১৯৬৯ সালে গণঅভ্যূত্থানকালে অনেক স্থানে বিডি মেম্বারগণ জনরোষে পড়েন।

১৯৭২ সালে দেশ স্বাধীনের পর প্রেসিডেন্টের আদেশবলে বহু সমালোচিত বিডি প্রথা বাতিল করা হয়। ইউনিয়ন কাউন্সিলের নাম পরিবর্তন করে "ইউনিয়ন পরিষদ" করা হয়।

১৯৭৩ সালে জনগণের সরাসরি ভোটে ইউনিয়ন পরিষদগুলোর একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস-চেয়ারম্যান ও ৯ জন মেম্বার নির্বািচত হন।

১৯৭৬ সালে ভাইস-চেয়ারম্যান পদ বিলোপ করা হয়।

১৯৯৭ সালের নির্বাচনে ৩টি ওয়ার্ড ভেঙ্গে ৯টি ওয়ার্ড করা হয়। প্রতি ওয়ার্ড থেকে একজন করে সাধারণ সদস্য নির্বাচনের বিধান করা হয়। মনোনয়ন প্রথা বাতিল করে সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে ৩(তিন) জন মহিলা মেম্বার সরাসরি ভোটে নির্বাচনের আইন করা হয়।

২০১৬ সালের ২২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: দেশে মোট ৪ হাজার ৫৭১টি ইউপির মধ্যে নির্বাচন হবে ৪ হাজার ৩০০টির কিছু বেশি ইউপিতে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন(বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরাসরি ভোটে চেয়ারম্যান নির্বািচত)।

১ম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়-১৯৭৩ সাল, শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে। তখন ছয়ফুল্লাকান্দি (পশ্চিম) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন-জনাব আবদুল বাতেন।

২য় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়-১৯৭৭ সাল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের আমলে। তখন ছয়ফুল্লাকান্দি (পশ্চিম) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন-জনাব মোঃ লিল মিঞা।

৩য় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়-১৯৮৩ ও ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের আমলে তখন ছয়ফুল্লাকান্দি (পশ্চিম) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন-জনাব মোঃ আনোয়ারুল হক(আশ্রাফুল ইসলাম)।

৪র্থ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়-১৯৮৮ সালে, প্রেসিডেন্ট হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদের আমলে। তখন ছয়ফুল্লাকান্দি (পশ্চিম) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন-মোঃ আনোয়ারুল হক(আশ্রাফুল ইসলাম), ২য়বার।

৫ম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়-১৯৯২ সালে, বি.এন.পি'র আমলে। তখন ছয়ফুল্লাকান্দি (পশ্চিম) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন-মোহাম্মদ আলী।

৬ষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়-১৯৯৭ সালে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। তখন ছয়ফুল্লাকান্দি (পশ্চিম) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন-মোঃ আনোয়ারুল হক(আশ্রাফুল ইসলাম), ৩য়বার।

৭ম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়-২০০৩ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত। বি.এন.পি' সরকারের আমলে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন-জনাব মোঃ শাহাজান মিঞা।

৮ম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হয়-২০১১ সালের এপ্রিল মাসে। ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন-মোঃ আনোয়ারুল হক(আশ্রাফুল ইসলাম), মারা গেছেন ০৭-০৪-২০১২ রাত্রে ঢাকাতে বারডেম হাসপাতালে (৪র্থবার)।

৮ম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হয়-(২০-০৬-২০১২ তারিখ) তার বাবা মারা য্‌াওয়ার পর সে প্রথমবার উপ-নির্বাচনে মোঃ আমিনুল ইসলাম (তুষাড়) ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান।

৯ম ইউনিয়ন পরিষদ এপ্রিল মাসের নির্বাচনে-ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন-মোঃ আমিনুল ইসলাম (তুষাড়)।

।তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন(সন ও ভোটারসংখ্যা):।

ক্রমিক নংনির্বাচনের সনভোটারসংখ্যা
১৯৫৪২,১০,০০,০০০ জন
১৯৬০২,৩৫,০০,০০০ জন
১৯৬৪২,৬৮,০০,০০০ জন
১৯৭০৩,১২,০০,০০০ জন
১৯৭৩৩,৫২,০০,০০০(বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নির্বাচন)
১৯৭৯৩,৮৪,০০,০০০(দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন) পুরুষ-২,০০,৩৪,৭১৭ ও নারী-১,৮৩,২৯,১৪১ জন
১৯৮৬৪,৭৩,০০,০০০(তৃতীয় সংসদ নির্বাচন) পুরুষ ভোটার ছিল-২,৫২,২৪,৩৮৫ জন ও
নারী-২,২৬,৫২,৫৯৪ জন
১৯৮৮৪,৭৩,০০,০০০(৪র্থ সংসদ নির্বাচন) পুরুষ ভোটার ছিল-২,৬৩,৭৯,৯৪৪ জন ও
নারী-২,৩৪,৮৩,৮৮৫ জন
১৯৯১৬,১৯,০০,০০০(৫ম সংসদ নির্বাচন) নির্বাচনের আগে হালনাগাদ তালিকায়
পুরুষ-৩,৩০,৪০,৭৫৭ জন ও নারী-২,৯১,৪০,৯৮৬ জন
১৯৯৬৫,৬০,০০,০০০(১৫ ফেব্রুয়ারি ৬ষ্ঠ সংসদ নির্বাচন) পুরুষ ভোটার ছিল-২,৮৭,৫৯,৯৯৪ জন
এবং নারী ভোটার ছিল-২,৭৯,৫৬,৯৪১ জন
১৯৯৬৫,৬০,০০,০০০(১২ জুনের ৭ম সংসদ নির্বাচন) একই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের
আগে হালনাগাদ তালিকায় পুরুষ-২,৩৭,৬৫,৭৫২ জন এবং নারী-২,৩২,৩৮,২০৪ জন
২০০১ সালের ৩০ জুন৭,৭৪,২৭,৭৭১(০১-১০-২০০১ ৮ম সংসদ) ২০০১ সালের ৩০ জুন হালনাগাদ করা হলে
হালানাগাদ করা-ভোটারসংখ্যাপুরুষ ভোটার ছিল-৩,৮৬,৮৪,৯৭২ জন এবং নারী ছিল-৩,৬৩,১৫,৬৮৪
জনপুরুষ ভোটার ওই তালিকায় ২৩,৬৯,২৮৮ জন বেশি ছিল
০৭-০৯-২০০৬ তারিখের৯,৩০,৮২,৪৯৯ হাল নাগাদ দেশে ভোটার সংখ্যাআর হাল নাগাদ বেড়েছে-১
ভোটার তালিকা করেছিলকোটি ৬৬ লাখ ৫৪ হাজারএকটি বিদেশী সংস্থা বলছে যে-১,২২,০০০০০(এক
বিএনপি:কোটি বাইশ লাখ ভোটার বেশীবিদেশী সংস্থার মন্তব্য সঠিক প্রমাণিত
২০০৭ সালের জুন থেকেদেশব্যাপী ছবিসহ ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন হলো-সারা দেশে মোট ৮(আট) কোটি
১৫-১০-২০০৮ তারিখের১১ লাখ ৩০ হাজার ৯৭৩ জন ছবি তুলেছেন ও ফরম পূরণ করেছেনকিন্তু চুড়ান্ত
মধ্যে ভোটার তালিকাভোটার তালিকায় নাম এসেছে ৮(আট) কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৬৯৮ জন
হাল নাগাদ করা হলোঅর্থাৎ ৭২ হাজার ২৭৫ জনের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ওঠেনিতা ছাড়া
২৭-১১-২০০৮ তারিখনির্বাচনী দায়িত্বে থাকা প্রায় ১৩ লাখ লোক এবার ভোট দিতে পারেনিএর
পর্যন্ত:মধ্যে নারী-৪,১২,৩৬,১৪৯ জন, পুরুষ-৩,৯৮,২২,৫৪৯ জন, তরুণ
ভোটার-১,৭০,০০,০০০ জন এবং নারী বেশি ১৪,১৩,৬০০ জন
যোগ হয়েছে ৫০,০০,০০০ লাখ এবংছিল ৮,১১,৩০,৯৭৩ জন এর সাথে যোগ হবে আরও ৫০,০০,০০০ লক্ষ
মারা গেছে ২,০০০০০ লাখ ভোটারমোট ভোটার সংখ্যা-৮,৬১,৩০,৯৭৩ জনঢাকা সিটি করপোরেশন-এ
হালনাগাদের সময় ১৮-১০-২০০৯হালনাগাদে ভোটার বেড়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৬৮১ জনডিসিসি
তারিখ পর্যন্তনির্বাচনে ভোট দেবেন ৩৭ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জনচুড়ান্ত তালিকা
প্রকাশ (০৪-০২-২০১০)
০১-০২-২০১৩ তারিখ প্রথম আলোর৯ কোটি ২১ লাখ ২৯ হাজার ৮৬২ জন ভোটারসর্বেশষ হিসাব-৪
রিপোর্ট:কোটি ৬২ লাখ ১ হাজার ৮৭১ জন পুরুষ এবং ৪ কোটি ৫৯ লাখ ২৭
হাজার ৯৮১ জন নারী
২৬-১১-২০১৩৯(নয়) কোটি ১৯(উনিশ) লাখ ৬৬(সিসট্টি) হাজার ২৯০(দুইশত নব্বই) জন ভোটারএর
তারিখের প্রথমমধ্যে পুরুষ-৪(চার) কোটি ৬১(একসট্টি) লাখ ২৩ হাজার ৩১৮(তিনশত আঠর) জন এবং
আলো: ৩০০মহিলা-৪(চার) কোটি ৫৮(আঠান্ন) লাখ ৪২(বিয়াল্লিশ) হাজার ৯৭২(নয়শত বাহাত্তর)
আসন:জন ভোটারঢাকায় ভোটার সংখ্যা-৭২ লাখ-২০টি আসনে১৪৭টি আসনে ৪ কোটি
৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৮ জন ভোটারের ভোট হবে
০১-০২-২০১৬হালনাগাদের পর বর্তমানে দেশের ভোটারসংখ্যা ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৩ জন
তারিখের প্রথমএর মধ্যে পুরুষ ৫ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার ৩৬২ জন(৫০ দশমিক ৩৭ শতাংশ) ও নারী ৪
আলো:কোটি ৯৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৯১ জন(৪৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ)হালনাগাদ সময় ৭ লাখ ৩৫
হাজার ৮৭১ জন মৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে২০০৮ সালে
ছবিসহ ভোটার তালিকার যাত্রা শুরু হয়তখন দেশের ভোটারসংখ্যা ৮ কোটি ১০
লাখের বেশিনাম নতুন ভোটার হলেন ৪৪ লাখ ৩২ হাজার ৯২৭ জনএরমধ্যে পুরুষ
২৩ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৫ জন আর মহিলা ২১ লাখ ২৩২ জনএর ফলে দেশে ভোটার
সংখ্যা দাঁড়িয়েছে-৯ কোটি ৬১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫২ জনএর মধ্যে পুরুষ-৪ কোটি
৭৭ লাখ ৪৭ হাজার ১০ জন এবং ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৫১ হাজার ৬৪২ জন নারী ভোটার
হালনাগাদের আগে ভোটার সংখ্যা ছিল-৯ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৫৩১ জন
হালনাগাত ভোটারসংখ্যা-১০ কোটি ৩৫ লাখ ৯৫ হাজার ৬০৯ জন

।পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন ও ক্ষমতাসীন দলের নাম: ১৪-০৮-১৯৪৭ হতে ১৬-১২-১৯৭১ সাল পর্যন্ত:।

১৯৫৪ সালে প্রথম সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে পূর্ব-পাকিস্তানে যুক্তফ্রন্ট।

১৯৬০ সালে সামরিক প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খানকে হ্যাঁ বা না ভোটের মাধ্যমে তাঁর পক্ষে রায়।

১৯৬২ সালে "মৌলিক গণতন্ত্র" নামে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (আইয়ূব খানের অধীনে), মুসলিম লীগ সরকার গঠন করে।

১৯৬৪ সালে পুনরায় "মৌলিক গণতন্ত্র" নামে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (আইয়ূব খানের অধীনে),

মুসলিম লীগ সরকার গঠন করে। ১৯৬৪ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে

পাকিস্তানের জাতির পিতা মরহুম কায়েদে-আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্‌ এর ছোট বোন

ফাতেমা জিন্নাহ্‌কে পরাজিত করে ফিল্ড মার্শাল মোঃ আইয়ূব খান দ্বিতীয়বারের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।

১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের মোট আসনসংখ্যা-৩১৩টি। পূর্ব-পাকিস্তানে-১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন লাভ করে, পিডিপি-১টি ও স্বতন্ত্র-১টি আসন লাভ করে এবং পশ্চিম-পাকিস্তানে-১৪৪টি আসনের মধ্যে পাকিস্তান পিপলস পার্টি-৮১টি আসন লাভ করে, জামাতে ইসলামী-৪টি আসন লাভ করে, স্বতন্ত্র-১৩টি ও অন্যান্য ৬টি দল-৩৯টি আসন লাভ করে। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করায় পাকিস্তানে সকরার গঠন করার অধিকার একমাত্র আওয়ামী লীগের। কিন্তু পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টোর ষড়যন্ত্রে পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ও প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের যোগসাজসে ১ মার্চ ১৯৭১ সালে জাতীয় সংসদের সভা বাতিল ঘোষণা করে। ঘোষণার পরপরই সাধারণ জনগন পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে। প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে আওয়ামী লীগ।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষণে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। তিনি বলেন-সরকারী কর্মচারিরা ২৮ মার্চ তারিখে বেতন নিয়ে আসবেন। ১৬ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ সকাল পর্যন্ত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আলোচনার নামে প্রহসন চালিয়ে অতঃপর ২৫ মার্চ রাত ৮-০০ টায় প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টো সামরিক বিমানে পাকিস্তান চলে যাওয়ার পূর্বে পূর্ব-পাকিস্তানে সামরিক অভিযান পরিচালনার হুকুম দিয়ে যায়। তখনই রাত ১১টার সময় শুরু হয় বাঙ্গালীর উপর নির্যাতন।

।ব্রিটিশ, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নির্বাচন:।

১৯৩৭ সালে প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে বাংলার প্রধানমন্র্তত্রী নির্বািচত হন শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক (১৯৩৭-১৯৪১ পর্যন্ত)। দ্বিতীয়বারেও তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বািচত হন (১৯৪১-১৯৪৩ পর্যন্ত)। প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক সরকারি চাকরির ৫০ ভাগ মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণ করেন। পরবর্তীেত তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাঁরই মন্ত্রীসভার সদস্য খাজা নাজিমউদ্দিনকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন ১৯৪৩-১৯৪৫ পর্যন্ত। ১৯৪৬ সালে ভারতবর্ষের সাধারণ নির্বাচনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বািচত হন পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু। অর্থমন্ত্রী নির্বািচত হন লিয়াকত আলী খান। এ নির্বাচনে জাতীয় নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নির্বািচত হন।

১৯৩৭ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রতিনিধি ছিলেন ঢাকার প্রখ্যাত খাজা পরিবারের মরহুম নওয়াবজাদা খাজা নছরউল্লা। ১৯৪৬ সালে এ থানার প্রতিনিধি ছিলেন নবীনগর থানার নাছিরাবাদ গ্রামের মরহুম আলী আহাম্মদ খাঁন। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ পৃথক হয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে এ থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি দরিকান্দি গ্রামের মরহুম এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল মিয়া)। পরে যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রীসভায় তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৬২ ও ১৯৬৪ সালের নির্বাচনে এ থানার প্রতিনিধি হয়েছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর গ্রামের মরহুম এডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান। তিনি পরপর দু'বার এম.এন.এ নির্বািচত হন। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে এম.এন.এ. নির্বািচত হন নবীনগর থানার বড়িকান্দি গ্রামের এডভোকেট দেওয়ান আবুল আব্বাস (বাচ্চু মিঞা) এবং প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি(এম.পি.এ) মরিচাকান্দি গ্রামের মরহুম গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ (আফতাব মিঞা)। ১৬-১২-১৯৭১ সালে বাংলাদেশ বিজয় লাভের পর ১৯৭৩ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি দরিকান্দি গ্রামের ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় সাধারণ নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি দরিকান্দি গ্রামের মরহুম মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা)। ১৯৮৬ সালের তৃতীয় সাধারণ নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি কদমতুলি গ্রামের জনাব সহিদুর রহমান। ১৯৮৮ সালের চতুর্থ সাধারণ নির্বাচনে প্রতিনিধি নির্বািচত হন ডোমরাকান্দি গ্রামের মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি আশরাফ। তিনি ১৯৯১ সালের পঞ্চম সাধারণ নির্বাচনেও প্রতিনিধি নির্বািচত হন। সাংসদ থাকাকালীন সময়ে ১৯-১১-১৯৯৪ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। ১৯৯৪ সালের উপ-নির্বাচনে রূপসদী গ্রামের মোঃ শাহজাহান হাওলাদার (সুজন) নির্বািচত হন। তিনি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের নির্বািচত হন। তাঁর মৃত্যু হয় ৩ জুলাই, ২০০১ সালে। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের সপ্তম সাধারণ নির্বাচনে নির্বািচত হন পাড়াতুলি গ্রামের ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম(তরু)। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর, অষ্টম সাধারণ নির্বাচনে নির্বািচত হন বাড়াইলচর (বাহেরচর) গ্রামের জনাব মোঃ আবদুল খালেক, পি.এস.সি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নবম সাধারণ নির্বাচনে নির্বািচত হন পাড়াতুলি গ্রামের ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু)। ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু)-এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল মিয়া)'র ৫৫ বছর বছর পর মন্ত্রী হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির, জাতীয় ১০ম সাধারণ নির্বািচনে নির্বািচত হন পাড়াতুলি গ্রামের ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু)।

। উপজেলা পরিষদ চালু হওয়ার পর ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বািচত হন মানিকপুর গ্রামের প্রাক্তন।

পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ও ডি.আই.জি.(অবঃ) মরহুম এম.এ.আওয়ালতিনি ০৭-০৮-১৯৮৫ সালে সড়ক দূর্ঘটনায়
মৃত্যুবরণ করেন১৯৮৬ সালের উপজেলা উপ-নির্বাচনে দরিকান্দি গ্রামের ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক নির্বািচত
হন১৯৯০ সালে উপজেলা নির্বাচনে বুধাইরকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ দুদ মিয়া(মাস্টার) নির্বািচত হনএরপর আর
উপজেলা নির্বাচন হয়নি২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বািচত হন জনাব মোঃ সিরাজুল
ইসলাম(আওয়ামী লীগ)উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচনে নির্বািচত হন: দরিয়াদৌলত গ্রামের ডলি আক্তার
(আওয়ামী লীগ) ও জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)উপজেলা পরিষদে এবারই একজন পুরুষ ও মহিলা
ভাইস-চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি হয়েছেউপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সফিকুল ইসলাম মারা গেছেন ০২-০৮-২০১০
তারিখ২০১৪ সালের ২৬ জুনের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বািচত হন জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম(আওয়ামী
লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেনক্ষমতা পান ০৬-০৮-২০১৪ তারিখ

।এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংসদের আয়ুকালের হিসেব নিম্নে দেয়া হলো:।

১) ১ম সংসদের আয়ুস্কাল ছিল-২ বছর ৬ মাস (১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল)। অধিবেশন বসে-৭ এপ্রিল, ১৯৭৩ থেকে ৬ নভেম্বর, ১৯৭৫ শেষ।

২) ২য় সংসদের আয়ুস্কাল ছিল-২ বছর ১১ মাস (১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল)। অধিবেশন বসে-২ এপ্রিল, ১৯৭৯ থেকে ২৪ মার্চ, ১৯৮২ পর্যন্ত।