২০১০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, জনকন্ঠ: ৩৮ হাজার কোটি টাকা খেলাপী ঋণ-মামলা ৯(নয়) লাখ।
২০১০ সালের ২৮ জুন, প্রথম আলো: দেড় বছরে এক হাজার ৬৬২ কোটি টাকার সুদ মওকুফ। সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ কথা বলেন। আগের সাত বছরে সুদ মওকুফের পরিমাণ তিন হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা। এ সময়ে সুদ মওকুফ করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৯২৫ জন। তবে মন্ত্রী সুদ মওকুফ করা গ্রহীতাদের পরিচয় জানাননি।
২০১০ সালের ১৩ আগষ্ট, প্রথম আলো: ১৯৭১-১৯৭২ থেকে ২০০৮-২০০৯ সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ সবমিলিয়ে ৬,১৪৭ কোটি ৭৭ লাখ ৩৯ হাজার ডলার ঋণ হিসেবে পেয়েছে। বর্তমান বাজারমূল্যে তা ৪,২৪,১৯৬,৩৯,৯১। সোয়া চার লাখ কোটি টাকা ঋণ কোথায় গেল? যেসব প্রতিষ্ঠান বা দেশ ঋণ দিয়েছে: (১) বিশ্বব্যাংক-১,১৫০.২ কোটি (২) এডিবি-৭০৯.৮৮ কোটি (৩) জাপান-৬৯৫.৯৫ কোটি (৪) যুক্তরাষ্ট্র-৩৫৫ কোটি (৫) জাতিসংঘ-২৫৯.২৫ কোটি (৬) কানাডা-২০৭.১ কোটি (৭) যুক্তরাজ্য-২০০ কোটি (৮) জার্মািন-১৬৪.৯৬ কোটি (৯) ইইউ-১৫৩.২৪ কোটি (১০) নেদারল্যান্ডস-১১৪.৯ কোটি (১১) সৌদি আরব-৯০.২ কোটি (১২) ইউনিসেফ-৮৪.৪৮ কোটি (১৩) সুইডেন-৮১.১৮ কোটি (১৪) ডেনমার্ক-৮০.৫৬ কোটি (১৫) নরওয়ে-৭১.২৫ কোটি (১৬) ফ্রান্স-৫৮.১ কোটি (১৭) আইডিবি-৫২.৫৯ কোটি (১৮) অস্ট্রেলিয়া-৪৩.৭৩ (১৯) ভারত-৪৪.৭৩ কোটি ও (২০) রাশিয়া-৩৯.৪ কোটি ডলার। মোট-৬,১৪৭,৭৭,৩৯,০০০(ছয় হাজার একশত সাতচল্লিশ কোটি সাতাত্তর লাখ উনচল্লিশ হাজার ডলার) ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। কতটুকু উন্নতি হয়েছে দেশের? কারা বেশি লাভবান হলো?
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর, প্রথম আলো: র্বযাক ব্যাংকের গ্রাহকসংখ্যা ১০ লাখ অতিক্রম করেছে। দেশের মাত্র ১৯ শতাংশ জনগোষ্ঠী এখন ব্যাংকিং-সুবিধার আওতায় রয়েছে। বাকি জনগোষ্ঠিকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
২০১১ সালের ৩০ জুন, প্রথম আলো: দেশে বর্তমানে দেশীয় ব্যাংকের সংখ্যা-৪৯টি এবং বিদেশী ব্যাংকের সংখ্যা-১২টি মোট ব্যাংকের সংখ্যা-৬১টি। দেশে বর্তমানে ৬২টি ইনসুরেন্স কোম্পানি আছে। এ সরকার আরো ব্যাংক এবং ইনসুরেন্স কোম্পানি খোলার লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২০১১ সালের ২০ জুলাই, প্রথম আলো: পাঁচ সেকেন্ডেই পাওয়া যাবে ব্যাংক গ্রাহকের ঋণের তথ্য। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি এখন অনলাইনে।
২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর, প্রথম আলো: গত মার্চ মাস শেষে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২৩ হাজার ৭৫১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বা বিতরণ করা ঋণের ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ।
২০১১ সালের ১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: (১) ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ১২০৩তম শাখার উদ্ভোধন করা হয়। ইস্র্টান কমার্সিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের নাম হলো-রাষ্ট্রীয় মালিকাধীন (২) ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত রূপালী ব্যাংক লিমিটেড ৫৩৪তম শাখা (৩) ১৯৯৯ সালে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড ১০২তম শাখা, (৪) ১৯৮৩ সালের ৩০ মার্চ, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ৩০০তম শাখা (৫) বেসিক ব্যাংক লিমিটেড ৬৫তম শাখা-চলতি বছরের মধ্যে ৭৫টি শাখায় উন্নীত করা হবে (৬) ১৯৯৯ সালের ২ জুন, (বাংলার ব্যাংক) মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড ১০১তম শাখা (৭) ২০০১ সালের ১০ মে, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ৯২তম শাখা (৮) ১৯৯৯ সালের ২৪ অক্টোবর, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড ১০৬তম শাখা, (৯) ২০০১ সালের ৩ জুন, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড ১০২ তম শাখা (১০) ১৯৯৩ সালের ১৭ মে, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড ১০৪তম শাখা (১১) ১৯৯২ আগস্ট, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) ৭৯তম শাখা (১২) ১৯৮৩ সালের ২৭ মার্চ, দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড ১১১তম শাখা (১৩) ১৯৯৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ১২৮তম শাখা (১৪) ১৯৯৫ সালের ১৭ এপ্রিল, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড ১৪৫তম শাখা (১৫) ২০১০ সালের ৩ জানুয়ারি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড-এর-৩৪তম শাখা (১৬) ১৯৯৯ সালের ২৪ অক্টোবর, ফাস্র্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ১১০তম শাখা (১৭) ১৯৯৬ সালের ৩ জুন, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড ১৫০তম শাখা (১৮) ১৯৯৯ সালের ২৭ নভেম্বর, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড ১০৫তম শাখা (১৯) ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড ১৮৯তম শাখা (২০) ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের ৪৪০তম শাখা (২১) ১৯৯৯ সালের ২৬ অক্টোবর, দি প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড ৯৬তম শাখা (২২) ১৯৮২ সালের ১২ এপ্রিল, এবি ব্যাংক লিমিটেড ৮৯তম শাখা (২৩) ১৯৮৩ সালের ২৯ মার্চ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড ১৫৭তম শাখা (২৪) ১৯৯৫ সালের ২২ নভেম্বর, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ১২১তম শাখা (২৫) ১৯৭২ সালে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ৯৩২তম শাখা (২৬) ১৯৭২ সালে জনতা ব্যাংক লিমিটেড ৮৯৪তম শাখা (২৭) ১৯৭২ সালে উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড ২২৭তম শাখা (২৮) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ১০২৬তম শাখা (২৯) আনসার ও ভিডিপি-ব্যাংক লিমিটেড ১৫৭তম শাখা (৩০) ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ২,৫৬৫তম শাখা (৩১) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লিমিটেড শাখা ৪তম শাখা। (৩২) ১৯৯৯ সালের ৩ আগস্ট, এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড(এক্সিম ব্যাংকের) ১০৫তম শাখা (৩৩) ১৯৯৫ সালের ৫ জুলাই, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড ৭৪তম শাখা (৩৪) আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড ১০৬তম শাখা (৩৫) ১৯৯৫ সালের ২৫ মে, সাউথ-ইস্ট ব্যাংক লিমিটেড ১২১তম শাখা (৩৬) ১৯৯৫ সালে সোসাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (এইচএসবিসি ব্যাংক লিমিটেড) (৩৭) ২০০১ সালের ৪ জুলাই, র্বযাক ব্যাংক লিমিটেড এর শাখা কয়টি (৩৮) ১৯৯৯ সালের ২৯ নভেম্বর, দি ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড ৭৯তম শাখা (৩৯) ১৯৯৯ জুলাই, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড (৪০) ১৯৯৯ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড ৪২তম শাখা (৪১) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড(রাকাব) ৩৭৫তম শাখা (৪২) ১৯৮৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড(আইএফআইসি)-১১০তম শাখা (৪৩) আইসিবি ইসলামিক ব্য্াংক বাংলাদেশ লিমিটেড-২৮২তম শাখা (৪৪) কর্মসংস্থান ব্যাংক লিমিটেড (৪৫) এনআরবি কমার্সিয়াল ব্যাংক লিমিটেড-২৪তম শাখা (৪৭) ইউনিয়ন ব্যাংক(এইচ এম এরশাদ) ২০-০৫-২০১৩ তারিখ ''ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড'' ১৫তম শাখা। (৪৮) মধুমতি ব্যাংক(ফজলে নুর তাপস)-১২তম শাখা(৩১-১২-২০১৪ তারিখ) (৪৯) দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড(মহীউদ্দীন খান আলমগীর)-৪১তম শাখা (৫০) মেঘনা ব্যাংক(আশিকুর রহমান)-২৭তম শাখা (৫১) মিডল্যান্ড ব্যাংক(এম মনিরুজ্জামান খন্দকার)-১৯তম শাখা (৫২) ২০১৩ সালের ২৮ এপ্রিল, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংক(এসবিএসির) লিমিটেডের ৪৭তম শাখা(এ এম আমজাদ হোসেন) (৫৩) বাংলাদেশ ডেভোলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত। (৫৫) নরসিংদীর চিনিশপুরে এনআরবি ব্যাংক ১৭তম(চকবাজার) শাখা ও (৫৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০তম শাখা উদ্বোধন হলো ময়মনসিংহে। আরও তিনটি প্রবাসী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৬-২০০১ সময়ে ১৩টি ব্যাংকের লাইসেন্স দেয় সরকার এবং ২০০৯-২০১৪ মধ্যে ৯টি ব্যাংক দিয়েছে। অন্যদিকে ২০০১-২০০৬ এর মধ্যে বিএনপি একটিও ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়নি। ২০১৫ সালের ২৮ জুন, প্রথম আলো : খেলাপি ঋণ-সংসদে প্রশ্নোত্তর দেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন পাঁচটি, বিশেষায়িত ৩টিসহ দেশের ৫৬টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ=৫৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
(১) বিদেশী বেসরকারি ব্যাংক-২০০৩ সালের ৬ নভেম্বর, কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ সিলোন লিমিটেড (২) ১৯৯৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, উরি ব্যাংক লিমিটেড-এর ৫ম শাখা (৩) ১৯৭৬ সালের ৯ জুলাই, পাকিস্তানের হাবিব ব্য্াংক লিমিটেড (৪) ২০০৫ সালের ১৬ মে, সৌদি আরবের ব্যাংক অব ফারাহ লিমিটেড (৫) ১৯০৫ সালে আমেরিকার স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক (৬) ১৯৯৪ সালের ৩১ আগস্ট, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান (৭) ১৯৭৫ সালের ৫ মে, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (৮) ১৯৯৫ সালের ২৪ জুন, সিটি ব্যাংক এন. এ. (৯) ১৯৯৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর, দা হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং কপোের্রশন লিমিটেড।
২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: অর্থৈনতিক পরিস্থিতি চাপের মুখে।। অর্থমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি-আমার বক্তব্যকে অনেকে অতিকথন বলে, আমি বলি এটি প্রয়োজনীয়।। সংসদে অর্থমন্ত্রী-আবুল মাল আব্দুল মুহিত। গোলাম দস্তগীর গাজীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৭৯ লাখ। সেই হিসেবে সম্প্রতি মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১৬০ মার্কিন ডলার যা ১১ হাজার ৮৪০ টাকার সমপরিমাণ।
২০১২ সালের ৯ এপ্রিল, প্রথম আলো: দেশে বর্তমানে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা-৪৭টি + ০৯টি=৫৬টি এবং বিদেশী ব্যাংকের সংখ্যা-১২টি মোট ব্যাংকের সংখ্যা-৬৮টি। দেশে বর্তমানে ৬২টি ইনসুরেন্স কোম্পানি আছে। এ সরকার আরো ইনসুরেন্স কোম্পানি খোলার লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২০১২ সালের ৩০ মে, দৈনিক জনকন্ঠ: দুই কোটি পরিবার ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে জড়িত: সিডিএফ।
২০১২ সালের ৩১ মে, প্রথম আলো: ঋণগ্রহীতা তিন কোটি ও ঋণের পরিমাণ ২০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
২০১২ সালের ২৫ জুন, প্রথম আলো: দেশে ১ লাখ ২২ হাজার ৪৩৭ জন ঋণ খেলাপি। মোট মামলা ৩২ হাজার ৪৪০টি।
২০১২ সালের ২৬ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ: ব্যাংকিং সেবার বাইরে ৫০ শতাংশ মানুষ। ৪৭ তফসিলি ব্যাংকের অধিকাংশেরই কার্যক্রম শহরভিত্তিক, বিস্তৃত সেবাও দিতে পারছে না-মার্চ-২০০৯ এ দেশে মোট ব্যাংক শাখার সংখ্যা ছিল-৬৯০০টি। যা ২০১২ সালের একই সময়ে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯৯৮টি। আরও মোট ৯টি নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
২০১২ সালের ৩০ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ: পাঁচ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে ব্যাংকিং খাতের আমানত-দেশে প্রথম। ব্যাংকিং খাতের সর্বোচ্চ দেশীয় ব্যাংকব্যবস্থায় বিভিন্ন মেয়াদী ও নামের প্রচলিত ১৬ ধরণের আমানত হিসাবে এ পরিমাণ অর্থ স্থিতি রয়েছে। ওই সময়ে ব্যাংকিং খাতে ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮১ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা।
২০১২ সালের ১৫ আগস্ট, প্রথম আলোঃ খেলাপি ঋণ কিছুটা বেড়েছে: ২৮ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকা-এটি মোট বিতরণকৃত ঋণের ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ। চারটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, যা তাদের মোট বিতরণকৃত ঋণের ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর বেসরকারি ৩০টি ব্যাংকে এ সময় সামগ্রিকভাবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা এবং হার ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বিদেশি ৯টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৩২ কোটি টাকা এবং হার ছিল ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ।
২০১২ সালের ১৫ নভেম্বর, বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকুরীজীবীর কথা: সার্কুেলশন টাকা-৭৩,৭৩৪ কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা।
২০১২ সালের ২১ নভেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশে বর্তমানে ঋণখেলাপীর হার ঋণের ৭%। মোট টাকার পরিমাণ ২৯ হাজার কোটি টাকা।
২০১৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: খেলাপি ঋণ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এ বছরে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২০ হাজার ৮১ কোটি টাকা।
২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ১১০০ কোটি টাকা হাতিয়ে দেশ থেকে লাপাত্তা। বিসমিল্লাহ গ্রুপের দায়-দেনা। জনতা ব্যাংকে ৩৯২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। প্রাইম ব্যাংকে এক শাখাতেই ৩০৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। যমুনা ব্যাংকে ১৬৩ কোটি টাকা ৭৯ লাখ টাকা। শাহজালাল ব্যাংকে ১৪৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। প্রিমিয়ার ব্যাংকে ৬২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: কৃষকের ১০ টাকার ব্যাংক হিসাব ৯৬ লাখে উন্নীত হয়েছে।
২০১৩ সালের ৭ জুলাই, প্রথম আলো: ১০ টাকার এক কোটি ৩২ লাখ ব্যাংক হিসাব আছে।
২০১৩ সালের ৩১ আগস্ট, প্রথম আলো: কৃষকের ১০ টাকার ব্যাংক হিসাব। ৩৯ হাজার ২১৩ জনের হিসাব অলস পড়ে আছে।
২০১৩ সালের ৩ জুলাই, প্রথম আলো: সংসদে অর্থমন্ত্রী-দেশে খেলাপি ঋণ এখন ২৪ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা। আর গত চার বছরে ৪,৬৮১ কোটি টাকার সুদ মওকফ।
২০১৩ সালের ৩ জুলাই, বাংলাদেশ প্রতিদিন: দেশে এক লাখ ঋণখেলাপি চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত। বাংলাদেশে ঋণখেলাপির সংখ্যা ৯৯ হাজার ৬৭৮ জন। এর মেধ্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ২৩ হাজার ৩৪৭ জন। বেসরকারি ব্যাংকগুলোয় এ সংখ্যা ৭৬ হাজার ৩৩১ জন। গতকাল(০২-০৭-২০১৩ তারিখের জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন-অর্থসন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
২০১৩ সালের ৬ জুলাই, প্রথম আলো: জুন শেষে খেলাপি ঋণ কিছুটা বেড়েছে। মোট বিতরণ করা ঋণের ১১.৯১% খেলাপি। মোট বিতরণ করা ঋণ ৪,২৮,৬৯৩.২৮(চার লাখ ২৮ হাজার ৬৯৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা ঋণের ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ। ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত ৫২ হাজার ৩০৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ।
২০১৩ সালের ৬ অক্টোবর, অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে ঋণখেলাপির সংখ্যা এক লাখ ৫২ হাজার ৭২৩ জন।
২০১৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ-৬,০০০(ছয় হাজার) কোটি ডলার। মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ-২৮,২৩৫(আটাশ হাজার দুইশত পয়ত্রিশ) টাকা।
২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: খেলাপি কমলে সুদ কমবে। সামগ্রিক ব্যাংক খাতে এটা তুলনা করলে দাঁড়ায়, গত বছরের ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যস্ত-৪,৪৩,৪৭২(চার লক্ষ তেতাল্লিশ হাজার চারিশত বাহাত্তর কোটি) টাকা বা ডলারে ৫,৫৪৪(পাঁচ হাজার পাঁচশত চৌচল্লিশ) কোটি ডলার। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল-৫৬ হাজার ৭২০ কোটি টাকা বা ৭১০(সাতশত দশ) কোটি ডলার যা মোট বিতরণ করা ঋণের ১২ দশমিক ৭৯ শতাংশ। বাংলাদেশে প্রায় ১৩ শতাংশ খেলাপি ঋণ হলেও প্রতিযোগী ভারত, চীন, থাইল্যান্ড প্রভৃতি দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৩ শতাংশের মতো।
২০১৪ সালের ১৭ আগস্ট, প্রথম আলো : বাংলাদেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এখন মানে ১৬-০৮-২০১৪ তারিখ ৮(আট) কোটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান।
২০১৪ সালের ১৮ আগস্ট, দৈনিক জনকন্ঠ : বাংলাদেশে কালো টাকা ৭ লাখ কোটি আছে।
২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : দুরবস্থায় পাঁচ রাষ্ট্রীয় ব্যাংক। গত ৬ বছরে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির হার-জনতা-৮৫%, সোনালী-৬৫%, অগ্রণী-৪০% ও রূপালী ব্যাংক-১৭%। ৪ ব্যাংকের মোট খেলাপি ১৯ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষেদ দলীয় বিবেচনায় লোক নিয়োগ করা ঠিক হয়নি : অর্থমন্ত্রী। আমরা ব্যর্থ হয়েছি। পাঁচ বছর পর অর্থমন্ত্রী স্বীকার করলেন, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষেদ রাজনৈতিক বিবেচনায় ২০০৯ সালে এক দফা ও পরে ২০১২ সালে আরেক দফায় ৭০ জনকে নিয়োগ দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। রূপালী ব্যাংক বাদে বাকি সব ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে গত পাঁচ বছরে নিয়োগ দেয় ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের আওয়ামী লীগের সমর্থিত নীল দল' এর শিক্ষক। আবার সরকারের বিশেষায়িত বেসিক ব্যাংকে ঋণের নামে আত্মসাৎ-৪,৫০০ কোটি টাকা।
২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর, প্রথম আলো : বাংলাদেশে সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখ ব্যাংক ঋণের পরিমাণ-৪ চার লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। গত জুন শেষে ছিল-৪ লাখ ৭৭ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৫৭ হাজার কোটি টাকা বা ১১.৫৬%। ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ ঠিকমতো আদায় করা গেলে দুটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করে আরও কিছু উন্নয়ন কাজ করা যায়। সর্বেশষ হিসাবে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫৭ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা তিন মাস আগে ছিল ৫১ হাজার কোটি টাকা। ১৬-১২-২০১৪ তারিখের প্রথম আলো : এস কে সুর চৌধুরী, ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক।