‹ আমার দেখা ঢাকা অংশ ৪১ / ৫২
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানেরবাঞ্ছারামপুর থানাব মুসলমানদের মধ্যে ৮ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার
মধ্যে এ থানায় জন্ম এমন লোক কত৫/৭টি পাওয়া যেতে পারে এবং ৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার
পুরুষ শিক্ষিত(৭ম, ৬ষ্ঠ পুরুষ যাবতবাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যে ৮ থেকে ১০টি পরিবার পাওয়া
কয়টি পরিবার শিক্ষিত তার হিসেবগেছেবাঞ্ছারামপুর থানার ১২৪টি গ্রামের ১৩টি ইউনিয়নের
বাহির করা)মুসলমানের মধ্যে ৭ম পুরুষ শিক্ষিত মাত্র কয়েকটি গ্রামের মধ্যে
পাওয়া গেছেযারা বাংলা, আরবী ও ফার্সী ভাষায় লিখতে পড়তে
পারদর্শী তাদেরকে আমি শিক্ষিত বলছিভেলানগর গ্রামের খোশাল
দিওয়ানের ছেলে সন্তান না থাকার কারণে তাঁর শিক্ষিত পরিবারের
ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নিরূপসদী গ্রামের দারোগা
আমির-উদ-দীন-এর ছেলে ইউসুফ আলী এবং ইউসুফ আলীর ছেলে
গোলাম মাওলার পুত্র সন্তান থাকার কারণে তাঁরও শিক্ষিত পরিবারের
ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নিএকমাত্র খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই
আকিল মাহমুদ এবং মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন মুনশির পরিবারটি ৮ম
পুরুষ শিক্ষিত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমায়ারামপুর গ্রামের হাঁজী মোহাম্মদ আওয়ালীউনার জন্ম-১৮০৯
হাঁজীখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দেউনি ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে হজ্জ পালন
করেনআওয়ালী হাঁজীর পরিচয় হলো মায়ারামপুর গ্রামের জনাব
আফতাবউদ্দিন(ভাই)-এর দাদার দাদা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ান, আকিল মাহমুদ, আকরাম উদ-দীন
কয়েকজন শিক্ষিত লোকের নামমুনশি, মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন মুনশি ও রূপসদী গ্রামের
দারোগা আমির-উদ-দীনএরা তুর্কি মুসলমান এবং এদের সবাই
তুরস্কে জন্মএরা সবাই, এদের বাবাদের সাথে এ দেশে আসেন
বাঞ্ছারামপুর থানায় জন্ম মুসলমানেরখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম উদ-দীনই এ থানার প্রথম শিক্ষিত ব্যক্তি
মধ্যে প্রথম কয়েকজন শিক্ষিত লোকেরউনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে(কলকাতা মেডিকেল
নামহাসপাতালে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন)নযম উদ-দীন
দারোগার পরিবারটি লেখাপড়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখেনি
ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ আসব আলী এবং মুনশি
মোহাম্মদ ইউসুফ আলী (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া
জানতেন)ইউসুফ আলীর জন্ম-১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮
খ্রিষ্টাব্দেইউসুফ আলী হলো নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন
(আলমগীর)-এর দাদার বাবা এবং আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া
সাহেবের নানার বাবাভেলানগর সরকারবাড়ির মুনশি মোহাম্মদ
আমির-উদ-দীন সরকার (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া
জানতেন)উনার জন্ম-১৮৩০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দেমুনশি
মোহাম্মদ আমির-উদ-দীন সরকার হলো ভেলানগর গ্রামের মরহুম
মৌলভী সাফি-উদ-দীন ও জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার
নানীর বাবা এবং নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার
ছোট ভাই মরহুম হাঁজী মোহাম্মদ আশকর আলীর শ্বশুরদরিকান্দি
গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিতউনার জন্ম-১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-জানা নেইমরিচাকান্দি গ্রামের মুনশি দেলোয়ার আলী
সরকার-এর জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইভেলানগর
বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীউনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দেউলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার
(আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন)উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দেউনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের পিতা
রূপসদী গ্রামের জনাব তুজাম্মেল আলী (মোঘল মিঞা)উনার
জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৮ খ্রিষ্টাবেদরিকান্দি গ্রামের
জনাব এমদাদ আলী মিঞাউনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখবাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আমার
জানামতে প্রথমদিকের কিছু শিক্ষিত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হলো
আরো কিছু ব্যক্তি আছে তাঁদের নামগুলি কালেকশন করা গেল না বলে
দেয়া গেলা না
এ থানার মুসলমানের মধ্যে সবচেয়েভেলানগর দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটিউনার
বেশী বছর বেঁচেছিলেনজন্ম-১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দেউনি ১০১(একশত এক)বছর
বেঁচেছিলন
এ থানার জীবিত মুসলমানের মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে দূর্গারামপুর
সবচেয়ে বেশী বয়স কারগ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীমউনার জন্ম-১৯১৪
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২০১১ সালে
এ থানার মধ্যে প্রথমদিকে কয়েকটিনান্দরা গ্রামের ভাট রাজাদের পুকুর প্রথমতারপর দারোগা
পুকুর এবং ১৪ বিঘা আয়তনের দিঘিআমির-উদ-দীনের বাড়ীর পুকুরটি কাটানো হয়-১৮০৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং
১৪ বিঘা দিঘীটি কাটানো হয়-১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে ভেলানগর বড়বাড়ির
পুকুরটি কাটানো হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দেএর পূর্বে কোন গ্রামের
পুকুরটি (নিবন্ধকারের) জানা নেই
এ থানার প্রথম কবরস্থান কোনটিভেলানগর গ্রামের কবরস্থানটি ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়
এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস কোনটিছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের পোষ্ট অফিসটি এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস
এ থানার প্রথম পোষ্ট- মাষ্টার ছিলেনছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের যোগেন্দ্র কুমার দত্ত-এ থানার প্রথম
পোষ্ট-মাষ্টার
এ থানার প্রথম কুয়া বা ইনরারূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর কুয়াটি-এ
কোনটিথানার প্রথম কুয়া
এ থানার প্রথম টিউবওয়েল কোনটিউজানচর গ্রামের ভগবান সাহাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি-এ থানার
প্রথম টিউবওয়েল
এ থানার প্রথম মসজিদ কোনটিরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর মসজিদটি
এ থানার প্রথম মসজিদ
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কলকাতাখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীনউনার জন্ম-১৮০৩
যেয়ে দারোগার চাকুরী নেনখ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দেইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে ১৮৩৫
খ্রিষ্টাব্দে দারোগার চাকুরী লাভ করেননবীনগর থানার প্যারাকান্দি
গ্রামের মাওলানা কাজী মোহাম্মদ উজীর আলীর (উজীর আলী হলো
নওয়াব সিরাজুল ইসলাম সাহেবের চাঁচা) নিকট দারোগা সাহেবের
মেয়েকে বিবাহ দেনতাঁর মেয়ের বড় ছেলে হলো আমীর আলী
সাহেবআমীর আলী ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
বি.এ. পাশ করিয়া পরে ওকালতি পাশ করেন এবং কুমিল্লা কোর্টের
প্রথম ইংরেজী উকিলআমীর আলীর ছোট ভাই হলো মওলা আলী
মওলা আলীই বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম সাব-রেজিষ্ট্রার ছিলেন
বাঞ্ছারামপুরে মওলা আলীর নামে একটি মসজিদ আছে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মাওলানাউলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায়
শিক্ষিত ছিলেন)উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে
উনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের পিতা
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল আলীম (স্বর্ণপদক লাভকারী),
টাইটেলধারী মাওলানাআরবী ও ফারসী ভাষা স্কুলে পড়াতেনউনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-জানা নেইউনার পরিচয় হলো এ থানার প্রথম প্রফেসর
মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সাহেবের শ্বশুর
এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়ফতেপুর গ্রামের মাওলানা আবদুর রহমান (স্বর্ণপদক লাভকারী),
টাইটেলধারী মাওলানা কেআরবী ও ফারসী ভাষা স্কুলে পড়াতেনউনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯৪৯নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার
ফুফাত ভাই
এ থানার মধ্যে প্রথম এন্ট্রান্স পাশউজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর
লোকটিগ্রামের পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহাউনি ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে এন্ট্রান্স
পাশ করেনউনার জন্ম-১৮৭৯খ্রিষ্টাব্দে,কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫৭
এ থানার মধ্যে প্রথম বি.এ. পাশউজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর
লোকটিগ্রামের পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহা বি.এ. পাশ করেনএ থানার
প্রথম র্গযাজুয়েট
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথমরূপসদী গ্রামের সরকারবাড়ির আবদুর রহমান এ থানার মুমলমানদের
এন্ট্রান্স পাশ লোকটিমধ্যে প্রথম এন্ট্রান্স পাশ
ভেলানগর গ্রামের প্রথম এন্ট্রাস পাশভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি
লোকটিআসলে উনি সাব-ডিপুটিউনি বি-বাড়িয়া জেলার অন্নদা স্কুল থেকে
১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে এন্ট্রান্স পাশ করেনউনি ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে চাকুরী
থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং ৪০-বছর যাবত পেনশন ভোগ করেনউনার
জন্ম-১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি.ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি
এ. পাশ লোকটিআসলে উনি সাব-ডিপুটিউনি ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে বি. এ. পাশ করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চউজানচর গ্রামের বাবু রাইহরন চক্রবর্তী, এম. এ., বি. টি.উনার
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামটিজন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, এম.এ. পাশ
এম.এ. পাশ লোকটিকরেন-১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দেউনার জন্ম-১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ তারিখমোঃ মিজানুর রহমান-নিবন্ধকার মোঃ
জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর নানীর ছোট ভাই
বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি.মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে
সি. এস. লিখিত পরীক্ষায় প্রথমবি. সি. এস. লিখিত প্রতিযোগিতামূলম পরীক্ষায় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট
ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেটহয়েছিলেনউনার পূর্বে যারা ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন তারা
হলেন মনোনীতজনাব মোঃ মিজানুর রহমানের দাদা শ্বশুর হলো
নওয়াব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা জেলার
প্রথম র্গযাজুয়েট এবং বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দ্বিতীয় নওয়াব ছিলেন
(পশ্চিম গায়ের মহিলা জমিদার বেগম ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী বৃহত্তর
কুমিল্লা জেলার প্রথম নওয়াব ছিলেন)
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমানউনি ১৯৫৫
পদেখ্রিষ্টাব্দে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ট্যারিফ কমিশনের
চেয়ারম্যানের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম প্রফেসরভেলানগর গ্রামের অধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল্লাহকুমিল্লা
লোকটিভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা
করতেনউনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় প্রফেসররূপসদী গ্রামের অধ্যাপক আবদুল আযীযকুমিল্লা ভিক্টোরিয়া
লোকটিকলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেনউনার
জন্ম-১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯.. খ্রিষ্টাব্দে
এ থানাবাসীর মধ্যে ১৪(চৌদ্দমণি)জয়কালিপুর গ্রামের অধ্যাপক মাওলানা আবদুল হামিদতিনি আরবী
মাওলানা কাকে বলত:ও ইংরেজী উভয় বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে এম.এ. পাশ করেছিলেন এবং
বৃটিশ সরকার কৃতী ছাত্র হিসেবে তাঁকে দু'বার গোল্ড মেডেল প্রদান
করেনতিনি কলকাতা ও মদিনাতে অধ্যাপনা করতেন এবং ১৯৪৭
খ্রিষ্টাব্দে দেশ-বিভাগের পর তিনি কলকাতা আসেনকলকাতা থেকে
ঢাকা আসার সময় তিনি প্রায় ১৪(চৌদ্দ) মণ কিতাব ও অন্যান্য গ্রন্থ
সঙ্গে এনেছিলেন বলে; সে কারণে এলাকার মানুষের কাছে চৌদ্ধমণি
মাওলানা নামে বেশ পরিচিতি ছিলেনউনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারী
এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ডিপুটিদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনার
ম্যাজিস্ট্রেটজন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ইতিহাসবিদদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনি
অনেকগুলি গবেষণামূলক বইয়ের লেখক
১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানাদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনি
কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিদীর্ঘ সময় বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন
করেন১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১ মার্চ, ১৬নং লেক সার্কাস, কলাবাগান,
উত্তর ধানমন্ডিতে অবসর জীবন এবং গবেষণামূলক ইতিহাস ও বাংলার
প্রাচীন প্রত্নতত্ত রচনা করে সময় কাটাচ্ছেন
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতিরদূর্গারামপুর গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীম, তাঁর
স্থায়ী বৃত্তি তহবিলে যাঁরা প্রথমপিতার নামে আমিনুদ্দিন মুনশি বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা
দান করেছেনদান করেন এবং পরে তিনি আরো টাকা দান করে-মোট ৫০(পঞ্চাশ)
হাজার টাকাএরপর দরিয়াদৌলত গ্রামের আলহাজ্জ মোঃ আমিনূল
ইসলাম (মানিক মিঞার) -স্ত্রীর নামে জাহানারা ইসলাম বৃত্তি নামে
১০(দশ) হাজার টাকা দান করেনএভাবে ২৩-০১-২০১০ তারিখ এসে
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির ট্রাষ্ট ফান্ডের টাকার পরিমাণ
হয়েছে প্রায়-১৯,৪৩,৮৬৪(উনিশ লাখ তেতাল্লিশ হাজার আটশতচৌসট্টি)
টাকা এবং ব্যক্তির সংখ্যা হলো-১০৪ জন
পাকিস্তান আমলে বাঞ্ছারামপুরবড়কান্দি গ্রামের জনাব আবদুল খালেক, পাকিস্তান মিলিটারী
থানাবাসীর মধ্যে বাঙ্গালী দরদীএকাউন্টস সার্ভিেস (পি.এন.এ.এস.)-এ যোগদান করেন ও পরবর্তীেত
অফিসার কাকে বলা হত১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে করাচি সিটি টেক্সেসন কমিশনার নিযুক্ত হন এবং ১৯৭১
খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান জুট ট্রেডিং কপোের্রশনে সদস্য পদে চাকুরীরত
অবস্থায় ১৪-১২-১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে শহীদ হনশহীদ আবদুল খালেক
কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুননেসা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন
উনার জন্ম-১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের জনাব মুসলেহ-উদ-দীন আহমেদ (মানিক মিঞা),
সচিব ছিলেনসচিব (অবঃ)উনি পাকিস্তান ট্যাক্সেশন সার্ভিেসর সদস্য ছিলেন
উনার জন্ম-১৯২৭ সালে, মৃত্যু-১০-০৯-২০১২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের জনাব মুসলেহ-উদ-দীন আহমেদ, ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেনঢাকার গুলশানে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমআইয়ূবপুর গ্রামের জনাব মোঃ আজিজুল হক, ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের
সি.এস.পি. ছিলেনসি.এস.পি.উনি সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৩৫
খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়ফরদাবাদ গ্রামের জনাব সৈয়দ আহমদ, ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে সি.এস.পি.
সি.এস.পি. ছিলেনছিলেনউনি মন্ত্রী পরিষদ সচিব থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার
জন্ম-১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনওনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে জনাব মনজুরে
সচিব পদে নেইমাওলার অবসরের পর ৩০-০৬-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত সচিব পদে