চায়না বিল্ডিং(হংকং)৩১৫ মিটার
লাইব্রেরি স্কোয়ার টাওয়ার(লস এঞ্জেলস)৩০৮ মিটার
টেক্সাস কমার্স প্লাজা(হিউস্টন)৩০৫ মিটার
অ্যালাইড ব্যাংক পস্নাজা(হিউস্টন)২৯৬ মিটার
ব্যাংক অব ম্যানহাটন(নিউইয়র্ক)২৮৩ মিটার
রকফেলার স্টোর বিল্ডিং(নিউইয়র্ক)২৫৯ মিটার

।তথ্যকণা-মিঠা পানির সবচেয়ে ভয়ংকর মাছ:।

দক্ষিণ আমেরিকার পিরানহা তার ধারালো দাঁতের কারণে সবচেয়ে হিংস্র মাছ হিসেবে পরিচিতি। অত্যন্ত ক্ষিপ্রগতি সম্পন্ন পিরানহা ঘোড়ার সমান একটি প্রাণীকে কয়েক মিনিটের মধ্যেই কংকালে পরিণত করতে পারে। এরা অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সঙ্গে দলবদ্ধভাবে শিকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ভক্ষণে মেতে ওঠে। ১৯৮১ সালে অতিরিক্ত বোঝাই একটি নৌকা ব্রাজিলের আবিডস বন্দরে ডুবে গেলে ৩শ'র বেশী মানুষ পিরানহার কবলে পড়ে। পরবর্তীেত আরোহীদের কাউকেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

।তথ্যকণা-বিশ্বের যা কিছু ক্ষুদ্রতম:।

ক্রমিক নংশিরোনামক্ষুদ্রতম
পাখিহামিং বার্ড
মহাদেশওশেনিয়া
দেশভ্যাটিকান
গ্রহঊুধ
দিন২২ ডিসেম্বর(উত্তর গোলার্ধে)
ইদীডি. নদী

।জেনে রাকুন: প্রথম রিকশা তৈরী হয় কখন?।

নগর জীবনে রিকশা আমাদের অন্যতম বাহন। কিন্তু এ রিকশার উৎপত্তি জাপানে ১৮৭০ সালে। তখন দু'চাকার উপর সিটে বসা আরোহীদের চালক টেনে নিয়ে যেত। এজন্য রিকশার আদি নাম ছিল জিনরিকশা। যার অর্থ মানুষে টানা গাড়ি। জাপানীরা এর লেজ কেটে দিয়ে শুধু জিনরিকি বলে। ইংরেজরা একে শুধু রিকশা বলে। আমাদের বাংলাদেশে সাইকেল-রিকশা চলতে শুরু করে ১৯৩৯ সালে-তবে ১৯১৪ সালের দিকে চায়নারা প্রথম কলকাতায় রিকশা চালায় এবং কলকাতায় এখনও মানুষে টানা দু'চাকার রিকশা দেখতে পাওয়া যায়।

।শত বছরের ১০টি ভয়াবহ ভূমিকম্প:।

বাসস: গত শতাব্দীর পর পঞ্চম প্রচন্ড ভুমিকম্পে গতকাল দক্ষিণাঞ্চলীয় এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে দ্রুত ধাবমান সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস। শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, থাইল্যান্ডের দ্বীপাঞ্চল ও মালদ্বীপ প্রবল জলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়লে বিপুল জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়। লন্ডন থেকে রয়টার্স (২৬-১২-২০০৪) ভূমিকম্পসহ শতাব্দীর ১০টি ভয়াবহ ভূমিকম্পের তথ্য দিয়েছে।

১৯০৬ সালের ৩১ জানুয়ারি, ইকুয়েডর ৮.৮ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রভাবে ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার উপকুলে জলোচ্ছ্বাস। ১০০০ হাজার লোকের মৃত্যু। মধ্য আমেরিকা, সানফ্রান্সিসকো ও পশ্চিম জাপানে পর্যন্ত এই ভূমিকম্পের প্রভাব অনুভূত হয়।

১৯২৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, রাশিয়া ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কামচাটকা প্রকম্পিত।

১৯৩৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, ইন্দোনেশিয়া সাড়ে ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে বান্দাসাগর ফেঁপে উঠলে পূর্বাঞ্চলীয় ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয় দ্বীপাঞ্চল বান্দা ও কাইয়ে ধ্বংসযজ্ঞ।

১৯৫০ সালের শান্তি ও মৈত্রী চুক্তি পর্যােলাচনা করবে ভারত-নেপাল।

১৯৫০ সালের ১৫ আগষ্ট, তিব্বত/ভারত ৮.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে দু'হাজার ঘর-বাড়ী, মন্দির মসজিদ ধ্বংস। পূর্বাঞ্চলীয় ভারতের ব্রক্ষ্ণপুত্র অববাহিকায় ভূমিকম্পের প্রভাব অনুভূত। ১,৫০০ হাজার প্রাণহানি।

১৯৫২ সালের ৪ নভেম্বর, রাশিয়া ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের কারণে হাওয়াই দ্বীপে জলোচ্ছ্বাস। কোনো প্রাণহানি নেই।

১৯৫৭ সালের ৯ মার্চ, আলাস্কা ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে আন্দ্রিয়ানফ দ্বীপে।

১৯৬০ সালের ২২ মে, চিলি রিখটার স্কেলে ৯.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে সান্টিয়াগো ও কনসেপসিয়নে। সঙ্গে আসে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস এবং আগ্নেয়গিরির উদগীরণ। ৫ হাজার লোকের মৃত্যু ও বিশ লাখ মানুষ গৃহহীন।

১৯৬৪ সালেল ২৮ মার্চ, আলস্কা ৯.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২৫ জন প্রাণহানি ও ৩১ কোটি ডলারের সম্পত্তি ধ্বংস।

১৯৬৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, আলস্কা ৮.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় এক মিটার উচ্চতায় সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস।

১৯৭০ সালের ৪ জুন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় ১৬৯টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত টোঙ্গা স্বাধীনতা লাভ করে।

।তথ্যকণা-ধানের হেক্টর(২৫০ শতকে এক হেক্টর) প্রতি গড় ফলনে শীর্ষ কয়েকটি দেশঃ।

দেশগড় ফলন(প্রতিঃ হেক্টর)
অস্ট্রেলিয়া৯.৫৩ টন
স্পেন৭.৮৪ টন
কোরিয়া প্রজাতন্ত্র৬.৯৩ টন
জাপান৬.৬৭ টন
চীন৬.৩৫ টন
শ্রীলঙ্কা৩.৩৭ টন
মালয়েশিয়া৩.২০ টন
ফিলিপাইন৩.১৯ টন
মিয়ানমার(বার্মা)৩.১৭ টন
বাংলাদেশ৩.১০ টন

।কেমন হবে-২১০০ সাল?।

একুশ শতকের ভবিষ্যৎ বাণী: সবার একই কৌতুহল কেমন হবে নতুন শতাব্দী? একই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি "এশিয়া উইক" ম্যাগাজিন একুশ শতকের বিভিন্ন গুরূত্বপুর্ণ বিষয় সম্পর্কে খ্যাতিমান কল্পবিজ্ঞানী স্যার আর্থার সি.ক্লার্ক এর ভবিষ্যৎ বাণী প্রকাশ করেছে। ২১০০ সালের ৩১ ডিসেম্বর তার এসব উক্তির যথার্থতা প্রমাণিত হবে বলে ক্লার্ক উল্লেখ করেন। ক্লার্ক প্রদত্ত ভবিষ্যৎবাণীর কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো:

১৯৯৭ সালের অক্টোবরে নিক্ষিপ্ত ক্যাসানি মহাকাশযান ২০০০ সালের জুলাই মাসে শনি গ্রহে অবতরণ করবে। এটি শনি গ্রহের চাঁদ ও অন্যান্য বস্তুর অনুসন্ধান শুরু করবে।

২০০৩ সালে মোটর শিল্পে জ্বালানি ইঞ্জিনের স্থলে নতুন উদ্ভাবিত জ্বালানি স্থলাভিষিক্ত হবে। মঙ্গল গ্রহে নাসার রোবট সারভেয়র উৎক্ষেপন করা হবে। মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

২০০৪ সালে প্রথম সরকারিভাবে স্বীকৃত মানুষের ক্লোন হবে। মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

২০০৫ সালে-দালাইলামা তিব্বতে ফিরে যাবে। মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

২০০৬ সালে-ভারতে বিশ্বের সর্বেশষ কয়লাখনি বন্ধ হয়ে যাবে। মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

২০০৭ সালে-শ্রীলঙ্কায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রেসিডেন্ট চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা নোবেল পুরস্কার লাভ করবে। মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

২০০৯ সালে-দুর্ঘটনাবশতঃ পরমাণু বোমা বিস্ফোরিত হয়ে উত্তর আমেরিকার একটি শহর ধ্বংস হয়ে যাবে। জাতিসংঘে সংক্ষিপ্ত বিতর্কের পর সকল পরমাণু অস্র ধ্বংস হয়ে যাবে। মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

২০১০ সালে ইলেক্ট্রনিক মনিটরিং এর মাধ্যমে কার্যতঃ সমাজ থেকে পেশাদার অপরাধী নির্মুল করা হবে। মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

২০১২ সালে-এরো স্পেস বিমান সার্ভিেস অন্তর্ভুক্ত হবে। মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

২০১৩ সালে ব্রুনেইয়ের প্রিন্স মহাশূন্যে উড্ডয়ন করবেন।

২০১৪ সালে মহাশূন্যে ঘূর্ণায়মান হোটেল তৈরী হবে।

২০১৫ সালে আণবিক পর্যােয় কোয়ান্টাম আনা হবে।

২০১৬ সালে-সকল প্রচলিত মুদ্রা বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং "মেগাওয়াট আওয়ার" মুদ্রা বিনিময় ইউনিটে পরিণত হবে।

২০১৭ সালের-১৬ ডিসেম্বর শততম জন্মদিনে স্যার আর্থার ক্লার্ক মহাশূন্যে হিন্টন হোটেলে প্রথম অতিথি দলের মধ্যে থাকবেন।

২০১৮ সালে চীনে প্রথম দেশব্যাপী পার্লােমন্ট নির্বাচন হবে।

২০১৯ সালে বরফাচছাদিত উত্তর গোলার্ধে বড় ধরণের উল্কাপাত ঘটবে। এতে গ্রীণল্যান্ডের মারাত্মক ক্ষতি হবে।

২০২০ সালে মানুষের বুদ্ধির ন্যায় কৃতিম বুদ্ধি আবিস্কৃত হবে।

২০২১ সালে-মঙ্গলগ্রহে প্রথম মানুষ অবতরণ করবে ও এক অসুখকর মহাবিস্ময়ের সম্মুখীন হবে।

২০২৩ সালে-ফ্লোরিডায় বিজনী ত্রিয়াসিক চিড়িয়াখানায় কম্পিউটার ডি.এন.এর মাধ্যমে ডাইনোসরের ক্লোন করা হবে।

২০২৫ সালে-চোখ, কান ও ত্বক ইত্যাদির বস্নায়ুবিক গবেষণা চুড়ান্ত পর্যােয় উপনীত হবে এবং নতুন ধরণের হেলমেট পরিধান করলে বিশ্বের সকল খবর জানতে পারবে।

২০২৬ সালে-সিঙ্গাপুর বিজ্ঞাপন জগতে প্রথম স্থান অধিকার করবে।

২০৩৬ সালে-চীন আমেরিকাকে ছাড়িয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে।

২০৪০ সালে-ময়লা থেকে হীরক ও খাবার তৈরী হবে, ফলে কৃষি ও শিল্প আস্তে আস্তে বন্ধ হতে শুরু করবে।

২০৪৫ সালে খাদ্য উৎপাদনের জন্য অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় কার্বন-ডাই-অক্সাইড পাওয়া যাবে।

২০৫০ সালে একঘেয়ে জীবন থেকে মুক্তির জন্য শান্তির অন্নেষায় ব্যাপক সংখ্যায় এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাবে।

২০৫১ সাল থেকে চাঁদে মানুষ বসবাস শুরু করবে।

২০৫৭ সালে মানুষ চন্দ্র, মঙ্গল, ইউরেনাসও অন্যান্য গ্রহে পদচারণা শুরু করবে।

২০৯০ সালে ব্যাপক আকারে জীবাশ্ম জ্বালানি কার্বন-ডাই-অক্সাইডের স্থান দখল করবে।

২০৯৫ সালে প্রথম অভিযাত্রীরা তারকালোক অভিমুখে যাবে। রোবট ইতোমধ্যে অনেক এগিয়ে গেছে।

২১০০ সালে-ইতিহাস আবার নতুন করে শুরু হবে।

ইতিহাস হল মানুষের ইতিহাস-এর বাহিরে কোন ইতিহাস নেই।

।বিস্ময়কর মানব দেহ:।

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্য হলো মানব শরীর। কিন্তু আমাদের এ এত সুন্দর শরীর সম্বন্ধে কতটুকুই বা জানি। আসুন কিছুটা জেনে নেয়া যাক ২৪ ঘন্টা সময়ে একজন সাধারণ রকমের স্বাস্থ্যবান মানুষের শরীরে কি কি হয়।

একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের শরীরে প্রায় ৪৫ লিটার পানি থাকে। যা তার শরীরের ওজনের শতকরা ৬৫ ভাগ।

প্রতিটি মানুষই তার জীবিত অবস্থায় ১৮ কেজি চামড়া পরিত্যাগ করে।

মানুষের চোখের পেশীগুলো দিনে অন্ততঃ ১ লাখ বার নড়ে চড়ে।

মানুষের লালাগ্রন্থিগুলো প্রতিদিন ১ লিটার থেকে ১.৫ লিটার পর্যন্ত লালা বা থুথু ক্ষরণ করে।

শরীরের সমস্ত রক্ত দিনে ৩০ বার শোধিত হয়।

পুরুষ মানুষের শরীরে যে চামড়া আছে তার দৈর্ঘয ১.৮ বর্গিমটার এবং স্ত্রীলোকের ১.৬ বর্গিমটার।

মানুষের হাতে সবসুদ্ধ ৬৪টি এবং ৬২টি হাড় আছে।

আমাদের দেহে যতসব রাসায়নিক পদার্থ আছে, সাগরেও ঠিক তাই আছে। তফাৎ শুধু পরিমাণে।

মানুষের এক একটি চোখের ওজন প্রায় ১.৫ আউন্স।

মস্তিস্কের নিজের কোন যন্ত্রণার অনুভূতি নেই। একে কেটে ফেললেও কোন যন্ত্রণা হয় না।

আমাদের মস্তিস্ক প্রায় ১০,০০০টি বিভিন্ন গন্ধ চিনতে পারে ও মনে রাখতে পারে।

প্রতি হৃৎস্পন্দনে ৮২ মিঃ লিটার রক্ত অর্থাৎ প্রতিদিন ৮১৯৩ লিটার রক্ত দেহে ছড়িয়ে পড়ছে।

অবাক হচ্ছেন? আরো কিছু তথ্য-

দৈনিক হৃদপিন্ড নড়ে ১,০৩,৬৮০ বার।

দৈনিক শ্বাস ফেলে ২৩,০৪০ বার।

দৈনিক পানীয় পান করে ১ সের ২ ছটাক।

দৈনিক খাবার খায় ১.৫ কেজি।

দৈনিক কথা বলে ৪,৮০০ বার।

দৈনিক বড় সাইজের পেশী নড়ে ৭৫০টি।

দৈনিক ঘুমের মাঝে পাল ফেরে ২০ থেকে ৬০ বার।

দৈনিক মগজে কোন না কোন কাজ করে ৭০,০০,০০০ কোষ।

মানব হৃৎপিন্ডের দৈর্ঘ ৪ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৩ ইঞ্চি।

একজন মানুষের নাক দিয়ে রোজ গড়ে ১৪ কিউবিক বাতাস ফুসফুসে পৌছে।

একজন মানুষ সর্বেমাট ৫০ কোটি বার নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস চালায়।

হৃৎপিন্ড সংকোচন ও প্রসারণের জন্য যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় করে তারদ্বারা ২০০ পাউন্ডের একটি বস্তু ৪১ ফুট উপরে তোলা সম্ভব।

মানুষের মস্তিকের গড় ওজন প্রায় ১৩৫০ গ্রাম। যাতে এক হাজার কোটি স্নায়ুকোষ বিদ্যমান। একটি উচ্চক্ষমতাসমপন্ন কমপিউটার যে পরিমাণ খবর জমা রাখে, মানুষের মস্তিস্ক তারচেয়ে এক লক্ষগুণ বেশী খবর ধারণ করতে পারে। মস্তিস্কের বিপাকীয় শক্তির সবটা যদি বিদ্যুৎ শক্তিতে রপান্তরিত করা যায় তা'হলে সেই বিদ্যুতের সাহায্যে ২০,০০০(বিশ হাজার) ওয়াটের একটি বাল্ব জালানো সম্ভব হতো।

স্বাভাবিক অবস্থায় মানুষের মাথায় চুল থাকে কমবেশী ১,২৫,০০০(এক লক্ষ পঁচিশ হাজার)। প্রতিদিন প্রায় ১০০টি চুল গজায়। জীবদ্দশায় মাথা থেকে ১.৫ মিলিয়নের মত চুল পড়ে। মানে ১৫(পনের) লক্ষ চুল মাথা থেকে পড়ে যায়। একজন মানুষের সর্বশরীরে ৫০(পঞ্চাশ) লক্ষ লোম থাকে।

মানুষের শরীরে যতো শিরা-উপশিরা আছে তার সবগুলি জড়ো করে লম্বা করলে তা হবে ৫০(পঞ্চাশ) হাজার মাইল দীর্ঘ হবে।

একজন মানুষের শরীরে চামড়ার পরিমাণ গড়ে ২০(বিশ) ফুট।

মানুষের শরীরে যে পরিমাণ চর্বি আছে তা দিয়ে সাতটি বড়ো ধরনের কেক তৈরী করা যাবে।

যে পরিমাণ ফস ফরাস আছে তা দিয়ে ২,২০০ দিয়াশলাই তৈরী করা যাবে।

মানুষের চোখের একটা পলক ফেলতে সময় লাগে ০.৪ সেকেন্ড। পরিস্কার আবহাওয়ায় স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তির অধিকারী একজন মানুষ পাহাড়ের চুড়া হতে ৫০(পঞ্চাশ) মাইল দূরের জ্বলন্ত ম্যাচের কাঠি দেখতে পারে।

রাতে ঘুমালে ওজন প্রায় ১১ আউন্স কমে যায়। বেশীর ভাগ মানুষ ঘুমের মধ্যে ৪০(চল্লিশ) বার এ-পাশ ও-পাশ করে। তবে ইনসোমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৭০(সত্তর) বার।

একজন স্বাস্থ্যবান লোক গোটা জীবনে গড়ে ৫০(পঞ্চাশ) হাজার কেজি পরিমাণ খাবার গ্রহণ করে।

একজন মানুষের শরীরের মধ্য দিয়ে মাত্র ২৫(পঁচিশ) ফুট পথ অতিক্রম করতে খাবার-দাবারের সময় লাগে ২৪(চব্বিশ) ঘন্টা।

মানুষের জিহ্বাতে এক হাজারের বেশী স্বাদকুঁড়ি আছে। দৈনিক ২-৩টা পাঁইট লালা মুখ থেকে নিঃসৃত হয়।

মানবদেহে ২০৬ খানা হাড়ই ষ্টিলের চেয়েও শক্ত। চোয়াল এতই শক্তিশালী যে, ২৭৯ কেজি বল প্রয়োগ করতে পারে। মাংসপেশী যে পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করতে পারে তা দিয়ে ঘন্টায় ১ লিটার পানি উত্তপ্ত করা যায়।

একজন মানুষের গড় ক্ষমতা ০.১৪৩ অশ্বক্ষমতা।

একজন মানুষের জীবন ধারনের জন্য প্রতিদিন ৩(তিন) হাজার ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন।

একজন মানুষের স্নায়ুতন্ত্র এতই সংবেদনশীল যা-কিনা প্রতি সেকেন্ডে ৩০০(তিনশত) ফুট দুরত্বে প্রতিক্রিয়া পৌছতে পারে। অনুভূতি শক্তি এতই প্রবল, কম করে হলেও ১০(দশ) হাজার রকমের বিভিন্ন গন্ধ অনুভব করতে পারে।

একজন মানুষের সুস্থ দেহের রক্তের গতিবেগ ঘন্টায় ৭(সাত) মাইল। হাঁচির শব্দের বেগ ঘন্টায় ১৬০(একশত ষাট) কিলোমিটার। মানুষের হাসির জন্য দায়ী ১৭(সতের)টি পেশী আর রাগ করার জন্য ৪৩(তেতাল্লিশ) পেশী।

সর্দি-কাশির জন্য প্রায় ২০০(দুইশত) রকমের বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস দায়ী।

মানুষ খাবার ছাড়া বাঁচতে পারে প্রায় ৫(পাঁচ) সপ্তাহ।

পানিবিহীন ৫(পাঁচ) দিন, আর বাতাস ছাড়া ৫(পাঁচ) মিনিট।

একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের খাদ্যনালীটি অর্থাৎ মুখ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত দৈর্ঘয ২০ ফুট।

।অদ্ভুত কিন্তু বাস্তব:।

মৌমাছির চোখে এক ধরনের চুল থাকে।

জেলি ফিশের ৯৫ শতাংশই পানি।

কেটিডিড বাগ নামের এক ধরনের পতঙ্গ তাদের পেছনের পায়ের একটি রন্ধ্র দিয়ে শুনতে পায়।

তাইওয়ানের একটি প্রতিষ্ঠান গম দিয়ে খাবার বাসন তৈরী করে। খাবার শেষে বাসনটিও খেয়ে ফেলা যায়।

মানব দেহের এক-চতুর্থাংশ হাড়ই রয়েছে পায়ের পাতায়।

যুক্তরাষ্ট্রে কুকুর ও বিড়ালকে বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের খাবার খাওয়ান হয়।

গড়ে এক বছরে আপনার চোখের পাতা ১ কোটি বার পড়ে।

পৃথিবীর অন্যতম প্রধান বৃক্ষরোপনকারী হল কাঠবেড়ালী। তারা তাদের খাদ্য গাছের ভিতরে, বাদাম মাটির নিচে লুকিয়ে রেখে ভুলে যায়। এতে সারাবিশ্বে কোটি কোটি গাছের অঙ্কুরোদগম হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৪৫ সেকেন্ডে একটি বাড়িতে অগ্নিকান্ড ঘটে।

কাঠ ঠোকরা প্রতি সেকেন্ডে ২০ বার ঠোকর দিতে পারে।

হাসির কথা নয়, প্রতিবার হাসলে সাড়ে তিন ক্যালরি শক্তি ব্যয় হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে ২১ বছর বয়সে মেয়েদের বিয়ে হয়, ছেলেদের বিয়ে হয় ২৩ বছর বয়সে।

যে কোন রঙের নাম বলতে বললে ৫ জনের মধ্যে ৩ জন 'লাল' রঙের নাম বলে থাকে।

১৯১৫ সালে নিউইয়র্ক থেকে স্যানফ্রান্সিস্কোতে টেলিফোনে কথা বলতে প্রথম তিন মিনিটে ২০ ডলার ৭০ সেন্ট দিতে হত।

অধিকাংশ মানুষ গড়ে ৭ মিনিটে ঘুমিয়ে পড়ে।

কথিত আছে হাতি ইঁদুরকে ভয় পায় আসলে ব্যাপারটি সত্য নয়।

রোলার কোষ্টার সপ্তদশ শতাব্দীতে রাশিয়াতে উদ্ভাবিত হয়।

মানব মস্তিস্কের ৮০ শতাংশই পানি।

গড় আয়ুকালে একজন মানুষ গড়ে যতটুকু হাঁটে তা পৃথিবীকে তিনবার ঘুরে আসবার সঙ্গে তুলনীয়।

ভাঁজ করা যায় এমন টাকা প্রথম চীনে উদ্ভাবিত হয়। তা তৈরী করা হত হরিণের চামড়া দিয়ে।

৩০০০ বছর আগে মিশরীয়দের গড় বয়স ছিল মাত্র ৩০ বছর।

প্রতিটি মহাদেশেই রোম নামে শহর রয়েছে।

ডলফিন চোখ খুলে ঘুমায়।

সারা বিশ্বে প্রতি মিনিটে ৬০০০ বার বজ্রপাত হয়।

টুনা মাছ লাগাতার ঘন্টায় ৯ মাইল বেগে সাঁতার কাটে। মাছটি কখনই থামে না।

শুধু আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে তটরেখার দৈর্ঘয পুরো যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও বেশী।