১৯৯০ সালের ২২ নভেম্বর, বাংলাদেশে জরুরী অবস্থা জারি করা হয়।

১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসটি মোড়ে স্বৈরশাসকের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর গুলীতে ডা. শামসুল আলম খান মিলন শাহাদাৎ বরণ করেন।

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর, ক্রমবর্ধমান গণরোষের মুখে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সুপ্রীমকোর্টের প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর, ঐতিহাসিক 'গণতন্ত্র দিবস'। এদিনে ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, পেশাজীবি, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে তৎকালীন এরশাদ সরকারের পতন ঘটেছিল এবং জাতীয় দৈনিক পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় বলেছিল স্বৈরতন্ত্রের পতন ঘটেছিল-তখন আমি মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) বলেছিলাম যে, স্বৈরতন্ত্রের পতন হয়নি-এরশাদ সরকারের পতন হয়েছে।

২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: তিন জোটের রূপরেখা নির্বাসনে। অর্জন শুধু এরশাদের পতন! স্বৈরাচার পতনের ২৫ বছর। কেউ কথা রাখেনি। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দল, বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দল ও ওয়ার্কার্স পাটি-জাসদের নেতৃত্বে পাঁচটি বাম দল ১৯৯০ সালের ২১ নভেম্বর যৌথভাবে ওই রূপরেখা ঘোষণা করেছিল। জামায়াত তিন দলীয় জোটে না থাকলেও এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তাল মিলিয়ে অংশ নেয়। (১) সংসদীয় ব্যবস্থায় ফিরে আসাই সাফল্য-তোফায়েল আহমেদ-বাণিজ্যমন্ত্রী-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। (২) রাজনীতির ধারা বদলায়নি-রাশেদ খান মেনন, পর্যটনমন্ত্রী, বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টি। (৩) গণতন্ত্রের অধিকার আজ হাতছাড়া-মির্জা ফকরুল ইসলাম-ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, বিএনপি।

ক্রমিকঅস্থায়ী রাষ্ট্রপতি-০৬-১২-১৯৯০বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমেদ
ক্রমিকউপদেষ্টামন্ডলী-১৯৯১কফিলউদ্দিন মাহমুদ
-ঐ-ড. ফকরুদ্দীন আহমেদ
-ঐ-ডা. এম. এ. মাজেদ
-ঐ-ড. জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী
-ঐ-এ. বি. এম. জি. কিবরিয়া
-ঐ-মেজর(অব.) রফিকুল ইসলাম
-ঐ-অধ্যাপক রেহমান সোবহান
-ঐ-বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুল খালেক
-ঐ-আলমগীর এম. এ. কবীর
-ঐ-এ. কে. এম. মুসা
-ঐ-অধ্যাপক ড. ওয়াহিদ উদ্দিন আহমেদ
-ঐ-কাজী ফজলুর রহমান
-ঐ-অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ
-ঐ-ইমামউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
-ঐ-এ. এম. আনিসুজ্জামান
-ঐ-চৌধুরী এ. কে. এম. আমিনূল হক
-ঐ-বি. কে. দাশ

১৯৯১ সালের ১৪ জানুয়ারি, ডেইলি স্টারের প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ সালের ১৯ মার্চ, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া শপথ নেন।

১৯৯১ সালের ৮ মে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে স্নাতক পর্যােয় ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষা কোর্স চালু করার মাধ্যমে এ দেশে বিবিএ শিক্ষার যাত্রা শুরু হয়।

১৯৯১ সালের ৭ জুলাই, বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর-ভ্যাট আইন পাস।

১৯৯১ সালের ৬ আগষ্ট, ষোল বছর পর বাংলাদেশে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্র চালু হয়।

১৯৯১ সালের ১০ আগষ্ট, বাংলাদেশ সংবিধানের একাদশ সংশোধনী বিলে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর।

১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশে সাংবাধানিক গণভোট। লক্ষ্য: সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব। ফলাফল: প্রদত্ত ভোটের ৮৪.৩৮ ভাগ ভোটার 'হ্যাঁ' ভোট এবং ১৫.৬২ ভাগ ভোটার 'না' ভোট প্রদান করে। বাংলাদেশে গণভোট সংসদীয় পদ্ধতির পক্ষে গণ রায় প্রদান।

১৯৯১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশে দীর্ঘ ষোল বছরের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের অবসান হয়।

১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর, স্পীকার আবদুর রহমান বিশ্বাস বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৯১ সালের ৩১ ডিসেম্বর, বরিশালের সদর রোডের লুকাস বিল্ডিংয়ে গড়ে তোলা হয় প্রথম শব্দাবলী স্টুডিও থিয়েটার।

১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয়।

১৯৯২ সালের ২৮ এপ্রিল, রোহিঙ্গা শরনার্থী প্রত্যাবর্তেন বাংলাদেশ মায়ানমারের মধ্যে প্রথম চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৯২ সালে বনানীতে নর্থ সাউথ প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালের ৫ মার্চ পর্যন্ত ৭১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯২ সালের ২২ জুন, বাংলাদেশ আই. এল. ও'র সদস্য পদ লাভ করে।

১৯৯২ সাল থেকে টেলিভিশনে মিনা কার্টুনটি দেখানো হয়। ১৯৯৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, থেকে বাংলাদেশ শিশু-কিশোরদের ব্যাপক উৎসাহ উত্তীপনার মধ্য দিয়ে ২৩-০৯-২০০৫ তারিখ ''মিনা দিবস-২০০৫'' উদযাপিত হয়।

১৯৯২ সালের ১৫ জুলাই, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধনী) আইন পাস হয়।

১৯৯২ সালের ১৬ আগষ্ট, কুষ্টিয়া শিল্পনগরীতে এম. আর. এস. ইন্ডাষ্ট্রিজ লি. প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, দেশে 'সন্ত্রাসদমন অধ্যাদেশ' জারি হয়।

১৯৯২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, আহসান মঞ্জিলকে জাদুঘর হিসেবে উদ্বোধন করা হয়।

১৯৯২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, চট্টগ্রাম থেকে প্রথম বিমানের আন্তর্জািতক ফ্লাইট চালু হয়।

১৯৯২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশে কার্ড ফোন ব্যবস্থা চালু হয়।

১৯৯২ সালের ১০ অক্টোবর, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জন্ম।

১৯৯২ সালের ১ নভেম্বর, জাতীয় সংসদে সন্ত্রাস দমন বিল পাস হয়।

১৯৯২ সালে পরিবেশ নীতি ঘোষণা করা হয়।

১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি অথবা ৩১ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের পঞ্চম বিভাগ হিসেবে বরিশাল বিভাগের উদ্বোধন করা হয়।

১৯৯৩ সালের ১০ এপ্রিল, ঢাকা সপ্তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৯৩ সালের ১১ এপ্রিল, ঢাকায় সাউথ এশিয়ান প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (সাপটা) স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৩ সালের ১৭ মে, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৩ সালের ২৩ মে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে নোভেল বিজয়ী বিজ্ঞানী আবদুস সালামকে সম্মানসূচক ডিগ্রী প্রদান করা হয়।

১৯৯৩ সালে বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড গঠিত হয়।

১৯৯৪ সালের ৫ অক্টোবর, 'আপন'-এর (মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের আপনগাঁও গ্রামে অবস্থিত মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র আসক্তি পুনর্বাসন নিবাসের (আপন) ১৮তম বর্ষপূর্তি পালিত হয়েছে।

১৯৯৪ সালের ২১ অক্টোবরের তথ্যমতে: সিরাজ-উদ-দ্দৌল্লার আমল থেকে হেস্টিংস; টিপু সুলতান থেকে শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের আমল পর্যন্ত ৫-লক্ষ দলীল-দস্তাবেজে ভরপুর জাতীয় আর্কাইভ।

১৯৯৪ সালে বগুড়া ও দিনাজপুর থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে।

১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর, এক টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা চালু হয়।

১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি, ঢাকায় সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র কার্যক্রম শুরু হয়।

১৯৯৫ সালের জানুয়ারি, মুন্সীগঞ্জ জেলার মিরকাদিম পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ কোষ্ট গার্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৫ সাল থেকে ''বেগম রোকেয়া পদক'' প্রদান করা হয।

১৯৯৫ সালের ২১ মে, ''প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড'' প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৫ সালের ৪ জুলাই, ''ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড'' প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৫ সালের ১ আগস্ট, ৬ষ্ট বিভাগ হিসেবে 'সিলেট বিভাগ' প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৫ সালের ২৮ আগষ্ট, রাজা বিরেন্দ্র'র ভেঙ্গে দেয়া হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভকে পূনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে নেপালী সুপ্রীম কোর্টের রায়।

১৯৯৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, নেপালে ন'মাসের কমিউনিষ্ট সরকারের পতন।

১৯৯৫ সালের ২ অক্টোবর, বাংলাদেশ সরকার ঝঅচঞঅ অনুমোদন করে।

১৯৯৫ সালের ৩ নভেম্বর, সোসাল ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৫ সালের ২৪ নভেম্বর, দেড় বছরাধিকাল ধরে সংসদ বয়কট আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দেয়া হয়।

১৯৯৫ সালের ২৪ নভেম্বর, সোসাল ইনভেষ্টমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৯৯৬ সালের ১ জানুয়ারি, ঢাকায় প্রথম 'আন্তর্জািতক বাণিজ্য মেলা' উদ্বোধন হয়।

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।

১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ: ১৯৯১ সালের ১৯ মার্চের পর থেকে ৩০-০৩-১৯৯৬ তারিখের আগ পর্যন্ত (খালেদা জিয়া সরকারের সময়) আওয়ামী লীগ ১৭৩ দিন হরতাল পালন করেন।

১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দেয়া হয়। বিচারপতি হাবিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নিযুক্ত হন।

ক্রমিকরাষ্ট্রপতি-১৯৯৬আইনজীবী আবদুর রহমান বিশ্বাস
প্রধান উপদেষ্টা-১৯৯৬বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
উপদেষ্টামন্ডলীব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ
-ঐ-ড. মুহাম্মদ ইউনুস
-ঐ-অধ্যাপক শামসুল হক
-ঐ-সেগুফতা বখত চৌধুরী
-ঐ-এ. জেড. এম. নাসিরউদ্দিন
-ঐ-মেজর জেনারেল ডাঃ আবদুর রহমান খান
-ঐ-অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
-ঐ-সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী
-ঐ-অধ্যাপক ড. নাজমা চৌধুরী
-ঐ-জামিলুর রেজা চৌধুরী

১৯৯৬ সালের ২০ মে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি র্কতৃক সেনাবাহিনী প্রধন জেনারেল নাসিম ক্ষমতাচ্যুত হয়।

১৯৯৬ সালের ৩ জুন, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৬ সালের ১২ জুন, ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৬ সালের ৯ অক্টোবর, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৯৬ সালে গ্রামীণ শক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১২ সালের মধ্যে ১০ লাখ পরিবারের কাছে এই বিদ্যুৎসেবা পোঁছে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০ লাখ পরিবারে সৌরবিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে গ্রামীণ শক্তি। সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে প্রায় ৮০ লাখ লোক সুফল পাচ্ছে।

১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে 'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ' বাতিল করা হয়।

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর, চট্টগ্রাম টিভি উপকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।

১৯৯৭ সালের ১৪ জানুয়ারি "জন্মভূমি" সিরিয়ালের ১ম সিরিজ ডিস এন্টেনার মাধ্যমে দেখানো শুরু করে। ২০০৩ সালের ২৮ আগষ্ট, রোজ-বৃহস্পতিবার রাত্রি ৯ ঘটিকার সময় ১৫৩৬নং সিরিয়ালের মাধ্যমে শেষ হয়। সপ্তাহে ৫ দিন করে মোট ১৫৩৬টি সিরিয়ালের মাধ্যমে প্রায় ৬(ছয়) বছর এ জনপ্রিয় জন্মভূমির সিরিয়ালটি দেখানো হয়। এ সিরিয়ালের বিষয়বস্তু ছিল ময়নাগড়ের জমিদারের চরিত্র ও কাহিনী, শেরপুর জমিদারের কাহিনী এবং ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তানের সৃষ্টি। পূর্ব-পাকিস্তান থেকে হিন্দুদের ভারতের পশ্চিম-বাংলায় চলে যাওয়ার কাহিনী এবং স্বাধীন ভারতে জমিদারদের অবস্থান কোন স্থানে আছে তা দেখানো হয়েছে। এ সিরিজে যারা অভিনয় করেছে তাঁদের প্রতি আমার অন্তর থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তাঁদের অভিনয়ে আমি খুবই আনন্দ পেয়েছি-যদিও এ সিরিয়ালে শ্রেণী-সংগ্রামের কথা কোথাও নেই, তবুও আমার ভাল লেগেছে তাঁ'দের অভিনয়। আমার জীবনে এত দীর্ঘ সময় আর কোন সিরিয়াল দেখার সুযোগ হয়নি।

১৯৯৭ সালের ২৫ জানুয়ারির তথ্য-বাংলাদেশে ৮০% লোক গ্রামে বাস করে। ২০০০ সাল নাগাদ শ্রমশক্তির সংখ্যা দাঁড়াবে ১০(দশ) কোটি।

১৯৯৭ সালের ২৭ জানুয়ারি-আরব দেশসমূহে বাজেটের ৬০-ভাগ ব্যয় করে প্রতিরক্ষা খাতে।

১৯৯৭ সালের ৩১ জানুয়ারির তথ্য-২৫ বছরে পাট শিল্পে লোকসানের পরিমাণ ৩,৫০০ (তিন হাজার পাঁচশত) কোটি টাকা। গত ২৫-বছরে পাট শিল্প থেকে লুটেরা লুটপাট করেছে ১২,৫০০(বার হাজার পাঁচশত) কোটি টাকা।

২০১৫ সালের ২১ জুলাই, প্রথম আলো : সোনালি দিন ফেরেনি লোকসান বরং বাড়ছে। সংকটে সরকারি পাটকল। ৭৭৬ কোটি টাকা লোকসান গত তিন বছরে ২৫০ কোটি টাকা বছরে ব্যয় বাড়তি ২২ হাজার শ্রমিকের পেছনে ৭০ কোটি টাকা বছরে ক্ষতি দেরিতে পাট কেনায়। ৫,৭০০ অবসরে যাওয়া শ্রমিক-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধ হচ্ছে না।

২০০৪ সালের ১৮ আগষ্ট, ১৯৭৩ সালে তৎকালীন পাটমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ এ প্রসঙ্গে যে উক্তিটি করেন তা এখানে উদ্ধৃত করছি। তিনি বলেন: 'এতকাল আপনারা জানতেন বিশ্বে পাট উৎপাদনকারী দেশ হিসাবে বাংলাদেশের স্থানই ছিল প্রথম। স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ ছিল পাট উৎপাদনে সব দেশের শীর্ষে। ধস শুরু হয় এরপর থেকেই। বর্তমানে ভারতই বিশ্বে পাট উৎপাদনকারী দেশ হিসাবে প্রথম। সে বছর ভারতে পাট উৎপাদন হয়েছে ৭৫ লক্ষ বেল পাট এবং বাংলাদেশে উৎপাদণ হয়েছে ৫৫ লক্ষ বেল পাট। ২০০৩-২০০৪ অর্থবছরে যেখানে বাংলাদেশে পাট উৎপাদিত হয়েছে ৭ লাখ ২০ হাজার টন, ভারতে সেখানে উৎপাদিত হয়েছে ১৮ লাখ ৫৮ হাজার টন, যা পৃথিবীর মোট পাট উৎপাদনের প্রায় ৫৮ শতাংশ।

১৯৯৭ সালের ৭ এপ্রিল, ঢাকায় অবয়ব নাট্যোদল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৭ সালের ১৩ এপ্রিল, আইসিসি ক্রিকেটে বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়।

১৯৯৭ সালের ১৯ মে, বাংলাদেশের উপকুলীয় এলাকায় ভয়ানক ঘুর্ণিঝড়ে সাড়ে ৩ শতাধিক প্রাণহানি, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।

১৯৯৭ সালের ২৮ মে, 'সাপ্তাহিক-২০০০'-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

১৯৯৭ সালের ১৪ জুন, সিলেটের মাগুরছড়া গ্যাসকূপে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বিস্ফোরণ ঘটে।

১৯৯৭ সালের ১৫ জুলাই, এটিএন বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলের জন্ম।

১৯৯৭ সালের ৮ সেপ্টেম্বরের হিসেব-সরকারি গাড়ির জন্য জনপ্রতি মাসিক খরচ-২৭,০০০ (সাতাশ হাজার) টাকা।

১৯৯৭ সনের ১২ সেপ্টেম্বর, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক ড. ইউনুস বলেন-সরকারই সবচাইতে বড় মাস্তান।

১৯৯৭ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে ঢাকা সেনানিবাসে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর স্থাপিত হয়।

১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে দেউলিয়া আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়।

১৯৯৮ সালের ৬ জানুয়ারির তথ্যানুযায়ী: ব্যবসায়ীদের তিন লক্ষ ডলার পুঁজি নিয়ে অষ্টেলিয়ায় স্থায়ী অবিভাসনের সুযোগ।

১৯৯৮ সালের ৩১ জানুয়ারি, বাংলাদেশ লোকসঙ্গীত পরিষদের প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৯৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, বিজ্ঞাপনী সংস্থা প্রচিত এটভার্টাইজিংয়ের জন্ম।

১৯৯৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, র্বযাক ডেনরি অ্যান্ড ফুড প্রজেক্ট (বিডিএফপি) সম্প্রতি তার প্রতিষ্ঠার ''আড়ং দুধের দশম বর্ষপূর্তি'' উদযাপন করে ১৭-০২-২০০৮ তারিখ।

১৯৯৮ সালের ১৯ মার্চের তথ্যমতে: বাংলাদেশে শ্রমশক্তির মাত্র ৪% সংগঠিত।

১৯৯৮ সালের ১ এপ্রিল, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৫-বছর পূর্তি।

১৯৯৮ সালের ২১ মে, সাপ্তাহিক ২০০০-এর প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৯৮ সালের ২৩ মে'র তথ্য-বাংলাদেশে প্রতিঘন্টায় ৩ জন প্রসুতি মারা যায়।

১৯৯৮ সালে ২৬ মে'র তথ্য: ওয়াসার পানি ঘাটতি দৈনিক-৪৫(পয়তাল্লিশ) কোটি লিটার।

১৯৯৮ সালের ৫ জুলাই-বাংলাদেশে ২৫০টি চামড়া কারখানার মধ্যে চালু আছে মাত্র ৪০টি।

১৯৯৮ সালের ১৪ জুলাই, সাভারে গণবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৮ সালের ২৫ জুলাইয়ের তথ্য-সর্বেশষ শ্রমশক্তি জরিপ: বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তি ৬(ছয়) কোটি।

১৯৯৮ সালের ২৭ জুলাই-শ্রমশক্তির ৮৮ ভাগই নিয়ন্ত্রীত মজুরী ব্যবস্থা বহির্ভূত। ১২-ভাগ নিয়ন্ত্রীত মজুরী ব্যবস্থার আওতাধীন। শ্রমিক-কর্মচারি হরতাল, ধর্মঘট ও অবরোধের মাধ্যমে তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ দাবী-দাওয়া আদায় করে নিতে সক্ষম হলেও ৮৮-ভাগ শ্রমজীবী মানুষ তা পারে না। তারা অসঙ্গগঠিত শ্রমবাজারের নিরব শ্রমিক। কেউ দিনমজুর, কেউ কৃষিখাতে নিয়োজিত শ্রমিক। তাদের শ্রমের প্রকৃত মজুরী প্রাপ্তিতে সরব কোন সংগঠন নেই।

১৯৯৮ সালের ১ সেপ্টেম্বরের তথ্যানুযায়ী-বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেছেন-কেবল প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়ে দক্ষ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা যাবে না।

১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের তথ্যানুযায়ী: সংসদে সকল সংশোধনী আলোচনা করলে সময় লাগবে ৩(তিন) বছর ৮(আট) মাস।