২০১৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : বড় বাধা এখন বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ঋণ ৪ লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকা। দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৭ হাজার ২৯১ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ১১.৬০ শতাংশ। প্রতিযোগী দেশ ভারত, চীন, থাইল্যান্ড প্রভৃতি দেশের খেলাপি ঋণের পরিমাণ মোট ঋণের ৩ শতাংশের মতো। বড় ঋণখেলাপিদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন হচ্ছে।

২০১৫ সালের ১১ মে, প্রথম আলো : গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত-২৬,০০০(ছাব্বিছ হাজার) কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমল।

২০১৫ সালের ২ অক্টোবর, প্রথম আলো : দেশে ঋণখেলাপির সংখ্যা এখন পৌনে দুই লাখ। ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮১ জন ঋণ খেলাপি। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ৩ সেপ্টেম্বর, জাতীয় সংসদে এ তথ্য দিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে-গত জুন ২০১৫ সালে দেশে মোট খেলাটি ঋণ ছিল-৫২ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা। এর বাইরে আরো ৩৭ হাজার কোটি টাকা রাইট অফ বা অবলোপন করা হয়েছে। ২০০২ সালে এ ঋণ অবলোপন পদ্ধতি চালু চালু হয়েছিল। রাঘববোয়াল ঋণ খেলাপি আড়াই হাজারের বেশি হবে না। আগেরবার খেলাপি ছিল ২ হাজার ১১৭ জন। মইনুল ইসলাম-অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

২০১৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: অর্থৈনতিক সম্পর্ক বিভাগ(ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত অনুদান ও ঋণ মিলিয়ে=৯ হাজার ২১৫ কোটি মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দাতারা। টাকার মূল্যে এর পরিমাণ ৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। এর প্রায় ২৯ শতাংশ অর্থই বাংলাদেশ ব্যবহার করতে পারেনি। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ সাহায্য ব্যবহার করতে পেরেছে ৬ হাজার ৫৪৩ কোটি ডলার বা প্রায় ৫ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। আর ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি প্রায় ২ হাজার ৬৭২ কোটি ডলার। এর মধ্যে দুনীর্তিসহ নানা কারণে দাতা সংস্থা ও দেশগুলো সাহায্য বাতিল করেছে প্রায় ৮০৩ কোটি ডলার। আর বাকি ১ হাজার ৮৬৯ কোটি ডলার (১ লাখ ৪৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা) এখন পাইপ লাইলে পড়ে আছে।

২০১৬ সালের ১০ মে, প্রথম আলো: ব্যাংক খাতে যতটাই খেলাপি প্রায় ততটাই ঋণ অবলোপন। (১) ৫১ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা খেলাপি। (২) অবলোপন করা ঋণের পরিমাণ ৪০ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। (৩) অবলোপন করা ঋণকে আড়ালে রেখে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে-মইনুল ইসলাম। সাবেক সভাপতি, অর্থনীতি সমিতি। ১৯৭২ থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বেশষ হিসাব অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকা। খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাড়িয়েছে-৯২,০০০ হাজার কোটি টাকা।

মইনুল ইসলামের হিসাবে বাংলাদেশে খেলাপি ঋণ ২ লাখ কোটি টাকার বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অবলোপন করা ঋণ বেশির ভাগ রাষ্ট্রমালিকাধীন চার ব্যাংকের। এ চার ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ-১৮,১৬২ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার আলোকে ২০০৩ সাল থেকে ব্যাংক ঋণ অবলোপনের সুযোগ তৈরি হয়।

২০১৬ সালের ১৮ মে, প্রথম আলো: খেলাপি ঋণ ১ লাখ কোটি টাকা। নিয়মিত খেলাপি ঋণের শীর্ষ পাঁচ ব্যাংক। (১) সোনালী ব্যাংক-৮ হাজার ২৭১ কোটি (২) বেসিক ব্যাংক-৬ হাজার ৮২৪ কোটি (৩) জনতা ব্যাংক-৫ হাজার ৪০ কোটি (৪) অগ্রণী ব্যাংক-৪ হাজার ৮১৫ কেটি ও (৫) বিকেবি-৪ হাজার ৭০ কোটি টাকা। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার সময় ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। আর দুই সময় অবলোপন করা ঋণ ছিল আরও ১৫ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে খেলাপি ঋণ ছিল ৩৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা। ০৬-০১-২০০৯ তারিখ থেকে ২০১৬ সালের ১৫ মে তারিখ পর্যন্ত এই হিসাবে ৮ বছরে প্রকৃত খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৬২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বৃদ্ধির হার প্রায় ১৬৪ শতাংশ। এর বাইরে আরও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ১৫ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনর্গঠন করা হয়েছে।

১৯৮১-সাল থেকে শেখ হাসিনা ও ১৯৮৮ সাল থেকে খালেদার কিছু বক্তব্য আছে:

১৯৮১ সালের ১৭ মে, শেখ হাসিনা (১৫ আগষ্ট ১৯৭৫-এর পর) প্রথম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন।

১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি, চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার সমাবেশে পুলিশের হাতে নির্বিচারে গণহত্যা সংঘটিত হয়।

১৯৮৯ সালের ২৪ নভেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট-শেখ হাসিনা বলেছেন "অধিকার আদায়ের আন্দোলনে হরতালের বিকল্প নেই''।

১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ: ১৯৯১ সালের ১৯ মার্চের পর থেকে ৩০-০৩-১৯৯৬ তারিখের আগ পর্যন্ত (খালেদা জিয়া সরকারের সময়) আওয়ামী লীগ ১৭৩ দিন হরতাল পালন করেন।

১৯৯৬ সালের ২৩ জুন, শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।

১৯৯৬ সালের ২৩ জুন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে। তাঁদের হিসেবানুযায়ী ৪২(বিয়াল্লিশ) হাজার কোটি টাকা ব্যংক ঋণ; ৬০(ষাট) হাজার কোটি টাকা বিদেশী ঋণ; ১,০৫,০০০(এক লক্ষ পাঁচ হাজার) কোটি টাকা বাণিজ্য ঘাটতি; মোট ২.০৭(দুই লক্ষ সাত হাজার) কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে সরকারের যাত্রা শুাং করতে হবে।

১৯৯৮ সালের ১৬ নভেম্বর, সম্পাদকমন্ডলীর সাথে একমত বিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন "আওয়ামী লীগ আর হরতাল ডাকবে না''। এ কথার সাথে আমি একমত নই।

১৯৯৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের তথ্য: এরশাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন-রাজপথ না লাল দালান; আপনার আচরণই আপনার ঠিকানা নির্ধারণ করবে।

১৯৯৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, পার্বত্য সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাপ্ত ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কার জাতির সহিত প্রতারণার শামিল।

১৯৯৯ সালের ৩ অক্টোবর, রাত ৮-০০টার বাংলা সংবাদ (বিটিভি)-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনসভায় ঘোষণা করেন আমরা বিরোধী দলে থাকলেও আর হরতাল করব না। ১৯৯৯ সালের কথা ২০০২ সালেই ভুলে গেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাছিনা। জনসভায় তাঁরা কথা দিয়েছিল যে, আমরা বিরোধী দলে গেলেও আমরা আর হরতাল করব না।

২০০০ সালের ২১ জানুয়ারি: ১৯৪৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত বিগত ৫২-বছরে ৩ বছর ২ মাস হরতাল ছিল। এ হরতালে কমপক্ষে ২৩৬ জন নিহত ও প্রায় ১৩(তের) হাজার লোক আহত হয়েছে।

২০০০ সালের ১১ মে, ডেমোক্রেসী ওয়াচ-এর জনমত জরিপ: শেখ হাসিনা বিরোধীদলে গেলেও হরতাল করবেন না ৬৩% মানুষ তা বিশ্বাস করে না।

২০০০ সালের ২১ মার্চ, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন-৫০ বছরের আভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত গ্যাস রফতানী করা হবে। আমার মতে গ্যাস রপ্তানী করলে বাংলাদেশের জন্য আত্মঘাতী।

২০০০ সালের ১৭ মে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাসসের সহিত একান্ত সাক্ষাতকারে বলেছেন-গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান ও সুশীল সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমার মিশন। তার কথা এবং কাজের সাথে মিল নেই।

২০০০ সালের ২১ মে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন-দেশের কোন মানুষ গৃহহীন থাকবে না। তার কথা এবং কাজের সাথে মিল নেই।

২০০০ সালের ৪ জুন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রী ও দলীয় এম. পিদের উদ্দেশ্যে বলেন-ছেলেদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে পুলিশে সোপর্দ কারুন।

২০০০ সালের ৫ জুলাই, আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর ভাষ্যঃ প্রচলিত আইন ব্যবস্থা ধনী ও অত্যাচারিদের স্বার্থ রক্ষা করছে। এ কথা বলার পরও সে ধনী ও অত্যাচারিত স্বার্থ রক্ষাকারী সরকারের মন্ত্রী পদে বহাল থাকে এবং নতুন প্রজন্মকে ধোকা দেয়ার চেষ্টা।

২০০০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্বর্ধনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন-সরকার হউন আর যেই হউন দুর্নীিত করলে তার বিচার হবেই। তাঁর সরকারের লোকেরা দূর্নীিত করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে তার বিচার করে নাই। তাঁর কথা এবং কাজের সাথে মিল নেই।

২০০১ সালের ৯ জুন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভাষ্য-যোগাযোগ খাতে বৈপস্নবিক পরিবর্তনঃ বিগত ৫-বছরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদ্দ্যোগে ৩,৭২০ কি. মি. পাকা রাস্তা; ২,১৬০ কি. মি. ইট বিছানো রাস্তা এবং ৩,৭৬৬ কি. মি. সড়কও বাঁধনির্মাণ সম্পন্ন করা হয়েছে। গত ৫-বছরে নির্মিত সেতুসমূহের মোট দৈঘ্র্য-১৩,৮১৩(তের হাজার আটশত তের) মিটার ও বেলী সেতুর দৈর্ঘয-২৬,৩৭৫(ছাব্বিশ হাজার তিনশত পঁচাত্তর) মিটার। আরও বহু সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে।

২০০১ সালের ২০ জুন, রিপোর্টার হাবিবুর রহমান বাদল: নারায়নগঞ্জের শোক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেন-আর কত রক্ত দিলে আপনার পিপাসা মিটবে? আমাদের দেশের সরকার প্রধানদের এই বক্তব্য।

২০০১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, ইত্তেফাকের রিপোর্ট: শেখ হাসিনা বলেন-কোন বিশেষ দলকে খুশী করা তরাবধায়ক সরকারের দায়িত্ত্ব নয়।

২০০১ সালের ৫ অক্টোবরের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্টানুযায়ী: আওয়ামীলীগ প্রতিনিধিদলের সহিত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের উত্তপ্ত বাক্য বিনিয়ম-"ফলাফল বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবী''। "ফলাফল বাতিলের প্রশ্নই উঠে না'' সিইসি: "নির্বাচন কমিশনে কেহ দলীয় সমর্থক হ'লে বস্নাক লিস্টেড হবেন''। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন: আওয়ামীলীগ ৮ অক্টোবরের স্থগিত আসনের নির্বাচনে অংশ নিবে-আর নালিশ নয়, আঘাত আসলে প্রত্যাঘাত। লালদীঘি ময়দানে আওয়ামীলীগের জনসভায় ঘোষণা-শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে হবে। আনন্দবাজার পত্রিকার (বাসস) মন্তব্যঃ বাংলাদেশের ভোটাররা কার্যত আওয়ামীলীগকে প্রত্যাখান করেছে।

১৯-১০-২০০২ তারিখে ঐতিহাসিক পল্টনে এক বিশাল জনসভায় বক্তব্য রাখেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা-সেনাবাহিনী নিরপেক্ষভাবে প্রকৃত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে আমরা সহযোগিতা করবো।

২১-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা বলেন-দুর্নীিতর কারণে জোট সরকারের নাম হয়েছে টুয়েন্টি পার্সেন্ট।

৩১-১০-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: প্রতিক্রিয়াশীল ও সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলো আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে: শেখ হাসিনা, ইউএনবি।

২০০২ সালের ১০ নভেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন-জোট সরকার ৪৫(পঁয়তাল্লিশ) হাজার সন্ত্রাসীকে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করে।

২৩-১১-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারেঃ প্রতিটি মৃত্যুর মামলায় হুকুমের আসামী হবেন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-শেখ হাসিনা বলেন। ০৭-১২-২০০২ তারিখে ঈদের পরের দিন ময়মনসিংহে বোমা হামলার জন্য সরকারই দায়ী-শেখ হাসিনা।

২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ অনুসারে: সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে দাবী আদায় হবে আন্দোলনের মাধ্যমে: শেখ হাসিনা।

২০০৪ সালের ১৬ জানুয়ারি, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ অনুসারে: আন্দোলন থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে সিট বাড়ানোর মুলা ঝোলানো হয়েছে: শেখ হাসিনা।

২০০৪ সালের ৩০ জানুয়ারি, সরকার ২৮ মাসে ২৭ হাজার মানুষ হত্যা করেছে: শেখ হাসিনা।

২০০৪ সালের ৩০ জানুয়ারি, ১৯৭২-১৯৭৫ এবং ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীণ সময় বাংলাদেশের ১৫(পনের) হাজারের মত প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম ব্যক্তি ও পরিবার বিশেষের সদস্যদের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

২০০৪ সালের ৩০ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, গঠিত 'ত্রিদলীয় ঐক্যজোট'-আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি-সিপিবি'র এবং ন্যাপ (মোজাফ্‌ফর) এদেরকে নিয়ে গঠিত হয়।

২০০৪ সালের ৩০ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি, এ দিনটিতে জাতীয় সংসদের মাত্র কয়েক মিনিট স্থায়ী অধিবেশনে তখনো প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ইচ্ছা ও নির্দেেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী পাস করা হয়েছিল। এ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রচলিত সংসদীয় পদ্ধতির স্থলে প্রেসিডেন্ট পদ্ধতি প্রবর্তিত হয়, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বয়ং প্রসিডেন্ট হন এবং সকল রাজনৈতিক দল বাতিল করে সারাদেশে একটি মাত্র দল রাখার বিধান করা হয়। চতুর্থ সংশোধনীর ভিওিতে প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিব ২৪ ফেব্রুয়ারি একমাত্র দল ''বাকশাল'' গঠন করেন এবং তার নির্দেেশ তাকেই চেয়ারম্যান করে ১১৫-সদস্যবিশিষ্ট বাকশালের কেন্দ্রীয় কার্যিনর্বাহী কমিটি গঠিত হয় ৬ জুন, ১৯৭৫ সালে। প্রেসিডেন্ট এবং বাকশাল চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্দেেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত চারটি দৈনিক ছাড়া দেশের সকল সংবাদপত্র নিষিদ্ধ হয়ে যায় ১৬ জুন, ১৯৭৫ সালে।

২০০৪ সালের ৩০ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পরবর্তী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃতে্যুর পর তাঁর অনুসারীদের যাত্রা শুরু হয়েছিল বাকশালকে প্রত্যাখান ও পরিত্যাগ করার মধ্য দিয়ে।

২০০৪ সালের ৩০ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালের জুলাই মাসে ঐক্যবদ্ধ একটি দলের পরিবর্তে গঠিত হয়েছিল ৩টি পৃথক আওয়ামী লীগ। (১) আবদুল মালেক উকিল (২) মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং (৩) দেওয়ান ফরিদ গাজীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের বাইরে একই বাকশাল থেকে আগত খন্দকার মোশতাক আহমদ ও মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ গঠন করেছিলেন যথাক্রমে ডেমোক্রেটিক লীগ ও গণআজাদী লীগ। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সর্বেশষ কীর্তি বাকশাল ভেঙ্গে গঠিত হয়েছিল ৫টি পৃথক এবং পরস্পরবিরোধী রাজনৈতিক দল।

২০০৪ সালের ৩০ জানুয়ারি, ১৯৯১ সালের ৬ আগষ্ট, পঞ্চম জাতীয় সংসদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রবর্তিত প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে সংসদীয় পদ্ধতি প্রবর্তেনর প্রস্তাব দ্বাদশ সংশোধনী হিসেবে সর্বসম্মতিক্রকে পাস হওয়ার পরও এ প্রশ্নে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।

২০০৪ সালের ২৩ এপ্রিল, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা গতকাল নরসিংদীতে এক জনসভায় উপস্থিত জনতাকে হাত তুলে অভিবাদন জানানঃ জোট সরকারের ৭৫ ভাগ মন্ত্রী এমপি হয় ডাকাত নয় খুনী: শেখ হাসিনা।

২০০৪ সালের ৫ মে, শেখ হাসিনা বলেনঃ এক আলটিমেটামেই সরকারের ভিত নড়ে গেছে।

২০০৪ সালের ৯ মে, ইনকিলাব: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে পৌঁছলে তাঁর পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান। ফ্লোরিডায় শেখ হাসিনা বলেন যে, জোট সরকার আমাদের কাউকেই বাঁচতে দেবে না।

২০০৪ সালের ১০ মে, ফ্লোরিডা থেকে এনা: কন্যা পুতুলের শিক্ষা সমাপনী উৎসবে যোগ দিয়ে শেখ হাসিনাও একটি ডক্টরেট ডিগ্রী পেলেন। মায়ামীতে অবস্থিত ব্যারী ইউনিভার্সিিটর জেমস নাইট সেন্টারে ১০ সহস্রাধিক ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকের উপস্থিতিতে শেখ হাসিনাকে অনারারী ডক্টরেট অব ল' ডিগ্রীর র্সাটিফিকেট প্রদান করা হয়েছে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য।

২০০৪ সালের ১৭ মে, স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, যারা দেশের মানুষকে শোষণ করছে, নির্যাতন করছে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তুলুন।

২০০৪ সালের ১৮ মে, টঙ্গী থেকে মোঃ হেদায়েত উল্লাহ: সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আহসানউল্লাহ মাষ্টার হত্যার বিচার করা না হলে রাজপথ-রেলপথ, মিল-কারখানাসহ গোটা দেশ অচল করে দেয়া হবে।

২০০৪ সালের ২১ মে, গাজীপুর থেকে স্টাফ রিপোর্ট: সরকার দেশ চালাতে ব্যর্থ: খালেদা জিয়ার ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই-শেখ হাসিনা।