চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মোহাম্মদ আবু ঈসা(কচি) ও মিসেস নার্গিস বেগম এর ১(এক) ছেলে ২(দুই) মেয়ে।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
আবুল খায়ের মোস্তফা(প্রমী), ৮ম শ্রেণীতে পড়ে১৯৯২-
সৈয়দা আফিফা(নাসিতা), এইস.এস.সি. ১ম বর্ষে পড়ে কলেজে১৯৮৯-
নৌশিন,২০০১-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।ডা. মোহাম্মদ আবু কাউসার(কাউসার) ও মিসেস(ডাঃ) শাহানারা করিম এর ১(এক) ছেলে ১(এক) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
তাহসিন আবেদ,২৯-০৭-২০০৪-
সাদিয়া তাসনিম১০-০২-২০০১-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মোহাম্মদ আবু তালেব(ইকরাম) ও মিসেস লায়লা তাসমিন(রুবি) এর ১(এক) মেয়ে।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
ফারিয়া(তাসনুভা),০১-০৭-২০০৪-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

বাবুলের স্ত্রী মিসেস খোরশেদা বেগম(ডালিয়া) একজন উচ্চ শিক্ষিত এবং আদর্শ গৃহিনী। তার হাতের খাবার খুবই মজাদার। আমি যখনই তার বাসায় গিয়েছি-তখনই সে তার হাতে তৈরী খাবার পরিবেশন করেছে। আমি একদিনও তার বাসা থেকে না খেয়ে আসতে পারিনি। ঐদিন আমি এবং ইমন চৌধুরী বাবুলের বাসায় গিয়েছিলাম ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্ত্বীয়-স্বজন'' এ বইয়ের তালিকা তৈরী করতে। সেদিনও ০৬-০৫-২০০৬ তারিখ রাত ৮ ঘটিকার সময় শান্তিনগর ইস্টার্ণ টাওয়ারে আমার খালাত ভাই মোহাম্মদ আবু মুসা(বাবুল) ও মিসেস ডালিয়ার সাক্ষাতকার নেই আমি এবং আমার সাথে ইমন চৌধুরীকে নিয়ে। সেদিনের রাত্রের খাবার বাবুলের স্ত্রী আমাদেরকে না খেয়ে আসতে দেয়নি। এবং ঐদিনের রাত্রের খাবার বাবুলের বাসায় খেয়ে চলে আসি। তারপর টেলিফোন ও মোবাইলের মাধ্যমে আমার কাজ করতে হয়েছে।

।মিসেস নূরুন নাহার চৌধুরী(ধীরন) ও স্বামী-মরহুম আবু নাসের ওয়াহিদ(আবদু মিয়া)এর ৬(ছয়) ছেলে ৪(চার)।

।মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মোহাম্মদ যাকারিয়া, এস.এস.সি. কানাডা প্রবাসী ও মিসেস চৈতীর বাড়ী-দাউদকান্দি,১৯৬০-
কুমিল্লা
মোহাম্মদ কিবরিয়া, এস.এস.সি., কানাডা প্রবাসী ও মিসেস নাহিদ এর বাড়ী-পাবনা১৯৬৬-
মোহাম্মদ টিপু সুলতান, বি.এ., কানাডা প্রবাসী ও মিসেস লুনা-এর বাড়ী-দাউদকান্দি,১৯৬৮-
কুমিল্লা
মোহাম্মদ অপু, এস.এস.সি., কানাডা প্রবাসী ও মিসেস জুলিয়া বেগম এর১৯৭১-
বাড়ী-রাজাবাড়ী, মুরাদনগর
মোহাম্মদ সেপু,সি.এ. পাশ, কানাডা প্রবাসী ও মিসেস সম্পা-এর বাড়ী-ফেনী১৯৭৩-
মোহাম্মদ তপু, বি.বি.এ., কানাডা প্রবাসী ও মিসেস বণ্যা, কানাডাতে অধ্যাপনা করে-এর১৯৭৫-
বাড়ী-রাজশাহী
মিসেস আলেয়া বেগম, এস.এস.সি. চাকুরী করে ও স্বামী-মোঃ ফরিদউদ্দিন ভূইয়া এর১৯৫৩-
বাড়ী-কুমিল্লা
মিসেস জাহানারা রশীদ(চুনু), এস.এসসি., ও স্বামী-হারুনুর রশীদ(গ্রাম-শিমরাইল,১৯৫৫-
পোঃ-শিমরাইল, থানা-কসবা, প্রাক্তন জেলা ম্যানেজার, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক)
মিসেস রওশন আরা বেগম(নিপু), ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া ও স্বামী-মোঃ হেলালউদ্দিন১৯৬৩-
মজুমদার, ব্যবসা -এর বাড়ী-ফেনী
মিসেস মনোয়ারা বেগম(মনি), সি.এ. কানাডা প্রবাসী ও স্বামী-মোঃ আনিসুর রহমান,১৯৭৪-
এম.এ.(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) -এর বাড়ী-বাসাবো, ঢাকা

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মোহাম্মদ যাকারিয়া ও মিসেস চৈতীর ১(এক) ছেলে ১(এক) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মোহাম্মদ রাহাত,২০০১-
উষা,১৯৯৫-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মোহাম্মদ কিবরিয়া ও মিসেস নাহিদ এর ২(দুই) ছেলে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মোহাম্মদ হাসান১৯৯২-
মোহাম্মদ নাদিম১৯৯৯-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মোহাম্মদ টিপু সুলতান ও মিসেস লুনা এর ২(দুই) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
তুষা,১৯৯৪-
এশা,২০০২-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মোহাম্মদ অপু ও মিসেস জুলিয়া বেগম এর ১(এক) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
রৌশণী,১৯৯৪-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মোহাম্মদ সেপু ও মিসেস সম্পা বেগম-এর ১(এক) ১(এক) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মোহাম্মদ আরিফ২০০১-
আনিসা১৯৯৯-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মোহাম্মদ তপু ও মিসেস বণ্যা-এর ১(এক) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
বেবি২০০৫-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মিসেস আলেয়া বেগম ও স্বামী-মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন ভূইয়া-এর ২(দুই) ছেলে ১(এক) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মোহাম্মদ মাহাবুব, বি.এ.,১৯৭১-
মোহাম্মদ মাসুদ, এস.এসসি.,১৯৭৪-
মিসেস লিপি, এস.এস.সি., ও স্বামী-মোহাম্মদ মুরাদ, নোয়াখালী১৯৭২-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মিসেস জাহানারা বেগম(চুনু) ও স্বামী-মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ-এর ৩(তিন) ছেলে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মামুনুর রশীদ(মামুন), বি.এস-সি. (চাকুরী বাংলাদেশ নেভীতে) ও মিসেস১৮-০৩-১৯৭৫-
আসমা বেগম, এইচ.এস.সি.
আমিনুর রশীদ(বাবু), এম.এ.(ফাইন আর্টস), চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে০৯-০১-১৯৭৭-
আফানুর রশীদ(হিমেল), ১ম বর্ষ সম্মান, চারুকলা ইনস্টিটিউট, ঢাকা৩০-১০-১৯৮৭-
বিশ্ববিদ্যালয়

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মিসেস রওশন আরা বেগম(নিপু) ও স্বামী-মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন মজুমদার- এর ২(দুই) ছেলে ১(এক) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মোহাম্মদ শাহজালাল(সোহাগ), বি.এ.,১৯৮১-
মোহাম্মদ সবুজ, আই.এ.,৩০-১০-১৯৮৭-
সাফি, কেজিতে পড়ে,১৯৯৮-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মিসেস মনোয়ারা বেগম ও স্বামী-মোহাম্মদ আনিসুর রহমান-এর ১(এক) ছেলে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
আইমান২০০৫-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

০১-০৫-২০০৬ তারিখ বিকেল ৫ঘটিকার সময় ৭৮নং পূর্ব বাসাবো-আমার ছোট খালার বাসায় যেয়ে-আমার খালাত বোন মিসেস জাহানারা রশীদ(চুনুর) সাক্ষাতকার নেই ইমন চৌধুরীকে সাথে নিয়ে আমি মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)।

২০-০৬-২০০৬ তারিখ আমি মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) সন্ধ্যা ৭-০০ঘটিকার সময় ৭৮নং পূর্ব বাসাবোতে যেয়ে দ্বিতীয় দফা আমার খালাত বোন মিসেস জাহানারা রশীদ(চুনু) এবং তার স্বামী-হারুনুর রশীদ(গ্রাম-শিমরাইল, পোঃ-শিমরাইল, থানা-কসবা, প্রাক্তন জেলা ম্যানেজার, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক-এর সাথে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছি। আসার সময় তাদের দু'জনকে আগামী ২৪-০৬-২০০৬ তারিখ শান্তিনগরে আবু মুসার বাসায় উপস্থিত থাকার আহবান জানিয়ে চলে আসি। কিন্তু মুসার বাসায় গত ২৪-০৬-২০০৬ তারিখের সভা অনুষ্ঠিত হয়নি-কারণ মুসা ঐদিনের সভায় উপস্থিত থাকতে পারবে না জানিয়েছে। তারপর আমি সাথে সাথে আমার খালাত বোন মিসেস জাহানারা রশীদ(চুনু) এবং তার স্বামী-হারুনুর রশীদকে টেলিফোনে জানিয়ে দেই যে, বাবুলের বাসার সভা পরিবর্তন করা হয়েছে। আমি এবং ইমন চৌধুরী ২৪-০৬-২০০৬ তারিখ আমার বাসায় বসে আলাপ-আলোচনা করি এবং এ বইয়ের কাজকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাই।

।জনাব মোহাম্মদ হাফিজ-উদ-দীন চৌধুরী ও মিসেস হালিমার মা'র ৪(চার) ছেলে ২(দুই) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
জনাব মোহাম্মদ নওয়াব চৌধুরী ও মিসেস রওশন আঞ্জুমান খাতুন(মিলন)-এর বাড়ী১৯১৪১২-০১-১৯৯৪
বাঁশগাড়ী, রায়পুরা, নরসিংদীজন্ম-১৯১৯ সালে, মৃত্যু-২৫-০৪-২০০৫ সালে
জনাব হাঁজী মোহাম্মদ রুক্কু চৌধুরী ও মিসেস হনুফা বেগম-এর বাড়ী আহমদপুর,১৯২৬৩০-০৫-২০০৭
জন্ম-১৯৪০ সালে, মৃত্যু-১৬-০২-২০০৫ তারিখ
জনাব মোহাম্মদ শুনো চৌধুরী,১৯২৮১৯৩৮
জনাব মোহাম্মদ শুক্কু চৌধুরী ও মিসেস হোসনা বেগম-এর বাড়ী-মাধবপুর,১৯৩০-
ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লাজন্ম-১৯৪৮ সালে, মৃত্যু-১৪-১১-১৯৯৬
মিসেস চৌধুরী বেগম, বিয়ে দিয়েছে ছতরা, আখাউড়া, স্বামী-মোহাম্মদ মাজেদ১৯১৮২৬-০২-২০০২
সরকার(মাজেদ মাষ্টার)
মিসেস চৌধুরী মিরণ বেগমকে বিয়ে দিয়েছে মকিমপুর, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা১৯৩৫-
স্বামী-মোঃ মজনু মিঞা

উপরোক্ত ৫(পাঁচ)ভাই-বোন এ বংশের ৬ষ্ঠ পুরুষ।

জনাব মোহাম্মদ নওয়াব চৌধুরী(নওয়াব মামা) ছোট বেলায় ফুটবল খেলায় পারদর্শী ছিলেন এবং এ মামার জীবনে একমাত্র ফুটবল খেলা ছাড়া আর কোন প্রকার কাজ তিনি করেননি। ১৯৫৪ সালের দিকে নওয়াব মামা আমাদের বাড়ীতে আসে সাইকেল চালিয়ে। তখন পূর্ব-পাকিস্তানে যুক্ত-ফ্রন্টের নির্বাচন এর সময়। নওয়াব মামার সাইকেলে আমার ডান হাতের আঙ্গুল চেইনের মধ্যে ঢোকে যায়। তখন আমাদের বাড়ীর লোকজন সবাই ছুটে যায় ডাক্তার খানায় ডা. সিরিস বাবুর এখানে যেয়ে বলে যে, সোবহান মাষ্টার সাহেবের বড় ছেলের ডান হাতের আঙ্গুল সাইকেলের চেইনের ভিতর ঢোকে গেছে। এখন আপনি আঙ্গুল অক্ষত অবস্থায় বাহির করতে হবে। ডাঃ সাহেব আমার আঙ্গুল অক্ষত অবস্থায় বাহির করে দেন। নওয়াব মামাকে আমাদের বাড়ির সকলেই জানতেন, চিনতেন এবং ভাল বাসতেন। নওয়াব মামাকে আমার বাবার আত্মীয়-স্বজনরা সবাই আমার মায়ের আপন ভাই হিসেবে জানতেন। আমরাও ছোট সময় নওয়াব মামাকে আপন মামা হিসেবে জানতাম। এখন মাঝে মধ্যে অনেকে আমাদেরবাড়ির প্রবীণ কিছু লোকজনরা এবং আমাদের ফুফাত ভাইয়েরা জিজ্ঞাসা করে যে নওয়াব মামা বেঁচে আছে। কিছুদিন পূর্বে আমি সুক্কু মামার ছেলে ইমন চৌধুরীকে নিয়ে জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া ভাইয়ের বাসাই যাই এবং বলি যে-ওর বাড়ি আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি-তখন সাথে সাথে যাকারিয়া ভাই বলে উঠেন যে নওয়াব মামার ছেলে। আমিও সাথে সাথে উত্তর করি যে-নওয়াব মামার ছোট ভাই শুক্কু মামার ছেলে। উনি আমাদের সাথে আহমদপুর সম্পর্কে অনেক কিছু আলাপ-আলোচনা করেন। আরও একটু বলতে হয় যে-আমার মেয়ে তাণিয়া ১৯৮২ সালে তার মামা নাজিমুদ্দিনের সাইকেলে ডান হাতের আঙ্গুল ঢুকিয়ে দেয়। ডান হাতের আঙ্গুল সাইকেলের চেইনের ভিতর ঢোকানোর পর কান্না-কাটি শুরু করে দেয়। ঐদিন আমি বাসায় ছিলাম এবং আমি সাইকেলের চেইন উল্টা ঘুড়িয়ে তার আঙ্গুল অক্ষত অবস্থায় বাহির করেছিলাম। আমার ছোট সময়ের স্মৃতির একটি ঘটনা বর্ণনা করতে যেয়ে আমার মেয়ের ঘটনাটি বর্ণনা করলাম-তাতে আপনারা মনে কষ্ট নিবেন না।

।জনাব মোহাম্মদ নওয়াব চৌধুরী ও মিসেস রওশন আঞ্জুমান খাতুন(মিলন)এর ১(এক) ছেলে ৪(চার) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
শাহ আলম চৌধুরী, এস.এস.সি., ইতালি-প্রবাসী ও মিসেস আয়েশা১৯৫৫-
চৌধুরী(রোজী), এস.এস.সি.-এর বাড়ী দনিয়া-ঢাকারোজীর
জন্ম-০১-০১-১৯৭২
মিসেস চৌধুরী আরজুমান-বাণু(পারুল), বিয়ে দিয়েছে বলদিবাড়ী,১৯৪৩বাসা-টেলিঃ
নবীনগরবিয়ের তারিখ-২০-০১-১৯৬০-স্বামী-হাঁজী মোহাম্মদ ইদ্রিস,৯৬৭৩২৬০
জন্ম-১৯৩০ সালে
মিসেস ফকরু চৌধুরী, বিয়ে দিয়েছে হাঁজীপুর,স্বামী-আবদু মিয়ার১৯৪৭১৯৮১
জন্ম-১৯৩৫ সালে, মৃত্যু-২০০৩
মিসেস চৌধুরী হালিমা খাতুন, এস.এস.সি., বিয়ে দিয়েছে কেরানীগঞ্জ,০১-১১-১৯৫৮বাসা-টেলিঃ
ঢাকা-স্বামী-সৈয়দ আহমদ, জন্ম-১৯৫৫ সালে, মৃত্যু-১৯-০৮-১৯৯৬৯৬৭৬৩৮৬
মিসেস নাসিমা চৌধুরী, ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত, বিয়ে দিয়েছে-সিদলাই,০১-০৭-১৯৬০বাসা-টেলিঃ
ব্রাম্মণপাড়া, কুমিল্লা-বর্তমান ঠিকানাঃ-ভূতেরগুলি, ধানমন্ডি,৯৬৬৯৯৭৩
ঢাকা-স্বামী-মোঃ ফারুক হোসেন, জন্ম-১৯৫৭ সালে, মৃত্যু-২০০৪

উপরোক্ত ৫(পাঁচ)ভাই-বোন এ বংশের ৭ম পুরুষ।

আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির জামাইদের মধ্যে আমার চেনা-জানা হাঁজী মোহাম্মদ ইদ্রিস ভাল-লোক। আমি উনাকে চিনি ১৯৬৫ সাল থেকে আজ অবধি। উনার মুখে আমি কোনদিন কটুবাক্য শুনিনি। উনার সব-সময় আমি হাসি-মুখ দেখেছি। উনার ভেতর এবং বাহির এক। উনি আমার সম্পর্কে দুলাভাই। সারাজীবন সাদাসিদেভাবে জীবন-যাপন করছে। উনার জীবনে কোন অহংকারভাব লক্ষ্য করা যায়নি। উনি ঢাকাতে আসছে ১৯৫৪ সালে। তখন উনি আরমানিটোলা মেসবাড়ীতে থাকতেন। উনি বিয়ে করেন আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে নওয়াব মামার বড় মেয়ে পারুল আপাকে। উনাদের বিয়ে হয় ২০-০১-১৯৬০ তারিখ। বিয়ের ৩(তিন) মাস পর শেখ সাহেব বাজার এর নিকট ভাড়াটিয়া বাসায় উঠেন। ১৯৬২ সালে ৪২নং আজিমপুর নয়া পল্টন-এ যায়গা কিনে-ঐ বছরই একটি টিনের ঘর ও একটি টিনসেড বিল্ডিং তৈরী করে-নিজের বাড়িতে চলে আসেন। তারপর ১৯৭০-১৯৭১ সালে বর্তমান বিল্ডিং তৈরী করে স্বাধীনতার পর এ বাসায় উঠেন। উনি ঢাকাতে আসার পর থেকে কেমিক্যালস- এর ব্যবসার সাথে জড়িত হন এবং স্বাধীনতার পর ট্যানারি প্রতিষ্ঠা করেন। এখনও উনার ক্যামিকেলস এবং ট্যানারির ব্যবসা দুটোই আছে। বর্তমানে উনার ব্যবসা দেখাশুনা করে একমাত্র ছেলে মাহমুদ-উল-হক(মাহমুদ)।

।জনাব শাহ-আলম চৌধুরী ও মিসেস আয়েশা চৌধুরী(রোজী)র ২(দুই) ছেলে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মশিউর আলম চৌধুরী(রনভী), ১০ শ্রেণীতে পড়ালেখা করে০৭-১০-১৯৯১-
জুবায়ের আলম চৌধুরী, ৩য় শ্রেণীতে পড়ে২১-০৯-১৯৯৭-

উপরোক্ত ২(দুই)ভাই এ বংশের ৮ম পুরুষ।

।মিসেস আরজুমান বাণুর(পারুল) ও স্বামী-হাঁজী মোহাম্মদ ইদ্রিস-এর ১(এক) ছেলে ৭(সাত) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মাহমুদ-উল-হক(মাহমুদ), এম.এ., পেশা-ব্যবসা ও মিসেস ইশরাত আহমেদ(মিম),১৯৬৯-
এস.এস.সি.,-এর বাড়ী-চাঁদপুর
মিসেস বিলকিশ বেগম, এস.এস.সি.,বিয়ে দিয়েছে-নোয়াখালী-স্বামী-মোহাম্মদ ইউসুফ,১৯৬১-
পেশা-ব্যবসা
মিসেস ফেরদৌসী বেগম, এম.এ., বিয়ে দিয়েছে-নোয়াখালী-স্বামী-মোহাম্মদ১৯৬৩-
মোহসিন(বাবুল), পেশা-ব্যবসা
মিসেস আঞ্জুমান আরা বেগম(অঞ্জুনি), বি.এ., বিয়ে১৯৬৬-
দিয়েছে-নোয়াখালী-স্বামী-মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান (খোকন)-প্রবাসী-আমেরিকা
মিসেস রোকসানা বেগম, এস.এস.সি., বিয়ে দিয়েছে-রায়পুরা,১৯৭৩-
নরসিংদী-স্বামী-মোহাম্মদ আলমগীর, পেশা-ব্যবসা
মিসেস সালমা বেগম, এস.এস.সি., বিয়ে দিয়েছে দেবীদ্বার-স্বামী-মোহাম্মদ লুৎফুল১৯৭৬-
করিম, প্রবাসী-আমেরিকা
মিসেস মনিরা বেগম, এস.এস.সি., বিয়ে দিয়েছে কলাবাগান, ঢাকা-স্বামী-মোহাম্মদ১৯৭৮-
দেলোয়ার হোসেন, পেশা-ব্যবসা
কানিজ ফাতেমা(রুমি), এইচ.এস.সি.তে পড়ে১৯৮০-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মিসেস ফকরু চৌধুরীর ৩(তিন) ছেলে ৪(চার) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মোহাম্মদ শাহিন১৯৭০-
মোহাম্মদ স্বপন১৯৭২-
মোহাম্মদ মাসুম১৯৮০-
মিসেস শিরিন বেগম১৯৬৭-
মিসেস মিলি বেগম১৯৭৪-
মিসেস মনোয়ারা বেগম১৯৭৬-
মিসেস মিনু বেগম১৯৭৮-

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মিসেস চৌধুরী হালিমা খাতুন ও স্বামী-মরহুম সৈয়দ আহমদ-এর ১(এক) ছেলে ২(দুই) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
আসিফ আহমদ, এইচ.এস.সি., বি.ডি. আর পাবলিক রাইফেলর্স কলেজে পড়ে-০৬-০৫-১৯৮৯-
হুমায়রা আহমেদ(চৈতী), সম্মান ৪র্থ বর্ষ(হিসাব বিজ্ঞান), শেখ বোহানউদ্দিন৩১-০৫-১৯৮৪-
কলেজ, ঢাকা
উম্মে হাবিবা(ঋৃতু), সম্মান ৩য় বর্ষ(হিসাব বিজ্ঞান), ইডেন মহিলা২৬-০১-১৯৮৬-
মহাবিদ্যালয়,আজিমপুর

চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন।

।মিসেস নাসিমা চৌধুরী ও স্বামী-মরহুম মোহাম্মদ ফারুক হোসেন(ফারুক) এর ২(দুই) মেয়ে:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
সামিয়া ফারুক, এইচ.এস.সি., লেখাপড়া করে২৪-০৮-১৯৮৮-