২০১৩ সালের ১৯ জানুয়ারি, যুগান্তর পত্রিকার খবর: ৭ জানুয়ারি থেকে সরকারি বেতন-ভাতা বা এমপিওর দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন দেশের সাড়ে সাতহাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। আন্দোলনরত শিক্ষকদের কর্মসূচি তিন মাসের জন্য স্থগিত।

২০১৩ সালের ২৩ জানুয়ারি, প্রথম আলো: এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভাতা বাড়ল দীর্ঘ ২৮ বছর পর। ২৬,০৪৭(ছাব্বিশ হাজার সাতচল্লিশ)টি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার চার লাখ উনসত্তর হাজার ৮৪৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী। এরমধ্যে ২৬ হাজার ৪৭টি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী চার লাখ ৫৬ হাজার ৫৯০ এবং এক হাজার ৬০০ কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ১৩ হাজার ২৫৪ জন। আর এক হাজার ৫১৯টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার ছয় হাজার ৭৬ জন শিক্ষক বর্ধিত ভাতা পাবেন। ১৯৮৪ সালে বাড়িভাড়া ১০০/- ছিল এবং চিকিৎসা ভাতা ৬০/- টাকা ছিল। বর্তমানে ০১-০১-২০১৩ তারিখ থেকে বাড়িভাড়া-৫০০/- টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা ৩০০/-টাকা করেছে।

২০১৩ সালের ২৮ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: শিক্ষা জাতীয়করণ করা হলে বছরে ব্যয় হবে ৪০ হাজার ১৮৯ কোটি ৫০ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। জাতীয়করণ বা সরকারীকরণ করা হলে সারাদেশের ৩৫,৩৯৬টি এমপিওভুক্ত এবং নন-এমপিও এরমধ্যে এমপিওভুক্ত-১৬ হাজার ৮৬টি উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি স্কুল-৮৫৫টি, সাধারণ কলেজ ২ হাজার ৩৬৩টি ও কারিগরি কলেজ আছে-৭২৭টি এবং মাদ্রাসা আছে-৭ হাজার ৫৯৮টি ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে মাদ্রাসা আছে-১৮টি। স্বীকৃতিপ্রাপ্ত স্কুল আছে-১,২১৬টি এবং কলেজ আছে-৮০০টি। দেশে মোট সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে-৩১৭টি।

২০১৩ সালের ১ এপ্রিল মাসের রিপোর্ট: ২০১১ সালের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের রিপোর্ট: বাংলাদেশে ৩৪ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এরমধ্যে ৩২ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা +৩টি বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের-২২৫৪টি কলেজ-উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে(১২৭৬টি ডিগ্রীধারী মাদ্রাসা কলেজ, আরো কিছু মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ, ইন্সটিটিউট ও যত প্রকার ডিগ্রী পাস ও প্রতিষ্ঠান আছে তার উচ্চ ডিগ্রী প্রতিষ্ঠানসমূহ ৩৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আছে এবং ৭১টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ-২৪,৫১,৫৯৪ জন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীরসংখ্যা-২,৮০,০০০(দুই লাখ অশি হাজার)। ২২৫৪টি কলেজে ছাত্র-ছাত্রীরসংখ্যা-১৬,৫০,৩৮৮ জন। ৩২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে-১,৮৫,৯১০ জন। ১২৭৬টি ডিগ্রীধারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে-১,৫২,৯০৮ জন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের আসনসংখ্যা ডিপেস্নামা ও র্সাটিফিকেট কোর্সসহ-৫,৯৭,৪৫৩টি। এরমধ্যে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীরসংখ্যা-৫,৭২,০৪৪ জন। আসন খালী আছে-২৫,৪০৯টি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র পিছু মাথাপিছু খরচ হয়-বার্ষিক-৯২,৪১৪ টাকা এবং বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ জনের মাথাপিছু খরচ হয়-২,৬৪,৯২৪ টাকা।

২০১৩ সালের ১ অক্টোবর. প্রথম আলো: দেশে আরো ১১টি মেডিকেল কলেজ অনুমোদন। বর্তমানে ২৪টি সরকারী মেডিকেল কলেজ আছে এবং ৫৪টি বেসরকারী মেডিকেল কলেজ ছিল আরো ১১টি=৬৫টি বেসরকারী মেডিকেল কলেজ আছে। সরকারী ও বেসরকারী মিলে=৭৯টি মেডিকেল কলেজ আছে। আর সরকারি উচ্চবিদ্যায় আছে-৩২৩টি-০৭-০৩-২০১৪ তারিখ পর্যন্ত।

২০১৩ সালের ৩০ অক্টোবর, দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশে ২৫ হাজার কওমী মাদ্রাসা আছে এবং ৫০ লাখ সাধারণ শিক্ষার্থী। ধর্মব্যবসায়ীদের কারণে সনদ স্বীকৃতি বঞ্চিত ৫০ লাখ কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

২০১৪ সালের ৩ মার্চ, প্রথম আলো: ৫৬ লাখ শিশু স্কুলের বাইরে। ইউনিসেফ ও ইউনেসকোর প্রতিবেদন। বাংলাদেশে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সংখ্যা-৩২৩টি।

২০১৪ সালের ১ অক্টোবর, প্রথম আলো : দেশে ৭৯টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। দেশে পাবলিক মেডিকেল কলেজ আছে-২৯টি, বেসরকারী মেডিকেল কলেজ আছে-৮৫টি মধ্যে ১৯টি ডেনটিস কলেজ আছে। ২৫-১১-২০১৪ তারিখের প্রথম আলো : আরো ছয়টি মেডিকেল কলেজের অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।

২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর, প্রথম আলো : অবসরসুবিধা পেতে শিক্ষকদের চরম ভোগান্তি। সাড়ে তিন বছরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীর ৩৬ হাজার আবেদন জমা। কেউ টাকা পাচ্ছেন না।

২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর, ভোরের পাতা : আগামী ২ নভেম্বর, থেকে জুনিয়র স্কুল র্সাটিফিকেট(জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল র্সাটিফিকেট(জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হবে এবং পরীক্ষার্থীর সংখ্যা-২০ লাখ ৯০ হাজার ৬৯২ জন। জুনিয়র স্কুল র্সাটিফিকেট (জেএসসি)-১৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫৯৫ জন এবং জুনিয়র দাখিল র্সাটিফিকেট(জেডিসি)-৩ লাখ ২৬ হাজার ৯৭ জন।

২০১৪ সালের ২০ নভেম্বর, প্রথম আলো : ২৩-১১-২০১৪ তারিখ থেকে প্রাথমিক ও ঈবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা-৩০,৯৪,২৬৫ জন। প্রাথমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী-২৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৪ জন এবং ঈবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী-৩,০৫,৭২১ জন।

২০১৪ সালের ২০ নভেম্বর, প্রথম আলো : এমপিওর কাজ হবে আঞ্চলিক কার্যালয়ে। মাউশির অধীনে বর্তমানে পৃায় ৩৫ হাজার বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসা আছে। এগুলোর মধ্যে প্রায় ২৮ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত। আর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আছেন প্রায় পাঁচ লাখ। সরকারি শিক্ষক কর্মচারী আছেন আরও প্রায় ২০ হাজার। মাউশির নয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় হলো ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট।

২০১৪ সালের ৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : অনার্স কলেজগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিতে একমত উপাচার্যরা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কমিটি। কমছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিধি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধীনে অধিভুক্ত ও সরকারি কলেজ আছে দুই হাজার ১৫৪টি। এগুলোতে শিক্ষার্থী প্রায় আছে ২১ লাখ। সরকারি কলেজ আছে-২৭৯টি, শিক্ষার্থী ১৩ লাখের বেশি। স্নাতক সম্মান পড়ানো ১৮১টি সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা-প্রায় সাত লাখ ২৬ হাজার। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে সম্মান পড়ানো হয় কলেজের সংখ্যা-৫৫৭টি।

২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : চাকরি-বাকরির পৃষ্ঠায় দেখুন : দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা-৬২ হাজারের বেশি, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে-১৮ হাজার ৮৮টি আর কলেজ আছে-৭২৬টি। পাবলিক বিদ্যালয় ৩৭টি, প্রাইভেট বিদ্যালয়-৮০টি, মেডিকেল কলেজ আছে-৮০টি, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ আছে-২৯টি।

২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি, প্রথম আলো : দেশে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৯টি। এর আগে ছিল ২৩টি এবং আরও ৫টি যোগ হয়ে=২৯টি। আর বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা আছে ৬৩টি আরো ৬টি যোগ হয়ে হল-৬৯টি। সরকারি-২৯টি এবং বেসরকারি-৬৯টি=৯৮টি মোটি মেডিকেল কলেজ সরকারি এবং বেসরকারি মেডিকেল কলেজ আছে বাংলাদেশে। এবার তাতে ১০,০০০(দশ হাজার) ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হচ্ছে।

২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো : দেশে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ২০-০২-২০১৫ তারিখের পূর্বে ৮২টি এবং সেনাবাহিনীকে আরো ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনসহ মোট প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা-৮৫টি। ১২-০১-২০১৬ তারিখ আরো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৬টি অনুমোদন দিয়েছে সরকার। যেমন ঢাকাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে ৫০টি এবং আরো দুটি যোগ হয়ে হয়েছে এখন ৫২টি আছে ঢাকাতে। মোট বিশ্ববিদ্যালয় ৮৫+৬=৯১টি বিশ্ববিদ্যালয় বেসরকারি আছে বাংলাদেশে।

০৮-০৫-২০১৫ তারিখ প্রথম আলো : সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে ''রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ''-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১৫ সালের ২২ মে, প্রথম আলো : ১৪ হাজার কওমি মাদ্রাসায় পড়ছে ১৪ লাখ শিক্ষার্থী। মোট মাদ্রাসার সংখ্যা-১৩ হাজার ৯০২টি কওমি মাদ্রাসা আছে। কোন বিভাগে কতটি কওমি মাদ্রাসা আছে (১) বরিশাল-১০৪০টি (২) চট্টগ্রাম-২,৯৮৪টি (৩) ঢাকা-৪,৫৯৯টি (৪) খুলনা-১,১৫৫টি (৫) রাজশাহী-১,৭০৪টি (৬) রংপুর-১,১৭৬টি ও(৭) সিলেট বিভাগে-১,২৪৬টি মাদ্রাসা আছে। এসব মাদ্রসাগুলোর মধ্যে পুরুষ মাদ্রাসার সংখ্যা-১২,৬৯৩টি এবং মহিলার মাদ্রাসার সংখ্যা-১,২০৯টি। পুরুষ ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা-১০ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩৬ জন এবং মেয়ে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা-৩ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ জন পড়াশোনা করছে। শিক্ষক আছেন-৭৩,৭৩১ জন এর মধ্যে পুরুষ-৬৬,৯০২ জন এবং মহিলা-৬,৮২৯ জন। ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার আদলে ১৮০০ সালের শেষের দিকে এ দেশে কওমি মাদ্রাসার গোড়া পত্তন হয়। কওম শব্দের অর্থ জাতি। এ সব মাদ্রাসাগুলো ধর্ম ভিত্তিক শিক্ষা দেয়া হয়। ব্যানবেইসের তথ্য।

২০১৫ সালের ১৫ জুন, প্রথম আলো : বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের তথ্য অনুযায়ী দেশে এখন ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষক আছেন-১৫(পনের) হাজার। অধ্যাপকের সংখ্যা-৫,০০০(পাঁচ) হাজার। এর মধ্যে সিলেকশন গ্রেড পান ১,২৫০(এক হাজার দুইশত পঁঞ্চাশ) জন। ২০১৫ সালের ২৮ জুলাই, প্রথম আলো : প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছে-৮৩টি।

২০১৫ সালের ৩০ জুলাই, প্রথম আলো : বাংলাদেশে কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ৮ হাজার ৯৩৩টির মধ্যে ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য কেউ আবেদন করেনি।

২০১৫ সালের ১১ আগস্ট, প্রথম আলো : ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, মোট আসনের মধ্যে জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৩৭টি(দুটির কার্যক্রম শুরু হয়নি): (১) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসনসংখ্যা-৪২ হাজার ৯৮৪ (২) সারকারি-বেসরকারি মেডিক্যালকলেজগুলোতে আসন আছে-৯ হাজার ১১২টি (৩) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন আছে-৩৪,০০০টি (৪) ফাজিল স্তরের মাদ্রাসায় আসন আছে-৫০,০০০টি (৫) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত ২ হাজার ১৫৪টি কলেজে স্নাতক(সম্মান) ও ডিগ্রি পাস কোর্সে আসন আছে-৪,৪৪,২০০টি এর মধ্যে স্নাতক সম্মানে আসন আছে-(১) দুই লাখেরও সামান্য বেশি। (৬) ৮৩টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন আছে-১,০০,০০০টি ও (৭) দুটি আন্তর্জািতক বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন আছে-৫৪৫টি। মোট আসন-৬,৮০,৮৪১টি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন আছে-৭,০০২টি, জাহাঙ্গীনগরে-২,৫০০টি, রাজশ্‌াহী-৪,০০০টি, চট্টগ্রামে-৪,৬৫০টি, শাহজালাল-১,৪০০টি, ইসলামী-১,৪৬৫টি, খুলনা-১,০৩৭টি ও জগন্নাথে-২,৮৫০টি।

২০১৫ সালের ৬ অক্টোবর, প্রথম আলো : আরো দুটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নামে। এ দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন পোষ্ট সৃষ্টি করতে অনুমোদন লাগবে রাষ্ট্রপতির। সিন্ডিকেট কোন পদ সৃষ্টি করতে পারবে না।

২০১৫ সালের ২৭ অক্টোবর, আমাদের সময়: এমপিও সুবিধাবঞ্চিত ৮ হাজার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু ১ নভেম্বর, বার্ষিক পরীক্ষার আগে শিক্ষকদের আন্দোলন-উদ্বিগ্ন ২০ লাখ শিক্ষার্থী।

২০১৫ সালের ২০ নভেম্বর, প্রথম আলো : ২২-১১-২০১৫ তারিখ থেকে প্রাথমিক ও ঈবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা-৩২,৫৪,৫১৪ জন। প্রাথমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী-২৯ লাখ ৪৯ হাজার ৬৩ জন এবং ঈবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী-৩,০৫,৪৫১ জন। ২৯-১১-২০১৫ তারিখ এ পরীক্ষা শেষ হবে।

২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত এবতেদায়ী, দাখিল ও আলিম স্তরের মাদ্রাসার সংখ্যা ১৬ হাজার ২৮২টি। এর মধ্যে ৩টি সরকারি মাদ্রাসা আছে। চলতি বছরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে মাদ্রাসা খাতে ২ হাজার ২৩৬ কোটি ৭৯ লাখ বরাদ্দ করা হয়েছে।

২০১৬ সালের ৭ মার্চ, প্রথম আলো: বাংলাদেশে ৯২টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছে। ৩৭টি এ সরকারের আমলে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের ১৭ মে, প্রথম আলো: বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, দেশে সর্বেমাট ২৬ হাজার ৭৬টি এমপিওভুক্ত এবং ৫ হাজার ২৪২টি এমপিওভুক্তবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এমপিওভুক্তির সুপারিশ পাঁচ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানকে।

২০১৬ সালের ১৯ মে, প্রথম আলো: প্রাথমিক শিক্ষা ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত করা হল। গতকাল বুধবার(১৮-০৫-২০১৬ তারিখ) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত সভায় এ বিষয়ে চ্থড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এ সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের জানিয়ে বলেন, আজ(১৮-০৫-২০১৬ তারিখ) দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক দিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ.আ.ম.স. আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বোর্ডের নাম সংশোধন করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড করার পরামর্শ দেন। প্রতি বছর সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষায় ৫০ লাখ নেয়।

২০১৬ সালের ১৯ মে, প্রথম আলো: ৩৩৫টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সম্মেলন।

২০১৬ সালের ৮ জুন, প্রথম আলো: অনুমোদন পেল আরও তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। আগে ছিল ৯২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ৯২+৩=৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত। ২০০৯ সালের পূর্বে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল-৫৪টি। শিক্ষমন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

১৯৯৪ সাল থেকে স্কুলে এস. এস. সি. পরীক্ষার ফলাফল পাঠানোর পাশাপাশি এ পদ্ধতিকে আরও কীভাবে শিক্ষার্থীেদর দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া যায় তার চেষ্টা অব্যাহত থাকে। ২০০৪ সালে আবারও বুয়েটের সহযোগিতায় ইন্টারনেটে ফলাফল প্রকাশ শুরু হয়। এর পরের বছর থেকে যুক্ত হয় মোবাইল ফোনে ফলাফল প্রকাশ শুরু।

২০০১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, ইত্তেফাক পরিত্রকার রিপোর্ট: ৭টি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৯২৩ জন এইস.এস.সি. পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩৫৮ জন। ফেলের হার শতকরা ৭৩.৮৯ ভাগ।

২০০২ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আগামীকাল মঙ্গলবার ডিগ্রী (পাস ও সাবসিডিয়ারী) পরীক্ষা শুরু: এ পরীক্ষায় ৩,০৪,০০০ (তিন লক্ষ চার হাজার) পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিবে। সারাদেশে ৬১১টি কেন্দ্রে।

২০০৩ সালের ২৭ মার্চ, এস.এস.সি. পরীক্ষা শুরু। এবার পরীক্ষার্থী-১১,৩৪,০৪৯ জন।

২০০৩ সালের ২৯ মে, এইচ.এস.সি. পরীক্ষা শুরু: পরীক্ষার্থীর সংখ্যা-৫.৩(পাঁচ লক্ষ ত্রিশ হাজার), মোট কেন্দ্র-১,৬১৩টি এরমধ্যে ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্র-১৬৭টি।

২০০৫ সালের ৯ জুলাই, এস.এস.সি. পরীক্ষার ফল প্রকাশ। গড় পাশের হার ৫৪.১০: ১৭,২৭৬ জন জিপিএ-৫,ছেলেরা এগিয়ে। ৪০৯টি স্কুল ও মাদ্রাসার একজনও পাশ করেনি।

২০০৫ সালের ২২ আগষ্ট, ইনকিলাব রিপোর্ট: এস. এস. সি'র নম্বরপত্র আটকে রাখলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নয়া পরিপত্র।

২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: ১,২৬০টি ডিগ্রি কলেজ থেকে সারাদেশে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো-১,৩২,৪৬৭ জন।

২০০৬ সালের ৯ মার্চ থেকে ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এস.এস.সি.পরীক্ষা শুরু। ২০০৬ সালে এস.এস.সি.পরীক্ষার্থীর সংখ্যা-১০,০০,৫৬৪ জন।

২০০৬ সালের ২৩ জুন, স্টাফ রিপোর্টার: এস.এস.সি. পরীক্ষায় শতভাগ পাস ১৪শ' স্কুলে এবং ২১৭টি স্কুলের সবাই ফেল।

২০০৭ সালের ২৭ আগষ্ট, এইচ.এস.সি. পরীক্ষায় পাসের গড় হার ৬৫.৬০ ভাগ, ১১,১৪০ জন জিপিএ-৫, শীর্ষে ঢাকা, সর্বিনম্নে বরিশাল বোর্ড। এবার পাশ করেছে-৩,৫৯,০০০ জন। ডিগ্রি ও সম্মান কোর্সে ভর্তির সুযোগ আছে-২,০৫,০০০ জন। ভর্তি হতে পারবে না-১,৫৪,০০০ জন। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হবে-১০,০০০ হাজার। বর্তমানে দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে-৩১টি এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছে-৫৪টি। আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে দেশে আরো-২৮টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।