৩) ৩য় সংসদের আয়ুস্কাল ছিল-১বছর ৫ মাস (১৯৮৬ সালের ৭ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১০ জুলাই, ১৯৮৬ থেকে ৬, ডিসেম্বর, ১৯৮৭ পর্যন্ত।
৪) ৪র্থ সংসদেরে আয়ুস্কাল ছিল-২ বছর ৭ মাস (১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।) ১৫ এপ্রিল, ১৯৮৮ থেকে ৬, ডিসেম্বর, ১৯৯০ পর্যন্ত।
৫) ৫ম সংসদের আয়ুকাল ছিল-৪ বছর ৮ মাস (১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রূয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল)। ৫ এপ্রিল, ১৯৯১ থেকে ২৪ নভেম্বর, ১৯৯৫ পর্যন্ত।
৬) ৬ষ্ঠ সংসদের আয়ুস্কাল ছিল-১২দিন (১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়)। ১৯ মার্চ, ১৯৯৬ থেকে ৩০ মার্চ, ১৯৯৬ পর্যন্ত।
৭) ৭ম সংসদের আয়ুস্কাল ছিল-৫ বছর(১৯৯৬ সালের ১২ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়)। ১৪ জুলাই, ১৯৯৬ থেকে ১৩ জুলাই, ২০০১ পর্যন্ত। ২৩ জুন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং ক্ষমতা ছাড়েন ১৩ জুলাই, ২০০১ সালে।
৮) ৮ম সংসদের আয়ুস্কাল ছিল-৫ বছর(১০ অক্টোবর, ২০০১ সালে বি.এন.পি. জোট ক্ষমতা গহণ করে এবং সংসদের প্রথম অধিবেশন ডাকে ২৮-১০-২০০১ সালে এবং আগামী-২৭-১০-২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারবে। ক্ষমতা হস্তান্তর করবে ২৮-১০-২০০৬ তারিখ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিকট। ১ অক্টোবর ২০০১ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের আয়ুকাল হয়েছে ৫ বছর ১৭ দিন।
৯) ৯ম জাতীয় সংসদের আয়ুস্কাল আরম্ভ হয়-১৭ মার্চ, ২০০৯ তারিখ থেকে বর্তমান সংসদের স্বাভাবিক মৃত্যু তারিখ ৩০ জানুয়ারি, ২০১৪ সাল। ২৫ জানুয়ারি, ২০০৯ থেকে
১০) ১০ম জাতীয় সংসদের আয়ুকাল আরম্ব হবে-ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি যাত্রা শুরু হয়েছিল জাতীয় সংসদের।
।বাংলাদেশের ১০টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন:।
| ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ | ১ম(আওয়ামী লীগ-২৯৩ আসন) |
| ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি | ২য়(২০৭ আসন বিএনপির) |
| ১৯৮৬ সালের ৭ মে | ৩য়(১৫৩ আসন জাতীয় পার্টির) |
| ১৯৮৮ সালের ৩ মে | ৪র্থ(২৫১ আসন জাতীয় পার্টির) |
| ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি | ৫ম(১৪০ আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ও ২৮টি মহিলা আসন নিয়ে সরকার |
| ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর | সংসদীয় পদ্ধতির সরকারের পক্ষে ৮৪.৪২ শতাংশ 'হ্যাঁ' এবং ১৫.৫৪ |
| ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি | ৬ষ্ঠ(আওয়ামী লীগসহ বিরোধী দলবিহীন নির্বাচনে ২৭৮ আসন পায় |
| ১৯৯৬ সালের ১২ জুন | ৭ম(১৪৬ আসন জিতে আওয়ামী লীগের সরকার) |
| ২০০১ সালের ১ অক্টোবর | ৮ম(১৯৮ আসন জিতে বিএনপির সরকার) |
| ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি | ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল ঘোষণা |
| ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর | ৯ম(মহাজোট ২৬২ আসন জিতে সরকার গঠন) |
| ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি, | ১০ম জাতীয় সংসদের নির্বাচন(মহাজোট পায় ২৯৭ আসন) আওয়ামী |
| লীগ-২৩৩টি, জাতীয় পার্টি-৩৪টি, স্বতন্ত্র-১৫টি, ওয়ার্কাস পার্টি-৬, |
| জাসদ(ইনু)-৫, তরিকত ফেডারেশন-২, জেপি-১ ও বিএনএফ-১টি আসন |
ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের নির্বাচন:
| ১৯৩৭ সালের নির্বাচন | সেবার প্রথম হিন্দু-মুসলমানের ভোটে আলাদা আলাদা জনপ্রতিনিধি নির্বািচত |
| ১৯৪৬ সালের নির্বাচন | ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান ইস্যুতে ভোট হয় | সেবার জিন্নাহ সাহেব বলেছিলেন, |
| 'ভোট ফর মুসলিম লীগ ইফ ইট বি এ ল্যাম্পপোষ্ট' |
| ১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ | প্রাদেশিক নির্বাচনে ভাসানী, যুক্তফ্রন্টের ২১-দফার জয় |
| ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর | প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়লাভ | জাতীয় |
| পরিষদ নির্বাচনে ৩১৩টি আসনে আওয়ামী লীগ পান ১৬৭টি ও প্রাদেশিক ৩০০শত |
| আসনে আওয়ামী লীগ পান ২৮৮টি আসন |
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর-এর নির্বাচন: বিভাগওয়ারি ফলাফল:
| বিভাগ | আসন | আওয়ামী লীগ | বিএনপি | জাতীয় পার্টি | জামায়াত | স্বতন্ত্র ও অন্যান্য |
| জাতীয় নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার(১৯৭৩ থেকে ২০০৮, ২৯ ডিসেম্বর) বিস্তারিত বিবরণ |
| ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির এক দলীয় | ২৬.৭৪% ভোট দেয়া হয় |
| ১৯৯৬ সালের ১২ জুন | ৭৪.৯৬% ভোট পড়ে |
| ২০০১, ১ অক্টোবর (ইত্তেফাকের রিপোর্ট) | ৭৫.৫৯%(প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা-৫,৬১,৮৫,৭০৭ জন |
| গুারুত্বপূর্ণ তথ্য-সাধারণ নির্বাচন-২০০১, | মোট ভোট দিয়েছেন-৫ কোটি ৬০ লক্ষ | ঢাকা বিভাগ-১ কোটি ৭৩ লক্ষ, |
| মোট ভোট দাতা-৭ কোটি ৫০ লক্ষ | এরমধ্যে | রাজশাহী বিভাগ-১ কোটি ৫০ লক্ষ, চট্টগ্রাম বিভাগ-০ কোটি ৯৬ লক্ষ, |
| পুরুষ-৩ মোটি ৮৭ লক্ষ, নারী-৩ কোটি ৬৩ | খুলনা বিভাগ-০ কোটি ৭৫ লক্ষ, সিলেট বিভাগ-০ কোটি ৩৪ লক্ষ, বরিশাল |
| মোট প্রার্থীর সংখ্যা-১৯৩৫ জন, নারী | সূত্র: নির্বাচন কমিশন |
| প্রার্থী-৩৭ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা |
| ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, খুলনা বিভাগে | এবার রেকর্ড পরিমাণ প্রায় ৮৭.১৬% ভোট পড়েছে এবং বৈধ ভোট পড়েছে |
| সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে-৯০.৩৭ ভাগ, | ৮৬.২৯% এবং 'না' ভোট পড়েছে ৩,৮৩,৬২৫টি | প্রদত্ত ভোটের মধ্যে মোট |
| রাজশাহীতে ৯০.৩৬ ভাগ, ঢাকা | ৬ লাখ ২৫ হাজার ১৮৪টি ভোট বাতিল হয় | বৈধ ভোটের সংখ্যা ছয় কোটি |
| বিভাগে-৮৪.৪৪ ভাগ, সিলেটে-৮৪.৪১ ভাগ, | ৯৭ লাখ ৩২ হাজার ২৬৫টি | ২৯৯টি আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৮ কোটি |
| বরিশাল বিভাগে-৮৪.১৭ ভাগ এবং চট্টগ্রাম | ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৪০৬ জন | এরমধ্যে ভোট পড়েছে ৭ কোটি ৪ লাখ ৬৫ |
| বিভাগে-৮২.৫৮ ভাগ | আওয়ামী লীগ বিএনপির | হাজার ৭২৭টি | প্রদত্ত ভোটের বৈধ ভোটের সংখ্যা ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৫৯ |
| চেয়ে ১ কোটি ৯ লাখ ভোট বেশি পেয়েছে | | হাজার ২১০টি | পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ভোট পেয়েছে ৩ |
| কোটি ৩৫ লাখ ২৫ হাজার ৫৫৭, যা মোট প্রদত্ত ভোটের ৪৮.০৬ শতাংশ% |
| বিএনপি ভোট পেয়েছে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৫ হাজার ৬৪৮, যা প্রদত্ত |
| ভোটের ৩২.৪৫ শতাংশ | জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছে ৪৯ লাখ ১৯ হাজার |
| ৩৭৫টি, যা প্রদত্ত ভোটের ৭.০৫ শতাংশ | জামায়াতে ইসলামী ভোট পেয়েছে |
| ৩২ লক্ষ ৯ হাজার ২২৬টি যা ৪.৬০ ভাগ |
| ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৫ | ১৪৭ আসনে ভোটের হার ৪০ দশমিক ৫৬ ভাগ আর বিবিসির হিসেবে ভোট |
| জানুয়ায়ি | এরমধ্যে ১৫৩টি আসন | পড়েছে-১০ ভাগ |
| বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বািচত হয় এবং ১৪৭টি |
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতি: (১) দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রতিরোধ এবং বিশ্ব মন্দা মোকাবিলায় সার্বিক অর্থৈনতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। (২) আগামী ২০১১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন পাঁচ হাজার মেগাওয়াট, ২০১৩ সালের মধ্যে সাত হাজার মেগাওয়াট এবং ২০২১ সালে ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। (৩) দেশের উত্তর ও পশ্চিমাষ্ণলে গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। (৪) সুশাসন প্রতিষ্ঠা। (৫) সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ শক্ত হাতে দমন করা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করা হবে। (৬) দলীয়করণমুক্ত অরাজনৈতিক গণমুখী প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। (৭) সরকারি কর্মকর্তা-র্কচারীদের জন্য স্থায়ী বেতন কমিশন গঠন করা হবে। (৮) রংপুর নতুন বিভাগ গঠন করা হবে। (৯) দারির্দয ঘোচাও বৈষম্য রুখো: বর্তমানে ৬.৫ কোটি দরিদ্রের সংখ্যা ২০১৩ সালে ৪.৫ কোটি এবং ২০২১ সালে হবে ২.২ কোটি। এ লক্ষ পূরণের জন্য অন্যান্য পদক্ষেপের সঙ্গে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত প্রকল্প 'একটি বাড়ি একটি খামার' আশ্রয়ণ, গৃহায়ণ, আদর্শ গ্রাম, ঘরে ফেরা বাস্তবায়ন করা হবে। (১০) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৩৩ ভাগে উন্নীত করা হবে।
।২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিভাগ অনুযায়ী ভোট কেন্দ্র ও বুথ কক্ষ:।
| বিভাগের নাম | ভোট কেন্দ্র | বুথ কেন্দ্র |
।২০০১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্টঃ।
গতবারের তুলনায় এবার আওয়ামীলীগের ভোটের হার বেশী। ৩৬.৫০% থেকে ৪০% ভোটের হার বৃদ্ধি পেলেও তাঁদের আসনসংখ্যা বৃদ্ধি না পেয়ে বরং কমে গিয়েছে। ফলে ৪৭% ভোটে ২২২টি আসন পেয়ে ৪(চার) দলীয় ঐক্যজোট সরকার গঠন করে। আওয়ামীলীগ ৪০% ভোটে ৬৩টি আসন পেয়ে বিরোধীদলীয় আসনে অবস্থান করছে।
।তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাচন:।
| ক্রমিক | নির্বাচন | নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ: |
| প্রথম | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ তারিখ |
| দ্বিতীয় | ১২ জুন, ১৯৯৬ তারিখ |
| চতুর্থ | ২৯ ডিসেম্বর, ২০০৮ তারিখ |
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী:
১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদে ১১ জন সংসদ সদস্য নির্বািচত হয়েছিল।
১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদে ১১ জন সংসদ সদস্য নির্বািচত হয়েছিল।
১৯৮৮ সালে চতুর্থ সংসদে ১৮ জন সংসদ সদস্য নির্বািচত হয়েছিল।
১৯৯৬ সালে(১৫ ফেব্রুয়ারি, ৬ষ্ঠ সংসদে) ৪৯ জন সংসদ সদস্য নির্বািচত হয়েছিল।
২০১৪ সালে দশম সংসদে ১৫৩ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বািচত হয়েছে।
ভোট ছাড়াই বিজয়। আরও ১৪৭টি আসনে ভোট হবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি, দশম সংসদে। ১২৭ জন আওয়ামী লীগ, ১৮ জন জাতীয় পার্টি, ৩ আসনে জাসদ, ২ আসনে ওয়ার্কাস পার্টি ও ১ আসনে জেপির প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বািচত হয়েছেন।
২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন, ১৩৯ আসনে ইসি থেকে পাওয়া ভোটের হিসাব ধরে ফল বিশেস্নষণ ৪০ দশমিক ৫৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
শহরে ভোট কম, গ্রামে বেশি: মোট আসন-৩০০: আওয়ামী লীগ-২৩২, জাতীয় পার্টি-৩৩, ওয়ার্কার্স পার্টি-৬, জাসদ-৫, জেপি-১, তরীকত ফেডারেশন-১, বিএনএফ-১, স্বতন্ত্র-১৩ ও স্থগিত-৮টি।
২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো : জাতীয় নির্বাচনে দল ও প্রার্থীর অংশগ্রহণ। ১০টি নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ : ১৯৭৩ সালে-১৪টি রাজনৈতিক পার্টি ও প্রার্থীর সংখ্যা-১২০৯ জন এবং ১১ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ১৯৭৯ সালে-২৯টি ও ২৫৪৭ জন এবং বিনা-১১ জন, ১৯৮৬ সালে-২৮টি, ১৯৮৮ সালে-৮টি, প্রার্থীর সংখ্যা-১১৯২ এবং বিনা-১৮ জন, ১৯৯১ সালে-৭৫টি, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি-৪১টি, ১৯৯৬ সালে-৮১টি, প্রার্থীর সংখ্যা-১৪৫০ জন এবং বিনা-৪৯ জন ২০০১ সালে-৫৪টি, ২০০৮ সালে-৩৮টি ও পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর, তফসিল ঘোষণা থেকে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন পর্যন্ত-১৪২ জন নিহত। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি-১২টি রাজনৈতিক দল, প্রার্থীর সংখ্যা-৫৪৩ জন এবং বিনা-১৫৩ জন।
২০০৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বিএনপির ৪৯% ও আওয়ামী লীগের ২৫% প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা আছে।
।২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীেদর পেশা:।
| দল | কৃষি | ব্যবসা | চাকরি | আইন পেশা | অন্যান্য | মোট |
।২০০১ সনের নির্বাচন বিভাগ ও জেলা অনুযায়ী জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় সংসদের।
(রাজশাহী বিভাগ-২০০১-এ আসন সংখ্যা-৭২টি ছিল এবং ২০০৮ সালেও ৭২টি)
| ক্রমিক নং | জেলার নাম | আসন সংখ্যা-২০০১ | আসন, ভোটার সংখ্যা ও কোন আসনে কত টাকা খরচ করতে |
| ঠাকুরগাঁও | ০১ | ৩,২৭,৬৭৭ | ৩,৬৮,৯০৯ |
| ঠাকুরগাঁও | ০৩ | ২,৩৬,৫১২ | ২,৬৪,৯৫০ |
| দিনাজপুর | ০১ | ২,৭১,৯৫৮ | ৩,০৪,৫১৫ |
| দিনাজপুর | ০৩ | ২,৮০,০০৮ | ৩,১৪,৮৫৬ |
| দিনাজপুর | ০৪ | ২,৭৩,০০৮ | ৩,০৩,০৫৩ |
| দিনাজপুর | ০৫ | ৩,২০,৯৯৬ | ৩,৫৫,৬৮৫ |
| দিনাজপুর | ০৬ | ৩,৭৪,১০৭ | ৪,১৩,৫৮৪ |
| নীলফামারী | ০১ | ২,৮৮,৪৭৪ | ৩,৩২,৭৮৫ |
| নীলফামারী | ০৩ | ২,৩৪,৭৫২ | ২,৬১,৫১৯ |
| লালমনিরহাট | ০১ | ২,৪৩,০৬৯ | ২,৭৬,৬৩৯ |
| লালমনিরহাট | ০৩ | ১,৯৮,২২৮ | ২,২৪,৩১৮ |
| কুড়িগ্রাম | ০১ | ৩,৬৪,৮৬২ | ৪,১০,২২১ |
| কুড়িগ্রাম | ০৪ | ২,২৮,৫৪৪ | ২,০৩,০৩৫ |
| গাইবান্ধা | ০১ | ২,৬৭,৯৭০ | ৩,০২,৮৫৩ |
| গাইবান্ধা | ০২ | ২,৬৪,৩০৩ | ২,৯৬,০০১ |
| গাইবান্ধা | ০৩ | ৩,২৬,৭৭০ | ৩,৬৯,৭৯৭ |
| গাইবান্ধা | ০৪ | ৩,১১,৬৩৩ | ৩,৫২,৬২৫ |
| চাঁপাই নবাবগঞ্জ | ০১ | ০১ | ৩,২৯,৭৩৪ |
| চাঁপাই নবাবগঞ্জ | ০২ | ২,৯০,৬৮৯ | ৩,৩২,৬০১ |
| চাঁপাই নবাবগঞ্জ | ০৩ | ০৩ | ২,৯৭,৭৬১ |
| রাজশাহী | ০৩ | ২,৮৯,৮৩২ | ৩,১৯,৭৩৩ |
| রাজশাহী | ২০০১-কম ছিল | ২,৪৭,৬৯৮ | ২,৭৩,৮০৯ |
| সিরাজগঞ্জ | ০৫ | ২,৭২,০৭১ | ৩,০৩,২৭৭ |
।২০০১ সালে খুলনা বিভাগ-এ আসন সংখ্যা ছিল-৩৭ এবং ২০০৮ সালে হলো-৩৬।
| ক্রমিক নং | জেলার নাম | আসন সংখ্যা-২০০১ | আসন, ভোটার সংখ্যা ও কোন আসনে কত টাকা খরচ করতে |
| মেহেরপুর | ০১ | ২,২৩,৪২৩ | ২,৪৮,৫৭৬ |
| মেহেরপুর | ০২ | ১,৮৪,১০২ | ২,০৮,৪৭৩ |
| কুষ্টিয়া | ০১ | ২,৭৩,২৫১ | ৩,০৫,৮৪৭ |
| কুষ্টিয়া | ০৩ | ৩,০৩,৪০১ | ৩,৩৩,৭১৫ |
| কুষ্টিয়া | ০৪ | ২,৭৭,৮৭৮ | ৩,১২,৮৪২ |
| চুয়াডাঙ্গা | ০১ | ৩,৫৫,২৯১ | ৩,৯৭,০৩৪ |
| চুয়াডাঙ্গা | ০২ | ৩,২৯,৯৬৯ | ৩,৬৭,৭৭৮ |
| ঝিনাইদহ | ০১ | ২,২২,২৮২ | ২,৪৮,৪৬৫ |
| ঝিনাইদহ | ০২ | ৩,৪১,১২৬ | ৩,৭৭,৯৪০ |
| ঝিনাইদহ | ০৩ | ২,৮১,১৭৩ | ৩,১৭,৭৭০ |
| ঝিনাইদহ | ০৪ | ২,২৬,৮৯৬ | ২,৫২,৬০৪ |
| বাগেরহাট | ০৪ | ২,২৬,১৯২ | ২,৫৯,৬৬৯ |