১৯৪৭ সালের আগে ভারতের একটা বিপুল অংশ জুড়ে ওইসব করদ রাজ্য ছিল। আয়তনে তখনকার ভারতের পাঁচ ভাগের দু'ভাগ, আর জনসংখ্যায় গোটা দেশের এক-তৃতীয়াংশ। তদানীন্তন ভারতে প্রায় শ'ছয়েক 'প্রিন্সলি স্টেট' ছিল। তাদের কী হবে, সেই প্রশ্নটাও গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৪৭ সালের ৫ আগষ্ট, পূর্ববঙ্গ পার্লােমন্টারী দলের নেতা নির্বাচনে নাজিমুদ্দিনের কাছে সোহরাওয়ার্দীর পরাজয়।
১৯৪৭ সালের ১৩ আগষ্ট, অবিভক্ত ভারতে ব্রিটিশ আমলে ১০৮টি পাটকল স্থাপিত হয়।
১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট, ভারত বিভক্তির মাধ্যমে পৃথক পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।
১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট, ভারতের স্বাধীনতা লাভ। ইংল্যান্ডের শ্রমিকদল ভারতকে স্বাধীনতা দেয়ার পক্ষপাতী ছিল।
১৯৪৭ সালের ২১ নভেম্বর, স্বাধীন ভারতের প্রথম ডাকটিকেট প্রবর্তিত হয়।
১৯৪৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, ব্রিটিশ সৈন্যদের শেষ দল ভারত ত্যাগ করে।
১৯৪৮ সালের ২৬ মার্চ, পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় কমিউনিষ্ট পার্টি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, নিজাম শাসিত স্বাধীন সার্বেভৗম হায়দ্রাবাদ রাষ্ট্র দখল করে নেয় ভারত। তিন দিন যুদ্ধের পর হায়াদ্রাবাদের আত্মসমর্পণ।
১৯৪৮ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৯৪৮ সালের ৯ নভেম্বর, ভারত র্কতৃক জুনাগড় দখল।
১৯৪৮ সালে মোহিনী চৌধুরী ''মুক্তির মন্দির সোপান তলে'' রচনা করেছিলেন।
১৯৪৮ সালে জাতিসংঙ্গের নিরাপত্তা পরিষদে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান কাশ্মীরের জনগণের গণভোটের মাধ্যমে করার সিদ্ধান্ত নিলেও ভারত সরকার এ সমস্যাটা জিইয়ে রেখে কালক্ষেপন করছেন।
১৯৪৯সালের১৩আগষ্ট,নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের অনুরোধে কাশ্মীরে গণভোটের প্রস্তাব পাস।
১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর, ভারতীয় গণপরিষদে ভারতের সংবিধান অনুমোদিত হয়।
১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি, ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ ভারতের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।
১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি, ভারতের নতুন সংবিধান কার্যকর করা হয়।
১৯৫০ সালে ভারতে প্রথম নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
১৯৫১ সালের ৪ মার্চ, নয়াদিল্লীতে প্রথম এশিয়ান গেমস শুরু।
১৯৫২সালের ২৪জানুয়ারি,ভারতের বোম্বাই শহরে সর্বপ্রথম আন্তর্জািতক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু।
১৯৫২ সালে ভারতে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার আরম্ভ।
১৯৫৪ সালের ১৫ জানুয়ারি, বিহারে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২০ হাজার লোকের মর্মািন্তক মৃত্যু।
১৯৫৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতে চলচ্চিত্র পুরস্কার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস-এর জন্ম। ২০০৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, ৫০তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস মুম্বাইয়ের এমএমআরডিএ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৫৫ সালে ভারত টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প নেয়। টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প নিয়ে আন্দোলন-প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ০২-১২-২০০৬ সালে এ বাঁধ উদ্বোধন থেকে পিছু হটলেন।
১৯৫৫ সালের ১ জুন, ভারতে অস্পৃশ্য নিরোধ আইন চালু।
১৯৫৭ সালের ৫ এপ্রিল, ভারতের কেরালা রাজ্যে বিশ্বের প্রথম নির্বািচত কমিউনিস্ট সরকার গঠিত হয়।
১৯৫৮ সালের ৩ জানুয়ারি, দক্ষিণ ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ ফেডারেশন গঠিত হয়।
১৯৫৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, ভারতীয় সাঁতারু মিহির সেন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন।
১৯৫৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, ইন্দিরা গান্ধী ভারতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বািচত হন।
১৯৫৯ সালের ১৯ এপ্রিল, তিব্বতের বৌদ্ধ ধমীয় নেতা দালাইলামার ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়লাভ।
১৯৫৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, প্রথম বাঙালী মহিলা সাঁতারু হিসেবে আরতি সাহা ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন।
১৯৬২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, চীন-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়।
১৯৬২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, ভারতের উত্তর সীমান্তে ভারত-চীন সংঘর্ষ হয়।
১৯৬২ সালের ২০ অক্টোবর, চীন ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত বিরোধের কারণে যুদ্ধ বেধে গেলে উপমহাদেশের রাজনীতি পাল্টে যায়।
১৯৬২ সালের ২১ নভেম্বর, ভারত ও চীনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
১৯৬৫ সালের ২৬ জানুয়ারি, ভারতে সরকারী ভাষা হিসেবে 'হিন্দি' গৃহীত হয়।
১৯৬৫ সালে ভারতীয় দলের মাউন্ট এভারেষ্ট জয়।
১৯৬৫ সালের ৯ এপ্রিল, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৬৫ সালের ৬ অক্টোবর, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
১৯৬৬ সালের ১৮ জানুয়ারি, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে ইন্দিরা গান্ধী।
১৯৬৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, ইন্দিরা গান্ধী ভারতীয় কংগ্রেস দলের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৯৬৬ সালের ২৪ আগষ্ট, ভারতীয় সাঁতারু মিহির সেনের জিব্রালটার প্রণালী অতিক্রম।
১৯৬৬ সালের ৩১ অক্টোবর, বিশিষ্ট সাঁতারু মিহির সেন পানামা খাল অতিক্রম করেন।
১৯৬৭ সালের সারা মার্চ মাস জুড়ে শ্রমিক আন্দোলন হয় ভারত সরকার ও সরকারের মদদপুষ্ট পুঁজিবাদী ও শোষক মহলের বিরুদ্ধে।
১৯৬৭ সালের ১৩ মে, ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন ড. জাকির হোসেন।
১৯৭০ সালে ভারতের নতুন রাজ্য মেঘালয়-এর জন্ম।
১৯৭০ সালের ৩১ জুলাই, হিমাচল প্রদেশকে ভারতের ১৮তম অঙ্গরাজ্য ঘোষণা।
১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল, ভারতে প্রথম সুপার এক্সপ্রেস টেলিগ্রাফ সার্ভিস চালু হয়।
১৯৭২ সালের ১০ জুন, ভারতের প্রথম তাপানুকূল যাত্রীবাহী জাহাজ 'হর্ষ বর্ধন' সমুদ্রে যাত্রা।
১৯৭৪ সালের ২৪ আগষ্ট, ফখরুদ্দিন আলী আহমদ ভারতের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি হন।
১৯৭৫ সালের ২৫ অক্টোবর, ভারতের বিজ্ঞানীদের তৈরি প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ আর্যেভট্ট মহাকাশে উৎক্ষিপ্ত হয়।
১৯৭৬ সালের ১৮ মে, ভারতের প্রথম পারমানবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়
১৯৭৬ সালের ৯ অক্টোবর, মুম্বাই ও লন্ডন শহরের মধ্যে সরাসরি টেলিফোন যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
১৯৭৭ সালের ২১ জুন, বামফ্রন্ট পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন কংগ্রেসের মূখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিল এবং ২১ জুন, সিপিএম নেতা জ্যোতি বসু বামফ্রন্ট সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।
১৯৭৯ সালের ১১ জুলাই, মার্কিন মহাকাশযান 'স্কাইল্যাব' ভারত মহাসাগরে ভেঙ্গে পড়ে।
১৯৭৯ সালের ১১ আগষ্ট, ভারতে বন্যা ও জলোচ্ছাসে ১৫-হাজার লোক নিহত হয়।
১৯৮১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ফুলন দেবীকে উত্তর প্রদেশের রেহমাই গ্রামে উচ্চ বর্ণের ২১ জন হিন্দু তাকে ধর্ষণ করে। ফুলন দেবী ২১ জনকে ধর্ষেণর অভিযোগের অপরাধে হত্যা।
১৯৮১ সালের ৩১ মে, ভারত পৃথিবীর কক্ষপথে ''রোহিনী-২'' উৎক্ষেপন করে।
১৯৮২ সালের ২৬ মে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।
১৯৮৩ সালের ৫ জুন, অমৃতসর স্বর্ণমন্দিরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বলুস্টার অপারেশনে ৬শ' উগ্রপন্থী নিহত হয়।
১৯৮৩ সালের ৭ মার্চ, নূতন দিল্লিতে ৭ম নির্জোট সম্মেলন হয়।
১৯৮৩ সালের ৬ জুন, কলকাতা দূরদর্শন থেকে রঙিন অনুষ্ঠান সম্পচার শুরু হয়।
১৯৮৩ সালের ১৮ জুলাই, ভারতের বিহারে ৬ হাজার ডাক্তার তিন দিনের গণছুটি নেন।
১৯৮৪ সালের ৪ এপ্রিল, প্রথম ভারতীয় নভোচারী রাকেশ শর্মা সোভিয়েত সহযোগিতায় মহাকাশ অভিযান করেন।
১৯৮৪ সালের ৩ ডিসেম্বর, ভারতে ভুপালের কীটনাশক কারখানা এখনো বিপজ্জনক-সকালে কারখানাটি থেকে বিষাক্ত গ্যাস মিথাইল আইসোসায়ানেট-এর নির্গমন শুরু হবার পর সাড়ে তিন হাজারেরও বেশী লোক প্রাণ হারায়। বেসরকারি হিসেবে ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু এবং প্রায় ছয় লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অ্যান্ডারসনকে ছেড়ে দেওয়ায় রাজীব গান্ধীর ভূমিকা ছিল।
১৯৮৬ সালের ২০ মে, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৭ সালের ২৯ জুলাই, ভারত-শ্রীলঙ্গা শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বরের রিপোর্ট-ভারতে ধুমপানে বছরে ১০ লক্ষ লোক মারা যায় এবং ২০০২ সালের রিপোর্ট বছরে ১৩ লক্ষ লোক মারা যায়।
১৯৮৭ সালের ২৮ ডিসেম্বরের রিপোর্টঃ ৫(পাঁচ) কোটি এবং ২০০২ সালের রিপোর্ট: ৫.৫ (সাড়ে পাঁচ) কোটি ভারতীয় লোক গলগন্ড রোগে ভুগছে।
১৯৮৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ 'ইন্ডিয়া উইনস ফ্রিডম গন্থের অপ্রকাশিত অংশ দিল্লী হাইকোর্টে উন্মোচন করা হয়।
১৯৮৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, ফরাসী প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া মিতেরাঁ সত্যজিৎ রায়কে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক পুরস্কারে ভূষিত করেন।
১৯৮৯ সালের ১৩ নভেম্বর, আকস্মিক ধসে পশ্চিবাংলার রানীগঞ্জের কয়লাখনির অভ্যন্তরে ৭১ শ্রমিক আটকা পড়েন। পরে বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ক্যাপসুলের সাহায্যে ৬৫ জনকে জীবিতবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
১৯৯১ সালের ১ এপ্রিল-এর হিসেব অনূযায়ী: ভারত পৃথিবীর কয়লা উৎপাদনের দিক দিয়ে ৪র্থ স্থানে রয়েছে। ভারত বছরে ২০(বিশ) কোটি টন কয়লা উৎপাদন করে।
১৯৯১ সালের ২১ মে, আত্মঘাতী বোমা হামলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী নিহত হন।
১৯৯১ সালের ২৬ জুন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রায় ৪০০ পৃষ্ঠার পান্ডুলিপি লন্ডনে নিলামে উঠলে ভারত সরকার ২৬,৬০০ পাউন্ড দামে তা কিনে নেয়।
১৯৯২ সালের ২৯ জানুয়ারি, ভারত-ইসরাইলের মধ্যে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্পাপিত হয়।
১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, মীরাট ষড়যন্ত্র মামলার অভিযুক্ত স্বাধীনতা সংগ্রামী রাধা রমন মিত্রের মৃত্যু।
১৯৯২ সালের ৩০ মার্চ, সত্যজিৎ রায় অস্কার পুরস্কার 'মাস্টার অব মেকার' পুরস্কার লাভ করেন।
১৯৯৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, কপিল দেব টেস্ট ক্রিকেটে ৪০০ উইকেট ও ৫০০ রান করেন।
১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ, এক সিরিজ বোমাবাজিতে মুম্বাই স্টক একচেঞ্জের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়। নিহত হয় ২৬০ জনেরও বেশি লোক। এ ঘটনার মুলহোতা দাউদ ইব্রাহিম তা জানতে পারে পুলিশ। কিন্তুু গ্রেফতারের আগেই দুবাইয়ে পালিয়ে যান তিনি। পুরো নাম দাউদ ইব্রাহিম কাসকার। কিন্তুু লোকে তাকে দাউদ ইব্রাহিম নামেই চেনে। সাধারণত তারাই হয়ে থাকেন আন্ডার ওয়াল্র্ডের কিং।
১৯৯৩ সালের ১৭ এপ্রিলের তথ্যানুযায়ী: বিশ্বে ১,২৫,৫৫,০০০(এক কোটি পঁচিশ লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার) টন আম উৎপাদন হয়। এ উৎপাদনের ৬৫% ভারতে ৯৩,০০,০০০ (তিরানব্বই লক্ষ) টন, বাকি সমস্ত বিশ্বে ৩৫% অর্থাৎ ৩২,৫৫,০০০(বএিশ লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার) টন।
১৯৯৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল রাজ্য মহারাষ্ট্রের প্রচন্ড ভূমিকম্পে ২০ হাজারেরও বেশি লোকের প্রাণহানি ঘটে।
১৯৯৪ সালের ২০ মে, মিস ইন্ডিয়া বাঙ্গালী মেয়ে সুস্মিতা সেন মিস ইউনিভার্স হলেন।
১৯৯৫ সালের ১২ জানুয়ারি, ভারত-আমেরিকা প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৯৫ সালের ২০ জানুয়ারি, পরিবেশ দূষণের কবল থেকে তাজমহল রক্ষায় ৮৪টি শিল্প-কারখানা বন্ধ করতে ভারতের সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশ।
১৯৯৬ সালের ২ অক্টোবর, মাদার তেরেসা আমেরিকার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব লাভ করে।
১৯৯৬ সালের ২৯ নভেম্বর, সীমান্ত সমস্যা সমাধানে ভারত-চীন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৯৮ সালের ১৪ মার্চ, সোনিয়া গান্ধী সভানেত্রী হিসেবে জাতীয় কংগ্রেসের হাল ধরেন।
১৯৯৮ সালের ১১ জুলাইয়ের তথ্যঃ ভারতের ১০(দশ) হাজার কোটি ডলার রপ্তানী আয়ের পরিকল্পনা, রপ্তানী বৃদ্ধি ২.৬৪ এবং আমদানী প্রসার ৫.৮ ভাগ।
১৯৯৮ সালের ১০ আগষ্ট, মোম্বাই হ'তে এপিবি/পিটিআই-ভারতের খ্যাতনাম্নী গায়িকা সামসাদ বেগমের ইন্তেকাল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর, তার স্বামীর নাম ছিল সোলাইমান। সে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের চীপ ইঞ্জিনিয়ার ছিল। তারপর সোলায়মান সাহেব অবসর নিয়ে ভারতে আবার চলে যান। সামসাদ বেগমের মেয়ের নাম নাছিম বাণু-তার জন্ম-১৯২১ সালে, এখনো জীবীত। নাছিম বাণু নিজেও একজন নায়িকা ছিলেন। নাছিম বাণুর মেয়ের নাম সায়রা বাণু। সায়রা বাণু বিখ্যাত অভিনেতা দীলিপ কুমার (ইউসুফ আলী খান)-এর স্ত্রী। সায়রা বাণু নিজেও একজন অভিনেত্রী।
১৯৯৮ সালের ১৭ আগষ্টের তথ্যানুযায়ী-ভারতে মায়ের দুধ বছরে ১১,৮৩২(এগার হাজার আটশত বত্রিশ) কোটি রুপি বাঁচায়।
১৯৯৮ সালের ১৫ ডিসেম্বরের তথ্য-বিশ্বের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভারতের শিল্পন্নোয়ন ব্যাংকের স্থান ৬ষ্ঠ।
১৯৯৮ সালের ২৫ ডিসেম্বরের তথ্য-ভারতের দারিদ্র জেলাগুলোর ৪০ শতাংশই বিহারে।
১৯৯৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের তথ্যঃ-ভারতের বৈদেশিক ঋণ ৯,৪৪০(নয় হাজার চারিশত চল্লিশ) কোটি ডলার।
১৯৯৯ সালের ৯ জানুঃ-ভারতের উড়িষ্যা পুলিশের সংবাদ বাহক-৮০০(আটশত) কবুতর।
১৯৯৯ সালের ২৬ মে, কাশ্মীরের কারগিল সেক্টরে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৯৯ সালের ১ জুনের তথ্যানুয়ারী-ভারতে বছরে ১(এক) লক্ষ কোটি বিড়ি ও ৯(নয়) হাজার কোটি সিগারেট উৎপাদন হয়।
১৯৯৯ সালের ১৫ আগষ্ট, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবীদ অর্মত্যসেন বলেন-পাকিস্তানের জনাব মাহবুবুল হক মানব কল্যাণে নিবেদিত অর্থনীতিবীদ।
২০০০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, ভারতীয় নৌবাহিনীর ৪০টি যুদ্ধজাহাজ ও ৫০টি জঙ্গীবিমানের আরব সাগরে নৌমহড়ায় অংশগ্রহণ।
২০০০ সালের ১ মার্চ-ভারতের ২০০০-২০০১ অর্থবছরে ৭,৭৮০ কোটি ডলার বাজেট ঘোষণায় প্রতিরক্ষা খাতে বিপুল পরিমাণ ব্যয় বৃদ্ধি; সামরিক বাজেট ১,৩৫০(এক হাজার তিনশত পঞ্চাশ) কোটি ডলার।
২০০০ সালের ১২ এপ্রিল: প্রতি সপ্তাহে ভারতে জনসংখ্যা বাড়ছে ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার।
২০০০ সালের ১৯ জুন-ভারতে মিনিটে ৩৩-জন শিশু জন্মগ্রহণ করে।
২০০০ সালের ৪ জুলাই, কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন প্রস্তাব ভারতের মন্ত্রিসভায় নাকচ।
২০০০ সালের ৫ জুলাই, নয়াদিল্লী হ'তে এএফপি: এশিয়ায় এইডস ভাইরাস বহনকারীদের ৬০ ভাগই ভারতের।
২০০০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাও ঘুষ কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন।
২০০০ সালের ১২ অক্টোবর, ভারতের একটি বিশেষ আদালত টাকার বিনিময়ে সংসদ সদস্যদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাও-এর বিরুদ্ধে ৩-বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ ঘোষণা করেন।
২০০০ সালের ৪ নভেম্বর-পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ২৩-বছর ক্ষমতায় থাকার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বিদায় নিলেন।
২০০১ সালের ২৮ জুলাইঃভারতে বছরে ৫০(পঞ্চাশ) লক্ষ মহিলা অবৈধভাবে গর্ভপাত ঘটায়।
২০০৩-২০০৪ সালের জন্য ভারতের সামরিক বাজেট হলো-৬৫,৩০০(পয়ষট্টি হাজার তিনশত) কোটি রুপি। তাদের বাজেট বর্ষ শুরু হয় ১ এপ্রিল থেকে।
২০০৩ সালের ২৯ এপ্রিল, ইত্তেফাক: ১৯৮৯ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী আন্দোলণে এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন প্রায়-৬৭(সাষট্টি) হাজার লোক।
২০০৩ সালের ২৩ জুনের রিপোর্ট: ভারত বিশ্বে ২য় শীর্ষ চাল রপ্তানিকারক দেশ। মূল বাজার বাংলাদেশ। চলতি ২০০২-২০০৩ অর্থবছরের ৪ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের মোট খাদ্যশস্য আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ২৯.৫(সাড়ে উনত্রিশ লক্ষ) টন।
২০০০ সালের ১৭ ডিসেম্বর, লক্নু হতে পিটিআই-ছেলের লিভার মা'র দেহে সংস্থাপন।
২০০০ সালের ১৭ ডিসেম্বর-ভারতে হিন্দুদের ৬টি রাজ্যে সংখ্যালঘু ঘোষণার সুপারিশ।
২০০৩ সালের ১ মে'র সংবাদঃ আদিবাসীরাই ছিল ভারতবর্ষের প্রথম মানুষ: আদিবাসীদের চুড়ান্ত আঘাত আসে ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ-এর চিরস্থায়ী বস্তোবস্ত আইনের মাধ্যমে।
২০০৩ সালের ২৫ জুলাই, ইত্তেফাক পত্রিকার সংবাদঃ নয়াদিল্লী থেকে এএফপি। পৃথিবীতে ২,৭০০(দুই হাজার সাতশত) প্রকার সাপ আছে তারমধ্যে ভারতে আছে ২৫০(দুইশত পঞ্চাশ) প্রকার সাপ।
২০০৩ সালের ২৫ জুলাই, ইত্তেফাক পত্রিকার সংবাদ: নয়াদিল্লী থেকে এএফপি। ভারতের কেরালা রাজ্য সরকার গতকাল বৃহস্পতিবার সরকারী কাজে ব্যবহৃত হাতিদের ৬৫-বছর বয়স হলে তাদের অবসরভাতা ও অবসর সম্পর্কিত প্রদেয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানের কথা ঘোষণা করেছেন।
২০০৩ সালের ৬ আগষ্টের দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সংবাদ: নয়াদিল্লী থেকে এএফপি। ভারতের দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ৫,৬৩৮টি এবং ১,৩০৮টি পত্রিকার দৈনিক সার্কুেলশন সংখ্যা-৫,৭৮,৪৪,২৩৬টি। শহর এলাকাতেই তাদের প্রচার সংখ্যা বেশি।