পরিশেষে এ তালিকা তৈরীতে কারো-কারোর আসল ও ডাক নামের সংমিশ্রন হ'তে পারে, ক্ষেত্র বিশেষে জন্ম ও মৃত্যু তারিখের গড়মিল, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশার সমস্যা সম্বলিত কিছু ভুল-ক্রটি হতে পারে। এজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। তবে প্রকৃত ও সঠিক তথ্যমূলক প্রতিবেদন প্রদান করে ভবিষ্যতে এ প্রক্রিয়া আরও সুন্দর ও সঠিক হবে বলে আমি আশা রাখছি।
প্রথমে ৩১-০৮-২০০৬ তারিখ পর্যন্ত লোকদেরকে এ বংশ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হওয়ার কথা ছিল। তারপর আবার ৩১-১০-২০০৬ তারিখ পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে এ বংশ তালিকা আপ-টু-ডেট করা হয়। এ বই সাধু-চলতি ভাষার সংমিশ্রনে লেখা। ভাষা জ্ঞান আমার একেবারে নেই বললেই চলে। সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করছি। মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
।কিছু কথাঃ।
মহাবিশ্বের বয়স ১২৫০(এক হাজার দুইশত পঞ্চাশ) কোটি বছর। পৃথিবীর আনুমানিক বয়স কমপক্ষে ৪৬০(চারিশত ষাট) কোটি বছর। সুর্যের আনুমানিক বয়স ৪৬০(চারিশত ষাট) কোটি বছর। পৃথিবীতে প্রাণের সৃষ্টি প্রায় ২০০(দুইশত) কোটি বছর আগে। জীবের সৃষ্টি প্রায় ৬০(ষাট) কোটি বছর আগে। ৩৭ কোটি বছর আগে পানিতে মাছের বিচরণ শুরু হয়। ২০(কুড়ি) কোটি বছর আগে থেকে পৃথিবীতে ডাইনোসরদের আধিপত্য চলছিল এবং পৃথিবীর সমস্ত মহাদেশ একসঙ্গে আঁটা ছিল। যাকে বলে প্যানজিয়া কুড়ি কোটি বছর আগে-তার মানে সময়টা ছিল মধ্যজীবীয় অধিযুগের জুরাসিক যুগ। ১৮(আঠারো) কোটি বছর আগে প্যানজিয়ায় ভাঙ্গন ধরে। তারপরে টুকরো টুকরো অংশগুলো আলাদা হয়ে যেতে থাকে। আফ্রিকার একদিক থেকে আলাদা হয়ে যায় দক্ষিণ আমেরিকা, অন্যদিক থেকে কুমেরু। ইউরোপ থেকে আলাদা হয়ে যায় উত্তর আমেরিকা। দুই আমেরিকা আলাদা হয়ে যেতে পিছনে তৈরী হয় আটলান্টিক মহাসাগর। আর ভারতের ভূখন্ড যাত্রা শুরু করে এশিয়ার দিকে-টেথিস মহাসাগর পেরিয়ে। যেতে যেতে সামনের দিকে টেথিস মহাসাগরকে ধ্বংস করে আর পিছনের দিকে তৈরী হয় ভারত মহাসাগর। প্রায় ছয়কোটি বছর আগে ভারতের ভূখন্ড এসে এশিয়ার দক্ষিণ উপকুলে ধাক্কা মারে। তার ফলে প্রচন্ড একটা ঠেলা তৈরী হয়ে যায়। আর তারই ফলে হিমালয় পর্বতমালার সৃষ্টি।
১৪.৭০(চৌদ্ধ কোটি সত্তর লাখ) বছর আগে এই পৃথিবীতে ডাইনোসরের মত অতিকায় প্রাণীর অস্তিত্ব ছিল। ডাইনোসরই ছিল পৃথিবীর প্রথম পাখি। হিমালয় হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে নবীন পর্বত, ৬(ছয়) কোটি বছরও বয়স হয়নি। ১৯৭৪ সালে যে মানুষের জীবাশ্ম আবিস্কৃত হয়েছিল, ৩০(ত্রিশ) লক্ষ বছর আগে মানুষ এসেছে পৃথিবীতে, এতদিন পর্যন্ত সেটিকেই প্রাচীনতম বলে মনে করা হচ্ছিল। বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের অনুমান সদ্য ২০০৪ সালে আবিস্কৃত এ প্রজাতির মানুষ দু'পায়ে সোজা হাঁটতে সক্ষম ছিল। ৩০(ত্রিশ) লক্ষ বছর আগের সে মানুষ আসলে পৃথিবীতে ৪০(চল্লিশ) লক্ষ বছর আগে এসেছে। বিবিসি। জীবাশ্ম বিজ্ঞানীরা ইথিওপিয়ার মনুষ্য প্রজাতির একটি অংশের কিছু হাড়ের যে অংশ আবিস্কার করেছেন তা প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ বছরের পুরানো বলে অনুমান করা হচ্ছে। আজকের মানুষ প্রায় ৭৫(পঁচাত্তর) হাজার বছর আগের।
গত ৭০,০০০(সত্তর হাজার) বছর আগে পৃথিবীর জনসংখ্যা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুযোের্গ দুই হাজারে নেমেছিল এবং মানব প্রজাতির অস্তিত্ব প্রায় ধ্বংস হতে বসেছিল। তবে প্রস্তরযুগের পর তা আবার বাড়তে থাকে। তবে একটি নতুন জেনেটিক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জার্নাল অব হিউম্যান জেনেটিকস-এ গবেষণা প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। জেনোগ্রাফিক প্রকল্পের পরিচালক স্পেনসার ওয়েলস বলেন, মানব প্রজাতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো আবিস্কারে জেনেটিকবিদ্যার অসাধারণ ক্ষমতা নতুন এ গবেষণার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। আবার জনসংখ্যা বাড়তে বাড়তে ১২,০০০(বার হাজার) খৃষ্টপূর্বে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-১(এক) কোটি। ১০,০০০ হাজার খৃষ্টপূর্বে পৃথিবীতে কৃষি-কাজের প্রচলন শুরু হয় এবং পৃথিবীর কৃষি নিভর্রর আদিম জীবনের যুগ অতিবাহিত হয় ১০(দশ) হাজার বছর ধরে। ১০,০০০(দশ হাজার) বছর পূর্বে সোমালিয়া, বেবীলন, ইরাক সভ্যতা আরম্ভ। ১০,০০০ হাজার বছর আগে নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার উয়ারী বটেশ্বর-এ বাংলাদেশে প্রথম মানুষের বসতি গড়ে ওঠে। ২,৫০০ হাজার বছর আগের দুর্গনগরীর সন্ধান মিলেছে উয়ারী বটেশ্বরে। ২৫০০ খৃষ্টপূর্বে জয়পুরহাট জেলার মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বসতি গড়ে উঠেছিল।
৭(সাত) হাজার বছরের ইতিহাস জানি মাত্র আমরা, যখন থেকে মানুষ তার ইতিহাস লেখে। গাছের বয়স ৭(সাত) হাজার বছর। ৫(পাঁচ) হাজার বছর পূর্বে পৃথিবীর সভ্যতা আরম্ভ। মানুষ কিসের জোরে টিকল। হাতিয়ারের জোরে পশুকে বশ করল এবং পরে আগুন আবিস্কার করে মানুষ নিজে এ আবিস্কার করেছে। সভ্যতার দিকে এগিয়ে গেল মানুষ। কাঠের চাকা আবিস্কারের ৬২০০ বছর পরে স্টীম ইঞ্জিন ও সংযুক্তিযানের যুগ শুরু হয়।
১৬৫০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-৫৫(পঁঞ্চান্ন) কোটি, ১৮০০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-৯০(নব্বই) কোটি, ১৮৫০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-১১৭(একশত সতের) কোটি, ১৯০০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-১৬০ কোটি, ১৯২৭ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-২০০(দুইশত) কোটি, ১৯৬০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-৩০০(তিনশত) কোটি, ১৯৭৪ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-৪০০(চারিশত) কোটি, ১৯৮৭ সালের ১১ই জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-৫০০(পাঁচশত) কোটি, ১৯৯৯ সালের ১২ই অক্টোবর, পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল-৬০০(ছয়শত) কোটি, ২০০৫ সালের ১১ই জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যা-৬৫০(ছয়শত পঁঞ্চাশ) কোটি। ২০০৬ সালের ১১ই জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল ৬৫৮(ছয়শত আটান্ন) কোটি। ২০০৭ সালের ১১ই জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল ৬৬৫.৮০(ছয়শত পঁয়ষট্টি কোটি আশি লক্ষ)। ২০০৮ সালের ১১ই জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যা হলো-৬৭৩.৬০(ছয়শত তেহাত্তর কোটি ষাট লক্ষ) থেকে বেড়ে ২০৫০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা হতে পারে প্রায়-৯৩০ থেকে ১,০০০(এক হাজার)কোটি। বিশ্বে বছরে ৭ কোটি ৮০ লাখ লোক বাড়ে। জনসংখ্যা বাড়লে পৃথিবীর কোন প্রকার সমস্যা হচ্ছে না। বাস্তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি বাংলাদেশের মত কিছু কিছু দেশের এক নম্বর সমস্যা। ২১০০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা বেড়ে হবে ১,১০০(এক হাজার একশত)কোটি। বিজ্ঞানীদের ধারণা ২১০০ সালের পর পৃথিবীর জনসংখ্যা আর বাড়বে বলে মনে হয় না।
বিশ্বে ২০০৮ সালে খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে-২১৬.৪০ কোটি টন, খাদ্যশস্য মজুদ থাকবে ৪০(চল্লিশ) কোটি টন। বিজ্ঞানীদের ধারণা, বর্তমান বিশ্বে ১,০০০(এক হাজার) কোটি মানুষের খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়। ২০০৮ সালের ১১ই জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যা হলো-৬৭৩.৬০(ছয়শত তেহাত্তর কোটি ষাট লক্ষ)। পৃথিবীতে গড়ে প্রতিবর্গ মাইলে বাস করে-১১৮.১৪ জন(পৃথিবীর আয়তন ৫,৭০,১৭,০০০ বর্গমাইল) আর বাংলাদেশে গড়ে প্রতিবর্গ মাইলে বাস করে ২,৭৩৯ জন(বাংলাদেশের আয়তন ৫৭,২৯৫ বর্গমাইল) আর প্রতিবর্গ কিলোমিটারে বাস করে ১,০৬৭ জন(১,৪৭,০০০ বর্গিকলোমিটার)। গড়পড়তা একটি মানুষের খাদ্য দৈনিক ৫০০ গ্রাম ধরা যদি হয়, তাহলে বছরে খাদ্যশস্য লাগে ১২২,৯৩,২০,০০০(একশত বাইশ কোটি তিরানব্বই লক্ষ বিশ হাজার) টন আর বছরে খাদ্য জমা থাকার কথা ৯৩,৪৬,৮০,০০০(তিরানব্বই কোটি ছয়চল্লিশ লক্ষ আশি হাজার) টন। তাহলে মানুষ না খেয়ে থাকার কথা নয় বা খাদ্য ঘাটতি নেই। উন্নত বিশ্বের জীব-জন্তু ও পশু-পাখিদের গড়পড়তা যা খাবার খাওয়ানো হয়-তৃতীয় বিশ্বের মানুষদের গড়পড়তা তা খাওয়ানো হয়নি। পৃথিবীতে খাদ্যশস্যের ঘাটতি নেই। ধনীদেশগুলো বা ধনীরা ইচ্ছাকৃতভাবে খাদ্যোর ঘাটতি সৃষ্টি করছে অতি মুনাফার জন্য। খাদ্যের সুষম বণ্টনব্যবস্থা করলে খাদ্য ঘাটতি থাকবে না বা কেউ না খেয়ে মরবে না। ধনীরা যেভাবে বিশ্ববাসীকে অনাহারের পথে ঠেলছে, খাদ্য থেকে জৈব জ্বালানি তৈরি করে তাদের গাড়ি চালানোর জ্বালানি জোগাবে। জাতিসংঘের খাদ্য অধিকার কর্মকর্তার ভাষায় এটা 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ'। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাজ্য, চীন, ব্রাজিল, ইউরোপীয় ইউনিয়ন। যুক্তরাষ্ট্রের সড়কে চলা গাড়িগুলো এভাবে জাতিসংঘের দেওয়া তালিকার মধ্যে সবচেয়ে খাদ্যঘাটতিতে পড়া নিম্ন আয়ের ৮২টি দেশের ঘাটতি মেটানোর পুরো শস্যই গাড়ির তেল হিসেবে পুড়িয়ে ফেলবে। দরিদ্রদের অনাহারে রাখার এর থেকে ভালো উপায় আর হয় না।
২০০৮ সালের ৪ঠা জুলাই, বিশ্বব্যাংকের গোপন প্রতিবেদনঃ বিশ্বে খাদ্যোর মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী জৈব জ্বালানি। জৈব জ্বালানির কারণেই বিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাংকের একটি গোপন প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির এ হার আগে প্রচারিত হারের চেয়ে অনেক বেশি। লন্ডনের বিখ্যাত দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান গতকাল শুক্রবার প্রতিবেদনটি ফাঁস করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে ২০০২ সাল থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে খাদ্যের দাম ১৪০ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনে হিসাব করে দেখানো হয়েছে, খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি দায়ী মাত্র ১৫ ভাগ, যেখানে জৈব জ্বালানি দায়ী ৭৫ ভাগ। খাদ্য দিয়ে জৈব জ্বালানি তৈরী বন্ধ না করলে খাদ্যের মূল্য আরো বাড়তে থাকবে।
২০০৫ সালের ১৩ই নভেম্বর, বাংলাদেশের জনসংখ্যা-১৫,০২,৬০,০০০ (পনের কোটি দুই লক্ষ ষাট হাজার) জন ছিল। ২০০৬ সালের ১৩ই নভেম্বর, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৫,২৭,৬০,০০০(পনের কোটি সাতাশ লক্ষ ষাট হাজার)। ২০০৭ সালের ১৩ই নভেম্বর, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল-১৫,৫২,৬০,০০০(পনের কোটি বায়ান্ন লক্ষ ষাট হাজার)। ২০০৮ সালের ১১ই জুলাইতে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৫,৬৯,২৬,৬৬৭ (পনের কোটি উনসত্তর লক্ষ ছাব্বিশ হাজার ছয়শত সাষট্টি) জন থেকে বেড়ে ২০৫০ সালে হবে ২৬.৫৪(ছাব্বিশ কোটি চুয়ান্ন লক্ষ)। পৃথিবীর ৪২.৯২ ভাগের ১ ভাগ লোক বাস করে বাংলাদেশে। প্রতি বছর পৃথিবীতে লোক বাড়ে ৭(সাত) কোটি ৮০(আশি) লক্ষ আর বাংলাদেশে বছরে লোক বাড়ে ২৫(পঁচিশ) লক্ষ। পৃথিবীর জনসংখ্যার ৩১.২০ ভাগের ১ ভাগ লোক বাড়ে বাংলাদেশে। পৃথিবীর ৪২.৯২ ভাগের ১ ভাগ লোক বাস করে বাংলাদেশে এবং পৃথিবীর হারে লোক বাড়লে বাংলাদেশে লোক বাড়ত বছরে ১৮,২৫,৪১৫ জন। পৃথিবীর ২৩০টি রাষ্ট্রের মধ্যে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র ১৯৩টি এবং জাতি ২০০টি। জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের ৭ম স্থানে আছে আর অর্থনীতির দিক থেকে ৪৫তম স্থানে আছে। বাংলাদেশ পৃথিবীর কাছ থেকে যায়গা পেয়েছে ৯৯৫ ভাগের ১ ভাগ ৫৭,২৯৫ বর্গমাইল আর জনসংখ্যার অনুপাতে যায়গা পাইত ১৩,২৮,৭৫৮ বর্গমাইল। বুর্জোয়া বিকাশ হলেও আমাদের অর্থনীতি ৭ম স্থানে থাকার কথা ছিল। আমরা বিশ্ব নাগরিক-কথায় বলা হয় কিন্তু বাস্তবে না। বিশ্ব নাগরিক হলে বিশ্বের যা কিছু আছে-তাঁর সবকিছুরই সমান ভাগ পেতাম।
২০০৮ সালের ২২শে আগষ্ট, বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর বড়বাড়ির জনসংখ্যা হলো-১,৩০৮(এক হাজার তিনশত আট) জন, এরমধ্যে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সংখ্যা-৬৪ জন এবং বিবাহিতা মেয়েরা স্বামীরবাড়িতে বাস করে-২৪৪ জন। ভেলানগর বড়বাড়ির প্রকৃত জনসংখ্যা-১,০০০(এক হাজার) জন। বিদেশ ও শহরে বাস করে ৪৮৫ জন, গ্রামে বাস করে প্রায়-৫১৫ জন। ভেলানগর গ্রামের মোট জনসংখ্যা হলো-৭,২৩৬(সাত হাজার দুইশত ছয়ত্রিশ) জন এরমধ্যে বিবাহিতা মেয়েরা স্বামীরবাড়িতে বাস করে-১,২৬৫ জন, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সংখ্যা-৩২১ জন। ভেলানগর গ্রামের প্রকৃত জনসংখ্যা-৫,৬৫০ জন এরমধ্যে গ্রামে বাস করে প্রায়-৩,৩৪৯ জন এবং বিদেশ ও শহরে বাস করে-২,৩০১ জন। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জনসংখ্যা হলো-প্রায়-৪,৩৯,৯৫০(চার লক্ষ উনচল্লিশ হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন এরমধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাস করে প্রায়-২,৮৫,৯৬৮(দুই লক্ষ পঁচাশি হাজার নয়শত আষট্টি) জন এবং শহর ও বিদেশে বাস করে-১,৫৩,৯৮২(এক লক্ষ তিপ্পান্ন হাজার নয়শত বিরাশি) জন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার জনসংখ্যা হলো প্রায়-৩২(বত্রিশ) লক্ষ এরমধ্যে শহর ও বিদেশে বাস করে প্রায়-১১,২০,০০০(এগার লক্ষ বিশ হাজার)জন বাংলাদেশের জনসংখ্যা হলো-১৫,৬৯,২৬,৬৬৭(পনের কোটি উনসত্তর লক্ষ ছাব্বিশ হাজার ছয়শত সাষট্টি) জন, শহর ও বিদেশে বাস করে প্রায়-৪,০৮,০০,৯৩৩ (চার কোটি আট লক্ষ নয়শত তেত্রিশ) জন এরমধ্যে বিদেশে বাস করে-৪০,০০,০০০(চল্লিশ লক্ষ) এবং ২০০৮ সালের ১১ই জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যা হলো-৬৭৩.৬০(ছয়শত তেহাত্তর কোটি ষাট লক্ষ)। ২০০৮ সালের ২২শে আগষ্ট-এর হিসেব অনুযায়ী, ভেলানগর বড়বাড়ির জনসংখ্যা হলো-ভেলানগর গ্রামের জনসংখ্যা-৫.৬৫(পাঁচ পয়েন্ট পঁয়ষট্টি) ভাগের ১(এক) ভাগ লোক, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জনসংখ্যার-৩৩৯.৯৫(তিনশত উনচল্লিশ পয়েন্ট পঁচানব্বই) ভাগের ১(এক) ভাগ লোক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার জনসংখ্যার-৩,২০০(তিন হাজার দুইশত) ভাগের ১(এক) ভাগ লোক, বাংলাদেশের জনসংখ্যার-১,৫৬,৯২৬.৬৮(এক লক্ষ ছাপ্পান্ন হাজার নয়শত ছাব্বিশ পয়েন্ট আষট্টি) ভাগের ১(এক) ভাগ লোক এবং পৃথিবীর জনসংখ্যার-৬৭,৩৬,০০০(সাষট্টি লক্ষ ছয়ত্রিশ হাজার) ভাগের ১(এক) ভাগ লোক হলো ভেলানগর বড়বাড়ির।
২০০৮ সালের ২২শে আগষ্ট, বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর বড়বাড়ির জনসংখ্যা-১,০০০(এক হাজার) জন থেকে বেড়ে ২০৫০ সালে ভেলানগর বড়বাড়ির জনসংখ্যা হবে প্রায়-১,৫৯০(্এক হাজার পাঁচশত নব্বই) জন। ২১০০ সালে ভেলানগর বড়বাড়ির জনসংখ্যা বেড়ে হবে প্রায়-১,৮৫০(এক হাজার পঁঞ্চাশ) জন। ২০০৮ সালের ২২শে আগষ্ট, ভেলানগর গ্রামের জনসংখ্যা ছিল(গ্রাম, শহর এবং বিদেশে বসবাসকারীসহ)প্রায়-৫,৬৫০(পাঁচ হাজার ছয়শত পঁঞ্চাশ) জন, তা' থেকে বেড়ে ২০৫০ সালে হবে প্রায়-৮,৬০০(আট হাজার ছয়শত) জন এবং ২১০০ সালে ভেলানগর গ্রামের জনসংখ্যা বেড়ে হবে-৯,৯০০(নয় হাজার নয়শত) জন। ২০০৬ সালে বাংলাদেশের শতকরা ২৫.৫ ভাগ লোক শহরে বসবাস করে, আগামী ২০৫০ সালে বালাদেশের শতকরা প্রায় ৬৫ ভাগ লোক শহরে বসবাস করবে। ২০০৮ সালের ২২শে আগষ্ট, ভেলানগর বড়বাড়ির জনসংখ্যা বিদেশসহ শহরে বাস করে ৪৮.৪ ভাগ তা' থেকে বেড়ে ২০৫০ সালে হবে প্রায় ৮০ ভাগ। ২০০৮ সালের ২২শে আগষ্ট, ভেলানগর গ্রামের জনসংখ্যা বিদেশসহ শহরে বাস করে ৪০ ভাগ তা' থেকে বেড়ে ২০৫০ সালে হবে প্রায় ৭০ ভাগ। ১৯০১ সালের দিকে বিশ্বে শহরবাসীর সংখ্যা ছিল শতকরা ৫ ভাগ, আর ১৯৯৯ সালে বিশ্বে শহরবাসীর সংখ্যা শতকরা ৫০ ভাগ। আগামী ২০৫০ সালের দিকে বিশ্বের লোকসংখ্যার শতকরা ৮০ ভাগ শহরবাসী হবে।তখন আমি মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকবো না।
মানুষ রাজনৈতিক জীব। প্রত্যেক মানুষের রাজনীতি করার অধিকার আছে। বর্তমান দুনিয়ায় বিজ্ঞানের আধিপত্য কোথায় নেই। খাদ্য-শস্য, জীবন যাপনের উপকরণ, অর্থনীতি, রাজনীতি, সংস্কার, বিশ্বাস সব কিছুতেই বিজ্ঞানের আলোকে ব্যাখ্যা করার প্রবনতা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিজ্ঞানই নির্ধারণ করে কোনটি সত্য আর কোনটি মিথ্যা। বিজ্ঞান হয়ে উঠছে সভ্যতার ধারক-বাহক। অথচ যখন দেখা যায় পৃথিবীর ২০০০ সালের হিসেব অনুসারে ২২৫(দুইশত পঁচিশ) জন ধনীতম ব্যক্তির মোট সম্পদের পরিমাণ হলো আয়ের দিক থেকে নিচের দিকের ৩০০(তিনশত)কোটি মানুষের বাৎসরিক আয়ের সমান, তখন প্রশ্ন জাগে বিজ্ঞানের সর্বজনীনতা কতটুকু? ২০০৬ সালের ১১ জুলাই, বিশ্বে ৬৫৮(ছয়শত আটান্ন) কোটি মানুষ বসবাস করে। ২০০৬ সালের ৭ই ডিসেম্বর, পিটিআই: বিশ্বের অর্ধেক সম্পদ দুই শতাংশ সেরা ধনীর কাছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলসিংকি ভিত্তিক বিশ্ব উন্নয়ন অর্থনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক রিপোর্টে বলা হয়, ২০০০ সালে সেরা ধনীদের এক শতাংশের মালিকানায় বিশ্বের ৪০ শতাংশ সম্পদ ছিল। ব্যক্তিগত সম্পদের উপর ব্যাপক পর্যােলাচনায় দেখা গেছে যে, ১০ শতাংশ সেরা ধনীর হাতে বিশ্বের ৮৫ শতাংশ সম্পদ রয়েছে। তুলনামূলকভাবে বিশ্বের প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যার শেষ অর্ধেেকর কাছে রয়েছে বিশ্বের সম্পদের মাত্র এক শতাংশ। ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিটি লোকের কাছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ডলার এবং জাপানে ১ লাখ ৮১ হাজার ডলার ছিল। রিপোর্টে বলা হয়, বিশ্বের সেরা ধনীরা বাস করেন উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং ধনী এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতে। ২০০৭ সালের ১০ই মার্চ, ইনকিলাব ডেস্ক: ভারত ও চীনে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা দ্বিগুণ। বিল গেটস এখনো বিশ্বের সেরা ধনী। সূত্র: এপি, এএফপি, রয়টার্স, বিবিসি। বিল গেটস পর পর ১৩ বছর ধরে ধনীদের মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে ছিলেন। তার সম্পদের পরিমাণ হচ্ছে ৫ হাজার ৯শ' কোটি ডলার। বিল গেটস-এর দৈনিক আয় হচ্ছে-১(এক) কোটি ৯২(বিরানব্বই) লক্ষ ডলার। ২০০৭ সালের ৪ঠা জুলাই, ফরবস ম্যাগাজিনের তালিকায় এবার মাইক্রোসফটের কর্ণধার বিল গেটসকে টপকিয়ে লেবানিজ বংশদ্বূত মেক্সিকোর অভিবাসী কার্লোস স্লিম হেলুর সম্পদের পরিমান ৬০.৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ধনীদের মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছেন। তারপর লেবানিজ বংশদ্ভূত মেক্সিকোর অভিবাসী কার্লোস স্লিম হেলুকে টপকিয়ে মাইক্রোসফটের কর্ণধার বিল গেটস আবার সেরা ধনীর তালিকায়। ১৯৮৭ সালে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ছিল-৯৮ জন, তা থেকে বেড়ে ২০০০ সালে ছিল-২২৩ জন এবং ২০০৭ সালের ১৮ই মার্চ-বিশ্বে এখন রেকর্ড সংখ্যক-৯৪৬ জন বিলিয়নিয়ার রয়েছেন। এটা গত বছরের তুলনায় ১৫০ জন বেশী। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাগাজিন ফোরবস-এর তালিকায় দেখা গেছে ভারত ও চীনে শত কোটিপতি বিলিয়নিয়ারদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ৪র্থ স্থান দখলকারী মিত্তালের সম্পদের পরিমাণ ৩ হাজার ৬শ' কোটি অর্থাৎ ৩৬ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় স্থান দখলকারী চীনের কাগজ উৎপাদনকারী ইয়ান চেউং এবং হংকং-এর সম্পদশালী লি কা-শিং-এর সম্পদ মেলালে তা ৪ হাজার ১শ' কোটি অর্থাৎ ৪১ বিলিয়ন ডলার। ২০০৮ সালের ৭ই মার্চ-বিশ্বে এখন ১,১২৫ জন বিলিয়নিয়ার আছে। গত বছরের তুলনায় ১৫৯ জন বেশী। ২০০৮ সালে বিল গেটসকে টপকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পল ওয়ারেন বাফেট বিশ্বের সেরা ধনী এবং তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬২০০ কোটি ডলার। লেবানিজ বংশদ্বূত মেস্কিকোর অভিবাসী কার্লোস স্লিম হেলু(২য় স্থান) এবং তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬,০০০ কোটি ডলার, বিল গেটস(৩য় স্থান) এবং তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৫,৮০০ কোটি ডলার, ৪র্থ স্থান দখলকারী ভারতীয় বংশদ্ভূত লক্ষ্ণী মিত্তালের সম্পদের পরিমাণ ৪,৫০০ কোটি ডলার, ভারতের মুকেশ আম্বানি(৫ম স্থান) তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৪,৩০০ কোটি ডলার। ২০০৭ সালে আমেরিকায় ধনেকুবেরের সংখ্যা ছিল-৪১৫ জন এবং ২০০৮ সালে তা থেকে হয়েছে-৪৬৯ জন। দ্রব্য উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা আর ডলারের তুলনামূলক দুর্বলতার কারণে বিলিয়নিয়ার-এর সংখ্যায় এ বৃদ্ধি ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাগাজিন ফোরবস-এর তালিকায় দেখা গেছে ভারত ও চীনে শত কোটিপতি বিলিয়নিয়ারদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ২০০৭ সালে ভারতের ৩৬ জন বিলিয়নিয়ার ছিল, আর ২০০৮-এ ৫৩ জন তালিকাভুক্ত হওয়ায় গত দু'দশকে এ প্রথম এশিয়ার কোন দেশ জাপানকে টপকে গেল। এশিয়ার শীর্ষ ধনী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন ভারতীয় লক্ষ্ণী মিত্তাল। ফোরবস বলেন, ''মানব ইতিহাসে এটা সবচেয়ে ধনাঢ্য তালিকা। এদের হাতে পুঞ্জীভূত সম্পদের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার হয়েছে। ২০০৮ সালের ২৭শে জুন, সমকাল পত্রিকার রিপোর্টঃ বিশ্বে ১(এক) কোটি ১০(দশ) লক্ষ কোটিপতি আছে-যার সম্পদের পরিমাণ-১(এক) কোটি ডলারের উপরে। এরমধ্যে চীনে-৪(চার) লক্ষ ২২(বাইশ) হাজার, ব্রাজিলে-১(এক) লক্ষ ৩০(ত্রিশ) হাজার ও ভারতে-১(এক) লক্ষ ২৭(সাতাশ) হাজার।