১৮৯৯ সালের ২৮ জুন, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার হুমায়ূনপুর গ্রামে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর, একজন আইনজীবী, সমাজকর্মী ও রাজনীতিক আবদুল মোনেম খানের জন্ম, মৃত্যু-১৩-১০-১৯৭১ তারিখ। গভর্নর ছিলেন ২৮-১০-১৯৬২ তারিখ থেকে ২৩-০৩-১৯৬৯ তারিখ পর্যন্ত।

১৮৯৯ সালে যশোর জেলার ঝিনাইদহের অধিবাসী বিপস্নবী সন্ত্রাসবাদের রোমান্সকর ব্যক্তিত্ব বাঘা যতীন দাসের জন্ম, ১৯২৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, ৬৩ দিন অনশনের পর লাহোর কারাগারে মারা যান।

১৮৯৯ সালের ১ জুঁলাই, বগুড়া শহরে প্রাচীন সংস্কৃতি কেন্দ্র মহাস্থানগড় লাগোয়া চিঙ্গাপুর গ্রামের এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে সা'দত আলি আখন্দের জন্ম, মৃত্যু-১২-০৫-১৯৭১ তারিখ। তিনি ছিলেন উচ্চ পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা।

১৮৯৯ সালের ২৯ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ভাতুরিয়া গ্রামে কবি সুফি জুলফিকার হায়দারের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তিনি ১৯৪৬ সালে কাশ্মীর গমন করেন।

১৮৯৯ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার মজিদপুর, দয়াহাটা গ্রামে রাজনীতিবিদ ও আইনজীবি কফিলউদ্দিন চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১২-০৫-১৯৭২ তারিখ।

১৮৯৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার গোপীনাথপুর গ্রামে মুসলিম নেতা হাবিবুর রহমান চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৭২ সালে। ১৯৬৩ সালে কলকাতা থেকে ফিরে আসে কসবা।

১৮৯৯ সালে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার বালুয়াকান্দি গ্রামে মোকসেদ আলী পন্ডিতের জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৮ সালে। উনি রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

১৯০০ সালের ২ জানুয়ারি, মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার শুরদিয়া গ্রামে অগ্নিযুগের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের কমিউনিস্ট ও কৃষক নেতা শাহেদ আলীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।

১৯০০ সালের ১২ এপ্রিল, জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের পদ্মপুর গ্রামে আবদুল লতিফের জন্ম। ১৯২৮ সালে ১৩/- টাকা দিয়ে র্যালি কোম্পানির বাইসাইকেলটি কেনেন তিনি। কিন্তু আমার মনে হয় ১৩/-টাকা দিয়ে ১৯৩৮ সালে বাইসাইকেলটি কেনন তিনি। তাঁর দুই ছেলে ৫ মেয়ে রয়েছে। তাঁর বড় ছেলের বয়স ৬৭ বছর বয়স এবং ছোট ছেলের বয়স ৬২ বছর বয়স। প্রথম আলোতে তাঁর ছবি দেখে আমার কাছে মনে হয় তাঁর আসল জন্ম তারিখ হবে ১৯১০ সালের দিকে।

১৯০০ সালের ৮ মে, পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার মাড় গ্রামের মাতুলালয়ে স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ কুদরাত-এ-খুদার জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-০৩-১১-১৯৭৭ তারিখ।

১৯০০ সালে উত্তর ভারতের জৌনপুর শহরে মোল্লাটোলা মহল্লায় আলিম ও লেখক আবদুল বাতিন জৌনপুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৭৩ সালে ঢাকার গাবতলি মাযার রোডে তাঁর কবর ও মাযার রয়েছে। তাঁর রক্তের সম্পর্ক ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর বড়বাড়ির সাথে।

১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বর, সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার অন্তর্গত হাটিকুমরুল ইউনিয়নের তারুটিয়া রুশীদাব গ্রামের সন্ত্রান্ত মুসলীম পরিবারে কিংবদন্তী পুরুষ ও রাজনীতিবিদ মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের জন্ম, মৃত্যু-২০-০৮-১৯৮৬ তারিখ। ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারির, এ দিনে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা হাটে এক রক্তাক্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর স্বাধীনতা সংগ্রামে এ উপমহাদেশে এত লোক আর মারা য়ায়নি। সরকারী হিসেব মতেই সেই বিদ্রোহে সারে চার হাজার মানুষ হতাহত হয়। এ সংগ্রামে ২(দুই) হাজার লোক পুলিশের গুলিতে মারা যায়। মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগিশের নেতৃত্বে ঘটে 'সলঙ্গা বিদ্রোহ'। তাকে বলা হয় ঐতিহাসিক সলঙ্গা দিবস।

১৯০০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শিবপুর গ্রামে বেহালাবাদক, কন্ঠশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত শিক্ষক ওস্তাদ মতিউর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-০১-০২-১৯৬৭ তারিখ।

১৯০০ সালে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার মালাই বাঙ্গরাতে ডা. সিরীয চন্দ্র দাশের জন্ম, কলকাতা শহরে মৃত্যু-১৯-০৩-১৯৮৮ তারিখ। উনি রূপসদী স্কুলের সাথে সরকারী হাসপাতালের ডা. ছিলেন।

১৯০০ সালে দিনাজপুর জেলার সুলতানপুর গ্রামে কৃষকনেতা ও রাজনীতিক হাজী মোহাম্মদ দানেশের জন্ম, মৃত্যু-২৮-০৬-১৯৮৬ তারিখ।

১৯০০ সালে নিউ লাইফ ফার্মেসীর সার্বক্ষনিক চিকিৎসক এবং মেসার্স নিউ লাইফ এন্ড কোং (প্রা.) লি. এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও হাক্কানী আঞ্জুমানের অন্যতম খাদেম আলহাজ্ব ডা. এস. এম. মোতাহার আলী, সকাল ১০টার সময় ইন্তেকাল করেণ ১০৩-বছর বয়সে (০৯-০৬-২০০৩ তারিখ)।

১৯০০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের কয়েলগাঁতি গ্রামে তদানীন্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল মাহমুদের জন্ম, ঢাকায় ইন্তেকাল-১৩-০৬-২০০৫ তারিখ।

১৯০০ সালে সিলেটে আদর্শিক বাবা-মায়ের পরিবারে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা, নারীনেত্রী ও দেশব্রতী লীলা রায়ের (নাগ) জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১১-০৬-১৯৭০ তারিখ। ১৯২১ সালে মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে তিনি বেথুন কলেজ থেকে ডিস্টিংশনসহ বি. এ. পাশ করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগে ভর্তি হন এবং ১৯২৩ সালে এম. এ. পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী। তিনি নারীমুক্তি আন্দোলনে নিজেকে উৎসর্গীকৃত করেন এবং ঢাকায় নারী-শিক্ষা-মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। পরে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে তিনি দীর্ঘকাল কারাভোগ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পরেও তিনি ও তাঁর স্বামী অনিল রায় কিছুকাল ঢাকায় ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের মেয়েদের মধ্যে প্রথম এম. এ. পাস।

১৯০০ সালে (বাংলা ১৩০৭ সালের ৩ পৌষ) বরিশাল জেলায় দার্শিনক ও বিপস্নবী লেখক আরজ আলী মাতুব্বরের জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৫ সালে। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর তিন খন্ড রচনা সমগ্র প্রকাশিত হয়। পাকিস্তান সরকার ১৯৫১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তাঁর লেখা-লেখি করার ওপর বিধিনিষেধ করেছিলেন।

১৯০০ সালের ৩১ ডিসেম্বর, গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার খিরাটি গ্রামে জনদরদী ডা. আবদুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-১৭-০৯-১৯৮৭ তারিখ। উনি ন্যাশনাল ডাক্টার ছিলেন এবং ১৯৬১ সালে খিরাটী গ্রামে ডা. আবদুর রহমান গার্লস উচ্চ বিদ্যালয়টি তিনি করেছেন।

১৯০১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম ছাত্রী ফজিলাতুননেসার জন্ম, মৃত্যু-১৯৭৭ সালে। ১৯২৪ সালে তিনি গণিত বিভাগে ভর্তি হন এবং ১৯২৭ সালে এম. এ. পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন। তিনি বিলেত থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করে কলকাতার বেথুন কলেজে অধ্যাপনা শুারু করেন এবং পরে ঢাকার ইডেন গার্লস কলেজের অধ্যক্ষরূপে ১৯৫৫ সালে অবসরগ্রহণ করেন। ফজিলাতুননেসা বাংলাদেশের মুসলমান মেয়েদের মধ্যে প্রথম এম. এ. পাস।

১৯০১ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলার কুমারভোগ গ্রামে কমিউনিষ্ট পার্টির নেতা জিতেন ঘোষের জন্ম, মৃত্যু-কলকাতায় ০৪-০২-১৯৭৬ তারিখ। ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠিত হলে এই সংগঠনের কৃষক ফ্রন্টের জাতীয় সদস্য মনোনীত হন। তিনি একজন লেখকও।

১৯০১ সালে ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া উপজেলার রামনগর গ্রামে সাংবাদিক ও রাজনীতিক হামিদুল হক চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৮-০১-১৯৯২ তারিখ।

১৯০১ সালে ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার পানাইল গ্রামে কবি ও সাংবাদিক আশরাফ আলী খানের জন্ম, মৃত্যু-কলকাতায় ১৯-১১-১৯৩৯ তারিখ।

১৯০১ সালের ২৮ জুন, কলকাতা শহরে বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির সাবেক সভাপতি কমরেড মণি সিংহের জন্ম, মৃত্যু-৩১-১২-১৯৯০ তারিখ। মণি সিংহের বাবা ছিলেন নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলার জমিদার পুত্র আর মাতৃকুল ছিলেন নেত্রকোনার সুসং দুর্গাপুরের রাজপরিবারের মেয়ে।

১৯০১ সালের ২৭ অক্টোবর, ভারতের পশ্চিমবাংলার কুচবিহারের বলরামপুর গ্রামে মরমী শিল্পী আব্বাস উদ্দীনের জন্ম, মৃত্যু-৩০-১২-১৯৫৯ তারিখ। শিল্পী আব্বাস উদ্দীনের পিতা জাফর আলী আহমেদ তুফানগঞ্জ আদালতের উকিল ছিলেন।

১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর, কবি ও সাহিত্যিক খান মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন হোসাইনের জন্ম, মৃত্যু-১৬-০২-১৯৮১ তারিখ। ১৯২৩ সালে মঈনুদ্দীন 'মোসলেম জগতে বিদ্রোহ' নামক সম্পাদকীয় প্রকাশের জন্য কারারুদ্ধ হন।

১৯০১ সালের ৩০ নভেম্বর, বগুড়া জেলা শহরে (তাঁর পৈত্রিক নিবাস মানিকগঞ্জ জেলার মওগ্রাম নামক স্থানে) খ্যাতনামা মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আশুতোষ সেনের জন্ম, মৃত্যু-কলকাতায় ২৯-০৩-১৯৭১ তারিখ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে আশুতোষ সেন রিডার ছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর অর্থনীতিবিদ অমর্তয সেনের পিতা ভারতে চলে যান। অমর্তয সেনের দাদা বগুড়া জেলা জজ ছিলেন এবং পরবর্তীেত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবৈতনিক কোষাধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। অমর্তয সেনের পিতা আশুতোষ সেনের শিক্ষা সম্পন্ন হয় ঢাকাতেই এরপর তিনি ইংল্যান্ড গমণ করেন। আবার ঢাকাতে আসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন।

১৯০১ সালের ডিসেম্বর মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার লক্ষীপুর গ্রামে (ফারসি পন্ডিত মুনশি আফতাবউদ্দিন)-এর পুত্র লেখক, পত্রিকা সম্পাদক ও এ. এস. পি. আবদুল হাফিজের জন্ম, মৃত্যু-১৯৯৪ সালে।

১৯০২ সালে টাঙ্গাইল জেলায় না বর্তমান মাদারীপুর জেলায় ক্ষণজন্মা বাংলাদেশের এই কৃতী সন্তান কৈশোরেই পার্টিেত যোগদান করেন, (তৎকালীন ফরিদপুরে বর্তমানে মাদারীপুর জেলার তৎকালীন ভারতবিখ্যাত কংগ্রেস সভাপতি অম্বিকা চরণ মজুমদারের ভাতুস্পুত্রের ঘরে) অগ্নিযুগের বিপস্নবী জননেতা ও সাংসদ ফনীভষণ মজুমদারের জন্ম, মৃত্যু-৩১-১০-১৯৮১ তারিখ। দুইটা তথ্য আমার নিকট। কোনটা সঠিক আমার জানা নেই।

১৯০২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, মুন্সিগঞ্জ জেলার বিদগাঁও গ্রামে সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ গোপাল হালদারের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। পূর্ব বাংলার উপভাষা সম্পর্কে গবেষণা করেন।

১৯০২ সালে বরিশাল জেলার বাহেরচর গ্রামে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার জাস্টিস আবদুল জব্বার খানের জন্ম, মৃত্যু-২৩-০৪-১৯৮৪ তারিখ।

১৯০২ সালের ১ জুলাই, ভারতের পশ্চিম বাংলায় রম্য সাহিত্যিক ও বহু ভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলীর জন্ম, ঢাকায় ইন্তেকাল ১১-০২-১৯৭৪ তারিখ।

১৯০২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার বক্তাপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এনামুল হকের জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-১৬-০২-১৯৮২ তারিখ।

১৯০২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার চাঁদের চর গ্রামে বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী রমেন চক্রবত্র্তীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।

১৯০২ সালে বর্তমান চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার এক সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ভারতীয় উপমহাদেশের স্বনামধন্য চিকিৎসক, পাকিস্তানের প্রথম এফআরসিপি (ইউ.কে.) ও বাঙালী মুসলমানদের চিকিৎসা পেশার অগ্রদুত ডা. নওয়াব আলীর জন্ম, ঢাকায় ইন্তেকাল করেন ৪ জুলাই, ১৯৭৭ সালে। উনি চাঁদপুর মহকুমা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।

১৯০২ সালে খুলনা জেলার দৌলতপুরে সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিসক আবুল কাশেমের জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৭ সালে। তিনি অনেকগুলো বইয়ের লেখক।

১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি, ফেনী জেলায় কবি হাবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৬৮ সালে।

১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি, ফরিদপুর জেলায় পল্লী কবি জসীমউদদ্‌ীনের জন্ম, মৃত্যু-১৩-০৩-১৯৭৬ তারিখ।

১৯০৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি (বাংলা ১৩০৯ এর ৭ ফাল্গুন), নড়াইল জেলার সদর উপজেলার এক অজপাড়াগাঁ ডুমদি গ্রামে কবিয়াল ও চারণ কবি বিজয় সরকারের জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৫ সালে।

১৯০৩ সালের ১ এপ্রিল, কুমিল্লার দারোগা বাড়িতে বাঙালি প্রাবন্ধিক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৮-০৯-১৯৫৬ তারিখ।

১৯০৩ সালের ২৫ মে, ফরিদপুর জেলার নড়িয়া উপজেলায় শিক্ষাবিদ ও লেখক আবদুল হক ফরিদীর জন্ম, মৃত্যু-০৫-০২-১৯৯৬ তারিখ।

১৯০৩ সালের ২০ জুন, ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার শিলাসী গ্রামে রুপাইর জন্ম। তিনি পল্লীকবি জসীমউদদীনের বিখ্যাত কবিতা কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ 'নকশী কাঁথার মাঠ'-এর নায়ক রুপাই, শয্যাশায়ী ছিল, মৃত্যু-২২-০৬-২০০৮ তারিখ শিলাসী গ্রামে নিজ বাড়িতে।

১৯০৩ সালের ১ জুলাই, চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার অন্তর্গত কেওচিয়া গ্রামে মুক্তবুদ্ধি চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক মনস্বী আবুল ফজলের জন্ম, মৃত্যু-০৪-০৫-১৯৮৩ তারিখ।

১৯০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, নোয়াখালী শহরে কবি, ঔপনাসিক ও সম্পাদক অচিন্যকুমার সেনগুপ্তের জন্ম, মৃত্যু-২৯-০১-১৯৭৬ তারিখ।

১৯০৩ সালের ২৯ অক্টোবর, নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার ইলমদী গ্রামে সাবেক জাতীয় পরিষদের সদস্য (এম. এন. এ.), ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা, কবি ও সাংবাদিক বে-নজীর আহমেদের জন্ম, মৃত্যু-১২-০২-১৯৮৩ তারিখ।

১৯০৩ সালের ১২ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর বড়বাড়িতে মৌলভী আব্দুস সোবহান মাস্টারের জন্ম, ঢাকা মিডফোর্ড হাসপাতালে মৃত্যু-১৫-০৫-১৯৬৩ তারিখ।

১৯০৩ সালে ফরিদপুরে বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ইউসুফ আলী চৌধুরী (মোহন মিঞার) জন্ম, মৃত্যু-২৬-১১-১৯৭১ তারিখ।

১৯০৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাকরন্নগর গ্রামে কাজী আম্বর আলীর জন্ম, ঢাকার আজিমপুরে মৃত্যু-১২-১২-১৯৯৪ তারিখ। উনি আজীমপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

১৯০৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কৃঞ্চনগর গ্রামে ডা. মোঃ ইয়াকুব আলীর জন্ম, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ তারিখ। উনি উজানচর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯২৩ সালের ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় কলকাতা বোর্ডে ১৩তম স্থান অধিকার করেন এবং তিনি বাঞ্ছারামপুর থানার দ্বিতীয় এল.এম.এফ. ডাক্তার।

১৯০৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা গ্রামে বংশীবাদক, তবলাবাদক ও ঠুমরীবাদক ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরুর জন্ম, মৃত্যু-১৯৫৯ সালে।

১৯০৩ সালের ১ ডিসেম্বর, চট্টগ্রামে বিপস্নবী ও চট্টগ্রাম অস্‌্রাগার লুন্ঠনের অন্যতম নায়ক এবং রাজনীতিবিদ অনন্ত সিংহের জন্ম, মৃত্যু-২৫-০১-১৯৭৯ তারিখ।

১৯০৪ সালের ৩১ জানুয়ারি, পাবনা জেলার সুজানগর থানার মুরারিপুর গ্রামে শিক্ষাবিদ ও লোকসংস্কৃতি বিশেযজ্ঞ মুহম্মদ মনসুরউদ্দিনের জন্ম, ঢাকার শান্তিনগরে মৃত্যু-১৯-০৯-১৯৮৭।

১৯০৪ সালের ১ মার্চ, ভারতের উত্তর প্রদেশের মুরাদাবাদে অধ্যাপক আন্দালীব সাদানীর জন্ম, মৃত্যু-২৯-০৭-১৯৬৯ তারিখ। তাঁর আসল নাম ওয়াজাহাদ হোসেন। ১৯২৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করে তিনি উর্দু ও ফারসি বিভাগ চালু করেন। ১৯৪৭ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।

১৯০৪ সালে বাগেরহাটের কচুয়া থানার এক অজগাঁয়ে অধ্যক্ষ আযীম উদ্দিন আহমেদের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭৩ সালে।

১৯০৪ সালের ৭ ডিসেম্বর, টাঙ্গাইল মহকুমার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামে জমিদারবাড়ির ছোট ছেলে হাতেম আলী খানের জন্ম, হাসপাতালে মৃত্যু-২৪-১০-১৯৭৭ তারিখ। হাতেম আলী খানের শরীরে জমিদার রক্ত থাকলেও মনে তার জন্ম নিয়েছিল গ্রামের শোষিত রায়ত কৃষক প্রজাকুলের জন্য অপার ভালোবাসা।

১৯০৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বিক্রমপুর পরগনার শ্রীনগর উপজেলার হাঁসাড়া ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে মোহাম্মদ হোসেন আলীর জন্ম, ঢাকার বাসভবনে মৃত্যু-২২-০৬-১৯৭৮ তারিখ। ১৯২৮ সালে বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে চাকরীতে যোগদান করেন এবং ১৯৫১ সালে তিনি চাকুরি থেকে সুনামের সাথে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি বহু প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা।