১৯২৫ সালের ১৮ অক্টোবর, প্রখ্যাত রাজনীতিক ও কমিউস্টি, রাজশাহীর নাচোলের 'রানি মা' ও তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের জন্ম, মৃত্যু-১৩-১০-২০০২ তারিখ কলকাতায়। ইলা মিত্রের জন্ম ও মৃত্যু ওপার বাংলায়। তবে জীবনের গুররুত্বপূর্ণ সময়টা কেটেছে বর্তমান বাংলাদেশে। অধ্যাপনা করেছেন ১৯৬২ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত। চারবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য হয়েছেন। ১৯টি জেলায় তেভাগা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। ইলা মিত্র নিপীড়িত মানুষের প্রেরণা এবং ক্রীড়াবিদ হিসেবেও তুখোড়। ঢাকায় পুত্র রণেন মিত্র। রণেন মিত্রের জন্ম-১৯৪৮ সালে।
১৯২৫ সালের ৩০ অক্টোবর, নীলফামারী জেলায় ডোমার উপজেলার খাটুরিয়া গ্রামে শরীফুল আলম ইমাম আহমেদ (শরীফ ইমাম)-এর জন্ম, মৃত্যু-১৩-১২-১৯৭১ তারিখ। (শহীদ জননী জাহানারা ইমামের স্বামী)।
১৯২৫ সালের ৪ নভেম্বর, এ ঢাকা শহরেই দুটি ছেলেমেয়ের জন্ম হয়েছিল। তাঁদেরই একজন পরবর্তী জীবনে বাংলার শিল্পনিষ্ঠ ও স্বনামধন্য চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক কুমার ঘটক, অন্যজন সাত মিনিটের ছোট বোন। অত্যন্ত কৃতী পরিবারের সবচেয়ে অকৃতী অধম সেই যমজ বোনই আমি-প্রতীতি। স্বনামধন্য চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক কুমার ঘটকের কলকাতায় মৃত্যু-০৬-০২-১৯৭৬ তারিখ। ঋত্বিক কিন্তু ঢাকাতেই থাকতে চেয়েছিল। কিন্তু ১৯৪৮ সালে বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে মা-বাবাকে নিয়ে দাদারা কলকাতায় চলে যান। ঋত্বিক এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু সবার সঙ্গে পেরে ওঠেনি। ফলে তাকেও যেতে হলো। ঋত্বিক কুমার ঘটকরা নয় ভাই-বোনের মধ্যে সবার কনিষ্ঠ ঋত্বিক কুমার ঘটক ও প্রতীতি দেবী। প্রতীতি দেবীর স্মৃতিচারণায় ভাই ঋত্বিক ঘটক। প্রতীতি দেবী ঢাকায়ই থাকেন। ঋত্বিক কুমার ঘটকের বাবারবাড়ি ছিল রাজশাহীতে।
১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর, মানিকগঞ্জে আধুনিক বাংলা নাটকের প্রধান পুরুষ ও ভাষাসৈনিক অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ ঘাতকদের হাতে।
১৯২৫ সালে ইয়াঙ্গুন শহরে (বরেন্য যাত্রানট অমলেন্দু বিশ্বাস) অমলেন্দু বিশ্বাসের জন্ম (পৈত্রিক বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ডু থানার মসজিদিয়া গ্রামে), মৃত্যু-১৩-১০-১৯৮৭তা।
১৯২৫ সালে বগুরা জেলায় কবি ও সমালোচক আতাউর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-১৯৯৯ সাল।
১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর, ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া উপজেলার মাতুভূঁইয়া ইউনিয়নের ছোট্ট গ্রাম লক্ষণপুরে ভাষা শহীদ আবদুস সালামের জন্ম, মৃত্যু-০৭-০৪-১৯৫২ তারিখ। সরকারের শিল্প বিভাগে তিনি পিয়নের চাকরি করতেন।
১৯২৫ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী, মুক্তিযুদ্ধের সিলেট জেলার অন্যতম সংগঠক ও সিলেট জেলা মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী উষা দাশ পুরকায়স্থের জন্ম, ঢাকায় পরলোগমন করেন-০১-০৬-২০০৫ তারিখ।
১৯২৫ সালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কাউয়াখোলা ইউনিয়নে প্রবীণ সাংবাদিক ও ভাষাসৈনিক কে. জি. মুস্তফার জন্ম, মৃত্যু-১৩-০৩-২০১০ তারিখ।
১৯২৫ সালে চাঁদপুরের পুরোনবাজার-সংলগ্ন নানাবাড়ি শ্রীরামদির জমিদারবাড়িতে মিসবাহউদ্দিন খানের জন্ম, মৃত্যু-১৯-১২-২০০৬ তারিখ। মিসবাহউদ্দিন খানের গ্রামের বাড়ি কচুয়া থানার গুলবাহারে। তিনি ১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে সম্মান ও ১৯৫০ সালে এম. এ. পাশ করেন। ১৯৫৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে যোগদান করেন এবং সেখান থেকে ১৯৮৬ সালে ডক শ্রমিক ব্যবস্থাপনা বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে অবসর নেন। তিনি ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদে কচুয়া থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সাংসদ নির্বািচত হন। তাঁর ছোট দুইভাই সাবেক সচিব ও সাংসদ ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর ও অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর। মিসবাহউদ্দিন খানের তিন ছেলে-বড় ছেলে ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন।
১৯২৬ সালের ১ জানুয়ারি, ঢাকা জেলার দামরাই উপজেলার বালিয়া গ্রামে সাবেক রাষ্ট্রদূত, সচিব ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি শামসুর রহমান খানের জন্ম, মৃত্যু-২৫-১০-২০১০ তারিখ।
১৯২৬ সালের ৫ জানুয়ারি, নাটোরের বিখ্যাত জমিদার ও লেখক মহারাজ জগদিন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু।
১৯২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ব্যারিস্টার শওকত আলী খান, মৃত্যু-২৯-০৬-২০০৬ তারিখ রাতে মির্জাপুরস্থ কুমুদিনী হাসপাতালে।
১৯২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা জেলার বিক্রমপুর পরগনার গুলপুর গ্রামের মাতদ্বরবাড়িতে আর্চিবশপ মাইকেল রোজারিও জন্মগ্রহণ, মৃত্যু-১৮-০৩-২০০৭ তারিখ এ্যাপোলো হাসপাতালে।
১৯২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, ফরিদপুর জেলায় বিশিষ্ট শিল্পপতি ও স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ চৌধুরীর জন্ম, ১০টা ২০ মিনেটে সিঙ্গাপুরের র্যাফলস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু-০৫-০১-২০১২ তারিখ। ০৬-০১-২০১২ তারিখ রাত ১০টায় ক্যাথলিক চার্চ (ক্যাথেড্রাল) বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে একটি প্রার্থনা সভা আয়োজন। ০৭-০১-২০১২ তারিখ সকাল ১০টায় মরদেহ পাবনার আতাইকুলা গ্রামের পৈতিৃক বাড়ি অভিমুখে হাজারো মানুষের ঢল নামে। পাবনা সদর উপজেলার বৈকুন্ঠপুর গ্রামে পারিবারিক সমাধিস্থলে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
১৯২৬ সালের ২১ মার্চ, দিনাজপুর জেলার মির্জাপুর গ্রামের মির্জা পরিবারে মির্জা আজিজা ইদরিসের জন্ম, বারডেম হাসপাতালে মৃত্যু-১৬-১০-২০১০ তারিখ। ১৪ বছর বয়সে বিয়ে হয় সাংবাদিক কাজী মোহাম্মদ ইদরিসের সঙ্গে। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় একটি মিছিলে নেতৃত্য দেন মির্জা আজিজা ইদরিস ও পাশে বেগম সুফিয়া কামাল।
১৯২৬ সালের ২৬ মার্চ, ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার আগারগাঁও গ্রামে বায়ান্নর ভাষা সংগ্রামী খালেক নওয়াজ খানের জন্ম, মৃত্যু-০২-১০-১৯৭১ তারিখ। ২০০৮ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
১৯২৬ সালের ৮ মে, পূর্ববঙ্গে বা বাংলাদেশের বরিশালে প্রখ্যাত ইতিহাসের পন্ডিত ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক তপন রায় চৌধুরীর জন্ম, গত বুধবার অক্সফোর্ডের নিজবাড়িতে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় মৃত্যু-২৬-১১-২০১৪ তারিখ। তবে তাঁর মুখ্য কাজের ক্ষেত্র অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। মোগল আমলের ও ব্রিটিশ উপনিবেশের বাংলা তাঁর গবেষণার বিষয়। ১৯৪৬ সালের ১৬ আগষ্ট কলকাতায় যে কুৎসিত দাঙ্গার ঘটনাটা ঘটল, 'আমি এখনো দাঙ্গার ব্যাখ্যা খুঁজে বেড়াচ্ছি'। ৬৫ বছর বয়স পেরিয়ে বাংলায় বই লিখলেন তিরিশ ও চল্লিশ দশকে তাঁর জন্মভূমি বরিশাল নিয়ে।
১৯২৬ সালের ১৭ জুলাই, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শ্রমিক নেতা, লেখক সাবেক মন্ত্রী সিরাজুল হোসেন খানের জন্ম, মৃত্যু-১৭-০২-২০০৭ তারিখ।
১৯২৬ সালে ঢাকা আরমানিটোলা এলাকায় পশ্চিমবাংলার অর্থনীতিবিদ অশোক মিত্রের জন্ম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম. এ. করেন এবং ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন ও ভাগ হওয়ার পরে ভারতের পশ্চিম বাংলায় চলে যান ১৯৪৮ সালে। তিনি পশ্চিমবাংলার বামফ্রন্টের মন্ত্রী ছিলেন। নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে অশোক মিত্র বলেন, 'আমি সরকারি অর্থনীতিবিদ হিসেবেই জীবন কাটাতে পারতাম। কিন্তু নিজের দেশের (পশ্চিমবাংলা) জন্য কিছু করার তাগিদ থেকে রাজনীতি করতে গিয়েছিলাম। তবে এখানে হয় স্রোতে গা ভাসাতে হবে, না-হয় প্রতিবাদী হতে হবে। প্রতিবাদের কন্ঠ ক্ষীণ হলে ছেড়ে দিতে হবে। তিনি আবারও বলেন যে, অর্থনীতিই অর্থনীতির শেষ কথা নয়, মূল নিয়ামক রাজনীতি। অশোক মিত্র ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়েছিলেন। এ সময় বাম রাজনীতি করার কারণে তৎকালীন সরকার তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করলে তিনি পালিয়ে ভারতে চলে যান। কিন্তু স্নাতক সম্মান শ্রেণীর সনদটি তাঁর নেওয়া হয়নি। ০১-১২-২০১২ তারিখ অশোক মিত্রের হাতে তাঁর সম্মান শ্রেণীর সনদ তুলে দেওয়া হয়।
১৯২৬ সালের ২২ জুলাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর জন্ম, শহীদ-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ।
১৯২৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার আশ্রাফবাদ গ্রামে আবদুল বাতেন শিকদার ওরফে লিল মিঞা শিকদারের জন্ম, মৃত্যু-২৯-০১-১৯৯৪ তারিখ।
১৯২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর, বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও এডভোকেট আব্দুর রহমান বিশ্বাসের জন্ম।
১৯২৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, ঢাকার কেরানীগঞ্জে কলাতিয়া গ্রামে প্রবীণ সাংবাদিক হাসান উজ্জামান খানের জন্ম, মৃত্যু-১৮-০৫-২০১৫ তারিখ। ১৯৪৫ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন।
১৯২৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ওয়াসেকপুর গ্রামে দুস্থ মানবতার কবি ও সাংবাদিক আবদুর রশীদ ওয়াসেকপুরীর জন্ম, মৃত্যু-১২-১০-২০০৬ তারিখ।
১৯২৬ সালের ১৯ অক্টোবর, চাঁদপুর শহরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরীর জন্ম, বারডেমে মৃত্যু-০২-০২-২০০৬ তারিখ।
১৯২৬ সালের ৩০ অক্টোবর, মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের পারিল গ্রামে ভাষাসৈনিক ও শহীদ রফিক উদ্দিন আহমদের জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-২১-০২-১৯৫২ তারিখ।
১৯২৬ সালের ৬ নভেম্বর, দেশের প্রথিতযশা আলোকচিত্রী আমানুল হকের জন্ম।
১৯২৬ সালের ৮ নভেম্বর, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে ভাষাসৈনিক, কীর্তিমান কবি ও সাংবাদিক মাহবুব-উল-আলম চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-২৩-১২-২০০৭ তারিখ। পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম মাসিক সাহিত্যপত্রিকা সীমান্ত সম্পাদনা করেছেন।
১৯২৬ সালের ২১ নভেম্বর, চাঁদপুরে ভাষাসৈনিক শিল্পী ইমদাদ হোসেনের জন্ম, মৃত্যু-১৩-১১-২০১১ তারিখ।
১৯২৬ সালের ১ ডিসেম্বর, মাগুরা জেলার মৎস্যবিজ্ঞানী প্রশাসক এবং দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের অণ্যতম প্রবক্তা এম. ইউসুফ আলীর জন্ম, মৃত্যু-৩১-০৭-১৯৯৯ তারিখ।
১৯২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ধুবালীয়া গ্রামে ভাষাসৈনিক ও কমরেড আবদুল মতিনের জন্ম, মারা গেছেন ০৮-১০-২০১৪ তারিখ। ১৯৪৩ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন।
১৯২৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার অন্তর্গত মাঝগ্রামে বিপস্নবী ভাষাসৈনিক মোহাম্মদ সুলতানের জন্ম, মৃত্যু-৩১-১২-১৯৮৩ তারিখ মেডিকেল হাসপাতালে। তিনি কি ব্যর্থ মানুষ। না-না-না-ব্যর্থতা বা সফলতা নিয়েই জীবন।
১৯২৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর, বগুড়ার শেরপুর শহরে বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক রোমেনা আফাজের জন্ম, মৃত্যু-১২-০৬-২০০৩ তারিখ।
১৯২৬ সালে চলচ্চিত্রকার সালাউদ্দিনের জন্ম এবং মৃত্যু-২০০৩ সালে।
১৯২৬ সালে বাংলাদেশ অবজারভারের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা অজিত কুমার দত্তের জন্ম, পরলোগমণ করেন পুরানা পল্টনে তার নিজ বাসভবনে ১৮-০৪-২০০৭ তারিখ।
১৯২৬ সালে টাঙ্গাইল শহরের মেইন রোডে ভাষাসৈনিক চিরকুমারী সোফিয়া খানের জন্ম, ঢাকার শান্তিনগরের চামেলীবাগে বোনের বাসায় মৃত্যু-১৪-০২-২০০৮ তারিখ।
১৯২৬ সালে বগুড়া জেলায় আলোর দিশারী বাংলাদেশের মহিলা ক্রীড়াঙ্গনের অগ্রদূত ছিলেন রাবেয়া খাতুন তালুকদারের জন্ম, মৃত্যু-২০০৯ সালে। শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ইতিহাসে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা হিসেবে স্থান করে নিয়েছিলেন রাবেয়া খাতুন তালুকদার।
১৯২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর, নীলফামারী জেলায় সাংবাদিক ও ভাষাসৈনিক আশরাফ আলীর জন্ম, মৃত্যু-১৬-০৬-২০১২ তারিখ। গত শনিবার উত্তরার জয়নাল মার্কেট লেভেল ক্রসিংয়ে চলন্ত ট্রেনের সামনে থেকে একটি শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি নিহত হন।
১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে রাজনীতিবিদ মিসেস আমেনা বেগমের জন্ম, মৃত্যু-০৭-০৪-১৯৮৯ তারিখ। তিনি ১৯৪০ সালে ম্যাট্রিক, ১৯৪২ সালে আই. এ. পাশ করেন। ১৯৪৯ সালে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি, নোয়াখালী জেলার সেনবাগে বইয়ের মানুষ চিত্তরঞ্জন সাহার জন্ম, মৃত্যু-২৬-১২-২০০৭ তারিখ। চিত্তরঞ্জন সাহাই পুথিঘর লাইব্রেরীর মালিক এবং প্রথম বাংলা একাডেমীতে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বইয়ের দেকান দেন।
১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি, টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার চারাণ গ্রামে ভাষাসৈনিক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলামের জন্ম।
১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি, মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ খলিলুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-২০-০৪-২০০৯ তারিখ।
১৯২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসী গ্রামে কাজী পরিবারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষক, প্রবীণ শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ট ভাষাতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কাজী দীন মুহম্মদ জন্মগ্রহণ করেন, রাজধানীর হাসপাতালে মৃত্যু-২৮-১০-২০১১ তারিখ।
১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে একাধারে সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাংলাদেশের অন্যতম শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের জন্ম, মৃত্যু-৩০-০১-১৯৭২ তারিখ।
১৯২৭ সালের ১ মার্চ, টাঙ্গাইল জেলার নাগবাড়ি গ্রামে বাংলা একাডেমির সাবেক প্রথম ডি.জি. ড. আশরাফ সিদ্দিকীর জন্ম।
১৯২৭ সালের ১ মার্চ, কুমিল্লা জেলায় মুক্তিযদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও পুলিশের সাবেক আই. জি. আবদুল খালেক জন্মগ্রহন করেন, মৃত্যু-১০-০৬-২০১৩ তারিখ দুপুর ১২-৫০ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
১৯২৭ সালের ৭ মার্চ, বরিশালের রায়পাশা গ্রামে অবারিত প্রকৃতির কোলে সাবেক পাকিস্তান রেডিওর সংগীত পরিচালক ও ভাষাসৈনিক শিল্পী আবদুল লতিফের জন্ম, মৃত্যু-২৬-০২-২০০৫ তারিখ।
১৯২৭ সালের ৮ মার্চ, বরেণ্য কথা সাহিত্যিক নাজমুল আলম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানা অন্তর্গত বানিয়াকান্দি গ্রামে জন্ম।
১৯২৭ সালের ১ এপ্রিল, তাঁর নানাবাড়ি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার হাকিমপুরে তোহা খানের জন্ম, মৃত্যু-১৪-০৪-১৯৯৬ তারিখ। লেখক, সাংবাদিক তোহা খান সুন্দরবনকে ভালোবাসতেন।
১৯২৭ সালের ২৩ এপ্রিল, মধ্যপ্রদেশের মাইহারে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার শিবপুর গ্রামে অন্নপূর্ণার বাবারবাড়ি) ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ'র ও মাতা মদিনা বেগমের মেয়ে ও পন্ডিত রবিশঙ্করের সহধর্মিনী রওশন আরা বেগম (অন্নপূর্ণা)-এর জন্ম। তাঁর বাবা তখন মহারাজ ব্রিজনাথ সিংয়ের রাজদরবারে বাদক ছিলেন। মহারাজ নবাগত শিশুর নাম দেন অন্নপূর্ণা। তাঁর মুসলিম নাম রোশনারা খাঁ। অন্নপূর্ণা বলেন, ১৯৩৮ সালের ঘটনা। বাবার কাছে সংগীতের তালিম নিতে মাইহার গ্রামে উপস্থিত হয়েছিলেন রবো (রবিশঙ্করকে তখন এই নামে ডাকা হতো)। দুজনে ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর কাছ থেকে একসঙ্গে সরোদসহ উচ্চাঙ্গসংগীতে তালিম নিয়েছেন। একত্রে ঘন্টার পর ঘন্টা বাজিয়েছেন। অন্নপূর্ণার ভাই ওস্তাদ আলী আকবর খাঁর সঙ্গেও রবিশঙ্কর বাজিয়েছেন কত কত সময়। রবিশঙ্কর ও অন্নপূর্ণর বিয়ে হয় ১৯৪১ সালে, হিন্দুরীতিতে। তাঁদের একমাত্র ছেলে শুভেন্দ্র শঙ্করের জন্ম হয় ১৯৪২ সালে। রবিশঙ্কর-অন্নপূর্ণা ১৯৫০-এর দশকে নয়াদিল্লী ও কলকাতায় যুগলবন্দী বাজান। শুভেন্দ্র ১৯৯২ সালে মারা যান। ১৯৬১ সালে দুজনের ছাড়াছাড়ি হয়। দুজনের শেষ দেখা: অন্নপূর্ণার বর্তমান আকাশগঙ্গা অ্যাপার্টেমন্টে রবিশঙ্কর একবারই গিয়েছিলন, ১৯৮০ সালে। অন্নপূর্ণা থাকেন মুম্বাইয়ের মালাবার হিলে সমুদ্রমুখী একটি বহুতল ভবনের ছয়তলায়। রবিশঙ্কর আমার বাবাকে ভালোবাসতেন। ভালোবাসতেন সংগীতকে। তিনি ও দাদা (ওস্তাদ আলী আকবর খাঁ) ভারতের শাস্ত্রীয় সংগীতকে বিশ্বদরবারে ছড়িয়ে দিতে অসীম অবদান রেখেছেন। ১৯৭৭ সালে ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বেসামরিক খেতাব ''পদ্মভূষণ' লাভ করেন।