১৬৭৬ সালে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব আলীবর্দী খানের জন্ম, মৃত্যু-১০-০৪-১৭৫৬ তারিখ ও সিরাজউদ্দৌলার রাজ্যভার গ্রহণ।
১৬৯১ খ্রিষ্টাব্দে মীর মোহাম্মদ জাফর আলী খানের জন্ম, ০৫-০২-১৭৬৫ তারিখ, বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার বিশ্বাসঘাতক সেনাপতি মীর জাফর আলী খাঁর ইন্তেকাল। জাফর আলী খান ১৭২৭-২৮ খ্রিষ্টাব্দের দিকে নবাব আলীবর্দী খানের বৈমাত্রের ভগিনী শাহ খানমের সাথে বিবাহ হয়। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার মায়ের সৎ ফুফুকে বিয়ে করেন মির জাফর আলী খান। সিরাজ-উদ-দৌলার নানার সৎ বোনের স্বামী-মির জাফর।
১৬৯৩ সালের ১০ জানুয়ারি, কলকাতা নগরীর পত্তনকারী জব চার্নেকর মৃত্যু।
১৭০৩ সালে ভারতে এক ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব শাহ ওয়ালিউল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-১৭৬৩ সালে।
১৭০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পন্ডিচেরির প্রথম ফরাসী গভর্নর জেনারেল ফ্রান্সিস মার্টিেনর মৃত্যু।
১৭১০ সালে নবদ্বীপের রাজা কৃঞ্চচন্দ্র রায়ের জন্ম এবং মৃত্যুবরণ-১৭৮৩ সালে।
১৭১৭ সালের ৩০ জুন, নবাব মুর্শিদ কুলি খানের ইন্তেকাল।
১৭১৭ সালে বিশ্বখ্যাত সংগীতজ্ঞ মোজার্টের জন্ম, মৃত্যু-০৫-১২-১৭৯১ তারিখ।
১৭১৭ সালে বাংলার নবাব মীর কাশিমের জন্ম, ইন্তেকাল-০৬-০৬-১৭৭৭ তারিখ।
১৭২১ খ্রীষ্টাব্দে রামপ্রসাদ হালিশহরে জন্মগ্রহণ করেন, ১৭৮১ খ্রীষ্টাব্দে দেহরক্ষা করেন।
১৭২৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, পলাশী যুদ্ধের বিজেতা এবং বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের স্থপতি আয়ারল্যান্ডের একটি মাঝারি জমিদার পরিবারে রবার্ট লর্ড ক্লাইভের জন্ম, মৃত্যু-২২-১১-১৭৭৪ তারিখ তিনি গুলিতে আত্মহত্যা করেন।
১৭২৭ সালের ৩০ জুন, বাংলার সুবাদার মুর্শিদ কুলি খাঁর ইন্তেকাল।
১৭২৮ সালে নবাব সিরাজ-উদ-দৌল্লাহর জন্ম, ১৭৫৭ সালের ৩ জুলাই, মীরজাফর তনয় মীরনের নির্দেেশ নবাব সিরাজ-উদ-দৌল্লার শাহাদাতবরণ করা হয়-০৩-০৭-১৭৫৭ তারিখ। তাঁর পূর্ণ নাম ও পদবি হয়-নবাব মনসুর-উল-মুলক মির্যা মোহাম্মদ শাহ কুলি খান সিরাজ-উদ-দৌলা হয়বত জঙ বাহাদুর নামে ১৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ এপ্রিল মহা জাঁকজমকের সঙ্গে তাঁর মাতামহের মসনদে আরোহণ করেন। তাঁর মাতামহ নবাব আলিবর্দী খান (১৭৫৬ সালের ১০ এপ্রিল, বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব আলীবর্দী খাঁর ইন্তেকাল। মারা যাওয়ার ৭(সাত) দিন পর ক্ষমতা গ্রহণ করে নবাব সিরাজ-উদ্দৌলাহ'র সিংহাসনে আরোহণ করেন। নবাব সিরাজ-উদ-দৌল্লাহ ক্ষমতাচ্যুত হন ২৩-০৬-১৭৫৭ তারিখ।
১৭৩০ সালের ২ সেপ্টেম্বর, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগনা জেলার কচুয়া গ্রামে (বাংলা ১১৩৭ সনের ১৮ ভাদ্র) লোকনাথ ব্রাহ্মচারীর জন্ম, নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার বারদী গ্রামে মৃত্যু-০২-০৬-১৮৯০ তারিখ (বাংলা ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ১২৯৭ সন)। মারা যান ১৬০ বছর বয়সে। সিদ্ধ মহাপুরুষ লোকনাথ ব্রহ্মচারী জীবনের শেষ দিনগুলো এ গ্রামেই অতিবাহিত করেন। আজকের বারদী লোকনাথ ব্রাহ্মচারীর আশ্রমের কারণেই বিখ্যাত। জ্যেতিবসুর পৈতৃক ভিটা এ গ্রামেই অবস্থিত। ঢাকা থেকে বারদী খুব একটা দূরের পথ নয়। প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরত্ব হবে।
১৭৩২ সালের ৩ জানুয়ারি, ভারতের পশ্চিমবাংলায় শিক্ষাব্রতী, সমাজসেবী ও দানবীর হাজী মুহম্মদ মহসীনের জন্ম, মৃত্যু-২৯-১১-১৮১২ তারিখ। ১৯০৬ সালে হাজী মহসীন ট্রাষ্ট ফান্ড গঠিত হয় কলকাতায়।
১৭৩২ সালের ৬ ডিসেম্বর, ভারতের প্রথম গবর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের জন্ম, ১৮১৮ সালের ২২ আগস্ট, ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের মৃত্যু।
১৭৩৮ সালে (১৭৮৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭৯৩ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসনিক ও বিচার ব্যবস্থার রূপকার লর্ড চার্লস কর্ণওয়ালিসের জন্ম, মৃত্যু-৩০-০৭-১৮০৫ তারিখ।
১৭৩৯ সালের ১৩ মার্চ, বাংলার সুবাদার সুজাউদ্দিন খানের ইন্তেকাল।
১৭৪১ সালে নিধুবাবুর জন্ম, মৃত্যু-১৮৩৯ সালে।
১৭৪৯ সালে প্রাচ্য ভাষাবিদ কলকাতাস্থ এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য স্যার চার্লস উইলকিন্স-এর জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৬ সালে।
১৭৫০ সালের ২০ নভেম্বর, ভারতের কর্ণাটকের মহিশুর রাজ্যের শাসক টিপু সুলতানের জন্ম, ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধে মহিশুরের টিপু সুলতান নিহত হন ০৪-০৫-১৭৯৯ তারিখ। ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিপু সুলতানই প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামী।
১৭৫১ সালের ২৫ মে, বাংলায় মুদ্রিত প্রথম ব্যবকণ গন্থের রচয়িতা হ্যালহেডের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৭৫২ সালে রামদুলাল দের জন্ম, মৃত্যু-১৮২৫ সালে। বাবার বাড়ি ছিল চব্বিশ পরগনা জেলার রেকজানি গ্রামে। দারির্দেযর কারণে ভাগ্য ফেরাতে সপরিবারে কলকাতায় যাত্রা করেন বলরাম দে। পথে রামদুলারের জন্ম। পথে বাবা-মা হারিয়ে রামদুলালের জায়গা হয় তখনকার শ্রেষ্ঠ ধনী মদনমোহন দত্তের বাড়িতে। এ বাড়িতে থেকেই রামদুলালের লেখাপড়ার হাতেখড়ি। প্রথম বাঙালি মিলিয়নেয়ার রামদুলাল দে। রামদুলাল দে ইংরেজদের টেক্কা দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন মার্কিনদের সঙ্গে। রামদুলালের জাহাজ ভারত মহাসাগর পাড়ি দিয়ে ভেড়ে আটলান্টিকের মার্কিন বন্দরে, সেটাই প্রথম কোনো বাঙালির জাহাজ।
১৭৫৯ সালের ৩০ নভেম্বর, মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর নিজ মন্ত্রীর হাতে নিহত হন।
১৭৬০ সালের ২০ এপ্রিল, প্রথম বাংলা মাসিক পত্রিকা 'দিকদর্শেনর' প্রকাশক মার্শম্যানের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৭৬১ সালে বৃটিশ মিশনারী ও বাংলা গদ্যের প্রথম যুগের লেখক উইলিয়াম কেরীর জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-০৯-০৬-১৮৩৪ তারিখ।
১৭৭২ সালের ২২ মে, না ১৭৭৪ সালের ১০ মে, বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহন রায় হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁকে বাংলার তথা ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ বলা হয়। ১৮৩৩ সালে রাজা রামরমাহন রায় লন্ডনে ফিরে আসেন এবং ২৭-০৯-১৮৩৩ তারিখ বৃষ্টল শহরে মৃত্যুবরণ করেন।
১৭৭৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত বাংলায় ইংরেজী প্রবর্তেনর অন্যতম পথিকৃত ডেভিড হেয়ারের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৭৭৫ সালের দিকে উত্তর ভারতের গোরক্ষপুরে যুক্তিবাদী ও চিন্তাবিদ আবদুল রহিমের জন্ম, মৃত্যু-২৯-১২-১৮৫৩ তারিখ।
১৭৭৫ সালের ৫ আগস্ট, প্রসনমূলক বিচারে অভিযুক্ত মহারাজ নন্দকুমারের ফাঁসি কার্যকর।
১৭৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের শেষ মুগল সম্রাট আবু জাফর সিরাজুদ্দিন মুহাম্মদ বাহাদুর শাহ জাফর (দ্বিতীয়)-এর জন্ম, ১৮৫৮ সালের ৯ মার্চ, ব্রিটিশ সরকার র্কতৃক মোঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর রেঙ্গুনে নির্বািসত হন। ব্রিটিশের বিরুদ্ধে প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের পর শেষ মুগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে শেকলে বন্ধী করে বার্মায় নির্যাতনে পাঠানো হয়। বাহাদুর শাহ জাফর দীর্ঘ ৪-বছর এক গ্যারেজে অন্তরীণ থাকার পর ১৮৬২ সালের ৭ নভেম্বর পরিচয়হীনভাবে অবমাননাকর অবস্থায় রেঙ্গুনের উপকন্ঠে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার এ মৃত্যতেও ব্রিটিশ সিংহের ভয় কাটেনি বলেই মনে হয়। কারণ তার কবরের কোনো সুস্পষ্ট চিহ্ন রাখা হয়নি। এর আগে তার পুত্রদের নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। রেঙ্গুনে বাহাদুর শাহ জাফরের মাজার অলংকরণে ভারতের প্রস্তাব গ্রহণ করলো মিয়ানমার: তার এই কবরের সঠিক অবস্থান বহুকাল অঙ্গাত থাকার পর মাত্র ১৯৯১ সনে একটি স্মারক ভবন নির্মােণর জন্য খোঁড়াখোঁড়ির সময় কবরটির অবস্থান আবিস্কৃত হয়। কবরের নিচের মাটিতে রয়েছে এ কবর। ওপরেরটি নকল। দৃশ্যতঃ মনে হয় ভারতের শেষ সম্রাটকে নিয়ে ভারতে যাতে জাতীয়তাবাদী আবেগের জোয়ার না সৃষ্টি হয় সেজন্যই এ কৌশল। এ ধরণের মর্মািন্তক পরিণতির কথা অনুমান করেই খুব সম্ভবত তিনি তার এ অমর কাব্যচরণ লিখতে প্রেরণা পেয়েছিলেন "দো গজ জমিন ভি না মিলি"। অর্থাৎ যে আসমুদ্র হিমাচল ভারতের অধীশ্বর ছিলেন তিনি সেই তারও শেষ শয়নের জন্য হিন্দুস্তানের মাটিতে মাত্র দু'গজ জায়গাও মিললো না। বর্তমানে ভবনটি নির্মাণ করা হয় ১৯৯১ সালে, ভারত সরকারের সহায়তায়। ্ও দেয়ালে লেখা আছে, 'এই হলটি সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গিত। অবিভক্ত মানুষের কাছে বাহাদুর শাহের সমাধি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ১৯৪১ সালে বাহাদুর শাহ জাফরের সমাধিতে ফুল দিয়েই দিল্লি চলো' প্রচারাণা শুরু করেছিলেন। পরবর্তীকালে তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজ মিয়ানমার পার হয়ে পূর্ব ভারতের ইস্ফল পর্যন্ত দখল করে নিয়েছিল। ১৯৮৭ সালে রাজীব গান্ধী সমাধি পরিদর্শনকালে লিখেছিলেন, যদিও আপনি(বাহাদুর শাহ) ভারতের জমিন পাননি, তবে এখানে পেয়েছেন, আপনার নাম এখনো জীবন্ত। আমি ভারতের প্রথম স্বাধীনতাযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
১৭৭৮ সালের ২৭ নভেম্বর, কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৭৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি, বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর সেনানী মীর নিসার আলীর (শহীদ তিতুমীর) জন্ম, মৃত্যু-১৪-১১-১৯৩১ তারিখ। দেশপ্রেমিক নিসার আলী-তিতুমীর ইংরেজদের সাথে যুদ্ধ করে শাহাদাতবরণ করেন।
১৭৮৪ সালের ২৫ আগস্ট, কেন্টের বেকেনহামে ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড অকল্যান্ড -এর জন্ম, মৃত্যু-০১-০১-১৮৪৯ সালে। তিনি ১৮৩৬-১৮৪২ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর ছিলেন এবং ১৮৩৮ সালের দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছিলেন।
১৭৮৬ সালে প্রাচ্যবিদ, লেখক, মুদ্রাবিশারদ, অক্সফোর্ডের অধ্যাপক এবং ইন্ডিয়া অফিসের গ্রন্থাগারিক হোরেস হ্যামেন উইলসনের জন্ম, মৃত্যু-১৮৬০ সালে।
১৭৮৬ সালে ইংল্যান্ডে ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসির জন্ম, ১৮৬০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসির মৃত্যু। তিনি ১৮৪৮-১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর ছিলেন।
১৭৯৪ সালে কলকাতার জোড়াসাঁকোর সুবিদিত ঠাকুর পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যবসা বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা দ্বারকানাথ ঠাকুরের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-০১-০৮-১৮৪৬ তারিখ। ১৮১৭ সালের ১৫ মে, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে বাংলা গদ্যের লেখক মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৯-০১-১৯০৫ তারিখ। ১৮৪০ সালের ১১ মার্চ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে কবি, দার্শিনক, গনিতজ্ঞ, বাংলা শর্টহ্যান্ড ও স্বরলিপির উদ্ভাবক, চিত্রশিল্পী ও স্বদেশ প্রেমিক দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম, মৃত্যু-০৫-০১-১৯২৬ তারিখ। ১৮৬১ সালের ৭ মে, (২৫ বৈশাখ, ১২৬৮ বাংলা) কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৪১ তারিখ। ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ভরতারিনী (মৃণানিলী) দেবীর বিয়ে হয়। তিনি ১৯১৩ সালের ১৫ নভেম্বর, নোবেল পুরস্কার পেয়ে বাঙ্গালীদের মন জয় করেছিলেন। (উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু, স্বামী বিবেকানন্দও বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বন্ধু ছিলেন)। ১৮৭১ সালের ৭ আগষ্ট, কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে চিত্রশিল্পী ও সাহিত্যিক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম, মৃত্যু-০৫-১২-১৯৫১ তারিখ।
১৭৯৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর, ভারতের আগ্রা শহরে উর্দু ও ফার্সি সাহিত্যের মহাকবি মির্জা আসাদুল্লাহ খান গালিবের জন্ম, ইন্তেকাল-১৫-০২-১৮৬৯ তারিখ। আগ্রায় জন্ম হলেও মির্জা গালিবের কবি প্রতিভার চুড়ান্ত বিকাশ ঘটে দিল্লীতে। ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ হয়েছে। এ বিদ্রোহের তিনি একজন প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।
১৭৯৭ সালে অযোধ্যার অন্তর্গত খয়রাবাদে মাওলানা ফজলে হক খায়রাবাদীর জন্ম, মৃত্যু-১৮৬১ সালে আন্দামান দ্বীপে। ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিপস্নবে মাওলানা ফজলে হক খায়রাবাদী প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৮৫৯ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়ে আন্দামান দ্বীপে নির্বাসনে পাঠায়।
১৮০৪ সালে ভারতের আজীমাবাদে ফারসি ও উর্দু ভাষার কবি উলফাত হুসাইন ফরিয়াদের জন্ম, মৃত্যু-১৮৮১ সালে।
১৮০৫ সালে আধুনিক হিন্দি গদ্য সাহিত্যের জনক হিসেবে খ্যাত ভারতেন্দু হরিশ চন্দ্রের জন্ম, মৃত্যু-০৬-০১-১৮৮৫ তারিখ।
১৮০৫ সালে বাংলা নাটকের প্রথম যুগের নাট্যকার হরচন্দ্র ঘোষের জন্ম, মৃত্যু-২৪-১১-১৮৮৪ তারিখ।
১৮১০ সালের ২৬ নভেম্বর, শিক্ষাবিদ ও ভাষাতত্ত্ববিদ সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৮১০ সালে বাংলার বিখ্যাত হোমিও চিকিৎক ডা. বিহারী লাল ভাদুড়ীর জন্ম, মৃত্যু-২৭-০৩-১৮৯১ তারিখ।
১৮১১ সালে ঐতিহাসিক, পুরাতত্ত্ববিদ ও প্রাবন্ধিক রাজেন্দ্রলাল মিত্রের জন্ম, মৃত্যু-২৬-০৭-১৮৯১ তারিখ।
১৮১১ সালে পশ্চিবাংলায় প্রথম বাঙালী স্থপতি নীলমনি মিত্রের জন্ম, মৃত্যু-০২-০৮-১৮৯৪ তারিখ।
১৮১২ সালে পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঞ্চনপল্লী বা কাচড়াপাড়া গ্রামে বাংলার সংস্কৃতি, কাব্যকবিতায় কবি ও সাংবাদিক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জন্ম, মৃত্যু-২৩-০১-১৮৫৯ তারিখ।
১৮১৩ সালের ২৪ মে, কলকাতার শ্যামপুকুরে মাতুলালয়ে খ্রিষ্টধর্ম প্রচারক ও লেখক কৃঞ্চমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় রেভারেন্ডের জন্ম, মৃত্যু-১১-০৫-১৮৮৫ তারিখ।
১৮১৩ সালে কলকাতার পুরোনো শহর জোড়াসাঁকোর এক ব্রাহ্মণ পরিবারে রাধানাথ শিকদারের জন্ম। ১৮৫২ সালের একদিন রাধানাথ শিকদার এভারেষ্ট মেপেছিলেন। তবে ১৫ নম্বর শৃঙ্গটিই যে সর্বোচ্চ, এ ঘোষণা আসে ১৮৫৬ সালে। গণিত বিষয়ে তিনি উচ্চ শিক্ষা নেন বিখ্যাত হিন্দু কলেজে বর্তমানে তা প্রেসিডেন্সি কলেজ নামে পরিচিতি। প্রিয় শিক্ষক ডেরিজিওর উৎসাহে উদ্দীপ্ত ইয়ং বেঙ্গল গ্রুপের সদস্য শিকদার বিজ্ঞানকে জীবনের ধ্যান-জ্ঞান করে নিয়েছিলেন। কাজপাগল শিকদার ছিলেন অকৃতদার।
১৮১৪ সালের ২২ জুলাই, কলকাতার এক বেনিয়া পরিবারে সমাজসংস্কারক, একাধিক মূল্যবান গ্রন্থের লেখক প্যারীচাঁদ মিত্রের (টেকচাঁদ ঠাকুর) জন্ম, মৃত্যু-২৩-১১-১৮৮৩ তারিখ।
১৮১৪ সালে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব জরিপের 'জনক ও প্রতিষ্ঠাতা' (স্টল্যান্ডের ডামফ্রিশায়ারের অধিবাসী এবং কবি ও গ্রন্থাগার অ্যালান দ্বিতীয় পুত্র কানিংহাম) স্যার আলেকজান্ডারের জন্ম, মৃত্যু-১৮৯৩ সালে।
১৮১৬ সালে শ্রীধর কথকের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৮১৭ সালের ১৭ অক্টোবর, আলিগড়ের প্রখ্যাত মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষার অগ্রদূত, নেতা, শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও ধর্মীয় পন্ডিত হিসেবে খ্যাত স্যার সৈয়দ আহমদের জন্ম, মৃত্যু-১৮৯৮ সালে। তার বংশ ছিল দিল্লির মুঘল সভার সঙ্গে যুক্ত-সম্মানিত, তবে খুব প্রভাবশালী নয়। তাঁর মাতামহ লর্ড ওয়েলেসলির সময়ে ইরানের দুতাবাসে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হয়ে কাজ করেন।
১৮১৭ সালে কবি, পন্ডিত ও নাট্যকার মদনমোহন তর্কালঙ্কারের জন্ম, মৃত্যু-০৯-০৩-১৮৫৮ তারিখ।
১৮২০ সালের ১৫ জুলাই, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় বাংলায় নবজাগরণের পুরোধা, বাংলা গদ্যেলেখক ও শিক্ষাবিদ অক্ষয়কুমার দত্তের জন্ম, মৃত্যু-১৮-০৫-১৮৮৬ তারিখ।
১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের ফেনী জেলার মহিপালের দক্ষিণ দিকে 'বীরসিংহ' দিঘী। আমাদের একটুও সন্দেহ নেই যে, ঐ বীরসিংহ গ্রামে বাংলার নবজাগরণের প্রাণপুরুষ, সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও মানবতাবাদী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম; মৃত্যু-২৯-০৭-১৮৯১ তারিখ। ১৮৪০ সালে ঈশ্বরচন্দ্র ''বিদ্যাসাগর'' উপাধি পান। ১৮৮০ সালে বিদ্যাসাগর সি. আই. ই. উপাধি লাভ করেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্য সাহিত্যের জনক বলা হয়।
১৮২০ সালে (নদীয়া রাজপরিবারের গৃহশিক্ষক ও সঙ্গীতগুরু ছিলেন) গীতিকার, লেখক ও উচ্চাঙ্গসঙ্গীত শিল্পী দেওয়ান কার্তিেকয়চন্দ্র রায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৮৮৫ সালে।