১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর জন্ম।
১৯৮০ সালের ২৯ নভেম্বর, বাংলাদেশের গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন যাত্রা শুরু করে।
১৯৮০ সালে সার্ক গঠনের প্রস্তাবনা সম্বলিত সার্কভুক্ত দেশসমূহের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের কাছে পাঠানো প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের চিঠির ফলক উন্মোচন করেন (১২-১১-২০০৫) সালে। নীচে সার্ক শীর্ষ নেতৃবৃন্দ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে। ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর, সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর, ২৫ বছর পূর্ণ।
১৯৮০ সালে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাখরাবাদ গ্যাসের বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু।
১৯৮০ সালে মাইলস আত্মপ্রকাশ করে।
১৯৮০ সালে চট্টগ্রাম ইপিজেড এবং ১৯৯১ সালে ঢাকা ইপিজেড স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। এ ধারাবাহিকতায় পরবর্তীেত আরো ৪টি ইপিজেড স্থাপন করা হয়।
১৯৮০ সালে যৌতুক বিরোধী আইন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮০ সাল হতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার/গ্রাম সরকার পরিষদকে স্বনির্ভর গ্রাম সরকার, পল্লী পরিষদ, গ্রাম পরিষদ ইত্যাদি নামে অভিহিত করে আইন পাশ করেছেন।
১৯৮০ সালের ১ ডিসেম্বর, বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।
১৯৮০ সালের ১০ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠবার্ষিকী।
১৯৮১ সালের ৩০ মে, চট্টগ্রামে এক সামরিক ব্যর্থ অভ্যূত্থানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু। ক্ষমতায় বসানো হয় ভাইস-প্রেডিডেন্ট বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে।
১৯৮১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের প্রাচীনতম আবৃত্তি সংগঠন স্বনন-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলা ভবনের ১৫০-নম্বর শ্রেণীকক্ষে স্বননের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর, বাংলাদেশে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর, বিচারপতি আবদুস সাত্তার বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।
১৯৮১ সালে বিসিএস নিয়োগ নীতিমালা আইন পাস হয়।
১৯৮১ সালের ২৮ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮২ সালের ২৬ জানুয়ারি, তালিবাবাদে বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
১৯৮২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন উদ্ভোধন করা হয়।
১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ প্রেডিডেন্ট বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেন।
১৯৮২ সালের ২৭ মার্চ, বিচারপতি আহসান উদ্দীন চৌধুরীর রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ।
১৯৮২ সালে বাংলাদেশে ৪০ হাজার চিত্রাহরিণ, ৪২৫টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছিল।
১৯৮২ সালের হিসেবে, বাংলাদেশে ৮৪-লক্ষ ভুমিহীন পরিবার আছে।
১৯৮২ সালের ১৪ এপ্রিল, আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড বা এবি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশে বেসরকারি ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়েছিল।
১৯৮২ সালের ২৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ১৯৮২ সালের ২৬ জানুয়ারি, তালিবাবাদে বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
১৯৮২ সালে উপজেলা রেগুলেশন পাশ হয়।
১৯৮২ সালে উপজেলা প্রশাসন কাঠামো গঠিত হয়।
১৯৮২ সালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, সামরিক শাসক এরশাদের গণবিরোধী শিক্ষানীতি ও সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ রাজপথে গণ-অভুত্থান করে। এরশাদের সামরিক বাহিনী এতে গুলি চালালে জয়নাল, মোজাম্মেল, আইউব, মোজাম্মেল কাঞ্চন, দীপালি সাহাসহ অজ্ঞাত অনেক ছাত্র-জনতা নিহত হন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯০ সালের গণ-অভুত্থানে প্রেসিডেন্ট হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদের পতন ঘটে। স্বৈরশাসনের পতন ঘটেনি।
১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ, বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) জন্ম।
১৯৮৩ সালের ৩০ মার্চ, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৩ সালের ১৪ জুলাই, ১৫ জন তরুণ মিলে গঠন করেছিলেন ''মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়''।
১৯৮৩ সালের ২৯ জুন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৯৮৩ সালের ১৩ আগস্ট, বাংলাদেশ সীমান্তে ভারত সরকারের কাঁটাতারের বেড়া নির্মােণর সিদ্বান্ত।
১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ২৫ কোটি টাকার মূলধন নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১১ সালের ৪ আগষ্ট, প্রথম আলো: গ্রাহক-কর্মীেদর মধ্যে অনিশ্চয়তা, এক বোর্ড সদস্যকে আর্থিক প্রলোভনের অভিযোগ নতুন এমডি নিয়োগ-প্রক্রিয়া শুরু। দৈনন্দিন কাজেই কেবল সীমাবদ্ধ গ্রামীণ ব্যাংক। গ্রামীণ ব্যাংকে এখন ২২ হাজার ১৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। দুই হাজার ৫৬৫টি শাখার মাধ্যমে সারা দেশের ৮১ হাজার ৩৭৯টি গ্রামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে গ্রামীণ ব্যাংক। ব্যাংকটির প্রায় ৮৩ লাখ ৭০ হাজার ঋণগ্রহীতা রয়েছে, এর প্রায় ৯৭ ভাগই নারী।
১৯৮৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর, বর্ণক সমাজ কল্যাণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিষ্ঠা।
১৯৮৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর, মাজেদ সরদারের মৃত্যু। তিনি বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনেও অংশগ্রহণ করেন। ৫০, ৭০ ও ৮০ দশকে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটির কমিশনার ছিলেন।
১৯৮৩ সালের ৬ ডিসেম্বর, ঝঊখ-এর প্রতিষ্ঠা লাভ। ঞযব ঝঃৎঁপঃঁৎধষ ঊহমরহববৎং খঃফ. অ ঐড়ঁংব ড়ভ ছঁধষরঃু, ঞৎঁংঃ ধহফ ভধরঃয.
১৯৮৪ সালে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালী বাংলা ভাষার ব্যবহার শুরু হয়।
১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস-টার্মিনালের সামনে স্বৈরাচারবিরোধী সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের একটি মিছিলের ওপর পুলিশের গাড়ি তুলে দিলে সেলিম-দেলোয়ার শহীদ হন। শহীদ সেলিম-দেলোয়ার দিবস (২৮-০২-২০০৮)।
১৯৮৪ সালে শারজায় প্রথম এশিয়া কাপ এবং বাংলাদেশবিহীন একমাত্র এশিয়া কাপে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা-তিন দলই ছিল। ২০১২ সালে ঢাকা মিরপুর স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। পাকিস্তান দল ২ রানে জয়ী।
১৯৮৪ সালের ২৮ এপ্রিল, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিেসর সর্বোচ্চ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৪ সালের ৩০ এপ্রিল, বাংলাদেশে সনি-র্যাংগস কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৪ সালে কুমিল্লার লাকসাম থেকে ঢাকায় আসেন দিল মোহাম্মদ মনু। ৫১নং ওয়ার্ডের কলাবাগানে রয়েছে মামা হালিম। নগরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এসে মামা হালিমের স্বাদ নেন।
১৯৮৫ সালের ১ জানুয়ারি, গ্রিন ডেলটা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠা।
১৯৮৫ সালের ১০ জানুয়ারি, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠা লাভ।
১৯৮৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, রাউফুন বসুনিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আততায়ীদের গুলিতে নিহত হন।
১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ, বাংলাদেশে দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রকৃতি-প্রশাসনিক গণভোট। লক্ষ্য: লে. জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।
১৯৮৫ সালের ২৩ এপ্রিল, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৫ সালের ২৪ মে, বাংলাদেশে উড়িরচরে জলোচ্ছাসে ১১ হাজার লোকের প্রাণহানি।
১৯৮৫ সালে প্রথম বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালের ৫ মার্চ, এখন সারাদেশে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ যথাক্রমে ৫৩ ও ১৪টি। ওয়েবসাইটে মতামত দেওয়া যাবে।
১৯৮৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৩ জন তরুণ সাংবাদিক মিলে ঢাকা ''বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি'' প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের টিভি রুমের ছাদ ধসে ৩৯ জন ছাত্র নিহত হয়। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৫ অক্টোবরকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এদিনটিকে ছূটি ও শোকদিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
১৯৮৫ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুরে জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়
১৯৮৫ সালে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক গঠিত হয়।
১৯৮৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, প্রগতি ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৯৮৬ সালের ৬ এপ্রিল, ঢাকায় প্রথম এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর উদ্ভোধন হয়।
১৯৮৬ সালের ৭ মে, তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করেন। তখন বিএনপি ঐ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি।
১৯৮৬ সালের ৪ জুন, মাওলানা এম.এ. মান্নান ''দৈনিক ইনকিলাব'' পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৮৬ সালের ১৫ জুন, এস. এস. এফ. স্পেসাল সিকোরিটি ফোর্স প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতি পদে নির্বািচত হয়।
১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর, তৃতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বািচত হন লে. জেনারেল এইচ.এম. এরশাদ (জাতীয় পার্টি)।
১৯৮৬ সালের ৩০ অক্টোবর, বাংলাদেশ-সিংগাপুর এয়ার লাইনস প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর, বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ম সংশোধনী গৃহীত হয়। এতে সামরিক আইন প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম গুচ্ছ গ্রাম। ঐ সময়ের গুচ্ছ গ্রামের বসবাস এখন পর্যন্ত তাদের আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে আছে। বিশ বছরে মূল আঠাশ হাজার গুচ্ছ গ্রামবাসী বাঙ্গালী পরিবার বেড়ে এখন অন্ততঃ পঞ্চাশ হাজার পরিবারে পরিণত হয়েছে। (১০-০৯-২০০৬)।
১৯৮৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর, ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি, কাঠমন্ডুতে সার্ক সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৭ সালের ১৭ জুনের হিসেবমতেঃ দেশে ২৭(সাতাশ) হাজার পল্লী চিকিৎসক ও ১৭(সতের) হাজার ডাক্তার আছে। প্রতি ৩,৫০০(তিন হাজার পাঁচশত) জনে একটি হাসপাতাল বেড আছে।
১৯৮৭ সালের ১২ জুলাই, বাটারফ্লাই মার্কেিটং লি.-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এ. মান্নান মাত্র তিনজন সহকর্মী নিয়ে যাত্রা শুর করেছিলেন।
১৯৮৭ সালের ৩ আগস্ট, পত্রিকার রিপোর্ট-ঢাকায় গরুর হাটে একটি ষাড়ের মূল্য ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ওজন ৪০ মন, উঁচ্চতা-৬ ফুট ৮ ইন্সি।
১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নূর হোসেনের বুকে লেখা ছিল 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং পিঠে লেখা ছিল 'স্বৈরাচার নিপাত যাক' 'শহীদ নূর হোসেন' দিবস প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ঐদিন মিছিলে পুলিশের গুলিতে নূর হোসেন নিহত হয়।
১৯৮৭ সালের ৩ নভেম্বর, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি জৈল সিং বলেছেন-বাংলাদেশ থেকে তড়িঘড়ি করে সৈন্য প্রত্যাহার করা ভুল হয়েছে।
১৯৮৭ সালে আধুনিকের জন্ম। আগে জাতীয় পর্যােয় ধুমপানবিরোধী কোন প্রতিষ্ঠান ছিল না।
১৯৮৮ সালের জানুয়ারি মাসে, হানিফ সংকেতের গ্রন্থনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনায় নির্মিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। এ বছরই গিনিস ওয়াল্র্ড রেকর্ড বুকে উঠে যেতে পারে ইত্যাদি।
১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ, ৪র্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮৮ সালের ৫ আগষ্ট-এর সংবাদ: মহিলারা পৃথিবীতে ৬৭% কাজ করে এবং পুরুষরা বাকি ৩৩% কাজ করে। তবু পুরুষ বলে যে, মহিলারা কোন কাজই করে না। ২০১৬ সালের ১৮ জানুয়ারি, নারীর জীবনে প্রায় ১২ বছরই কেটে যায় রান্নাঘরে। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ এবং ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড সোশাল ট্রান্সফরমেশন(সিজিএসটি) প্রকল্পের গবেষণা।
১৯৮৮ সালের তথ্যসূত্রে: বাংলাদেশে ২১০টি যাত্রাদল এবং ১৪,০০০ শিল্পী আছে।
১৯৮৮ সালে আত্মপ্রকাশ ঘটে 'হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ' নামক সংগঠনের।
১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বাংলা লেখার কমপিউটার কীবোর্ড বিজয়-এর ও অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠাতা-মোস্তফা জব্বার। ২০১৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর, এর 'রজতজয়ন্তী' হয়।
১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি, বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড গঠিত হয়।
১৮৮৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, কনফিডেন্স কোচিং সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আণুষ্ঠানিক ক্লাশ শুরু হয়।
১৯৮৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, ধানমন্ডির নতুন ১৫/এ রোডের ৫৮ নম্বর বাড়িতে শহিদুল আলমের হাত ধরে শুরু হলো 'দৃক' এর পথচলা।
১৯৯০ সালের ৪ জানুয়ারি, বাংলাদেশে ডিজিটাল টেলিফোন চালু হয়।
১৯৯০ সালের ৫ জানুয়ারি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের প্রতিষ্ঠা হয়।
১৯৯০ সালের ২১ জানুয়ারি, দেশে 'মাদক দ্রব্য আইন' পাস হয়।
১৯৯০ সালের ১৮ এপ্রিলের খবর-ঢাকা শহরে ৯০% গাড়ি বাতাসে বিষ ছড়াচেছ।
১৯৯০ সালের ১৮ এপ্রিলের তথ্য-বাংলাদেশের সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি জিঞ্জিরার পরিমল ঘোষ, উঁচ্চতা ৮'-৩", চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেয়ে মারা যান।
১৯৯০ সালের ২৯ মে, কর্নফুলী সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
১৯৯০ সালের ৬ জুনের পর আর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
১৯৯০ সালের ৩১ জুলাই, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোেরশনে রূপান্তরিত হয়।
১৯৯০ সালে এরশাদ আমলে মেঘনা সেতুটি নির্মাণ করা হয় এবং এর উদ্বোধন করেন জাপানের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী কাইফু।
১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৪ সালের ১ নভেম্বর, দাউদকান্দিতে মেঘনা-গোমতী সেতুটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। এ সেতুর দৈঘ্য ১ দশমিক ৪১ কিলোমিটার এবং তৈরীতে খরচ হয় ৪শ কোটি টাকা।
।এক নজরে বাংলাদেশের প্রধান সড়ক সেতুসমূহ:।
| ক্রমিক | সেতু | দৈর্ঘ | কোন নদীর উপর | নির্মিত অবস্থান |
| পদ্মা সেতু (প্রস্তাবিত) | ৬.১৫ কিমি | পদ্মা নদী | মাওয়া |
| বঙ্গবন্ধু(যমুনা) সেতু | ৪.৮ কিমি | যমুনা নদী | টাঙ্গাইল-সিরাজ |
| লালন শাহ সেতু | ১.৮ কিমি | পদ্মা নদী | পাবনা-কুস্টিয়া |
| বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-৬ | ১.৫২ কিমি | ধলেশ্বরী নদী | মুন্সিগঞ্জ(মুক্তারপুর |
| বাংলা-জাপান-মৈত্রী সেতু-২ | ১.৪১ কিমি | মেঘনা-গোমতি | দাউদকান্দি, কুমিল্লা |
| খানজাহান আলী সেতু | ১.৩৬ কিমি | রূপসা নদী | খুলনা |
| বাংলা-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু | ১.২ কিমি | মেঘনা নদী | আশুগঞ্জ-ভৈরব |
| বাংলা-জাপান মৈত্রী সেতু-১ | ৯৩০মিটার | মেঘনা নদী | মুন্সিগঞ্জ |
| বাংলা-চীন মৈত্রী সেতু-৫ | ৯১৮ মিটার | গাবখান নদী | ঝালকাঠি |
| বাংলা-চীন মৈত্রী সেতু-বুড়িগঙ্গা ১ | ৮৪৭ মিটার | বুড়িগঙ্গা নদী | ঢাকা-পোস্তগোলা |
| বুড়িগঙ্গা সেতু-২ | ৭২৫ মিটার | বুড়িগঙ্গা নদী | ঢাকা-বাবুবাজার |
| বুদ্ধিজীবী সেতু(বুড়িগঙ্গা-৩) | ৭০৯ মিটার | বুড়িগঙ্গা নদী | ঢাকা,মোহাম্মদপুর |
| বাংলা-চীন মেত্রী সেতু-৪ | ৫৭৭ মিটার | করতোয়া নদী | পঞ্চগড় |
| কর্ণফুলী সেতু | - | কর্ণফুলী নদী | চট্টগ্রাম |
| বাংলা-চী মেত্রী সেতু-২ | ৪৬০ মিটার | ব্রহ্মপুত্র নদী | শম্ভুগঞ্জ,ময়মনসিংহ |
| বাংলা-চীন মৈত্রী সেতু-৩ | - | মহানন্দা নদী | চাপাইনবাবগঞ্জ |
| ধলেশ্বরী সেতু-১ | - | ধলেশ্বরী নদী | মুন্সিগঞ্জ,মাওয়া |
| হাজী শরীয়তুল্লাহ সেতু | ৪৫০ মিটার | আড়িয়াল খাঁ | মাদারীপুর |
| ধলেশ্বরী সেতু-২ | - | ধলেশ্বরী নদী | মুন্সিগঞ্জ |
| কাঞ্চন সেতু | - | শীতলক্ষ্যা নদী | নারায়ণগঞ্জ,রূপগঞ্জ |
| দড়াটানা সেতু | - | মধুমতি নদী | বাগেরহাট |
১৯৯০ সালের ৪ অক্টোবরের তথ্য-বাংলাদেশে ৮৫ ভাগ লোক নদী-নালা, পুকুরের পানি ব্যবহার করে। ২০০২ সালের তথ্যঃ ৭০ ভাগ লোক নদী-নালা,পুকুরের পানি ব্যবহার করেন।
২০১৫ সালের ১০ জুলাই, প্রথম আলো : দেশের ৬৫ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ অনিরাপদ পানি পান করে। এই পানিতে আর্সেিনক এবং ই. কোলাই (মলের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া) সংক্রামণ আছে। নিরাপদ পানি পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে সিলেট বিভাগ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর(বিবিএস) জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিবিএসের এই বহু নির্দেশক গুচ্ছ জরিপ(মাল্টিপল ইনডিকেটর ক্লাষ্টার সার্ভে-মিকস) প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয় ৫ জুলাই। জাতিসংঘ শিশু তহবিল-ইউনিসেফের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বিবিএস এই জরিপ করে। জরিপে ৫১ হাজার ৮৯৫টি পরিবারের ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৯৬ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।