২০১০ সালের ১০ এপ্রিল, প্রথম আলো: আরও ৩০ লাখ শিশুকে উপবৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে। এতদিন দেশের ৪৮ লাখ ১৫ হাজার ৬৩৬ জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পেয়ে আসছে। শিক্ষার্থীর হার ৬২ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১ এপ্রিল থেকে ৭৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৭৭ জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাবে। নতুন ৩০ লাখ শিশুকে উপবৃত্তি দিতে সরকারের ব্যয় হবে এক হাজার ৫৯২ কোটি টাকা। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে।
২০১০ সালের ১৬ এপ্রিল, প্রথম আলো: ১৫০০ নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় হচ্ছে। দেশে ৩৭ হাজার ৬৭২টি সরকারি বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু হচ্ছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরিপ অনুযায়ী দেশের ১৬ হাজার ১৪২টি গ্রামে সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। গ্রামের আয়তন ও জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনা করলে এক হাজার ৯৪৩টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকা উচিত ছিল। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশে সরকারি-বেসরকারিসহ ১১ ধরনের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৮০ হাজার ৩৯৭টি। এরমধ্যে সরকারি-৩৭,৬৭২ এবং নিবন্ধিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৮২টি।
২০১০ সালের ৩ মে, প্রথম আলো: দেশের ৩১৭টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা প্রথম শ্রেণীর পদমর্যাদা দাবী করে আসছিলেন। গতকাল প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় তাঁদের দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
২০১০ সালের ৪ মে, প্রথম আলো: এক কিলোমিটারে ছয় কলেজ। গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে ছয়টি কলেজ। ২০০ থেকে ৫০০ গজের মধ্যে রয়েছে একাধিক কলেজ। সরকারের আইন অনুযায়ী-৭৫ হাজার লোকসংখ্যা হতে হবে। এ ইউনিয়নে লোকসংখ্যা আছে ৫০ হাজার। একটি কলেজের যায়গায় আছে ৬টি কলেজ।
২০১০ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠাকার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
২০১০ সালের ১ জুন, প্রথম আলো: শিক্ষানীতিতে যুক্ত হলো অসাম্প্রদায়িক চেতনা। খসড়া থেকে ধর্মিনরপেক্ষতা বাদ। প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণী ও মাধ্যমিক দ্বাদশ পর্যন্ত। 'ও' এবং 'এ' লেভেলে বাংলা পড়াতে হবে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর এখন জাতীয় শিক্ষানীতি সংসদে উত্থাপিত হবে। শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে আগামী ২০১৭-২০১৮ সাল পর্যন্ত খরচ হবে প্রায় ৬৮ হাজার কোটি টাকা। এমাজউদ্দীন আহমদ তাঁর ছাত্র শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে চিঠি দিয়ে বলেছিলেন, সংবিধান পরিবর্তন না করা পর্যন্ত ধর্মিনরপেক্ষ শব্দটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
২০১০ সালে দেশে মোট প্রথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা হলো-৮২,২২৮টি এর মধ্যে ৩৭,৬৭২টি সরকারি এবং বেসরকারি-৪৪,৫৪৬টি।
২০১০ সালের ১৭ জুন, প্রথম আলো: সাত হাজার যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন করেছিল। শিক্ষা মণন্ত্রালয়ের পরিসংখানে দেখা গেছে, সর্বেশষ এমপিওভুক্ত স্কুলের সংখ্যা ছিল-১৫,৪৯০টি, কলেজের সংখ্যা ছিল-২,৩৯৭টি, মাদ্রাসা ছিল-৭,৩৪২টি, কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল-৬৬৩টি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল-৪০৬টি। মোট এমপিওভূক্তির সংখ্যা ছিল-২৬,২৯৮টি। ০৭-০৫-২০১০ তারিখ প্রথম তালিকায় ছিল ১,০২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্ত করেছিল শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আবার পরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আলাউদ্দিন দ্বিতীয় সংশোধিত তালিকায় ৩১-০৫-২০১০ তারিখে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা-১,৪৮৩টি। আবার তৃতীয় দফা তালিকা সংশোধনের দায়িত্ব পান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ১৬-০৬-২০১০ তারিখের ঘোষিত তৃতীয় তালিকায়-১,৪৮৩টি থেকে ৬১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম বাদ দেয় এবং প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা-১,৪২২টি। ১৪২২টির সাথে আরও নতুন ১৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যোগ হয়ে ১,৬১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে: (১) জুনিয়র স্কুল ৫২৯টি, (২) মাধ্যমিক স্কুল ৩৫৮টি, (৩) ইন্টামিডিয়েট কলেজ ১০৫টি, (৪) এইচএসসি(বিএম) কলেজ ১৫৫টি, (৫) স্কুল এন্ড কলেজ ২৩টি, (৬) ভোকেশনাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১২৬টি, (৭) ডিগ্রি কলেজ ২৫টি, (৮) দাখিল মাদ্রাসা ২৪৮টি, (৯) আলিম মাদ্রাসা ৩১টি এবং (১০) ফাজিল মাদ্রাসা ১০টি এমপিওভূক্ত হয়েছে। মোট এমপিওভূক্তির সংখ্যা ছিল-২৬,২৯৮টি+১,৬১২টি=সর্বেমাট ২৭,৯১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্ত (১৬-০৬-২০১০ তারিখ পর্যন্ত)। ২০-০৯-২০১০ তারিখ সংসদীয় কমিটির সভা-আরও দেড় হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার সুপারিশ। জেলাওয়ারি ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে এ তালিকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
২০১০ সালের ১৮ জুলাই, প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললেন স্কুলে মনস্তত্ত্ববিদ থাকা দরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি স্কুলে একজন মনস্তত্ত্ববিদ শিক্ষক নিয়োগ দিন।
২০১০ সালের ২৫ জুলাই, প্রথম আলো: এবার অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা চালু হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সারা দেশে ১৮০০ কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ও পাস কোর্সে আসন সংখ্যা ৩,৭৫,০০০ হাজার। শিক্ষামন্ত্রনালয়, বিশ্ববিদালয় মঞ্জুরী কমিশন ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সস্নাতক পর্যােয় ভর্তির জন্য দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্বাবদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি আসন রয়েছেঃ (১) ৩১টি পবিলিক বিশ্ববিদ্যালয়: ৩৬ থেকে ৩৭ হাজার। (২) ৫১টি অনুমোদিত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়: ৭০ হাজার। (৩) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩৫টি কলেজে (সম্মান)-এ প্রায় ২ লাখ এবং (৪) ১,৫৭৪টি কলেজে পাস কোর্সে আসন সংখ্যা প্রায় ২ লাখ।
২০১০ সালের ২৫ জুলাই, প্রথম আলো: ঢাকায় সরকারিভাবে নতুন (১১টি স্কুল ও ৬টি কলেজ) ১৭টি স্কুল-কলেজ হচ্ছে।
২০১০ সালের ১০ আগষ্ট, প্রথম আলো: দেশজুড়ে শিক্ষা কর্মকর্তােদর সঙ্গে ১০-০৮-২০১০ তারিখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বৈঠক। লক্ষ্য সব শিশুকে স্কুলমুখী করা। আমার বক্তব্য হলো সব শিশুকে স্কুলমুখী করবে না।
২০১০ সালের ১০ আগষ্ট, প্রথম আলো: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করেছে মন্ত্রণালয়।
২০১০ সালের ১৮ আগষ্ট, প্রথম আলো: শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসন্তোষ। প্রধানমন্ত্রী সাহেবা এ সমাজব্যবস্থায় সবকিছু নিয়েই ব্যবসা করা হয়।
২০১০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন। প্রাথমিক পর্যােয় দুই লাখ শিক্ষকের পদ তৈরির প্রয়োজন হবে।
২০১০ সালের ২১ অক্টোবর, প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষক নেতাদের সাক্ষাৎ। প্রতিটি প্রথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগসহ কমপিউটার দেয়া হবে।
২০১০ সালের ২১ অক্টোবর, প্রথম আলো: দেশের সরকারি-বেসরকারি ৬১টি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সিট সংখ্যা পাঁচ হাজার ৬৬০টি আসন। ১৮টি সরকারি মেডিকেল কলেজে আসনসংখ্যা দুই হাজার ৩১০টি। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে আসনসংখ্যা তিন হাজার ৩৫০টি। এবার আরো ৬টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে এবং মোট কলেজের সংখ্যা হবে ৬৭টি।
২০১০ সালের ৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: ২৩ কোটি ১৮ লাখ ২ হাজার তিন কপি বই ছাপার কর্মযজ্ঞ। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে বিনামূল্যে বিতরণের প্রস্ত্ততি। প্রাথমিক স্তরের জন্য এবার ছাপা হচ্ছে ১০ কোটি ৪৫ লাখ ৫১ হাজার বই। এসব বই ছাপার জন্য ৯০০ প্রেস কাজ করছে, বইয়ের মোট লট এক হাজার ২০টি। মাধ্যমিক স্তরের জন্য নয় কোটি এক লাখ ৫৭ হাজার ২০৮ কপি বই ছাপা হবে। এ ছাড়া ইবতেদায়ি স্তরের জন্য এক কোটি ৬৮ লাখ ২৫ হাজার, দাখিলের জন্য এক কোটি ৮৪ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৬ এবং কারিগরি স্তরের জন্য ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৭০৫ কপি বই ছাপা হবে। ঝুঁকির মুখে দেড় কোটি বইঃ ৯০০ প্রেসের মধ্যে ২৮টি প্রেসের কাজের অগ্রগতি নেই।
২০১১ সালের ৩ জানুয়ারি, প্রথম আলোঃ প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১১ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: দেশে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৮০ হাজারেরও বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা হবে ৩৭,৬৭২টি। সাড়ে ৩৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে।
২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল, প্রথম আলো: প্রাথমিকে ভর্তি শতভাগ। প্রথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকে ভর্তি হওয়া মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক কোটি ৯০ লাখ ২৬ হাজার। শতভাগ ভর্তির দাবির সঙ্গে বাস্তবতার অমিল।
২০১০ সালের ২১ জুন, প্রথম আলো: কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধন। টেক্সটাইল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
২০১১ সালের ৯ আগষ্ট, প্রথম আলো: প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৭৫টি আবেদন। যাচাই শেস পর্যােয় অনুমতির অপেক্ষা। গত ২৫ এপ্রিল ৪২টি আবেদন যাচাই করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দেয়। গতকাল ২২টি আবেদনের ওপর প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। মোট ৬৪টি আবেদন যাচাই করে মন্ত্রীর কাছে জমা আছে।
২০১১ সালের ২০ আগষ্ট, প্রথম আলো: সরকারী ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ জন করে দপ্তরি নিয়োগ হবে। এ ছাড়া পাঁচ হাজার স্বাস্থ্যসেবাকর্মী (নার্স) নিয়োগ দেওয়া হবে। ফলে সরকারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ৪২ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।
২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার খরবঃ আড়াই বছরে প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার ৪৩ থেকে কমে ২১%। দেশে রেজিস্টার্ড ৩৪ হাজার স্কুল আপাতত জাতীয়করণ হচ্ছে না। গণশিক্ষামন্ত্রী।
২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: মন্ত্রণালয় বলছে, ৩৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে এই ধারণা পাওয়া গেছে। দেশে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৮১ হাজার ৫০৮টি।
২০১১ সালের ৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ৭ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় দেশের তিন লাখ ২১ হাজার ৩০১ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। ৬ষ্ঠ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রার্থী ছিলেন দুই লাখ ৭০ হাজার। এ বছর ২৫৯ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দুই লাখ আট হাজার ৩৫৯ জন পুরুষ এবং এক লাখ ১২ হাজার ৯৪২ জন মহিলা। স্কুল-মাদ্রাসা পর্যােয় ৪৪টি বিষয়ে দুই লাখ দুই হাজার ৮৯৯ জন এবং কলেজ পর্যােয় ৩৬টি বিষয়ে এক লাখ ১৮ হাজার ৪০২ জন পরীক্ষ দিচ্ছেন।
২০১১ সালের ২৪ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ২২ কোটি নতুন বই বিতরণ ১ জানুয়ারি থেকে সপ্তাহব্যাপী।
২০১১ সালের ২৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলোঃ বরিশালের ২২৭ গ্রামের মধ্যে কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। ৫৯ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় হচ্ছে।
২০১২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ভবিষ্যতে এমপিওভুক্ত করা হবে সাংসদদের সুপারিশে। ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে সারা দেশে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশে কওমি মাদ্রাসা ২৪ হাজার ৯৩১টি এবং ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। সারা দেশে ৬২ হাজার ৩৬৮টি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের নিবন্ধন দিয়েছে। এ সরকারের আমলে দেড় হাজার গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। বর্তমানে ৫৬৯টি বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনে দরপত্র আহবান করা হয়েছে। বাকিগুলোর তালিকা চুড়ান্ত করার কাজ চলছে।
২০১২ সালের ৩ মার্চ, দৈনিক জনকন্ঠ: সারা দেশে ৩২ হাজারেরও বেশি এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর স্বার্থে ডিজিটালাইজ হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এই দুই প্রতিষ্ঠান।
২০১২ সালের ৬ মার্চ, প্রথম আলো: তিন বছরে ২৬টি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ৭৫টি। এরমধ্যে বেসরকারি-৫৩টি এবং সরকারি ২২টি।
২০১২ সালের ১ এপ্রিল, দৈনিক জনকন্ঠ: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ৯ লাখ ২৬ হাজার ৮১৪ জন পরীক্ষার্থী। কেন্দ্রে প্রথম দিনেই অনুপস্থিত আট হাজার ৭৩৪ জন।
২০১২ সালের ১৬ মে, দৈনিক জনকন্ঠ: শিক্ষক আন্দোলন-সরকারী হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষকরা পেলেন তৃতীয় শ্রেণী থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা করার ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর বেসরকারী প্রাথমিক শিক্ষকদের মিছিলে লাঠিচার্জ, গরম পানি দেয়া।
২০১২ সালের ২৮ মে, প্রথম আলো: দেশে বর্তমানে ২২ হাজার ৯৬১টি নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে ৯০ হাজার শিক্ষক ও ৪১ লাখ ছাত্রছাত্রী রয়েছে। নিবন্ধিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবি পূরণ হচ্ছে। নীতি প্রণয়নের নির্দেশ-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
২০১২ সালের ২৯ মে, প্রথম আলো: জুলাই থেকে কার্যকর শুরু খরচ ৪৮২ কোটি টাকা। বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণ। ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে ৪০ শতাংশ (১৯২ কোটি ৮০ লাখ) টাকা। পরের ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে ৩০ শতাংশ (১৪৪ কোটি ৬০ লাখ) টাকা এবং ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ৩০ শতাংশ (১৪৪ কোটি ৬০ লাখ) টাকা।
২০১২ সালের ৬ জুন, দৈনিক জনকন্ঠ: এমপিওভুক্ত সবশিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারীর জন্য চাকরিবিধি হচ্ছে-উপকৃত হবেন দুই লাখ, কর্মেক্ষত্রে অধিকার নিশ্চিত হবে।
২০১২ সালের ২৫ জুলাই, প্রথম আলো: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, জাতীয়করণের লক্ষ্যে মাঠপর্যায় থেকে বিদ্যালয়গুলোর তথ্য সংগ্রহের কাজও শেষ করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, জাতীয়করণের জন্য বিবেচনাযোগ্য বিভিন্ন শ্রেণীর মোট বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২৬ হাজার ২৮৪টি। এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক আছে এক লাখ পাঁচ হাজার ৩৪৫ জন। তিন স্তরে জাতীয়করণ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।
২০১২ সালের ৭ আগস্ট, প্রথম আলো: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরের পর বছর। ভয়াবহ সেশনজট। ১২ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন অনিশ্চিত। চাকরির বয়স পেরিয়ে যায়, শিক্ষক-কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকেন রাজনীতিতে। ২০০৮ সালের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হচ্ছে এখন। অসন্তোষ ক্ষোভে রূপ নিচ্ছে।
২০১২ সালের ২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ৬৫০ কোটি টাকার বাণিজ্য। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি। ভর্তি ফি সরকারি কলেজগুলোর চেয়ে গড়ে ১২৫ গুণ বেশি। ফি নির্ধািরত না থাকায় কলেজগুলো ইচ্ছামতো টাকা আদায় করছে। দেশের ৫০ জন শীর্ষস্থাসীয় চিকিৎসক এ কলেজগুলির মালিক। দেশে সরকারি মেডিকেল কলেজ-২২টি এবং বেসরকারি মেডিকেল কলেজ-৫২টির আসনসংখ্যা পাঁচ হাজাপর ১২৫ এবং সরকারি মেডিকেল কলেজগুলির আসন সংখ্যা-তিন হাজার ৩৮৯টি।
২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: প্রাইমারী ও উচ্চ বিদ্যালয়ের চার কোটি শিক্ষার্থীর জন্য ২৭ কোটি বিনামূল্যের বই।
২০১৩ সালের ৬ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: বাংলাদেশের ৪৯ সরকারী পলিটেকনিকে কর্ম বিরতি শুরু।
১৯৭৩ সালে ৩৬ হাজার ১৬৫টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তখন এক লাখ ৫৫ হাজার ২৩ জন শিক্ষক ছিলেন। আবার পরবর্তী সময়ে আরও ১ হাজার ৫০৭টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। মোট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণের সংখ্যা-৩৭,৬৭২টি ছিল।
২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: ১৯৯১ সাল থেকে বেসরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন করে এলেও এর আগে কোনো সরকারই তা মানেনি। সে ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার ধন্যবাদ পেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বেসরকারী প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ থেকে যুগান্তকারী ০৯-০১-২০১৩ তারিখ ঘোষণা দিয়েছেন-২৬ হাজার ১৯৩টি রেজিস্টার্ড বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঐতিহাসিক চূড়ান্ত ঘোষণা। এর মাধ্যামে বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক লাখ তিন হাজার ৮৪৫ জন শিক্ষককের চাকরি সরকারী হয়। তবে পুরো প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হবে তিন ধাপে। এখন থেকে ২২ হাজার ৯৮১টি বিদ্যালয়ের ৯১ হাজার ২৪ জন শিক্ষক চলতি বছরের ০১-০১-২০১৩ তারিখ থেকে, দ্বিতীয় ধাপে হবে-২ হাজার ২৫২টি বিদ্যালয়ের ৯ হাজার ২৫ জন শিক্ষক ০১-০৭-২০১৩ তারিখ থেকে এবং তৃতীয় ধাপে হবে-৯৬০টি বিদ্যালয়ের ৩ হাজার ৭৯৬ জন শিক্ষককের আগামী বছরের ০১-০১-২০১৪ তারিখ থেকে জাতীয়করণের আওতায় আসবে। এতে বছরে অতিরিক্ত খরচ হবে ৬৫১ কোটি টাকা। জাতীয়করণের সর্বেমাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা হবে=৬৩,৭৬৫টি।