১৮৭২ সালে বঙ্কিম চন্দ্র "ভারত কলঙ্ক'' ভারতবর্ষ পরাধীন কেন? এ প্রবন্ধে তিনি হিন্দুদিগকে স্বতন্ত জাতি হিসেবে গণ্য করেন।

১৮৭২ সাল থেকে ভারতে আদমশুমারি শুরু করেছে। ২০১১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৫তম আদমশুমারির কাজ শেষ হবে।

১৮৭২ সালের ১৩ নভেম্বর, সাপ্তাহিক 'সমাজ দর্পন' প্রকাশিত হয়।

১৮৭৩সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত বাংলায় শিয়ালদহে ঘোড়ায় টানা ট্রাম সার্ভিস উদ্বোধন।

১৮৭৩ সালে শ্রমজীবীরা ৮ ঘন্টা কাজের দাবীতে মোম্বাইয়ের সরকারী প্রেসে, ১৮৮১ সালে গুসুরী কটন মিলস, ১৮৮২ সালে সুরাটের গোলামবাবা স্কিনিং মিলস-এ ধর্মঘট পালন করেন।

১৮৭৩ সালের ১৫ মে, ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির বিলুপ্তি ঘটাতে বৃটিশ পার্লােমন্টে প্রস্তাব গৃহীত হয়।

১৮৭৪ সালের ৯ মে, ভারতের মুম্বাইয়ে ঘোড়ায় টানা ট্রাম সার্ভিস চালু হয়।

১৮৭৪ সালে ভারতে স্যার বদরুদ্দিন তায়েবজির নেতেৃত্বে মুসলিম সমাজের কিছু দুরদর্শী মানুষ আঞ্জুমান-ই-ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। এটি একটি প্রথম সারির শিক্ষা তথা সমাজ সংগঠন।

১৮৭৪ সালের ১ জুন, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবলুপ্ত হয়।

১৮৭৪ সালে কৃষ্ণদাস পাল ভারতে স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার স্বপক্ষে হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকায় লিখেন।

১৮৭৫ সালের ২৪ মে, স্যার সৈয়দ আহমদ আলীগড়ে প্রতিষ্ঠিা করলেন গঁযধসসধফধহ অহমষড়-ঙৎরবহঃধষ ঈড়ষষবমব, যেটি ১৯২০ সালে অষরমধৎ গঁংষরস টহরাবৎংরঃু রুপে নবরুপ গ্রহণ করে।

১৮৭৫ সালে বলেছিলেনঃ ইংল্যান্ডের একজন বড়ো রাজনীতিবিদ ছিলেন লর্ড স্যালিসবারি; ভারত-সচিবও ছিলেন তিনি। তাঁর একটি উক্তি উদ্ধৃত করছি। ''ভারতবর্ষের রক্ত আমাদের বার করে যখন নিতেই হবে, ছুরিটা এমনসব জায়গা বেছে ঢোকাও যেখানে অনেক রক্ত রয়েছে, অন্তত যেখানে যথেষ্ট রক্ত চলাচল হয়; রক্তের অভাবে যে অঙ্গগুলো আগে থেকেই দুর্বল হয়ে আছে সেখানে ছুরি বিধিয়ে কী হবে''।

১৮৭৫ সালে বম্বেতে আর্যসমাজের প্রতিষ্ঠা হয়। আর্যসমাজ একটি ধমীয়/সামাজিক সংস্কারমূলক প্রতিষ্ঠান।

১৮৭৬ সালে 'ইন্ডিয়ান এসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৭৬ সালের জুলাই মাসে সুরেন্দ্রনাথ ব্যাণার্জি র্কতৃক ''ভারত সভা'' প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৭৬ সালে বৃটিশ গভর্ণেমন্টের আদেশে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীেদর উর্ধতন বয়স ২১ হ'তে কমিয়ে ১৯ বছর করা হয়।

১৮৭৬ সালের ২ নভেম্বর, কেশবচন্দ্র সেনের উদ্যোগে ইন্ডিয়ান রিফরমার এ্যাসোসিয়েশন বা 'ভারত সংস্কার সভা' স্থাপিত হয়।

১৮৭৭ সালের ১ জানুয়ারি, দিল্লীতে দরবার বসিয়ে রাণী ভিক্টোরিয়াকে সম্রাজ্ঞীরূপে ঘোষণা।

১৮৭৭ সালের ১২ মে, সৈয়দ আমির আলী ভারতীয় মুসলমানদের প্রথম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান এসোসিয়েশন' কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন।

১৮৭৭ সাল পর্যন্ত ১২ জন ভারতীয় এম. এ. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

১৮৭৭ সালের ২৯ জুলাই, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় মাহিত্য দর্শন বিজ্ঞান বিষয়ক মাসিক পত্রিকা ভারতী প্রকাশিত হয়।

১৮৭৭-১৮৭৮ সালে ভারতীয় রেলওয়ে ''বুকস্টলস'' প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৭৮ সালের ২৯ মে, শিবনাথ শাস্ত্রীর সম্পাদানয় পাক্ষিক 'তত্ত্ব মৌমুদী' প্রকাশিত হয়।

১৮৭৯ সালের সিভিল সার্ভিেস কোন প্রতিযোগিতা ছিল না; এমনকি শিক্ষাগত যোগ্যতাও ছিল না। এক্ষেত্রে উচ্চবংশে জন্মগ্রহণই ছিল নিয়োগ লাভের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

১৮৮০ সালের ১ জানুয়ারি: ভারতবর্ষে ডাকঘরে মানি অর্ডার প্রথা চালূ হয়।

১৮৮০ সালের ৩ জানুয়ারি, ভারতের বোম্বে শহরে সাপ্তাহিক ইংরেজী সংবাদপত্র 'ইলাস্ট্রেটেড উইকলি অব ইন্ডিয়া' পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়।

১৮৮০ সালের ২১ মে, একটি ঐতিহাসিক বিল পাস হয় যাতে ১৪ জুলাইকে জাতীয় আনন্দোৎসব দিবস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

১৮৮০ সালে বোম্বে শহরে আরো অনেক কাপড়ের মিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮২ সালে ভারতবর্ষে মেয়েরা প্রথম স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন এবং এদেরই একজন চন্দ্রমুখী বসু ১৮৮৪ সালে ইংরেজীতে এম.এ. বাঙ্গালী মহিলাদের মধ্যে প্রথম মাষ্টার ডিগ্রী লাভের কৃতিত্ব অর্জন করেন। চন্দ্রমুখী বসু ছিলেন প্রবাসী বাঙালি খ্রিষ্টান পরিবারের সন্তান।

১৮৮৩ সালের ৩০ জানুয়ারি, ইউরোপীয় এবং ভারতীয় বিচারকদের মধ্যে বৈষম্য নিরসনে বৃটিশ পার্লােমন্টে বিল উত্থাপন।

১৮৮৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, ভারতবর্ষে প্রথম টেলিগ্রাফ পদ্ধতি চালু হয়।

১৮৮৫ সালের ৬ জানুয়ারি, আধুনিক হিন্দি গদ্য সাহিত্যের জনক হিসেবে খ্যাত ভারতেন্দু হরিশ চন্দ্রের মৃত্যু।

১৮৮৫ সালে সরকার জমিদার ও প্রজার অধিকার এবং দায়িত্ব সংজ্ঞায়িত করে একটি বিস্তারিত আইন পাশ করে।

১৮৮৫ সালে বম্বেতে জাতীয় কংগ্রেস পার্টির জন্ম। ১৮৮৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর, বোম্বে শহরে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সভাপতি হয়েছিলেন ডবিস্নউ. সি. ই. (ইংরেজ)। বাঙ্গালী ব্যারিস্ট্রার উমেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন-''অ্যালান অক্টোভিয়ান ইিউম''।

১৮৮৬ সালের ২ জানুয়ারি, এক রাজকীয় ঘোষণা বলে উত্তর ব্রহ্মদেশকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করা হয় এবং ইংল্যান্ড তখন চীনকে সে প্রতিশ্রুতি দিল, প্রতি দশ বছর অন্তর চীনের প্রাপ্য রাজ কর সে চীনকে পাঠিয়ে দেবে।

১৮৮৬ সালের ২ জানুঃ এক ঘোষণা বলে সমগ্র উওর প্রদেশ বৃটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করা হয়।

১৮৮৬ সালের ১ জুন, আলেকজান্ডার ডেভিনসন মাদ্রাজে জেনারেল পোষ্ট অফিস চালু করেন।

১৮৮৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, উর্দু ও ফার্সি সাহিত্যের মহাকবি মির্জা আসাদ উল্লাহ খান গালিবের ইন্তেকাল।

১৮৮৯ সালের ২৭ জুলাই, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ব্রিটিশ-ইন্ডিয়া শাখা গঠিত হয়।

১৮৮৯ সালে ভারতে আবিস্কৃত হয়েছে পেট্রোলিয়াম।

১৮৯০ সালের ২ জানুয়ারি, সৈয়দ আমির আলী কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি নিযুক্ত হন।

১৮৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, বোটানিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯০ সালের ১৬ আগষ্ট, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮৯০ সাল থেকে শুরু হওয়া 'ডাব্বাওয়ালা অব মুম্বাই' কর্মকান্ডে এখন তৃতীয় প্রজন্ম সম্পৃক্ত হয়েছে। ডাব্বাওয়ালারা সুশৃঙ্খলভাবে এবং নির্ভুল উপায়ে খাবার সরবরাহ করে যাচ্ছে, তা তুলে ধরেন। 'ডাব্বাওয়ালা অব মুম্বাই' শীর্ষক উপস্থাপনা। ১৯০১ সাল থেকে বোম্বে শহরে অফিসের সময় ডাব্বাওয়ালারা (টিফিন বাটিতে) করে দুপুরের খাবার পৌঁছে দেয় বিভিন্ন অফিসে। বোম্বেতে প্রায় দু'লাখ ডাব্বাওয়ালা রয়েছে। এদের দু'জন-এর কথাই ধরা যাক। দু'বছর আগে প্রিন্স অব ওয়েলস বোম্বেতে বেড়াতে আসলে এদের সাথে পরিচয় হয় তাঁর। প্রিয় প্রিন্সের বিয়ের খবর শুনে আগেভাগেই উপহার পাঠিয়ে দিয়েছেন তারা প্রিন্সের হবু বউ ক্যামিলা পার্কার বোলসের জন্য একটি চমৎকার শাড়ি এবং এক জোড়া বালা। এ উপহারই হয়তো তাদের বিলেত ভ্রমণের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছে। বোম্বের ব্রিটিশ হাই কমিশন থেকে রঘুনাথ মজ ও তার অপর এক সহযোগীকে বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের বিমান ভাড়া এমনকি দু'দিনের হোটেল খরচও বহন করবে কমিশন। মজ জানান, উপহার তো আগেই পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে, এখন তারা দু'জন শুধু ভারতের বিখ্যাত লাড্ডু নিয়ে বিয়ে খেতে যাবেন। চার্লেসর বিয়ে খেতে যাচ্ছেন বোম্বের দুই ডাব্বাওয়ালা।

১৮৯১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, 'অমৃত বাজার পত্রিকা' দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।

১৮৯১ সালের ২৫ জুন, ভারতীয় সংবাদপত্রের উপর বৃটিশ সরকার সেন্সর আরোপ করে।

১৮৯২ সালের ৫ আগস্ট, 'দি ইন্ডিয়ান এ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য প্রমোশন অব ফাইন আর্টস ও ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯৩ সালে উত্তর ভারতের মোহামেডান এ্যাংলো অরিয়েন্টাল ডিফেন্স অরগানাইজেশন অব আপার ইন্ডিয়া গঠিত হয়।

১৮৯৫ সালের ১৪ জুন, শিবনাথ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় শিশুতোষ মাসিক 'মুকুল' প্রকাশিত হয়।

১৮৯৬ সালের ৭ জুলাই, ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয় মুম্বাই শহরের ওয়াটসন হোটেলে লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের উদ্যোগে।

১৮৯৭ সালের ৯ মার্চ, বিখ্যাত মুসলিম সংস্করক জামালউদ্দিন আফগানীর মৃত্যু।

১৮৯৭ সালে সংঘটিত 'গ্রেট আসাম ভূমিকম্প' ছিল খুব মারাত্মক ও বড় মাপের।

১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ, অবিভক্ত ভারতের ফৌজদারি কার্যিবধি প্রবর্তিত হয়।

১৮৯৮ সালে লর্ড কার্জন ভারতের বড়লাট হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।

১৮৯৮ সালেল ৯ ডিসেম্বর, ভারতের বেলুড়ে গঙ্গার তীরে রামকৃঞ্চ মঠের প্রতিষ্ঠা হয়।

১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হলো ভারতের অসম অয়েল কোম্পানি।

১৮৯৯ সালে লর্ড কার্জন ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় হিসেবে আসেন।

১৯০০ সালের এ বিদ্রোহ ছিল বিদেশীদের হস্তক্ষেপ। তা থেকে চীনকে মুক্ত করার জন্যে দেশপ্রেমিকদের একটা প্রয়াস।

১৯০২ সালের ২৭ জানুয়ারি, ইন্ডিয়ান ইউনির্ভািসটিজ কমিশন গঠিত হয়।

১৯০২ সালের ২৪ মার্চ, বাংলায় অনুশীলন সমিতি গঠিত হয়।

১৯০২ সালের ৬ আগস্ট, ভারতের দুর্ভিক্ষ ও ত্রাণকার্য নিয়ে ব্রিটিশ রাজের বস্নু বুক প্রকাশিত।

১৯০৩ সালে ভারতের শাহরানপুরে মুসলিম রাজনৈতিক সংস্থা গঠিত হয়।

১৯০৪ সালের ২০ মার্চ, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সহানুভূতিশীল ইংরেজ চার্লস ফ্রিয়র এন্ডুজের ভারতে আগমণ।

১৯০৫ সালের ১৩ এপ্রিল, প্রবল ভূমিকম্পে ভারতের উত্তর প্রদেশে ১৫ হাজার লোকের মৃত্যু।

১৯০৫ সালের ১০ জুন, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে বঙ্গীয় কলা অনুষদ গঠিত হয়।

১৯০৫ সালের ৭ জুলাই, লর্ড কার্জেনর বঙ্গবঙ্গ ঘোষণা।

১৯০৫ সালের ৩১ জুলাই, বঙ্গভঙ্গ বিল পাস হয়।

১৯০৫ সালের ৫ আগস্ট, বঙ্গদেশ বিভক্ত করার জন্য বঙ্গভঙ্গ আইন ঘোষিত হয়।

১৯০৫ সালের ৭ আগষ্ট, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস বৃটিশ পণ্য বর্জেনর সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯০৫ সালের ১৬ আগষ্ট, লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ আইন কার্যকর করেন।

১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর, লর্ড কার্জেনর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে 'পূর্ববঙ্গ-আসাম' প্রদেশ জন্মলাভ করে।

১৯০৫ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ''আমার সোনার বাংলা'' বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গানটি রচিত করেছিলেন।

১৯০৫ সালে মুম্বাই শহরে তাজমহল হোটেল প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর, সন্ত্রাসী হামলার পর নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের টানা তিন দিন লড়াই চলে।

১৯০৬ সালের ১১মার্চ, স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বঙ্গীয় জাতীয় শিক্ষা পরিষদ গঠিত হয়।

১৯০৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, প্রবল ঘুর্ণিঝড়ে হংকং-এ ১০ হাজার লোকের মৃত্যু।

১৯০৬সালের ১৮ সেপ্টেম্বর,ভয়াবহ টাইফুন ঝড়ে হংকং-এর ১০ সহস্রাধিক লোক নিহত হন।

১৯০৬ সালে মহম্মদ আলি জিন্না একজন জাতীয়তাবাদী মুসলমান হিসেবেই তিনি কংগ্রেসে প্রবেশ করেছিলেন এবং ১৯১৬ সাল পর্যন্ত তাঁর প্রধান অবদান লখনউ চুক্তি যা ছিল হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক প্রতীক।

১৯০৭ সালের ২৯ জানুয়ারি, করম চাঁদ মহন চাঁদ গান্ধী সত্যাগ্রহ আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯০৭ সালের ১০ মার্চ, ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাপ্তাহিক 'স্বরাজ' সম্পাদনা শুরু করেন।

১৯০৭ সালের ৭ মে, বোম্বাইয়ে বিদ্যুৎচালিত ট্রাম চালু হয়।

১৯০৭ সালে ভারতবর্ষে কারখানা তৈরী করা শুরু হয় এবং ১৯১১ সালে প্রথম সমস্ত ভারতবর্ষের পক্ষে প্রযোজ্য কারখানা-আইন তৈরী হয়।

১৯০৭ সালে চরমপন্থীরা ভারতীয় কংগ্রেস ত্যাগ করেন।

১৯০৮ সালের ৩০ জানুয়ারি, দক্ষিণ আফ্রিকার জেল থেকে মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধীর মুক্তি

১৯০৮ সালের ২৪ জুন, কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ(সিএসই) প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৪-০৬-২০০৮ সালে শতবর্ষে কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ।

১৯০৮ সালের ৩১ জুলাই, স্যার ব্যাডেন পাওয়েল স্কাউট আন্দোলনের সূচনা করেন।

১৯০৮ সালের ১০ নভেম্বর, বিপস্নবী কানাইলাল দাসের ফাঁসি কার্যকর হয়।

১৯০৮ সালের ২১ নভেম্বর, বিপস্নবী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর ফাঁসি কার্যকর হয়।

১৯০৯ সালের ২৫ মে, ব্রিটিশ পার্লােমন্টে ভারতের কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন সভার সংস্কার প্রস্তাব পাস হয়।

১৯১০ সালে কবি রবীন্দ্রনাথের 'গীতাঞ্জলি' প্রকাশিত হয়।

১৯১০ সালের ২২ নভেম্বর, লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের ভাইসরয় পদে লর্ড মিন্টোর স্থলাভিষিক্ত হন।

১৯১০ সালে ভারতের মেওয়াত নামক স্থানে সূচনা হয় তাবলীগ জামাতের। অখন্ড ভারতের মওলানা ইলিয়াস (রহ.) মাত্র কয়েকজন সঙ্গী সাথী নিয়ে এ কাজ শুরু করেন।

১৯১১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর, বঙ্গভঙ্গ আইন রদ এবং বৃটিশ ভারতের রাজধানী কলিকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তর।

১৯১২ সালের ১ এপ্রিল, ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে সরিয়ে নেওয়া হয়।

১৯১২ সালের ২২ মার্চ, ইংরেজ সরকার বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি থেকে আলাদা করে বিহারকে একটি স্বতন্ত্র প্রদেশে উন্নীত করে। ২০১০ সাল থেকে বিহারবাসী দিনটিকে বিহার দিবস পালন করছে।

১৯১২ সালের ২৩ ডিসেম্বর, ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিজ(দ্বিতীয়) হাতিতে চড়ে দিল্লীতে প্রবেশকালে বোমার আঘাতে নিহত হন।

১৯১২ সালে প্রথম বলকান যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর, দাদাসাহেব ফালকে পরিচালিত নির্বাক চলচ্চিত্র 'রাজা হরিশচন্দ্র' নির্মিত হয়।

১৯১৩ সালের ৩ মে, ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম পূণাঙ্গ চলচ্চিত্র মুক্তি পায় দাদাসাহেব ফালকে পরিচালিত 'রাজা হরিশ চন্দ্র। বোম্বে প্রথম "নির্বাক ছবি'' নির্মাণ করা হয়। এর পাঁচ বছর পর ১৯১৮ সালের ৮ নভেম্বর কলকাতায় বাংলা পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র মুক্তি পায় বিল্বমঙ্গল। এর পরিচালক ছিলেন রুস্তমজী দুতিয়াল। ১৯২৮ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্র দর্শেকরা প্রথম সবাক চলচ্চিত্রের সঙ্গে পরিচিত হয় মেলোডি অব লাভ-এর মাধ্যমে। তবে ১৯৩১ সালে কলকাতায় প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুক্তি পায় 'জামাই ষষ্ঠি'। এর পরিচালক ছিলেন অমরেন্দ্র নাথ চৌধুরী।

১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পান।

১৯১৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্রণাথ ঠাকুরকে ডি. লিট. উপাধি দেয়।

১৯১৪ সালের ৬ আগস্ট, সাপ্তাহিক বসুমতি দৈনিক বসুমতিরূপে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯১৫ সালের ৯ জানুয়ারি,দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মহাত্মাগান্ধী নিজ দেশ ভারতে ফিরে আসেন

১৯১৫ সালের ৩ জুন, ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথকে 'নাইট' উপাধিতে ভূষিত করে।

১৯১৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, বৃটিশবিরোধী অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার অভিযোগ এনে গদর পার্টির ২৪ জন নেতা-কর্মীর ফাঁসি হয়।

১৯১৫ সালের ১৫ নভেম্বর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পুরস্কার লাভ।

১৯১৬ সালের ১৬ এপ্রিল, কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

১৯১৬ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর চেষ্টায় লক্ষ্ণৌ শহরে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের যুক্ত অধিভেশন বসে।

১৯১৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, আলেকজান্দার কেরেনস্কি রাশিয়াকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে।

১৯১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর, বিশ্বভারতীর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।

১৯১৯ সালের ১৩ জানুয়ারি, ভারতীয়দের মধ্যে স্যার সত্যেন্দ্র প্রসাদ সিংহ সর্বপ্রথম 'লর্ড' উপাধিতে ভূষিত হন এবং পার্লােমন্ট মহাসভায় আসন লাভ করেন।

১৯১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি, ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে 'বৈপস্নবিক অপরাধ আইন' চালু।

১৯১৯ সালের ১ মার্চ, মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু।

১৯১৯ সালের ৬ এপ্রিল, রাওলাট আইনের প্রতিবাদে ভারতে সর্বপ্রথম হরতাল পালিত হয়।

১৯১৯ সালের ৬ এপ্রিল, পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগে কংগ্রেসের আইন অমান্যকারী সভায় ইংরেজ পুলিশ বাহিনীর গুলিতে বহু লোকের মৃত্যু।