২৭-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারেঃ আমরা এ রাষ্ট্রপতির ভাষণে অংশ নিতে পারিনা: বিরোদলীয় নেত্রী-শেখ হাসিনা।
২৭-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: সরকার এক বছরে ভর্তুিক দিয়েছে ৯০০(নয়শত) কোটি টাকা সারের পুরোটাই পানিতে গেছে: অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান। বাংলাদেশে উৎপাদন ও শ্রমশক্তির আশি ভাগ অবদান ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের।
২৮-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খাদ্য সরবরাহ খাতে ব্যাপক দুর্নীিত হচ্ছে-অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান। আগামী মাসেই বাজেট সংশোধন, গরীবের টাকায় বড়লোকেরা আরো বড়লোক হবে তা'হতে পারে না। ধনী দেশগুলোই তাদের পণ্য কেনার জন্য ঘুষ দিয়ে দুর্নীিতর সুযোগ করে দেয়। পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত-শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা হবে।
২০০৩ সালের ১১ ডিসেম্বর, জেনেভায় ইনফরমেশন সোসাইটি শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্তাব: তথ্য প্রযুক্তি প্রসারে বিশেষ তহবিল গঠন করুন।
২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে (কুমিল্লা সংবাদদাতা)-বিরোধী দল মিথ্যে তথ্য দিয়ে দেশের মর্যাদা বিদেশীদের কাছে ভূলুন্ঠিত করছে: প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
২০০৪ সালের ১৩ জানুয়ারি, ২১৪ জনের বিরুদ্ধে ৫৪ জন নিয়ে মাঠে নামলে পরিণতি ভাল হবে না: তথ্যমন্ত্রী।
২০০৪ সালের ১৮ জানুয়ারি, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৫ হাজার ২৪টি ফ্ল্যাট হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন। ৩৪৭,১২,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে ৪৮-একর জমির উপর ফ্লাটগুলি নির্মাণ হবে। ৯,০২৪টি ফ্ল্যাট বস্তিবাসীদের জন্য এবং নিম্নবিত্তদের জন্য রাখা হবে ৬ হাজার ফ্ল্যাট। ১০ হাজার টাকা ডাউন পেমেন্ট প্রদান সাপেক্ষে ৫-বছরে ২ লক্ষ টাকা প্রদান সাপেক্ষে সংশিস্নষ্ট শ্রেণীর আবেদনকারী একটি ফ্ল্যাটের মালিক হবার সুযোগ পাবে। এ ফ্ল্যাট তৈরি হয়নি। তাঁর কথাও কাজের মিল নেই।
২০০৪ সালের ১৯ জানুয়ারি, মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ২২ ও প্রধানমন্ত্রীর দফতর আলাদা না রাখার সুপারিশ: সরকারী ব্যয় পর্যােলাচনা কমিশনের রিপোর্ট পেশ-মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা বর্তমানে ৩৮ থেকে ২২-এ নামিয়ে আনুন।
২০০৪ সালের ২০ জানুয়ারি, মতিঝিলে কারপার্কিং তথা বাণিজ্যিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: নগরীতে আন্ডারগ্রাউন্ড রেলপথ নির্মােণর চিন্তা-ভাবনা চলছে: প্রধানমন্ত্রী। প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ভবনটি 'সিটি সেন্টার' হিসাবে পরিচিতি হবে। ভবনের ৯ম তলা পার্কিং ফ্লোরগুলোতে একই সময় প্রায় ৫০০-গাড়ী পার্কিংয়ের সুবিধা থাকবে। ৩৭-তলা বিশিষ্ট কারপাকিং-কাম-বাণিজ্যিক ভবন।
২০০৪ সালের ২৩ জানুয়ারি: ১৯৯৪ সালেও এক দফা দিয়েছিলেন কিন্তু একদিন আগেও ক্ষমতা ছাড়িনি-বিরোধী দলের প্রতি মান্নান ভূঁইয়া।
২০০৪ সালের ২৯ জানুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গতকাল বাংলাদেশ সচিবালয়ে জেলা প্রাশসক সম্মেলনে ভাষণ দেন: আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কোন অজুহাত চলবে না-সরকারী আদেশ বাস্তবায়নে অবহেলা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা-ডিসিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
২০০৪ সালের ১১ এপ্রিল, বিটিভি ওয়াল্র্ড উদ্ভোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
২০০৪ সালের ১১ এপ্রিল, তথ্য বিবরণী: শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সে নতুন স্থাপিত এক্স-রে ইউনিটের উদ্ভোধন করে বলেন যে, দেশে অপচয় লুটপাট বন্ধ হলে ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব। তা'হলে আমার প্রশ্ন হলো-কারা অপচয় এবং লুটপাট করে? তাদের নাম প্রকাশ করুন।
২০০৪ সালের ২৯ এপ্রিল, বাংলাদেশে ৬ হাজার ৪০০শ' কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে-সংসদে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
২০০৪ সালের ৩ মে, ষ্টাফ রিপোর্টার: বিকল্প ধারার আহবায়ক সাবেক প্রেসিডেন্ট ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী গত শনিবার মে দিবসের এক আলোচনা সবায় বলেছেন, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে ১৬,০০০ হাজার কোটি টাকা সম্প্রতি গায়েব হয়ে গেছে। এর জন্য অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে জবাবদিহি করতে হবে। এ টাকা গোপনে কে বা কারা নিয়ে গেছে তা জন সম্মুখে প্রকাশ করার দাবী জানিয়ে তিনি বলেন, এ টাকা দেশের বাহিরে চলে গেছে। অথচ এ টাকা দিয়ে দেশে কমপক্ষে ৩শ' শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়া যেতো এবং ৩ লাখ নতুন শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হতো।
২০০৪ সালের ১৯ মে, এস. এম. আলী আহসান পান্না: আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই দেশ ফেরিমুক্ত হবে এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম লালন শাহ সেতু উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেন।
২০০৪ সালের ২৮ মে, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে আইন প্রণেতারাই আইন ভঙ্গকরেন: ইউএনডিপি প্রতিনিধি। লুমেকাররা টেলিফোন বিল দেন না। সংসদে ৭৯-দিন অনুপস্থিত থেকে ৯০-দিনের বেতন নিচ্ছেন। এটা খুবই বিব্রতকর।
২০০৪ সালের ১১ জুন, বাসস: যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেছেন, সরকার সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাভুক্ত ২২,৩৭৮ কিলোমিটার সুষ্ঠ রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে রোড-ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ উদ্দেশ্যে শিগগিরই জাতীয় সংসদে রোড-ফান্ড অথরিটি বিল আনা হবে।
২০০৪ সালের ২৫ জুলাই, বগুরা থেকে মহসিন রাজু: বগুড়ায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ২৪-০৭-২০০৪ প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া,দুশ্চিন্তার কিছু নেই আমরা আপনাদের পাশেই রয়েছি।
২০০৪ সালের ২৬ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: যুবলীগের আলোচনা সভা-জোট সরকার' ২০০৬ সাল পর্যন্ত টিকে থাকলে আওয়ামী লীগ আর ক্ষমতায় যেতে পারবে না। এ কথার অর্থও মিথ্যা প্রমান হবে।
২০০৪ সালের ১ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: খালেদা জিয়ার সঙ্গে মনমোহন সিং-এর বৈঠক: নিরাপত্তাসহ দ্বিপক্ষীয় সকল ইস্যু সমাধানে মতৈক্য-বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া ভারত নদী সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে না। বাসস: গতকাল থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সকল বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। এ আলোচনার অর্থও ফাঁকা কথা ছাড়া আর কিছু নয়।
২০০৪ সালের ৪ আগষ্ট, বাসস: রাজধানী ও উপশহর রক্ষায় ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে-ডেমরায় বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণকালে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এ কথার অর্থও মিথ্যা প্রমাণিত হবে।
২০০৪ সালের ৬ আগষ্ট, ইকবাল হাসান নান্টু: দক্ষিণ এশিয়ার সর্বাধুনিক শপিং মল ও বিনোদন কেন্দ্র বসুন্ধরা সিটির উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে ভাষন দেন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। নয়নাভিরাম 'বসুন্ধরা সিটি'র উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, আমাদের সাহসী মানুষ ধ্বংসস্তুপেই ফোটান সৃষ্টির নতুন ফুল।
২০০৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, 'মওলানা ভাসানী নভোথিয়েটার' উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া: ১১২(একশত বার) কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিজয় স্মরণীতে এ নভোথিয়েটার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হলো। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে (২৬-০৯-২০০৪ সালে) ১২শ'টির মতো পস্নানেটারিয়াম থাকলেও বাংলাদেশে এ প্রথম।
২০০৪ সালের ২৩ অক্টোবর, ইনকিলাব রিপোর্ট, পিএসসি লঙ্ঘণ: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ব্যাখ্যা চেয়েছেন-ইউনোকলকে ৬০০ কোটি টাকা ছাড়। দেশের গ্যাস উত্তোলনে বিদেশী কোম্পানীর সাথে উৎপাদন বন্টন চুক্তির(পিএসসি) লঙ্ঘণ ঘটিয়ে এ প্রথমবারের মতো ইউনোকলকে ৪% ট্যারিফ (হুইলিং চার্জ) মাফ করে কমপক্ষে ৬শ' কোটি টাকা ছাড় দেয়া হচ্ছে।
২০০৪ সালের ৩ নভেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: উপজেলা নির্বাচন করতেই হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার না মানলে বিএনপি সরকারের অধীনে নির্বাচন-প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
২০০৪ সালের ৪ নভেম্বর, প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মহাখালীতে নির্মিত ফ্লাইওভারটি উদ্বোধন করেছেন। ১,০১১ দশমিক ৮০ মিটার দীর্ঘ ও ১৭ দশমিক ৯ মিটার প্রশস্ত ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০১ সালের ডিসেম্বরে এবং নির্মাণ কাজ শেষ হয় ৪ নভেম্বর ২০০৪ সালে, এতে ব্যয় হয় ১১৩ কোটি টাকা।
২০০৫ সালের ৫ জানুয়ারি, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: জীবনযাত্রার ব্যয়: ২০০৪ সালে বেড়েছে ৭ দশমিক ১০ ভাগ। জীবনযাত্রার ব্যয়: ২০০৩ সালে বেড়েছিল ১০ দশমিক ৪৮ ভাগ। জীবনযাত্রার ব্যয়: ২০০২ সালে বেড়েছিল ৮ দশমিক ৫২ ভাগ ও ৪ দশমিক ৭২ ভাগ। সে হিসাবে গত ৩-বছরে বর্তমান সরকারের আমলে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ২৬ দশমিক ১০ ভাগ এবং নিত্যব্যবহার্যো পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে শতকরা প্রায় ১৩ ভাগ। কনজ্যুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বাজার তথ্য পর্যােলাচনা করে এ তথ্য দিয়েছে।
২০০৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: বর্তমান সরকারের মন্ত্রীরা কোটি কোটি টাকার সম্পদ লুটেপুটে খাচ্ছে।-সেমিনারে বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
২০০৫ সালের ৩ মার্চ, স্টাফ রিপোর্টার: সদরঘাট থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত সাড়ে ২৯ কিলোমিটারব্যাপী প্রথম পর্যােয়র এ নৌপথের উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
২০০৫ সালের ২৪ মার্চ, জাকারিয়া কাজল: দুই যুগে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ২৮৪.৬৯ শতাংশ। এক দশকে আয় বেড়েছে ১৪.৪ শতাংশ।
২০০৫ সালের ১ এপ্রিল, বাসস: প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আগামী ২০১৫ সালের মধ্যে দারিদ্র অর্ধেেক নামিয়ে আনতে হবে এবং ২০২০ সালের মধ্যে দেশকে দারিদ্রমুক্ত করার লক্ষ্য অর্জেন কাজ করার জন্য সমবায়ীসহ সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। এ কথাও ফাকা কথা।
২০০৫ সালের ২৬ মে, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: ওয়াশিংটনে কংগ্রেশনাল ককাসের শুনানি-বাংলাদেশে সংঘাতের জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমভাবে দায়ী। অনেক উন্নয়ন হলেও দুর্নীিত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
২০০৫ সালের ১৩ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: ছাত্র রাজনীতি বন্ধের উদ্যোগ-রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হবে।
২০০৫ সালের ৬ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকার সংসদ রিপোর্টার: কোন মন্ত্রণালয়েই ফেরেশতা নেই-আমি প্রত্যেকটি বিভাগের নাম বলতে পারি যেখানে দুর্নীিত হয়-সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমান বলেছেন, রাজস্ব বোর্ডসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দুর্নীিত আছে, একথা সত্য।
২০০৫ সালের ৭ জুলাই, সংসদ রিপের্টার: দেশে ৪ হাজারেরও বেশী ডাক্তার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে-প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬শ' ৮৮ জন মেডিকেল অফিসার নিয়োগ করেছে। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যােয় ৩ হাজার ১শ' ৭৬টি মেডিকেল অফিসার ও ৩ হাজার ১শ' ৭৬টি স্বাস্থ্য সহকারীর পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে আরো ৪ হাজার ১শ' ১৭টি মেডিকেল অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। এয়াড়া ২-হাজার নার্স ও ৩-হাজার স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ প্রদান করা হয়। আরো ২-হাজার স্টাফ নার্স-এর পদ সৃষ্টির বিষয় সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।
২০০৫ সালের ১১ জুন, বাসসঃ প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজারবাগ পুলিশ লাইনে হাইওয়ে পুলিশ ইউনিট উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশের মানচিত্রের ওপর টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যস্ত বিস্তৃত হাইওয়ের গুরুত্বপূর্ণ ৭২টি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রতীক হিসেবে স্থাপিত বাতি জ্বালিয়ে এ বাহিনীর উদ্বোধন করেন। ২,০৪২ সদস্যের হাইওয়ে পুলিশ সারাদেশের ৭২টি ফাঁড়ির মাধ্যমে কাজ করবে। গত ৫ বছরে দেশের মহাসড়কগুলোতে ২২ হাজার ৩২টি দুর্ঘটনা এবং ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৬৯৭টি অপরাধ ঘটনার রেকর্ডের প্রেক্ষাপটে হাইওয়ে পুলিশ গঠন করা হয়েছে।
২০০৫ সালের ১৯ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ-বাসস: বেইজিংয়ে খালেদা-জিয়াবাও আনুষ্ঠানিক আলোচনা। চীন বাংলাদেশকে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সাহায্য দেবে।
২০০৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-বাসস: স্বাধীনতার ৩৪-বছরেও অগ্রগতি অর্জিত হয়নি-প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এ কথা বলার পরও তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল আছেন।
২০০৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-স্টাফ রিপোর্টার: ডিসিসিআই ভিশন ২০২১-এর উদ্বোধন করলেন প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দীন আহমেদ। গভর্নেন্স দুর্নীিত ও অদক্ষতা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এ কথা জেনেও তিনি প্রেসিডেন্ট পদে বহাল থাকেন কেন?
২০০৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-নূরুল আলম শাহীন: সরকারবিরোধী প্রশাসনিক মঞ্চ তৈরীর আয়োজন। সাবেক সচিব ও বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া আমলারা উদ্যোক্তা।
২০০৫ সালের ২৮ সপ্টেম্বর, ইনকিলাব-স্টাফ রিপোর্টার: দেশের ১৪.৩০ কোটি ত্রিশ লাখ মানুষের মধ্যে ২ কোটি মানুষই আবাসন বঞ্চিত। যাদের আবাসন নেই তাদের নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করাই আমাদের সকলের অঙ্গীকার হওয়া উচিত। এ সমাজে এ কথার অর্থও ফাঁকা।
২০০৫ সালের ৯ অক্টোবর, ভারতের সায় পেলে ভূটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানী করা হবে। ভুটানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ৩০(ত্রিশ) হাজার মেগাওয়াট।
২০০৫ সালের ১১ অক্টোবর, ইনকিলাব-জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী-সংবিধান অকার্যকর করার অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দেবো। বিরোধী দলের কোন যুক্তিপূর্ণ প্রস্তাব আমরা উপেক্ষা করবো না।
২০০৫ সালের ২১ নভেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: দলীয়করণে সরকার বিশ্ব রেকর্ড করেছে-আওয়ামী লীগের গোলটেবিলে আলোচকগণ।
২০০৫ সালের ২৪ নভেম্বর, সংসদ রিপোর্টার: ঢাকায় স্বপস্ন আয়ের মানুষের জন্য ১(এক) লাখ ফ্ল্যাট নির্মােণর মালয়েশীয় প্রস্তাব রয়েছে।-সংসদে পূর্তমন্ত্রী।
২০০৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর, বিবিসি: দিল্লীতে ১৯৭১-এর বিজয় অনুষ্ঠান ভারতের স্বাধীনতা দিবসকেও ম্স্নান করেছে। আমন্ত্রণ পায়নি বাংলাদেশ দূতাবাস।
২০০৫ সালের ২২ ডিসেম্বর, বিশেষ সংবাদদাতা: ষড়যন্ত্রে কাজ হবে না: বোমাবাজি করে সরকার হটানো যাবে না: উস্কানিমূলক বক্তব্য দিলে রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি। মেয়াদ শেষে বর্তমান ব্যবস্থায়ই নির্বাচন।-মহাসমাবেশে খালেদা জিয়া (২১-১২-২০০৫)।
২০০৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর, মিজানুর রহমান তোতা-যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বিশাল জনসভায় খালেদা জিয়া: চারদলীয় জোট ভাঙার ষড়যন্ত্র সফল হবে না।
২০০৬ সালের ৩ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: বিএমএ'র সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন-শিগগির সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ খাতের ৩১ হাজার ৩১৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভক্ত করবে আরো ৩-হাজার চিকিৎসক নিয়োগ হবে।
২০০৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, সরকারী ব্যয় বৃদ্ধির নেপথ্যে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এ হতাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার মাত্র ৬ মাস পর ৫০ কোটি টাকার কাজের ব্যয় দাঁড়ায় ১২০ কোটি টাকা। সংশিস্নষ্ট বিভাগকে বলে দেয়া হয় তোমরা কিছু বলো না, পর্দার আড়ালে সবকিছু ঠিক করে দেয়া হয়।
২০০৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: বি.এন.পি. দুর্নীিতর টাকায় ভোট কিনতে চায়-শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, এম আবদুল্লাহ: ৪৩৬ দিন পর সংসদে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ-অধিবেশনের মেয়াদ বাড়তে পারে। নির্বাচনী আইন সংস্কারে সরকার রাজি হলেও তত্ত্বাবধায়ক প্রশ্নে 'না'।
২০০৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: দেশ ডাকাত সরকারের কবলে পড়েছে-সুপ্রীম কোর্ট বার। গত ৫০ বছরের ইতিহাসে এমন অথর্ব সরকার আর আসেনি।