আসুন এ প্রশ্ন উত্থাপন করি আমাদের শ্রমের মধ্যে, আমাদের চিন্তার মধ্যে। আমাদের যৌথ আর সামাজিক বিশেস্নষণে সমৃদ্ধ হউক আমার/আপনার বিজ্ঞান চিন্তা। বিকশিত হউক মানবিক সাম্যের এসব দ্বান্দ্বিক প্রশ্নোত্তরের রূপায়ন আমাদের মাঝে বিজ্ঞান চেতনা বাড়িয়ে তোলে। বস্তুর প্রতিনিয়ত বিকাশ হচ্ছে। সমাজের নিয়ম হলো উৎপাদন এবং পুনঃউৎপাদন। চিরন্তন বলে কিছুই নেই। সব কিছুই পরিবর্তনশীল। আমাদের দেশের সম্পদের অপচয়, সমাজের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীিত, স্বজনপ্রীতি, অব্যবস্থা এবং অনৈতিক কাজ বন্ধ করতে হবে নতুবা ততদিন বাংলাদেশের বেকারত্ব ও দারিদ্র দূর হবে না। বেকারত্ব ও দারিদ্র দূর করতে হলে-সম্পদের অপচয় রোধ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীিত, স্বজনপ্রীতি, অব্যবস্থা ও অনৈতিক কাজ বন্ধ করতে হবে নতুবা বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রকৃত উন্নয়ন মানে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার গ্যারান্টি সবার জন্য করতে হবে। তখনই বাংলাদেশ হবে প্রকৃতপক্ষে ''সোনার বাংলা''। নতুবা সবই কথার কথা ও ফাঁকাবুলি ছাড়া আর কিছু নয়।
মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর
ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর),ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি)।
।১৭৪০ সাল থেকে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের আমার জানা কিছু তথ্য নিম্নে উপস্থাপন করা হলোঃ।
।ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের সীমানা: পূর্বে খাল্লা-দরিকান্দি ও গগুলনগর গ্রাম, পশ্চিমে কালাইনগর-আসাদনগর গ্রাম,।
| দক্ষিণে রূপসদী-মিরপুর গ্রাম, উত্তরে গোটকান্দি ও চন্দলের বিল |
| ২০১৬ সালে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের লোকসংখ্যা কত- | প্রায়-২৩,০৩৯(একুশ হাজার উনচল্লিশ) জন |
| ২০১৬ সালে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে ভোটার কত | ১৪,৮৩৪ জন |
| ওয়ার্ড নং-১, ২ ও ৩ | ১-১৪৪০,২-১২১৫ ও ৩-২১০১ জন |
| ওয়ার্ড নং-৪, ৫ ও ৬ | ৪-১৪৬২,৫-১২৪৩ ও ৬-২৫৫৪ জন |
| ওয়ার্ড নং-৭, ৮ ও ৯ | ৭-১৭০০,৮-১৭০৩ ও ৯-১৪১৬ জন |
| ২০১০ সালে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে টেক্স হোল্ডার | আছে ৫,১৭৩ জন, হবে ৫,৪০০ জন |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মানুষ বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কত ভাগ | ১৫ ভাগ মানুষের এক ভাগ মানুষ |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কত ভাগ | ১৫২ ভাগের এক ভাগ মানুষ |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মানুষ বাংলাদেশের কত ভাগ | ৭,৩৭৯ ভাগের এক ভাগ মানুষ |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মানুষ পৃথিবীর কত ভাগ | ৩,১৯,০২৪ ভাগের এক ভাগ মানুষ |
| ছয়ফুল্লাকান্দির মানুষ শহরে বাস করে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত: | ৩০ ভাগ মুনুষ |
| ছয়ফুল্লাকান্দি কত ভাগ মানুষ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত বিদেশে বাস করেঃ | ৩,০০০ হাজার |
| পরিবারের সংখ্যা কয়টি: | ৪,৬০৮টি পরিবার |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে বাস করে | ৩,৬০০টি পরিবার |
| শহর এবং বিদেশে বাস করে | ১,০০৮টি পরিবার |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে শিক্ষার হার (লিখতে-পড়তে পারে তাকে বলা | ৩৩ ভাগ |
| সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি | ৮টি |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে কয়টি উচ্চ বিদ্যালয় আছে | ১টি | শাহ রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় |
| বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় | ২টি |
| কিন্ডারগার্টে স্কুল কয়টি | ৫টি |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে কয়টি লাইব্রেরী আছে | ১টি |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে কয়টি কলেজ আছে | ১টি | শাহ রাহাত আলী |
| উপজেলা সদর থেকে দুরত্ব | ০৫ কিলোমিটার |
| জেলা সদর থেকে দুরত্ব | ২৭ কিলোমিটার |
| রাজধানী শহর থেকে দুরত্ব | ৬৩ কিলোমিটার |
| সক্ষম দম্পতির সংখ্যা | ৩,৭৫০ জন |
| পুকুর ও গাতা-গর্তের সংখ্যা | ২৭টি |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ্বউিনিয়নের মধ্যে ভেলানগর গ্রামের প্রথম পুকুরটি কত | ১৮৫০ সালে ভেলানগর বড়বাড়ির |
| সালে কাটানো হয় | পুকুরটি কাটানো হয় |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মধ্যে প্রথম কুয়া কোনটি | ভেলানগর দিওয়ানবাড়ির কুয়াটি |
| কুয়া ও টিউবওয়েলের সংখ্যা | ২,০৯০টি |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের প্রথম মসজিদ কোনটি | ভেলানগর রেদিওয়ানবাড়ির মসজিদটি |
| স্বাস্থ্যসম্মত লেট্রিনের সংখ্যা | ২,৪৫৯টি |
| বিদ্যুতায়িত মানুষের সংখ্যা | হ্যাঁ (ইউনিয়নের ৭৫ ভাগ) |
| রিকসা আছে(৩১-১২-২০১৬ তারিখ) | ১৬টি |
| সিএনজি ও অটো আছে কয়টি | ৩৯টি |
| রঙ্গিন টেলিভিশনের সংখ্যা | ৫৭৯টি |
| কতভাগ লোক নিজ জমির ভাত খায় | ৩৫ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক তিন থেকে ছয় মাস খায় | ২৫ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক নিজ জমির চাল খায় না | ৫০ ভাগ লোক |
| ইউনিয়নের বয়স কত | ১৯২০ সাল বা ৯৬ বছর বয়স |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মধ্যে ভেলানগর | ৪ জন | এরমধ্যে ৩(তিন) ভাই পাকিস্তান আর্মীর ওপর অতর্কিত |
| গ্রামে ১৯৭১ সালের ১৪ জুলাই (বুধবার) | আক্রমণ করার সময়, পাকিস্তানী আর্মীর বন্ধুকের গুলিতে মারা |
| পাকিস্তান আর্মীর হাতে কতজন নিহত হন: | যান | এ ঘটনা দেখতে যেয়ে আবদুল লতিফ মিঞা গুলিতে মারা |
| যান মসজিদের নিকট রাস্তার পাশ্র্বে |
| ১৯৭১ সালের ১৪ জুলাই, (বুধবার) | ১) মরহুম আবদুল জলিল (২) মরহুম মোঃ ইসমাইল, (৩) মরহুম |
| পাকিস্তান আর্মীর গুলিতে ৪ জন ব্যক্তি শহীদ | মোঃ ইব্রাহিম ও (৪) মরহুম আবদুল লতিফ মিঞা | ১নং, ২নং ও |
| তাঁদের নামগুলো দেয়া হলো: | ৩নং তাঁরা আপন তিন ভাই ছিলেন |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে প্রথম এন্ট্রান্স পাস | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির মরহুম আবদুল্লাহ |
| কে | ডিপুটি-১৯০৮ সালে., উনার জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৮৭ |
| প্রথম জমাতুল্লা হলো ম্যাট্্রকিুলেশনের | ভেলানগর গ্রামের মরহুম অধ্যাপক মৌঃ সানাউল্লাহ ১৯১০ সালে |
| সমমান | উনার জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫২ সালে |
| প্রথম ম্যাট্রিকুলেশন পাস ছিলেন | ভেলানগর গ্রামের সরকার বাড়ির মরহুম আবদুর রাজ্জাক |
| দারোগা | উনার জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৪৯ সালে | উনি |
| ১৯১০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন |
| ১৯১২ সালে প্রথম র্গযাজুয়েট | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটি |
| প্রথম এম. এ. | ভেলানগর গ্রামের দেওয়ান বাড়ির মরহুম আবদুল্লাহ ডিপুটির |
| বড় ছেলে মরহুম ড. মাহমুদ, ডি. পি. আই, কলকাতা | উনার |
| জন্ম-১৯১৪ সালে, মৃত্যু-জনা নেই |
| প্রথম প্রফেসর | ভেলানগর গ্রামের মৌলভী মোহাম্মদ সানাউল্লাহ প্রফেসর |
| উনার জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫২ সালে |
| প্রথম অফিসার | ভেলানগর গ্রামের মরহুম খোশাল দিওয়ান | উনার জন্ম-১৭৬৫ |
| সালে, মৃত্যু-০৫-০১-১৮৪৪ তারিখ |
| প্রথম পুলিশ অফিসার | ভেলানগর গ্রামের মরহুম আবদুল্লাহ ডিপুটির দ্বিতীয় ছেলে |
| মরহুম মোহাম্মদ মাসুদ, আই. জি. পি, কলকাতা | উনার |
| জন্ম-১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| প্রথম আর্মী অফিসার | ভেলানগর গ্রামের মরহুম আবদুল্লাহ ডিপুটির তৃতীয় ছেলে |
| ব্রিগেডিয়ার রেযা, জন্ম-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে, মারা গেছেন |
| প্রথম ডাক্তার | ভেলানগর গ্রামের মরহুম সুন্দর মিঞা দিওয়ানের ছেলে গ্রুপ |
| ক্যাপ্টেন (অব.) ডা. নিজাম-উদ-দীন (মাযহারুল হক), উনার |
| প্রথম ইঞ্জিনিয়ার | পাড়াতুলি গ্রামের মরহুম মোঃ কেনু মাষ্টারের ছেলে মরহুম |
| মোঃ খোরশেদ আলম | তাঁর জন্ম-১৯৪৪ সালে |
| প্রথম উকিল | ভেলানগর গ্রামের মরহুম মোঃ ইউনূস খান | উনার জন্ম-১৯১০ |
| প্রথম ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিতি লাভ | ভেলানগর গ্রামের মরহুম অধ্যাপক মহি-উদ-দীন আহমদ | উনার |
| করে | জন্ম-১৯২০ সালে, মৃত্যু-১৩-১২-১৯৯৬ তারিখ |
| প্রথম অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি পায় | ভেলানগর গ্রামের মরহুম অধ্যাপক আবদুল আজীজ খান | উনার |
| জন্ম-১৯২০ সালে, মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৩ তারিখ |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মধ্যে ভেলানগর | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম-উল-হক |
| গ্রামের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ম | (মামুন), ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে |
| স্থান অধিকার | আই. এ. পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেন এবং একই ব্যক্তি |
| ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ স্থান অধিকার |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে ভেলানগর গ্রামের | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ড. |
| প্রথম হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি | মোয়াজ্জেম-উল-হক(মামুন) | মামুনের পরিচয় হলো বাঞ্ছারামপুর |
| বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন | থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ সানাউল্লাহর ছেলে |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ের মধ্যে প্রথম সচিব | ভেলানগর গ্রামের মরহুম মুস-লেহ-উদ-দীন আহম্মেদ(মানিক |
| মিঞা), উনার জন্ম-১৯২৭ সালে, মৃত্যু-১০-০৯-২০১২ তারিখ |
| প্রথম রাষ্ট্রদূত | মরহুম মুস-লেহ-উদ-দীন আহম্মেদ(মানিক মিঞা) |
| বাংলাদেশে ১ম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় | ১৯৯২ সালে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন | মরহুম |
| প্রতিষ্ঠা করেন | মুস-লেহ-উদ-দীন আহম্মেদ(মানিক মিঞা) |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে পাড়াতলি গ্রামের | পাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. আবদুল করিম(তিতু |
| কৃষি বিজ্ঞানে একজন পন্ডিত ছিলেন | মিয়া), ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করা অবস্থায় |
| (উনার জন্ম-১৯২৯ সালে, মৃত্যু-১৯৭৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর) |
| লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ১৯৬৯ সালে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের |
| আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন | অধিবাসী পন্ডিত মোঃ নূরুল ইসলাম | উনি কুমিল্লা শহরে |
| শিক্ষকতার পাশাপাশি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন |
| স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রসংশনীয় |
| ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ছিলেন সরাসরি সম্পৃক্ত | উনার |
| জন্ম-১৯১২ সালে, মৃত্যু-০২-০৫-২০০২ তারিখ |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ের মধ্যে রেডিওতে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে |
| প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | মাসিমনগর গ্রামের মোহাম্মদ দারোগ আলী | দারোগ আলীর |
| জন্ম-১৯১৫ সালে, মৃত্যু-জানা নেই | দারোগ আলীর |
| প্রথম সি. এ. | ভেলানগর বড়বাড়ির জনাব এ. কে.এম. আবদুল হাকিম, |
| প্রথম দারোগা | ভেলানগর গ্রামের সরকার বাড়ির মরহুম আবদুর রাজ্জাক |
| জন্ম-১৮৮৮, মৃত্যু-১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে |
| প্রথম মাষ্টার | ভেলানগর গ্রামের মরহুম মোঃ ইব্রাহিম মাষ্টার | জন্ম-১৮৭৫ |
| সালে, মৃত্যু-১৯৪৩ সালে ও বাংলা ১৩৫০ সালের পৌষ মাসে |
| প্রথম হেড মাষ্টার (উনি রূপসদী ফ্রি | ভেলানগর গ্রামের খাঁ বাড়ির মরহুম মৌলভী আলী আজগর খাঁ |
| প্রাইমারী স্কুলের হেড মাষ্টার ছিলেন) | উনার জন্ম-১৮৯৭ সালে, মৃত্যু-১৯৬৪ সালে |
| প্রথম হেড মাষ্টার (উনি বারদী উচ্চ | ভেলানগর গ্রামের খাঁ বাড়ির মরহুম মৌলভী সুবেদ আলী খাঁ |
| বিদ্যালয়ের হেড মাষ্টার ছিলেন) | উনার জন্ম-১৯০৬ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| প্রথম নায়েব | ভেলানগর বড়বাড়ির মরহুম মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী, জন্ম-১৮৫৮ সালের ৩১ |
| ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ |
| প্রথম আমীন | বড়বাড়ির মরহুম আবদুল খালেক আমীন, জন্ম-১৮৯৯ সালে, মৃত্যু-১৯৮৬ সালে |
| ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ, বাঞ্ছারামপুর থানার ৪র্থ জাতীয় | ১৯৮৮ সালে নির্বািচত জাতীয় সংসদ সদস্য জনাব |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) | মোঃ এ.টি.এম. ওয়ালি আশ্রাফ | উনার |
| ছিলেন | জন্ম-১৯৩৭ সালে, মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ তারিখ |
| ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার ৫ম জাতীয় | ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব এ. টি. |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) | এম. ওয়ালি আশ্রাফ | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে, |
| ছিলেন | মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ তারিখ |
| ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের, বাঞ্ছারামপুর থানার ৭ম জাতীয় | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন |
| সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) | (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু/তাজ) |
| ছিলেন | তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের ১৮ জুন |
| ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার | তাজুল ইসলাম (তরু/তাঁজ) | তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের ১৮ |
| আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন-এর ৯ম | জুন | দ্বিতীয়বার তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর |
| জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও |
| (এম.পি.) হলেন | বরিকান্দি ইউনিয়ন | ) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের |
| মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হন ০৬-০১-২০০৯ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলাবাসীর মধ্যে মন্ত্রী হওয়ার দিক থেকে |
| ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার | তাজুল ইসলাম (তরু/তাঁজ) | তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের ১৮ |
| আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন-এর ১০ম | জুন | তৃতীয়বার তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর |
| জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় | উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও |
| নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেন | বরিকান্দি ইউনিয়ন | ) |
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের প্রথম প্রেসিডেন্ট | ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের পরলোকগত শ্রী যুগেন্দ্র কুমার দত্ত |
| কে | উনার জন্ম-১৮৭৮ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ইউনিয়নের | পাড়াতলি গ্রামের মুন্সিবাড়ির জনাব মোঃ লাল মিয়া | উনার জন্ম-১৯০১ |
| প্রথম চেয়ারম্যান কে | সালে, মারা গেছেন | ১৯৬০ সালে বি.ডি. মেম্বারদের ভোটে চেয়ারম্যান |
| ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ইউনিয়নের | ভেলানগর গ্রামের বড়বাড়ির জনাব মোঃ আজহারুল হক ওরফে নসু মিয়া |
| দ্বিতীয় চেয়ারম্যান কে | উনার জন্ম-১৯২৫ সালের ২৫ জুন, মৃত্যু-১৩-০৭-১৯৭১ তারিখ | ১৯৬৪ |
| সালে বি.ডি. মেম্বারদের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বািচত হন |
| বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর | ১৯৭৩ সালে ফতেপুর গ্রামের জনাব আবদুল বাতেন | উনার জন্ম-১৯৪১ |
| ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ইউনিয়নের | সালে, মারা গেছেন | উনি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বািচত |
| প্রথম চেয়ারম্যান কে | চেয়ারম্যান |
| ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ইউনিয়নের | ১৯৭৭ সালে কাঞ্চনপুর গ্রামের জনাব মোঃ লিল মিয়া | উনার জন্ম-১৯৩৪ |
| চেয়ারম্যান কে | সালে, মারা গেছেন |
| ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ইউনিয়নের | ১৯৮৪ সালে পাড়াতলি গ্রামের জনাব মোঃ আনোয়ারুল হক ওরফে |
| চেয়ারম্যান কে | আশ্রাফুল ইসলাম | উনার জন্ম-১৯৪২ সালে |
| ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ইউনিয়নের | ১৯৮৮ সালে পাড়াতলি গ্রামের জনাব মোঃ আনোয়ারুল হক ওরফে |
| চেয়ারম্যান কে | আশ্রাফুল ইসলাম | উনার জন্ম-১৯৪২ সালে |
| ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ইউনিয়নের | ১৯৯২ সালে পাড়াতলি গ্রামের মুন্সিবাড়ির জনাব মোহাম্মদ আলী | তার |
| চেয়ারম্যান কে | জন্ম-১৯৬২ সালে |
| ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ইউনিয়নের | ১৯৯৭ সালে পাড়াতলি গ্রামের জনাব মোঃ আনোয়ারুল হক ওরফে |