২০০৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার: ৬৪ লাখ অবৈধ ভোটার বাতিলের দাবী। ছাত্রদলের স্মারকলিপি।

২০০৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, সংসদ রিপোর্টার: অষ্টম জাতীয় সংসদের ১,০৭৯টি প্রতিশ্রুতির মধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৩২৬টি। বাস্তবায়ন হয়নি ৭৫৩টি প্রতিশ্রুতি।

২০০৬ সালের ৮ মার্চ, স্টাফ রিপোর্টার: গত ৫ বছরে দেশে ৫,২১৭ জন নারী ধর্ষিত হয়েছে। এদের মধ্যে ৬১৪ জনকে ধর্ষেণর পর হত্যা করা হয়েছে। ৬১ জন নারী ধর্ষেণর পর আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। অপরদিকে যৌতুকের কারণে ১,০০৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে। ৪২০ জন বিভিন্নভাবে নির্যািতত হয়েছে। ৫৫ জন এসিড নিক্ষেপের শিকার হয়েছে। যৌতুকের কারণে তালাকপ্রাপ্তা হয়েছে ৮ জন। বিশ্বনারী দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত অধিকারের এক রিপোর্ট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

২০০৬ সালের ১৭ মার্চ, দুর্নীিত দমন কমিশন চেয়ারম্যানের অভিযোগ: ২০০৪ সালে প্রকাশিত জরিপে দেখা যায়, ১৯৯১ সালে যেখানে দুর্নীিতর পরিমাণ ছিল ২৩,১৯৮ কোটি টাকা, সেখানে ২০০৪ সালে তা বেড়ে ৭০ হাজার কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ২০০৫ সালে তা বেড়েছে, এটাই স্বাভাবিক।

২০০৬ সালের ১১ এপ্রিল, বাসস: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কমিটির সদস্যবর্গ এবং বিশিষ্ট ও অভিজ্ঞ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত ছয়টি বিশেষ গ্রুপ গত নয় মাসে ৭৮ পৃষ্ঠার এ পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর এম. আসাদুজ্জামান প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাছে ২০০৫-২০২৫ মেয়াদে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য স্র্টযাটেজিক পস্ন্যানিং হস্তান্তর করেন। মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী-খালেদা জিয়া।

২০০৬ সালের ২৫ এপ্রিল, সাজ্জাদ আলম খান: সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী দফতরের নির্দেশনা। ৪-বছরে ৭৬ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সিন্ডিকেট। সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নৈশকালীন বাজার স্থাপনের উদ্যোগ।

২০০৬ সালের ১৬ মে, বাসস: ২১ মে, বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি মহাসরণিতে যুক্ত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সাবমেরিন ক্যাবল সিষ্টেমে যাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি মহাসরণিতে যুক্ত হয়নি ০৬-০২-২০০৯

২০০৬ সালের ২৯ মে, উমর ফারুক আলহাদী: রাজধানীতে ৪০-গ্রুপের ৫ হাজার ক্যাডার সক্রিয়। ভাড়াটিয়া খুনীরা ঘটাচ্ছে একের পর এক হত্যাকান্ড। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জড়িতদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এ সরকারের ব্যর্থতা।

২০০৬ সালের ১ জুন, ফজলুল বারীঃ সরকারী ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি ৪ হাজার কোটি টাকা।

২০০৬ সালের ৯ জুন, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: * থোক বরাদ্দ-৪,৫৪৬ কোটি টাকা * নতুন করারোপ হয়নি *কালো টাকা সাদা করার বিধান অব্যাহত * শুল্ক নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন * সামাজিক বেষ্টনীতে বরাদ্দ বৃদ্ধি। নির্বাচনী বাজেটে থোক বরাদ্দের মহোৎসব।

২০০৬ সালের ২৮ জুন, বর্তমান সংসদের ৫৮% সদস্যই ব্যবসায়ী: টিআইবি। কালো টাকার মালিকরা মনোনয়ন কিনে সংসদ-সদস্য হচ্ছেন।

২০০৬ সালের ২৯ জুন, স্টাফ রিপোর্টার: হরতাল বন্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় চুক্তি করতে বি.এন.পি.-আওয়ামী লীগের ঐকমত্য। আগামী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় চুক্তি করতে ঐকমত্য পোষণ করেছেন বি.এন.পি.-আওয়ামী লীগের দুই শীর্ষ নেতা। এরা হচ্ছেন, বি.এন.পি. মহাসচিব এল.জি.আর.ডি. মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ও বিরোধী দলীয় উপনেতা সাবেক স্পীকার এডভোকেট আবদুল হামিদ।

২০০৬ সালের ৫ জুলাই, চার দলীয় জোটের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি আজতক বাস্তবায়িত হয়নি। ইশতেহারে অঙ্গীকার করেও এখনো বাস্তবায়িত হয়নি এমন প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে (১) দুর্নীিতর মলোৎপাটন, (২) পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপানের মাধ্যমে সঙ্কট নিরসন, (৩) বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ, (৪) ন্যায়পাল নিয়োগ, (৫) প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ, (৬) রেডিও-টেলিভিশন স্বায়ত্তশাসন, (৭) গঙ্গার পানি চুক্তি পুর্নঃমূল্যায়ন, (৮) সীমান্ত সমস্যার সমাধান, (৯) উপজেলা ও জেলা পরিষদ গঠন, (১০) ঢাকায় বাইপাস, সার্কুলার রেল ও মনোরেল চালূ করে যানজট নিরসন, (১১) বন্ধ শিল্প-কারখানা আধুনিকায়ন করে চালু, (১২) নিরক্ষরতা দূর, (১৩) সকল বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ, (১৪) বেসরকারী স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের অনুদান একশ' ভাগে উন্নীতকরণ, (১৫) ইউনিয়ন পর্যােয় দু'জন করে এমবিবিএস ডাক্তার নিয়োগ, (১৬) কৃষকদের সময়মতো পর্যাপ্ত সার, বীজ, সেচ ও কীটনাশক সরবরাহ, (১৭) শ্রমিকদের মজুরি কমিশন ও ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ এবং (১৮) বিশেষ ক্ষমতা আইন বাতিল। এ অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়িত হয়নি।

২০০৬ সালের ২০ জুলাই, প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় বলেছে যে-বাংলাদেশে ২৩৭টি ওষুধ কোম্পানী আছে।

২০০৬ সালের ২৭ জুলাই, সাজ্জাদ আলম খান: নির্বাচনে ৩০-হাজার কোটি কালো টাকা ব্যয় হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ওপর বিশ্বব্যাংকের চাপ। গত ০১-১০-২০০১ সালের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকা। এবার ৩-গুণ ব্যবহার বাড়বে।

২০০৬ সালের ৭ আগষ্ট, বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ-গত ৫(পাঁচ) বছরে সাফল্যের সব রেকর্ড অতিক্রম। সিপিডি মিথ্যাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী: বিওআই চেয়ারম্যান। স্বাধীনতার পর ২৮ বছরে যেখানে বাংলাদেশে সর্বেমাট ৮৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছে-সেখানে ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মাত্র ৫ বছরেই সর্বেমাট ১৭০ কোটি ৪০ লাখ ডলার অর্থাৎ প্রায় দ্বিগুণ বৈদেশিক বিনিয়োগ এসেছে এবং আগামী ৫ বছরে সাড়ে ১০ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ৭৫ হাজার কোটি টাকার বিদেশী বিনিয়োগ আসবে এবং ২০১৫ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ (এলডিসি) থেকে মধ্যম সারির ধনী দেশে উন্নীত হবে। ২০১৫ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ থেকে মধ্যম সারির ধনী দেশে উন্নীত হবে না।

২০০৬ সালের ৯ আগষ্ট, নূরুল আলম শাহঃ আমলাদের বিদেশ সফরে এক হাজার ৪শ' ৩৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার এক দীর্ঘেময়াদী প্রকল্প নিয়েছে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। জাতীয় প্রয়োজনে ভোটার তালিকা তৈরীর জন্য টাকা নেই, বেতনের মাত্র শতকরা ১০ ভাগ দিতে না পারায় দেশের প্রায় ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী এক মাস রাস্তায় কাটিয়েছেন, প্রায় সারাদেশের দেড় কোটি স্কুল-কলেজ ছাত্র-ছাত্রীর লেখাপড়া বন্ধ থেকেছে। ঠিক এমনি অবস্থায় সরকারের বিভিন্ন শ্রেণীর আমলাদের দেশে-বিদেশে 'ট্রেনিং ও ভ্রমণের' জন্য-১,৪৩৩(এক হাজার চারিশত তেত্রিশ কোটি) টাকা আছে।

২০০৬ সালের ২৬ আগষ্ট, সালাহউদ্দিন বাবলু: দুর্নীিতর দায়ে বাতিল সার কারখানা উদ্বোধনে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। জাতীয় ক্ষতি দুই হাজার কোটি টাকা।

২০০৬ সালের ২৭ আগষ্ট, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: কিছু রাজনীতিক ও আমলার মদদে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে সিন্ডিকেট। শীর্ষস্থানীয় ১শ' সিন্ডিকেট সদস্যকে ক্রসফায়ারে পাঠানোর দাবী।

২০০৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর, সাজ্জাদ আলম খান-দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ব্যর্থ। প্রতিটি বাজার এলাকায় নাগরিক কমিটি হচ্ছে। আড়তদারি ও মজুদদারির মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধি অপরাধ মসজিদের ইমামগণ খুতবায় এ তথ্য প্রচার করবেন। এ কথার অর্থও ফাকা।

২০০৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব রিপোর্ট: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মূল্য কমাতে দফায় দফায় আশ্বাস তামাশায় পর্যবসিত। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ। মানুষ দিশেহারা পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে সিন্ডিকেটের নয়া কারসাজি।

২০০৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন এবং জনসভার পূর্বে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১২ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিতাস নদীর ওপর ২১৭ মিটার দীর্ঘ বাঞ্ছারামপুর-হোমনা সেতুর উদ্বোধন করেন।

২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর, মাসুদুজ্জামান রবিন: জোট সরকারের ৫-বছর। বাড়িভাড়া বেড়েছে ৯৫ শতাংশ। ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন কেতাবে আছে প্রয়োগ নেই।

২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: বিদায়ী বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছিল ১৩ ভাগ। গত ২০০৫ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছিল ৯.৭৭ ভাগ।

২০০৭ সালের ৬ জুন, ইনকিলাব-২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট, বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক রহমান, জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদসহ ২৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

২০০৭ সালের ১৯ জুন, ইনকিলাব রিপোর্ট: ১৯৮৪ সালের দিকে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে মোসাদ্দেক আলী ফালুকে পরিচয় করিয়ে দেন। ১৯৮৬ সালে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি খালেদা জিয়ার দেহরক্ষী নিযুক্ত হন। এরপর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বেগম খালেদা জিয়া নিজ ইচ্ছায় ফালুকে তাঁর একান্ত সচিব নিযুক্ত করেন। একান্ত সচিব হওয়ার কারণে ফালুর ভাগ্যের চাকা দ্রুত ঘুরতে থাকে। খালেদা জিয়া দলের যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তাঁর মতামত চাইতেন। এ কারণে দলের অনেক সিনিয়র নেতা তাকে সমীহ করতেন। মির্জা আব্বাসের হাত ধরেই ভাগ্য বদলের পালা শুরু হয় ফালুর।

২০০৭ সালের ২১ জুন, ইনকিলাব রিপোর্ট: ফালু আরো জানালেন, ব্যাংক ঋণ ও ব্যবসার বিষয়ে জলিলসহ আরো আওয়ামী লীগ নেতার সাথে যোগাযোগ ছিল। নানাভাবে নেয়া চাঁদার টাকার ভাগ দিতে হত তারেক-কোকোকে।

২০০৭ সালের ২২ জুন, ইনকিলাব রিপোর্ট: অধিকাংশ অর্থ পাচার করা হয়েছে কানাডা, সউদি আরব, মালয়েশিয়া ও আমেরিকায়। কোকোর আত্মীয়-স্বজনদের নামে গড়া হয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যাংক একাউন্ট ও ফ্ল্যাট। জোট সরকারের ৫ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায়ের বর্ণনা দিচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব মোসাদ্দেক আলী ফালু।

২০০৭ সালের ২৪ জুন, বিএনপিতে সংস্কারপন্থীদের সংশয়-খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। বেগম জিয়ার সাম্প্রতিক উদ্ধৃতি-'দলে পরিবার তন্ত্র নেই, আমার কাছের ও চারপাশের লোকজন কোনো দুনীর্তি করেনি, আমি সংস্কারের পক্ষে এবং নিজেই কিছু সংস্কার প্রস্তাব তৈরী করেছি'-ইত্যাদিকে অসংলগ্ন কথাবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন সংস্কারপন্থী নেতারা।

২০০৭ সালের ২৪ জুন, ইনকিলাব রিপোর্ট: দেশের বাইরে বিনিয়োগের পরামর্শ দিতেন খালেদা জিয়া।

২০০৭ সালের ৬ আগষ্ট, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: ব্যাংক একাউন্ট জব্দকৃতরা মাসে ৫০ হাজার টাকা উঠাতে পারবেন। অতিরিক্ত অর্থের জন্য সিআইসিতে আবেদন করতে হবে। খালেদা জিয়াকে নির্ধািরত ফরমে আবেদন করতে হবে।

২০০৮ সালের ২২ নভেম্বর, প্রথম আলো-২১ নভেম্বর, সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সন্ধ্যায় সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এটিএন বাংলার সৌজন্যে। দুই নেত্রীর দেখা হলো কথা হলো। হাসিনা-খালেদার হাস্যোজ্জ্বল ছবি আবার দেখা যাবে তো?

২০০৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রশ্নই আসে না: খালেদা।

২০০৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমা চাইছি-দেশ পরিচালনার সুযোগ দিন। পল্টন ময়দানে বিশাল জনসমাবেশে খালেদা জিয়া।

২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ৭২ আসনের ২২০টি কেন্দ্রে ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছে বিএনপি। ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে খালেদার অসন্তোষ।

২০০৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: প্রহসনের নির্বাচন বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য নয়: খালেদা জিয়া।

২০০৯ সালের ৪ মার্চ, প্রথম আলো: খালেদা জিয়ার সংবাদ ব্রিফিং-সাধারণ ক্ষমা প্রত্যাহার ও সমঝোতাকারীদের ভূমিকা তদন্তের দাবি।

২০০৯ সালের ৮ এপ্রিল, প্রথম আলো: ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচন দেশকে আরও গভীর সংকটে ফেলেছে: খালেদা।

২০০৯ সালের ৯ এপ্রিল, প্রথম আলো: 'একই ব্যক্তির নামে একাধিক বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া প্রচলিত আইনের পরিপন্থী'। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মইনুল সড়কের ৯-বিঘার ওপর বাড়িটির সরকারি ইজারা বাতিল করা হয়েছে।

২০০৯ সালের ২১ এপ্রিল, প্রথম আলো: খালেদা জিয়াকে ১৫ দিনের মধ্যে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ। সেনানিবাসে রাজনীতি করাসহ ইজারা বাতিলের পাঁচ কারণ উল্লেখ।

২০০৯ সালের ৮ মে, প্রথম আলো: খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাড়ি ছাড়তে আবার নোটিশ। সামরিক ভূ-সম্পত্তি প্রশাসন দপ্তর ১৫ দিনের মধ্যে জবাব চেয়েছে। বাড়িটি এ-১ শ্রেণীভুক্ত। সেনানিবাস ভূমি প্রশাসন আইন অনুযায়ী এ সম্পত্তি ব্যক্তির নামে বরাদ্দ দেওয়া আইনবিরোধী।

২০০৯ সালের ৫ জুন, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তরে অর্থমন্ত্রী ক্ষমতা নিয়েই (১৬-১০-২০০১ তারিখ) বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব তারেক রহমানের নামে মালিকানাধীন ড্যান্ডি ডায়িংয়ের নামে ১২ কোটি ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১১৯ টাকা সুদ মওকুফ করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের আওতা থেকে মুক্ত করা হয়।

২০০৯ সালের ৬ আগষ্ট, প্রথম আলো: জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীিত মামলায় অভিযোগপত্র খালেদা, তারেকসহ আসামি ৬ জন।

২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর, প্রথম আলো: সংসদ অকার্যকর, প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে দুই দলই। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে আছে, ৩০ কার্যিদবসের বেশি সংসদে অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সদস্যপদ শূন্য হবে।

২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: আজ ১৬ বছর পর বিএনপির ৫ম কাউন্সিল। দুই হাজার ৬২২ জন কাউন্সিলর, ১২ হাজার ডেলিগেট, দেশ-বিদেশের আমন্ত্রিত অতিথি মিলিয়ে মহা আয়োজন। কর্মীেদর মধ্যে উৎসাহ নেতারা উৎকণ্ঠায়।

২০১০ সালের ৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া ব্যয়ের তথ্য। গত ২৯-১২-২০০৮ সালের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেছে বিএনপি।

২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিএনপি-জামায়াতের 'কালো দিবস' পালন। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির (এক-এগারোর) পটপরিবর্তেনর জন্য দায়ীদের বিচার দাবী।

২০১০ সালের ১৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রী ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে এসেছেন। সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া।

২০১০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: 'জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক' এমন তথ্যসংবলিত সব বই-প্রকাশনা নিষিদ্ধ।

২০১০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: জয়ের আওয়ামী লীগে যোগদানকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। খালেদার জন্য এসএসএফ দাবি।

২০১০ সালের ৬ মে, প্রথম আলো: রাজশাহীর মহাসমাবেশে কর্মীেদর উদ্দেশে খালেদা জিয়া। হরতাল দিলে সফল করতে পারবেন তো?

২০১০ সালের ২০ মে, প্রথম আলো: নতুন নির্বাচন দাবি খালেদার। পল্টন ময়দানে মহাসমাবেশ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা। ৯ জুন ঢাকায় গণ-অবস্থান। ১৭ জুন সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ। ২৭ জুন সারা দেশে সকাল-সন্ধা হরতাল।

২০১০ সালের ১৯ জুন, প্রথম আলো: বিএনপির চট্টগ্রাম জয়। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন-২০১০। মনজুর আলম ভোট পেয়েছেন-৪,৭৯,১৪৫ এবং এ.বি. এম মহিউদ্দিন চৌধুরী থেকে বেশি ভোট পেয়ে ৯৫,৫২৮ নির্বািচত। ৪১ কাউন্সিলরের মধ্যে আওয়ামী লীগ-সমর্ধিত ২০ জন ও বিএনপি সমর্থিত ১৭ জন। কখনো ভাবিনি মেয়র হব: মনজুর আলম।

২০১০ সালের ১০ আগষ্ট, প্রথম আলো: গণমিছিল কর্মসূচিতে খালেদা জিয়া-সরকার আবার গোলামি চুক্তি করেছে ভারতের সঙ্গে।