতাব ও অন্যান্য গ্রন্থ |
| সঙ্গে এনেছিলেন বলে; সে কারণে এলাকার মানুষের কাছে চৌদ্ধমণি |
| মাওলানা নামে বেশ পরিচিতি ছিলেন | উনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারী |
| এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ডিপুটি | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনার |
| ম্যাজিস্ট্রেট | জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ইতিহাসবিদ | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনি |
| অনেকগুলি গবেষণামূলক বইয়ের লেখক |
| ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানা | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনি |
| কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি | দীর্ঘ সময় বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন |
| করেন | ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১ মার্চ, ১৬নং লেক সার্কাস, কলাবাগান, |
| উত্তর ধানমন্ডিতে অবসর জীবন এবং গবেষণামূলক ইতিহাস ও বাংলার |
| প্রাচীন প্রত্নতত্ত রচনা করে সময় কাটাচ্ছেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির | দূর্গারামপুর গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীম, তাঁর |
| স্থায়ী বৃত্তি তহবিলে যাঁরা প্রথম | পিতার নামে আমিনুদ্দিন মুনশি বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা |
| দান করেছেন | দান করেন এবং পরে তিনি আরো টাকা দান করে-মোট ৫০(পঞ্চাশ) |
| হাজার টাকা | এরপর দরিয়াদৌলত গ্রামের আলহাজ্জ মোঃ আমিনূল |
| ইসলাম (মানিক মিঞার) -স্ত্রীর নামে জাহানারা ইসলাম বৃত্তি নামে |
| ১০(দশ) হাজার টাকা দান করেন | এভাবে ২৩-০১-২০১০ তারিখ এসে |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির ট্রাষ্ট ফান্ডের টাকার পরিমাণ |
| হয়েছে প্রায়-১৯,৪৩,৮৬৪(উনিশ লাখ তেতাল্লিশ হাজার আটশতচৌসট্টি) |
| টাকা এবং ব্যক্তির সংখ্যা হলো-১০৪ জন |
| পাকিস্তান আমলে বাঞ্ছারামপুর | বড়কান্দি গ্রামের জনাব আবদুল খালেক, পাকিস্তান মিলিটারী |
| থানাবাসীর মধ্যে বাঙ্গালী দরদী | একাউন্টস সার্ভিেস (পি.এন.এ.এস.)-এ যোগদান করেন ও পরবর্তীেত |
| অফিসার কাকে বলা হত | ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে করাচি সিটি টেক্সেসন কমিশনার নিযুক্ত হন এবং ১৯৭১ |
| খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান জুট ট্রেডিং কপোের্রশনে সদস্য পদে চাকুরীরত |
| অবস্থায় ১৪-১২-১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে শহীদ হন | শহীদ আবদুল খালেক |
| কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুননেসা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন |
| উনার জন্ম-১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের জনাব মুসলেহ-উদ-দীন আহমেদ (মানিক মিঞা), |
| সচিব ছিলেন | সচিব (অবঃ) | উনি পাকিস্তান ট্যাক্সেশন সার্ভিেসর সদস্য ছিলেন |
| উনার জন্ম-১৯২৭ সালে, মৃত্যু-১০-০৯-২০১২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের জনাব মুসলেহ-উদ-দীন আহমেদ, ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে |
| প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন | ঢাকার গুলশানে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | আইয়ূবপুর গ্রামের জনাব মোঃ আজিজুল হক, ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের |
| সি.এস.পি. ছিলেন | সি.এস.পি. | উনি সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | ফরদাবাদ গ্রামের জনাব সৈয়দ আহমদ, ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে সি.এস.পি. |
| সি.এস.পি. ছিলেন | ছিলেন | উনি মন্ত্রী পরিষদ সচিব থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার |
| জন্ম-১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনও | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে জনাব মনজুরে |
| সচিব পদে নেই | মাওলার অবসরের পর ৩০-০৬-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত সচিব পদে |