১৯৭০ সালের ২৮ আগষ্ট, বান্দরবানে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ম্রোদের নেতা রাংলাই ম্রোর জন্ম।
১৯৭০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, সিলেটে নায়ক সালমান শাহের (আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন) জন্ম, মৃত্যু-০৬-০৯-১৯৯৬ তারিখ।
১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ, জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নাট্যকার বিপাশা হায়াতের জন্ম।
১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ, সাহিত্যিক-সাংবাদিক শহীদ সাবের নিহত হন।
১৯৭১ সালের ৫ মে, নরসিংদীর ছেলে শরীফ সারওয়ারের জন্ম। ২০০৯ সালে কর্মজীবনের ইতি টেনেছেন। এখন ফ্রিল্যান্স আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করেন।
১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ গোলাম মাকসুদ হিলালীর ইন্তেকাল।
১৯৭২ সালের ১০ মে, ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার চন্ডীদাসদি গ্রামে মৃত্যুঞ্জয়ী সাংবাদিক গৌতম দাসের জন্ম, মৃত্যু-১৭-১১-২০০৫ তারিখ।
১৯৭২ সালে ঝিনাইদহের কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের দরিদ্র কৃষক মৃত কিয়াম উদ্দিন মোল্লার ছয় সন্তানের মধ্যে ছোট জহির রায়হানের জন্ম। আর্থিক অনটনে লেখাপড়া করতে পারেননি। একটু বড় হওয়ার পর তাঁকে পরের জমিতে কামলার কাজ করতে হয়েছে। এখন মানুষের বাড়িঘর রং করার কাজটাই তাঁর পেশা। এ থেকে মাসে ১০ হাজার টাকা আয় করেন। কৃষিজমি নেই। ৫ শতক জমির ওপর তাঁর বাড়ি। স্ত্রী শাহনাজ বাড়িতে সেলাইয়ের কাজ করে মাসে তিন হাজার টাকার মতো আয় করে। ১৯৯০ সালের দিকে রোপণ করা গাছগুলো অনেক বড় হয়েছে। নগরবাথান বাজার থেকে শুরু করে কুমড়াবাড়িয়া, রামনগর, ডেফলবাড়িয়াসহ পাশ্ববর্তী গ্রামগুলোর রাস্তা দিয়ে হাঁটলেই গাছগুলো চোখে পড়ে। বকুল, মেহগনী, নিম, অর্জুন, জলপাই, আমড়া, আম, জাম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়েছেন তিনি। পথচারী শরিফুল ইসলাম বলেন, কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের রাস্তাগুলো আজ সবুজের ছায়ায় ঘেরা। জহির বলেন, একসময় চিন্তা হয় গাছ লাগিয়ে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি অসহায় মানুষের কাজে কীভাবে তা লাগানো যায়। সেই চিন্তা থেকে রামনগর গ্রামের প্রতিবন্ধী সুমন মিয়া, একই গ্রামের ময়না খাতুন, ধোপাবিলা গ্রামের বাদশা মগুল, কনোজপুর গ্রামের এনামুল ইসলামসহ আট প্রতিবন্ধীর বাড়িতে ৪০-৫০টি করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়ে দেই। জহির এ পর্যন্ত ৬০০ দেয়ালে মনীষীদের বাণী লিখেছেন। ২০০২ সালে নির্মাণ করেন বিশ্রামাগার। সেখানে গাছ লাগিয়ে বসার চেয়ার তৈরি করে দেন। রামনগর ও ডেফলবাড়িয়া গ্রামে আরও দুটি বিশ্রামাগার তৈরি করে দিয়েছেন। স্বামী-স্ত্রীর অর্ধেক ব্যয় করেন সমাজের কাজে। বাকি টাকায় কষ্ট করে সংসার চালান জহির। গ্রামের আলোকিত মানুষ জহির রায়হান।
১৯৭৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, যশোর জেলায় (অপৌরুষেয় ১৯৭১ মানে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মেয়েরা ইজ্জত হারিয়েছিলেন এবং ছেলে মুক্তিযোদ্ধারা জৈবিক অর্থে পৌরুষের দিকটাও হারিয়েছেন। বিষয়টি জানতাম না জেনেছি ২০০০ সালে মোহাম্মদপুরের কলেজ গেটে অবস্থিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য 'মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট' পরিচালিত একটি রোগমুক্তি বিশ্রামাগারে প্রথম আমি যাই) লেখিকা অদিতি ফাল্গুনীর জন্ম।
১৯৭৫ সালের ৩০ জানুয়ারি, শিশু সাহিত্যিক মোহাম্মদ নাসির আলীর মৃত্যু।
১৯৭৫ সালের ১৪ মার্চ, সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার ভুরকি গ্রামে রুশনারা আলীর জন্ম। ব্রিটিশ পার্লােমন্টে বিশ্বনাথের ভূরকি গ্রামের রুশুনারা আলী ইতিহাসের প্রথম বাঙালি এমপি নির্বািচত হওয়ায় প্রাণঢালা অভিনন্দন। ১৯৮২ সালে রুশুনারা সপরিবার বিলেত যায়।
১৯৭৫ সালের ৫ আগস্ট, কবি ও সম্পাদক আবু জাফরের ইন্তেকাল।
১৯৭৬ সালের ১ জানুয়ারি, তরুণ কবি আপন মাহমুদের জন্ম, মৃত্যু-১২-০৯-২০১২ তারিখ বুধবার সত্যি সত্যিই দুনিয়ার বাইরে চলে গেছে আপন।
১৯৭৬ সালের ১১ অক্টোবর, যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার নিউ অরলিন্স শহরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সালমান খানের জন্ম। শিক্ষামূলক অনলাইন ভিডিওর উদ্ভাবক হিসেবে সালমান বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। ২০১২ সালের ৮ জুন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) ১৪৬তম সমাবর্তেন তিনি এই বক্তব্য দেন। দিনটা হাসি দিয়ে শুরু হোক-সালমান খান। সফলদের স্বপ্নগাথা। বিয়ের পর সালমানের বাবা যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। তার দাদা আবদুল ওয়াহাব ছিলেন ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার। যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিন নির্বািচত বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির মধ্যে স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সালমান খান। নতুন উচ্চতায় সালমান খান। প্রতিদিন অংক শেখান সালমান খান। দীর্ঘ ক্লাশ আর নয়-সালমান খান।
১৯৭৭ সালে বরগুনায় পদার্থিবজ্ঞানী দীপঙ্কর তালুকদারের জন্ম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থিবজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র দীপঙ্কর তালুকদার(৩৯)। আইনষ্টাইনের তত্ত্ব: গবেষক দলে দীপঙ্কর। যুক্তরাষ্ট্রের লিভিংস্টনে লাইগোর ডিটেক্টরের সামনে ড. দীপঙ্কর তালুকদার।মহাকর্ষ তরঙ্গ ধরা পড়েছে বিজ্ঞানীদের যন্ত্রে, ১০০ বছর আগে যার কথা বলেছিলেন আইনষ্টাইন। ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর। ৯টা ৫০ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে লাইগোর শনাক্তকারক যন্ত্রে একটা সংকেত আসে। সাফল্যের অংশীদার বাংলাদেশও।
১৯৭৭ সালের ২৭ নভেম্বর, 'চতুরঙ্গ' পত্রিকার সম্পাদক আতাউর রহমানের ইন্তেকাল।
১৯৭৮ সালের ৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তানিয়ার জন্ম।
১৯৭৮ সালের ৮ অক্টোবর, যাফর বিন বাশার ও সৈয়দা নাফিস যাফরের একমাত্র সন্তান ঢাকায় নাফিস বিন যাফরের জন্ম। নাফিস বিন যাফর কমপিউটার প্রোগ্রামার। বাংলাদেশের ছেলে নাফিস বিন যাফরের চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার অস্কারজয়ী-২০০৮ সালে। বর্তমানে আমেরিকায় বাস করেন।
১৯৭৯ সালে জার্মািনতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাভেদ করিমের জন্ম। ঝুঁকি নাও, সফল হও। ২০০৫ সালে সাদ হারলি ও স্টিভ চেনের সঙ্গে মিলে জাওয়াদ করিম জনপ্রিয় বিডিও বিনিময় ওয়েবসাইট ইউটিউব তৈরি করেন। এই বক্তৃতা তিনি ২০০৭ সালের ১৩ মে, ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দেন। ইউটিউবের সহপ্রতিষ্ঠাতা জাভেদ করিম।
১৯৭৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় গ্রাম রূপসদীর উত্তরপাড়াতে পিতা-আবদুল হাকিমের ঘরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আশীক মোহাম্মদ শিমুলের জন্ম।
১৯৮০ সালের ১ জানুয়ারি, বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার উজিরপুর গ্রামে সমাজসচেতণ, তরুণ, জনপ্রিয় লেখক ও আলোচক সরোজ কুমার সরকারের জন্ম।
১৯৮১ সালের ৯ আগষ্ট, লেখক সৈয়দ মুর্তজা আলীর ইন্তেকাল।
১৯৮১ সালের ১৮ নভেম্বর, শিল্পী আনোয়ারুল হকের ইন্তেকাল।
১৯৮১ সালের ২২ নভেম্বর, তরুণ ও জনপ্রিয় লেখক ইশতিয়াক আহমেদের জন্ম।
১৯৮২ সালের ১০ জানুয়ারি, সংগীতস্রষ্টা সুধীন দাশগুপ্তের মৃত্যু।
১৯৮২ সালের ২১ ডিসেম্বর, প্রাবন্ধিক, নন্দনতাত্ত্বিক আবু সয়ীদ আইয়ুবের ইন্তেকাল।
১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল, কবি ও সাংবাদিক হানান হাফিজুর রহমানের ইন্তেকাল।
১৯৮৩ সালে রাজশাহী নগরের রামচন্দ্রপুর মহল্লায় এক দরিদ্র পরিবারে নার্গিস আক্তার শরীফার জন্ম। বাবা শরীফুল ইসলাম ও মা মসিয়া বেগম। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে শরীফা সবার ছোট। নিজের কারখানায় কাজ করছেন শরীফা। অদম্য ইচ্ছাশক্তির কাছে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। একসময় বাবা-মা মারা যান। তবু মনোবল ফুরায় না তাঁর। লেখাপড়া শিখে নিজেই অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন। পেয়ে যান দেশের প্রথম প্রতিবন্ধী নারী উদ্যোক্তা পুরস্কার। সাগর শেচে মুক্তা এনেছেন নার্গিস আক্তার শরীফা।
১৯৮৪ সালের ২১ এপ্রিল, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মোহাম্মদ মোদাব্বেরের ইন্তেকাল।
১৯৮৪ সালের ৪ মে, খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন জাতীয় ক্রিকেট দলের কৃতী সদস্য বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার অল রাউন্ডার মানজারুল ইসলাম রানা, মৃত্যু-১৬-০৩-২০০৭ তারিখ।
১৯৮৪ সালের ৭ জুলাই, বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর গ্রামে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট খেলোয়ার মোহাম্মদ আশরাফুলের জন্ম।
১৯৮৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ছাত্রনেতা রাউফুন বসুনিয়া নিহত হন।
১৯৮৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, ময়মনসিংহ শহরের সেহড়া হিন্দুপল্লিতে ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহর জন্ম।
১৯৮৬ সালের ১২ মার্চ, বিশিষ্ট শিল্পপতি এম. এ. ইস্পাহানির ইন্তেকাল।
১৯৮৬ সালের ১২ ডিসেম্বর, চিত্রশিল্পী রশিদ চৌধুরী ইন্তেকাল করেন।
১৯৮৬ সালের ২২ ডিসেম্বর, কথাশিল্পী সরদার জয়েন উদ্দীনের ইন্তেকাল।
১৯৮৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, মেহেরপুর জেলার উজলপুরে ক্রিকেটার ইমরুল কায়েসের জন্ম।
১৯৮৭ সালের ২৪ মার্চ, বাংলাদেশে ক্রিকেটের ''যুবরাজ'' সাকিব আল হাসানের জন্ম।
১৯৮৭ সালে বোয়ালিয়া, সাগরপাড়া, রাজশাহীতে ক্রিকেটার জুনায়েদ সিদ্দিকের জন্ম।
১৯৮৭ সালের ৫ অক্টোবর, হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানার নূরপুর গ্রামে ক্রিকেটার নাজমুল হোসেনের জন্ম।
১৯৮৮ সালের ১৯ নভেম্বর, জাতীয় শহীদ মিনারের রূপকার চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমানের ইন্তেকাল।
১৯৮৮ সালে রংপুর জেলার জুম্মাপাড়া ক্রিকেটার সোহরাওয়ার্দী শুভর জন্ম।
১৯৮৯ সালের ৬ জুন, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার ফারাকপুরের তরুণ রাসেল আহমেদের জন্ম। বাবা মোঃ মকবুল হোসেন দরজির দোকান চালান, মা মোছা. রেহানা পারভীন গৃহিণী। নিত্য অভাবের সঙ্গে লড়াই করেই পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে প্রাণিবিদ্যায় স্নাতোকোত্তর ডিগ্রী নেন। ২০১০ সালের দিকে বিটিভির একটা অনুষ্ঠানে জানতে পারেন, ঘরে বসে ইন্টারনেটে কাজ করা যায়। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কাজ করে আয়ও ভাল হয়। বললেন রাসেল আহমেদ। জানা তো হলো, কিন্তু কাজটা তিনি শিখবেন কোথায়? ভেড়ামারার একটা কম্পিউটারের দোকান ছিল, সেখানে শিখতে গেলেন। 'কোর্স করার টাকা তো নেই। তখন ওই ১০০ টাকা বেতনে দোকানটায় চাকরি নিলাম। সেখানেই ওয়েবসাইট তৈরি করা শিখলেন তিনি। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং আয়ত্ত করলেন। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে নিবন্ধিত হলেন রাসেল। প্রথম প্রথম সিষ্টেম ঠিকমতো বুঝতাম না। তাই প্রথম কাজ পাই চার মাস পর। এরপর এগিয়ে চলা। এখন মাসে আয় দাড়ায় ৫ লাখ টাকা।
১৯৮৯ সালের ৬ অক্টোবর, বগুড়া জেলার জয়পুরপাড়াতে ক্রিকেটার শফিউল ইসলামের জন্ম।
১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি, বাগেরহাট জেলার নাগেরবাজারে ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের জন্ম।
১৯৯০ সালে সাবিরুল ইসলাম (আমার জন্ম লন্ডনে)-এর জন্ম। বিশ বছর আগে আমি বাংলাদেশে যখন প্রথম এসেছিলাম, তখন আমার বয়স ছিল তিন বছর বয়স। আমি সিলেটে আমার গ্রামের বাড়ি বিশ্বনাথ গিয়েছিলাম। সে সময় একটা স্মৃতিই আমার মনে আছে, আমাদের একটা গরু ছিল, সেটাকে আমি নিজ হাতে খাওয়াতাম। বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক সাবিরুল ইসলামের খ্যাতি এখন বিশ্বজোড়া। চাচাতো ভাইয়ের দোকানের চাকরি হারিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে স্কুলের ছয় বন্ধুকে নিয়ে শুরু করেছিলেন ওয়েব ডিজাইনের ব্যবসা। অনেক চেষ্টায় একদিন জুটে গিয়েছিল লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল লিনচ কোম্পানির ওযেব ডিজাইনের কাজ। বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত সাবিরুল ইসলাম সারা বিশ্বের লাখো তরুণকে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে চলেছেন। সাফল্যের অ আ ক খ সফল হওয়ার মূলমন্ত্র কী? উদ্যোক্তা হতে হলে কী করতে হবে? উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী বাংলাদেশি তরুণদের সফলতার অ আ ক খ সাবিরুল ইসলাম। অনলাইনে তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফিরোজ জামান চৌধুরী।
১৯৯১ সালের ২১ জানুয়ারি, কৃষক নেতা ও লেখক আবদুল্লাহ রসুল ইন্তেকাল করেন।
১৯৯২ সালের ৩১ জুলাই, কমিউনিস্ট নেতা রতন সেন সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত।
১৯৯২ সালের ২২ ডিসেম্বর, চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের নেতা বিল্পলী গণেশ ঘোষের মৃত্যু।
১৯৯৪ সালের ৯ জানুয়ারি, কমিউনিষ্ট নেতা দেবেন শিকদারের মৃত্যু।
১৯৯৪ সালের ২৮ মে, সাহিত্যিক ও রাজনীতিক আসহাব উদ্দীনের মৃত্যু।
১৯৯৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার দিন বারডেম হাসপাতালে আবির হোসেন জিয়ানের জন্ম।
১৯৯৫ সালের ৫ অক্টোবর, নারায়ণগঞ্জের মেধাবী কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীর জন্ম, দুর্বৃত্তরা নৃশংসভাবে তাকে হত্যা করে ০৬-০৩-২০১৩ তারিখ রাত ১১টায়ই।
১৯৯৫ সালের ১০ ডিসেম্বর, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রথম কন্ঠদাতা আবুল কাসেম সন্ধীপের মৃত্যু।
১৯৯৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, আজিমপুর নাসিং হোমে মোহাম্মদ আলী বর্ণের জন্ম।
২০০৩ সালের ১০ মার্চ, সঙ্গীতশিল্পী সীলুফার ইয়াসমিনের মৃত্যু।
২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর, আজিমপুর নাসিং হোমে মিমের জন্ম।
২০১৩ সালের ১২ জুলাই, আজিমপুর নাসিং হোমে আলিফার জন্ম।
।আমার সাথে যাঁরা প্রাইমারী থেকে উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন তাঁদের নামগুলো:।
১৯৪০ সালের ১ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার গগুলনগর গ্রামে মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের জন্ম, মারা গেছেন।
১৯৪১ সালের ১ এপ্রিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার বাহাদুরপুর গ্রামে মোঃ অহিদুজ্জামানের (অহিদ) জন্ম, মৃত্যু-সেপ্টেম্বর ২০১২ সালে।
১৯৪১ সালের ১০ এপ্রিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার ফরদাবাদ গ্রামের উত্তরপাড়াতে মোঃ রেজাউল করিমের জন্ম।
১৯৪২ সালের ১৫ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার বিষাড়া গ্রামে মোঃ গোলাম সারোয়ার (বাকির) জন্ম।
১৯৪২ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, বাঞ্ছারামপুর থানার, রূপসদী গ্রামের সাববাড়িতে মোঃ আনোয়ার হোসেনের জন্ম।
১৯৪৩ সালের ১ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, বাঞ্ছারামপুর থানার, রূপসদী গ্রামের দক্ষিণপাড়াতে শিক্ষক আবদুল খালেকের জন্ম, মৃত্যু-২০০১ সালে।
১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার পাড়াতুলি গ্রামের দক্ষিণপাড়াতে আলহাজ আবদুল মালেকের জন্ম।
১৯৪৪ সালের ৯ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার ফতেপুর গ্রামে মোঃ নুরুল ইসলাম(নুরুর) জন্ম।
১৯৪৪ সালের ২৫ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার আশ্রাফবাদ গ্রামের শিকদারবাড়িতে মোঃ রেজাই রাব্বানি (হিটলারের) জন্ম।
১৯৪৪ সালের ১৫ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, বাঞ্ছারামপুর থানার, রূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়াতে মোঃ আবদুল মতিনের (অরুণ) জন্ম, মৃত্যু-১২-০৯-২০০৬ সালে।
১৯৪৪ সালের ১৫ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার দরিকান্দি গ্রামে মোঃ তোতা মিয়ার জন্ম।
১৯৪৪ সালের ১০ ডিসেম্বর, কুমিল্লা জেলার, মুরাদনগর থানার, কালাইপাইলা (মোহাম্মদপুর) গ্রামে মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদের জন্ম।
১৯৪৫ সালের ১ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার রূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়াতে মোঃ আলী আহাম্মদের (ফোরণ) জন্ম, ক্যানসারে মৃত্যু-০৯-০৮-২০১৪ তাং।
১৯৪৫ সালের ১ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার বাহাদুরপুর গ্রামে মোঃ জহিরুল হকের (মোহন) জন্ম, মৃত্যু-২২-০১-২০১৫ তারিখ।
১৯৪৫ সালের ২০ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মিরপুর গ্রামে শ্রী চন্দ্র মোহন দাসের জন্ম।
১৯৪৫ সালের ২৯ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, বাঞ্ছারামপুর থানার, মধ্যনগর গ্রামে আবদুস সাত্তারের জন্ম, মৃত্যু-১৩-০৫-২০১৫ তারিখ।
১৯৪৫ সালের ৩১ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, বাঞ্ছারামপুর থানার, রূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়াতে মোহাম্মদ হোসেনের জন্ম, মৃত্যু-১২-০৫-২০০৮ তারিখ।
১৯৪৫ সালের ৩১ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার পাড়াতুলি গ্রামের মধ্যপাড়াতে মোঃ ইসমাইল (মধু)'র জন্ম।