১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল, জার্মান ফ্যাসীবাদী একনায়ক এডলফ হিটলারের জন্ম হয় অস্ট্রিয়ায়, ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল, চুড়ান্ত পরাজয়ের পূর্বে ভূ-গর্ভস্থ বাঙ্কারে এডলফ হিটলার আত্মহত্যা করেন। (মৃত্যু-১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল ইংলিশ চ্যানেলের ওপর ব্রিটিশ বৈমানিকের গুলিতে হিটলারকে বহনকারী বিমান ভূপাতিত। হিটলার নিহত হয়েছেন, তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসা হচ্ছে লন্ডনে। ২১ বছর বয়সী হ্যারিকেন জেট ফাইটার পেস্ননের বৈমানিকের গুলিতে ফুয়েরারকে জার্মান বিমানটি ভূপাতিত হয় ইংলিশ চ্যানেলের ওপর। ধারনা করা হচ্ছে, জার্মান নেতা দ্বীপরাষ্ট্র ইংল্যান্ড আক্রমণের অগ্রগতি সরেজমিন প্রত্যক্ষ করার অনির্ধািরত অভিযানে ছিলেন। হিটলারের জার্মান নাগরিত্ব বাতিল করা হয়। হিটলার নিজেই ইহুদি এবং উত্তর আফ্রিকান বংশোদ্ভুত।) ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল, জার্মানীর একনায়ক হিটলার ও তার সঙ্গিনী ইভা ব্রাউনের আত্মহত্যা।
১৮৮৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, জার্মান দার্শিনক মার্টিন হাইডেগারের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯৯০ সালে ফরাসি রাজনীতিবিদ চার্লস ডি গলসের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭০ সালে।
১৮৯০ সালে রাশিয়ার মস্কোতে নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক বোরিস লিওনিদোভিচ প্যাস্টারনাকের জন্ম, মৃত্যু-১৯৬০ সালে। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৫৮ সালে নোবেল পান।
১৮৯০ সালের ২২ নভেম্বর, ফরাসী রাষ্ট্রনায়ক শার্ল দ্য গ্যালের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭০ সালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দ্য গলের মৃত্যু।
১৮৯১ সালের ২৩ জানুয়ারি, ইতালীয় মার্কসবাদী তাত্ত্বিক, বিশ্বখ্যাত কমিউনিষ্ট বুদ্ধিজীবি ও লেখক আন্তোনিও গ্রামসির জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৭ সালে। গ্রামসি ছিলেন ইটালির কমিউনিষ্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও পার্লােমন্টের নির্বািচত সদস্য।
১৮৯১ সালের ২২ মে, গবেষক বিজ্ঞানী ও হোমিওপ্যাথ চিকিৎসক উইলিয়াম হার্নেস্ট বয়েড-এর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৮৯১ সালে সুইডেনের স্মাল্যান্ডে নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক পার লাগেরকিস্ট জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৫১ সালে নোবেল পান।
১৮৯১ সালের ১০ ডিসেম্বর, জার্মািনর বার্লিেন নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক নেলী সাধস জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে নোবেল পান। এ নোবেল দু'জনকে ভাগ করে দেয়া হয়।
১৮৯২ সালের ৭ মে, যুগোশস্নাভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল যোশেফ টিটোর জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৭।
১৮৯২ সালে যুগোশস্নাভিয়ার বোসনিয়ান শহর ট্রাভিংক-এ ইভো আন্দ্রিক জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৬১ সালে নোবেল পান।
১৮৯২ সালের ৮ জুলাই, ইংরেজ লেখক রিচার্ড অলডিংটনের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৮৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর, জার্মান উদ্ভাবক আর্নস্ট ভেরমার সিমেন্সের মৃত্যু।
১৮৯৩ সালের ১৯ জুলাই (পুরনো ক্যালেন্ডারে ৭ জুলাই), সোভিয়েত রাশিয়ার জর্জিয়ায় ভ্লাদিমির ভ্লাদিমিরোভিচ মায়াকোভস্কির জন্ম, এক সন্ধায় পিস্তলের গুলিতে আত্মহত্যা করেন-১৪-০৪-১৯৩০ তারিখ। রুশ বিপস্নবী কবি ভ্লাদিমির মায়াকোভস্কির সঙ্গে লিলিয়া ব্রিকের ছিল দীর্ঘিদনের প্রণয়। ভ. ভ. কাতাইয়ান সম্পাদিত মায়াকোভস্কি সম্পর্কে সমসাময়িক নারীরা বইতে আটজন নারী স্মৃতিচারণা করেছেন। সেখানে লিলিয়া ব্রিকেরও একটি দীর্ঘ লেখা আছে।
১৮৯৩ সালের ২৬ জুলাই, জার্মািনতে (বিশ্ব সেরা ১০ কার্টুিনস্টের একজন) জর্জ গ্রজ-এর জন্ম, মৃত্যু-০৬-০৭-১৯৫৯ তারিখ।
১৮৯৪ সালের ২৪ জুন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মারি এফ শাদি কার্নো নিহত হন।
১৮৯৪ সালের ১৭ এপ্রিল, রুশ জননেতা ও সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী নিকিতা ক্রুশ্চেভের জন্ম, মৃত্যু-১১-০৯-১৯৭১ তারিখ।
১৮৯৪ সালের ৩ ডিসেম্বর, বৃটিশ লেখক রবার্ট লুইস স্টিভেন্সের মৃত্যু।
১৮৯৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর, বিখ্যাত ইংরেজ মহিলা কবি ক্রিস্টিনা রসেটির মৃত্যু।
১৮৯৪ সালে ইংল্যান্ডের রানি মেরি এক পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন। বাবা রাজা পঞ্চম জর্জ। শিশুটির নাম রাখা হলো এডওয়ার্ড। ইংল্যান্ডের ভবিষ্যৎ রাজা। সেভাবেই বড় হচ্ছিলেন তিনি। সব ওলট-পালট হয়ে গেল ১৯৩০ সালে দুইবারের বিবাহিত মার্কিন মহিলা মিসেস ওয়ালিস সিম্পসনের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর। তাঁর মধ্যেই রাজা এডওয়ার্ড আবিস্কার করেন নিজের চূড়ান্ত গন্তব্য। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে এ মহিলাকেই তিনি বিয়ে করবেন। বাধা হয়ে দাঁড়ান গির্জা। বলা হলো, বিবাহিত মিসেস ওয়ালিস সিম্পসনকে বিয়ে করতে হলে রাজা এডওয়ার্ডেক সিংহাসনের মায়া ছাড়তে হবে। রাজা এডওয়ার্ড জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন। দেখলেন, একদিকে সূর্য অস্ত যায় না এমন সাম্রাজ্য, আর অন্যদিকে সাধারণ এক নারী তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে। তাঁকে একটি বেছে নিতে হবে। তিনি সাধারণ নারীটিকেই বেছে নিলেন এবং ১৯৩৬ সালে লেডি ওয়ালিস সিম্পসনের হাত ধরে বাকিংহাম প্রসাদ ছেড়ে সাধারণ মানুষের মতো রাস্তায় নেমে এলেন। রাজা এডওয়ার্ড ও ওয়ালিস সিম্পসনের অমর প্রেম। ১৯৩৭ সালের ৩ জুন বিয়ে করলেন তাঁরা। ফ্রান্সে বিয়ে করে সেখানেই ঘর বাঁধলেন রাজা এডওয়ার্ড-ওয়ালিস সিম্পসন।
১৮৯৪ সালে ব্রিটিশ দার্শিনক আলডুস হাক্সলির জন্ম, মৃত্যু-১৯৬৩ সালে।
১৮৯৬ সালের ৮ জুন, যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে প্রবীণ মানুষ, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ, পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক মানুষদের তালিকায় তাঁর নাম ১৩ নম্বরে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও অংশগ্রহণ হেনরি এ্যালিংহাম রানী ভিক্টোরিয়ার আমলে জন্মগ্রহণ করেন এবং মৃত্যু-১৮-০৭-২০০৯ তারিখ। ব্রিটেনের প্রবীণতম ব্যক্তির ১১৩তম জন্মদিন পালিত হয় (০৮-০৬-২০০৯)। হেনরি এ্যালিংহাম নামের এ বর্ষীয়ান ব্রিটিশ ব্যাটেল অব ব্রিটেনের যুদ্ধবিমান চালনায় অংশ নিয়েছিলেন। গিনেস বুক অব ওয়াল্র্ড রেকর্ডেসর দেয়া তথ্যমতে এ্যালিংহাম ব্রিটেনের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠতম জীবিত ব্যক্তি। ১৯১৫ সালে রয়েল নেভাল এয়ার সার্ভিেস যোগ দেন। তিনি ১৯১৮ সালে রয়েল এয়ারফোর্সের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। যুদ্ধ শেষে ১৯১৯ সালের ১৬ এপ্রিল তিনি দেশে ফেরেন। এ্যালিংহাম বলেন ''আমি একজন সুখী মানুষ, আমি এখনও সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি। উনবিংশ, বিংশ ও একাবিংশ-এ তিন শতাব্দী ছুঁয়ে গেছে তাঁর জীবন। নিজের পরবর্তী পাঁচ প্রজন্মকে দেখে গেলেন তিনি।
১৮৯৬ সালের ৩ অক্টোবর, বিখ্যাত ইংরেজ কবি ও শিল্পী উইলিয়াম মরিসের মৃত্যু।
১৮৯৬ সালের ১২ অক্টোবর, ইতালির জোনোয়াত শহরে নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক ইউজিন ও' মনতেলের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে নোবেল পান।
১৮৯৭ সালের ২৪ মার্চ, জার্মান-পোলান্ড সীমান্তে সাইলেসিয়ার কাছে একটি ইহুদি পরিবারে প্রবীণ নাগরিক রোসা রেইনের জন্ম। তিনি ১১১তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছেন।
১৮৯৭ সালের ২৯ অক্টোবর, হিটলারের সহযোগী ও কূট-প্রচারক গোয়েবলসের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৮৯৮ সালের ২৩ জানুয়ারি, রুশ চলচ্চিত্র পরিচালক সের্গেই আইজেনস্টাইন জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই।
১৮৯৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, জার্মান নাট্যকার বেটোলট ব্রেখট-এর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৮৯৮ সালের ২৬ এপ্রিল, স্পেনের সেভিলীতে নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক ভিসেন্তি আলেকজান্ডার জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭৭ সালে নোবেল পান।
১৮৯৮ সালে জার্মািনতে একাধারে কবি, নাট্যকার ও নাট্যপরিচালক বেরটোল্ট ব্রেখটের জন্ম, মৃত্যু-১৯৫৬ সালে।
১৮৯৮ সালের ২৮ জুলাই, জার্মান রাষ্ট্রনায়ক ও নেতা অটোফন বিসমার্কের মৃত্যু।
১৮৯৮ সালের ২২ আগষ্ট, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সর্বেশষ ব্রিটিশ যোদ্ধা হেরি প্যাচের জন্ম, ওয়েলসের বাসভবনে ১১১ বছর বয়সে মৃত্যু-২৫-০৭-২০০৯ তারিখ। ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদেন।
১৮৯৮ সালের ২৩ আগষ্ট, ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় তুরাগো বর্দন গ্রামে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়া সৈনিক ডেলফিলো বরোনির জন্ম, ২৬-১০-২০০৮ তারিখ একটি বৃদ্ধ নিবাসে মারা গেছেন।
১৮৯৮ সালের ৫ নভেম্বর, ইতালির ক্যালাব্রিয়া এলাকায় ফ্রানসেস্কো ডোমিনিকো চিয়ারেলোর জন্ম, মৃত্যু-২৭-০৬-২০০৮ তারিখ। তিনি ১৯১৮ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধেও যোগদান করেন। ১০৯ বছর বয়সে মারা যান।
১৮৯৯ সালের ৩০ জানুয়ারি, নোবেল বিজয়ী অনুবিজ্ঞানী ম্যাক্স থিলারের জন্ম।
১৮৯৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, বার্তা সংস্থা রয়টারের প্রতিষ্ঠাতা পল জুলিয়াস ফন রয়টার মৃত্যুবরণ করেন।
১৮৯৯ সালে গ্রেট ব্রিটেনের বিশিষ্ট নাগরিক সিরিল জন র্যাডক্লিফের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭৭ সালে। (র্যাডক্লিফ কমিশনস ও ভারত পাকিস্তানের সীমান্ত নির্ধারণকারী)।
১৮৯৯ সালের ১৩ আগষ্ট, এ্যাংলো-মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক আলফ্রেড জোসেফ হিচককের জন্ম, মৃত্যু-২৯-০৪-১৯৮০ তারিখ। ইংল্যান্ডে জন্ম হলেও তাঁর বেশির ভাগ ছবি যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডে নির্মিত। চলচ্চিত্রের ইতিহাসে, ১৯২২ সালে তিনি লন্ডনেই চলচ্চিত্র পরিচালনা শুরু করেছিলেন। ১৯৩৯ সালে তিনি হলিউডমুখী হন এবং ১৯৫৬ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব নেন। তাঁর চলচ্চিত্রজীবন ছিল ছয় দশকের। হিচকক ৫৯টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। এর মধ্যে তাঁর নির্বাক ছবির সংখ্যা ১১টি। ১৬টি ছবি তৈরি করেছেন লন্ডনে। বাকিগুলো হলিউডে।
১৯০০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, স্পেনে আধুনিক সিনেমার বরেণ্য নির্মাতা লুই বুনুয়েলের জন্ম, মৃত্যু-২৯-০৭-১৯৮৩ তারিখ।
১৯০০ সালের ৬ মার্চ, ইংরেজ রসায়নবিদ জন ডালটনের মৃত্যু।
১৯০০ সালের ১৩ মার্চ, গ্রীসে নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক জিওরগাস সেফারিস জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৬৩ সালে নোবেল পান।
১৯০০ সালের ১৯ মার্চ, নোবেল বিজয়ী ফরাসী পদার্থিবদ ফ্রেডরিক জুলিও কুরির জন্ম, মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৫৮ তারিখ। বিখ্যাত ফরাসী পদার্থিবদ জোলিও কুরি ১৯৩৫ সালে নোবেল জয়ী।
১৯০০ সালের ২৯ জুলাই, সুইডেনের শহরে নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক আইভিন্দ জনসন জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৭৬ তারিখ। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭৪ সালে নোবেল পান।
১৯০০ সালে ফরাসি লেখক ও দার্শিনক আঁতোয়া সাঁৎ জু পেরির জন্ম, মৃত্যু-১৯৪৪ সালে।
১৯০১ সালের ২০ আগষ্ট, ইতালির সাইবার শহরে নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক সালভাতোর কোয়াসিমোদো জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৫৯ সালে নোবেল পান।
১৯০১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, চেকোস্স্নাভাকিয়ার রাজধানী প্রাগের জিজকভে সেইফার্ত জারোসলাভ জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-১০-০১-১৯৮৬ তারিখ। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৮৪ সালে নোবেল পান।
১৯০১ সালের ৩ নভেম্বর, ফরাসী ঔপন্যাসিক শিল্পতাত্তিক, স্থপতি এবং রাজনীতিক আন্দ্রে মালরোর জন্ম, মৃত্যু-২৩-১১-১৯৭৬ তারিখ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন বিশিষ্ট লেখক আঁদ্রে মালরো। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত আমন্ত্রণে তিন দিনের সফরে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে সস্ত্রীক এসেছিলেন।
১৯০২ সালের ২০ জানুয়ারি, তুরস্কের ছোট্ট শহর আলেপেস্নায় এক নিঃসঙ্গ বিপস্নবী ও বিখ্যাত তুর্কি কবি নাজিম হিকমতের জন্ম, মৃত্যু-০৩-০৬-১৯৬৩ তারিখ।
১৯০২ সালের ৪ মার্চ, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একমাত্র জীবিত ব্রিটিশ সেনা ক্লদ কুলেসের জন্ম। ০৪-০৩-২০১১ তারিখ তাঁর ১১০তম জন্মদিন পালন করেছেন। ১৯১৬ সালে তিনি নৌবাহিনীতে যোগ দেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৪ বছর।
১৯০৩ সালের ২৪ মার্চ, রসায়ন শাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যানকারী (১৯৩৯ সালে) জার্মান বিজ্ঞানী এ্যাডলফ বুটেনান্টের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯০৩ সালের ৮ মে, ফরাসী চিত্রশিল্পী পল গঁগ্যার মৃত্যু।
১৯০৪ সালের ২৭ জানুয়ারি, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মানবাধিকার প্রবক্তা সিন ম্যাকব্রিজ জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯০৪ সালের ২৪ মার্চ, ইংরেজ কবি এডউইন আর্নেল্ডর মৃত্যু।
১৯০৪ সালের ৯ এপ্রিল, স্পেনের সম্রাজ্ঞী ইসাবেলার(দ্বিতীয়) মৃত্যু।
১৯০৪ সালের ৬ মে, সুইডেনে নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক হ্যারি মার্টিনসন জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-১১-০২-১৯৭৮ তারিখ। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭৪ সালে নোবেল পান।
১৯০৪ সালে ফরাসি চিত্রকর সালভাদর দালির জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৯ সালে।
১৯০৪ সালের ১৫ জুলাই, রুশ লেখক আন্তন চেখভের মৃত্যু।
১৯০৫ সালের ২৪ মে, সোভিয়েত রাশিয়ার কোসাক গ্রামে নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক মিখাইল শলোকভ জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-২০-০২-১৯৮৪ তারিখ। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৬৫ সালে নোবেল পান।
১৯০৫ সালের ২১ জুন, নোবেল জয়ী ফরাসী সাহিত্যিক জাঁ পল সাত্র্রের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯০৫ সালের ২৫ জুলাই, ইংল্যান্ড-বুলগেরিয়ার রাসচক শহরে ইলিয়াস কানোটের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৮১ সালে নোবেল পান।
১৯০৫ সালের ১৩ আগষ্ট, ফ্রান্সের প্যারিসে জন্মগ্রহণ করেন দার্শিনক ও সাহিত্য সমালোচক জঁ পল সাত্র্রে এবং প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন ১৫-০৪-১৯৮০ তারিখ। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৬৪ সালে নোবেল পান।
১৯০৫ সালে বিশ্ববিখ্যাত ডাচ ইলেকট্রনিক কোম্পানী ফিলিপসের বর্তমান স্বত্ত্বাধিকারী ও-এর প্রতিষ্ঠাতা এন্টন ফিলিপসের সনামধন্য পুত্র ফ্রিজস ফিলিপসের জন্ম, মৃত্যু-০৫-১২-২০০৫ তারিখ।
১৯০৬ সালের ১৩ এপ্রিল, আয়ারল্যান্ডের ডুবলিন শহরে নোবেল বিজয়ী আইরিশ সাহিত্যিক স্যামুয়েল বেকেট জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-১৯৯০ সালে। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সালে নোবেল পান।
১৯০৬ সালের ১৯ এপ্রিল, নোবেল জয়ী ফরাসী পদার্থিবদ পিয়েরে কুড়ি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হন।
১৯০৬ সালের ২৩ মে, নরওয়ের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু।
১৯০৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর, সোভিয়েত কমিউনিষ্ট নেতা ও প্রেসিডেন্ট লিওনিদ ব্রেজনেভের জন্ম, মৃত্যু-১০-১১-১৯৮২ তারিখ।
১৯০৭ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যে আইভি বিনের জন্ম। ১০৪ বছর বয়সী নারী আইভি বিন ফেসবুক এবং খুঁদে বস্নগ লেখার সাইট টুইটারের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যবহারকারী।
১৯০৭ সালের ২৪ জুন, আইরিশ পদার্থিবদ লর্ড উইলিয়াম টমসন কেলভিনের মৃত্যু।
১৯০৭ সালের জুন মাসে যুক্তরাজ্যের ট্যানবির পেমব্রোকশায়ারের বাসিন্দা ১০৩ বছরের বয়সী মানুষ ফেসবুক ব্যবহারকারী লিলিয়ান লোয়ের জন্ম, মৃত্যু-জুলাই ২০১০ সালে।
১৯০৭ সালের ২০ অক্টোবর, ইংরেজ লেখক ও সমালোচক ক্রিস্টোফার কডওয়েলের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯০৮ সালের ৯ জানুয়ারি, ফরাসী ঔপন্যাসিক ও নারীবাদী লেখিকা সিমন দ্য বোভোয়ারের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯০৮ সালের ১ এপ্রিল, বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা ফরাসি লুসিয়ে লরাঁর জন্ম, মৃত্যু-১১-০৪-২০০৫ তারিখ। ১৯৩০ সালের ১৩ জুলাই, প্রথম বিশ্বকাপ হয়েছিল। বিশ্বকাপের মোট গোল হয়েছে (২০৬৩)টি।
১৯০৮ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী ক্লদ লেভি-স্ট্রাউসের জন্ম, মৃত্যু-০৩-১১-২০০৯ তারিখ।
১৯০৮ সালের ২৭ আগস্ট, ক্রিকেট কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ডোনাল্ড ব্রাড ম্যানের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯০৯ সালে সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় গ্রিক কবিদের একজন ইয়ানিস রিতসোস-এর জন্ম, মৃত্যু-১৯৯০ সালে। গ্রিক গৃহযুদ্ধের সময় ১৯৪৮ সালে কমিউনিস্ট এই কবি গ্রেপ্তার হন এবং চার বছর বন্দী থাকেন। বন্দীদশায় তিনি কাব্যিক দিনলিপি লেখেন।
১৯০৯ সালে পোলিশ লেখক স্ট্যালিন জে লেকের জন্ম, মৃত্যু-১৯৬৬ সালে।
১৯০৯ সালে ইংল্যান্ডে স্টিফেন বেনেডিক্ট হ্যাচ-বার্নওয়েল-এর জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৯ সালে। বাংলাপ্রেমী এক সাহেব। তিনি ছিলেন ইংরেজ। পেশাগত জীবনের বড় অংশ কাটিয়েছেন বাংলায়। তাঁর শেষ কর্মস্থল ছিল ঢাকা। ১৯৬৬ সালে অবসর নিয়ে ফিরে যান নিজ দেশ ইংল্যান্ডে। এরও অনেক পরে পিতার কর্মস্থল ঢাকায় এলেন তাঁর ছেলে ফিলিপ। বের হলো স্টিফেন বেনেডিক্ট হ্যাচ-বার্নওয়েল নামের আইসিএস কর্মকর্তার আত্মজীবনী। তিনি ১৯৩৩ সালে ভারতীয় সিভিল সার্ভিেস(আইসিএস) যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৪৩-৪৪ সালে তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার ম্যাজিস্ট্রেট। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তনেওয়ার পর তিনি আত্তীকৃত হন সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তানে (সিএসপি)।